17/03/2023
********ওঁ নমো ভগবতে রামচন্দ্রায় *********
----।।ওঁ নমো ভগবতে শ্রীশ্রী রামচন্দ্রায়।। ------
---------------- শ্রীশ্রী রাম স্তোত্রম্ -------------------
নমঃ শ্রীরামচন্দ্রায় নিত্যানন্দস্বরূেিণে।
কলিকল্মষনাশায় প্রেমামৃত - প্রবর্ষণে।।
-------------শ্রীশ্রী ঠাকুরের জীবন কথা ---------
----------মহেন্দ্র চক্রবর্তী কর্তৃক সঙ্কলিত --------
-----ডিঙ্গামাণিক -- শ্রীশ্রী সত্যনারায়ণের সেবা মন্দির হইতে প্রকাশিত ~~~ ~~
👋👋👋বাল্য ও কৈশোর: জীবন 👋👋👋
💝
ইতিপূর্বে বলা হয়েছে ১২৬৬ বঙ্গাব্দে ২১ শে মাঘ
প্রেমাবতার রামঠাকুর ধরাধামে অবতীর্ণ হন।।
💝 জ্যোতিষ শাস্ত্রানুসারে তাঁহার জন্মদিন ও জন্মলগ্ন অতীব শুভ,জ্যোতিবিদ্ গণ তাহাই বলিয়াছিলেন।
💝 তিনি একটি সুন্দর দিনে মনোহর পরিবেশের মধ্যে ভূমিষ্ঠ হইয়াছিলেন।
💝এই কথা তাঁহার জননীর মুখে শুনিয়াছি।
সেদিন রজনীর অন্ধকার দূর করিয়া প্রভাত - সূর্য
পূর্বাকাশে উদিত হইয়াছে।
💝তাহার উজ্জ্বল কিরণে চারিদিক উদ্ভাসিত, ---
বাসন্তী পঞ্চমী শেষে নির্মল বায়ু মৃদুমন্দ বহিতেছিল।চতুর্দিকে এক অনির্বচনীয় আনন্দের ঢেউ খেলিয়া যাইতেছিল।
💝পিতামহী ঠাকুরাণী বলিয়াছেন, রামের জন্য তাঁহাকে প্রসব যাতনা অধিকক্ষণ ভোগ করিতে হয় নাই।কিন্তু ঠাকুরের অনুজ লক্ষণের নিমিত্ত ঐ
যাতনা অধিকক্ষণ ভোগ করিতে হইয়াছিল।( যজম ভাই- রাম বড়,আর লক্ষণ ছোট) । 💯
💝ঁরাধামাধব বিদ্যালঙ্কার মহাশয়ের গৃহে যুগপৎ
দুই শিশুর শুভাগমনবার্তা শ্রবণ করিয়া প্রতিবেশিনী মহিলারা আঁতুড় গৃহ প্রাঙ্গণে সমবেত হইলেন এবং উলুধ্বনি দ্বারা সে শুভাবার্তা ঘরে ঘরে পৌঁছাইলেন।
💝 লক্ষণ ঠাকুর ভূমিষ্ঠ হইলে দেখা গেল তাঁহার দেহ বিকৃত যেন একটি মাংস- পিণ্ড, স্পন্দনহীন।
💯 প্রথম দর্শনে মনে হইল যেন ইহাতে প্রাণ সঞ্চারিত হয় নাই।
💝 পিতামহী ঠাকুরাণী বলিয়াছেন, সকলেই তখন
মনে করিল এই শিশু বাঁচিবে না,
একটা খোলে করিয়া শিশুটিকে একদিকে সরাইয়া রাখা হইল।
💯 পিতামহী ঠাকুরাণীর সাহায্যার্থ আমাদের যে
আত্মীয়া আঁতুড় গৃহে ছিলেন, তাঁহার চেষ্টায় ও
ধাত্রীর পরিচর্যায় শিশু।টি একটু স্বাভাবিক আকার ও অবস্থা প্রাপ্ত হইল,ক্রমে তাহার স্পন্দন শক্তি আসিল।
জন্মের ষষ্ঠ দিবসে শিশুটি আবার কঠিন শিশুরোগে আক্রান্ত হইয়া মৃতপ্রায় হইল।
💝 আমাদের পিতামহ ঠাকুর অন্যত্র ছিলেন, ঘটনাচক্রে সেইদিনই বাড়িতে ফিরিয়া আসিলেন।
💝 তিনি তৎক্ষনাৎ সূতিকা গৃহে যাইয়া শিশুটিকে অকাল কালগ্রাস হইতে রক্ষা করিলেন।
💝 শিশুটির রিষ্টি দোষ দূরীভূত হইল।উভয় শিশুর মস্তকে হাত রাখিয়া তাহাদিগকে আশীর্বাদ
করিলেন।
💝 সাধারণতঃ মহাপুরুষদিগকে জীবনীতে দেখা
যায়,তাঁহারা জন্ম হইতে অলৌকিক শক্তির পরিচয় দিয়া থাকেন।
💝 ঠাকুর কিন্তু এইরূপ কোন প্রকার শক্তির পরিচয় দিয়াছেন বলিয়া তাঁহার জননী কি অপর কেহ তেমন কিছু বলেন নাই।।
সবাই বলবেন -- জয় রাম, জয় লক্ষ্মণ।।
রাণীগণ ও ঠাকুর অমৃত জন্মকাহিনী পাঠ করে
প্রাণের ঠাকুরকে একবার জয় রাম বলে স্মরণ করেন।।
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।
জয় গুরু, জয় রাম, জয় সত্যনারায়ণ।।
💝💝💝💝💝💝💝💝💝💝💝💝💝💝💯💯💯💯💯💯এই ঠাকুরের জন্মকাহিনী নিজ মাতৃদেবীর মুখে শুনিয়েছেন।।
💝💝 পরবর্তী আসছে - বাল্যজীবন 💝💝।।