Nowagoan Jame Masjid

Nowagoan Jame Masjid Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Nowagoan Jame Masjid, Mosque, Dargapasha Point, Dargapasha, Dakshin Sunamganj, Sunamganj.

30/03/2025
জুম্মা মোবারক ৩০/০৮/২০২৪ ইং
30/08/2024

জুম্মা মোবারক
৩০/০৮/২০২৪ ইং

اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ وَاَللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلِلَّهِ الْحَمْدُউচ্চার...
16/06/2024

اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ وَاَللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ
উচ্চারণ : ‘আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর, ওয়ালিল্লাহিল হামদ্।’

অর্থ : ‘আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; আল্লাহ মহান, আল্লাহ ব্যতিত কোনো উপাস্য নেই; সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আল্লাহ মহান।’

আমরা বলি আমাদের পাপ বেশি।-আল্লাহ্ বলেন আমিতওবাকারীদের ভালোবাসি।জুম্মা মোবারক
26/05/2023

আমরা বলি আমাদের পাপ বেশি।
-আল্লাহ্ বলেন আমি
তওবাকারীদের ভালোবাসি।

জুম্মা মোবারক

05/05/2023

খুতবার সময় দানবাক্স চালানো

জুমআর সওয়াবকে নষ্ট করে দেয়ার মত কাজ

অনেক মসজিদে দেখা যায়, জুমআ'র খুৎবা চলা অবস্থায়ও দানবাক্স চলতে থাকে। হাদীস শরীফে খুৎবা চলা অবস্থায় অন্যকে চুপ করতে বলাকেও অনর্থক কাজ বলা হয়েছে। সেখানে খুৎবার সময় দানবাক্স চালানো তো আরো বড় অনর্থক কাজ। সুতরাং তা পরিহার করা জরুরী।

বিগত একটি জুমআয় খুতবার সময়ে একজন মুরুব্বি লোক পকেট থেকে আতর বের করে নিজে লাগালেন। পাশাপাশি তাঁর আশেপাশের যতজনকে সম্ভব হয় সবাইকে স্বেচ্ছায় সেধে সেধে আতর লাগিয়ে দিলেন। তাঁর নিয়তটি অবশ্যই ভাল। জুমআর দিন সুগন্ধি ব্যবহার সুন্নত। তিনি হয়ত সেই সুন্নতের উপর আমল করতে চেয়েছেন। কিন্তু তিনি হয়ত জানেন না খুতবার সময় এই কাজটিও একটি অনর্থক কাজ বলে বিবেচিত হতে পারে। কারণ একটি হাদীসে এসেছে, খুতবার সময় বেখেয়ালে একটি পাথরও যদি কেউ স্পর্শ করে তাহলেও তা একটি অনর্থক কাজ।

প্রায় সকল মসজিদেই দানবাক্স চালানোর জন্য খুতবার আগে অথবা নামাজের পরে সময় দেয়া হয়। ইমাম সাহেবগণ খুতবার সময় দানবাক্স না চালানোর ব্যাপারে বারবার সতর্ক করেন। কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায় কিছু অসচেতন মুসল্লি খুতবা চলাকালীন সময়ে এক পাশ থেকে দানবাক্স চালু করে দেন। যদিও ইমাম সাহেব দানবাক্স চালানোর কথা বলেন নি। ইমাম সাহেবের নিষেধ সত্ত্বেও অনেককে এরকম কাজ করতে দেখা যায়। আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে ওযু করে জুমার জন্য মসজিদে এল তারপর চুপ থেকে খুৎবা শুনল তার দশ দিনের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়। আর যে (খুতবার সময় একটি সামান্য) নুড়ি পাথর স্পর্শ করল সে ‘অনর্থক’ কাজ করল।
(সহীহ মুসলিম, কিতাবুল জুমুআ, হাদীস : ৮৫৭)

আরেক হাদীসে এসেছে, জুমার দিন খুৎবা চলা অবস্থায় যদি তোমার পাশের সাথীকে বল, ‘চুপ কর’ তাহলে তুমিও একটি অনর্থক কাজ করলে। (সহীহ বুখারী, হাদীস ৯৩৪; সহীহ মুসলিম, হাদীস ৯৩১)

‘নাহি আনিল মুনকার’ বা গোনাহের কাজ থেকে নিষেধ করা তো ভালো। কিন্তু খুৎবা চলা অবস্থায় সেটাকেও অনর্থক ও গোনাহের কাজ বলা হয়েছে। মসজিদের জন্য দান করা বা দান সংগ্রহ করা নিঃসন্দেহে সওয়াবের কাজ। কিন্তু তা যদি খুৎবা চলা অবস্থায় করা হয় তাহলে তাও অনর্থক ও গোনাহের কাজ বলে গণ্য হবে। এজন্য এ বিষয়ে খুবই সতর্ক থাকা জরুরী।

রেফারেন্সঃ
মাসিক আলকাউসার
https://www.alkawsar.com/bn/article/804/

জুমআর দিনের সুন্নাহ ভিত্তিক কিছু আমল সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে এই পোস্টে:
https://muslimsday.com/জুমআর-দিনের-আমল/

This content is copied from Muslims Day Android App
Download Link: https://play.google.com/store/apps/details?id=theoaktroop.appoframadan

কুসংস্কার থেকে বেঁচে সুন্নাহ অনুসরণ করি।
29/04/2023

কুসংস্কার থেকে বেঁচে সুন্নাহ অনুসরণ করি।

27/04/2023

ইসলাম সততা ও শুভ্রতার ধর্ম। ইসলামের প্রতিটি বিধান ও আচরণবিধিতে সততার শিক্ষা বিদ্যমান। পক্ষান্তরে মিথ্যা, ধোঁকা ও প্রতারণা ইসলামে ঘৃণ্য পাপ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। একজন প্রকৃত মুমিন ও দায়িত্বশীল মুসলিম কারও সঙ্গে প্রতারণা করতে পারে না। আল্লাহর সন্তুষ্টিকামী মুসলিম হিসেবে এবং মহাসত্যবাদী নবীর উম্মত হিসেবে কখনই কাম্য নয় কোনো মুসলিম কারও সঙ্গে প্রতারণা করবে। সামাজিক লেনদেন বা ব্যবসায়-বাণিজ্যে চাতুর্য বা প্রতারণার আশ্রয় নেবে। মহানবী (সা.)-এর দ্ব্যর্থহীন ঘোষণা, ‘যে আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করে, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।’ (মুসলিম : ১৬৪)

প্রতারণার মাধ্যমে উপার্জিত অর্থ হালাল নয়। প্রতারণার কামাই মানে অবৈধ উপার্জন, হারাম কামাই। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে হারাম সম্পদ ভক্ষণ করা থেকে কঠিনভাবে বারণ করেছেন। বর্ণিত হয়েছে- ‘হে মুমিনগণ, তোমরা পরস্পরের মধ্যে তোমাদের ধন-সম্পদ অন্যায়ভাবে খেয়ো না, তবে পারস্পরিক সম্মতিতে ব্যবসার মাধ্যমে হলে ভিন্ন কথা।’ (সুরা নিসা : ২৯)

বাছবিচারহীন উপার্জন দিয়ে উদরপূর্তির নিন্দা করে আল্লাহ জানিয়েছেন- এটা ঈমানহীন লোকদের কাজ, ঈমানদার ব্যক্তি এ কাজ করতে পারে না। হারাম উপার্জন দিয়ে পেট ভরলে তার ঠিকানা জাহান্নাম। বর্ণিত হয়েছে- ‘কিন্তু যারা কুফুরি করে, তারা ভোগ বিলাসে মত্ত থাকে এবং জন্তু জানোয়ারের মতো উদরপূর্তি করে; আর জাহান্নামই তাদের নিবাস।’ (সুরা মুহাম্মাদ : ১২)। তেমনি রাসুলুল্লাহ (সা.) পরিষ্কার বলেছেন- ‘হারাম খাদ্য দিয়ে প্রতিপালিত দেহ জান্নাতে প্রবেশ করবে না।’ (শুয়াবুল ঈমান : ৫৭৫৯)

প্রতারণা করে উপার্জিত অর্থে গঠিত দেহের ঠিকানা জাহান্নাম। এ অর্থের দান আল্লাহ গ্রহণ করেন না। এমন ব্যক্তির দোয়াও আল্লাহ কবুল করেন না। একটি দীর্ঘ হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা পুত-পবিত্র, তিনি পুত-পবিত্র জিনিসকেই গ্রহণ করেন। আল্লাহ তায়ালা যে কাজ করতে রাসুলদের প্রতি নির্দেশ করেছেন তদ্রূপ এই একই কাজের নির্দেশ মুমিনদেরকেও করেছেন। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘হে রাসুলগণ! পাক-পবিত্র হালাল রুজি খাও এবং নেক আমল কর।’ (সুরা মুমিনুন : ৫১)। আল্লাহ আরও বলেন, ‘হে মুমিনগণ! আমি তোমাদেরকে যা উপজীবিকা স্বরূপ দান করেছি সেই পাক-পবিত্র বস্তুসমূহ ভক্ষণ করো।’ (সুরা বাকারা : ১৭২)। অতঃপর তিনি (সা.) দৃষ্টান্ত হিসেবে এক ব্যক্তির অবস্থা উল্লেখ করে বলেন, ‘এক ব্যক্তি দূর-দূরান্তের সফর করছে, তার মাথার চুল এলোমেলো, শরীর ধুলাবালুতে মাখা। এ অবস্থায় ওই ব্যক্তি দুই হাত আকাশের দিকে উঠিয়ে কাতরকণ্ঠে বলে ডাকছে, হে রব! হে রব!’ কিন্তু তার খাবার হারাম, পানীয় হারাম, পরনের পোশাক হারাম। আর এ হারামই সে ভক্ষণ করে থাকে। তাই এমন ব্যক্তির দোয়া কীভাবে কবুল হতে পারে? (মুসলিম : ১০১৫)

একজন মুমিন কিছুতেই ভুলে যেতে পারে না, নিজের উপার্জিত প্রতিটি অর্থ সম্পর্কে আল্লাহর কাছে জবাবহিদি করতে হবে। অবৈধ উপার্জনের হিসাব না দিয়ে এক চুল আগাতে পারবে না। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘কেয়ামতের দিন বান্দার পা দুখানি সরবে না। (অর্থাৎ আল্লাহর সামনে থেকে যাওয়ার তাকে অনুমতি দেওয়া হবে না) যতক্ষণ না তাকে প্রশ্ন করা হবে; তার আয়ু সম্পর্কে, সে তা কিসে ক্ষয় করেছে? তার বিদ্যা সম্পর্কে, সে তাতে কী আমল করেছে? তার মাল সম্পর্কে, কী উপায়ে তা উপার্জন করেছে এবং তা কোন পথে ব্যয় করেছে? আর তার দেহ সম্পর্কে, কোন কাজে সে তা ক্ষয় করেছে?’ (তিরমিজি : ২৪১৭)

পরিতাপের বিষয় বস্তুবাদী শঠতাপূর্ণ বিশ্বব্যবস্থায় প্রতারণা এখন একটা শিল্পের রূপ পরিগ্রহ করেছে। সহজ-সরল মানুষের বিশ্বাস পুঁজি করে, মানবতার ফেরিওয়ালার লেবেলে বিচিত্রভাবে প্রতারণার প্রতিযোগিতা চলছে। বিশেষত আধুনিক প্রযুক্তি ও অন্তর্জালের বিস্তারে সত্য ও সততা সোনার হরিণে পরিণত হয়েছে। ঘরে-বাইরে, কাছের-দূরের মানুষ দ্বারা মানুষ প্রতারিত হচ্ছে। ব্যক্তি-সমষ্টি প্রচঞ্চনার জাল বিছিয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠায় প্রাণান্তকর প্রয়াস চালাচ্ছে। কিন্তু কারও যেন ভেবে দেখার সময় নেই- এভাবে আসলে আমরা কেউ জিতছি না। আমরা কেউ কাউকে নয়, আসলে নিজেকেই প্রতারিত করছি।

কথায় কথায় আমরা অন্যকে ফাঁকি দেই, চালাকি করি এবং প্রতারণার আশ্রয় নিই। আমরা কি কখনও ভেবে দেখেছি এটা কত বড় অপরাধ? এর পরিণতি কত ভয়াবহ? ইসলামে খেলাচ্ছলে, ঠাট্টা করে কিংবা সরল মনে শিশুদের সঙ্গেও মিথ্যা-প্রতারণা নিষেধ। আমাদের কাউকে কেউ যদি মুনাফিক বলে তাহলে তার দিকে তেড়ে যাব অথচ রাসুলুল্লাহ (সা.) কী বলছেন শুনুন, ‘মুনাফিকের আলামত তিনটি- ১. যখন কথা বলে মিথ্যা বলে। ২. আমানত রাখলে খেয়ানত করে এবং ৩. প্রতিশ্রুতি দিলে তা ভঙ্গ করে।’ (বুখারি : ২৫৬২)

মিথ্যা বলা ছাড়া প্রতারণা করা যায় না। মিথ্যার শিল্পিত রূপই প্রতারণা। কোরআন ও হাদিসে মিথ্যার নিন্দা ও অপরাধের ভয়াবহতা সম্পর্কে অনেক বাণী এসেছে। শুধু একটি হাদিস খেয়াল করুন যেখানে বলা হয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গুনাহগুলোর অন্যতম হলো মিথ্যা বলা। যেমন- রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘আমি কি তোমাদের সবচেয়ে বড় কবিরা গুনাহের খবর দেব না?’ তিনি তিনবার উচ্চারণ করলেন প্রশ্নটি। সাহাবিরা বললেন, অবশ্যই হে আল্লাহর রাসুল। তিনি বললেন, আল্লাহর সঙ্গে শরিক করা, পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া- তিনি বসা অবস্থা থেকে হেলান দিয়ে বললেন- এবং মিথ্যা কথা বলা। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি কথাটির পুনরাবৃত্তি করতেই থাকলেন, এমনকি মনে মনে বললাম, ইস তিনি যদি নীরব হয়ে যেতেন! (বুখারি : ২৬৫৪; মুসলিম : ৮৮)। আল্লাহ সবাইকে বোঝার ও আমল করার তাওফিক দিন

🌙 শাওয়ালের ৬ রোজার ফজিলত:কিন্তু যে অনন্য মহিমায় ভাস্বর হয়ে থাকে পবিত্র মাহে রমজান, অতুলনীয় যে ফজিলতকে তা ধারণ করে রা...
24/04/2023

🌙 শাওয়ালের ৬ রোজার ফজিলত:

কিন্তু যে অনন্য মহিমায় ভাস্বর হয়ে থাকে পবিত্র মাহে রমজান, অতুলনীয় যে ফজিলতকে তা ধারণ করে রাখে, পরের মাস শাওয়ালের চাঁদ ওঠার সাথে সাথেই কি তা একেবারে শেষ হয়ে যাবে? মহামহিম আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে অনুগত বান্দাদের জন্যে ব্যবস্থা ঠিক এরকম নয়। শাওয়ালের প্রথম তারিখ ঈদুল ফিতরের দিন রোজাকে নিষিদ্ধ করে রমজানের অনন্যতাকে একদিকে অধিক স্পষ্ট করা হয়েছে, অপরদিকে ঈদের পরদিন থেকেই পুরো মাসজুড়ে ঐচ্ছিকভাবে আরেকটি ফজিলতের ঘোষণা দেওয়া

হয়েছে।

সহীহ মুসলিম শরীফের বর্ণনা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন,

‎‫مَنْ صَامَ رَمَضَانَ ثُمَّ أَتْبَعَهُ سِنًّا مِنْ شَوَّالٍ كَانَ كَصِيَامِ الدَّهْرِ‬‎ 'যে রমজান মাসের রোজা রাখল, এরপর শাওয়ালের ছয়টি রোজা রাখল, সে যেন পুরো বছরই রোজা রাখল।' [হাদীস নং ১১৬৪]

যে কোনো ভালো কাজ করলে দশগুণ নেকি পাওয়া যায়- এটি কুরআনের ঘোষণা। সুরা আনআমে আল্লাহ তায়ালার ইরশাদ-

যে একটি নেক আমল করবে তার দশগুণ সমান

'যে কেউ কোনো ভালো কাজ করবে, সে এর দশগুণ নেকি লাভ করবে।' [আয়াত: ১৬০]

রমজানের ত্রিশটি রোজা রাখার পর শাওয়ালের ছয়টি রোজা রাখলে মোট রোজার সংখ্যা দাঁড়ায় ছত্রিশটি। আর ছত্রিশটি রোজার দশগুণ হচ্ছে তিনশ ষাটটি রোজা। এ অর্থেই শাওয়ালের ছয় রোজার মাধ্যমে পুরো বছরের রোজা রাখার সওয়াব পাওয়া যায়। হাদীসের ভাষ্য থেকে এটাও স্পষ্ট, শাওয়ালের ছয় রোজা দিয়ে পুরো বছরের রোজার নেকি হাসিল করতে হলে অবশ্যই রমজানের পুরো মাস রোজা রাখতে হবে। রমজানের রোজা না রেখে, কিংবা কিছু রেখে কিছু না রেখে শাওয়ালের রোজা রাখলে এ ফজিলত পাওয়া যাবে না। রমজান মাস যদি উনত্রিশ দিনে শেষ হয়ে যায়, তবু এ সওয়াব প্রাপ্তির জন্যে শাওয়ালের ছয়টি রোজাই যথেষ্ট। এক্ষেত্রে এমনটি মনে করার অবকাশ নেই, রমজান মাস উনত্রিশ দিনে শেষ হলে হয়তো শাওয়াল মাসে সাতটি রোজা রাখতে হবে। কারণ হাদীসে স্পষ্টভাবেই রমজান মাসের রোজা রাখার পর শাওয়ালের ছয়টি রোজা রাখার কথা বলা হয়েছে। রমজান মাস ত্রিশ দিনে শেষ হলো, না উনত্রিশ দিনে -তা এক্ষেত্রে বিবেচ্য নয়।

⏩ শাওয়ালের ৬ রোজা রাখার নিয়ম:

এ ছয়টি রোজা কীভাবে রাখতে হবে-বিরতিহীনভাবে, না বিরতি দিয়ে দিয়ে? ঈদুল ফিতরের পর পর, না মাসের শেষ দিকে? না মাসের মাঝের দিনগুলোতে? এসব বিষয়ে হাদীস বিশারদ মনীষীগণের পক্ষ থেকে সবরকম যতই বর্ণিত হয়েছে। কেউ বলেছেন, মাসের শুরুর দিকে বিরতিহীনভাবে এ ছয় রোজা রাখা উত্তম। কারণ এতে একটি কল্যাণকর কাজ দ্রুত সম্পাদিত হবে। আবার কেউ বলেছেন, শেষ দিকে কিংবা বিরতি দিয়ে দিয়ে রোজাগুলো রাখা উত্তম হবে। কেননা এতে রমজানের ফরজ রোজার সাথে এ নফল রোজার একটি পার্থক্য স্পষ্টরূপে ফুটে উঠবে। মোটকথা, এ রোজাগুলো যেভাবেই রাখা হোক, মাসের যে সময়েই রাখা হোক, হাদীসে বর্ণিত এ সওয়াব পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ। অনেকে অবশ্য বিরতিহীনভাবে এ ছয় রোজা রাখাকে জরুরি মনে করে থাকে, এ ধারণাটি ঠিক নয়।

আরও কয়েকটি নফল রোজা ঈদুল ফিতরের মধ্য দিয়ে মাসব্যাপী সিয়ামসাধনার সমাপ্তি ঘটে- এ কথা ঠিক। কিন্তু এর চেতনা ও শিক্ষা একজন মুমিন বাকি এগারটি মাস মনেপ্রাণে ধারণ করে। শুধু তাই নয়, হাদীস শরীফে এমন আরও কিছু রোজার কথা বর্ণিত হয়েছে, যেগুলো সওয়াব ও পুরস্কারপ্রাপ্তির দিক দিয়ে সারা বছরের রোজা রাখার সমতুল্য। কিছু রোজা আবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বছর জুড়ে নির্দিষ্ট সময়ে রাখতেন। এখানে আমরা এমনি দুটি বিষয় উল্লেখ করছি।

🟢 প্রতি মাসে তিনটি রোজা

রমজানের পর থেকে আবার রমজান আসা পর্যন্ত প্রতি আরবি মাসে তিনটি রোজা রাখা সুন্নত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিয়মিত এ রোজা রাখতেন এবং সাহাবায়ে কেরামকেও এ বিষয়ে উৎসাহিত করতেন। উম্মুল মুমিনীন হযরত হাফসা রা. বলেছেন, হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চারটি বিষয় কখনো ছাড়তেন না-১. আশুরার রোজা, ২. জিলহজের প্রথম দশকের রোজা, ৩. প্রতি মাসে তিন রোজা আর ৪. ফজরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজ। [সুনানে নাসাঈ, হাদীস : ২৪১৬] সাহাবী হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস রা.। আমলের প্রতি অত্যধিক উৎসাহী ছিলেন তিনি। বছর জুড়ে

রোজা রাখতেন আর রাতভর তাহাজ্জুদ নামাজে কুরআন

শরীফ পড়ে পড়ে কাটিয়ে দিতেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু

আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন বিষয়টি জানতে পারলেন, তখন

তাকে এ থেকে বারণ করলেন আর বললেন,

‎‫لا صَامَ مَنْ صَامَ الدَّهْرَ صَوْمُ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ صَوْمُ الدَّهْرِ كُلِّهِ‬‎ যে সারা বছর রোজা রাখে, তার রোজাই হয় না। (প্রতি মাসে) তিনটি রোজাই পুরো বছরের রোজার সমতুল্য। [সহীহ বুখারী, হাদীস : ১৯৭৯]

শাওয়ালের ছয় রোজার মতো এখানেও দশগুণ নেকির বিষয়টিই বিবেচ্য। তিন দিন রোজা রাখলে এর দশগুণ হিসেবে ত্রিশটি অর্থাৎ পুরো মাস রোজা রাখার সওয়াব মিলে। আর এভাবে যে বছরের প্রতিটি মাসে রোজা রাখবে, সে যেন পুরো বছরই রোজা রাখল। এই অর্থেই উপরোক্ত হাদীসে প্রতি মাসে তিনটি রোজাকে সারা বছরের রোজার সমতুল্য বলা হয়েছে।

এ তিনটি রোজা মাসের কোন তারিখে রাখতে হবে-এ নিয়ে অবশ্য কোনো ধরাবাঁধা নিয়ম নেই। মাসের শুরুতে যাঝে শেষে যে কোনো সময়ই তা রাখা যেতে পারে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো তারিখ নির্দিষ্ট করে এ রোজা রাখতেন না। হযরত আয়েশা সিদ্দিকা রা. এমনটিই বলেছেন—'রোজাগুলো মাসের কোন তারিখে হচ্ছে এ নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোনো ভাবনা ছিল না।' [সহীহ মুসলিম] তবে হাদীস শরীফে এও পাওয়া যায়, তিনি কোনো কোনো সাহাবীকে কখনো প্রতি আরবি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ রোজা রাখার জন্যে উৎসাহিত

করেছেন।

সহীহ বুখারীর বর্ণনা, হযরত আবু হুরায়রা রা. বলেছেন, আমার বন্ধু হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখতে আদেশ করেছেন। [হাদীস : ১৯৮১] ইমাম বুখারী রহ.এর ব্যাখ্যা অনুসারে, এ তিন দিন হলো প্রতি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ। এ তিন দিন রোজা রাখাও সুন্নত। পরিভাষায় এ তিন দিনকে 'আইয়্যামে বিয' বলা হয়। তাই যদি কেউ প্রতি মাসের এ তিন দিন রোজা রাখে, তাহলে আইয়্যামে বিযের রোজার সুন্নতও আদায় হবে, আবার মাসে তিন দিন রোজা রাখার সুন্নতও পালিত হবে। আর এর মধ্য দিয়ে খুব সহজেই অর্জিত হতে পারে পুরো বছরের নফল রোজার সওয়াব।

🟢 প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবারের রোজা

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিয়মিত আমল ছিল-তিনি প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন। সাহাবী হযরত উসামা ইবনে যায়দ রা. তাঁকে একদিন জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আপনি যখন রোজা রাখতে শুরু করেন তখন এমন হয় যেন আপনি আর রোজা ছাড়বেন না। আবার যখন রোজা না রাখতে শুরু করেন,তখন মনে হয় যেন আপনি আর রোজা রাখবেন না। কিন্তু দুইটি দিনের কথা ভিন্ন। সে দুইটি দিন অবশ্য আপনি নিয়মিতই রোজা রাখেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, কোন দুই দিন? সাহাবী বললেন, সোম ও বৃহস্পতিবার। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন,

এই দুটি দিন এমন যেগুলিতে বিশ্বজগতের প্রতিপালকের কাছে কাজগুলি দেখানো হয়, তাই আমি পছন্দ করি যে আমি রোজা রেখে আমার আমলগুলি প্রদর্শিত হয়।

'এই দুই দিন (মানুষের) আমল বিশ্বজগতের প্রভুর সামনে উপস্থিত করা হয়। আমার ইচ্ছা, আমার আমলগুলো যখন তাঁর নিকট পেশ করা হয় তখন যেন আমি রোজা অবস্থায় থাকি।' [সুনানে নাসাঈ, হাদীস: ২৩৫৮]

সপ্তাহের এ দুই দিন এবং আইয়্যামে বিযের তিন দিনেও শাওয়ালের ছয় রোজা রাখা যেতে পারে। প্রয়োজন কেবল একটু সচেতনতা। এতে একটি আমলের মধ্য দিয়েই তিনটি আমল পালিত হতে পারে খুব সহজেই। আল্লাহর ভান্ডারে যে সবকিছুই অসীম! করুণাময় সেই সত্তার নিকট আমরা সবকিছুর প্রতিদানই আশা করতে পারি।

আসসালামু আলাইকুম  -تَقَبَّلَ اللهُ مِنَّا وَ مِنْكُمْ উচ্চারণ : ‘তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।অর্থ : ‘আল্লাহ তাআ...
22/04/2023

আসসালামু আলাইকুম -تَقَبَّلَ اللهُ مِنَّا وَ مِنْكُمْ
উচ্চারণ : ‘তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।অর্থ : ‘আল্লাহ তাআলা আমাদের ও আপনার নেকা আমল তথা ভাল কাজগুলো কবুল করুন।

Address

Dargapasha Point, Dargapasha, Dakshin Sunamganj
Sunamganj
3001

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nowagoan Jame Masjid posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Nowagoan Jame Masjid:

Share

Category