ইসলামিক দাওয়াহ্ সেন্টার সোনাইমুড়ী

  • Home
  • Bangladesh
  • Sonaimuri
  • ইসলামিক দাওয়াহ্ সেন্টার সোনাইমুড়ী

ইসলামিক দাওয়াহ্ সেন্টার সোনাইমুড়ী আলহামদুলিল্লাহ।

01/08/2026

ইসলামিক দরস
৩১ জুলাই শুক্রবার ২০২৬
শাইখ - আব্দুন নূর মাদানী হাফি:
বিষয় : ভালো মুসলিম হওয়ার উপায় সমূহ।

বেশী বেশী দরুদ পড়লে:মানসিক শান্তি আসে,গুনাহ মাফ হয়,সকল বিপদ -দুশ্চিন্তা দূর হয়,দোয়া কবুল হয়।তিরমিযী২৪৬৫
30/07/2026

বেশী বেশী দরুদ পড়লে:
মানসিক শান্তি আসে,
গুনাহ মাফ হয়,
সকল বিপদ -দুশ্চিন্তা দূর হয়,
দোয়া কবুল হয়।
তিরমিযী২৪৬৫

24/07/2026
اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللّٰهِ وَبَرَكَاتُهُ.🌱🌱  মাসিক ইসলামিক দার্স.. ইনশা আল্লাহ। আগামী 31 জুলাই (২০২৬),  র...
21/07/2026

اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللّٰهِ وَبَرَكَاتُهُ.

🌱🌱 মাসিক ইসলামিক দার্স..

ইনশা আল্লাহ। আগামী 31 জুলাই (২০২৬), রোজ - শুক্রবার বাদ আসর থেকে ইসলামিক দাওয়াহ্ সেন্টার সোনাইমুড়ী অফিস কক্ষে মাসিক দার্স অনুষ্ঠিত হবে।
উক্ত দার্সে বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত আলেমেদ্বীন

🎤 শাইখ আব্দুন নূর মাদানী হাফি:

উক্ত দ্বীনি ইলমের মজলিশে শাইখের জ্ঞানগর্ভ আলোচনা শোনার জন্য আপনাদের সবাইকে বিশেষভাবে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে,
আসুন নিজে ইলম শিখি, আমল করি এবং এই ইলমের আলোকে মানুষকে দাওয়াহ দেই, আল্লাহ তায়ালা বুঝার, আমল করার তাওফীক দান করুন আমীন ।

স্থান: সিটি সেন্টার, হাইস্কুল রোড ২য় তলা, সোনাইমুড়ী, নোয়াখালী ।
যোগাযোগ : 01810012770

নফসে আম্মারা থেকে নফসে মুতমাইন্নাহ! প্রশান্ত আত্মার খোঁজে...আলহামদুলিল্লাহ, ওয়াস সলাতু ওয়াস সালামু আলা রাসূলিল্লাহ, আম...
09/07/2026

নফসে আম্মারা থেকে নফসে মুতমাইন্নাহ! প্রশান্ত আত্মার খোঁজে...

আলহামদুলিল্লাহ, ওয়াস সলাতু ওয়াস সালামু আলা রাসূলিল্লাহ, আম্মা বা'দ—

আমরা প্রায়শই জীবনের বড় যুদ্ধগুলোকে বাইরের জগতের ক্যানভাসে খুঁজি। আমরা ভাবি, আমাদের আসল লড়াই বুঝি চারপাশের বৈরী পরিস্থিতির সাথে, সমাজের নিষ্ঠুর নিয়মের সাথে, তীব্র অভাব-অনটন কিংবা মানুষের দেওয়া অপমান আর আঘাতের সাথে।

কিন্তু একজন মুমিনের জীবনের সবচেয়ে দীর্ঘ, সবচেয়ে নীরব এবং সবচেয়ে ভয়ংকর যুদ্ধটি বাইরের কোনো ময়দানে নয়, বরং প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে চলে তার নিজের অন্তরের গহীনে। এটি এমন এক যুদ্ধ, যার কোনো যুদ্ধবিরতি নেই, কোনো সীমানা প্রাচীর নেই।

এই যুদ্ধটি মূলত দুটি চিরন্তন কণ্ঠস্বরের অবিরত দ্বন্দ্ব। একদিকে নফসের প্ররোচনা, যা চিৎকার করে বলে,

“এখনই চাই, যেভাবেই হোক চাই, নিজের প্রবৃত্তিকে তৃপ্ত করতেই হবে।”

অন্যদিকে ঈমানের সুকোমল শান্ত কণ্ঠস্বর, যা থমকে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করে, “এই আনন্দ, এই সিদ্ধান্ত কি আমাকে আমার আল্লাহর কাছাকাছি নিয়ে যাবে, নাকি তাঁর রহমত থেকে দূরে ঠেলে দেবে?”

এই দুই বিপরীতমুখী কণ্ঠের টানাপোড়েনের মাঝেই রচিত হয় আমাদের প্রতিদিনের যাপিত জীবন।

আমাদের একেকটি অবহেলা বা সচেতনতা, একটি মাউসের ক্লিক, একটি চোখের পলক, একটি মুখের কথা, একটি গোপন সম্পর্ক কিংবা ক্রোধের মুহূর্তে নেওয়া একেকটি সিদ্ধান্ত সবকিছুই আমাদের ভেতরের কোনো না কোনো শক্তিকে প্রতিনিয়ত আহার জোগাচ্ছে।

আমরা হয় আমাদের অবাধ্য নফসকে শক্তিশালী করে তুলছি, নয়তো আমাদের রূহ বা আত্মাকে এক স্বর্গীয় আলোয় জাগিয়ে তুলছি।

বর্তমান যুগে এই আত্মিক যুদ্ধের গুরুত্ব অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বহুগুণ বেশি। আমরা আজ এমন এক সময়ে বাস করছি, যেখানে প্রযুক্তির ছোঁয়ায় গুনাহের উপকরণগুলো আমাদের হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর অ্যালগরিদমের এই দুনিয়া মানুষের নফসের চাহিদাকে আরও উস্কে দিচ্ছে। পর্দাঘেরা অন্ধকার ঘরে একটি স্মার্টফোনের স্ক্রিনে ভেসে ওঠা সামান্য একটি ‘ক্লিক’ নির্ধারণ করে দিচ্ছে একজন মানুষের আধ্যাত্মিক উচ্চতা।

আজকের ভোগবাদী সমাজ মানুষকে শেখায়—“তোমার মন যা চায়, তা-ই করো; জীবন তো একটাই!” এই ‘আমারও তো মন চায়’ দর্শনের ওপর ভিত্তি করে মানুষ তার জীবনের লাগাম নফসের হাতে ছেড়ে দিচ্ছে। এর ফলে সমাজে সৃষ্টি হচ্ছে এক চরম নৈতিক অবক্ষয়। মানুষের ভেতর থেকে হারিয়ে যাচ্ছে হায়া (লজ্জাশীলতা), ধৈর্য এবং অল্পেতুষ্টির মতো মহান গুণগুলো।

নফসের দাসত্ব মানুষকে কেবল আল্লাহর অবাধ্যই বানাচ্ছে না, বরং মানসিকভাবেও তাকে করে তুলছে অশান্ত, অতৃপ্ত এবং হতাশ।

তাই এই সময়ে দাঁড়িয়ে নিজের নফসের লাগাম টেনে ধরা কেবল একটি ইবাদত নয়, বরং নিজের অস্তিত্ব ও ঈমানকে টিকিয়ে রাখার সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা পবিত্র কুরআনে মানুষের নফসের এক নিখুঁত এবং ভয়ংকর মনস্তাত্ত্বিক রূপরেখা তুলে ধরেছেন। নফস প্রধানত দুটি চরম বাস্তবতার মধ্য দিয়ে আবর্তিত হয়,

১. নফসে আম্মারা (মন্দ কাজের প্রবল নির্দেশদাতা)

ইউসুফ আলাইহিস সালামের জীবনের এক অগ্নিপরীক্ষার বিবরণ দিতে গিয়ে মহান আল্লাহ নফসের অবাধ্যতার স্বভাবকে এভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন,

وَمَا أُبَرِّئُ نَفْسِي ۚ إِنَّ النَّفْسَ لَأَمَّارَةٌ بِالسُّوءِ إِلَّا مَا رَحِمَ رَبِّي ۚ إِنَّ رَبِّي غَفُورٌ رَّحِيمٌ

“আমি নিজেকে নির্দোষ মনে করি না, নিশ্চয়ই মানুষের নফস মন্দ কাজের প্রবল নির্দেশদাতা; কিন্তু আমার রব যার প্রতি দয়া করেন। নিশ্চয়ই আমার রব পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।”
(সূরা ইউসুফ, আয়াত ৫৩)

এই আয়াত আমাদের চোখ খুলে দেয়। এটি আমাদের শেখায় যে, নফসকে কখনো অন্ধভাবে বিশ্বাস করা নিরাপদ নয়। নফস সব সময় বাহ্যিক ক্ষতি চায় না, বরং সে অতি সূক্ষ্মভাবে মানুষের অবাধ্যতাকে ‘অধিকার’ বা ‘সাময়িক আনন্দ’ হিসেবে উপস্থাপন করে। কখনো তা আসে হারামের মোড়কে, কখনো অহংকারের বেশে, আবার কখনো রাগের তীব্রতায়।

২. নফসে মুতমাইন্নাহ (প্রশান্ত আত্মা)
বিপরীতভাবে, যারা জীবনের এই কঠিন পরীক্ষায় নফসকে পরাস্ত করে আল্লাহর বিধানের সামনে নিজেদের সমর্পণ করতে পেরেছে, তাদের জন্য রয়েছে রবের এক পরম প্রেমময় ও চিরন্তন আহ্বান,
يَا أَيَّتُهَا النَّفْسُ الْمُطْمَئِنَّةُ ۝ ارْجِعِي إِلَىٰ رَبِّكِ رَاضِيَةً مَّرْضِيَّةً

“হে প্রশান্ত আত্মা! তুমি তোমার রবের দিকে ফিরে এসো—সন্তুষ্ট অবস্থায় এবং সন্তুষ্টিপ্রাপ্ত হয়ে।”
(সূরা আল-ফাজর, আয়াত ২৭-২৮)

এই ‘নফসে মুতমাইন্নাহ’ বা প্রশান্ত হৃদয় কিন্তু একদিনে অলৌকিকভাবে তৈরি হয় না। এটি গড়ে ওঠে প্রতিদিনের শত শত ছোট ছোট দ্বীনি সিদ্ধান্তের মাধ্যমে। যখন কেউ একটি হারাম সুযোগ পেয়েও কেবল আল্লাহর ভয়ে চোখ নিচু করে, যখন তীব্র রাগের মাথায় অন্যায় কথা না বলে মুখ বন্ধ রাখে, যখন নির্জনতার গুনাহ ছেড়ে জায়নামাজে লুটিয়ে পড়ে—তখনই আস্তে আস্তে একটি অবাধ্য নফস প্রশান্ত আত্মায় রূপান্তরিত হয়।

আসল বীরত্ব নফসের বিরুদ্ধে জিহাদ...
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের শিখিয়েছেন যে, পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে বড় বীর সেই নয়, যে তলোয়ারের শক্তিতে শত্রুকে পরাস্ত করে; বরং আসল বীর তো সে, যে নিজের ভেতরের কুপ্রবৃত্তিকে বন্দি করতে পারে।

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন,
> الْمُجَاهِدُ مَنْ جَاهَدَ نَفْسَهُ فِي طَاعَةِ اللَّهِ
“প্রকৃত মুজাহিদ হলো সেই ব্যক্তি, যে আল্লাহর আনুগত্যের পথে নিজের নফসের বিরুদ্ধে সংগ্রাম (জিহাদ) করে।”
📚জামে আত-তিরমিযী হাদিস নং ১৬২১ ✅ হাদিসটির সনদ সহীহ

আমরা অনেক সময় উম্মাহর বড় বড় পরিবর্তন কিংবা নিজেদের জীবনের আমূল পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখি, কিন্তু হেরে যাই সকালবেলার অলসতার কাছে, হেরে যাই রাতের অন্ধকারের গোপন অভ্যাসের কাছে।

অথচ ইসলাম আমাদের কামনা-বাসনাকে একেবারে ধ্বংস করতে বলে না। ইসলাম আমাদের শেখায়—কামনা থাকবে, কিন্তু তার হাতে জীবনের নেতৃত্ব থাকবে না। ইচ্ছা থাকবে, কিন্তু তা থাকবে ওহীর হেদায়েতের অধীনে।

🌿 নফসকে নিয়ন্ত্রণে রাখার ৫টি ছোট কিন্তু কার্যকর অনুশীলন...
নিজের আত্মাকে আল্লাহর অনুগত বানানোর জন্য আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এই ৫টি অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি...

১. ইচ্ছার মুখে লাগাম (থামুন এবং ভাবুন) কোনো কিছু করার তীব্র ইচ্ছা বা আবেগ জাগলে সঙ্গে সঙ্গে তা না করে অন্তত কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন। নিজেকে স্থির হওয়ার সময় দিন।

২. ঐশী কষ্টিপাথরঃ- প্রতিটি কাজ, প্রতিটি মেসেজ বা পোস্ট করার আগে মনে মনে প্রশ্ন করুন—“এই কাজে কি আমার আল্লাহ আমার ওপর সন্তুষ্ট হবেন?”

৩. যখনই রাগ মাথার ওপর চড়ে বসবে, কোনো প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে সম্পূর্ণ চুপ হয়ে যান। স্থান পরিবর্তন করুন এবং ওযু করে নিন।

৪. পরিবেশ ও সঙ্গ পরিবর্তনঃ- যে পরিবেশ বা যে সঙ্গীর কারণে বারবার গোপন গুনাহের পুনরাবৃত্তি ঘটে, তা থেকে নিজেকে কঠোরভাবে দূরে সরিয়ে নিন।

৫. তাৎক্ষণিক তাওবাঃ- মানুষ হিসেবে ভুল বা গুনাহ হয়ে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়, কিন্তু গুনাহের পর হতাশ না হয়ে তৎক্ষণাৎ অনুতপ্ত হৃদয়ে আল্লাহর কাছে ফিরে আসাই মুমিনের লক্ষণ।

ফলাফল রবের হাতে, আমাদের কাজ কেবল বীজ বুনে যাওয়া
আমাদের রাতের নির্জন জীবন, আমাদের স্ক্রিনটাইম, আমাদের লোকচক্ষুর অন্তরালের কথাবার্তা আজ কোন দিকে যাচ্ছে? তা কি আমাদের নফসে আম্মারাকে দানব বানিয়ে তুলছে, নাকি আমাদের নফসে মুতমাইন্নাহর দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এই প্রশ্নটি আজ আমাদের প্রত্যেকের নিজের বিবেকের কাছে করা উচিত।

আমার লেখাগুলো সবার জন্য নয়; কেবল তাঁদের উদ্দেশ্যে নিবেদিত—যাঁরা চিন্তাশীল সত্যের পথিক ও সঠিক জ্ঞানের অন্বেষী, বিবেক দিয়ে সত্যকে অনুধাবন করেন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তাদের উত্তম বিনিময় দান করুন।

যুগে যুগে আম্বিয়া আলাইহিমুস্ সালামগণের শাশ্বত নীতি এটাই ছিল, কে আলোর ডাকে সাড়া দিল আর কে মুখ ফিরিয়ে নিল, সেই জাগতিক হিসাবে তাঁরা কখনো থমকে দাঁড়াননি। একজন দরদী চাষীর মতো আমাদের কাজ শুধু মানুষের হৃদয়ে কল্যাণের ও সত্যের বীজ বুনে যাওয়া; সেই পাথুরে হৃদয়ের কপাট খুলে তাকে আলোর দিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার একচ্ছত্র মালিক মহান আল্লাহ।

তাই হে সত্যের পথিক! আপনার নিয়তের আকাশে যদি ইখলাসের আলো থাকে, তবে পৃথিবীর কেউ আপনার কথা না শুনলেও রবের আরশে আপনার নিঃস্বার্থ শ্রমের পূর্ণ প্রতিদান চির অক্ষুণ্ণ থাকবে, ইনশাআল্লাহ। কারণ, আমাদের দয়াময় রব ফলাফলের সংখ্যা দিয়ে সফলতা মাপেন না; তিনি দেখেন অন্তরের পবিত্র আকুতি আর অবিচল প্রচেষ্টা।

"উপরোক্ত আলোচনায় যা কিছু সঠিক ও কল্যাণকর তা একমাত্র মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে, আর যা কিছু ভুল ও ত্রুটিপূর্ণ তা আমার নিজের এবং শয়তানের পক্ষ থেকে।"
সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি, আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাইহি।
@

ইসলামিক দাওয়াহ্ সেন্টার সোনাইমুড়ী ১টি পরিবার, যারা প্রতিনিয়ত চেষ্টা করি সালাফি মানহাজের উপর চলার, সে লক্ষ্যকে সামনে রেখে...
28/06/2026

ইসলামিক দাওয়াহ্ সেন্টার সোনাইমুড়ী ১টি পরিবার, যারা প্রতিনিয়ত চেষ্টা করি সালাফি মানহাজের উপর চলার, সে লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রতিমাসে আয়োজন করা হয় বিষয় ভিত্তিক দার্সের, একটি বিষয়ের উপর দেশের বিখ্যাত আলেমরা এসে দার্স দিয়ে যান, যা একটি ক্লাস বলা যেতে পারে।

এখানে কন্ট্রাক্ট করা কোন আলেম আনা হয়না এখানে তারাই আসেন, যারা নিজের ইলম বিতরণ করা নিজের দায়িত্ব মনে করেন আর আমরা উনাদের পেয়ে সন্তুষ্ট, এই দাওয়াহ সেন্টারে নোয়াখালীর বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ আসেন ইলম হাসিলের জন্য। আমরা প্রতিমাসেই এই দার্স চলমান রেখেছি।

আমি আমার এলাকার যুবক, বয়স্ক, সবাইকে আহবান জানাই এই সকল দার্সে উপস্থিত থাকার, মনে রাখবেন কবরে টাকা পয়সা ধন-সম্পদ আর আত্বীয়-স্বজন যাবেনা, যাবে শুধু আপনার আমল আর সেই আমল যদি হয় ফরমালিন যুক্ত তবে সেটাও বাতিল হয়ে যাবে, তাই আসুন সঠিক আমল শিখি এবং সহীহ আমল করি ।

Address

High School Road
Sonaimuri
3827

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইসলামিক দাওয়াহ্ সেন্টার সোনাইমুড়ী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share