শ্রী শ্রী জগন্নাথ মন্দির উত্তর বাঁশবাড়ীয়া

  • Home
  • Bangladesh
  • Sitakund
  • শ্রী শ্রী জগন্নাথ মন্দির উত্তর বাঁশবাড়ীয়া

শ্রী শ্রী জগন্নাথ মন্দির  উত্তর বাঁশবাড়ীয়া Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from শ্রী শ্রী জগন্নাথ মন্দির উত্তর বাঁশবাড়ীয়া, Hindu temple, Sitakund.

👉 আপনি কি জানেন আসছে ৩০ এপ্রিল ২০২৫★অক্ষয় তৃতীয়া তিথি কি এবং কেন? ★অক্ষয় তৃতীয়া হল চান্দ্র বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের তৃত...
29/04/2025

👉 আপনি কি জানেন
আসছে ৩০ এপ্রিল ২০২৫
★অক্ষয় তৃতীয়া তিথি কি এবং কেন?

★অক্ষয় তৃতীয়া হল চান্দ্র বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথি। অক্ষয় তৃতীয়া বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ তিথি।
অক্ষয় শব্দের অর্থ হল যা ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না। বৈদিক বিশ্বাসানুসারে এই পবিত্র তিথিতে কোন শুভকার্য সম্পন্ন হলে তা অনন্তকাল অক্ষয় হয়ে থাকে।

যদি ভালো কাজ করা হয় তার জন্যে আমাদের লাভ হয় অক্ষয় পূণ্য আর যদি খারাপ কাজ করা হয় তবে লাভ হয় অক্ষয় পাপ।
তাই এদিন খুব সাবধানে প্রতিটি কাজ করা উচিত। খেয়াল রাখতে হয় ভুলেও যেন কোনো খারাপ কাজ না হয়ে যায়। কখনো যেন কটু কথা না বেরোয় মুখ থেকে। কোনো কারণে যেন কারো ক্ষতি না করে ফেলি বা কারো মনে আঘাত দিয়ে না ফেলি। তাই এদিন যথাসম্ভব মৌন থাকা জরুরী। আর এদিন পূজা,জপ,ধ্যান,দান,অপরের মনে আনন্দ দেয়ার মত কাজ করা উচিত। যেহেতু এই তৃতীয়ার সব কাজ অক্ষয় থাকে তাই প্রতিটি পদক্ষেপ ফেলতে হয় সতর্কভাবে।

★এই তিথিতে যে সকল তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা ঘটেছিল।

১) এদিনই বিষ্ণুর ষষ্ঠ অবতার পরশুরাম জন্ম নেন পৃথিবীতে।
২) এদিনই রাজা ভগীরথ গঙ্গা দেবীকে মর্ত্যে নিয়ে এসেছিলেন।
৩) এদিনই গণপতি গনেশ বেদব্যাসের মুখনিঃসৃত বাণী শুনে মহাভারত রচনা শুরু করেন।
৪) এদিনই দেবী অন্নপূর্ণার আবির্ভাব ঘটে।
৫) এদিনই সত্যযুগ শেষ হয়ে ত্রেতাযুগের সূচনা হয়।
৬) এদিনই কুবেরের তপস্যায় তুষ্ট হয়ে মহাদেব তাঁকে অতুল ঐশ্বর্য প্রদান করেন। এদিনই কুবেরের লক্ষ্মী লাভ হয়েছিল বলে এদিন বৈভব-লক্ষ্মীর পূজা করা হয়।
৭) এদিনই ভক্তরাজ সুদামা শ্রী কৃষ্ণের সাথে দ্বারকায় গিয়ে দেখা করেন এবং তাঁর থেকে সামান্য চালভাজা নিয়ে শ্রী কৃষ্ণ তাঁর সকল দুঃখ মোচন করেন।
৮) এদিনই দুঃশাসন দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ করতে যান এবং ভগবান তার সখীকে রক্ষা করেন শ্রীকৃষ্ণ।
শরনাগতের পরিত্রাতা রূপে এদিন শ্রী কৃষ্ণা দ্রৌপদীকে রক্ষা করেন।
৯) এদিন থেকেই পুরীধামে জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উপলক্ষ্যে রথ নির্মাণ শুরু হয়।
১০) কেদার বদরী গঙ্গোত্রী যমুনত্রীর যে মন্দির ছয়মাস বন্ধ থাকে এইদিনেই তার দ্বার উদঘাটন হয়। দ্বার খুললেই দেখা যায় সেই অক্ষয়দীপ যা ছয়মাস আগে জ্বালিয়ে আসা হয়েছিল।
১১) এদিনই সত্যযুগের শেষ হয়ে প্রতি কল্পে ত্রেতা যুগ শুরু হয়।

★ #অক্ষয়_তৃতীয়া_সম্পর্কে_একটি_পুরানিক_গল্প_দেয়া_হল :

ধর্মরাজ যুধিষ্ঠির একবার মহামুনি শতানিককে অক্ষয় তৃতীয়া তিথির মাহাত্ম্য কীর্তন করতে বললেন ।
শতানিক বললেন পুরাকালে খুব ক্রোধসর্বস্ব , নিষ্ঠুর এক ব্রাহ্মণ ছিলেন । ধর্মকর্মে তার বিন্দুমাত্র আগ্রহ ছিল,না । একদিন এক দরিদ্র ক্ষুধার্ত ব্রাহ্মণ তার নিকট অন্ন এবং জল ভিক্ষা চাইলেন । রণচন্ডী হয়ে ব্রাহ্মণ কর্কশ স্বরে তাঁর দুয়ার থেকে ভিখারীকে দূর দূর করে তাড়িয়ে দিলেন আর বললেন যে অন্যত্র ভিক্ষার চেষ্টা করতে ।
ক্ষুধা-পিপাসায় কাতর ভিখারী চলে যেতে উদ্যত হল ।
ব্রাহ্মণ পত্নী সুশীলা অতিথির অবমাননা দেখতে না পেরে দ্রুত স্বামীর নিকট উপস্থিত হয়ে ভরদুপুরে অতিথি সত্কার না হলে সংসারের অমঙ্গল হবে এবং গৃহের ধন সমৃদ্ধি লোপ পাবে … একথা জানালেন ।
স্বামীর দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে ভিখারীকে তিনি ডাক দিলেন এবং ভিখারীর অন্যত্র যাবার প্রয়োজন নেই সে কথা জানালেন । সুশীলা ত্রস্তপদে তার জন্য অন্নজল আনবার ব্যবস্থা করলেন । কিছুপরেই তিনি অতিথি ভিক্ষুকের সামনে সুশীতল জল এবং অন্ন-ব্যঞ্জন নিয়ে হাজির হলেন । ভিখারী বামুন অতীব সন্তুষ্ট হলেন এবং সে যাত্রায় সুশীলাকে আশীর্বাদ করে সেই অন্নজল দানকে অক্ষয় দান বলে অভিহিত করে চলে গেলেন ।
বহুবছর পর সেই উগ্রচন্ড ব্রাহ্মণের অন্তিমকাল উপস্থিত হল । যমদূতেরা এসে তার শিয়রে হাজির । ব্রাহ্মণের দেহপিঞ্জর ছেড়ে তার প্রাণবায়ু বের হ’ল বলে । তার শেষের সেই ভয়ঙ্কর সময় উপস্থিত । ক্ষুধা ও তৃষ্ণায় তার কন্ঠ ও তালু শুকিয়ে গেল । তার ওপর যমদূতেদের কঠোর অত্যাচার । ব্রাহ্মণ তাদের কাছে দুফোঁটা জল চাইল এবং তাকে সে যাত্রায় উদ্ধার করতে বলল ।
যমদূতেরা তখন একহাত নিল ব্রাহ্মণের ওপর ।
তারা বলল ” মনে নেই ? তুমি তোমার গৃহ থেকে অতিথি ভিখারীকে নির্জ্জলা বিদেয় করেছিলে ?”
বলতে বলতে তারা ব্রাহ্মণকে টানতে টানতে ধর্মরাজের কাছে নিয়ে গেল ।
ধর্মরাজ ব্রাহ্মণের দিকে তাকিয়ে বললেন ” এঁকে কেন আমার কাছে এনেছ্?
ইনি মহা পুণ্যবান ব্যক্তি ।বৈশাখমাসের শুক্লা তৃতীয়া তিথিতে এনার পত্নী তৃষ্ণার্ত অতিথিকে অন্নজল দান করেছেন ।
এই দানঅক্ষয় দান সেই পূণ্যফলে উনি নরকে গমন করবেন না। ব্রাহ্মণকে তোমরা জল দাও,
উনি স্বর্গে গমন করবেন।

সকলের এবারের অক্ষয়তৃতীয়া ভালো কাজে ও ধর্মকর্মে কাটুক – এই কামনা করি।

29/04/2025

👉কলি যুগের মানুষ ঝগড়া প্রিয় পুরো ভিডিও দেখুন।

29/04/2025

👉আপনি কি জানেন চার যুগে,
ভগবানকে লাভ করার উপায়।

27/04/2025

মাসিক বৈষ্ণব সেবা
শ্রীমান বিধান চক্রবর্তী গৃহে
পরিচালনা শ্রী শ্রী ভক্তি বিনোদন ঠাকুর নাম হট্ট সীতাকুণ্ড ২৬/৪/২০২৫ খ্রী

👉আপনি এই ব্রত পালন করুন।
23/04/2025

👉আপনি এই ব্রত পালন করুন।

🪷 বৃন্দাবন দাস ঠাকুর পূর্বে যিনি ব্যাসদেব ছিলেন 👉🏾শ্রীবৃন্দাবন দাস ঠাকুর ১৪১৯ শকে বৈশাখী কৃষ্ণাদ্বাদশী তিথিতে হালিশহর নত...
22/04/2025

🪷 বৃন্দাবন দাস ঠাকুর পূর্বে যিনি ব্যাসদেব ছিলেন
👉🏾শ্রীবৃন্দাবন দাস ঠাকুর ১৪১৯ শকে বৈশাখী কৃষ্ণাদ্বাদশী তিথিতে হালিশহর নতিগ্রামে আবির্ভূত হন। তাঁর পিতৃদেব ছিলেন নতিগ্রাম নিবাসী শ্রীবৈকুণ্ঠনাথ বিপ্ল। মাতা ছিলেন শ্রীবাস পণ্ডিতের জ্যেষ্ঠভ্রাতা নলিন পণ্ডিতের কন্যা শ্রীমতী নারায়ণী দেবী। বর্তমান জেলার দেনুড় গ্রামে শ্রীবৃন্দাবন দাস ঠাকুরের শ্রীপাট। "প্রেমবিলাস" গ্রন্থে শ্রীবৃন্দাবন দাস সম্পর্কে বলা হয়েছে-
সন্ন্যাস করি মহাপ্রভু নীলাচলে রৈল। শ্রীবাস শ্রীরাম কুমার হট্টে চলিগেল।।
কুমার হট্টবাসী বিপ্র বৈকুণ্ঠদাস যেহো। তাঁর সহিত নারায়ণীর হৈল বিবাহ।।
তাঁর গর্ভে জন্মিলা বৃন্দাবন দাস। তিহো হন শ্রীল বেদব্যাসের প্রকাশ।।
বৃন্দাবন দাস যবে আছিলেন গর্ভে। তাঁর পিতা বৈকুণ্ঠ দাস চলি গেলা স্বর্গে।।
ভ্রাতৃকন্যা গর্ভবতী পতিহীনা দেখি। আনিয়া শ্রীবাস নিজ গৃহে দিল রাখি।।
পঞ্চ বৎসরের শিশু বৃন্দাবন দাস। মাতাসহ মামগাছি করিলা নিবাস।।
বাসুদেব দত্ত প্রভুর কৃপার ভাজন। মাতাসহ বৃন্দাবনের করে ভরণ পোষণ।।
"শ্রীপাট পৰ্য্যটন" গ্রন্থে বলা হয়েছে-
হালিসহর নতি গ্রামে নারায়ণী সূত।
ঠাকুর বৃন্দাবন নাম ভুবন বিদিত।।
নতিগ্রামে জন্ম স্থান স্থিতি দেন্দুড়াতে।
শ্রীচৈতন্য ভাগবত কৈল প্রচারিতে।।
শ্রীগৌর-গণোদ্দেশ দীপিকায় (১০৯) বলা হয়েছে-
বেদব্যাসে য এবাসীদ্দাসো বৃন্দাবনোহধুনা।
সখা যঃ কুসুমাপীড়ঃ কার্যতস্তুং সমাবিশৎ।। ১০৯

অনুবাদ: পূর্বে যিনি বেদব্যাস ছিলেন, তিনিই এক্ষণে শ্রীবৃন্দাবন দাস। ব্রজের কুসুমাপীড় নামক সখা কার্যবশতঃ শ্রীবৃন্দাবন দাসে প্রবেশ করেছেন।

শ্রীবৃন্দাবন দাস ঠাকুর শ্রীবাস পণ্ডিতের ভ্রাতৃকন্যা নারায়ণীদেবীর গর্ভে আবির্ভূত হন। প্রেম বিলাসের মতে তাঁর পিতার নাম বিপ্র বৈকুণ্ঠ দাস। শ্রীবৃন্দাবন দাস ঠাকুর যখন তাঁর মাতৃগর্ভে তখন তার পিতার মৃত্যু হয়। পতি বিয়োগের পরে নারায়ণীদেবী মামগাছি গ্রামে বাসুদেব দত্তের প্রতিষ্ঠিত শ্রীবিগ্রহ সেবার ভার প্রাপ্ত হয়েছিলেন। বৃন্দাবন দাস ঠাকুরের শৈশবকাল মামগাছিতেই অতিবাহিত হয়েছিল। তিনি বছ শাস্ত্রে পণ্ডিত্য লাভ করেছিলেন, তাঁর রচিত শ্রীচৈতন্যভাগবতই তার প্রমাণ। তিনি শ্রীপাদ নিত্যানন্দ প্রভুর সর্বশেষ শিষ্য ছিলেন। শ্রীমন্নিত্যানন্দ প্রভুর কৃপাদেশেই তিনি শ্রীগৌরাঙ্গ-নিত্যানন্দ বর্ণনাত্মক শ্রীচৈতন্য ভাগবত রচনা করেন। এ সম্পর্কে "প্রেম বিলাসে" বলা হয়েছে-

মোদভ্রমদ্বীপে বাসুদেব দত্তের শ্রীপাটে। বাল্যকাল কেটেছিল জননীর নিকটে।। তারপর নিত্যানন্দ কৃপা করি মোরে। টানিলেন নিজস্থানে বহু কৃপা করে।। রাঢ়দেশে গ্রামে গ্রামে নাম প্রচারিয়া। উপনীত হৈলা শেষে দেন্দুড়া আসিয়া।। ভোজনাদি শেষ করি, মুখশুদ্ধি তরে। হরিতকী মাগিলেন নিত্যানন্দ মোরে।। পূর্বের সঞ্চিত এক হরিতকী লৈয়া। প্রভুর শ্রীকরে মুঞি ছিলাম ভাঙ্গিয়া।। হাসি প্রভু বলে তুমি রই এইস্থান। এথা রহি গাও তুমি চৈতন্য গুণগান।। প্রভুরে দেখিবে হেথা না হইও চঞ্চল। এথা থাকি কর সব জীবের মঙ্গল।। প্রভুর বিগ্রহ ইহা করহ স্থাপন। বিগ্রহে প্রভুরে সদা পাবে দরশন।।

এভাবে শ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর নির্দেশে শ্রীবৃন্দাবন দাস ঠাকুর দেনুরে অবস্থান করে শ্রীচৈতন্য ভাগবত গ্রন্থ রচনা করেন। এখানে তিনি মন্দির প্রতিষ্ঠা করে শ্রীগৌর-নিত্যানন্দের সেবা প্রকাশ করেন। বৃন্দাবন দাস। ঠাকুরের রচিত গীতিপদও পদকল্পতরু আদি পদসংগ্রহ গ্রন্থে দৃষ্ট হয়। শ্রীবৃন্দাবন দাস ঠাকুরের শ্রীচৈতন্য ভাগবত যেন শ্রীশ্রীগৌর-নিত্যানন্দের লীলা রসের এক অপূর্ব অমৃত ভাণ্ডার। তিনি গৌর-নিত্যানন্দের। লীলারস স্রোতে উন্মজিত-নিমজ্জিত হয়ে যা আস্বাদন করেছেন, তা-ই যেন ভক্তগণের জন্য এই গ্রন্থে পরিবেশন করেছেন। শ্রীকৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী "শ্রীচৈতন্য ভাগবত" সম্পর্কে বলেছেন

বৃন্দাবন দাস কৈল চৈতন্য মঙ্গল। যাঁহার শ্রবণে নাশে সর্ব অমঙ্গল।।
চৈতন্য-নিতাইর যাতে জানিয়ে মহিমা। যাতে জানি কৃষ্ণভক্তি সিদ্ধান্তের সীমা।। ভাগবতে যত ভক্তি সিদ্ধান্তের সার। লিখিয়াছেন ইহা জানি করিয়া উদ্ধার।। চৈতন্য মঙ্গল যদি শুনে পাষণ্ডী যবন। সেই মহা বৈষ্ণব হয় ততক্ষণ।। মনুষ্যে রচিতে নারে ঐছে গ্রন্থ ধন্য। বৃন্দাবন দাস মুখে বক্তা শ্রীচৈতন্য।। বৃন্দাবন দাস পদে কোটি নমস্কার। ঐছে গ্রন্থ করি তেহো তাড়িলা সংসার।। নারায়ণী চৈতন্যের উচ্ছিষ্ট ভাজন। তাঁর গর্ভে জন্মিলা শ্রীদাস বৃন্দাবন।। চৈ চ

শ্রীবৃন্দাবন দাস ঠাকুর সবিনয়ে স্বীকার করেছেন যে, যে সমস্ত বিবরণ তিনি তার গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করেছেন সেগুলি গুরুদেব শ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর কাছ থেকে সংগ্রহ করেছেন। তিনি আরো তথ্য নিয়েছেন শ্রীমুরারি গুপ্তের কড়চা থেকে। শ্রীবৃন্দাবন দাস ঠাকুরের এই মহাগ্রন্থ তিনটি খণ্ডে বিভক্ত- আদিখণ্ড, মধ্যখণ্ড ও অন্ত্যখণ্ড। পূর্ণ বিবরণ সহ শ্রীমন্মহাপ্রভুর সমগ্র নবদ্বীপ লীলা এই গ্রন্থে লিপিবদ্ধ হয়েছে এবং এই বর্ণনা এতই প্রাঞ্জল যে কেহ পাঠ করলে ভক্তির ভাবাবেগে নয়নাশ্রু প্রবাহিত হয়। এই গ্রন্থের প্রতিপত্রে প্রতিছত্রে অলৌকিক মহাশক্তি বিরাজ করছে। যাঁরা শ্রদ্ধা বিনম্র অন্তঃকরণে এই মহাগ্রন্থের অনুশীলন করেছেন- তারাই একথার যথার্থতা অনুভব করতে পেরেছেন। মহাপ্রভু শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যদেবের পরম পবিত্র লীলাকথায় মুখরিত এই মহাগ্রন্থের অক্ষরে অক্ষরে প্রেমেরই ভাষা ব্যক্ত হয়েছে। বস্তুতঃ প্রেমের নিগূঢ় মহিমা, ভক্তিতত্ত্বের সৎসিদ্ধান্ত এই মহাগ্রন্থে সরল ও সুন্দরভাবে আলোচিত হয়েছে। বাংলার তৎকালীন সমাজের বিচিত্র চিত্র এই গ্রন্থে বিচিত্র বর্ণেই চিত্রিত হয়েছে। এই গ্রন্থের নাম প্রথমে শ্রীচৈতন্য মঙ্গল ছিল, কিন্তু বৃন্দাবনবাসী বৈষ্ণবগণ এই মহাগ্রন্থকে "শ্রীচৈতন্য ভাগবত" আখ্যা প্রদান করেছেন। শ্রীমদ্ভাগবতের ন্যায় শ্রীবৃন্দাবনে রীতি মতো এই গ্রন্থ পঠন-পাঠন হতো। শ্রীগোবিন্দের সেবাধিকারী শ্রীহরিদাস পণ্ডিত বহু ভক্ত সমক্ষে এই মহাগ্রন্থ নিয়মিত পাঠ করতেন। ব্যাসাবতার বৃন্দাবন দাস ঠাকুর মহাশয় তাঁর গ্রন্থের পদে পদে যে অপূর্ব কবিত্ব ও সর্বতঃ প্রসারিণী প্রতিভার পরিচয় দান করেছেন- তা বাস্তবিকই মানবীয় আলোচনার অতীত।

শ্রীচৈতন্য ভাগবতে বেদানুগ শাস্ত্র সমূহে কথিত ভক্তি সিদ্ধান্ত, বিশেষতঃ লীলা বর্ণন প্রসঙ্গে অতি সুন্দরভাবে বিন্যস্ত হয়েছে। শ্রীমন্মহাপ্রভুর প্রচারিত ধর্মের রহস্য এবং শ্রীশ্রীগৌর-নিত্যানন্দের তত্ত্বও লীলা বর্ণনের ব্যপদেশে অতি সুন্দর ভাবে প্রকটিত হয়েছে। শ্রীগৌড়ীয় বৈষ্ণবাচার্যগণের মধ্যে শ্রীবৃন্দাবন দাস ঠাকুরই তাঁর গ্রন্থে সর্বপ্রথম জানিয়েছেন শ্রীকৃষ্ণ ও শ্রীগৌরাঙ্গ উভয়ই সম্বন্ধ তত্ত্ব, উভয়েই উপাস্য, উভয়ের ধাম ও সেবা প্রাপ্তিই জীবের কাম্য। সেই সেবা প্রাপ্তির নিমিত্ত প্রেমই হলো একান্ত প্রয়োজনীয় বস্তু। আর এই প্রেম লাভের জন্যই গৌর-কৃষ্ণের সুখের নিমিত্ত রাগমার্গের সাধন ভক্তির অনুষ্ঠান কর্তব্য। প্রেমই হলো পরম পুরুষার্থ। বৃন্দাবন দাস ঠাকুরই সর্বপ্রথম এ সংবাদ জানিয়েছেন। অতএব শ্রীগৌড়ীয় বৈষ্ণব দর্শনে, ভাবে, ভাষায়, ভক্তিসাধনের ক্ষেত্রে বৃন্দাবন দাস ঠাকুরের অবদান অতি উচ্চস্থানীয়।

শ্রীবৃন্দাবন দাস ঠাকুর দেনুড় গ্রামে শ্রীশ্রীগৌর-নিতাই বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করেন। অধিক বয়সে শ্রীরাম হরি নামক শিষ্যের উপর তিনি সেবা ভার অর্পণ করে বৃন্দাবনে গমন করেন। ১৫১১ শকে তিনি অন্তর্দ্ধান লীলা করেন।

27/03/2025

মহা বারুণী স্নান ও গঙ্গা মহিমা
শ্রীমান হেম কৃষ্ণ সেবক দাস
শ্রী শ্রী ভক্তি বিনোদন ঠাকুর নাম হট্ট সীতাকুণ্ড।

27/03/2025

বারুণী স্নান ও
গঙ্গা মহিমা
শ্রীমান হেম কৃষ্ণ সেবক দাস
শ্রী শ্রী ভক্তি বিনোদন ঠাকুর নাম হট্ট সীতাকুণ্ড।

27/03/2025

মহা বারুণী স্নান কি ভাবে করতে হয়।

কলি যুগে এক মাত্র মন্ত্র হলোকৃষ্ণ নাম মহা মন্ত্র তাই নাম কর সার, আর কোন ধর্ম করলে নাহি হয় পরা।(নাম হট্ট সীতাকুণ্ড) ২২/৩/...
23/03/2025

কলি যুগে এক মাত্র মন্ত্র হলো
কৃষ্ণ নাম মহা মন্ত্র তাই নাম কর সার,
আর কোন ধর্ম করলে নাহি হয় পরা।
(নাম হট্ট সীতাকুণ্ড) ২২/৩/২০২৫

Address

Sitakund

Telephone

+8801750707993

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শ্রী শ্রী জগন্নাথ মন্দির উত্তর বাঁশবাড়ীয়া posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category