04/09/2022
🪷🙏🪷রাধা অষ্টমীর ইতিহাস🙏🪷
★-★-★-★-★-★-★-★-★-★-★-★-★-★
শাস্ত্র মতে জানা যায় যে, কৃষ্ণের জন্মদিনের ১৫ দিন পর শুক্ল পক্ষের অষ্টমী তিথিতে মথুরায় পবিত্র বাসনায় রাজা বৃষ ভানু এবং তার স্ত্রী কীর্তিদা স্বর্ণ পদ্ম এর উপর রাধা কে পেয়েছিলেন। জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে রাধা অষ্টমীর দিন উপবাস রাখলে এবং রাধিকার আরাধনা করলে জীবনের সুখ শান্তি বজায় থাকে। এই রাধা অষ্টমী পূজোর কিছু নিয়মও রয়েছে। নিষ্ঠা ভরে যদি রাধা অষ্টমীর পূজা করা যায়, তাহলে জীবনের সমস্ত দুঃখ দুর্দশা দূর হয়ে যায়।
🪷👉রাধা অষ্টমীর তারিখ ও সময় সূচি 🪷👉
★-★-★-★-★-★-★-★-★-★-★-★-★-★-★-★
🪷বাংলা – ১৮ই ভাদ্র রবিবার ১৪২৯
🪷ইংরাজি -৪ সেপ্টেম্বর রবিবার ২০২২
🪷অষ্টমী তিথি শুরু হবে – ৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ শনিবার
🪷বাংলা ১৭ই ভাদ্র দুপুর ১২টা ২৮ মিনিটে অষ্টমী তিথি শুরু
🪷অষ্টমী তিথি শেষ হবে – ৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ রবিবার
🪷বাংলা ১৮ই ভাদ্র সকাল ১০টা ৩৯ মিনিট পর্যন্ত অষ্টমী তিথি থাকবে .
🙏🪷রাধারানীর প্রণাম মন্ত্র :🙏🪷
তপ্তকাঞ্চন গৌরাঙ্গী রাধে বৃন্দাবনেশ্বরী।
বৃষভানুসুতে দেবী প্রণমামি হরিপ্রিয়ে।।
🪷রাধাষ্টমী ব্রত মাহাত্ম্য🪷
★★★★★★★★★★★★
সময় বা কাল – ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে রাধাষ্টমী ব্রত নিতে হয়। স্ত্রীলােকেরা এই ব্রত করে থাকে।
🪷👉ব্রতের দ্রব্য ও বিধান – গন্ধ, ফুল, আলােচাল, সিদ্ধচাল নৈবিদ্যি, আট রকম আটটি ফল। প্রভৃতি। ব্রতের দিন উপােস করে থেকে শ্রীরাধিকা, ললিতা, বৃন্দা আদি অষ্টসখী, বৃষভানু, নন্দ প্রভৃতির পুজো করতে হয়। ব্রতের পরের দিন ব্রাহ্মণ ও বৈষ্ণবদের ভােজন করানােই ব্রত পালনের নিয়ম। |
🪷🙏রাধাষ্টমী ব্রত কথা🙏🪷
★-★-★-★-★-★-★-★-★-★-★
এক সময় সূৰ্য্যদেব শ্রীকৃষ্ণের তপস্যা করতে থাকেন। বহুদিন ধরে সূৰ্য্য এইভাবে ব্যস্ত থাকার ফলে পৃথিবী একেবারে অন্ধকারে ডুবে রইল। তার ফলে, সৃষ্টি ধ্বংস হয়ে যাবার উপক্রম হল।
এই অবস্থার দরুন দেবতারা খুবই চিন্তিত হয়ে পড়লেন। তারা শ্রীকৃষ্ণের আমার কাছে গিয়ে সৃষ্টি রক্ষার জন্য এর বিহিত করতে তাকে অনুরােধ করলেন।
দেবতাদের কথা নন্দের শােনার পর শ্রীকৃষ্ণ তাদের আশ্বাস দিয়ে বললেন, “তােমরা নিশ্চিন্ত থাকো, আমি শিগগিরই এর একটা বিহিত করছি।
তারপর শ্রীকৃষ্ণ সুর্যের কাছে গিয়ে বললেন, “তােমার তপস্যা সমাপ্ত হয়েছে, এখন তুমি বর প্রার্থনা কর।” সূয্য তখন বললেন, “হে বিশ্বপতি”।
আমাকে এই বর করে দিন যে আমার যেন একটি মেয়ে হয়, আর আপনি সেই মেয়ের প্রতি আকৃষ্ট হবেন। শ্রীকৃষ্ণ বললেন, “তাই হবে দিবাকর! দ্বাপর যুগে তুমি গােকুলে বৃষভানু হয়ে গােপের মেয়ে শুরু বিয়ে করবে।তার গর্ভে ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে একটি মেয়ে জন্মাবে! সেই মেয়ের নাম রাখা হবে রাধিকা আর আমিও রাধিকার প্রতি আকৃষ্ট হবাে।যাও এখন অন্ধকার তত সরিয়ে সৃষ্টিকে রক্ষা কর।” নিজের প্রার্থনা মতাে বর পেয়ে সূয্যও সন্তুষ্ট হয়ে চলে গেলেন। ক্রমে গােকুলে বৃষভানুর বাড়িতে উঠলাে একটা আনন্দের রােল! বৃষভানুর স্ত্রী সুকীর্তি। একটি মেয়ে প্রসব করল। সকলের খুব আনন্দ হল। পরে সেই মেয়ের নাম রাখা হল রাধিকা।