Banglar Kritan DNP

Banglar Kritan DNP বাংলার কীর্তন ,ভজন, দর্শন, আরতি দর্শন � গান �

🍏 আজ ০৮.০৮.২০২২ খ্রিস্টাব্দ সোমবার পবিত্র  #পবিত্রারোপনী_একাদশী  ব্রত উপবাস। #পারণঃ আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ০৫.৩৭-০৯.৪৬ ম...
08/08/2022

🍏 আজ ০৮.০৮.২০২২ খ্রিস্টাব্দ সোমবার পবিত্র #পবিত্রারোপনী_একাদশী ব্রত উপবাস।

#পারণঃ আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ০৫.৩৭-০৯.৪৬ মিনিটের মধ্যে।

েকে_শ্রীশ্রীরাধা_গোবিন্দের_ঝুলনযাত্রা_শুরু।

#পবিত্রারোপণী_একাদশী_মাহাত্ম্যঃ
_______________________________

একদিন মহারাজ যুধিষ্ঠির ভগবান শ্ৰীকৃষ্ণকে জিজ্ঞাসা করলেন- হে প্ৰভু ! শ্ৰাবণ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীর নাম কি তা কৃপা করে আমাকে বলুন ।

শ্ৰীকৃষ্ণ বললেন - হে মহারাজ ! এখন আমি সেই পবিত্ৰ ব্ৰত মাহাত্ম্য বৰ্ণনা করছি , মনোযোগ দিয়ে তা শ্ৰবণ করুন । যা শোনামাত্ৰেই বাজপেয় যজ্ঞের ফল লাভ হয়।

প্ৰাচীন কালে দ্বাপর যুগের শুরুতে মহিজীৎ নামে এক বিখ্যাত রাজা ছিলেন। তিনি মাহিম্মতি নগরে রাজত্ব করতেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে তার মনে বিন্দুমাত্ৰ সুখ-শান্তি ছিল না । কেননা তিনি ছিলেন অপুত্ৰক । 'পুত্ৰহীনের ইহলোক পরলোক কোথাও সুখ হয় না'- এইরুপ চিন্তা করতে করতে বহুদিন কেটে গেল । কিন্তু তবুও পুত্ৰমুখ দর্শনে রাজা বঞ্চিতই রইলেন । নিজেকে অত্যন্ত দুৰ্ভাগা মনে করে রাজা চিন্তাগ্ৰস্ত হলেন।

প্ৰজাদের সামনে গিয়ে বলতে লাগলেন- হে প্ৰজাবৃন্দ! তোমরা শোন। আমি এই জন্মে তো কোন পাপকাজ করিনি, অন্যায়ভাবে আমার রাজকোষ বৃদ্ধি করিনি , ব্ৰাহ্মণ বা দেবতাদের সম্পদ কখনও গ্ৰহণ করিনি উপরন্তু প্ৰজাদেরকে পুত্রের মতো পালন করেছি, ধৰ্ম অনুযায়ী পৃথিবী শাসন করেছি । দুষ্টদের যথানুরূপ দণ্ড দিয়েছি, সজ্জন ব্যক্তিদের যথাযোগ্য সম্মান করতেও কখনও অবহেলা করিনি । তাই হে ব্ৰাহ্মণগন, এই প্ৰকার ধৰ্মপথ অবলম্বন করা সত্ত্বেও কেন আমার পুত্ৰ লাভ হল না, তা আপনারা কৃপা করে অনুসন্ধান করুন।

রাজার এই প্ৰকার কাতর উক্তি শ্ৰবণে ব্যথিত রাজভক্ত পুরোহিত ব্ৰাহ্মণগণ রাজার মঙ্গলের জন্য গভীর বনে ত্ৰিকালজ্ঞ মুনিঋষির কাছে যেতে মনস্থ করলেন। বনের মধ্যে ঋষিদের আশ্ৰমসকল দেখতে দেখতে তারা এক মুনির সন্ধান পেলেন। তিনি দীৰ্ঘায়ু , নীরোগ নিরাহারে ঘোর তপস্যায় মগ্ন ছিলেন। সর্বশাস্ত্ৰ বিশারদ ধৰ্মতত্ত্বজ্ঞ ও ত্রিকালজ্ঞ সেই মহামুনি লোমশ নামে পরিচিত। ব্ৰহ্মার এক কল্প অতিবাহিত হলে মুনিবরের গায়ের একটি লোম পরিত্যক্ত হোত । এই কাণে এই মহামুনির নাম লোমশ। তাকে দেখে সকলেই ধন্য হলেন। তারা পরস্পর বলতে লাগলেন যে , আমাদের বহু জন্মের সৌভাগ্যের ফলে আজ আমর

👭বর্তমান সময়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় গর্ভপাত   #গর্ভপাত_করা_মহাপাপ  শ্রীমদ্ভাগবত কি বলছে        দেখুন  ? শ্রীমদ্ভাগব...
01/08/2022

👭বর্তমান সময়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় গর্ভপাত
#গর্ভপাত_করা_মহাপাপ শ্রীমদ্ভাগবত কি বলছে
দেখুন ?
শ্রীমদ্ভাগবতে (৩/৩১/৯) শ্লোকে বলা হয়েছে --

"অকল্পঃ স্বাঙ্গচেষ্টায়াং শকুন্ত ইব পঞ্জরে।
তত্র লব্ধস্মৃতির্দৈবাৎ কর্ম জন্মশতোদ্ভবম্"।।

অর্থাৎ - মাতৃগর্ভে ভ্রুণ পূর্বের শত জন্ম ও কর্মের কথা স্মরণ করতে পারে।" পূর্ব জন্মের কথা স্মরণ রাখা ঋষিদের পক্ষে সম্ভব।

তাই ভাগবতের ( ৩/৩১/১১) শ্লোকে - নাথমান ঋষির্ভীত এবং (৩/৩১/২২) শ্লোকে দশমাস্যঃস্তুবন্নৃষিঃ" এই দুটি শ্লোকেই মাতৃগর্ভের ভ্রুণকে ঋষি বলা হয়েছে। তাই গর্ভস্থ শিশুকে হত্যাকরা আর ঋষিকে হত্যাকরা একই কথা।

এ বিভৎস হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে পরাশর স্মৃতি(৪/২০) শ্লোকে বলা হয়েছে :-

"যৎ পাপং ব্রহ্মহত্যায়া দ্বিগুণং গর্ভপাতনে।
প্রায়শ্চিত্তং ন তস্যাস্তি তস্যস্ত্যাগো বিধিয়তে"।।

অনুবাদ : - ব্রহ্মহত্যায় যে পাপ হয়,গর্ভপাতে তার দ্বিগুণ পাপ হয়।এ পাপের কোন প্রায়শ্চিত্ত নেই।যে গর্ভপাত করাবে তাকে অবশ্যই সমাজ থেকে ত্যাগ করতে হবে"।

মনু তাঁর মনুসংহিতার(৪/২০৮) শ্লোকে বলেছেন :-

ভ্রুণঘ্নাবেক্ষিতং- গর্ভপাত কারী যে অন্ন দর্শন করে সে অন্ন ভক্ষণ করাও পাপ।"বৃদ্ধসূর্যারুণ কর্মবিপাক" গ্রন্থে এর শাস্তি সম্পর্কে বলে হয়েছে-

"পূর্বে জনুষি যা নারী গর্ভঘাতকরী হ্যভূত।
গর্ভপাতেন দুঃখার্তা স্যাহত্র জন্মনি জায়তে"।।
(৪৭৭/১)।

অনুবাদ :- যে নারী পূর্বজন্মে গর্ভপাত করিয়েছিল, সে পরবর্তী জন্মে গর্ভপাত দুঃখের ভাগিনী হয় অর্থাৎ তার সন্তান হয়না। (অথবা তার গর্ভপাত ঘটে, বা সন্তান ধারণের ক্ষমতা থাকেনা)। সংগৃহীত
💖রাধে রাধে 💖হরে কৃষ্ণ 💖

 #হরে_কৃষ্ণ ১. জপ কি ?২. জপ মালা কি ?৩. জপ করার জন্য কী কী‌‌ প্রয়োজন?একান্ত নিরিবিলি বসে কারো নাম স্মরণ করাকেই জপ বলা য...
28/07/2022

#হরে_কৃষ্ণ
১. জপ কি ?
২. জপ মালা কি ?
৩. জপ করার জন্য কী কী‌‌ প্রয়োজন?

একান্ত নিরিবিলি বসে কারো নাম স্মরণ করাকেই জপ বলা যায়।‌‌ এখানে জপ করা বলতে এই জগতের সৃষ্টি কর্তা অনাদি আদি ভগবানের নাম স্মরণ করাকে বোঝানো হয়েছে

২. জপ মালা কি ?
জপ মালা হলো ভগবানকে স্মরণ করার জন্য ১০৮ টা গুটি দ্বারা নিম/বেল / তুলসী কাঠ দিয়ে তৈরীর করা যে মালা ব্যবহার করা হয় তাকে জপ মালা বলে ।

৩. জপ করার জন্য কী কী‌‌ প্রয়োজন?
জপ করার জন্য আপনার প্রয়োজন একটি জপমালা , শ্রী গুরুর প্রণাম মন্ত্র, ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রণাম এগুলো জানলেই আপনি জপ করতে পারবেন ।জপের জন্য মহাপ্রভু কোনো বিধি নিষেধ দেন নি । আপনি যেকোনো অবস্থাতেই জপ করতে পারেন।

জপমালা আপনি আপনার আশেপাশের ইসকন‌/ মন্দির থেকে সংগ্রহ করবেন ।কিভাবে জপ করবেন সেটা নিচে বিস্তারিত দেওয়া আছে।

৪ . জপ কেন করবেন :
আমরা জানি সব কিছুর ই একজন স্রষ্টা আছেন । তেমন : একজন কাঠমিস্ত্রি চেয়ার, টেবিল, আলমারি ইত্যাদি বানায় অর্থাৎ এগুলোর স্রষ্টা একজন কাঠমিস্ত্রি। তেমন ই আপনার-আমার একজন স্রষ্টা আছেন ।তিনি এই পৃথিবীতে সকল কিছুর সৄষ্টি করেছেন।

এই আকাশ,বাতাস ,মাটি, মানুষ,প্রাণি সকল কিছুর।তিনি অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী।তিনি সুষ্ঠুভাবে সকল কিছুর নিয়ন্ত্রণ করেন। আমাদের উচিত স্রষ্টাকে খুশি করা ।আর স্রষ্টাকে খুশি করার উপায় হলো তার গুণকীর্তন করা।

মহাপ্রভু বলেছেন:

শুন মিশ্র কলিযুগে নয় তপ যজ্ঞ
যেই ভজে কৃষ্ণ নাম তার মহাভাগ্য।
হিন্দু ধর্মে ৪ টি মুখ তথা : সত্য ,ত্রেতা,দ্বাপর ,করি। স্ত্রীর,ত্রেতা,দ্বাপর যুগে মানুষের জীবনকাল ছিল এখন কারতুলনায় অনেক বেশী। তখনকার উদ্ধারের জন্য ছিল তপ-জপ ই‌ একমাত্র উপায় । কিন্তু এই কলি যুগে মানুষ এতটাই ব্যস্তযে তার দ্বারা তপস্যা করা সম্ভব নয়।

এজন্য মহাপ্রভু আমাদের কলির জীবের উদ্ধারের জন্য সহজ‌উপায় এনে দিয়েছে সেটা হলো মহামন্ত্র জপ । একমাত্র হরি নামের মাধ্যমেই কলির মুখে উদ্ধার পাওয়া সম্ভব।

৫. কেন আমাদের জপ অবশ্য কর্তব্য:
আমাদের জীবনটা আমরা সুখের মনে করলেও এখানে প্রকৃত পাওয়া যায় না। আমাদের এখানে বারংবার জন্ম- মৃত্যু হয় ।আমাদের বার বার এই পৃথিবীতে আসতে চায় চিরমুক্তি না হওয়া পর্যন্ত। কিন্তু আমাদের উদ্দেশ্য চিরমুক্তি ।

আর চির মুক্তি লাভের উপায় হলো ভগবানকে স্মরণ করা তার নাম গুণ- কীর্তন করা। তার সেবা পূজা করা। আর তার নাম গুণ- কীর্তন ও সেবা পূজা করার জন্য জপ উত্তম পন্থা তাই আমাদের জপ অবশ্য কর্তব্য।

সৌজন্যে

জয় পঞ্চতত্ত্ব মহারাজ কি জয় 🙏🙏🙏❤️❤️❤️
18/07/2022

জয় পঞ্চতত্ত্ব মহারাজ কি জয় 🙏🙏🙏❤️❤️❤️

10/07/2022
 ান্ডবা__নির্জলা__একাদশীব্রত__মাহাত্ম্য____জৈষ্ঠ শুক্লপক্ষের এই একাদশী ব্রত সম্পর্কে ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণে শ্রীভীমসেন-ব্যাস...
11/06/2022

ান্ডবা__নির্জলা__একাদশীব্রত__মাহাত্ম্য____
জৈষ্ঠ শুক্লপক্ষের এই একাদশী ব্রত সম্পর্কে ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণে শ্রীভীমসেন-ব্যাসসংবাদে বর্ণিত হয়েছে। মহারাজ যুধিষ্ঠির বললেন--হে জনার্দন! আমি অপরা একাদশীর সমস্ত মাহাত্ম্য শ্রবণ করলাম এখন জ্যৈষ্ঠ শুক্লপক্ষের একাদশীর নাম ও মাহাত্ম্য কৃপাপূর্বক আমার কাছে বর্ণনা করুন।
শ্রীকৃষ্ণ বললেন, এই একাদশীর কথা মহর্ষি ব্যাসদেব বর্ণনা করবেন। কেননা তিনি সর্বশাস্ত্রের অর্থ ও তত্ত্ব পূর্ণরূপে জানেন। রাজা যুধিষ্ঠির ব্যাসদেবকে বললেন--হে মহর্ষি দ্বৈপায়ন! আমি মানুষের লৌকিক ধর্ম এবং জ্ঞানকান্ডের বিষয়ে অনেক শ্রবণ করেছি। আপনি যথাযথভাবে ভক্তিবিষয়িনী কিছু ধর্মকথা এখন আমায় বর্ণনা করুন।

শ্রী ব্যাসদেব বললেন--হে মহারাজ! তুমি যেসব ধর্মকথা শুনেছ, এই কলিযুগের মানুষের পক্ষে সে সমস্ত পালন করা অত্যন্ত কঠিন। যা সুখে, সামান্য খরচে, অল্প কষ্টে সম্পাদন করা যায় অথচ মহাফল প্রদান করে এবং সমস্ত শাস্ত্রের সারস্বরূপ সেই ধর্মই কলিযুগে মানুষের পক্ষে করা শ্রেয়। সেই ধর্মকথাই এখন আপনার কাছে বলছি। উভয় পক্ষের একাদশী দিনে ভোজন না করে উপবাস করবে। দ্বাদশী দিনে স্নান করে শুচিশুদ্ধ হয়ে নিত্যকৃত্য সমাপনের পর শ্রীকৃষ্ণের অর্চন করবে। এরপর ব্রাহ্মণদেরকে প্রসাদ ভোজন করাবে। অশৌচাদিতেও এই ব্রত কখনও ত্যাগ করবে না। যে সকল ব্যক্তি স্বর্গে যেতে চায়, তাদের সারাজীবন এই ব্রত পালন করা উচিত। পাপকর্মে রত ও ধর্মহীন ব্যক্তিরাও যদি এই একাদশী দিনে ভোজন না করে, তবে তারা যমযাতনা থেকে রক্ষা পায়।

শ্রী ব্যাসদেবের এসব কথা শুনে গদাধর ভীমসেন অশ্বথ্থ পাতার মতো কাঁপতে কাঁপতে বলতে লাগলেন--হে মহাবুদ্ধি পিতামহ! মাতা কুন্তী, দ্রৌপদী, ভ্রাতা যুধিষ্ঠির, অর্জুন, নকুল, সহদেব এরা কেউই একাদশীর দিনে ভোজন করে না। আমাকেও অন্নগ্রহণ করতে নিষেধ করে। কিন্তু দুঃসহ ক্ষুধাযন্ত্রণার জন্য আমি উপবাস করতে পারি না।
ভীমসেনের এই কথায় ব্যাসদেব বলতে লাগলেন--যদি স্বর্গাদি দিব্যধাম লাভে তোমার একান্ত ইচ্ছা থাকে, তবে উভয় পক্ষের একাদশীতে ভোজন করবে না। তদুত্তরে ভীমসেন বললেন--আমার নিবেদন এই যে, উপবাস তো দূরের কথা, দিনে একবার ভোজন করে থাকাও আমার পক্ষে অসম্ভব। কারণ আমার উদরে 'বৃক' নামে অগ্নি রয়েছে। ভোজন না করলে কিছুতেই সে শান্ত হয় না। তাই প্রতিটি একাদশীর পালনে আমি একেবারেই অপারগ। হে মহর্ষি! বছরে একটিমাত্র একাদশী পালন করে যাতে আমি দিব্যধাম লাভ করতে পারি এরকম কোন একাদশীর কথা আমাকে নিশ্চয় করে বলুন।

তখন ব্যাসদেব বললেন--জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী তিথিতে জলপান পর্যন্ত না করে সম্পূর্ণ উপবাস করবে। তবে আচমনে দোষ হবে না। ঐ দিন অন্নাদি গ্রহণ করলে ব্রত ভঙ্গ হয়। একাদশীর দিন সূর্যোদয় থেকে দ্বাদশীর দিন সূর্যাস্ত পর্যন্ত জলপান বর্জন করলে অনায়াসে বারোটি একাদশীর ফল লাভ হয়। বছরের অন্যান্য একাদশী পালনে অজান্তে যদি কখনও ব্রতভঙ্গ হয়ে যায়, তা হলে এই একটিমাত্র একাদশী পালনে সেই সব দোষ দূর হয়। দ্বাদশী দিনে ব্রাহ্মমুহূর্তে স্নানাদিকার্য সমাপ্ত করে শ্রীহরির পূজা করবে। সদাচারী ব্রাহ্মণদের বস্ত্রাদি দান সহ ভোজন করিয়ে আত্মীয়স্বজন সহ নিজে ভোজন করবে। এরূপ একাদশী পালনে যে প্রকার পুণ্য সঞ্চিত হয়, এখন তা শ্রবন কর।

সারাবছরের সমস্ত একাদশীর ফলই এই একটিমাত্র ব্রত উপবাসে লাভ করা যায়। শঙ্খ, চক্র, গদা, পদ্মধারী ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আমাকে বলছেন--'বৈদিক ও লৌকিক সমস্ত ধর্ম পরিত্যাগ করে যারা একমাত্র আমার শরণাপন্ন হয়ে এই নির্জলা একাদশী ব্রত পালন করে তারা সর্বপাপ মুক্ত হয়।'
বিশেষত কলিযুগে ধন-সম্পদ দানের মাধ্যমে সদ্ গতি বা স্মার্ত সংস্কারের মাধ্যমেও যথার্থ কল্যাণ লাভ হয় না। কলিযুগে দ্রব্যশুদ্ধি নেই। কলিতে শাস্ত্রোক্ত সংস্কার বিশুদ্ধ হয় না। তাই বৈদিক ধর্ম কখনও সুসম্পন্ন হতে পারে না।
হে ভীমসেন! তোমাকে বহু কথা বলার আর প্রয়োজন কি? তুমি উভয় পক্ষের একাদশীতে ভোজন করবে না। যদি তাতে অসমর্থ হও তবে জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীতে অবশ্যই নির্জলা উপবাস করবে। এই একাদশী ব্রত ধনধান্য ও পুণ্যদায়িনী। যমদূতগন এই ব্রত পালনকারীকে মৃত্যুর পরও স্পর্শ করতে পারে না। পক্ষান্তরে বিষ্ণুদূতগন তাঁকে বিষ্ণুলোকে নিয়ে যান। শ্রী ভীমসেন ঐদিন থেকে নির্জলা একাদশী ব্রত পালন করতে থাকায় এই একাদশী 'পান্ডবা নির্জলা বা ভীমসেনী একাদশী' নামে প্রসিদ্ধ হয়েছে। এই নির্জলা একাদশী তিথিতে পবিত্র তীর্থে স্নান, দান, জপ, কীর্তন ইত্যাদি যা কিছু মানুষ করে তা অক্ষয় হয়ে যায়। যে ব্যক্তি ভক্তি সহকারে এই একাদশী মাহাত্ম্য পাঠ বা শ্রবণ করেন তিনি বৈকুণ্ঠধাম প্রাপ্ত হন। ,,, হরিবোল

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
জয় শ্রীল প্রভুপাদ
হরে কৃষ্ণ 🌷🌷🌷🙏🙏🙏🥰🥰🥰

সৌজন্যে:-

💁🏾‍♂️ প্রশ্ন:- গলায় তুলসীমালা কেন তিন প্যাঁচ দিয়ে পরতে হয়? এক প্যাঁচ দিয়ে পরতে নেই কেন⁉️📚উত্তর:- স্কন্দপুরাণে বলা হয়...
29/03/2022

💁🏾‍♂️ প্রশ্ন:- গলায় তুলসীমালা কেন তিন প্যাঁচ দিয়ে পরতে হয়? এক প্যাঁচ দিয়ে পরতে নেই কেন⁉️
📚উত্তর:-
স্কন্দপুরাণে বলা হয়েছে,—

"যৎকন্ঠে তুলসী নাস্তি,তে নরা মুঢ় মানসাঃ।"
সুনো বিষ্ঠা সমং চান্নং জলং চ মদিরা সমং॥"

যে ব্যক্তি নিজের গলায় তুলসী মালা ধারন করেনা, ওই মুঢ় ব্যক্তি যদি জল স্পর্শ করে তাহলে ঐ জল মদের সমান হয়ে যায়,আর যদি অন্ন স্পর্শ করে তাহলে সেই অন্ন রাজহংসের বিষ্ঠা (মল) সম হয়ে যায়।" তাই প্রত্যেক মানুষের তুলসী মালা পরিধান করা একান্ত কর্তব্য।

পদ্মপুরানে বলা হয়েছে,—

"স্নানকালে তু যস্যাঙ্গে,দৃশ্য তে তুলসী শুভাঃ।
সর্ব তীর্থেসু স্নানং,ভবতি তে ন ন সংশয়॥"

যখন কোন মানুষ গলায় তুলসী মালা ধারণ করে স্নান করে তখন ওই তুলসীকে স্পর্শ করে জল সর্বাঙ্গে স্নাত হয়, ঐ ব্যক্তির এই পৃথিবীর সর্ব তীর্থ স্নানের পূণ্যফল প্রাপ্তি হয়ে যায়।" শ্রীল ব্যাসদেব পদ্মপুরানে এই সত্য লিখেছেন এতে কোনো সন্দেহ থাকতে পারেনা।

এইবার তুলসী মালা কেন তিন প্যাঁচ দিয়ে গলায় ধারণ করা উচিত তা নিয়ে আলোচনা করা যাক!

শাস্ত্র-সম্মতভাবে গলায় তিন প্যাঁচ দিয়েই তুলসী মালা ধারণ করা কর্তব্য, কারণ স্মৃতিশাস্ত্রে তিন প্যাঁচ দিয়ে তুলসীমালা ধারণ করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

তিন প্যাঁচ দিয়ে তুলসী মালা ধারণ করার সময় তিনটি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হয়,—

১)প্রথম প্যাঁচ দিয়ে বলতে হয় "আমি নিজেকে উদ্ধার করিব হরিনামের দ্বারা।"

২)দ্বিতীয় প্যাঁচ দিয়ে বলতে হয়--"আমি আমার পরিবারকে উদ্ধার করিব হরিনামের দ্বারা।"

৩)তৃতীয় প্যাঁচ দিয়ে বলতে হয়,"আমি যাহাকে দেখিব, তাহাকে বলিব হরিনাম, উদ্ধার হইবে সে হরিনামের দ্বারা।"

⏩ তুলসীমালার প্রথম প্যাঁচে নির্দেশ করে "সম্বন্ধ তত্ত্ব" অর্থাৎ "জীবের স্বরূপ হয় কৃষ্ণের নিত্য দাস"। কৃষ্ণের সঙ্গে যে আমার নিত্য সম্বন্ধ রয়েছে সেই সম্বন্ধকে স্মরণ করে গভীর প্রেমের বন্ধনে আবদ্ধ হতে হবে।

⏩ তুলসীমালার দ্বিতীয় প্যাঁচ নির্দেশ করে, "অভিধেয় তত্ত্ব" অর্থাৎ কৃষ্ণের সঙ্গে যে একমাত্র সম্বন্ধ রয়েছে তাকে পাওয়ার একমাত্র উপায় হল "ভক্তি"। সমস্ত বৈদিক শাস্ত্র তাই ভগবদ্ভক্তির পন্থাকে "অভিধেয়" বলে বর্ণনা করা হয়েছে! তাই এই তুলসীর দ্বিতীয় প্যাঁচ দিয়ে আমি যেন সেই ভক্তি লাভ করতে পারি।*_

⏩ তুলসীমালার তৃতীয় প্যাঁচ নির্দেশ করে, "প্রয়োজন তত্ত্ব"। সমস্ত জীবের একমাত্র প্রয়োজন হল "কৃষ্ণপ্রেম" লাভ করা!

শুভ পাপমোচন একাদশী 🙏🙏🙏❤️ হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ
28/03/2022

শুভ পাপমোচন একাদশী 🙏🙏🙏❤️ হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ

আমরা এই দেহ নিয়ে কত গর্ব করি,কত অহংকার করি, কিন্তু আমরা কেউই ভাবিনা আমি আসলে কে?🌿🌺আমি কি এই দেহ নাকি আমি বলতে অন্য কেউ আ...
27/11/2021

আমরা এই দেহ নিয়ে কত গর্ব করি,
কত অহংকার করি, কিন্তু আমরা কেউই ভাবিনা আমি আসলে কে?

🌿🌺আমি কি এই দেহ নাকি আমি বলতে অন্য কেউ আছে? আসলে আমি এই দেহ নয়, এই দেহটা পিঞ্জর আর এই পিঞ্জরের ভেতরেই পরমাত্মারুপে ভগবানের বসবাস।

যেদিন এই দেহ থেকে আমি(আত্মা) চলে যাবে সেদিন এই দেহের কোনো দাম থাকবে না। আত্মীয় স্বজন সবাই মিলে মাটির এই দেহটাকে চিতায় তুলে ছাই করে দেবেন আমরা যদি জানার চেস্টা করি কেনো আমাদের এই দেহধারন। কেনো বারবার জন্মমৃত্যুর যন্ত্রনা ভোগ করতে হয়? তাহলে মনে হয় আর এই যন্ত্রনাময় জন্ম মৃত্যুর ফাঁদে পড়তে হবে না।

ঘুরতে হবে না ঠিকানবিহীন ভাবে বার বার। আমাদের ও একটা ঠিকানা আছে সেখানে যেতে পারলেই আর আসতে হবে আমাদের দুঃখময় এই ভবসংসারে, শুধুমাত্র কর্মফলই আমাদের এইযন্ত্রনার ফাঁদে ফেলে বার বার।

গীতায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন মৃত্যুকালে যে যেভাব স্মরণ করে মৃত্যুবরন করে পরবরর্তিতে সে সেভাবে দেহ প্রাপ্ত হয়।
তাই আমরা যদি মৃত্যুকালে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করে শেষ নিশ্বাস ছাড়তে পারি তাহলে আর আসতে হবে না এই দুঃময় সংসারে। আমরা আমাদের আসল ঠিকানা ভগবদ্ধামে ফিরে যেতে পারবো।।🌼🌿

কেন এই মানব জন্ম ?এই জড় জগতে ৮৪ লক্ষ প্রজাতির জীব রয়েছে।এই ৮৪ লক্ষ জীবের মধ্যে ৯ লক্ষ প্রজাতির জলজ প্রাণী, ১১ লক্ষ প্রজা...
26/11/2021

কেন এই মানব জন্ম ?
এই জড় জগতে ৮৪ লক্ষ প্রজাতির জীব রয়েছে।
এই ৮৪ লক্ষ জীবের মধ্যে ৯ লক্ষ প্রজাতির জলজ প্রাণী, ১১ লক্ষ প্রজাতির কীট পতঙ্গ, ১০ লক্ষ প্রজাতির পাখি, ২০ লক্ষ প্রজাতির গাছপালা, ৩০ লক্ষ প্রজাতির পশু ও ৪ লক্ষ প্রজাতির মানুষ রয়েছে। এখন যারা মানুষ কুলে জন্মগ্রহন করেছেন তারা ইতিপূর্বে ৮০ লক্ষ প্রজাতির দেহ পরিবর্তন করে এসেছেন, ৮০ লক্ষ বার তাদের জন্ম হয়েছে মৃত্যু হয়েছে।সুতরাং যে জীবাত্মা মনুষ্য দেহ লাভ করেছে সে নিঃসন্দেহে ভাগ্যবান, তাই মনুষ্য জন্মকে বলা হয় সুদুর্লভ।
এখন প্রশ্ন হলো কেন এই মানব জন্ম ?
একসময় প্রতিটি জীবাত্মা ভগবানের নিত্য আলয় শ্রী গোলক বৃন্দাবনে ছিল, সেখানে ভোগ-বাঞ্চা করার কারনে ভগবান অনন্তকোটি জড় ব্রহ্মান্ড সৃষ্টি করে সেখানে জীবাত্মাদের প্রেরণ করেছেন ভোগ বাসনা পূর্ণ করার জন্য, তো জীবাত্মা যখন জড় জগতে পতিত হয় তখন সে ভোগে লিপ্ত হয়। আর এই ভোগউন্মূখ জড় জগতকে ভোগ করার মাধ্যমে জীবাত্মা চরম দুঃখ অশান্তি ডেকে আনে এবং বারবার জন্ম-মৃত্যু, জরা-ব্যাধির দ্বারা ভীষন দুঃখ-কষ্ট পেতে থাকে।
জীবাত্মাদের এমন দুঃখ-কষ্ট দেখে জীবের পরম সুুহৃদ ও জীবের পরম পিতা শ্রীকৃষ্ণ জীবদের এই জড় জগৎ থেকে উদ্ধার হয়ে ভগবদ্ধামে ফিরে যাওয়ার জন্য একটি মানব শরীর দেন। যাতে জীবাত্মার তার ভুল বুঝতে পেরে সাধন ভজন করে ভগবানের কাছে ফিরে যেতে পারে, তাই এই মানব জন্ম হলো ভব সাগর পার হওয়ার নৌকা স্বরুপ। আর এই মানব জন্ম দেওয়া হয়েছে শুধু সাধন-ভজন করে ভগবানের নিত্য আনন্দময় ধামে ফিরে যাওয়ার জন্য।
তাই যারা প্রকৃত বুদ্ধিমান তারা এই সুদুর্লভ মনুষ্য জন্মের সদ্ব্যবহার করে তথা সম্পূর্ণ পাপ মুক্ত হয়ে শ্রীকৃষ্ণের আরাধনা করে এক জীবনেই ভগবানের কাছে ফিরে যেতে চান, তারা অযতা সময় অপচয় করেন না। সবসময় ভগবানের কথা স্মরণ করেন এবং প্রার্থনা করেন যে, হে ভগবান !! আমাকে তুমি এই দুঃখময় জগৎ থেকে উদ্ধার করো।
তাই আসুন, সুদুর্লভ এই মনুষ্য জন্মকে হরিভজনের মাধ্যমে স্বার্থক করে তুলি এবং ভোগ বাসনাকে ত্যাগ করি, তাহলে অন্তিমে আমরা ভগবানের অপ্রাকৃত আনন্দের ধাম শ্রী গোলক বৃন্দাবনে ফিরে যেথে পারবো।
হরে কৃষ্ণ.

Address

Shibganj
742201

Telephone

+917001828537

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Banglar Kritan DNP posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Banglar Kritan DNP:

Share

Category