05/07/2026
কেন অগণিত মানুষ হেযবুত তওহীদে যোগ দিচ্ছে?
বহুবার দই ভেবে চুন খেয়ে যাদের মুখ পুড়েছে, তাদের শেষ ভরসা এখন হেযবুত তওহীদ। এখানে কোনো প্রতারণা নেই, নেই মিথ্যে আশার প্রলোভন। আমরা সোজা পথে চলি, সত্য কথা বলি। তাই সাত ঘাটের পানি খেয়ে বহু পোড় খাওয়া মানুষ হেযবুত তওহীদে এসে তাদের ইমানের সঠিক ঠিকানা খুঁজে পাচ্ছেন। যারা সত্যিই ইসলামকে ধারণ করতে চান, ইসলামের নামে অর্থ উপার্জন বা পদ-পদবির মোহ যাদের নেই, তারা প্রকৃত বিপ্লব সাধনের লক্ষ্যে দলে দলে নাম লেখাচ্ছেন এই পবিত্র আন্দোলনে।
আমাদের সাথে যুক্ত হওয়া একজন নতুন সদস্যের অভিজ্ঞতা শোনা যাক। তিনি বললেন:
"ভাই, আপনাদের বিষয়ে আমি পুরোপুরি ভুল জানতাম। বড় বড় হুজুরদের মুখে আপনাদের বিরুদ্ধে অনেক অপপ্রচার শুনেছি। বাস্তবে এসে দেখি তারা সম্পূর্ণ মিথ্যা বলেছেন। অনলাইনে আপনাদের বিরুদ্ধে হাজার হাজার নেতিবাচক কন্টেন্ট দেখে আমিও একসময় গালি দিয়েছি। কিন্তু পরে যখন মাননীয় এমামের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শুনতে শুরু করলাম, তখন মনে হলো—এই তো সত্য! শুধু শুনতেই ভালো লাগে না, বরং হৃদয় দিয়ে অনুভব করি। প্রায় চার-পাঁচ বছর ধরে বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করার পর, আজ আমি এই আন্দোলনে যোগ দিলাম।
হেযবুত তওহীদে যোগ দেওয়া আর কোনো এক পীরের বায়াত নেওয়া এক কথা নয়। কেউ যখন হেযবুত তওহীদে যোগ দেয়, তাবৎ ধর্মব্যবসায়ী গোষ্ঠীর চক্ষুশূলে পরিণত হয় সে। তার বিরুদ্ধে শুরু হয় চক্রান্ত, ফতোয়াবাজি। তাকে চাপ দিয়ে দলত্যাগ করানোর চেষ্টা চলে, নাহলে এলাকা থেকে উৎখাত করে দেওয়ার জন্য উঠে পড়ে লাগে কথিত ওলামা মাশায়েখ। তাদের রক্তচক্ষু ও সকল বিরোধিতার মুখে অবিচল থাকার মতো মনোবল, দীন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিজের জীবন কোরবান করার প্রত্যয় নিয়েই একজনকে হেযবুত তওহীদে যোগ দিতে হয়। এসব জেনে ও মেনেও প্রতিনিয়ত দলে দলে নারী-পুরুষ হেযবুত তওহীদে যোগ দিচ্ছেন।
“যখন আসবে আল্লাহর সাহায্য ও বিজয়, তখন আপনি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করতে দেখবেন, তখন আপনি আপনার পালনকর্তার পবিত্রতা বর্ণনা করুন এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় তিনি ক্ষমাকারী।”