Savar Upazila Model Mosque & Islamic Cultural Center

Savar Upazila Model Mosque & Islamic Cultural Center Mosque �
(1)

30/01/2026
মুসলিম উম্মাহর ইতিহাসে প্রথম গুপ্ত হত্যাবর্তমান সময়ে মুসলমানদের মধ্যে কোনো আইকনিক নেতার আবির্ভাব হলে, কিংবা কাউকে আইকনি...
20/01/2026

মুসলিম উম্মাহর ইতিহাসে প্রথম গুপ্ত হত্যা

বর্তমান সময়ে মুসলমানদের মধ্যে কোনো আইকনিক নেতার আবির্ভাব হলে, কিংবা কাউকে আইকনিক মনে করা হলেই—অনেক সময় নেতা হওয়ার আগেই তাকে অ্যাসাসিনেট করা হয়। কিন্তু আমরা কি জানি, মুসলিম উম্মাহর ইতিহাসে সর্বপ্রথম কোন নেতার ওপর গুপ্ত হামলা চালানো হয়েছিল?

তিনি ছিলেন হজরত উমর ফারুক রা.। আরও অবাক করার বিষয় হলো—আজ ১৪০০ বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য পুরোপুরি অমীমাংসিতই রয়ে গেছে আর হয়তো রয়েও যাবে। চলুন, ঘটনাটি পুরোটা বিশ্লেষণ করে বোঝার ট্রাই করি।

২৩ হিজরি সাল। মুসলিম বিশ্বের যে কেউ যেন তার কাছে নিজেদের অভিযোগ জানাতে পারেন—এই উদ্দেশ্যে তিনি পুরো মুসলিম বিশ্ব সফর করেন। এ সময় প্রত্যেক প্রদেশের বড় বড় শহরে তিনি প্রায় দুই মাস করে অবস্থান করেন।

এই ২৩ হিজরিতেই তিনি হজ পালনের জন্য মক্কায় যান। ফেরার পথে ‘আবতাহ’ নামক স্থানে অবস্থান করে আল্লাহর কাছে দোয়া করেন—যেন তিনি মদিনায় শহীদ হতে পারেন। তৎকালীন সময়ে মদিনায় শহীদ হওয়ার দোয়া ছিল সত্যিই বিস্ময়কর। কিন্তু আল্লাহ তায়ালা তার সেই দোয়া কবুল করেন।

মদিনায় ফিরে এসে তিনি আবার রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। সে সময় শেষ পারস্য সম্রাট ইয়াজদাগির্দের নিকটাত্মীয় হরমুজ ইসলাম গ্রহণ করে মদিনায় বসবাস করছিল। কিন্তু আজও নিশ্চিতভাবে বলা যায় না—সে সত্যিই অন্তর থেকে ইসলাম গ্রহণ করেছিল, নাকি তার মনে কুটিলতা লুকিয়ে ছিল। বাহ্যিক আচরণ অবশ্য তার কুটিলতার দিকেই ইঙ্গিত করে। তবে অন্তরের খবর একমাত্র আল্লাহ তায়ালাই জানেন।

উমর ফারুক রা. সাধারণত প্রাপ্তবয়স্ক অমুসলিম কাউকে মদিনায় বসবাসের অনুমতি দিতেন না। কিন্তু নিহাওয়ান্দের যুদ্ধে বন্দি হওয়া আবু লুলু ফিরোজ নামে মুগিরা ইবনে শোবা রা. এর এক গোলামকে তিনি ব্যতিক্রম হিসেবে অনুমতি দেন।

কারণ মুগিরা ইবনে শোবা রা. তার শৈল্পিক দক্ষতার কথা সামনে রাখেন এবং বলেন—তার মাধ্যমে মদিনাবাসী উপকৃত হবে। ফিরোজ ছিল চিত্রকর, কাঠমিস্ত্রি ও কামার—এই তিন ক্ষেত্রেই অত্যন্ত দক্ষ।

তখন নিয়ম ছিল—যোগ্যতাসম্পন্ন গোলামরা মালিকের ব্যক্তিগত সেবা না করে নিজেদের পেশায় আত্মনিয়োগ করত, এবং উপার্জনের একটি অংশ মালিককে কর হিসেবে দিত। সে অনুযায়ী ফিরোজকে প্রতিদিন দুই দিরহাম দিতে হতো। যেহেতু সে অত্যন্ত দক্ষ ছিল, তার ইনকামও ছিল বেশি।

তবে এই অর্থ দেওয়াটর পরিমাণ তার কাছে বেশি মনে হওয়ায় সে উমর রা. এর কাছে কর কমানোর অভিযোগ নিয়ে যায়। উমর রা. তার পেশার কথা শুনে বলেন, “তোমার আয়ের তুলনায় তো খুব বেশি নেওয়া হচ্ছে না।”

ফিরোজ চলে যাওয়ার সময় রাগত স্বরে বলে যায়—
“তার ইনসাফের পাল্লা আমি ছাড়া সবার জন্যই অবধারিত।”

এই কথায় তার ক্ষোভের আভাস পাওয়া গেলেও দ্য গ্রেট উমর ফারুক রা. একজন বিচারপ্রার্থীকে নিরাশ করতে চাননি। তাই তিনি মুগিরা রা.কে কর কমানোর ব্যাপারে সুপারিশ করবেন বলে মনস্থির করেন।

এরপর একদিন ফিরোজকে কোথাও যেতে দেখে তিনি জিজ্ঞেস করলেন,
“শুনেছি তুমি নাকি খুব ভালো চাক্কি বানাতে পারো। আমার জন্য একটা বানিয়ে দেবে?”

ফিরোজ তখন আশ্চর্য ভঙ্গিতে, কিছুটা হুমকির সুরে বলল—
“আমি এমন একটি চাক্কি বানাবো, যা পূর্ব–পশ্চিমে বসবাসকারী সবাই দেখতে পাবে।”

বিচক্ষণ উমর রা. তার কথার ধরনেই হুমকির ইঙ্গিত বুঝে ফেলেছিলেন। তিনি সাথীদেরও বলেছিলেন যে, লোকটি তাকে হুমকি দিয়েছে। কিন্তু ইনসাফের খাতিরে তাকে গ্রেফতার করেননি। কারণ অপরাধ প্রমাণ ছাড়া কেবল সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে গ্রেফতার করা যায় না। যেহেতু তার কোনো অপরাধ তখনো প্রমাণিত হয়নি, তাই তাকে যেতে দিয়েছিলেন।

২৭ জিলহজ, বুধবার। আমিরুল মুমিনিন উমর ফারুক রা. ফজরের নামাজ পড়ানোর জন্য মেহরাবে দাঁড়ান। তাকবিরে তাহরিমা দেওয়ার মুহূর্তে হঠাৎ লুকিয়ে থাকা আবু লুলু ফিরোজ বেরিয়ে এসে তার বুকে পরপর ছয়টি খঞ্জরের আঘাত করে।

আক্রমণটি এতটাই আকস্মিক ছিল যে, পেছনে থাকা মুক্তাদিরা প্রথমে কিছুই বুঝতে পারেননি। কয়েকজন আবু লুলুকে ধরতে গেলে সে খঞ্জর চালিয়ে তেরোজনকে আহত করে, যাদের মধ্যে নয়জন শহীদ হন। একপর্যায়ে একজন চাদর দিয়ে তাকে আটকানোর চেষ্টা করলে, সে নিজের খঞ্জর দিয়েই আত্মহত্যা করে।

যদিও অধিকাংশ ঐতিহাসিক এই হত্যাকাণ্ডকে রাগের বহিঃপ্রকাশ বলে উল্লেখ করেছেন—কারণ উমর রা. তার অভিযোগে সাড়া দেননি। কিন্তু পুরো ঘটনা বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়, এটি কোনো তাৎক্ষণিক রাগের বহিঃপ্রকাশ ছিল না। কারণ কয়েক দিরহামের জন্য কেউ কখনো নিজের জীবন বাজি রেখে এত নিখুঁত পরিকল্পনায় হত্যা করে না। আবার তার হুমকি দেওয়ার ধরনটা স্পষ্ট করে দেয়, এটি একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র ছিল।

এই ষড়যন্ত্রের মূল হোতা হিসেবে যাকে সন্দেহ করা হয়, উমর রা. এর শাহাদাতের পর তার ছেলে হজরত উবায়দুল্লাহ রাগের মাথায় তাকে হত্যা করে ফেলে। এর ফলেই আজ পর্যন্ত এই ষড়যন্ত্রের রহস্য অমীমাংসিত থেকে গেছে।

হজরত উবায়দুল্লাহ রা. তার বন্ধু আবদুর রহমান ইবনে আবু বকর রা.–এর কাছ থেকে জানতে পারেন—হরমুজই সেই খঞ্জরটি ফিরোজকে দিয়েছিল, যেটি দিয়ে উমর রা.–কে হত্যা করা হয়। তবে উবায়দুল্লাহ রা.-এর এই হত্যাকাণ্ড ছিল একটি মারাত্মক ভুল। যার প্রভাব অর্ধশত বছর পর্যন্ত অবশিষ্ট ছিল। এমনকি আজও তার পরোক্ষ প্রভাব বিদ্যমান।

সূত্র : মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস - মাওলানা ইসমাইল রেহান

With Price in BD – I just got recognised as one of their top fans! 🎉
20/01/2026

With Price in BD – I just got recognised as one of their top fans! 🎉

18/01/2026

ইয়ামেনের শাসক তখন আবরাহা। ক্ষমতার দম্ভ আর ইর্ষায় অন্ধ হয়ে সে কাবার সমতুল্য এক গির্জা নির্মাণ করল। কিন্তু মানুষের হৃদয় তো মক্কার ওই প্রাচীন ঘরের সাথেই বাঁধা।

ক্ষোভে ফেটে পড়ে আবরাহা সিদ্ধান্ত নিল—সে কাবা ধ্বংস করে দেবে। তার বিশাল হস্তীবাহিনীর সামনে আরবের ছোট ছোট গোত্রগুলো ছিল অসহায়। যখন সে মক্কার দ্বারপ্রান্তে, তখন কাবা শরীফের জিম্মাদার আবদুল মুত্তালিব কেবল এটুকুই বলেছিলেন, “আমি উটের মালিক, তাই উট নিয়ে ভাবছি; আর এই ঘরের একজন মালিক আছেন, তিনিই তাঁর ঘর রক্ষা করবেন।”

সেই মরণপণ মুহূর্তে আকাশ কালো করে ধেয়ে এল ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি। তাদের ঠোঁটে আর পায়ে ধরা ছিল ছোট ছোট পোড়া মাটির কণা। সূরা ফিলে আল্লাহ সেই দৃশ্যটিই এঁকেছেন— “আপনি কি দেখেননি আপনার পালনকর্তা হস্তীবাহিনীর সাথে কী করেছিলেন?”

সেই ছোট কণাগুলো যখন আবরাহার সেনাদের ওপর পড়ল, তারা চিবানো ঘাসের মতো বিধ্বস্ত হয়ে গেল। সূরাটি আমাদের শেখায়, যখন জালিমের দম্ভ সীমা ছাড়িয়ে যায়, তখন আল্লাহ ক্ষুদ্রতম সৃষ্টি দিয়েও বিশালতম অহংকার গুঁড়িয়ে দিতে পারেন। আবরাহা চেয়েছিল ইতিহাস থেকে কাবাকে মুছে দিতে, অথচ আল্লাহ তাকেই ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করলেন।

বিশাল কোনো বিপদে যখন আমরা নিজেদের খুব ছোট মনে করি, তখন সূরা ফিল আমাদের মনে করিয়ে দেয়—আমাদের মালিক যদি আমাদের সাথে থাকেন, তবে সেখানে জয় নিশ্চিত। 💛
রেফারেন্স: তাফসীরে ইবনে কাসীর, সীরাতে ইবনে হিশাম।
Price in BD

11/01/2026

আপনি কখনোই জানবেন না, আপনার একটা ছোট্ট কাজ দেখেও হয়তো অন্য-আরেকটা মানুষের পুরো জীবনটাই বদলে যাবে। আপনি মুসলিম বলেই হয়তো আপনার সেই কাজে মুগ্ধ হয়ে সে ইসলামকে জানা শুরু করবে। পথ খুঁজে পাবে।
‘উল্টো নির্ণয়’ বই থেকে,

10/01/2026
17/09/2022

حَدَّثَنَا الْحُمَيْدِيُّ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الأَنْصَارِيُّ، قَالَ أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيُّ، أَنَّهُ سَمِعَ عَلْقَمَةَ بْنَ وَقَّاصٍ اللَّيْثِيَّ، يَقُولُ سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ ـ رضى الله عنه ـ عَلَى الْمِنْبَرِ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ إِنَّمَا الأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ، وَإِنَّمَا لِكُلِّ امْرِئٍ مَا نَوَى، فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى دُنْيَا يُصِيبُهَا أَوْ إِلَى امْرَأَةٍ يَنْكِحُهَا فَهِجْرَتُهُ إِلَى مَا هَاجَرَ إِلَيْهِ ‏"‏‏.

’আলক্বামাহ ইবনু ওয়াক্কাস আল-লায়সী (রহ.) হতে বর্ণিত। আমি ’উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে মিম্বারের উপর দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছিঃ আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ কাজ (এর প্রাপ্য হবে) নিয়্যাত অনুযায়ী। আর মানুষ তার নিয়্যাত অনুযায়ী প্রতিফল পাবে। তাই যার হিজরত হবে ইহকাল লাভের অথবা কোন মহিলাকে বিবাহ করার উদ্দেশে- তবে তার হিজরত সে উদ্দেশেই হবে, যে জন্যে, সে হিজরত করেছে।] (৫৪, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)

প্রাসঙ্গিক আলোচনা

নিয়ত-এর পরিচয় নিয়ত শব্দের অর্থ ইচ্ছা করা। আর শরীআতের পরিভাষায় নিয়ত বলতে দু'টি জিনিস বুঝায়- (১) অভ্যাস থেকে ইবাদাতকে আলাদা করা; (২) এক ইবাদাত থেকে অন্য ইবাদাতকে আলাদা করা।

হাদীসে উল্লিখিত নিয়তের ওপর নির্ভরশীল, এর অর্থ হচ্ছে- কর্মের সাওয়াব বা শাস্তি নিয়ত অনুসারেই আল্লাহ নির্ধারণ করবেন। সেখানে বাহ্যিক কর্মের ওপর নির্ভর করা হবে না। দুনিয়ার কর্ম এর বিপরীত। সেখানে কেউ নিয়তের কথা বলে পার পেতে পারে না। তাদেরকে অবশ্যই তাদের কর্মের দায়-দায়িত্ব নিতে হবে।

মহিলাকে বিবাহ করাও দুনিয়া লাভের উদ্দেশ্যের অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু আলাদাভাবে উল্লেখ করার কারণ হচ্ছে, এ হাদীসটির প্রেক্ষাপট। এ হাদীসটির প্রেক্ষাপটের সাথে একজন মহিলা জড়িত ছিল বলে প্রতীয়মান হয়। যদিও সহীহ কোন বর্ণনা দ্বারা তা সাব্যস্ত হয়নি।

হাদিস থেকে শিক্ষা

১. প্রতিটি কাজের বিশুদ্ধতা, বিনষ্ট হওয়া, পূর্ণতা, অপূর্ণতা, আনুগত্য কিংবা অবাধ্যতা নির্ধারিত হবে নিয়তের ওপর। সুতরাং যদি কেউ লোক দেখানো কিংবা লোক শোনানোর উদ্দেশ্যে আমল করে তবে সে গুনাহগার হবে। যেমন যদি কেউ জিহাদ করে আল্লাহর দীনকে বুলন্দ করার জন্য তবে তার সাওয়াব পূর্ণতা পাবে, আর যদি সে আল্লাহর দীন বুলন্দ করার পাশাপাশি গনীমতের মাল পাওয়ার আশা করে তবে তার সাওয়াব কমে যাবে। আর যদি শুধু গনীমতের আশা করলে সে গনীমতের সম্পদই পাবে, গুনাহ না হলেও মুজাহিদের সাওয়াব পাবে না।

২. কোনো কাজের জন্য নিয়ত বা ইচ্ছা একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। কিন্তু সেটা মনে মনে স্থির করে নেয়াই যথেষ্ট। এ ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করা যাবে না। বাড়াবাড়ি বলতে এমন করা যে, সেটাকে মুখে আওড়ানো বা বারবার বলা অথবা সে কাজের প্রতিটি অংশের মধ্যে সেটার উপস্থিতি তৈরি করা। এমনটি পরবর্তীতে ওয়াসওয়াসা বা কুমন্ত্রণার পর্যায়ে নিয়ে যাবে। কাজটি করার শুরুতে নিয়ত ঠিক করার পর বারবার বলার প্রয়োজন নেই।

৩. নিয়তের স্থান হচ্ছে অন্তর। যদি মুখে উচ্চারণ করা হয় তবে সেটা বিদআত হবে।

৪. লোক দেখানো কিংবা শোনানোর প্রবণতা থেকে সাবধান থাকতে হবে। কারণ তা ইবাদাত নষ্ট করে দেয়।

৫. অন্তরের আমল বা অন্তরের কাজের ব্যাপারে যথাযথ গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ, তার মাধ্যমেই ইবাদতের শুদ্ধাশুদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করছে।

৬. দ্বীন ও ইসলামের হেফাযতের জন্য অমুসলিম দেশ থেকে মুসলিম দেশে হিজরত করা অত্যন্ত সাওয়াবের কাজ, উত্তম ও উৎকৃষ্ট ইবাদত। তবে শর্ত হচ্ছে, একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তা সংঘটিত হওয়া।

৭. ইবাদত যখন এমন জিনিস হবে যাতে একটি নিয়তই কার্যকর করা যায়, যেমন- সাওম পালন করা, সালাত আদায় করা। এমতাবস্থায় সে কাজের শুরুতে যা নিয়ত করবে তা ই হবে। কিন্তু যে ইবাদতের অংশ ভিন্ন ভিন্ন থাকে, তখন সেটার যে অংশের নিয়ত যা হবে সে অংশের হুকুম তা নির্ধারিত হবে। যেমন- যাকাত প্রদান করা। যখন লোক দেখানোর নিয়ত থাকবে তখন তা রিয়া ও আমল ধ্বংস করবে, আবার যখন সাওয়াবের আশা করবে তখন তা বিশুদ্ধ হবে।

নামাজের সময়সূচি :
31/12/2021

নামাজের সময়সূচি :

Address

Mosque, N5, Savar Union
Savar
1340

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Savar Upazila Model Mosque & Islamic Cultural Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share