Alhaz Dudu Miah and Champa Bibi Foundation

Alhaz Dudu Miah and Champa Bibi Foundation Non political organisation সম্পুর্ণ অরাজনৈতিক অলাভজনক সেবামূলক সংগঠন

17/07/2024

শোক সংবাদ
إنا لله و إنا اليه راجعون
রফিকে আ'লার দরবারে চলে গেলেন ভারত উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠতম আধ্যাত্মিক চর্চা কেন্দ্র, দক্ষিণ বঙ্গের ইলমে শরীয়াত ও ত্বরীকতের প্রাণকেন্দ্র, ঐতিহাসিক ছারছীনা দরবার শরীফের হযরত পীর এবং মুর্শিদ ছারছীনা দরবার শরীফের আ'লা হযরত পীর কিবলা।

■ দেশ-বিদেশের কোটি কোটি মানুষের আধ্যাত্মিক রাহবার বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লার মাননীয় আমির, প্রায় দুই হাজার দ্বিনিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা, বাংলাদেশ জমিয়াতুল মুদার্রেসিন এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও মসজিদে গাউসুল আজম কমপ্লেক্সের মুতাওয়াল্লী এবং ছারছীনা দরবার শরীফের পীরে কামেল শাহ সূফী আ'লা হযরত মাওলানা শাহ মোহাম্মাদ মুহিব্বুল্লাহ রহমতুল্লাহ আলাইহি আজ রাত দুইটা ১১ মিনিটের সময় রাজধানী সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহী র’জিয়ূন! ইন্তেকালের সময় মরহুমের বয়স হয়েছিল ৭০ এর কাছাকাছি!"

■ পীর সাহেব কেবলা(রহঃ)দীর্ঘদিন যাবত বার্ধক্য জনিত বিভিন্ন রোগে ভুগতে ছিলেন। প্রথমতঃ তিনি রাজধানীর গ্রীন লাইফ হাসপাতালে, এরপরে সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে এবং সর্বশেষ গ্রিন রোদস্থ সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

■ ইন্তেকালের সময় তিনি স্ত্রী, দুইপুত্র এবং তিন কন্যা সহ অনেক নাতি নাতনি রেখে যান। সকল পীরভাই, মুহিব্বীন দের নিকট পীর সাহেব কেবলার রুহের মাগফিরাতের জন্য দু'আ কামনা করছেন হযরত পীর সাহেব কেবলা (রহঃ) এর বড় সাহেবজাদা আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছরুদ্দীন আহমদ হোসাইন (মাঃআঃ)।

■ জানাজা ও দাফনঃ
আগামীকাল ১৮ জুলাই, ০৩ শ্রাবণ, ১১ মুহাররম, রোজ- বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় ছারছীনা দরবার শরীফ (পিরোজপূর জেলার, নেসারাবাদ থানা/ঊপজেলা) ময়দানে জানাজা শেষে তাঁকে দাফন করা হবে ইন শা আল্লাহ! সকল পীরভাই, মুহিব্বীন এবং দল-মত ও ছেলছেলা নির্বিশেষে সকল ঈমানদার মুসলমান ভাইদেরকে হুজুরের জানাজায় উপস্থিত হবার/থাকার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি!

■ মরহুমের ইন্তিকালে ঐতিহ্যবাহী জহুরীয়া দরবার শরীফ এর বর্তমান পীর সাহেব কিবলা পীরে তরিকত আলহাজ্ব শাহ সূফী মোহাম্মাদ আজহারুল ইসলাম আল কাদেরী, মাঃজিঃআঃ আজ সকালে এক বার্তায় গভীর শোক প্রকাশ করেন। তিনি শোকাহৃত মরহুমের পরিবার ও ভক্ত-অনুরক্ত সকলের প্রতি সমবেদনা জানান এবং মরহুমের রাফয়ে দারাজাত কামনা করেন।

।। ডেস্ক_রিপোর্ট।।
জহুরীয়া দরবার শরীফ
উত্তর বাহেরচর, তারানগর
কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা।
১৭ জুলাই ২০২৪, রোজ বুধবার
০২/০৪/১৪৩১ বঙ্গাব্দ
১০/০১/১৪৪৬ হিজরী

28/09/2022

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ‎ﷺ উপলক্ষে ঐতিহ্য বাহী জহুরীয়া দরবার শরীফের উদ্দোগে শুরু হয়েছে ১২ দিন ব্যাপী খতমে কুরআন, খতমে খাজিগান, ওয়াজ, মিলাদ, দোয়া মাহফিল এবং ইসলামিক রেলী।
উত্তর বাহেরচর, তারানগর, কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা।
✨ অনষ্ঠান সূচীঃ
————————
✨১ রবিউলআউয়াল হতে ১২ রবিউলআউয়াল
———————————————————
পহেলা রবিউলআউয়াল হতে ১২ রবিউলআউয়াল- প্রতি দিন বাদ ফজর ও বাদ আসর ছাওয়াব রেছানী, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল।
✨১১ রবিউলআউয়াল
——————————
সকাল ০৯ টাঃ খতমে কুরআন
বাদ আসরঃ খতমে খাজিগান, মিলাদ, দোয়া
বাদ মাগরিবঃ ছাওয়াব রেছানী, জিকির তা’লিম
বাদ ইশাঃ রাসূল ‎ﷺ এঁর জীবনে বিভিন্ন দিক নিয়ে বিষয় ভিত্তিক আলোচনা
রাত ১১ টাঃ মিলাদ ও দোয়া, তোবারক বিতরণ।

✨১২ রবিউলআউয়াল
——————————
বাদ ফজরঃ ছাওয়াব রেছানী, জিকির তা’লিম, মিলাদ ও দোয়া
সকাল ৭ টাঃ দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ হতে ইসলামিক রেলী শুরু
সকাল ১১ টাঃ সংক্ষিপ্ত আলোচনা, মিলাদ ও তোবারক বিতরণ।এবং বিশ্ব মুসলিম, দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কল্যানকামনা, আল্লাহ্ ও রাসূলে পাক ﷺ এঁর মহব্বত হাসিলের জন্য দোয়া-মুনাজাত।

28/09/2022
আলহামদুলিল্লাহ, গতকাল ৪/৬/২০২২ ঈসায়ী, রোজ শনিবার, সকাল ১০ ঘটিকায় নলাগড়িয়া নূরিয়া জামে মসজিদ ও মাদ্রাসা কমপ্লেক্স এর নতুন...
05/06/2022

আলহামদুলিল্লাহ, গতকাল ৪/৬/২০২২ ঈসায়ী, রোজ শনিবার, সকাল ১০ ঘটিকায় নলাগড়িয়া নূরিয়া জামে মসজিদ ও মাদ্রাসা কমপ্লেক্স এর নতুন ভবণসমূহের নকশা অনুমোদন এবং বিভিন্ন কর্ম পরিকল্পনা নিয়ে জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ঢাকা থেকে আগত সম্মানিত মেহমান ও গ্রামের গণ্যমাণ্য ব্যক্তি বর্গগণ উপস্থিত ছিলেন। সভায় সর্বসম্মতি ক্রমে নকশা অনুমোদন শেষে দোয়া-মুনাজাত তোবারক বিতরণের মাধ্যমে অনষ্ঠান সমাপ্ত করা হয়।

রোজাদারগণের মাঝে ইফতার বিতরণ কর্মসূচী। সহযোগীতায় বাংলাদেশ রেড ক্রীসেন্ট।
16/04/2022

রোজাদারগণের মাঝে ইফতার বিতরণ কর্মসূচী। সহযোগীতায় বাংলাদেশ রেড ক্রীসেন্ট।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ‎ﷺ উপলক্ষ্যে ০৮ রবিউল আউয়াল, ১৬ অক্টবর রোজ শনিবার, বাদ মাগরিব আল ইসলাম জহুরীয়া শিল্প গোষ্ঠি ও বরে...
08/10/2021

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ‎ﷺ উপলক্ষ্যে ০৮ রবিউল আউয়াল, ১৬ অক্টবর রোজ শনিবার, বাদ মাগরিব আল ইসলাম জহুরীয়া শিল্প গোষ্ঠি ও বরেন্য শিল্পিগণের পরিবেষণায় নাতে মুস্তাফা ‎ﷺ সন্ধ্যা এবং গজল সন্ধ্যা, ওয়াজ মিলাদ দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়েছে।
মাহফিলে স্বাস্থ বিধি মেনে মাস্ক পরে আসার অনুরোধ করছি।

স্থানঃ হাজী দুদু মিয়া ও চম্পা বিবি ফাউন্ডেশন, নলাগড়িয়া নূরিয়া ঈদগাহ ময়দান
নলাগড়িয়া, ভাকুর্তা, সাভার, ঢাকা।

খানা খাওয়ার সুন্নাত—————————আল্লাহ্ তাঁর বান্দার জন্য সৃষ্টির পরতে পরতে আসমান ও জমিনে, জলে ও স্থলে, দেশ ও আবহাওয়া ভেদে ব...
29/09/2021

খানা খাওয়ার সুন্নাত
—————————
আল্লাহ্ তাঁর বান্দার জন্য সৃষ্টির পরতে পরতে আসমান ও জমিনে, জলে ও স্থলে, দেশ ও আবহাওয়া ভেদে বিছিয়ে রেখেছেন অসংখ্য নিয়ামত। খাবার আল্লাহ তাআলার একটি অশেষ নিয়ামত।
মুসলমানের প্রতিটি ভালো কাজই ইবাদত এর সামিল। একজন মুসলমানের খাবার খাওয়ার বিশেষ কয়েকটি ও সুন্নত ও আদব রয়েছে। কীভাবে আহার করতে হবে এ ব্যাপারে রাসূল ﷺ সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন; সুন্নাত তরিকা অনুযায়ী আহার করলে খাওয়ার পাশাপাশি বহু ছাওয়াবের অধিকারী হতে পারি। অন্য দিকে স্বাস্থগত ভাবে সুফল পেতে পারি।

খানা খাওয়ার পূর্বের ও খানা খাওয়ার সময়ের সুন্নাতসমূহঃ
১। খাওয়ার পূর্বে দু’হাত কবজি পর্যন্ত ভালো ভাবে ধুয়ে কুলি করে খাবার শুরু করা। হাত না ধুয়ে না খাওয়া। -মুসনাদে আহমাদ
২। দস্তরখানা বিছিয়ে খানা খাওয়া।
৩। জমিনে বসে খাবার খাওয়া। দাড়িয়ে দাড়িয়ে বা হেঁটে হেঁটে না খাওয়া।
৪। খাওয়ার সময় বসার দুটি পদ্ধতি:
ক. দুই হাটু এবং দুই পায়ের পিঠের উপর নতজানু হয়ে বসা।
খ. ডান পা খাড়া করে বাম পায়ের উপর বসা।
৫। মাথায় টুপি পরে খাবার খাওয়া। মেয়েদের মাথায় কাপর দিয়ে খাওয়া।
৬। কোনো কিছুর ওপর হেলান দিয়ে না খাওয়া। -বুখারী শরীফঃ ৫১৯০, তিরমিজি শরীফঃ ১৯৮৬
৭। খাবারের পাত্র ধুয়ে পাত্রে খাবার নেয়া।
৮। খাবারের পাত্র থেকে খাবার নেয়ার সময় পাত্রের ডান দিক থেকে খাবার বেরে নেয়া।
৯। বোল বা বাটি থেকে খাবার বারার সময় ‘আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফিহি’ এ দোয়াটি পড়া।
১০। খাবার নিজ প্লেটে নেয়ার পর অন্যজনকে দিতে হলে প্রথমে ডান পাশের জনকে দেবেন। সেও তার ডান পাশের জনকে দেবে, এভাবেই চলবে। চা ও অন্যান্ন পানীয় এ নিয়মেই পান করতে হবে। নিজের বাম দিকের জনকে পরিবেশন না করা।
১১। খাওয়ার আগে বিসমিল্লাহ্ বলা।
খানা খাওয়া শুরু করার সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দোয়া পড়তেন,
‎بسم الله وعلى بركةالله بعالى
উচ্চারণ: বিসমিল্লাহি ওয়া আলা বারকাতিল্লাহ্।
অর্থঃ আল্লাহ্ তায়ালার নামে খানা খাওয়া শুরু করছি এবং আল্লাহ তায়ালার বরকত প্রার্থনা করছি।
১২। যদি খাওয়ার শুরুতে আল্লাহর নাম স্মরণ করতে ভুলে গেলে ‘’বিসমিল্লাহি আওয়ালাহু ওআখিরাহ” বলা।
-আবু দাউদ, হাদিস নংঃ ৩৭৬৭, তিরমিজি, হাদিস নংঃ ১৮৫৮।
অর্থঃ আমি আল্লাহ তায়ালার নামে খানা খাওয়া শুরু করছি। প্রথমেও আল্লাহ তায়ালার নাম, পরিশষেও আল্লাহ তায়ালার নাম।
১৩। ডান হাত দ্বারা খাওয়া। বাম হাতে না খাওয়া। কারন ইবলিশ শয়তান বাম হাতে খায়।
-বুখারি শরীফঃ ৫১৬৭, তিরমিজি, শরীফঃ ১৯১৩
১৪। জুতা পায়ে বা শুয়ে শুয়ে খানা না খাওয়া এবং হাতে ভর দিয়ে না খাওয়া।
১৫। রুটি/ খাবার যদি দস্তরখানায় উপস্থিত হলে তরকারীর জন্য অপেক্ষা না করে খানা শুরু করা।
১৬। পাত্র থকে নিজের সামনের দিকে ডান দিক হতে খাওয়া শুরু করা।
-বুখারি শরীফঃ ৫১৬৭, তিরমিজি, শরীফঃ ১৯১৩
১৭। এক হাতে রুটি না ছিড়া। কেননা এটি অহংকারীদের পদ্ধতি। বাম হাতে রুটি ধরে ডান হাতে ছিড়া।
১৮। হাত থেকে লোকমা পড়ে গেলে অথবা খাদ্য দানা পরে গেলে উঠিয়ে পরিষ্কার করে খাওয়া। তিরমিজি শরীফঃ ১৯১৫; ইবনে মাজাহ শরীফঃ ৩৪০৩
১৯। তিন আঙ্গুল দ্বারা খাওয়া। উজর ছাড়া চার / পাঁচ আঙ্গুলে না খাওয়া। (মধ্যমা, বৃদ্ধা ও শাহাদাত)
২০। এক আঙ্গুলে ও দুই আঙ্গুল দিয়ে না খাওয়া। এক আঙ্গুলে খাওয়া শয়তানের কাজ, দুই আঙ্গুল দিয়ে খাওয়া অহংকারীদের স্বভাব।
২১। খাওয়ার মাঝখানে পানি পান না করা। খাওয়ার কিছুক্ষন পর পানি পান করা।
২২। খাবারে ফুঁ না দেয়া।
-ইবনে মাজাহ শরীফঃ ৩৪১৩
২৩। বেশী গরম খাবার না খাওয়া।
২৪। খানা খাওয়ার পর প্লেট বা খাবার পাত্র এবং আঙ্গুল চেটে খাওয়া। চেটে খাওয়ার আগে হাত না মোছা অথবা হাত না ধোঁয়া।
-বুখারী শরীফঃ ৫২৪৫
২৫। খাবারের দোষ না ধরা। পছন্দ হলে খাওয়া, না পছন্দ হলে না খাওয়া। তবুও দোষ না ধরা।
-বুখারী শরীফঃ ৫১৯৮; ইবনে মাজাহ শরীফঃ ৩৩৮২
২৬। একটি প্লেটে ২ বা ততোধিক ব্যাক্তি এক সাথে আহার করা।
২৭। এক প্লেটে কয়েক জন খাবার খেলে সঙ্গি সাথীগণকে নিজে দিক থেকে খানা দেয়া।
২৮। সম্পূর্ণ পেট ভরে না খাওয়া। পেটের ১ ভাগ খাবার, ১ ভাগ পানি ও ১ ভাগ খালি রেখে খাওয়া সম্পন্ন করা।
২৯। খাওয়ার সময় অযথা বেশি কথা বা আচরণ থেকে বিরত থাকা। ধৈর্য্য সহকারে খাওয়ার : অর্থাৎ সবুরে-শুকুরে খাওয়া। খাওয়ায় সময় অযথা তাড়াহুড়া না করা।
৩০। খাওয়ার সময় খানার ছোট ছোট লোকমা তোলা। এক লোকমা শেষ হলে অন্য লোকমা মুখে দেওয়া। বড় বড় এবং একের পর এক লোকমা না তোলা।
৩১। খাওয়ার পর উভয় হাত কব্জিসহ ধোয়া ও কুলি করা।
৩২। খাওয়ার পর কুলি করা।
-মুসনাদে আহমাদ ও ইবনে মাজাহ শরীফ
৩৩। দুই বা ততোধিক লোক এক জায়গায় খেতে বসলে সবার খানা খাওয়া শেষে হাত ধোয়া। সবার খাওয়া শেষ হওয়ার আগে হাত না ধোয়া।
৩৪। খাওয়ার পর আল্লাহ তাআলার প্রশংসায় “আলহামদুলিল্লাহ” বলা ও দোয়া করা
খানা খাওয়ার পর নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দোয়া পড়তে বলেছেন,
‎الحمد لله الذى اطعمنا وسقانا وكفانا واواناوارواناوجعلنا من المسلمين
উচ্চারণঃ আলহামদুলিল্লাহি আতআমানা, ওয়াসাকানা, ওয়াকাফানা, ওয়াআয়ানা, ওয়া আরওয়ানা, ওয়াজা আলানা মিনাল মুসলিমীন।
অর্থঃ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তায়ালার যিনি আমাদেরকে খাইয়েছেন, পান করিয়েছেন, যথেষ্ট পরিমাণ খাবার দিয়েছেন, বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছেন, সকল প্রকার নেয়ামত দিয়েছেন এবং আমাদের মুসলমানদের অন্তর্ভূক্ত করেছেন।
৩৫। দাওয়াত খাওয়ার পরের দোয়া–
‎اَللّهُمَّ اَطْعِمْ مَنْ اَطْعَمَنِيْ وَ اَسْقِ مَنْ سَقَانِيْ
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা আতঈম মান আত‘আামনী ওয়া আস্কী মান সাকানী।
অর্থঃ ‘‘হে আল্লাহ্ যে আমাকে খাওয়াবে, তুমি তার খাদ্যে বরকত দান কর আর যে আমাকে পান করাবে, তুমি তাকেও পান করাও’’।
৩৬। খাবারের পর দাঁত খেলাল করা।
৩৭। দস্তরখানায় যা কিছু থাকে উহা মুরগী, বিড়াল, গরু, ছাগল ইত্যাদি কে খাওয়ানো যায়েজ। ডাসবিনে ময়লার স্তুপে বা রাস্তায় নিক্ষেপ না করা।
৩৮। খাওয়ার শেষে সাথে সাথে না শোয়া।

শুধু আহার নয়, বরংচ জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে মহানবী ‎ﷺ -এঁর নির্দেশিত পদ্ধতিকে অর্থাৎ প্রতিটি সুন্নাহ্ বাস্তব ও স্বাস্থ্যসম্মত বলে বিজ্ঞানীরা প্রমাণ পেয়েছেন। রাসূল ‎ﷺ -এঁর প্রতিটি কর্ম ও পদক্ষেপ মানবতার অনুসরণযোগ্য। দুনিয়াবি সফলতা ও আখিরাতে কামিয়াবির মাধ্যম। জীবন পথের পাথেয়। তার কর্মপদ্ধতি অনুসরণ করলে ‍মুমিনের জীবনে বয়ে যাবে প্রশান্তির ফল্গুধারা।
অন্তরে প্রথিত হবে নবী প্রেম।
আল্লাহর হুকুম মত, শরীয়ত সম্মত ও প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শে জীবন যাপন করার তৌফিক দান করুন। আমীন।

সম্পাদনায়ঃ
আলহাজ্ব শাহ্ সুফী মুহাম্মাদ আজহারুল ইসলাম আল কাদেরী মাঃ জিঃ আঃ
বর্তমান হযরত পীর সাহেব কিবলা, জহুরীয়া দরবার শরীফ।

পান করার সুন্নাতঅসংখ্য অগুনিত নিয়ামত আল্লাহ্ তাঁর বান্দার জন্য সৃষ্টির পরতে পরতে আসমানে ও জমিনে বিছিয়ে রেখেছেন। আল্লাহতা...
28/09/2021

পান করার সুন্নাত

অসংখ্য অগুনিত নিয়ামত আল্লাহ্ তাঁর বান্দার জন্য সৃষ্টির পরতে পরতে আসমানে ও জমিনে বিছিয়ে রেখেছেন। আল্লাহতা’আলার অপার এক নিয়ামতের নাম পানি।
আল্লাহতা’আলা বলেন,
‘অতঃপর আমি পানিকে জমিনের বুকে সংরক্ষিত করি’ -সূরা আল মুমিনুন- ১৮
আমাদের পান করা পানির প্রতিটি বিন্দু আল্লাহর কুদরতি ব্যবস্থাপনায় আমাদের দেহের ভেতরে পৌছে যায়।
পানি অথবা পানিয় কীভাবে পান করতে হবে এ ব্যাপারে রাসূল ﷺ সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন; সুন্নাত তরিকা অনুযায়ী পান করলে আমরা পান করার পাশাপাশি বিরাট ছাওয়াবের অধিকারী হতে পারি। অন্য দিকে স্বাস্থগত ভাবে সুফল পেতে পারি।

পান করার সুন্নাতসমূহঃ
১। বসে পান করা। দারিয়ে পানি না পান করা।
২। আলোতে দেখে পান করা। অন্ধকারে এবং না দেখে কিছু পান না করা।
৩। টুপি মাথায় দিয়ে পান করা। খোলা মাথায় কিছু পান না করা।
৪। পানের শুরুতে বিসমিল্লাহ পাঠ করা।
৫। ডান হাতে পান করা। বাম হাতে কোন কিছু পান না করা। কারন শয়তান বাম হাত দিয়ে পান করে।
৬। পান করার পাত্র যদি ভাঙা থাকে পাত্রের ভাঙা অংশের দিক দিয়ে পান না করা। পাত্রের ভালো অংশের দিক দিয়ে পান করা।
৭। যে পাত্রে পানি রাখা হয় সে পাত্র দিয়ে পানি পান না করা। অর্থাৎ বড় পাত্রে মুখ লাগিয়ে পান না করা।
৮। পানি তিন ঢোকে অন্য কিছু অল্প অল্প করে পান করা।
৯। পান করার সময় নিঃশ্বাস পাত্রের বাইরে ফেলা। নিঃশ্বাস পাত্রের ভিতরে না ফেলা।
১০। গরম কিছু পান করার সময় ফু দিয়ে দিয়ে পান না করা।
১১। পানি পান করার পর অন্যজনকে দিতে হলে প্রথমে ডান পাশের জনকে দেবেন। সেও তার ডান পাশের জনকে দেবে, এভাবেই চলবে। চা ও অন্যান্য পানীয় এ নিয়মেই পান করতে হবে। বাম দিকের জনকে পরিবেশন না করা।
১২। পান করার পর الحمد لله বলা।
রাসূল ‎ﷺ বলেন, বান্দা যখন আহার করে আল্লাহ তাআলার প্রশংসা করে, তিনি বান্দার উপর সন্তুষ্ট হয়ে যান। তদ্রুপ পানীয় পান করার পর আল্লাহ তা’আলার প্রশংসা করলে তিনি তার উপর সন্তুষ্ট হয়ে যান।
-মুসলিম শরীফঃ ২৭৩৪

শুধু পানাহার নয়, বরংচ প্রতিটি ক্ষেত্রে মহানবী ‎ﷺ -এঁর নির্দেশিত পদ্ধতিকে অর্থাৎ প্রতিটি সুন্নাহ্ বাস্তব ও স্বাস্থ্যসম্মত বলে বিজ্ঞানীরা প্রমাণ পেয়েছেন।

সম্পাদনায়ঃ
আলহাজ্ব শাহ্ সুফী মুহাম্মাদ আজহারুল ইসলাম আল কাদেরী মাঃ জিঃ আঃ
বর্তমান হযরত পীর সাহেব কিবলা, জহুরীয়া দরবার শরীফ।

‘ক্ষমা’ মুমিনের অন্যতম বৈশিষ্ট্যক্ষমা সর্বোৎকৃষ্ট একটি মহৎ গুণ। মুমিনের মধ্যে মহৎ গুণের অন্যতম একটি গুণ হচ্ছে ‘ক্ষমাশীল...
13/09/2021

‘ক্ষমা’ মুমিনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য

ক্ষমা সর্বোৎকৃষ্ট একটি মহৎ গুণ। মুমিনের মধ্যে মহৎ গুণের অন্যতম একটি গুণ হচ্ছে ‘ক্ষমাশীলতা’। ক্ষমা মানুষকে মহৎ বানায়। মানুষের সম্মান বাড়ায়। পরস্পরের মধ্যে ভালোবাসার বন্ধন সুদৃঢ় করে।
যে গুনটিতে আল্লাহর অপার ভালোবাসা পাওয়া যায় তা হলো ক্ষমা। কোন মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। আল্লাহ অত্যন্ত দয়ালু ও ক্ষমাশীল। আল্লাহ সবাইকে ক্ষমা করতে ভালোবাসেন এবং ক্ষমা করেন। তাই যারা অন্যকে ক্ষমা করে তাদেরও ভালোবাসেন। ক্ষমার মাধ্যমে মানুষের কাছে নিজের মান-মর্যাদা বাড়ে। আল্লাহরও প্রিয় বান্দা হওয়া যায়। সিবগাতুল্লাহ্ হওয়া যায়।

আল্লাহতায়ালা সুরা আল ইমরানের ১৩৪ নং আয়াতে বলেন, ‘আর যারা মানুষকে ক্ষমা করে আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন’।

সূরা আশ শুআরার ৪০ নং আয়াতে আল্লাহতাআলা আরো বলেন ‘আর অন্যায়ের প্রতিশোধ অন্যায় অনুপাতে হয়ে থাকে। কিন্তু অন্যায়কারীকে শোধরানোর উদ্দেশ্যে যে ক্ষমা করে তার প্রতিদান আল্লাহর কাছে রয়েছে। নিশ্চয়ই তিনি সীমালঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না।’
অন্য দিকে সূরা আরাফের ১৯৯ নং আয়াতে আল্লাহতায়ালা তাঁর হাবিব ﷺ কে উদ্দেশ্য করে বলেন, (হে নবী) আপনি ক্ষমাশীলতা অবলম্বন করুন এবং মানুষকে ভালো বিষয়ের আদেশ করুন। আর মূর্খদের উপেক্ষা করুন।’

মানুষের ভুলের প্রতি সহনশীলতা প্রদর্শণ ও মানুষকে ক্ষমা করার নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন হুজুরে পাক ﷺ।

মানুষের ভুলত্রুটি চুচেড়া হিসাব করে তার সঙ্গে সেই অনুপাতে আচরণ করার কথা ইসলাম কখনই বলে না। কোন ব্যক্তি আমার ক্ষতি করেছে আমাকেও তার ক্ষতি করতে হবে এমনটি উচিত নয়। বরং তার ক্ষতির বদলে উপকার করে তাকে বুঝিয়ে দেওয়া যে না, ক্ষমা’ই উত্তম আচরণ। ক্ষমা নবী পাক ﷺ এঁর অন্যতম একটি সুন্নত।

বুখারি শরীফের হাদিসে, আনাস (রা.) এঁর বর্ননায় পাওয়া যায়, ‘আমি নবীজির সঙ্গে হাঁটছিলাম। তাঁর পরনে ছিল মোটা কাপড়বিশিষ্ট একটি ইয়েমেনি চাদর। এক বেদুইন নবীজির কাছে এসে সেই চাদর ধরে সজোরে টান দিল। আমি দেখলাম মোটা কাপড়ের ঘষায় নবীজির কাঁধে দাগ বসে গেল। লোকটি কর্কশস্বরে নবীজিকে বলল, ‘আল্লাহর যে মাল তোমার কাছে আছে তা থেকে আমাকে কিছু দিতে বলো!’ নবীজি ﷺ লোকটির দিকে ফিরে তাকালেন এবং মুচকি হাসলেন। অতপর তাকে কিছু দেওয়ার আদেশ করলেন। (হাদিস নংঃ ৩১৪৯)

নবী পাক ﷺ এঁর এ মন মুগ্ধকর আচরণের প্রশংসা আল্লাহতায়ালা পবিত্র কুরআনে পাকের সূরা আল ইমরানের ১৫৯ নং আয়াতে তুলে ধরে আল্লাহ্ বলেন, ‘আল্লাহর দয়ায় আপনি তাদের প্রতি বিনম্র থেকেছেন। আপনি যদি কর্কশ ও কঠোর মনের হতেন, তাহলে এরা সবাই আপনার চারপাশ থেকে বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়ত। সুতরাং তাদের ক্ষমা করুন, তাদের মাগফিরাতের জন্য দোয়া করুন।’

বুখারি শরীফের হাদিসে এসেছে নবীজি ﷺ বলেন, ‘যে ব্যক্তি মানুষের প্রতি দয়া করে না, আল্লাহ তার প্রতি দয়া করেন না।’
অর্থাৎ, যে ব্যক্তি মানুষের প্রতি দয়া করে, সহনশীল আরচণ করে আল্লাহতায়ালাও তার সঙ্গে সেই ব্যবহার করেন।
হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি ﷺ বলেন, ‘সদকা করলে সম্পদের ঘাটতি হয় না। যে ব্যক্তি ক্ষমা করে আল্লাহ তার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন। আর কেউ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বিনীত হলে তিনি তার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন।’ (মুসলিম শরীফ)

আল্লাহর দ্বীন প্রচারের শুরু থেকে আপন মাতৃ ভূমিতে আল্লাহর হাবিব ﷺ দশটি বছর অমানবিক অমানষিক অত্যাচার নির্যাতন জুলুমের শিকার হয়ে বাধ্য হয়ে ছিলেন মদীনা শরীফে হিযরত করতে। মদীনা শরীফে অবস্থান কালেও মক্কার কাফির-মুশরিক দ্বারা তিনি আক্রমণের শিকার হয়েছেন। যুদ্ধ করতে তাঁকে বাধ্য করেছেন। কাফির-মুশরিকদের এ অত্যাচারের রাজত্ব দীর্ঘ দিন পর ধুলায় লুটায়। বিজয়ের বেশে হুজুরে পাক ﷺ মক্কায় ফিরে আসেন।
মক্কা বিজয় কালে মাতৃ ভূমিতে ফিরে আল্লাহর নবী ও তাঁর হাবিব ﷺ ক্ষমার যে নজির স্থাপন করেছেন তা সৃষ্টি জগতের সর্ব কালের সর্বশ্রেষ্ট নজিরবিহীন উদাহরণ। সে’দিন তিনি চাইলে কাফির-মুশরিক, ইহুদী-নাসারা, বেঈমান-মুনাফিক, দুষ্ট দুরাচার সকলকে পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেন নি। বরং সকলকে ক্ষমা করে ক্ষমার বিড়ল উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপণ করেছেন।

আহ্কারঃ
পীরে তরীক্বাত, শাহ্ সূফী আলহাজ্ব মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম আল কাদেরী মাদ্দা জিল্লুহুল আলী।
জহুরীয়া দরবার শরীফ, উত্তর বাহেরচর, তারানগর, কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা।

19/04/2021

"জাযাকাল্লাহু খাইরান"-এর অর্থ কি এবং উত্তরে কী বলতে হয় ? এর অর্থ কী ?

উপকার বড় হোক আর ছোট হোক; উপকারকারীর জন্য দোয়া করতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শিখিয়ে গেছেন। হাদিসে এসেছে-উচ্চারণঃ
‘জাযাকাল্লাহু খাইরান’অর্থঃ
আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।

কেউ যদি কারো উপকার করে এবং এর জন্য সে যদি তাকে “জাযাকা-আল্লাহু খাইরন ( ﺟَﺰَﺍﻙَ ﺍﻟﻠﻪُ ﺧَﻴﺮً ) বলে তাহলে সে যেনো তাঁর প্রতি সর্বোচ্চ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করলো।

উত্তরে যেটা বলা সুন্নাহঃ
পুরুষদের ধন্যবাদ দেওয়ার জন্য বলা “জাযাকা-আল্লাহু খাইরন ( ﺟَﺰَﺍﻙَ ﺍﻟﻠﻪُ ﺧَﻴﺮً )”
এবং মহিলাদের জন্য বলা “জাযাকি-আল্লাহু খাইরন ( ﺟَﺰَﺍﻙِ ﺍﻟﻠﻪُ ﺧَﻴﺮًﺍ )”।

অনেকে শুধু বলে থাকেন “জাযাকা-আল্লাহ” অথবা শুধু “জাযাক” অথবা শুধু “JZK” এভাবে সংক্ষিপ্ত বলা পরিহার করা উচিত। সংক্ষিপ্ত ভাবে বলার পরিবর্তে সুন্নাহের উপর আমল করা উচিত। সুন্নাহের ক্ষেত্রে সংক্ষেপ করাকে পরিহার করা উচিত।

যারা “জাযাকা-আল্লাহু খাইরন” বলে তাদের প্রতি সর্বোত্তম জবাব কোনটি?

যখন উছাইদ ইবনে হাদাইর রদিয়াল্লাহু আনহু রছুলুল্লাহ রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াছাল্লাম বললেনঃ

“হে আল্লাহর রসূল, জাযাকা-আল্লাহু খাইরন!”

তখন রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহিওয়াছাল্লাম বললেনঃ

“ওয়া আনতুম ফা-জাযাকুমু-আল্লাহু খাইরন ( ﻭَﺃَﻧْﺘُﻢْ ﻓَﺠَﺰَﺍﻛُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺧَﻴْﺮًﺍ)”

অর্থঃ তোমাকেও আল্লাহ উত্তম প্রতিদান দিন)

সঠীক উত্তর হলোঃ “ওয়া আনতুম ফা-জাযাকুমু-আল্লাহু খাইরন ( ﻭَﺃَﻧْﺘُﻢْ ﻓَﺠَﺰَﺍﻛُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺧَﻴْﺮًﺍ)”।

সতর্ককতা-
আমরা কখনো শুধুমাত্র ‘জাযাকাল্লাহু’ বলবো না। বরং ‘জাযাকাল্লাহু খাইরান’ বলবো। কারণ ‘জাযাকাল্লাহু’ দ্বারা প্রতিদান ভালোও হতে পারে আবার মন্দও হতে পারে।
তাই জাযাক আল্লাহু খাইরান এর পরিবর্তে '' জাযাক '' অথবা '' জাযাকাল্লাহ '' বলা ঠিক নয় আর এর উত্তর 'ওয়া ইয়াকুম ' বলাও হাদিস সম্মত নয়।

যখন কেউ জাযাক আল্লাহু খাইরান
- বলে এর জবাবেঃ 'ওয়া আনতুম ফা জাযাকুম আল্লাহ খাইরান ' (এবং আল্লাহ আপনাকেও উত্তম প্রতিদান দিন) বলতে হয়।
বুখারী শরীফ ও তিরমিযী শরীফ

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে উপকারীর উপকারে সুন্নাত তরিকায় আমল করার তাওফিক দান করুন।
আমীন।

19/02/2021

প্রতিষ্ঠাতা

Address

Nalagaria, Vakurta
Savar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Alhaz Dudu Miah and Champa Bibi Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share