ভার্সিটিয়ান দ্বীনি পরিবার

  • Home
  • Bangladesh
  • Savar
  • ভার্সিটিয়ান দ্বীনি পরিবার

ভার্সিটিয়ান দ্বীনি পরিবার || হোক শুদ্ধতার জাগরণ ||
(1)

ভার্সিটিয়ান দ্বীনি পরিবার একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক শিক্ষা, দাওয়াহ ও পূর্ণত মানবকল্যাণে নিবেদিত সেবামূলক প্রতিষ্ঠান।২০২০ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এই প্রতিষ্ঠান মানবতার শিক্ষক, মানুষের মুক্তি ও শান্তির দূত, মানবসেবার আদর্শ, মহানবী মুহাম্মদ সা.-এর পদাঙ্ক অনুসরণ করে আর্তমানবতার সেবা, সমাজ-সংস্কার, মহোত্তম নীতিচেতনার সঞ্চার, পরিচ্ছন্ন মানসিকতা গঠনে নিরন্তর নানা কর্মসূচি পালন, সর্বোপরি একটি আদর্শ কল্যাণসমাজ বিনির্মাণে যথাশক্তি প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কুরআন ও সুন্নাহ ভিত্তিক জীবন ও সমাজ গঠন করা এবং বিশুদ্ধ ইলমের প্রচার ও বিস্তার ভার্সিটিয়ান দ্বীনি পরিবারের অন্যতম লক্ষ্য। সালফে সালিহীনের পথ ধরে কুরআন ও সুন্নাহ ভিত্তিক মধ্যমপন্থা অবলম্বন করা আমাদের নীতি।

এক নজরে ভার্সিটিয়ান দ্বীনি পরিবারের সেবা-কার্যক্রম যেগুলো করছি ও ভবিষ্যতে করতে চাই:

• বেকারত্ব দূরীকরণে ও দারিদ্র্য বিমোচনে হস্তশিল্প, কারিগরি, খামার ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণের পাশাপাশি আত্মনির্ভরশীলতার জন্য অর্থ-সহায়তা প্রদান।
• বিভিন্ন সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগকালে উপদ্রুত অঞ্চলে ত্রাণ সহায়তা প্রদান।
• চিকিৎসার ব্যয়ভার বহনে অক্ষম রোগীদের স্বল্প বা বিনামূল্যে চিকিৎসা সহায়তা দান।
• অব্যবহৃত ওষুধ সংগ্রহ করে বিভিন্ন বুথের মাধ্যমে দুঃস্থ রোগীদের মাঝে সরবারহ করা।
• রমযান মাসে অভাবগ্রস্তদের মধ্যে ইফতার সামগ্রী বিতরণ ও দাওয়াহ কার্যক্রম পরিচালনা।
• দুঃস্থদের মধ্যে ঈদ উপলক্ষ্যে ফিতরা, পোশাক ও ঈদসামগ্রী বিতরণ।
• সুপেয় পানির সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় নলকূপ ও জলাধার স্থাপন।
• পরিবেশ সুরক্ষা ও স্বাবলম্বীকরণের লক্ষ্যে অভাবী পরিবার ও আবাসিক মাদরাসার আঙিনায় অধিক ফলনশীন বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যা।
• শিক্ষার্থীদের আত্মনির্ভরশীল করার জন্য নানামুখী প্রশিক্ষণ ও সহায়তা প্রদান।
• পথশিশু ও প্রতিবন্ধীদের সহযোগিতা ও পুনর্বাসন করা।

স্বপ্ন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাহ অনুযায়ী ভার্সিটিয়ান দ্বীনি পরিবার একটি আদর্শ নন-প্রফিট অরগানাইজেশান হিসেবে কাজ করতে চায়, যা বিভিন্ন কল্যাণমূলক কাজ করে যাবে ইনশাআল্লাহ

21/08/2026

দোয়া কবুলের উত্তম সময় চলছে। নিজেদের জন্য, মুসলিম উম্মাহ এবং মাজলুমদের জন্য দোয়া করি🤲।
সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম 💚

‘জুমু'আ রিমাইন্ডার’▪️সূরা আল কাহফ তিলাওয়াত▪️দরুদ শরীফ পাঠ ▪️ইস্তেগফার এবং ▪️বেশি বেশি দোয়া বিশেষ করে      আসর ও মাগরিবে...
21/08/2026

‘জুমু'আ রিমাইন্ডার’

▪️সূরা আল কাহফ তিলাওয়াত
▪️দরুদ শরীফ পাঠ
▪️ইস্তেগফার এবং
▪️বেশি বেশি দোয়া বিশেষ করে
আসর ও মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়ে।

আস্তাগফিরুল্লাহ ওয়া আতুবু ইলাইহি!

( ﷺ )
আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ

নিজের দক্ষতাকে মহান আল্লাহর দ্বীনের পথে কাজে লাগাতে কে না চায় বলুন তো?  এমন বরকতময় সুযোগ কী আর বারবার আসে? বারবার না এলে...
19/08/2026

নিজের দক্ষতাকে মহান আল্লাহর দ্বীনের পথে কাজে লাগাতে কে না চায় বলুন তো? এমন বরকতময় সুযোগ কী আর বারবার আসে?

বারবার না এলেও, আমরা আপনার জন্য এমনই একটি সুযোগ নিয়ে হাজির হয়েছি, আলহামদুলিল্লাহ। দীর্ঘ কয়েকবছর ধরে দ্বীনের দাওয়াত নিয়ে কাজ করা ‘ভার্সিটিয়ান দ্বীনি পরিবার’-এর দাওয়াহ ও কল্যাণমূলক কার্যক্রমে আমরা খুঁজছি নতুন কিছু উদ্যমী ও দায়িত্বশীল স্বেচ্ছাসেবী ভাই-বোন 🤍

আপনার মধ্যে যদি থেকে থাকে -

🔸 যেকোনো কাজ/টিমকে গুছিয়ে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দক্ষতা এবং দুর্দান্ত কমিউনিকেশন স্কিল

🔸 ব্যাসিক ডিজাইনের আইডিয়া যার মাধ্যমে আপনি সুন্দর, রুচিশীল ও অর্থবহ ইসলামিক পোস্টার, ব্যানার ডিজাইন করতে পারবেন

তবে আর দেরি না করে আজই Apply করে ফেলুন আমাদের টিমে, ইনশাআল্লাহ।

আপনি কোনটিতে বেশি আগ্রহী—
Organizer নাকি Graphics Designer/Mobile Dawah Designer ?
কমেন্টে জানিয়ে দিন 👇

📌 তবে খেয়াল রাখতে হবে -

• কাজটি সম্পূর্ণ ভলান্টিয়ারিং। তারপরেও 'ভার্সিটিয়ান দ্বীনি পরিবার'-এর নীতিমালা অনুযায়ী এবং সামর্থ্যের ভিত্তিতে কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ কখনও কখনও হাদিয়া (উপহার) প্রদান করা হতে পারে, ইনশাআল্লাহ।

• ঝোঁকের বসে কাজে যুক্ত হয়ে আবার দায়িত্ব নেওয়ার পর অবহেলা বা তা থেকে ইস্তফা নিতে চাওয়ার মনোভাব থাকলে চলবে না। নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হতে হবে, ইনশাআল্লাহ।

এইতো!
পুরোটা পড়ার পর আমাদের সাথে যুক্ত হতে আগ্রহী হয়ে থাকলে ঝটপট আবেদন করে ফেলুন, ইনশাআল্লাহ।

একটি ছোট্ট প্রচেষ্টা—
হয়তো কারও হিদায়াতের পথের মাধ্যম।
আল্লাহ তা'আলা আমাদের সকলের নেক নিয়াত ও চেষ্টা কবুল করুন,আমিন 🤲

🔗 আবেদন লিংক কমেন্টে 👇

#ভার্সিটিয়ান_দ্বীনি_পরিবার

بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِআসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ🌱 দ্বীনের পথে আপনার দক্ষতাকে কাজে লাগানোর সুযোগ ✨নি...
17/08/2026

بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ

🌱 দ্বীনের পথে আপনার দক্ষতাকে কাজে লাগানোর সুযোগ ✨

নিজের সময়, মেধা ও দক্ষতাকে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ব্যয় করার চেয়ে উত্তম বিনিয়োগ আর কী হতে পারে?

‘ভার্সিটিয়ান দ্বীনি পরিবার’-এর দাওয়াহ ও কল্যাণমূলক কার্যক্রমকে আরও সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও কার্যকরভাবে এগিয়ে নিতে আমরা খুঁজছি কিছু উদ্যমী, দায়িত্বশীল ও দ্বীনের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ ভাই-বোন, যারা নিজেদের যোগ্যতা ও সময়কে আখিরাতের পাথেয় হিসেবে কাজে লাগাতে আগ্রহী।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📌 আমাদের প্রয়োজন

১. অর্গানাইজার (Organizer)

টিমের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিকল্পনা ও সমন্বয় করা, প্রয়োজনীয় যোগাযোগ রক্ষা করা এবং দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজগুলো গুছিয়ে সম্পন্ন করার মানসিকতা ও দক্ষতা থাকতে হবে।

২. গ্রাফিকস ডিজাইনার (Graphics Designer) বা মোবাইল দাওয়াহ ডিজাইনার

রুচিশীল, দৃষ্টিনন্দন ও অর্থবহ ইসলামিক পোস্টার, ব্যানার এবং সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট তৈরিতে দক্ষ হতে হবে। ইসলামিক মূল্যবোধ ও শালীনতা বজায় রেখে কাজ করার মানসিকতা থাকা আবশ্যক।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📋 কাজের ধরন ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

🔹 এটি সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাসেবী (Volunteer) কার্যক্রম।

🔹 কাজের মূল উদ্দেশ্য হবে শুধুমাত্র মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।

🔹 কোনো নির্দিষ্ট বেতন বা আর্থিক পারিশ্রমিকের প্রত্যাশা রাখা যাবে না।

🔹 তবে ‘ভার্সিটিয়ান দ্বীনি পরিবার’-এর নীতিমালা, কাজের ধরন ও সামর্থ্য অনুযায়ী স্বীকৃতিস্বরূপ মাঝেমধ্যে হাদিয়া প্রদান করা হতে পারে, ইনশাআল্লাহ।

🤍 আপনি কি এই কল্যাণের যাত্রায় শরিক হতে চান?

আপনার দক্ষতা যদি হয়—
দ্বীনের জন্য একটি আমানত,

আপনার সময় যদি হয়—
আখিরাতের জন্য একটি বিনিয়োগ,

তবে এই সুযোগটি হতে পারে আপনার সেই আমানত কাজে লাগানোর একটি সুন্দর মাধ্যম।

আপনি যদি আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় এই কল্যাণকর কাজে শরিক হতে চান, তাহলে আজই আবেদন করুন।

🔗 আবেদন লিংক কমেন্টে দেওয়া আছে।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাদের নিয়তগুলোকে পরিশুদ্ধ করুন, আমাদের সময় ও সামর্থ্যে বরকত দিন এবং দ্বীনের খেদমতে আমাদের কবুল করে নিন।

آمِيْن يَا رَبَّ الْعَالَمِيْنَ 🤲

#ভার্সিটিয়ান_দ্বীনি_পরিবার

15/08/2026

— তুই কেমন আছিস? অনেকদিন তো কথা হয় না।

— আলহামদুলিল্লাহ… ভালো আছি। তবে সত্যি বলতে, আগের মতো নেই।

— মানে?

— জানিস, কিছুদিন ধরে মনে হচ্ছে আমি নিজেকে হারিয়ে ফেলেছিলাম। বাইরে থেকে সব ঠিকঠাক ছিল—হাসতাম, কথা বলতাম, সবার সঙ্গে মিশতাম। কিন্তু ভেতরে ভেতরে একটা শূন্যতা ছিল।

— কীসের শূন্যতা?

— আল্লাহর থেকে দূরে থাকার শূন্যতা। আগে নামাজ ছুটে গেলে মন খারাপ হতো। কুরআন না পড়লে মনে হতো দিনটা অসম্পূর্ণ। আর একটা সময় এসে… এসব কিছুই আর অনুভব করতাম না।

— তারপর?

— প্রথমে বুঝতেই পারিনি যে আমি কতটা দূরে চলে গেছি। ভাবতাম, পরে ঠিক হয়ে যাব। “আগামীকাল থেকে নামাজ পড়ব”, “আগামীকাল থেকে কুরআন পড়ব”—এভাবেই দিন কেটে যাচ্ছিল।

— তাহলে পরিবর্তনটা কীভাবে এলো?

— একদিন রাতে খুব অস্থির লাগছিল। চারপাশে সব ছিল, তবুও মনে হচ্ছিল আমার কিছুই নেই। ফোনটা পাশে রেখে চুপচাপ বসে ছিলাম। হঠাৎ মনে হলো—আমি এত মানুষের কাছে ছুটে বেড়াই, অথচ যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, তাঁর কাছেই তো ফিরছি না!

— তারপর কী করলি?

— অনেকদিন পর অজু করলাম। সিজদায় গিয়ে কিছু বলতে পারছিলাম না। শুধু কাঁদছিলাম। মনে হচ্ছিল, আমি তো কতবার ভুল করেছি, কতবার অবহেলা করেছি… এখন কি আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করবেন?

— আল্লাহ তো পরম ক্ষমাশীল।

— হ্যাঁ। সেদিনই যেন নতুন করে বুঝলাম, আল্লাহর দরজা কখনো বন্ধ হয় না। বান্দা যত দূরেই চলে যাক, ফিরে আসার পথটা খোলা থাকে।

— তারপর থেকে সবকিছু সহজ হয়ে গেল?

— না। বরং বুঝলাম, দ্বীনে ফিরে আসা মানে এক রাতেই নিখুঁত হয়ে যাওয়া নয়। কখনো নামাজে মন বসে, কখনো বসে না। কখনো কুরআন পড়তে ভালো লাগে, কখনো অলসতা আসে। কিন্তু একটা জিনিস বদলে গিয়েছে এখন ভুল হলে আমি পালিয়ে যাই না। আবার ফিরে আসি।

— আগে আর এখনকার মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য কী?

— আগে আমি ভাবতাম, “আমি আল্লাহর কাছে যাওয়ার মতো ভালো নই।” এখন বুঝি, ভালো হয়ে যাওয়ার জন্যই তো আল্লাহর কাছে যেতে হয়।

— বাহ! সুন্দর কথা।

— আর জানিস? আগে আমি দ্বীনকে অনেক নিয়ম-কানুনের মতো দেখতাম। এখন বুঝি, দ্বীন আসলে রবের কাছে ফিরে যাওয়ার পথ। নামাজ শুধু একটা দায়িত্ব নয়—এটা আমার রবের সঙ্গে দেখা করার সময়। কুরআন শুধু পড়ার বই নয়—এটা আমার পথনির্দেশ। আর তাওবা শুধু মুখের কয়েকটা শব্দ নয়—এটা আবার ফিরে আসার সাহস।

— তাহলে তুই এখন কী চাস?

— খুব বেশি কিছু না। শুধু চাই, জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত যেন আল্লাহর দিকে ফিরে থাকতে পারি। মাঝপথে যদি আবার দুর্বল হয়ে যাই, যেন তিনি আমাকে আবার উঠিয়ে দেন।

— আমাকেও একটু দোয়ায় রাখিস।

— অবশ্যই। তবে তুইও একটা কথা মনে রাখিস—

— কী?

— আল্লাহর কাছে ফিরে আসার জন্য “সঠিক সময়” বলে কিছু নেই। আজই সময়। এখনই সময়।

— যদি অনেক গুনাহ হয়ে থাকে?

— তবুও ফিরে আসবি।

— যদি বারবার ভুল হয়ে যায়?

— তবুও ফিরে আসবি।

— যদি মনে হয়, আমি আর আগের মতো ভালো হতে পারব না?

— তখনও ফিরে আসবি। কারণ আমাদের কাজ নিখুঁত হয়ে যাওয়া নয় বারবার পড়ে গিয়ে আবার রবের দিকে ফিরে আসা।

— আর যদি আল্লাহ আমাকে গ্রহণ না করেন?

— এই ভয়টা শয়তানের। তুই রবের রহমত থেকে নিরাশ হবি না। যে হৃদয় তাঁকে খুঁজে ফিরে, আল্লাহ তাকে পথ দেখানোর ক্ষমতা রাখেন।

— তাহলে আজ থেকেই শুরু করব।

— আজ থেকেই না… এই মুহূর্ত থেকেই।

— কী দিয়ে?

— একটা অজু দিয়ে। তারপর দুই রাকাত নামাজ। সিজদায় গিয়ে নিজের ভাষায় বলবি—

— কী বলব?

— “হে আমার রব, আমি ফিরে এসেছি। আমি দুর্বল। আমাকে আর দূরে যেতে দিয়ো না।”

— তারপর?

— তারপর ধীরে ধীরে কুরআনের কাছে যাবি, নামাজ আঁকড়ে ধরবি, গুনাহ ছাড়ার চেষ্টা করবি, ভালো মানুষের সঙ্গ নেবি। আর যখনই পড়ে যাবি—মনে রাখবি, ফিরে আসার দরজা এখনো খোলা।

— জানিস, আজ অনেকদিন পর আমার বুকটা হালকা লাগছে।

— কেন?

— মনে হচ্ছে… আমি হারিয়ে যাইনি। আমি শুধু পথ থেকে একটু দূরে সরে গিয়েছিলাম।

— ঠিক তাই। আর পথটা এখনো সেখানেই আছে।

— আলহামদুলিল্লাহ।

— আলহামদুলিল্লাহ। চল, এবার দুজনেই রবের দিকে ফিরি।

সূরা কাহফ!!
14/08/2026

সূরা কাহফ!!

জুমুআর দিনের আমলসমূহ
14/08/2026

জুমুআর দিনের আমলসমূহ

হারাম থেকে প্রত্যাবর্তন–একটি মেয়ে একজন ছেলেকে খুব ভালোবাসত। শুরুটা ছিল সামান্য কথাবার্তা দিয়ে। তারপর প্রতিদিন কথা বলা,...
10/08/2026

হারাম থেকে প্রত্যাবর্তন–

একটি মেয়ে একজন ছেলেকে খুব ভালোবাসত। শুরুটা ছিল সামান্য কথাবার্তা দিয়ে। তারপর প্রতিদিন কথা বলা, একে অপরের খোঁজ নেওয়া, রাত জেগে মেসেজ, ধীরে ধীরে সেই মানুষটিই তার চিন্তার সবচেয়ে বড় অংশ হয়ে গেল।

মেয়েটি নামাজ পড়ত, কুরআনও পড়ত। কিন্তু তার অন্তর যেন আর আগের মতো ছিল না। নামাজে দাঁড়ালেও তার মনে সেই মানুষটির কথা আসত। কুরআন খুললেও মন পড়ে থাকত ফোনের পর্দায়।

একদিন সে নিজের মনকে প্রশ্ন করল—

“এই সম্পর্ক কি আমাকে আল্লাহর কাছাকাছি নিয়ে যাচ্ছে, নাকি আল্লাহ থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে?”

প্রশ্নটির উত্তর সে জানতো!

সেদিন রাতে সে অনেক কাঁদল। মানুষটিকে সে ভালোবাসত, কিন্তু তার চেয়েও বেশি ভালোবাসত তার রব্বকে। তাই খুব কষ্ট হলেও সে সিদ্ধান্ত নিল এই সম্পর্ক থেকে সরে আসবে।

শেষবার সে শুধু বলল,

“আমি তোমাকে ঘৃণা করি না। বরং হয়তো তোমাকে খুব বেশি ভালোবাসি বলেই আল্লাহর অবাধ্যতার মধ্যে তোমাকে রাখতে চাই না। যদি আমাদের জন্য কল্যাণ থাকে, তাহলে আল্লাহ হালাল পথে আমাদের মিলিয়ে দেবেন। আর যদি না থাকে, তাহলে আল্লাহ আমাদের দুজনকেই উত্তম কিছু দান করুন।”

তারপর সে যোগাযোগ বন্ধ করে দিল। প্রথম কয়েকদিন খুব কষ্ট হলো। ফোন হাতে নিত, আবার রেখে দিত। পুরোনো কথাগুলো মনে পড়ত। কখনো মনে হতো—“আমি কি ভুল করলাম?”

কিন্তু সে নিজেকে বলত,

“আমি একজন মানুষকে হারিয়েছি, কিন্তু আল্লাহকে হারাতে চাই না।”

দিন যেতে লাগল। ধীরে ধীরে তার নামাজে মন বসতে শুরু করল। কুরআন পড়ে আবার শান্তি পেতে লাগল। গভীর রাতে তাহাজ্জুদের সিজদায় সে বলল—

“হে আল্লাহ, আমি আপনার জন্য যা ছেড়েছি, আপনি আমার অন্তরকে তার চেয়েও উত্তম ভালোবাসায় পূর্ণ করে দিন।”

তারপর একদিন সে বুঝতে পারল—কিছু মানুষকে জীবন থেকে সরিয়ে দেওয়া আসলে জীবনকে শূন্য করে না বরং কখনো কখনো আল্লাহর জন্য সেই জায়গাটুকু খালি করতেই হয়, যাতে সেখানে ঈমানের নূর ফিরে আসতে পারে।

হয়তো সে মানুষটিকে আর ফিরে পায়নি। কিন্তু সে ফিরে পেয়েছিল তার হারিয়ে যাওয়া প্রশান্তি, ইবাদতের স্বাদ এবং তার রবের সঙ্গে নতুন করে সম্পর্ক।

কখনো কখনো আল্লাহর জন্য কাউকে ছেড়ে দেওয়া মানে ভালোবাসার পরাজয় নয় বরং ভালোবাসার সবচেয়ে সুন্দর পরীক্ষা🤍।

Picture: Collected from the internet.

06/08/2026

‘জুমু'আ রিমাইন্ডার’

▪️সূরা আল কাহফ তিলাওয়াত
▪️দরুদ শরীফ পাঠ
▪️ইস্তেগফার এবং
▪️বেশি বেশি দোয়া বিশেষ করে
আসর ও মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়ে।

আস্তাগফিরুল্লাহ ওয়া আতুবু ইলাইহি!

( ﷺ )
আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ

Address

Savar

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ভার্সিটিয়ান দ্বীনি পরিবার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to ভার্সিটিয়ান দ্বীনি পরিবার:

Shortcuts

Share