The Dawah

The Dawah In the name of Allah, the Beneficent, the Merciful.(﷽)

15/11/2024

আল্লাহ তো কেবল চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতাকে দূরীভূত করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।’ (সূরা আহযাব: ৩৩)

07/10/2024

আমরা ইসলামের প্রতিষ্ঠা চাই। 🤍☝️

04/10/2023

Every soul will taste death...🥺

16/03/2023

আর কেউ যদি হারাম সম্পর্ক অথবা অন্য কোনও কাজ আল্লাহর ভয়ে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পরিত্যাগ করে তাহলে আল্লাহ তাকে এর চেয়ে উত্তম বিনিময় দান করবেন ইনশাআল্লাহ। এ মর্মে হাদিস বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
«إِنَّكَ لَنْ تَدَعَ شَيْئًا لِلَّهِ إِلَّا بَدَّلَكَ اللَّهُ بِهِ مَا هُوَ خَيْرٌ لَكَ مِنْهُ».
“তুমি আল্লাহর উদ্দেশ্যে কিছু পরিত্যাগ করলে অবশ্যই আল্লাহ এর বিনিময়ে তোমাকে এমন কিছু দান করবেন যা তার চেয়েও উত্তম।” [মুসনাদে ইমাম আহমদ, হা/ ২১৯৯৬, শাইখ আলাবানি বলেন, “এটি ইমাম মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ।” তবে কোনও কোনও বর্ণনায় এ হাদিসে অতিরিক্ত فى دينه ودنياه “দীন ও দুনিয়ায়” শব্দটি এসেছে।

25/02/2023

ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা
নিম্মোক্ত প্রবন্ধাটিতে সামাজিক ব্যবস্থা সম্বন্ধে মনোনিবেশ করা হয়েছে যা সমাজে সকল নারী পুরুষের মধ্যে সকল ব্যক্তিগত (ঘরে) ও সার্বজনিক (বাহিরে) সম্পর্ক ও একে অপরের সাথে মিথস্ক্রিয়াকে সুগঠিত করে। যদিও এটা বুঝা যায় যে ইসলামে সমাজের জন্য ব্যবস্থা সমূহ প্রতিটি একে অপরের সাথে পারস্পরিকভাবে সম্পর্কিত তাই একটি ব্যবস্থা ছাড়া আরেকটি ব্যবস্থা প্রয়োগের চেষ্টা করাটা শুধুমাত্র দুনিয়াবী জীবনে সর্বনাশা পরিনতির সৃষ্টি করেনা বরং আখিরাতেও দূর্দশার কারন হয় এবং এভাবে প্রয়োগ অনৈসলামিক এবং আল্লাহকে রাগান্বিত করে। উদাহারন স্বরুপ সমাজের ভারসাম্য এবং ইসলামী মূল্যবোধকে নিশ্চত করতেই আল্লাহ সুবহানুওয়া তা’আলা বিচার ব্যবস্থা নির্দিৃষ্ট করে দিয়েছেন এবং তার উপর ভিত্তি করে শাস্তি দিতে বলেছেন। এ কারনেই, নিম্মোক্ত আয়াতের প্রয়োগটি হদ্দের কঠিন শাস্তির সাথে সম্পর্কিত যা সমাজে গভীর প্রতিক্রিয়া তৈরি করবে সামাজিক ব্যবস্থা পরিচালনার জন্য। আল্লাহ সুবহানুওয়া তা’আলা বলেছেনঃ

“এবং যারা অভিযুক্ত করে একজন সম্মানী নারীকে কিন্তু তার পক্ষে চারজন স্বাক্ষী আনতে পারে না তাদেরকে আশিটি বেত্রাঘাত করবে এবং আবার কখনও তাদের স্বাক্ষ্য গ্রহন করা হবেনা। প্রকৃতপক্ষে তারাই হচ্ছে নাফরমান। কিন্তু যারা এরপর তওবা করে এবং সংশোধিত হয়, আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম মেহেরবান”। (আন নুরঃ ৪-৫)

এই আয়াতটি যথেষ্ট প্রমান ছাড়া কোন নারীর চরিত্রে কালিমা লেপন করে অভিযুক্ত করা সম্বন্ধে আলোকপাত করেছে। এটা সমাজে নারী যে সম্মানজনক সত্ত্বা সেই চিন্তাকে সু-প্রতিষ্ঠিত করে। যদিও তথাকথিত প্রগতিশীল স্বাধীনতাকামী এই সমাজে নারিদের সম্মান রক্ষা সম্বন্ধে কোনো ধারনা আমরা দেখিনা। এই সমাজে নারীর সত্ত্বাগত কোনো মূল্য নেই, আছে বানিজ্যিক মূল্য । নারীদের মর্যাদা আজ ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে পশ্চিমা গণমাধ্যমের পর্দায় এবং মা, কন্যা, বোন অথবা স্ত্রী হিসাবে তাদের ভূমিকা আজ দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। আরেকটি উদাহারনের মাধ্যমে আমরা দেখতে পাই যে, সমগ্র বিশ্বে আপাত প্রতীয়মান এই যে ইসলামিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা না থাকার কারনে সমাজে মানুষের মৌলিক চাহিদা গুলো পূরণ করা যাচ্ছে না, তাই পুরুষের পক্ষে তার পরিবারের ভরণ পোষণ কঠিন হয়ে যাচ্ছে। তাই বর্তমান সমাজের অবস্থা হচ্ছে স্বামী-স্ত্রী উভয়কে আজ তাদের পরিবারের মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য কাজ করতে হচ্ছে। তাই পরিবারে প্রত্যেকের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে একে অপরের সাথে সমঝোতা করে নিতে হচ্ছে।

খিলাফত ধবংস হওয়ার প্রায় এক শতাব্দী পরও আমরা আজও মুসলিম বিশ্বে ইসলামি সমাজ ব্যবস্থার ছোঁয়া দেখতে পাই। কিন্তু অন-ইসলামিক রাষ্ট্র কাঠামোর মাঝে ইসলামের এই সামাজিক মূল্যবোধ গুলো ফিকে হয়ে যাচ্ছে ও তার খাপ খওয়ানো ব্যবস্থা সবাইকে সুবিধা দিতে পারছে না। পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো ইসলামের সম্মানের চোখে নারীকে দেখার বিষয়টাকে ধ্বংস করে নারীকে অপব্যবহারের তীব্র চেষ্ঠা চালাচ্ছে। প্রতিটি ঘরে ঘরে তাদের স্যাটেলাইট নামক আগ্রাসী দানবের মাধ্যমে এই প্রচন্ড আক্রমনের জলন্ত স্বাক্ষী আরব বিশ্বের দেশগুলো। এটা হয় আমাদেরকে যৌন হতাশার দিকে ঠেলে দেয় অথবা তথাকথিত স্বাধীনতা চর্চাকে উৎসাহিত করে। কিছু দেশে দুটিই সহবস্থান করে, যেমনঃ তুর্কী, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান।

নারী পুরুষের সম্পর্কের অব্যবস্থাপনার কারনে সমাজের সামাজিক ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে। বর্তমানে যে অপরাধ, অসৎ কাজ সমাজে আমরা দেখতে পাই তার কারন হচ্ছে সেই দূষিত ভিত্তি যার উপর ভিত্তি করে দাড়িয়েছে সামাজিক ব্যবস্থা, আর অন্য সকল ব্যবস্থা। প্রকৃতপক্ষে পুরো ব্যবস্থাই এই দূষিত ভিত্তির উপর দাড়িয়ে আছে। “সামাজিক অপরাধ” এটা আমরা প্রত্যেক সমাজ বইয়ে দেখতে পাই। এই সমস্যা যতই হোকনা কেন এটাকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখা হয় এবং কখনও এর কারন হিসেবে ভিত্তিতে যাওয়া হয়না । আমাদের বুঝা উচিত যদি ভিত্তিই খারাপ হয় তাহলে এই ভিত্তি থেকে যা কিছু আসবে সবই খারাপ হবে। এই ধারনাটা সমাজে আমরা দেখিনা। ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন, পর্ণোগ্রাফি, ব্যভিচার, অজাচার, বিচ্ছেদের হার বৃদ্ধি, স্বামী-স্ত্রীর ঝগরা ও নির্যাতন এই সব কিছুই হচ্ছে মৌলিক সমস্যার উপসর্গ মাত্র।

সকল মুসলিমেরই আজ এই প্রশ্ন করা উচিত যে, আমাদের সমাজ কিসের উপর ভিত্তি করে তৈরি হচ্ছে?

মুসলমানদের অবশ্যই এ ক্ষেত্রে তার বুদ্ধিমত্তাকে ব্যবহার করে এটি বুজতে হবে যে ধর্ম নিরপেক্ষতার উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা এই জীবণ ব্যবস্থা ভ্রান্ত এবং খুজেঁ বের করতে হবে ইসলামের সত্যতাকে এবং শুধু মাত্র সেই সমাজ তৈরি করতে হবে যা ইসলামী আকীদার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত এবং যেখানে সামাজিকভাবে ইসলামী শরিয়াহর প্রয়োগ হয় যা আমাদেরকে দুনিয়াতে ও আখিরাতে উভই জায়াগায় সফল্য ও উন্নতি দান করবে।

08/02/2023

ঈমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল নামাজ। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর পক্ষ থেকে বার বার নামাজের তাগিদ পেয়েছেন। কুরআনে পাকে আল্লাহ তাআলা বিভিন্ন জায়গায় সরাসরি ৮২ বার সালাত শব্দ উল্লেখ করে নামাজের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

তাই প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাজকে ঈমানের পর স্থান দিয়েছেন। নামাজের গুরুত্ব ও ফায়েদা সম্পর্কে সাহাবায়ে কেরামের সামনে অসংখ্য হাদিন বর্ণনা করেছেন। তন্মধ্যে একটি হলো-

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলাম- (হে আল্লাহর রাসুল!) আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রিয় আমল কোনটি? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘নামাজ’। (বুখারি ও মুসলিম)

উল্লেখিত হাদিস বর্ণনা প্রসঙ্গে বিশিষ্ট ইসলামি স্কলার আল্লামা মোল্লা আলি ক্বারী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, ‘এ হাদিসের মাধ্যমেই আলেমগণ ঈমানের পর নামাজকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে করেন।

08/02/2023

আলহামদুলিল্লাহ

06/02/2023

তওবা শব্দের অর্থ অনুতপ্ত হওয়া, লজ্জিত হওয়া, ফিরে আসা বা প্রত্যাবর্তন করা। পারিভাষিক অর্থে তাওবা মানে-ভুল পথে ধাবিত ব্যক্তির হঠাৎ সচকিত হয়ে সম্বিত ফিরে পাওয়া। অনুতপ্ত, অনুশোচনা ও নিজের কৃতকর্মে লজ্জিত হয়ে ভবিষ্যতে ভুলের পুনরাবৃত্তি হবে না এ নিশ্চয়তা প্রদান করে অত্যন্ত খালেছ দিলে আল্লাহর দিকে ফিরে আসাকে তওবা বলা হয়।

কুরআনের আলোকে তওবা

কুরআনের একটি পূর্ণাঙ্গ সূরার নামকরণ করা হয়েছে সূরা তওবা। এছাড়া সূরা নুর, সূরা সূরা তাহরিম, সূরা বাকারা, সূরা ফুরকানসহ কুরআনের আরও অনেক স্থানে তওবা এবং এর গুরুত্ব উল্লেখ করা হয়েছে।

আর হে মুমিনগণ! তোমরা সকলে আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন (তওবা) কর, যেন তোমরা সফলকাম হতে পার।
— কুরআন, সূরা ২৪ (আল-নুর), আয়াত ৩১

হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহর সমীপে খাঁটি তওবা কর, এই আশায় যে তোমাদের প্রভু তোমাদের সকল পাপ ক্ষমা করে দেবেন আর তোমাদেরকে এমন উদ্যানসমূহে উপবিষ্ট করবেন যার নিম্নদেশে নদীসমূহ প্রবাহিত থাকবে...
— কুরআন, সূরা ৬৬ (আল-তাহরিম), আয়াত ৮

নিশ্চয়ই আল্লাহ তাদেরকে ভালবাসেন যারা তাঁর কাছে তওবা করে, এবং তিনি তাদেরকে ভালবাসেন যারা নিজেদেরকে পবিত্র করে।
— কুরআন, সূরা ২ (আল-বাকারা), আয়াত ২২২

অবশ্যই আল্লাহ তাদের তওবা কবুল করবেন, যারা ভূলবশত মন্দ কাজ করে, অতঃপর অনতিবিলম্বে তওবা করে, এরাই হল সেসব লোক যাদেরকে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন; আল্লাহ মহাজ্ঞানী রহস্যবিদ। আর এমন লোকদের জন্য কোন ক্ষমা নেই, যারা মন্দ কাজ করতেই থাকে, এমনকি যখন মাথার উপর মৃত্যু এসে উপস্থিত হয়, তখন বলতে থাকে - আমি এখন তওবা করছি। আর তওবা নেই তাদের জন্য, যারা কুফুরি(অবাধ্য) অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। আমি তাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি।
— কুরআন, সূরা ৪ (আন-নিসা), আয়াত ১৭-১৮

28/01/2023

আমরা কারনে অকারনে প্রতি দিনেই নানা পাপে বোঝায় করছি আমাদের ভান্ডার । হেলায় কিংবা খেলার চলে নিজের অজান্তেই অনেক খারাপ বা পাপ কাজ করে যাচ্ছি । মিথ্যা বলা থেকে শুরু করে,অন্যের ক্ষতি করা এবং কবীরা,সগীরা গুনাহের মত অমার্জনীয় গুনাহ করে যাচ্ছি অবলীলায়।
যার পরিনাম আমাদের হয়তো জানা নেই ।
আমাদের প্রতিটি গুনাহ মাফের জন্য আল্লাহ আমাদের অনেক বেশী সুযোগ দিয়েছেন,কিন্তু আমাওরা তা করিনা।
আল্লাহ আমাদের গুনাহ মাফের জন্য তওবা করার সুযোগ করে দিয়েছেন,নিজেকে বিশুদ্ধ করার রাস্তা দিয়েছেন,কিন্তু আমরা সে রাস্তায় চলি না। আমরা শুধু দুনিয়ার ভোগে,আর সুখেই মত্ত আছি ।
পার্থিব ধন-দৌলত আল্লাহর এক মহান নিয়ামত, এ নিয়ামত নাফরমানি করে অর্জন করা যায় না। কুরআন ও হাদিস দ্বারা প্রমাণিত পাপ সকল অনিষ্টের মূল। এ কারণেই মানুষ নানা ধরণের মুসিবতে পতিত হয়, যদি সে তাওবা না করে। আল্লাহ তাআলা বলেন:
আর তোমাদের প্রতি যে মুসীবত আপতিত হয়, তা তোমাদের কৃতকর্মেরই ফল। আর অনেক কিছুই তিনি মা করে দেন। সূরা শুরা : (৩০)
অন্যত্র তিনি বলেন :
আর অবশ্যই আমি তাদেরকে গুরুতর আযাবের পূর্বে লঘু আযাব আস্বাদন করাব, যাতে তারা ফিরে আসে। সূরা সাজদাহ : (২১)
মানুষ মাত্রই পাপ করেন। তবে এই পাপের ওপর অটল থাকা মুমিনের আলামত নয়। মুমিন গোনাহ করবে, আবার সেই গোনাহ থেকে ফিরে আসবে। এই ফিরে আসাই হলো তওবা। এর দ্বারা আল্লাহ মুমিন বান্দাদের পূত-পবিত্র করে দেন।প্রত্যেক মুমিনের উচিত সর্বদা তাওবা করা এবং বেশী বেশী নেক আমল করা ও সালাতের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য তলব করা। কারণ গুনাই সবচেয়ে বড় সমস্যা, সবচেয়ে বড় মুসিবত। বান্দা যখন তাওবা করে, আল্লাহ তাকে পছন্দ করেন এবং তাকে নিশ্চিত সফলতা দান করেন।
তিনি বলেন :
হে মুমিনগণ, তোমরা সকলেই আল্লাহর নিকট তাওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার। সূরা নুর : (৩১)
তিনি অন্যত্র বলেন:
নিশ্চয় আল্লাহ তাওবাকারীদেরকে ভালবাসেন এবং ভালবাসেন অধিক পবিত্রতা অর্জনকারীদেরকে। সূরা বাকারা : (২২২)

Address

Khulna
Satkhira

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Dawah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to The Dawah:

Share