12/03/2026
#মন্দিরের_পুরোহিতদের_জন্য_বেতন_ভাতা_সরকারের_ঘোষণায়_অনুযায়ী —
মন্দিরের পুরোহিত: মাসে ৫,০০০ টাকা সম্মানী
সেবাইত (মন্দির সেবক): মাসে ৩,০০০ টাকা
অর্থাৎ একটি মন্দিরের জন্য মোট ৮,০০০ টাকা মাসিক বরাদ্দ থাকবে।
💁উৎসব ভাতা
ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে অতিরিক্ত ভাতাও দেওয়ার কথা বলা হয়েছে—
দুর্গাপূজা উপলক্ষে: ২,০০০ টাকা উৎসব ভাতা।
বৌদ্ধ পূর্ণিমা ও বড়দিনেও একইভাবে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় নেতাদের উৎসব ভাতা দেওয়া হবে।
🧏এটি পেতে হলে যা যা দরকার।
১️⃣ মন্দিরের নিবন্ধন থাকতে হবে
মন্দিরটি স্থানীয় প্রশাসন (উপজেলা/জেলা প্রশাসন) বা হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট–এর তালিকাভুক্ত থাকতে হবে।
অনেক ক্ষেত্রে মন্দির পরিচালনা কমিটি থাকতে হয়।
২️⃣ আবেদন করতে হবে
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (UNO) অথবা
জেলা প্রশাসকের (DC) অফিসে আবেদন করতে হয়।
সাধারণত আবেদন করে মন্দির পরিচালনা কমিটি।
৩️⃣ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
আবেদনের সাথে সাধারণত লাগে—
পুরোহিতের জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)
ছবি
মন্দিরের পরিচালনা কমিটির সনদ
মন্দিরের ঠিকানা ও পরিচয়
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা সনদ
পুরোহিত যে ওই মন্দিরে সেবা করেন তার প্রমাণপত্র
৪️⃣ যাচাই-বাছাই
উপজেলা প্রশাসন বা জেলা প্রশাসন তদন্ত/যাচাই করে।
ঠিক থাকলে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
৫️⃣ ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ভাতা
অনুমোদন হলে পুরোহিতের নামে
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অথবা
মোবাইল ব্যাংকিং (যেমন: বিকাশ/নগদ)
এর মাধ্যমে মাসিক ভাতা পাঠানো হয়।
কার্যকর হওয়ার সময়সূচি:
১৪ মার্চ ২০২৬ → সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এই ভাতা কর্মসূচি উদ্বোধন করবে।
১৫ মার্চ ২০২৬ থেকে নির্বাচিত পুরোহিত, ইমাম, যাজক ইত্যাদির কাছে প্রথম ভাতার টাকা পাঠানো শুরু হবে।
💰 মন্দিরের ক্ষেত্রে:
পুরোহিত: ৫,০০০ টাকা/মাস
সেবাইত: ৩,০০০ টাকা/মাস
অর্থাৎ একটি মন্দিরে মোট ৮,০০০ টাকা মাসিক বরাদ্দ।
#কার্যকর_হবে_কবে_থেকে-
কার্যকর হওয়ার সময়সূচি:
১৪ মার্চ ২০২৬ → সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এই ভাতা কর্মসূচি উদ্বোধন করবে।
১৫ মার্চ ২০২৬ থেকে নির্বাচিত পুরোহিত, ইমাম, যাজক ইত্যাদির কাছে প্রথম ভাতার টাকা পাঠানো শুরু হবে।
https://www.anandabazar.com/world/imam-priests-will-get-allowance-in-bangladesh-dgtl/cid/1672725?utm_source=chatgpt.com
#সংগৃহীত