সৈয়দ বাড়ী জামে মসজিদ - Syed Bari Jumma Mosque

  • Home
  • Bangladesh
  • Raojan
  • সৈয়দ বাড়ী জামে মসজিদ - Syed Bari Jumma Mosque

সৈয়দ বাড়ী জামে মসজিদ - Syed Bari Jumma Mosque Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from সৈয়দ বাড়ী জামে মসজিদ - Syed Bari Jumma Mosque, Mosque, সৈয়দ বাড়ী, (জানালীহাট), , বেরুলিয়া, সুলতানপুর, রাউজান, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ ।, Raojan.

20/03/2026

ঘোষণা:
সৈয়দ বাড়ী জামে মসজিদে পবিত্র ঈদ উল ফিতর এর জামাত সকাল ৮:০০ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত হবে। সকল মুসল্লিভাইকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা গেল।

⭕ যিলহজ্ব মাস কবে থেকে শুরু হবে.? 🔸 আরবী মাস চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল। তাই চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে আগামী ২৮/২৯ শে মে [...
26/05/2025

⭕ যিলহজ্ব মাস কবে থেকে শুরু হবে.?

🔸 আরবী মাস চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল। তাই চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে আগামী ২৮/২৯ শে মে [বুধবার অথবা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে যিলহজ্ব মাস শুরু হবে এবং ৭/৮ ই জুন পবিত্র ঈদুল আযহা পালিত হবে ইন শা আল্লাহ। তাই কবে চাঁদ উঠবে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

🔹 রাসূল ﷺ বলেছেন, আল্লাহ তা'য়ালার নিকট যিলহজ্ব মাসের প্রথম ১০ দিনের আমলের চেয়ে অধিক প্রিয় আর অন্য কোনো দিনের আমল নয়। সুতরাং তোমরা এই দিনগুলোতে সিয়াম পালন করো এবং অধিক পরিমানে তাসবীহ তাহলীল ও যিকির আযকার [সুবহা-নাল্ল-হ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্ল-হ, আল্ল-হু আকবার] পাঠ করো। [মুসনাদে আহমাদ- ৫৪৪৬]

🔸 রাসূল ﷺ বলেন, যিলহজ্ব মাসের প্রথম ১০ দিনের প্রতিদিনের সিয়াম ১ বছরের সিয়াম সমতূল্য এবং প্রতিটি রাতের তাহাজ্জুদ লাইলাতুল কদরের তাহাজ্জুদের সমতূল্য। [জামে তিরমিযী- ৭৫৮]

🔲 যিলহজ্ব মাসে সর্বমোট কয়টি রোজা রাখতে হবে.?

🔹 সর্বমোট নয় দিনে নয়টি রোজা রাখতে হবে। সবগুলো রোজা রাখাই উত্তম। তবে সবগুলো রোজা রাখতে না পারলে সাধ্য মোতাবেক রোজাগুলো রাখার চেষ্টা করতে হবে। এক্ষেত্রে অন্তত শেষের দুইদিন অথবা শেষের একদিন রোজা রাখার চেষ্টা করতে হবে ইন শা আল্লাহ।

⭕ রাসূল সল্লাল্ল-হু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

صِيَامُ يَوْمِ عَرَفَةَ أَحْتَسِبُ عَلَى اللَّهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِي قَبْلَهُ وَالسَّنَةَ الَّتِي بَعْدَهُ

🔸 আরাফার দিনের রোজা সম্পর্কে আমি আল্লাহ্‌র কাছে আশাবাদী যে, এতে তিনি পূর্ববর্তী এক বছর এবং পরবর্তী এক বছরের গুনাহসমূহ মাফ করে দিবেন। -[সহিহ মুসলিম হাদিস নং- ২৬৩৬]

🔹 যাদের রমাদ্বান মাসের কাযা রোজা বাকি রয়েছে, তারা প্রথমে কাযা রোজাগুলো রাখবেন। এরপরে শেষের একটি রোজা আরাফার রোজার নিয়তে রাখবেন।

🔲 আরাফার রোজাটি কবে রাখতে হবে.?

🔸 আরাফার রোজা সম্পর্কে হাদীসে পাকে “ইয়াওমে আরাফাহ” অর্থাৎ আরাফার দিনের কথা বলা হয়েছে। আর ইয়াওমে আরাফাহ হচ্ছে যিলহজ্ব মাসের ৯ তারিখ। সুতরাং আরাফার রোজাটি রাখতে হবে যিলহজ্ব মাসের ৯ তারিখে।

🔹 সৌদি আরবের একদিন পরে বাংলাদেশে ঈদ হয়। তাই মুহাক্কিক আলেমগনের ফতুয়া হচ্ছে, বাংলাদেশে আরাফার রোজা রাখতে হবে যিলহজ্ব মাসের ৯ তারিখ অর্থাৎ বাংলাদেশে ঈদের আগের দিন। কারন রাসূল ﷺ বলেছেন, “তোমরা চাঁদ দেখে রোজা রাখো এবং চাঁদ দেখে রোজা ভঙ্গ করো অর্থাৎ ঈদ করো।” [সহীহ বুখারী- ১৯০৯]

⭕ রোযা রাখার জন্য কিভাবে নিয়ত করতে হবে.?

🔸 সাহরী খেয়ে মনে মনে স্মরণ করতে হবে যে, আমি যিলহজ্ব মাসের (নফল) রোজা রাখলাম অথবা রোজা রাখার নিয়ত করলাম। এছাড়া আরবীতে নির্দিষ্ট কোনো নিয়ত করার প্রয়োজন নেই।

🔲 সাহরী না খেয়ে রোযা রাখা যাবে.?

🔹 সাহরী খাওয়া সুন্নত এবং ফজিলতপূর্ণ একটি সওয়াবের কাজ। তাই সাহরী খেতে না পারলেও রোজা রাখার নিয়ত করে ঘুমালে কিংবা ঘুম থেকে উঠে নিয়ত করে নিলে রোজা রাখা যাবে, এতে রোজার কোনো ক্ষতি হবে না। তাই সাহরীতে এক ঢোক পানি হলেও পান করা উচিত। আর রোজারত অবস্থায় ভুলক্রমে কিছু খেয়ে ফেললে এতে রোজার কোনো ক্ষতি হবে না।

⭕ ঈদের আগের দিন রোযা রাখা হারাম.?

🔸 বছরে ৫ দিন রোযা রাখা হারাম। ১) ঈদুল ফিতরের দিন এবং ২) ঈদুল আযহার প্রথম ৪ দিন। অর্থাৎ যিলহজ্ব মাসের ১০, ১১, ১২ ও ১৩ তারিখ রোজা রাখা হারাম। এছাড়া অন্য যেকোনো দিনই রোজা রাখা বৈধ তথা হালাল।

🔲 যিনি কুরবানী করবেন না তিনিও কি রোযাগুলো রাখতে পারবেন.?

🔹 জ্বী, এই রোযাগুলো হচ্ছে নফল। কুরবানী করা কিংবা না করার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। তাই কুরবানী না করলেও রোযাগুলো রাখা যাবে ইন শা আল্লাহ।

⭕ যারা কুরবানী করবেন তারা চুল, নখ, অবাঞ্চিত পশম ইত্যাদি কবে কাটবেন.?

🔸 যারা কুরবানী করবেন তাদের জন্য সুন্নত হচ্ছে, যিলহজ্ব মাস শুরু হওয়ার পর থেকে কুরবানী করার আগ পর্যন্ত চুল, নখ, অবাঞ্চিত পশম কোনো কিছু না কাটা। তাই এই আমলটি করতে হলে যিলহজ্ব মাস শুরু হওয়ার পূর্বে [অর্থাৎ আগামী বুধবার সন্ধ্যা হওয়ার পূর্বেই] সব কিছু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে নিতে হবে ইন শা আল্লাহ।

🔲 তাকবীরে তাশরীক কি.?

🔹 তাকবীরে তাশরীক হচ্ছে-
اَللهُ أَكْبَرُ، اَللهُ أكْبَرُ، لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ،
وَاللهُ أَكْبَرُ، اَللهُ أَكْبَرُ ﻭ ﻟِﻠّﻪ الحَمْدُ

“আল্ল-হু আকবার আল্ল-হু আকবার লা~ ইলাহা ইল্লাল্ল-হু,
ওয়াল্ল-হু আকবার আল্ল-হু আকবার ওয়ালিল্লাহিল হামদ”

⭕ তাকবীরে তাশরিক কখন পাঠ করতে হবে.?

🔸 প্রত্যেক ফরজ নামাযের পর প্রাপ্ত বয়স্ক নারী পুরুষ সকলের উপর একবার করে তাকবীরে তাশরীক পাঠ করা ওয়াজিব এবং একাধিকবার পাঠ করা মুস্তাহাব। পুরুষেরা উচ্চস্বরে এবং মহিলারা নিম্নস্বরে তাকবীরটি পাঠ করবেন।

🔲 কোন ওয়াক্ত থেকে কোন ওয়াক্ত পর্যন্ত তাকবীরটি পাঠ করতে হবে.?

০৯ যিলহজ্জ = [ফজর+যোহর+আসর+মাগরিব+ইশা]

১০ যিলহজ্জ = [ফজর+যোহর+আসর+মাগরিব+ইশা]

১১ যিলহজ্জ = [ফজর+যোহর+আসর+মাগরিব+ইশা]

১২ যিলহজ্জ = [ফজর+যোহর+আসর+মাগরিব+ইশা]

১৩ যিলহজ্জ = [ফজর+যোহর+আসর = ২৩ ওয়াক্ত]

🔹 সর্বমোট ২৩ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের সালাম ফিরানোর পর পুরুষেরা উচ্চস্বরে এবং মহিলারা নিম্নস্বরে তাকবীরে তাশরীক পাঠ করবেন।

⭕ কুরবানীর সাথে আকিকা দেওয়া যাবে.?

🔸 জ্বী, কুরবানীর সাথে আকিকা দেওয়া যাবে। এক্ষেত্রে কুরবানীর পশু কেনার পূর্বেই আকিকার নিয়ত করতে হবে। আর গরু কুরবানীর ক্ষেত্রে ছেলের জন্য ২ অংশ এবং মেয়ের জন্য ১ অংশ ধরতে হবে।

🔹 তবে আকিকার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সন্তানের মঙ্গল কামনা করা। সন্তান জন্মের ৭ দিনের দিন আকিকা করা হচ্ছে সুন্নত। আর যিনি কুরবানী করতে পারেন তিনি চাইলে একটু কষ্ট করে (আলাদাভাবে) আকিকাও করতে পারেন। তাই সুন্নত পদ্ধতি হলো ৭ দিনের দিন আলাদাভাবে গরু কিংবা ছাগলের মাধ্যমে আকিকা করা।

🔲 সাহরি, ইফতারের সময়সূচী কিভাবে জানতে পারবো.?

🔸 নামাজ, রোজা, সাহরী ও ইফতারের সময়সূচী জানার জন্য সর্বাধিক গ্রহনযোগ্য ২ টি এপ্স হচ্ছে “মুসলিম ডে” এবং “মুসলিম বাংলা”। তাই এই ২ টি এপ্স অনুসরণ করা যেতে পারে। এই এপ্সগুলোতে চাঁদ অনুযায়ী নিয়মিত নামাজ, সাহরী ও ইফতারের সময়সূচী জানিয়ে দেওয়া হয়।

⭕ যারা প্রবাসে থাকেন তারা কবে থেকে এই রোজাগুলো রাখবেন.?

🔹 আপনারা যারা দেশের বাহিরে থাকেন, তারা সেই দেশের চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে রোজাগুলো রাখবেন।

🔲 আমলের নিয়তে এবং দ্বীন প্রচারের উদ্দেশ্যে লিখাটি কপি করে এবং ছবিটি সেভ করে নিজ নিজ আইডি, স্টোরি এবং গ্রুপগুলোতে পোষ্ট করে দিবেন ইন শা আল্লাহ।

🔸 এতে করে যতজন মানুষ আপনাদের উছিলায় আমলগুলো সম্পর্কে জেনে আমল করতে পারবে তাদের আমলের সম-পরিমান সওয়াব আপনাদের আমল নামাতেও লিপিবদ্ধ করা হতে থাকবে ইন শা আল্লাহ।

Post - collected

মক্কা বিজয়ের পর যাদের ক্ষমা করেননি রাসূল (সাঃ)➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖মক্কা বিজয়ের মধ্য দিয়ে ইসলাম ও মুসলমানরা শক্তিশালী হয়েছে। মহা...
28/08/2024

মক্কা বিজয়ের পর যাদের ক্ষমা করেননি রাসূল (সাঃ)
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
মক্কা বিজয়ের মধ্য দিয়ে ইসলাম ও মুসলমানরা শক্তিশালী হয়েছে। মহান আল্লাহ নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং হারামে মাক্কির সম্মান বৃদ্ধি করেছেন। এ বিজয়ের মাধ্যমে মহান আল্লাহ তার ঘর ও শহরকে এবং সমস্ত বিশ্ববাসীর হেদায়াতের কেন্দ্রস্থলকে কাফের-মুশরিকদের থেকে মুক্ত করেছেন। এ বিজয়ের ফলেই দলে দলে লোক ইসলামে প্রবেশ করেছিল।

মক্কা বিজয়ের পর নবীজি সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করলেও জঘন্য অপরাধ এবং অমানবিক কাজের কারণে কয়েকজন কাফের ছিল ক্ষমার বাইরে।
মক্কা বিজয়ের পর নবীজি সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করলেও জঘন্য অপরাধ এবং অমানবিক কাজের কারণে কয়েকজন কাফের ছিল ক্ষমার বাইরে।
মুফতি জাকারিয়া হারুন

অষ্টম হিজরির রমজান মাসের দশ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর নবীজি দশ হাজার মুজাহিদের একটি বাহিনী নিয়ে মক্কার উদ্দেশে বের হলেন। বের হওয়ার সময় আবু রুহম কুলছুম বিন হুসাইনকে মদিনার খলীফা নির্বাচন করলেন।


মক্কা আক্রমণ ও জয় করার কারণ হচ্ছে, কুরাইশরা হুদায়বিয়ার সন্ধি চুক্তি ভঙ্গ করেছিল এবং খোযায়া গোত্রের উপর রাতের অন্ধকারে আক্রমণ করে তাদেরকে অকাতরে হত্যা করেছিল। হুদায়বিয়ার সন্ধির শর্ত মোতাবেক খোযায়া গোত্র নবীজির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল। এটি ছিল হুদায়বিয়ার সন্ধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

নবীজি মুজাহিদ বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে বিনা বাধায় মক্কায় প্রবেশ করলেন। প্রথমে তিনি কাবা ঘরের দিকে গেলেন। তার চার পাশে আনসার ও মুহাজিরগণ ঘিরে ছিল।

কাবায় গিয়ে তিনি আল্লাহর ঘরের তাওয়াফ করলেন। নবীজির হাতে একটি ধনুক ছিল। সে সময় কাবার অভ্যন্তরে ৩৬০টি মূর্তি ছিল। ধনুকের মাধ্যমে এক এক করে তিনি মূর্তিগুলোকে ভেঙ্গে ফেললেন। এ সময় তিনি কোরআনের এই আয়াতটি পাঠ করছিলেন,

وَقُلْ جَاءَ الْحَقُّ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ إِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا অর্থ: বলুন! সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয়ই মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল। (সুরা বনি ইসরাইল: ৮)

নবীজি কাবার ভেতরে প্রবেশ করলেন এবং নামাজ পড়লেন। নামাজ শেষে বাইরে আসলেন। কুরাইশরা তখন সারিবদ্ধভাবে বাইরে দাঁড়িয়ে অবস্থান করছিল।

তিনি তাদেরকে সম্বোধন করে বললেন- হে কুরাইশ সম্প্রদায়? তোমাদের সঙ্গে আজ আমি কেমন আচরণ করবো বলে মনে করো? সকলেই উচ্চকণ্ঠে ঘোষণা করতে লাগল- আমরা আপনার কাছ থেকে খুব ভাল আচরণ কামনা করছি। ইউসুফ (আ.) তার ভাইদেরকে যা বলেছিলেন আজ আমিও তোমাদের সঙ্গে তাই বলছি। আজ তোমাদের উপর কোনো অভিযোগ নেই। তোমরা মুক্ত-স্বাধীন।

কিন্তু জঘন্য অপরাধ এবং অমানবিক কাজের কারণে ১৫ জন কাফের সেই সাধারণ ক্ষমার আওতাভুক্ত ছিল না। ১৫ জনের মধ্য থেকে ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। হজরত সাদ (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আছে, বিজয়ের দিন নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন। তবে চার পুরুষ ও দুই নারী ছাড়া। তিনি বলেন, তাদের যদি কাবার গিলাফ আঁকড়ে ধরা অবস্থাতেও পাও, তবুও তাদের হত্যা করো।’ (আবু দাউদ)

১৫ অপরাধীর তালিকা হলো আবদুল্লাহ ইবনে খাতাল, ফারতানা ও কারিনা (এরা দুজন ছিল আবদুল্লাহ ইবনে খাতালের দাসি), সারাহ, হুয়াইরিস ইবনে নুকাইদ, মিকয়াস ইবনে সুবাবা, আবদুল্লাহ ইবনে সাদ ইবনে আবি সারাহ, ইকরামা ইবনে আবি জাহেল, হাব্বার ইবনে আসওয়াদ, কাব ইবনে জুহাইর, ওয়াহশি ইবনে হারব, হারিস ইবনে তুলাতিল, আবদুল্লাহ ইবনে জিবারা, হুবাইরা ইবনে আবি ওয়াহাব এবং হিন্দ বিনতে উতবা।


এদের মধ্য থেকে যাদের হত্যা করা হয় তারা হলো, আবদুল্লাহ ইবনে খাতাল, আবদুল্লাহর দুই বাঁদি থেকে একজন, সারাহ, হুয়াইরিস ইবনে নুকাইদ, মিকয়াস ইবনে সুবাবা এবং হারিস ইবনে তুলাতিল।
©

13/01/2024

اللهم بارك لنا في رجب وشعبان و بلغنا رمضان
❝ আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফি রাজাবা ওয়া সা'বান ওয়া বাল্লিগনা রমাদান‌‌ ❞
হে আল্লাহ! আমাদের রজব ও সাবান মাসে বরকত দান করুন এবং রমদান মাস নসিব করুন।
আমিন!

আল্লামা আবদুর রহমান জামী রহ.: এক রাসূল প্রেমিকের বিস্ময়কর ঘটনা ♥তাঁর পুরো নাম আবুল বারাকাত নূরুদ্দীন আব্দুর রহমান ইবনে ...
06/01/2024

আল্লামা আবদুর রহমান জামী রহ.: এক রাসূল প্রেমিকের বিস্ময়কর ঘটনা ♥

তাঁর পুরো নাম আবুল বারাকাত নূরুদ্দীন আব্দুর রহমান ইবনে মোল্লা জামী (রাহঃ).এই কবিতা খানা রচনা করার পর রাসূল প্রেমে আত্নহারা এ মহান বুযুর্গ বারবার এটি আবেগ জড়িত কণ্ঠে আবৃত্তি করে রাসূলের প্রতি গভীর ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটাতেন! তখন তাঁর চোখ হতে মুক্তা দানার ন্যায় অশ্রুধারা প্রবাহিত হত। ৮৭৭ হিজরীর ঘটনা। একদা তিনি মক্কা উপস্হিত হয়ে হজ্বের যাবতীয় কর্ম সম্পাদন শেষে ভাবলেন, মদীনা গিয়ে রওজা আতহারের সামনে দন্ডায়মান হয়ে এই কবিতাখানা পাঠ করবেন। হৃদয়ের সমস্ত ভালবাসা উজার করে তা আবৃত্তি করবেন। প্রেমের এক অনন্য নযীর স্হাপন করবেন এই কবিতার ভক্তিপূর্ণ আবৃত্তির মাধ্যমে। পরিকল্পনা অনুযায়ী তিনি পথ চলতে শুরু করলেন। এদিকে মক্কার তৎকালীন শাসনকর্তা স্বপ্নযোগে দেখতে পেলেন স্বয়ং রাসূল (দ:) তাকে বলছেন, আব্দুর রহমান জামীকে মদীনায় আসতে দিও না। যে কোন উপায়ে তাকে মদীনায় প্রবেশ করতে বারণ কর। পরদিন সকালে আল্লামা জামী (রাহঃ) কে খুঁজে বের করার জন্য মক্কার শাসন কর্তা লোক পাঠালেন। লোকদের বলে দিলেন তোমরা তাকে খুঁজে পেলে মদীনায় যেতে নিষেধ করবে। কিছুতেই মদীনায় ঢুকতে দিবে না। বলবে মক্কার শাসনকর্তা আপনাকে মদীনায় প্রবেশ করতে কঠোরভাবে বারণ করেছেন। অনেক খোঁজা খোঁজির পর লোকজন আল্লামা জামীর সাথে সাক্ষাত করল। তারা তাকে মক্কার শাসনকর্তার নিষেধাজ্ঞার কথা জানাল। এ কথা শুনে তিনি বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেলেন। পায়ের নীচ থেকে যেন মাটি সরে গেল। ভাবলেন, তাহলে কি আমার আশা পূর্ণ হবে না! এতদিনের লালিত স্বপ্ন কি আজ ধুলোয় মিশে যাবে? আমি কি এমন অপরাধ করেছি যে, মক্কার শাসক আমাকে মদীনা যেতে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন? বারণ করেছেন মদীনায় প্রবেশ করতে? আল্লামা জামী (রাহঃ) লোকদের জিজ্ঞাসা করলেন, আচ্ছা! আমার উপর কেন এই নিষেধাজ্ঞা? তা কি আপনারা জানেন? তারা বলল, আমাদের কে এর কারণ সম্পর্কে কিছুই বলা হয়নি। শুধু নিষেধাজ্ঞা দেয়ার জন্য আমাদের কে পাঠানো হয়েছে। আল্লামা জামী (রাহঃ) বললেন, ঠিক আছে। আপনারা এখন যেতে পারেন। আমি নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার চেস্টা করব। লোকজন চলে গেল। রাসূল প্রেমিক এ বুযুর্গ অনেক চিন্তা ভাবনা করলেন। আলোচ্য নিষেধাজ্ঞার কারণ কি? তা বের করতে যথা সাধ্য চেস্টা চালালেন। কিন্তু কিছুই বের করতে সক্ষম হলেন না। তিনি এখন সীমাহীন অস্হিরতায় ভুগছেন। কোন কিছুই ভাল লাগছেনা তাঁর। মনে মনে চিন্তা করলেন, এটা কতবড় দুঃখজনক কথা যে, রাসূল (দ:)- এর দেশে এসে, তাঁর রওজা না দেখেই ফিরে চলে যাব? তাঁর প্রতি সালাম পেশ না করেই আপন নীড়ে প্রত্যাবর্তন করব। কেন আমাকে মক্কার শাসক বারণ করল! কি অন্যায় করেছি আমি! এসব ভাবতে ভাবতে তাঁর পেরেশানীর মাত্রা ক্রমান্বয়ে আরো বৃদ্ধি পেতে লাগল। তিনি নিষেধাজ্ঞার কারণে শেষ পর্যন্ত ফিরে যেতে মনস্হ করলেন। কিন্তু কিছুক্ষণ পড়েই মনোভাব পাল্টে গেল। কারণ যার হৃদয়ের সমস্ত অংশ রাসূলের প্রেম-ভালবাসায় ভরপুর, যিনি রাসূলের মহব্বতে আপন জীবন পর্যন্ত বিলিয়ে দিতে প্রস্তু ত, তিনি কেমন করে রাসূলের রওজায় না গিয়ে থাকতে পারেন। কিভাবে তিনি ভক্তিপূর্ণ সালাম পেশ না করে শান্তি পাবেন। না, তা কিছুতেই হতে পারে না। শত নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে হলেও তাকে মদীনায় যেতে হবে। এতে জেল-জুলুম যাই ভাগ্যে জুটুক না কেন, তা অস্লান বদনে সহ্য করতে হবে। অন্যথায় তার অশান্ত মন শান্ত হবে না।
এবার তিনি কাফেলা থেকে আলাদা হয়ে অতি সংগোপনে একাকী মদীনার পথে রওয়ানা দিলেন। পাহাড়-পর্বত, মাঠ-ঘাট অতিক্রম করে অতি কস্টে সামনে এগিয়ে চললেন। এদিকে মক্কার শাসনকর্তা আবারও স্বপ্নে দেখলেন, রাসূল (দ:) তাকে সম্বোধন করে বলছেন, জামী কিন্তু তোমার নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সামনে এগিয়ে চলছে। তুমি তাকে কঠোর ভাবে বাঁধা দেও। এবার মক্কার শাসনকর্তা কালবিলম্ব না করে দু’জন লোক পাঠিয়ে তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসেন এবং কয়েদখানায় আবদ্ধ করে রাখেন। সুতরাং এখন থেকে আল্লামা জামী (রাহঃ)- এর বন্দী জীবন শুরু হল। তৃতীয়বার আমীরে মক্কা স্বপ্নযোগে দেখতে পেলেন, রাসূলে আকরাম (দ:) তাকে বলছেন, হে মক্কার শাসক! একি করলে তুমি? তুমি জামীকে জেলখানায় আবদ্ধ করেছ! অথচ সে তো এমন কোন অপরাধ করেনি যে, তুমি তাকে কয়েদখানায় বন্দী রেখে কস্ট দিতে পার। আমি তো তোমাকে এমনটি করতে বলিনি। আমি বলেছিলাম, তাকে মদীনায় আসতে বারণ কর। আর তুমি কিনা তাকে বন্দী করলে! কয়েদখানায় আবদ্ধ করে মানবেতর জীবন যাপন করতে বাধ্য করলে? মনোযোগ সহকারে কান পেতে শুন। আল্লামা জামী আমার আশেক। তার হৃদয় আমার প্রেম ভালবাসায় কানায় কানায় পূর্ণ। আমাকে ছাড়া সে কিছুই বুঝে না। আমি ব্যতীত তার জীবন যেন অর্থহীন, অসম্পূর্ণ। শয়নে-স্বপনে সে কেবল আমাকে নিয়েই মগ্ন থাকে। আমিই যেন তার সবকিছু। শুন, আমার প্রেমে আত্নহারা হয়ে সে একটি কবিতা রচনা করেছে। প্রতিদিন বড় আবেগের সাথে কান্না বিজড়িত কণ্ঠে এ কবিতাখানা সে পাঠ করে। এবার মনস্হ করেছিল, আমার রওজার পাশে এসে কবিতাখানা আবৃত্তি করবে। সরাসরি আমাকে পাঠ করে শুনাবে। সে যদি এ সুযোগ পেয়ে যায় এবং বাস্তবিকই এ কবিতাখানা আমার রওজার পাশে এসে করুণ কণ্ঠে পরিবেশন করতে শুরু করে, তাহলে তার সাথে মুসাফাহা করার জন্য অবশ্যই আমাকে হাত বের করে দিতে হবে। ফলশ্রুতিতে পৃথিবীর বুকে ফিতনা ও বিশৃংখলা দেখা দিতে পারে। এ ফিতনা থেকে জগতবাসী কে বাঁচানোর জন্যই আমি তোমাকে বলেছিলাম, তাকে মদীনায় আসতে বাঁধা দেও। আর তুমি কিনা আমার নির্দেশ পালন করতে গিয়ে তাকে বন্দীত্বের জীবন যাপন করতে বাধ্য করলে! এটা কতবড় আফসোস ও দুঃখজনক কথা!! স্বপ্ন দেখার সাথে সাথে মক্কার শাসকের ঘুম ভেঙ্গে গেল। তিনি দ্রুত কয়েকজন সঙ্গী নিয়ে জেলখানায় পৌঁছে আল্লামা জামী (রাহঃ) কে জেল থেকে মুক্ত করে বাইরে নিয়ে আসেন এবং এ অপ্রত্যাশিত ভুলের জন্য করজোড়ে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তারপর তাকে স্বপ্নের পূর্ণ বিবরণ শুনিয়ে ইজ্জত ও সম্মানের সহিত বিদায় দেন।

ফার্সী ভাষায় রচিত এক কবিতাখানার কয়েকটি পংক্তির বাংলা অনুবাদ নিম্নরুপ:_____

হে নবী! যার মুখের থুথুও তৃপ্তিদায়ক, আপনি জাগ্রত হোন,
যেমন জাগ্রত হয় নার্গিস ফুল তার বিভোর নিদ্রা থেকে।
ইয়ামেনী চাদর খুলে চেহারা মুবারক বের করে দিন।
কারণ আপনার মুখচ্ছবি হচ্ছে জীবন সকাল-নবজীবনের সূচনা।
[তানাম ফারসুদা জা পারা
যে হিযরা, ইয়া রাসুলাল্লাহ্ !
দ্বিলাম পায মুরদা আওয়ারা যে ইসিয়া, ইয়া রাসুলাল্লাহ্ !
(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] ♥

_ আপনার বিরহে এ দেহ জলহীন মাছের মতই বিপন্ন,
এবং এ সত্তা হয়েছে টুকরো টুকরো ।
আর এ পাংশুহৃদয় ক্রমেই হচ্ছে পিপাসার্ত, হে রাসুলাল্লাহ্ !

[চুঁ সুয়ে মান গুযার আরি মানে মিসকিন যানা দারি
ফিদা-এ-নাকশায়-এ-নালাইনাত কুনাম যা, ইয়া রাসুলাল্লাহ্ !
(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] ♥

_ যখন আপনি আমাকে অতিক্রম করেন
তখন সীমহীন দৈন্যতার পরেও আমার সমস্ত সত্তা বিসর্জিত করে
আপনার জুতোর ছাপে চুম্বন করি, হে রাসুলাল্লাহ্ !

[যে জামে হুব্বে তো মাস্তাম বা যাঞ্জিরে তো দ্বিল বাস্তাম
নামি গোয়াম কে মান বাস্তাম
সুকান দা, ইয়া রাসুলাল্লাহ্ !
(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] ♥

_ আমি আপনার প্রেমের আস্বাদে নিমজ্জিত
এবং হৃদয় আপনার ভালোবাসার শিকলে প্রোথিত।
যদিও আপনার প্রেমের ভাষা আমার অজ্ঞাত, হে রাসুলাল্লাহ্ !

[যে কারদা খায়েশ হায়রানাম
সিয়া শুদ রোযে ইসিয়ানাম পাশেমানাম, পাশেমানাম, পাশেমানাম-
ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ! (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] ♥

_ আমার অকর্মের জন্য আমি ভীত
এবং আমি অনুভব করি আমার হৃদয় পাপে পঙ্কিল।
আমি বিষণ্ণ ! আমি অনুতপ্ত ! আমি অনুতপ্ত ! হে রাসুলাল্লাহ্ !

[চুঁ বাযু’য়ে শাফা’আত রা কুশা’ই বার গুনাগারা
মাকুন ম্যাহুরুমে জামি রা আরা আঁ,
ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ! (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)]♥
যখন পাপীদের মুক্তির জন্য দয়ার্দ্র হস্তপ্রসারিত করবেন
তখন আমাকে বঞ্চিত করবেন না যেন, হে রাসুলাল্লাহ্ !

{জাফরুল মুহাসসিলিন}

26/11/2023

"যদি চোখ দিয়ে কুর'আনকে দেখ তাহলে শুধু শব্দ দেখবে!
যদি মস্তিষ্ক দিয়ে দেখ তাহলে শুদ্ধ জ্ঞান পাবে!
যদি হৃদয় দিয়ে দেখ তাহলে বিশুদ্ধ প্রেম পাবে!
যদি সম্পূর্ণ পরিশুদ্ধ আত্মা দিয়ে দেখ তাহলে স্রষ্টাকে খুঁজে পাবে!"

—জালালুদ্দিন রুমি (রহ.)

25/11/2023

→খোদার কাছে জানতে চাইলাম, "আমাকে অশান্ত নদীতে কেন ফেললে?"
→খোদার জবাব, "কারণ তোমার শত্রুরা সাঁতার জানে না।"

—জালালুদ্দিন রুমি (রহ.)
অনুবাদ : আলমগীর মোহাম্মদ।


06/07/2023

চমৎকার সব শিক্ষণীয় জবাব.....

০১. এক লোক এসে খালেদ বিন ওয়ালিদ রা.কে বলল, অমুক ব্যক্তিআপনাকে গালি দিয়েছে।

তিনি বললেন, সে তার আমল নামা যেভাবে ইচ্ছা ভর্তি করুক, তাতে আমার কি?

০২. এক ব্যক্তি এসে ওয়াহাব বিন মুনাব্বেহ রহ.-কে বলল, অমুক ব্যক্তি আপনার সমালোচনা করেছে।

তিনি বললেন,শয়তান তোমাকে ছাড়া কাউকে পিয়ন
হিসেবে পেল না?

০৩. এক লোক ইমাম শাফেয়ী (রহ.)-কে বলল,
অমুক ব্যক্তি আপনার সম্পর্কে খারাপ কথা বলেছে।

জবাবে তিনি বললেন, যদি তুমি সত্যবাদী হও, তবে তুমি চুগলখোর, আর যদি মিথ্যাবাদী হও, তবে লোকটির উপর অপবাদ আরোপকারী ফাসেক।

একথা শুনে লোকটি লজ্জা পেল এবং চলে গেল।

০৪. এক ব্যক্তি জনৈক আলেমকে বলল, অমুক ব্যক্তি আপনার সম্পর্কে এই বাজে কথা বলেছে।

তিনি বললেন, দেখ, লোকটি আমাকে একটি তীর ছুঁড়েছিল, কিন্তু তা আমাকে বিদ্ধ করেনি। কিন্তু তুমি নিজ হাতে সেটা নিয়ে এসে আমার কলিজায় গেঁথে দিলে।

©

আগামিকাল ফজরের ফরজ নামাজের পর থেকে ২ জুলাই এর আছরের ফরজ পর্যন্ত টানা ২৩ ওয়াক্ত তাকবিরে তাশরিক আদায় করতে হবে।
27/06/2023

আগামিকাল ফজরের ফরজ নামাজের পর থেকে ২ জুলাই এর আছরের ফরজ পর্যন্ত টানা ২৩ ওয়াক্ত তাকবিরে তাশরিক আদায় করতে হবে।

সম্মানিত মুসল্লীবৃন্দ,আসসালামু আলাইকুম।ঈদ মোবারক! ঈদ মোবারক!! ঈদ মোবারক!!!সৈয়দ বাড়ী জামে মসজিদে পবিত্র ঈদ উল ফিতর এর জাম...
21/04/2023

সম্মানিত মুসল্লীবৃন্দ,
আসসালামু আলাইকুম।
ঈদ মোবারক! ঈদ মোবারক!! ঈদ মোবারক!!!
সৈয়দ বাড়ী জামে মসজিদে পবিত্র ঈদ উল ফিতর এর জামাত সকাল ০৯:০০ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত হবে।

Address

সৈয়দ বাড়ী, (জানালীহাট), , বেরুলিয়া, সুলতানপুর, রাউজান, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ ।
Raojan
4342

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সৈয়দ বাড়ী জামে মসজিদ - Syed Bari Jumma Mosque posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category