চির শান্তির ধর্ম- মোহাম্মদী ইসলাম

  • Home
  • Bangladesh
  • Rangpur
  • চির শান্তির ধর্ম- মোহাম্মদী ইসলাম

চির শান্তির ধর্ম- মোহাম্মদী ইসলাম চির শান্তির ধর্ম মোহাম্মদী ইসলাম।
অলী–আওলিয়ার দরবারের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত।
কুরআন, সুন্নাহ ও আউলিয়ায়ে কেরামের ফয়েজে
ইমান, আমল ও আখলাক গঠনের দাওয়াহ।

Babe Nazat
Village: Satdargah
Police Station: Peergachha
District: Rangpur
BANGLADESH

✨কুফু(كُفُو)✨বিয়ের ক্ষেত্রে  “কুফু” একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:«قال ...
03/01/2026

✨কুফু(كُفُو)✨

বিয়ের ক্ষেত্রে “কুফু” একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«قال رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم تَخَيَّرُوا لِنُطَفِكُمْ وَانْكِحُوا الْأَكْفَاءَ وَأَنْكِحُوا إِلَيْهِمْ»
“তোমরা ভবিষ্যত বংশধরদের স্বার্থে উত্তম নারী গ্রহণ করো এবং 'কুফু' বিবেচনায় বিবাহ করো, আর বিবাহ দিতেও 'কুফুর' প্রতি লক্ষ্য রাখো।” [১]

⬜এখন 'কুফু'-র অর্থ কি?
“কুফু”(كُفُو) একটি আরবী শব্দ; যার অর্থ সমান,সমতুল্য,সমতা,সমকক্ষ[২]।
ইসলামী পরিভাষায় বর-কনের দ্বীন-দুনিয়ার যাবতীয় কিছুতে সমান সমান বা কাছাকাছি হওয়াকে “কুফু” বলে।

⬜বিয়ের ক্ষেত্রে “কুফু” কেন গুরুত্বপূর্ণ আসুন একটি উদাহরণ দেখি:
মনে করুন, A একটি দ্বীনদার মেয়ে এবং B একটি বেদ্বীন ছেলে। একজন দ্বীনদার,অপরজন বেদ্বীন; দুজনের মধ্যে কুফু নেই। তারপরেও দুজনের বিয়ে হলো, মেয়েটি যেহেতু দ্বীনদার তাই সে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তার দ্বীনকে টেনে আনে, চায় প্রতিটি ক্ষেত্রে দ্বীনের ছাপ থাকুক। অপরপক্ষে বেদ্বীন ছেলেটি চাইবে দুনিয়ার স্রোতে গা ভাসিয়ে দিতে, চাইবে সবকিছুই হোক দ্বীনের বাঁধনমুক্ত। ফলস্বরূপ অশান্তি। শেষ পরিণতি 'তালাক'।

👉এবার আরেকটি উদাহরণ দেখি:
মনে করুন, আপনার মাসিক আয় দশ হাজার টাকা। আর আপনি এমন কাউকে বিয়ে করলেন যার বাবার মাসিক আয় ছিল পঞ্চাশ হাজার টাকা। অর্থনৈতিক অবস্থানে 'কুফু' নেই। কি মনে হয় সুখে থাকবেন? নাহ।
হাতি-ওয়ালার সাথে বন্ধুত্ব করলে হাতি রাখার মত ঘর নিজেকে বানাতে হবে। নতুবা ‘বড়র পিরীতি বালির বাঁধ, ক্ষণে হাতে দড়ি ক্ষণে চাঁদ।’ বুঝলেন?
অতএব, আপনার রোজগার দশ হাজার টাকা হলে আপনার বিয়ে করা উচিত এমন কাউকে যে এরমধ্যেই মানিয়ে চলতে পারবে। নয়তো বিয়ের পর শুনতে হতে পারে, ‘ভুল করেছি তোমায় বিয়ে করে, দাও এবার আমার হাতটি ছেড়ে ’।

👉তাই সর্বদিক দিয়ে নিজের চলাফেরা, পোশাক আশাক, বাড়িঘর, থাকা খাওয়ার মান যেমন, ঠিক সেই সমমানের পাত্রী পছন্দ করা উচিৎ। এতে কেউ কারোর উপর গর্ব প্রকাশ করবেনা, খোঁটা দেবেনা; ভালোবাসার গতিও বাধাগ্রস্ত হবেনা। এককথায় প্রায় সব বিষয়ে 'কুফু' বিবেচনা করেই বিয়ের পিঁড়িতে বসা উচিত। নচেৎ পরবর্তী সময়ে 'ভালোবাসা জানালা দিয়ে পালাতে পারে'।

⬜যদি সবকিছুতেই 'কুফু' মিলে যায় তবে তো সোনায় সোহাগা এবং এমন দাম্পত্য হবে চিরসুখের। পক্ষান্তরে কিছু না পেলেও যদি শুধুই দুজনের মধ্যেই দ্বীনদারী থাকে তবে সুখের জন্য এটাই যথেষ্ট। দ্বীনদারদের তো সবকিছুই আশ্চর্যের; তারা সর্বাবস্থায় সুখ শান্তি খুঁজে নিতে পারে। আলহামদুলিল্লাহ আলা কুল্লি হাল।

⬜শেষ কথা: অনেকে বলতে পারেন কোনো ব্যাপার না বিয়ে করে মেয়েকে দ্বীনদার বানিয়ে নেব। ভাই, এটা স্রেফ একটি শয়তানের ধোকা, উল্টোও তো হতে পারে দেখা গেল দ্বীনদার বানাতে গিয়ে আপনিই বেদ্বীন হয়ে গেলেন। কি দরকার এত রিস্ক নেওয়ার? যেখানে এই জীবন একটি পরীক্ষাকেন্দ্র, পাশ করার সুযোগও একটিই। তারপরেও রিস্ক?
বরং একটি কাজ করা যেতে পারে বিয়েতে দ্বীনকে কন্সট্যান্ট রেখে [এখানে কোন ডিসকাউন্ট নেই দুঃখিত] অন্যান্য দুনিয়াবি বিষয়গুলি সামান্য হেরফের করে এডজাস্ট করা যেতেই পারে। আসলে সবকিছুই নির্ভর করছে দ্বীনদার কেমন তার ওপরে, যত বেশি দ্বীনদারী থাকবে ততোই বাকিগুলোর গুরুত্ব কমবে।

✨রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«ليَتَّخذَ أحَدُكُمْ قَلْباً شَاكِراً وَلِسَاناً ذَاكراً وَزَوْجَةً صَالِحَةً تُعينُهُ عَلَى أَمرِ الآخِرَة».

‘‘তোমাদের প্রত্যেকের কৃতজ্ঞ অন্তর ও যিকিরকরি জিহ্বা হওয়া উচিৎ। আর এমন মুমিনা স্ত্রী গ্রহণ করা উচিৎ; যে তার আখেরাতের কাজে সহায়তা করবে।’’ [৩]

⬜আখিরাতের কাজে সহযোগিতা করার জন্য স্বামী-স্ত্রীর কুফু থাকতে হবে। স্ত্রীকে অবশ্যই দ্বীনদারিতে স্বামীর বরাবর বা কাছাকাছি হতেই হবে নচেৎ সে আখিরাতের কাজে সহায়তার থেকে বাধা বেশি দেবে এবং অনেকক্ষেত্রে শরীয়ত বিরোধী কাজ করে আপনাকে জাহান্নামের পথেও টানবে। স্ত্রী যদি বেশি দ্বীনদার হয় তবে স্বামীর ক্ষেত্রেও একই।

« رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَاماً».

__________________
[১] সুনান ইবনু মাজাহ : ১৯৬৮ ; সহীহ
[২] আল-ওয়াফি ডিকশনারি
[৩] ইবনে মাজাহ: ১৮৫৬, আস-সিলসিলাতুস সহীহাহ :২১৭৬
©️

18/07/2024

দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তির ৭ আমল :-
জোয়ার-ভাটা, সুখ-দুঃখ মিলিয়ে মানুষের জীবন। ইহকালীন জীবনে কষ্ট-ক্লেশ মানুষের সঙ্গী। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘নিঃসন্দেহে আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি কষ্ট-ক্লেশের মধ্যে। (সুরা : বালাদ, আয়াত : ৪)

অর্থাৎ মানুষ সৃষ্টিগতভাবে আজীবন শ্রম ও কষ্টের মধ্যে থাকে। (ইবন কাসির ও ফাতহুল কাদির)
ফলে জীবনে চলার পথে কখনো না কখনো দুশ্চিন্তা আসবেই। তবে এতে হতাশ হওয়া যাবে না, বরং আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রেখে প্রতিটি পরিস্থিতিকে জয় করে নিতে হবে। নিম্নে এমন কিছু আমল তুলে ধরা হলো, যার মাধ্যমে দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়—

ধৈর্য ধারণ করা : মহান আল্লাহ মাঝে মাঝে ভয়, ক্ষুধা, সম্পদ ও জীবনের ক্ষয়-ক্ষতির মাধ্যমে তাঁর বান্দাদের পরীক্ষা করেন। যারা তখনো মহান আল্লাহর ওপর অগাধ বিশ্বাস রেখে ধৈর্য ধারণ করে, আল্লাহ তাদের সফলতা দান করেন।

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘আর আমি অবশ্যই তোমাদের পরীক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং জান-মাল ও ফল-ফলাদির স্বল্পতার মাধ্যমে। আর তুমি ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও।’ (সুরা : বাকারাহ, আয়াত : ১৫৫)
অল্পে তুষ্ট থাকা : হৃদয়ের সচ্ছলতা মানুষকে শক্তি জোগায়। একদিন রাসুলুল্লাহ (সা.) আবু জর (রা.)-কে বলেন, আবু জর! তুমি কি সম্পদের প্রাচুর্যকেই সচ্ছলতা মনে করো? আবু জর (রা.) বলেন, হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসুল! রাসুলুল্লাহ (সা.) এরপর বলেন, তাহলে তুমি সম্পদের স্বল্পতাকে দারিদ্র্য মনে করো? তিনি বলেন, হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসুল! রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, আসলে সচ্ছলতা তো হৃদয়ের সচ্ছলতাই, আর হৃদয়ের দারিদ্র্যই আসল দারিদ্র্য।(ইবনে হিব্বান : ৬৮৫)

নামাজ পড়া : কখনো দুশ্চিন্তা চেপে বসলে বিচলিত না হয়ে অজু করে নামাজে দাঁড়িয়ে যাওয়া উচিত। কারণ মহান আল্লাহ নামাজের মাধ্যমে তাঁর কাছে সাহায্য চাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে ঈমানদাররা! তোমরা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য চাও...।’ (সুরা : বাকারাহ, আয়াত : ১৫৩)

ইস্তিগফার করা : কখনো কখনো আমাদের পাপের কারণে আমাদের ওপর বিভিন্ন বিপদাপদ আসে। দুশ্চিন্তা আমাদের টুঁটি চেপে ধরে।

তখন মহান আল্লাহর কাছে তাওবার মাধ্যমে আমরা সেই বিপদ ও দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে পারি। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘অতঃপর আমি বলেছি, তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা চাও, তিনি তো মহাক্ষমাশীল। (ফলে) তিনি তোমাদের জন্য প্রচুর বৃষ্টিপাত করবেন, তোমাদের সমৃদ্ধ করবেন ধনসম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে।’ (সুরা : নুহ, আয়াত : ৭১)

আল্লাহর আশ্রয় চাওয়া : কখনো দুশ্চিন্তা আমাদের এতটাই জাপটে ধরে যে আমরা আল্লাহর রহমত থেকেও নিরাশ হয়ে যাই। ভাবতে থাকি, আমি যে পাপীষ্ঠ, আল্লাহ কি আমার ডাকে সাড়া দেবেন? অথচ মহান আল্লাহ নিজেই বলেছেন, ‘আর যখন আমার বান্দারা তোমাকে আমার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবে, (তাদের বলুন) আমি তো নিশ্চয় নিকটবর্তী। আমি আহ্বানকারীর ডাকে সাড়া দিই, যখন সে আমাকে ডাকে। সুতরাং তারা যেন আমার ডাকে সাড়া দেয় এবং আমার প্রতি ঈমান আনে। আশা করা যায় তারা সঠিক পথে চলবে।’ (সুরা : বাকারাহ, আয়াত : ১৮৬)

অতএব, কখনো দুশ্চিন্তায় ঘিরে ধরলে হতাশ না হয়ে মহান আল্লাহকে ডাকতে হবে। তিনিই পারেন সব বিপদাপদ থেকে আমাদের রক্ষা করতে।

দোয়া করা : দুশ্চিন্তা থেকে পরিত্রাণ পেতে প্রতিদিন নিয়ম করে রাসুল (সা.)-এর শেখানো দোয়া পড়া যেতে পারে। আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলতেন : ‘হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই—দুশ্চিন্তা, পেরেশানি, অক্ষমতা, অলসতা, কাপুরুষতা, কৃপণতা, ঋণভার ও মানুষের প্রভাবাধীন হওয়া থেকে।’ (বুখারি, হাদিস : ৬৩৬৯)

বেশি বেশি দরুদ পাঠ : রাসুল (সা.)-এর ওপর অধিক হারে দরুদ পাঠের মাধ্যমেও আমরা দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে পারি। একবার উবাই ইবনে কাব (রা.) রাসুল (সা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, আমার সবটুকু সময় আপনার ওপর দরুদ পাঠে লাগাব? তিনি বলেন, তাহলে তো তোমার চিন্তামুক্তির জন্য তা যথেষ্ট হয়ে যাবে আর তোমার গুনাহ মাফ করা হবে।’ (তিরমিজি, হাদিস : ২৪৫৭)

রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে পালিত হবে পবিত্র শবে বরাত বা সৌভাগ্যের রজনী। মুসলমানদের জন্য ‘লাইলাতুল বরাত’ হিসেবে ...
24/02/2024

রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে পালিত হবে পবিত্র শবে বরাত বা সৌভাগ্যের রজনী। মুসলমানদের জন্য ‘লাইলাতুল বরাত’ হিসেবে পরিচিত মর্যাদাপূর্ণ এ রাতে মহান আল্লাহ তাআলা বান্দাদের জন্য তার অশেষ রহমতের দরজা খুলে দেবেন।
শাবান মাসের চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাতকে পবিত্র শবে বরাত বলা হয়। ‘শবে বরাত’ ফারসি শব্দ। শব মানে রাত আর বরাত মানে মুক্তি; শবে বরাত অর্থ মুক্তির যামিনী। শবে বরাতকে আরবিতে হয় ‘লাইলাতুল বারকাত’। হাদিস শরিফে যাকে ‘নিসফ শাবান’ বা শাবান মাসের মধ্য দিবসের রজনী বলা হয়েছে। ভারতীয় উপমহাদেশ, পারস্যসহ পৃথিবীর অনেক দেশের ফারসি, উর্দু, বাংলা, হিন্দিসহ নানান ভাষায় যা ‘শবে বরাত’ নামেই অধিক পরিচিত।
ইসলামি তমদ্দুন তথা মুসলিম কৃষ্টিতে যেসব দিবস ও রজনী বিখ্যাত, এর মধ্যে ৫টি রাত বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এই বিশেষ ৫টি রাত হলো: দুই ঈদের রাত্রিদ্বয়, শবে মেরাজ, শবে বরাত ও শবে কদর। যারা রাতের ইবাদতের গুরুত্ব অনুধাবন করেন, তারা প্রতিটি রাতকে শবে বরাত বানিয়ে নেন।

পবিত্র শবে বরাতে করণীয় -
যা যা করা উচিত: (ক) নফল নামাজ ১. তাহিয়্যাতুল অজু, ২. দুখুলিল মাসজিদ, ৩. আউওয়াবিন, ৪. তাহাজ্জুদ, ৫. ছলাতুত তাসবিহ ৬. তাওবার নামাজ, ৭. ছলাতুল হাজাত, ৮. ছলাতুশ শোকর ও অন্যান্য নফল ইত্যাদি পড়া।
(খ) নামাজে কিরাআত ও রুকু-সেজদা দীর্ঘ করা। (গ) পরের দিন নফল রোজা রাখা; (ঘ) কোরআন শরিফ- যেমন: সুরা দুখান ও অন্যান্য ফজিলতের সুরাসমূহ তিলাওয়াত করা; (ঙ) দরুদ শরিফ বেশি বেশি পড়া; (চ) তাওবা-ইস্তিগফার অধিক পরিমাণে করা; (ছ) দোয়া-কালাম, তাসবিহ তাহলিল, জিকির-আসকার ইত্যাদি করা; (জ) কবর জিয়ারত করা; (ঝ) নিজের জন্য, পিতা-মাতার জন্য, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও সকল মোমিন মুসলমানের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করা এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া করা।

যারা আশেকে দেওয়ানবাগী আছেন তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, আমরা  আরও একটি জাতীয় মোনাফেকের পরিচয় পেলাম, সে হচ্ছে ফেরদৌস আলম আদন...
30/05/2022

যারা আশেকে দেওয়ানবাগী আছেন তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, আমরা আরও একটি জাতীয় মোনাফেকের পরিচয় পেলাম, সে হচ্ছে ফেরদৌস আলম আদনান তার কাছ থেকে সবাই সাবধান থাকবেন।

এই কুলাঙ্গার মেজুকে পীর বানাতে চেয়েছে অথচ মেজ হুজুর কি বলে মন দিয়ে দেখেন

মমিনুল হক সাইদের সাথে এই মোজ্জামেল মেম্বার মদ,জুয়া,কেসিনূ,মাগি, এসবের ব্যাবসা করতো!! যখন টাকা বাগাবাগী নিয়ে ঝামেলা বাধে ...
29/05/2022

মমিনুল হক সাইদের সাথে এই মোজ্জামেল মেম্বার মদ,জুয়া,কেসিনূ,মাগি, এসবের ব্যাবসা করতো!! যখন টাকা বাগাবাগী নিয়ে ঝামেলা বাধে তখন এই মোজ্জামলকে লাথি মেরে বাহির করে দিসে!!তখন দুইটা গ্রুপ হয় এবং পরে মোজ্জামেল টাকা দিয়ে মেম্বার হয়!!তাও মুমিনুল হক সাইদ কেসীনো মামলায় পালাতক ছিল তাই সে খালি মাঠে গোল দিয়ে মেম্বার হইছে

12/04/2022

#লাইলাতুল_ক্বদর

এবছর লাইলাতুল ক্বদর যা হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম রাত তা খুঁজতে হবে ৫ টি রাতে।

* সন্ধ্যার পর থেকে ফজর পর্যন্ত *

২১ তারাবিহ = 22 এপ্রিল = শুক্রবার রাত
২৩ তারাবিহ = 24 এপ্রিল = রবিবার রাত
২৫ তারাবিহ = 26 এপ্রিল = মঙ্গলবার রাত
২৭ তারাবিহ = 28 এপ্রিল = বৃহঃবার রাত
২৯ তারাবিহ = 30 এপ্রিল = শনিবার রাত

ঈদের কেনাকাটা 22 এপ্রিলের আগে শেষ করা উত্তম হবে। বাকি দিন গুলো ইবাদাতে কাটানো যাবে।

আমরা যারা ইতিকাফে বসতে পারবো না তারাও এই রাতগুলোতে সাধ‍্যমত ইবাদাত করবো ইনশাআল্লাহ।

পেশাবের দশ পনের মিনিট পর পেশাবের ফোটা আসার সন্দেহ হলে করণীয় কী?প্রশ্নঃআসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন হুজুর? এক ব্যক্তি বড় দ...
30/12/2021

পেশাবের দশ পনের মিনিট পর পেশাবের ফোটা আসার সন্দেহ হলে করণীয় কী?

প্রশ্নঃ
আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন হুজুর? এক ব্যক্তি বড় দীর্ঘ দিন যাবত বড় ধরনের পেরেশানিতে লিপ্ত।
মাঝে মাঝে মনে হয় এ জিবনের চাইতে মৃত্যুই ভাল। দয়া করে খুব দ্রুত কোন সমাধান দিয়ে বাধিত করবেন।
আল্লাহ তায়ালা আপনাকে জাযায়ে খায়ের নসিব করুন। আমিন।
সমস্যাটা হল, পেশাব করার পরে পবিত্রতা অর্জন সংক্রান্ত।
পেশাবের পর টয়লেট পেপার ব্যবহার করে অনেক খন যাবত হাটাহাটি ও অন্যান্য পাক হবার মাধ্যম অবলম্বন করে পাক হবার পর ও পানি ব্যবহার করলে দেখা যায় ১৫/ ২০/২৫ মিনিট পরেও অনেক সময় দেখা যায় মূত্রনালি ঢিলা ও শিথিল হয়ে পেশাবের ফোঁটা নির্গত হয়।
এমতাবস্থায় এ রোগের জন্য অনেক দীর্ঘ দিন যাবত অসুধ খেয়েও বিশেষ কোন উপকার পাওয়া যায় নাই। এমতাবস্থায় যদি কখনো বারে বার পেশাবের জরুরত হয় অথবা অন্য কোন কারণে নামাজের সময় কম থাকে এ ক্ষেত্রে যদি পেশাবের পরে দ্রত মুত্রনালিতে জমা কৃত পেশাবের ফোঁটা নির্গত করার উদ্দেশ্যে যদি মুত্রনালিতে বেশি চাপ প্রয়োগ করা হয় তাহলে এমোবস্তায় সেক্ষেত্রে মনে হয় মুত্রনালির দুর্বলতা রোগ আরও বেশি বেড়ে যাওয়ার কারণ হয়।
পক্ষান্তরে যদি তা না করে স্বাভাবিকভাবে অপেক্ষা করা হয়, তবে নামাজের ওয়াক্ত চলে যাবার আশঙ্কা থাকে, এমতাবস্থায় কী করণীয়? মেহেরবানী করে সর্বদিক বিবেচনা করে খুব দ্রুত একটা সুন্দর সমাধান দিয়ে বাধিত করবেন।
যেন উক্ত ব্যক্তির নামায নষ্ট না হয় এবং এ ভয়ংকর রকম মানসিক কষ্ট থেকে স্থায়ী মুক্তি লাভ হয় আল্লাহ তায়লা হুজুরকে দুনিয়া আখিরাতে অশেষ জাযায়ে খায়ের নসিব করেন। আমিন।
উত্তর
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
আপনার সমস্যা যতোটা না মাসআলা কেন্দ্রীক। তার চেয়ে বেশি মানসিক। তাই প্রথমে নিজের মাঝে আত্মবিশ্বাস আনতে হবে।
পেশাব করার পর স্বাভাবিকভাবে পেশাবের ফোটা বন্ধ হওয়া পরিমাণ পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন। লজ্জাস্থানে কিছুটা পানি ছিটিয়ে দিবেন।
তারপর আপনি পবিত্র হয়ে গেছেন, আপনার আর পেশাব বের হচ্ছে না বা বের হবে না এমন আত্মবিশ্বাস নিয়ে অজু করে নামায পড়তে চলে যাবেন।
মনের মাঝে আর কোন সন্দেহ বা সংশয়কে প্রশ্রয় দিবেন না।
তারপর যদি আবার পেশাব ঝরে বলে আপনি নিশ্চিত হন, তাহলে ঐ যায়গাটা পবিত্র করে আবার অজু করে নিবেন।

টিকে থাকার লড়াইয়ে এমন ফাঁক-ফোকর আপনাকেই খুঁজে বের করতে হবে। কেউ কিন্তু আপনাকে খুঁজে দেবে না বা জায়গা দেবে না। নিজরে জায়গ...
13/11/2021

টিকে থাকার লড়াইয়ে এমন ফাঁক-ফোকর আপনাকেই খুঁজে বের করতে হবে। কেউ কিন্তু আপনাকে খুঁজে দেবে না বা জায়গা দেবে না। নিজরে জায়গা নিজেকে করে নিতে হবে। এটাই চরম বাস্তবতা!!

10/11/2021
10/11/2021

খলীফা হারুনুর রশীদ এর শাসন আমলে 'বাহলুল' নামে এক পাগল ছিল। যে অধিকাংশ সময় কবরস্থানে কাটাতো। কবরস্থানে থাকা অবস্থায় একদিন বাদশাহ হারুনুর রশীদ তার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন।

বাদশাহ তাকে ডেকে বললেন, “বাহলুল, ওহে পাগল..!!
তোমার কি আর জ্ঞান ফিরবে না..?”
বাহলুল বাদশাহর এ কথা শুনে নাচতে নাচতে গাছের উপরের ডালে চড়লেন এবং সেখান থেকে চিৎকার দিয়ে বললেন- “ওহে হারুন, ওই পাগল..!! তোর কি কোনদিন জ্ঞান ফিরবে না..?”

বাদশাহ গাছের নিচে এসে বাহলুলকে বললেন, “আমি পাগল নাকি তুমি, যে সারা দিন কবরস্থানে বসে থাকে..?”
বাহলুল বললেন, “আমিই বুদ্ধিমান।”
বাদশাহ বললেন, “কীভাবে..?”
বাহলুল রাজপ্রাসাদের দিকে ইঙ্গিত দিয়ে বললেন, “আমি জানি এই রঙ্গীলা দালান ক্ষণিকের আবাসস্থল, এবং এটি (কবরস্থান) স্থায়ী নিবাস। এজন্য আমি মরার পূর্বেই এখানে বসবাস শুরু করেছি। অথচ তুই গ্রহণ করেছিস ঐ রঙ্গীনশালাকে আর এই স্থায়ীনিবাসকে (কবর) এড়িয়ে চলছিস। রাজপ্রসাদ থেকে এখানে আসাকে অপছন্দ করছিস যদিও তুই জানিস এটাই তোর শেষ গন্তব্য। এবার বল, আমাদের মধ্যে কে পাগল..?”

বাহলুলের মুখে এ কথা শোনার পর বাদশাহর অন্তর কেঁপে উঠল, তিনি কেঁদে ফেললেন। তাঁর দাড়ি ভিজে গেল।
তিনি বললেন, “খোদার কসম..!! তুমিই সত্যবাদী। আমাকে আরও কিছু উপদেশ দাও..!!”
বাহলুল বললো, “তোমার উপদেশের জন্য আল্লাহর কোরআন যথেষ্ট। তাকে যথার্থভাবে আকড়ে ধরো।”
বাদশাহ বললেন, “বাহলুল, তোমার কোন কিছুর অভাব থাকলে আমাকে বলো, আমি তা পূরণ করবো।”
বাহলুল বললেন, “হ্যা, আমার তিনটি অভাব আছে। এগুলো যদি তুমি পূরণ করতে পার তবে সারা জীবন তোমার কৃতজ্ঞতা স্বীকার করবো।”
বাদশাহ বললেন, “তুমি নিঃসঙ্কুচে চাইতে পারো।”
বাহলুল বললো, “মরণের সময় হলে আমার আয়ূ বৃদ্ধি করতে হবে।”
বাদশাহ বললেন, “আমার পক্ষে সম্ভব নয়।”
বাহলুল বললো, “আমাকে মৃত্যুর ফেরেশতা থেকে রক্ষা করতে হবে।”
বাদশাহ বললেন, “আমার পক্ষে সম্ভব নয়।”
বাহলুল বললো, “আমাকে জান্নাতে স্থান করে দিতে হবে এবং জাহান্নাম থেকে আমাকে দূরে রাখতে হবে।”
বাদশাহ বললেন, “আমার পক্ষে এটাও সম্ভব নয়।”
বাহলুল বললেন, “তবে জেন রাখো, তুমি বাদশাহ নও বরং তুমি অন্য কারও অধীনস্থ। অতএব তোমার কাছে আমার কোন চাওয়া বা প্রার্থনা নেই।”

––——★আমাদের জন্য শিক্ষা হলো★——––
❝আমরা একমাত্র আল্লাহ তায়ালার গোলাম, তাঁরই অধীনস্থ। আল্লাহ তা‘আলা আমাদেরকে তাঁর আনুগত্য, তাঁর দাসত্ব করার তাওফিক দান

Address

Babe Nazat Village: Satdargah Police Station: Peergachha District: Rangpur
Rangpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when চির শান্তির ধর্ম- মোহাম্মদী ইসলাম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share