Ilman Nafia/عِلْمًا نَافِعًا

Ilman Nafia/عِلْمًا نَافِعًا اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলাকে স্রষ্টা হিসাবে বিশ্বাস করা, ইবাদতের ক্ষেত্রে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার সাথে অন্য কাউকে শরীক (অংশীদার) না করা এবং আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার নাম ও গুণাবলীর উপর বিশ্বাস স্থাপন করা। অর্থাৎ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলাকেই একমাত্র রিযিকদাতা, জীবনদাতা, মৃত্যুদাতা, ক্ষমাকারী ইত্যাদি হিসাবে বিশ্বাস করা।

➲ সততা ও আল্লাহ ভীতি।
➲ ন্যায়পরায়নতা ও আস্থা।
➲ নিষ্ঠা ও আবেগ।
➲ শৃঙ্খলা, অধিকার ও নেতৃত্ব।
➲ ভ্রাতৃত্ববোধ ও সহানুভূতি।
➲ শ্রেষ্ঠত্ব ও জয়ের অঙ্গীকার।

আমাদের উদ্দেশ্য -
➲ আল্লাহর আদেশ-নিষেধকে সর্বাগ্রে প্রাধান্য দেওয়া।
➲ কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে একজন মুসলিমের আকিদাহ কিরুপ হওয়া উচিত সে সম্পর্কে সঠিক ধারনা দেয়া। কেননা তাওহীদ হল ইবাদতের প্রবেশ দ্বার, যার তাওহীদ ঠিক নেই তার কোন আমলই কবুল হয় না।
➲ তাওহীদের ছায়াতলে মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ করা।
➲ ইসলামের উন্মোচিত এবং মানুষ কর্তৃক লুকানো সত্যগুলো প্রচার করা।
➲ ইসলামের সঠিক বিষয়গুলো প্রচার করার মাধ্যমে মুসলিমদের ইসলামিক জ্ঞান বৃদ্ধি ও তা চর্চা করার লক্ষ্যে আগ্রহী করে তোলা।
➲ শিরক এবং বিদাআত নির্মূল করে শুধুমাত্র কুরআন ও সুন্নাহকে আকড়ে ধরা।
➲ মানুষকে কেন সৃষ্টি করা হয়েছে তা মনে করিয়ে দেওয়া।
➲ ঈমান ও আমলের মাধ্যমে মানুষকে একটি ‘সুন্দর জীবন’ গড়তে সাহায্য করা
➲ ইসলামিক ধর্মচিন্তা ও রীতিনীতি সম্পর্কে মুসলিম ভাই বোনকে অবগত করা, যা সন্ত্রাসবাদ, চরমপন্থা, ভুল ধারনা ও বিদ্বেষের বিরুদ্ধে রক্ষাপ্রাচীর।
➲ ইসলামের ব্যপারে সমস্ত ভুল ধারনা দূর করে ইসলামের সত্যতা তুলে ধরা যাতে মানুষ এর স্বরূপ জানতে পারে, সেই রূপ নয় যা অজ্ঞ লোকেরা উপস্থাপন করার চেষ্টা করে।
➲ বিচক্ষণতা ও সদুপদেশের মাধ্যমে আল্লাহর পথে মানুষকে ডাকা।
➲ যোগাযোগ ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে ভিন্ন বিশ্বাসের মানুষের সাথে সেতুবন্ধন তৈরি করা ও তাদের ইসলামের দিকে আহবান করা।
➲ মুসলিম ভাই বোনদের প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান করা।

11/07/2026

“সত্যপ্রত্যাখ্যানকারীরা (অবিশ্বাসীরা) সেদিন বলবে—‘হে আমাদের প্রতিপালক! যে সব জ্বিন ও মানুষ আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছিল তাদেরকে দেখিয়ে দাও, আমরা তাদেরকে পদদলিত করব, যাতে ওরা লাঞ্ছিত হয়!”

[সূরা ফুসসিলাত(৪১),আয়াত:২৯]

09/07/2026

জান্নাতের সবচেয়ে নিকটবর্তী আমল হচ্ছে নামাজ।
(সহীহ্ মুসলিম -২৬৩)
৫ টি গুরুত্বপূর্ণ সহজ আমল প্রতিদিন করবেন। ইনশা-আল্ল-হ
#আমল : ১
প্রত্যেক ওযুর পর কালেমা শাহাদাত পাঠ করুন।এতে জান্নাতের ৮টি দরজার যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন।
(সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ২৩৪)
#আমল : ২
প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে আয়াতুল কুরসি পাঠ করুন, এতে মৃত্যুর সাথে সাথে জান্নাতে যেতে পারবেন।
( সহিহ নাসাই, সিলসিলাহ সহিহাহ, হাদিস নং- ৯৭২)
#আমল : ৩
প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে ৩৩ বার সুবহানাল্ল-হ, ৩৩ বার
আলহামদুলিল্লা-হ, ৩৩ বার আল্ল-হু আকবার এবং ১ বার (লা- ইলা-হা
ইল্লাল্ল-হু ওয়াহদাহু লা- শারী-কালাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু
ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কদীর)
(সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ১২২৮)
#আমল : ৪
প্রতি রাতে সূরা মুলক পাঠ করুন এতে কবরের শাস্তি থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন।
( সহিহ নাসাই, সহিহ তারগিব,
হাকিম হাদিস নং- ৩৮৩৯, সিলসিলাহ সহিহাহ,)
#আমল : ৫
রসূল মুহাম্মাদ সল্লাল্ল-হু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম (সাঃ)-এর উপর সকালে ১০ বার ও সন্ধ্যায় ১০ বার দরুদ পড়ুন,
এতে আপনি নিশ্চিত ইনশা-আল্ল-হ রসুল মুহাম্মাদ সল্লাল্ল-হু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম (সাঃ)-এর সুপারিশ পাবেন।
(তবরানি, সহিহ তারগিব, হাদিস নং- ৬৫৬)

06/07/2026

মুহাম্মাদ ﷺ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ

“অনুপস্থিত ভাইয়ের জন্য মুসলমানের দোয়া কবুল হয়ে থাকে। তার মাথার কাছে একজন ফেরেশতা মোতায়েন থাকেন। যখন সে তার কোন ভাইয়ের কল্যাণের জন্য দোয়া করে, তখন সেই ফেরেশতা বলেন, আমীন এবং তোমারও অনুরূপ কল্যাণ হোক”।

বর্ণনাকারী বলেন, বাজারে আবু দারদা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু)-এর সাথে আমার সাক্ষাত হলে তিনিও অনুরূপ বললেন এবং তা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর থেকে তা বর্ণনা করলেন। (আল-আদাবুল মুফরাদ,হাদিস নং-৬২৯)

হযরত আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন:كُنَّا عِنْدَ النَّبِيِّ ﷺ فَقَالَ: إِنَّ مِنَ الشَّجَرِ شَجَرَةً لَا ي...
05/07/2026

হযরত আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন:
كُنَّا عِنْدَ النَّبِيِّ ﷺ فَقَالَ: إِنَّ مِنَ الشَّجَرِ شَجَرَةً لَا يَسْقُطُ وَرَقُهَا، وَإِنَّهَا مَثَلُ الْمُسْلِمِ، فَحَدِّثُونِي مَا هِيَ؟
"আমরা নবী ﷺ-এর কাছে বসে ছিলাম। তিনি বললেন, 'গাছগুলোর মধ্যে এমন একটি গাছ আছে যার পাতা ঝরে না। সেটি মুসলমানের উদাহরণ। বল তো, সেটি কোন গাছ?'"
ইবন উমর (রা.) বলেন:
فَوَقَعَ النَّاسُ فِي شَجَرِ الْبَوَادِي، وَوَقَعَ فِي نَفْسِي أَنَّهَا النَّخْلَةُ، فَاسْتَحْيَيْتُ
"লোকেরা বিভিন্ন বনজ গাছের কথা বলতে লাগল। কিন্তু আমার মনে হলো, সেটি হলো খেজুর গাছ। তবে আমি লজ্জা পেলাম, তাই বলিনি।"
অবশেষে রাসূল ﷺ বললেন:
هِيَ النَّخْلَةُ
"সেটি হলো খেজুর গাছ।"
পরে ইবন উমর (রা.) তাঁর পিতা উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-কে বিষয়টি জানালে তিনি বলেন:
لَأَنْ تَكُونَ قُلْتَهَا أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ كَذَا وَكَذَا
"তুমি যদি তখন উত্তরটি বলে দিতে, তবে তা আমার কাছে অমুক অমুক মূল্যবান সম্পদের চেয়েও বেশি প্রিয় হতো।"
সূত্র: সহিহ আল-বুখারী, হাদিস নং ৬১, ১৩১, ৪৬৯৮; সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ২৮১১।

04/07/2026

ফজরের সালাত শুধু দিনের প্রথম ইবাদত নয়; এটি একজন মুমিনের ঈমান, আন্তরিকতা এবং আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্কের এক উজ্জ্বল নিদর্শন। পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ যখন গভীর নিদ্রায় নিমগ্ন থাকে, তখন যে ব্যক্তি আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে ঘুমের মায়া ত্যাগ করে তাঁর সামনে দাঁড়ায়, সে নিঃসন্দেহে এক বিশেষ সৌভাগ্যের অধিকারী।
অনেক সালাফে সালেহীন নিজেদের নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকতেন—কোনো গুনাহের কারণে যেন আল্লাহ তাদের তাহাজ্জুদ বা ফজরের সালাত থেকে বঞ্চিত না করেন। কারণ, ইবাদতের তাওফীক নিজেই আল্লাহর এক মহান অনুগ্রহ।

--- আইন উদ্দিন আইনী

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেন,তুমি মজলুমের বদদোয়া থেকে বেঁচে থাকো। কেননা তার বদদোয়া ও আল্লাহর মাঝে কোনো পর্দা নেই।— বুখারী: ১৪৯৬, ৪...
01/07/2026

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেন,
তুমি মজলুমের বদদোয়া থেকে বেঁচে থাকো। কেননা তার বদদোয়া ও আল্লাহর মাঝে কোনো পর্দা নেই।

— বুখারী: ১৪৯৬, ৪৩৪৭

30/06/2026

হাদিসের আলোকে দাজ্জালের ফিতনা
হাদিসের আলোকে দাজ্জালের ফিতনা ইসলামি আকিদার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাজ্জাল সম্পর্কে বহু সহিহ হাদিসে সতর্ক করেছেন।
দাজ্জাল কে?
দাজ্জাল (আরবি: المسيح الدجال) এমন এক ব্যক্তি, যিনি কিয়ামতের বড় আলামতগুলোর একটি হিসেবে আবির্ভূত হবেন। তিনি প্রথমে নিজেকে ধার্মিক ব্যক্তি, পরে নবী এবং শেষে আল্লাহ দাবি করবেন। আল্লাহ তাঁকে মানুষের জন্য বড় পরীক্ষাস্বরূপ কিছু অসাধারণ ক্ষমতা দেবেন, কিন্তু সেগুলো প্রকৃত অলৌকিক ক্ষমতা নয়—আল্লাহর অনুমতিক্রমে সংঘটিত পরীক্ষা।
হাদিসে দাজ্জালের বৈশিষ্ট্য
তিনি একচোখা হবেন।
তাঁর দুই চোখের মাঝখানে "কাফির" (كافر) লেখা থাকবে, যা প্রত্যেক মুমিন পড়তে পারবেন।
তাঁর সঙ্গে জান্নাত ও জাহান্নামের মতো দুটি বিষয় থাকবে; কিন্তু তাঁর তথাকথিত জান্নাত আসলে জাহান্নাম এবং তথাকথিত জাহান্নাম হবে জান্নাত।
তিনি পৃথিবীর অধিকাংশ স্থান ভ্রমণ করবেন, তবে মক্কা ও মদিনা-তে প্রবেশ করতে পারবেন না।
এসব বর্ণনা সহিহ হাদিসে এসেছে, যেমন সহিহ আল-বুখারি ও সহিহ মুসলিম-এ।
দাজ্জালের ফিতনা কেন এত ভয়াবহ?
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আদম (আলাইহিস সালাম)-এর সৃষ্টি থেকে কিয়ামত পর্যন্ত দাজ্জালের চেয়ে বড় ফিতনা আর হবে না। (সহিহ মুসলিম)
কারণ:
তিনি মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন।
মিথ্যা অলৌকিকতা দেখাবেন।
অনেক মানুষ তাঁকে সত্য বলে বিশ্বাস করবে।
ঈমানের কঠিন পরীক্ষা হবে।
দাজ্জালের সময়কাল
হাদিস অনুযায়ী, তিনি পৃথিবীতে ৪০ দিন অবস্থান করবেন:
প্রথম দিন হবে এক বছরের সমান,
দ্বিতীয় দিন এক মাসের সমান,
তৃতীয় দিন এক সপ্তাহের সমান,
বাকি ৩৭ দিন হবে সাধারণ দিনের মতো।
দাজ্জালের ফিতনা থেকে বাঁচার উপায়
১. সূরা আল-কাহফ-এর প্রথম ১০ আয়াত (কিছু বর্ণনায় শেষ ১০ আয়াত) মুখস্থ করে নিয়মিত তিলাওয়াত করা। ২. আল্লাহর কাছে দাজ্জালের ফিতনা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা। রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতের শেষ বৈঠকে এই দোয়া পড়তে শিখিয়েছেন। ৩. ঈমানকে দৃঢ় রাখা এবং ইসলামের সঠিক জ্ঞান অর্জন করা। ৪. দাজ্জালের মুখোমুখি হওয়ার চেষ্টা না করা, কারণ তাঁর ফিতনা অত্যন্ত প্রবল।
দাজ্জালের সমাপ্তি
দাজ্জালের ফিতনার সময় আল্লাহ ঈসা (আলাইহিস সালাম)-কে পৃথিবীতে অবতীর্ণ করবেন। তিনি দাজ্জালকে অনুসরণ করে অবশেষে লুদ্দ শহরের ফটকের নিকটে তাঁকে হত্যা করবেন। এরপর পৃথিবীতে ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে।

26/06/2026

১. রমজানের পর সর্বোত্তম রোজা মহররমে
Muharram মাসে নফল রোজার ফজিলত সম্পর্কে রাসূল ﷺ বলেছেন:
"রমজানের পর সর্বোত্তম রোজা হলো আল্লাহর মাস মহররমের রোজা। আর ফরজ নামাজের পর সর্বোত্তম নামাজ হলো রাতের (তাহাজ্জুদের) নামাজ।"
সূত্র: সহিহ মুসলিম, হাদিস নং 1163।

২. আশুরার রোজার ফজিলত
আশূরা-এর রোজা সম্পর্কে রাসূল ﷺ বলেছেন:
"আমি আল্লাহর কাছে আশা করি, আশুরার দিনের রোজা পূর্ববর্তী এক বছরের গুনাহের কাফফারা হবে।"
সূত্র:সহিহ মুসলিম, হাদিস নং 1162।

৩. ইহুদিদের থেকে ভিন্নভাবে রোজা রাখা
রাসূল ﷺ যখন জানতে পারলেন যে ইহুদিরাও আশুরার দিন রোজা রাখে, তখন তিনি বলেন:
"আমি যদি আগামী বছর জীবিত থাকি, তবে অবশ্যই নবম তারিখও রোজা রাখব।"
অর্থাৎ ৯ ও ১০ মহররম একসঙ্গে রোজা রাখা উত্তম।
সূত্র: সহিহ মুসলিম, হাদিস নং 1134।

৪. আশুরার দিনের ইতিহাস
ইবনে আবূ (রা.) থেকে বর্ণিত:
রাসূল ﷺ মদিনায়-এ এসে দেখলেন, ইহুদিরা আশুরার দিন রোজা রাখছে। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, "এটি কী?" তারা বলল, "এটি একটি মহান দিন। এদিন আল্লাহ মূসা (আ.) ও তাঁর সম্প্রদায়কে মুক্তি দিয়েছিলেন এবং ফেরাউন-কে ডুবিয়ে দিয়েছিলেন।" তখন রাসূল ﷺ বললেন, "মূসার ব্যাপারে তোমাদের চেয়ে আমাদের অধিকার বেশি।" এরপর তিনি নিজে রোজা রাখলেন এবং সাহাবিদেরও রোজা রাখার নির্দেশ দিলেন।
সূত্র: সহিহ বুখারী, হাদিস নং 2004; সহিহ মুসলিম।

গুরুত্বপূর্ণ আমল
মহররম মাসে বেশি বেশি নফল রোজা রাখা।
বিশেষ করে ৯ ও ১০ মহররম (অথবা ১০ ও ১১ মহররম) রোজা রাখা।
তওবা, ইস্তিগফার, কুরআন তিলাওয়াত এবং নেক আমল বৃদ্ধি করা।

25/06/2026

মুহাররম মাসের ৯/১০ অথবা ১০/১১ তারিখে রোজা রাখার ফজিলত ও আমল সমূহ।

আশুরার রোজা রাখার ফজিলত অনেক বেশি। এ দিনের রোজা রাখার ফজিলত বর্ণনায় রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ❝আশুরার দিনের সাওমের ব্যাপারে আল্লাহর কাছে আমার প্রত্যাশা, আল্লাহ এর দ্বারা পূর্ববর্তী এক বছরের সব গুনাহ মাফ করে দেবেন।❞ (সহীহ মুসলিম : ১১৬২)।

একান্ত অপারগ না হলে শুধুমাত্র আশুরার দিন অর্থাৎ মহরমের ১০ তারিখ একটি মাত্র রোজা রাখা অনুচিত। বরং আমাদের উচিত মুহাররমের ৯ ও ১০ অথবা ১০ ও ১১ অন্তত দুই দিন রোজা রাখা। আশুরার রোজা দুইটি রাখা উত্তম।
আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন আশুরার দিন সাওম পালন করেন এবং লোকদের সাওম পালনের নির্দেশ দেন। তখন সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! ই'য়াহুদী এবং না'সারা এই দিনের প্রতি সন্মান প্রদর্শন করে থাকে। এ কথা শুনে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ইনশাআল্লাহ্ আগামী বছর আমরা নবম তারিখেও সাওম পালন করব। বর্ণনাকারী বললেন, এখনো আগামী বছর আসেনি, এমতাবস্থায় রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ইন্তেকাল হয়ে যায়। (সহীহ মুসলিম : ২৫৫৬)

রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মুহাররম আল্লাহর মাস। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ❝রমজানের পর সর্বোত্তম সাওম হচ্ছে আল্লাহর মাস মুহররম মাসের সাওম।❞ (সহীহ মুসলিম : ১১৬৩)।

এই মাসের আইয়ামে বীজের রোজা এবং সপ্তাহের সোম ও বৃহস্পতিবারের রোজাগুলো রাখার চেষ্টা করবো। তওবা ইস্তিগফার করা। এ মাসে অতীতের একটি গোত্রের তওবা কবুল করা হয়েছিল।

দরুদ শরীফ পড়া। তওবা-ইস্তিগফার ও দোয়া কবুলের জন্য অন্যতম নিয়ামক হচ্ছে দরুদ শরীফ পড়া। তাই যখনই আমরা ইস্তেগফার বা দুআ করবো সাথে সাথে দরুদ পাঠ করবো।

এটা যেহেতু সম্মানীত মাস, তাই এ মাসের সম্মানে গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার ব্যাপারে বিশেষ সতর্ক থাকবো।

আল্লাহ তা'আলা আমাদের সবাইকে কুরআন এবং সুন্নাহ এর উপর যথাযথ আমল করার তাওফিক দান করুন।

◼️ এ বছর আশুরার দিন হলো- ২৬ জুন (১০ মুহাররম)। যেহেতু আশুরার রোজা দুইটি রাখতে হয়। অতএব, আমরা ২৫ ও ২৬ অথবা ২৬ ও ২৭ তারিখ রোজা রাখবো, ইনশাআল্লাহ্।

24/06/2026

সকাল-সন্ধ্যার সাতটি শক্তিশালী আমল: আল্লাহর হেফাজতে থাকার সহজ উপায়

আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের জন্য এমন কিছু যিকির ও দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন, যা নিয়মিত পাঠ করলে মানুষ আল্লাহর ইচ্ছায় শয়তান, হিংসা, অকল্যাণ এবং বিভিন্ন বিপদ-আপদ থেকে নিরাপত্তা লাভ করে। রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজেও এসব আমল করতেন এবং উম্মতকে শিক্ষা দিয়েছেন।

সকাল বলতে ফজর থেকে যোহর পর্যন্ত সময় এবং সন্ধ্যা বলতে আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত সময়কে বোঝানো হয়।

🔘১. "বিসমিল্লাহিল্লাযী লা ইয়াদুররু..."

بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

বিসমিল্লাহিল্লাযী লা ইয়াদুররু মা'আসমিহী শাইউন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামা-ই, ওয়া হুয়াস সামীউল আলীম।

আল্লাহর নামে শুরু করছি, যার নামের বরকতে আসমান ও জমিনের কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

🔹প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় ৩ বার।

▫️হাদিস: সুনান আবু দাউদ, হাদিস নং ৫০৮৮; জামে তিরমিযি, হাদিস নং ৩৩৮৮

🔘২. "আউযু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাত..."

أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ

আউযু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন শাররি মা খালাক।

আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ বাণীর আশ্রয় চাই তাঁর সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে।

🔹সকাল ও সন্ধ্যায় ৩ বার।

▫️হাদিস: জামে তিরমিযি, হাদিস নং ৩৬০৪; সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ২৭০৮

🔘৩. শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার দোয়া

اللَّهُمَّ عَافِنِي فِي بَدَنِي، اللَّهُمَّ عَافِنِي فِي سَمْعِي، اللَّهُمَّ عَافِنِي فِي بَصَرِي، لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكُفْرِ وَالْفَقْرِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ

আল্লাহুম্মা আফিনী ফী বাদানী, আল্লাহুম্মা আফিনী ফী সামঈ, আল্লাহুম্মা আফিনী ফী বাসারী, লা ইলাহা ইল্লা আন্তা। আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযু বিকা মিনাল কুফরি ওয়াল ফাকরি, ওয়া আউযু বিকা মিন আযাবিল কবর, লা ইলাহা ইল্লা আন্তা।

“হে আল্লাহ! আমার দেহকে সুস্থতা দান করুন।
হে আল্লাহ! আমার শ্রবণশক্তিকে সুস্থতা দান করুন।
হে আল্লাহ! আমার দৃষ্টিশক্তিকে সুস্থতা দান করুন।
আপনি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই।
হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে কুফর (অবিশ্বাস) থেকে আশ্রয় চাই, এবং দারিদ্র্য থেকে আশ্রয় চাই।
আর আমি কবরের আযাব থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি। আপনি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই।”

🔹সকাল ও সন্ধ্যায় ৩ বার।

▫️হাদিস: সুনান আবু দাউদ, হাদিস নং ৫০৯০

🔘৪. দুশ্চিন্তা, ঋণ ও দুর্বলতা থেকে মুক্তির দোয়া

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ وَالْبُخْلِ وَالْجُبْنِ وَضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযু বিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাজানি, ওয়াল আজজি ওয়াল কাসালি, ওয়াল বুখলি ওয়াল জুবনি, ওয়া দালাইদ্ দাইনি ওয়া গালাবাতির রিজাল।

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই দুশ্চিন্তা, বিষণ্ণতা, অক্ষমতা, অলসতা, কৃপণতা, ভীরুতা, ঋণের বোঝা এবং মানুষের জুলুম থেকে।

হাদিস: সহীহ বুখারি, হাদিস নং ২৮৯৩

🔘৫. সূরা ফাতিহা, ইখলাস, ফালাক ও নাস

সূরা আল-ফাতিহা
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ
إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ
اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ
صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ ۙ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আলামীন।
আর-রাহমানির রাহিম।
মালিকি ইয়াওমিদ্দীন।
ইয়্যাকা নাবুদু ওয়া ইয়্যাকা নাস্তাঈন।
ইহদিনাস সিরাতাল মুস্তাকীম।
সিরাতাল্লাযীনা আনআমতা আলাইহিম, গাইরিল মাগদূবি আলাইহিম ওয়ালাদ্দল্লীন।

পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সকল জগতের প্রতিপালক।
যিনি পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু।
বিচার দিনের মালিক।
আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং একমাত্র তোমারই সাহায্য চাই।
আমাদের সরল পথ দেখাও।
সেইসব লোকের পথ, যাদের প্রতি তুমি অনুগ্রহ করেছ; তাদের পথ নয়, যাদের উপর তোমার ক্রোধ নেমেছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।

সূরাহ আল -ফাতিহা, ১: ১-৭

সূরা ইখলাস

قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ . اللَّهُ الصَّمَدُ .لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ . وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ

কুল হুয়াল্লাহু আহাদ। আল্লাহুস সামাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ। ওয়ালাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ।

বলুন, তিনি আল্লাহ, একক।
আল্লাহ অমুখাপেক্ষী।
তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেওয়া হয়নি।
এবং তাঁর সমতুল্য কেউ নেই।

সূরা ইখলাস, ১১২:১-৪

সূরা আল-ফালাক

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ
مِن شَرِّ مَا خَلَقَ
وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ
وَمِن شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ
وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ

কুল আউযু বিরাব্বিল ফালাক।
মিন শাররি মা খালাক।
ওয়া মিন শাররি গাসিকিন ইযা ওয়াকাব।
ওয়া মিন শাররিন নাফ্ফাসাতি ফিল উকাদ।
ওয়া মিন শাররি হাসিদিন ইযা হাসাদ।

বলুন, আমি আশ্রয় চাই প্রভাতের প্রতিপালকের কাছে,
তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে,
অন্ধকার রাতের অনিষ্ট থেকে যখন তা গভীর হয়,
গিরায় ফুঁকদানকারী জাদুকরীদের অনিষ্ট থেকে,
এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।

সূরা ফালাক, ১১৩:১-৫

সূরা আন-নাস

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ
مَلِكِ النَّاسِ
إِلَٰهِ النَّاسِ
مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ
الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ
مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ

কুল আউযু বিরাব্বিন নাস।
মালিকিন নাস।
ইলাহিন নাস।
মিন শাররিল ওয়াসওয়াসিল খান্নাস।
আল্লাযি ইউওয়াসওয়িসু ফি সুদূরিন নাস।
মিনাল জিন্নাতি ওয়ান নাস।

বলুন, আমি আশ্রয় চাই মানুষের প্রতিপালকের কাছে,
মানুষের অধিপতির কাছে,
মানুষের উপাস্যের কাছে,
কুমন্ত্রণা দানকারী আত্মগোপনকারীর অনিষ্ট থেকে,
যে মানুষের অন্তরে কুমন্ত্রণা দেয়,
জিন ও মানুষের মধ্য থেকে।

সূরা নাস, ১১৪:১-৬

🔹রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, সকাল ও সন্ধ্যায় এই তিনটি সূরা তিনবার পাঠ করলে সব ধরনের অকল্যাণ থেকে যথেষ্ট হবে।

▫️হাদিস: জামে তিরমিযি, হাদিস নং ৩৫৭৫

🔘৬. আয়াতুল কুরসি

اللَّهُ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ ۚ لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ ۚ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ ۗ مَنْ ذَا الَّذِي يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلَّا بِإِذْنِهِ ۚ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِنْ عِلْمِهِ إِلَّا بِمَا شَاءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ ۖ وَلَا يَؤُودُهُ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ

আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম।
লা তা'খুযুহু সিনাতুঁ ওয়ালা নাওম।
লাহু মা ফিস্-সামাওয়াতি ওয়া মা ফিল আরদ।
মান যাল্লাযি ইয়াশফাউ ইন্দাহু ইল্লা বিইযনিহি।
ইয়ালামু মা বাইনা আইদীহিম ওয়া মা খালফাহুম।
ওয়ালা ইউহীতূনা বিশাইইম মিন ইলমিহি ইল্লা বিমা শা'আ।
ওয়াসিআ কুরসিয়্যুহুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ।
ওয়ালা ইয়াউদুহু হিফযুহুমা।
ওয়া হুওয়াল আলিয়্যুল আযীম।

আল্লাহ, তিনি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। তিনি চিরঞ্জীব, সর্বসত্তার ধারক ও রক্ষক। তাঁকে তন্দ্রা ও নিদ্রা স্পর্শ করে না। আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই তাঁর। কে আছে যে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর কাছে সুপারিশ করতে পারে? তিনি জানেন তাদের সামনে যা আছে এবং তাদের পেছনে যা আছে। আর তাঁর জ্ঞানের কোনো অংশই তারা আয়ত্ত করতে পারে না, তবে তিনি যা ইচ্ছা করেন তা ছাড়া। তাঁর কুরসি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীকে পরিব্যাপ্ত করে আছে। এগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ তাঁকে ক্লান্ত করে না। তিনি সর্বোচ্চ, সর্বমহান।

সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৫৫।

🔹যে ব্যক্তি সকাল বা সন্ধ্যায় আয়াতুল কুরসি পাঠ করে, আল্লাহ তার জন্য একজন রক্ষক নিযুক্ত করেন।

▫️হাদিস: সহীহ বুখারি, হাদিস নং ২৩১১

🔘৭. সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত

آمَنَ الرَّسُولُ بِمَا أُنْزِلَ إِلَيْهِ مِنْ رَبِّهِ وَالْمُؤْمِنُونَ ۚ كُلٌّ آمَنَ بِاللَّهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِنْ رُسُلِهِ ۚ وَقَالُوا سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا ۖ غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ

আ-মানার রাসূলু বিমা উনযিলা ইলাইহি মির রাব্বিহি ওয়াল মুমিনূন। কুল্লুন আ-মানা বিল্লাহি ওয়া মালাইকাতিহি ওয়া কুতুবিহি ওয়া রুসুলিহি, লা নুফাররিকু বাইনা আহাদিম মির রুসুলিহি। ওয়া ক্বালূ সামি'না ওয়া আত্বা'না, গুফরানাকা রাব্বানা ওয়া ইলাইকাল মাসীর।

রাসূল তাঁর প্রতিপালকের পক্ষ থেকে তাঁর প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে তাতে ঈমান এনেছেন এবং মুমিনরাও ঈমান এনেছে। তারা সকলেই আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতাগণ, তাঁর কিতাবসমূহ এবং তাঁর রাসূলগণের প্রতি ঈমান এনেছে। তারা বলে, “আমরা তাঁর কোনো রাসূলের মধ্যে পার্থক্য করি না।” আর তারা বলে, “আমরা শুনলাম ও আনুগত্য করলাম। হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা আপনার ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং আপনারই দিকে প্রত্যাবর্তন।”

لَا يُكَلِّفُ اللَّهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا ۚ لَهَا مَا كَسَبَتْ وَعَلَيْهَا مَا اكْتَسَبَتْ ۗ رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِنْ نَسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُ عَلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهِ ۖ وَاعْفُ عَنَّا وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا ۚ أَنْتَ مَوْلَانَا فَانْصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ

লা ইউকাল্লিফুল্লাহু নাফসান ইল্লা উস'আহা। লাহা মা কাসাবাত ওয়া আলাইহা মাকতাসাবাত। রাব্বানা লা তুয়াখিযনা ইন নাসিনা আও আখতা'না। রাব্বানা ওয়া লা তাহমিল আলাইনা ইসরান কামা হামালতাহু আলাল্লাযিনা মিন কাবলিনা। রাব্বানা ওয়া লা তুহাম্মিলনা মা লা ত্বাকাতা লানা বিহি। ওয়াফু আন্না, ওয়াগফির লানা, ওয়ারহামনা। আনতা মাওলানা ফানসুরনা আলাল কাওমিল কাফিরীন।

আল্লাহ কোনো ব্যক্তির উপর তার সাধ্যের অতিরিক্ত দায়িত্ব অর্পণ করেন না। সে যা অর্জন করে তা তারই জন্য এবং সে যা অপরাধ করে তার দায়ও তারই উপর। হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা যদি ভুলে যাই বা ভুল করে ফেলি তবে আমাদের পাকড়াও করবেন না। হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের উপর এমন কঠিন দায়িত্ব চাপিয়ে দেবেন না যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর চাপিয়েছিলেন। হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের উপর এমন বোঝা চাপাবেন না যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই। আমাদের ক্ষমা করুন, আমাদের মাফ করুন এবং আমাদের প্রতি দয়া করুন। আপনিই আমাদের অভিভাবক; অতএব কাফির সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য করুন।

সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৮৫-২৮৬

🔹রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি রাতে সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করবে, তা তার জন্য যথেষ্ট হবে।

▫️হাদিস: সহীহ বুখারি, হাদিস নং ৫০০৯; সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ৮০৮।

Address

Rangpur

Telephone

+8801786888809

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ilman Nafia/عِلْمًا نَافِعًا posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Ilman Nafia/عِلْمًا نَافِعًا:

Shortcuts

Share