Ilman Nafia/عِلْمًا نَافِعًا

Ilman Nafia/عِلْمًا نَافِعًا اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলাকে স্রষ্টা হিসাবে বিশ্বাস করা, ইবাদতের ক্ষেত্রে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার সাথে অন্য কাউকে শরীক (অংশীদার) না করা এবং আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার নাম ও গুণাবলীর উপর বিশ্বাস স্থাপন করা। অর্থাৎ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলাকেই একমাত্র রিযিকদাতা, জীবনদাতা, মৃত্যুদাতা, ক্ষমাকারী ইত্যাদি হিসাবে বিশ্বাস করা।

➲ সততা ও আল্লাহ ভীতি।
➲ ন্যায়পরায়নতা ও আস্থা।
➲ নিষ্ঠা ও আবেগ।
➲ শৃঙ্খ

লা, অধিকার ও নেতৃত্ব।
➲ ভ্রাতৃত্ববোধ ও সহানুভূতি।
➲ শ্রেষ্ঠত্ব ও জয়ের অঙ্গীকার।

আমাদের উদ্দেশ্য -
➲ আল্লাহর আদেশ-নিষেধকে সর্বাগ্রে প্রাধান্য দেওয়া।
➲ কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে একজন মুসলিমের আকিদাহ কিরুপ হওয়া উচিত সে সম্পর্কে সঠিক ধারনা দেয়া। কেননা তাওহীদ হল ইবাদতের প্রবেশ দ্বার, যার তাওহীদ ঠিক নেই তার কোন আমলই কবুল হয় না।
➲ তাওহীদের ছায়াতলে মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ করা।
➲ ইসলামের উন্মোচিত এবং মানুষ কর্তৃক লুকানো সত্যগুলো প্রচার করা।
➲ ইসলামের সঠিক বিষয়গুলো প্রচার করার মাধ্যমে মুসলিমদের ইসলামিক জ্ঞান বৃদ্ধি ও তা চর্চা করার লক্ষ্যে আগ্রহী করে তোলা।
➲ শিরক এবং বিদাআত নির্মূল করে শুধুমাত্র কুরআন ও সুন্নাহকে আকড়ে ধরা।
➲ মানুষকে কেন সৃষ্টি করা হয়েছে তা মনে করিয়ে দেওয়া।
➲ ঈমান ও আমলের মাধ্যমে মানুষকে একটি ‘সুন্দর জীবন’ গড়তে সাহায্য করা
➲ ইসলামিক ধর্মচিন্তা ও রীতিনীতি সম্পর্কে মুসলিম ভাই বোনকে অবগত করা, যা সন্ত্রাসবাদ, চরমপন্থা, ভুল ধারনা ও বিদ্বেষের বিরুদ্ধে রক্ষাপ্রাচীর।
➲ ইসলামের ব্যপারে সমস্ত ভুল ধারনা দূর করে ইসলামের সত্যতা তুলে ধরা যাতে মানুষ এর স্বরূপ জানতে পারে, সেই রূপ নয় যা অজ্ঞ লোকেরা উপস্থাপন করার চেষ্টা করে।
➲ বিচক্ষণতা ও সদুপদেশের মাধ্যমে আল্লাহর পথে মানুষকে ডাকা।
➲ যোগাযোগ ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে ভিন্ন বিশ্বাসের মানুষের সাথে সেতুবন্ধন তৈরি করা ও তাদের ইসলামের দিকে আহবান করা।
➲ মুসলিম ভাই বোনদের প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান করা।

11/05/2026

হুরুফের পরিচয়

খাবারের কিছু শিষ্টাচার: ১- পানাহারের শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা। শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা ভুলে গেলে বিসমিল্লাহি আউওয়ালাহু ওয়া ...
04/05/2026

খাবারের কিছু শিষ্টাচার:
১- পানাহারের শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা। শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা ভুলে গেলে বিসমিল্লাহি আউওয়ালাহু ওয়া আখেরাহু পাঠ করা।
২-৩- ডান হাতে পানাহার করা এবং একই সাথে খেলে অন্যের সামনে থেকে না খাওয়া।
৪- প্লেটের পাশ থেকে খাওয়া, মধ্যখান থেকে না খাওয়া। কেননা, মধ্যখানে বারাকা নাজিল হয়।
৫- হেলান দিয়ে পানাহার না করা।
৬- অপছন্দ হলেও খাবারের দোষ-ত্রুটি বর্ণনা না করা।
৭- একাকি না খেয়ে সবাই একসাথে খাওয়া। বিশেষতঃ এক প্লেটে হলে উত্তম।
৮- খাবার পড়ে গেলে তা মুছে খেয়ে নেওয়া।
৯- হাত ধোয়ার পূর্বে আঙ্গুল ও প্লেট চেটে খাওয়া।
১০-১১- খাবার শেষে আল্লাহর প্রশংসা এবং দোয়া করা।
১২- কারো বাসায় দাওয়াত খেলে তাদের জন্য দোয়া করা।
১৩- খাবার শেষে হাত ধৌত করা।

একটা সত্য দিয়ে শুরু করি—যেটা শুনতে কষ্টকর, কিন্তু অস্বীকার করা যায় না। সব চরিত্রহীন সন্তানের পেছনেসবসময় খারাপ বন্ধুত্ব ব...
01/05/2026

একটা সত্য দিয়ে শুরু করি—যেটা শুনতে কষ্টকর, কিন্তু অস্বীকার করা যায় না। সব চরিত্রহীন সন্তানের পেছনে
সবসময় খারাপ বন্ধুত্ব বা খারাপ সমাজ দায়ী না। অনেক সময় সবচেয়ে বড় ভুলটা শুরু হয় ঘর থেকেই, বাবা–মায়ের হাত ধরেই।

সন্তান হঠাৎ খারাপ হয় না। কোনো সন্তান একদিনে মিথ্যাবাদী হয় না, একদিনে বেয়াদব হয় না, একদিনে নৈতিকতা হারায় না। এটা হয় ছোট ছোট ভুলের ধারাবাহিকতায়।

বাবা–মায়ের যে ভুলগুলো সন্তানকে চরিত্রহীন করে তোলে

🔹 ১. অতিরিক্ত আদর, কিন্তু কোনো শাসন নয়!

সব চাওয়া পূরণ করে দেওয়া, কখনো “না” না বলা—এতে সন্তান শেখে সবকিছু তার প্রাপ্য। সে বড় হয়ে দায়িত্ব নিতে শেখে না, নৈতিকতা বোঝে না।

🔹 ২. টাকা দিয়ে দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া

“সময় নেই, টাকা আছে”— এই মানসিকতা সন্তানকে শেখায়—সব কিছু কেনা যায়। ফলাফল? সম্পর্ক, সম্মান, অনুভূতির মূল্য সে বুঝতে শেখে না।

🔹 ৩. নিজেরা যা করেন, সন্তানকে তা করতে বারণ করা

বাবা মিথ্যা বলেন, কিন্তু সন্তানকে সত্যের উপদেশ দেন। মা পরনিন্দা করেন, কিন্তু সন্তানকে ভালো চরিত্র শেখান। সন্তান কথা শেখে না, কাজ দেখে শেখে।

🔹 ৪. ভুল করলে আড়াল করে দেওয়া

ও ছোট, বুঝবে না। “বাচ্চা মানুষ। এই ঢেকে রাখাই ভবিষ্যতে বড় অপরাধের পথ খুলে দেয়।

🔹 ৫. ভালো-মন্দ বোঝানোর সময় না দেওয়া
সন্তানকে শুধু আদেশ দেওয়া হয়— কেন, কীভাবে—
তা বোঝানো হয় না। নৈতিকতা চাপিয়ে দেওয়া যায় না,
বোঝাতে হয়।

🔹 ৬. তুলনা করে অপমান করা

ওর ছেলে দেখো! তুই কিছুই পারিস না! এই কথাগুলো
সন্তানের আত্মসম্মান ভেঙে দেয়। ভাঙা আত্মসম্মান থেকেই অনেক সময় খারাপ চরিত্র জন্ম নেয়।

🔹 ৭. সংসারের ভেতরের অশান্তি

বাবা–মায়ের ঝগড়া, অসম্মান, চিৎকার—এসব দেখে বড় হওয়া সন্তান মানসিকভাবে অসুস্থ হয়, এবং বাইরে গিয়ে ভুল পথে শান্তি খোঁজে।

🔹 ৮. ভালো কাজের প্রশংসা না করা

ভুল করলে শাসন, ভালো করলে নীরবতা— এতে সন্তান শেখে ভালো হওয়া মূল্যহীন।

একটা নির্মম সত্য
সন্তান সমাজের আগে পরিবারের প্রতিচ্ছবি। আপনি যেমন, সে তেমনই হওয়ার চেষ্টা করে— চাই বা না চাই।
শেষ কথা—এখানে এসে থামা যায় না।
সন্তানকে দোষ দেওয়ার আগে একবার আয়নায় তাকান।

আপনি কী শেখাচ্ছেন?

আপনি কী দেখাচ্ছেন?

আপনি কেমন মানুষ?

30/04/2026

সালাফগণ যেমন ছিলেন—

ইমাম আবু ইউসুফ (রহ.)-এর ছাত্র কাজি ইবরাহিম বিন আল-জাররাহ বলেন— আবু ইউসুফ অসুস্থ হলে আমি তাকে দেখতে গেলাম। তিনি অচেতন অবস্থায় ছিলেন। কিছুক্ষণ পর জ্ঞান ফিরলে তিনি বললেন, "হে ইবরাহিম! তুমি ওই মাসয়ালার ব্যাপারে কী বলো?"

আমি বললাম, "এই অবস্থায়?!"

তিনি বললেন, "সমস্যা নেই। আমরা আলোচনা করি; হতে পারে এর মাধ্যমে কেউ মুক্তি পাবে (উপকৃত হবে)।"

এরপর তিনি জিজ্ঞেস করলেন, "ইবরাহিম! হজের সময় হেঁটে নাকি আরোহী অবস্থায় শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করা উত্তম?"

আমি বললাম, "আরোহী অবস্থায়।" তিনি বললেন, "তুমি ভুল করেছ।"

আমি বললাম, "হাঁটা অবস্থায়।" তিনি বললেন, "তুমি ভুল করেছ।"

আমি বললাম, "আপনিই বলুন, আল্লাহ আপনার ওপর সন্তুষ্ট হোন।"

তিনি বললেন, "যেখানে দোয়া করার জন্য দাঁড়ানো হয় (প্রথম ও দ্বিতীয় জামারা), সেখানে হেঁটে পাথর নিক্ষেপ করা উত্তম। আর যেখানে দাঁড়ানো অনুচিত (জামারাতুল আকাবা), সেখানে আরোহী অবস্থায় পাথর নিক্ষেপ করাই উত্তম।"

ইবরাহিম বলেন, "অতঃপর আমি তার কাছ থেকে উঠে চলে এলাম। যখনই তার বাড়ির দরজায় পৌঁছলাম, ভেতর থেকে কান্নার আওয়াজ শুনতে পেলাম। তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। রাহিমাহুল্লাহ।"

رحمهم الله

29/04/2026

এক ব্যক্তি ইবরাহীম ইবনু আদহাম রহ.-কে বলল
إني لَا أَقْدِرُ على قِيَامِ اللَّيْلِ فَصِفْ لِي دواءً
আমি তাহাজ্জুদে উঠতে পারিনা, তাই আমার জন্য একটি চিকিৎসা বলুন।

উত্তরে তিনি বললেন
لَا تعصيه بِالنَّهَارِ وَهُوَ يُقيمك بَيْنَ يَدَيْهِ في اللَّيْلِ فإن وُقُوفك بَيْنَ يَدَيْهِ في اللَّيْلِ من أَعْظَمِ الشَّرَفِ والْعَاصِي لَا يَسْتَحِقُّ ذلك الشرف
দিনের বেলায় গুনাহ করোনা, তাহলে তিনি তোমাকে রাতের বেলা তাঁর সামনে দাঁড় করাবেন। কারণ, রাতে তাঁর সামনে দাঁড়ানো অনেক বড় সম্মানের বিষয়। গুনাহগার সেই সম্মানের অধিকারী হয় না। [হা কাযা কানাসসালিহূন : ৩]

"মীর্জা গালিব মসজিদে বসে মদ্যপান করছিলেন। তখন মুসল্লীরা তাকে বাধা দিল। বলল, মসজিদ আল্লাহর ঘর। মদ্যপানের জায়গা নয়।গালিব ত...
28/04/2026

"মীর্জা গালিব মসজিদে বসে মদ্যপান করছিলেন। তখন মুসল্লীরা তাকে বাধা দিল। বলল, মসজিদ আল্লাহর ঘর। মদ্যপানের জায়গা নয়।

গালিব তাকালেন মুসল্লীদের দিকে। তারপর আরেক চুমুক খেয়ে আওড়ালেন উপস্থিত শের,

'শরাব পিনে দে
মসজিদ মে ব্যায়ঠ কার,
ইয়া ও জাগা বাতা
যাঁহা খুদা নেহি।'

আমাকে মদ খেতে দাও
মসজিদে বসেই,
অথবা এমন জায়গা বল
যেথায় খোদা নেই।

মুসল্লীরা লা জবাব। কী জবাব দেবেন। খোদা নাই এমন জায়গার কথা বলা শক্ত বইকি।

তবে জবাব দিলেন আল্লামা ইকবাল। বহু বছর পর। তার শের দিয়ে। তখন মীর্জা আর বেঁচে নেই।

'ইয়া গালিব, মসজিদ খুদা কা ঘর হ্যায়
পিনে কি জাগা নেহি,
কাফির কে দিলমে যা
ওঁয়াহা খুদা নেহি।'

হে গালিব, মসজিদ আল্লাহর ঘর
মদ পান করার জায়গা নয়,
কাফিরের অন্তরে যা
যেথা খোদার জায়গা নয়।

কাফের মানে অবিশ্বাসী। তার অন্তরে খুদার জায়গা নাই। তাই গালিবকে সেখানে গিয়ে মদ্যপান করতে বলা হয়েছে৷

আহমদ ফারাজ নামের আরেকজন কবি এর প্রতিউত্তরে লিখলেন-

'কাফির কে দিল সে
আয়া হু দেখ কার
খুদা মওজুদ হ্যায় ওঁয়াহা
উসসে পাতা নেহি।'

কাফিরের মনে উঁকি দিয়ে এসেছি দেখে
সেখানেও খুদা আছে, কিন্তু সে জানেই না।

তার জবাবে কবি ওয়াসি লিখলেন-

'খুদা তো মওজুদ
দুনিয়া মে হার জাগা
তু জান্নাত মে যা
ওঁয়াহা পিনে সে মানা নেহি।'

খুদা তো দুনিয়ার সবখানেই উপস্থিত আছে
তুমি জান্নাতে যাও, ওখানে মদ খেতে বাধা নেই

কবি ওয়াসি এখানে 'শরাবান তহুরা'র কথা বলেছেন। যেটা জান্নাতবাসীরা যত ইচ্ছা খেতে পারবে। কিন্তু মাতাল হবে না। জান্নাতের মধ্যে হারাম-হালালের মাসয়ালা আসবে না। সব বিধিনিষেধ শুধু দুনিয়ার জন্যই প্রযোজ্য।

এরপরে সাকি লিখলেন-

'পীতা হুঁ সাকি
গাম-এ-দুনিয়া ভুলানে কে লিয়ে
জান্নাত মে কৌন সা গাম হ্যায়,
ইস লিয়ে ওঁয়াহা মাজা নেহি।'

সাকি বলতে চাইছেন, জান্নাতে তো দুনিয়াবি দুঃখ-কষ্ট থাকবে না। ওখানে কষ্ট ভোলার জন্য মদ গেলার সেই মজা পাওয়া যাবে কি? "

এই যে একজনের কথার বিপরীতে আরেকজনের কঠিন যুক্তিপুর্ন কথা,এটাই তো জ্ঞান এবং জ্ঞানীর সৌন্দর্য,কি অসাধারণ একটা বিষয়। কারো একটা কথা বা যুক্তি আমার পছন্দ না-ই হতে পারে কিন্তু সেটার উত্তরটা যুক্তি দিয়েই দেয়া উচিত কিন্তু আমাদের সমাজ আমাদের শক্তিশালীদের শেখায় হাত থাকতে মুখে কি???

পরিবর্তন হোক এই মানসিকতার!!!

🔴 লজ্জাস্থানের চুল কাটা সম্পর্কে যাবতীয় মাসয়ালা—🔴১। নাভির নিচের লোম কাটার সীমানা কতটুকু?২। স্বামী-স্ত্রী কেউ কারো লজ্জাস...
26/04/2026

🔴 লজ্জাস্থানের চুল কাটা সম্পর্কে যাবতীয় মাসয়ালা—🔴

১। নাভির নিচের লোম কাটার সীমানা কতটুকু?
২। স্বামী-স্ত্রী কেউ কারো লজ্জাস্থানের লোম কেটে দিতে পারবে?
‌৩। অন্ডকোষ ও পায়ুপথের চারপাশের লোমও কাটতে হবে?
৪। পুরুষ ও নারী কি কি ব্যবহার করে লজ্জাস্থানের লোম কাটতে পারবে?
৫। কত দিনের মধ্যে অবাঞ্ছিত লোম কাটতে হবে?

🔲 নাভির নিচের লোম কাটার সীমানা কতটুকু?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
পায়ের পাতার উপর ভর করে বসা অবস্থায়, নাভী থেকে চার পাঁচ আঙ্গুল পরিমাণ নীচে যে ভাঁজ বা রেখা সৃষ্টি হয়, সেখান থেকেই অবাঞ্ছিত লোমের সীমানা শুরু। ঐ ভাঁজ থেকে দুই উরু পর্যন্ত ডান বামের লোম, গোপনাঙ্গের চার পাশের লোম, অণ্ডকোষ থেকে মলদ্বার পর্যন্ত উদগত লোম এবং প্রয়োজনে মলদ্বারের আশ-পাশের লোম অবাঞ্ছিত লোমের অন্তর্ভুক্ত। (আল মাউসুয়াতুল ফিকহিয়্যা কুয়েতিয়্যা ৩/২১৬-২১৭, মরদূকে লেবাস আউর বালূঁকে শরয়ী আহকাম ৮১)

🔲 স্বামী তার স্ত্রী’র এবং স্ত্রী তার স্বামীর-
নাভির নিচের লোম কেটে দিতে পারবে?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
হ্যাঁ, স্বামী-স্ত্রী একে অপরের অবাঞ্চিত লোম কেটে দিতে পারবে।
তবে নিজ হাত দিয়ে অবাঞ্চিত লোম পরিস্কারের সামর্থ থাকা সত্বেও একে অপরের সাহায্য না নেওয়া উত্তম।

স্বামী স্ত্রীর মাঝেও লজ্জা শীলতা থাকা আবশ্যক। স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের মাঝে লজ্জা না থাকলে সংসারে সুখ হয় না।

যদিও স্বামী স্ত্রীর পরস্পরের লজ্জাস্থানের লোম পরিষ্কার করে দেওয়া জায়েয। তবে ইহা আদব তথা শিষ্টাচার পরিপন্থী কাজ।

ইবন কুদামা আল মাকদেসী (রহ.) বলেন,
وَيُبَاحُ لِكُلِّ وَاحِدٍ مِنْ الزَّوْجَيْنِ النَّظَرُ إلَى جَمِيعِ بَدَنِ صَاحِبِهِ ، وَلَمْسُهُ ، حَتَّى الْفَرْجِ … ؛ وَلِأَنَّ الْفَرْجَ يَحِلُّ لَهُ الِاسْتِمْتَاعُ بِهِ ، فَجَازَ النَّظَرُ إلَيْهِ وَلَمْسُهُ ، كَبَقِيَّةِ الْبَدَنِ
স্বামী-স্ত্রী একে অপরের সমস্ত দেহের দিকে তাকানো, স্পর্শ করা, এমনকি যৌনাঙ্গের ক্ষেত্রেও বৈধ। কেননা, যৌনাঙ্গে মিলন হালাল। সুতরাং শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মত তা দেখা ও স্পর্শ করাও জায়েয। (আল মুগনী ৭/৭৭)।

🔲 অন্ডকোষ ও মলদ্বারের-
চারপাশের লোমও কাটতে হবে?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
মুত্র থলির নিচে নিম্নাঙ্গের যে হাড্ডি থেকে- যেখানে তলপেটের নিচে উক্ত হাড্ডি বরাবর চামড়ার ওপর একটি ভাঁজ থাকে। (পেটের নীচে লজ্জাস্থানের উপরে ত্রিভুজ অঞ্চলের শুরুতে যে ভাঁজ থাকে) এখান থেকেই সাধারণত ঘন পশম গজানো শুরু হয়। উক্ত ভাঁজ থেকে নিয়ে লিঙ্গ, অণ্ডকোষ এবং মলদ্বার- এই তিন অঙ্গের আশপাশে এবং উরুর ওই অংশ, যা অণ্ডকোষদ্বয়ের কাছাকাছি থাকে এবং যা পশমের কারণে ময়লাযুক্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে পুরোটাই অবাঞ্ছিত পশম থেকে মুক্ত করতে হবে। [সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাদানিয়া : ৩/৪৮২]

পায়খানার রাস্তার আশেপাশের লোম কাটতে হবে।
যদি নাপাকি লেগে না থাকে, সন্দেহমুক্তভাবে পরিষ্কার রাখা সর্বদা সম্ভব হয়, তাহলে সমস্যা নেই।
তবে কেটে ফেলা উত্তম, কেটে ফেলবেন, এটা অধিকাংশ মত।(বিস্তারিত পরবর্তী পোস্টে আলোচনা করা হবে ইংশাআল্লাহ্)।

☞ আর নাভীর নিচের লোম, অন্ডকোষ, পায়ুপথ তথা শরীরের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার করতে যেয়ে একটা-দুইটা লোম থেকে গেলে কোন গোনাহ হবেনা। (আল মাউসুয়াতুল ফিকহিয়্যা কুয়েতিয়্যা ৩/২১৬-২১৭, মরদূকে লেবাস আউর বালূঁকে শরয়ী আহকাম ৮১)

🔲 পুরুষ ও নারী কি কি ব্যবহার করে-
নাভির নিচের লোম কাটতে পারবে?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
পুরুষের জন্য চেঁছে ফেলা এবং মহিলাদের জন্য উপড়িয়ে ফেলা মুস্তাহাব।—(কিতাবুল ফিকহ আ’লাল মাযাহিবিল আরবাআ’ ২/৪৫)

ব্লেড, ক্ষুর বা কাঁচি দ্বারা গোপনাঙ্গের লোম পরিস্কার করা পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্য জায়েয। অনুরূপভাবে হেয়ার রিমুভার জাতীয় ক্যামিক্যাল দ্বারা পরিস্কার করাতেও শরীয়তের কোন বাধা নেই। কেউ যদি কাঁচি দ্বারা ছোট করে রাখে, তাহলে জায়েয হবে, তবে উত্তম হবে না।

فإن أزال شعره بغير الحديد لا يكون على وجه السنة

যদি কেউ চেঁছে না ফেলে অন্য কোনভাবে পরিষ্কার করে তাহলে তা সুন্নাহ অনুযায়ী হবে না। (কিতাবুন নাওয়াযিল ১৫/৫৪৭)

❑ মেশিন দিয়ে লজ্জাস্থানের লোম কাটার মূলনীতি হলো—
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
☞ ছাটা না ক্লিন?
☞ লোম ক্লিন করা সুন্নাত।
☞ তাই মেসিন দিয়ে তো কাটা হয়/ছাটা হয়, ক্লিন হয় না।
☞ আর যদি একেবারে ন্যানো হয় তাহলে করা যেতে পারে।
তবে একবারে ক্লিন করাই উত্তম, সুন্নাহ।

▪️হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত—
وعن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((الفطرة خمس: الختان، والاستحداد، وقص الشارب، وتقليم الأظفار، ونتف الإبط)) متفق عليه.
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, ফিতরাত তথা স্বভাবগত সুন্নত পাচঁটি।
১) খৎনা করা। ২) খুর দ্বারা নাভীর নীচ পরিস্কার করা। ৩) মুছ কাট। ৪) নক কাটা। ৫) বগলের চুলকে উপড়িয়ে ফেলা। (মিশকাতুল মাসাবিহ-৪৪২০)

▪️মুল্লা আলী ক্বারী (রঃ) উক্ত হাদীসের ব্যখ্যায় লিখেন,
(والاستحداد) : أي حلق العانة، وهو استفعال من الحديد، وهو استعمال الحديد من نحو الموسى في حلق العانة ذي الشعر الذي حوالي ذكر الرجل وفرج المرأة. زاد ابن شريح: وحلقة الدبر، فجعل العانة منبت الشعر مطلقا، والمشهور الأول، فإن أزال شعره بغير الحديد لا يكون على وجه السنة. كذا في شرح المشارق، ويجب أن يعلم أنه لا يقطع شيئا من شعر وهو جنب.
ইস্তেহদাদ অর্থ হলো– নাভীর নীচ কে খুর ইত্যাদি দ্বারা পরিস্কার করা। পুরুষাঙ্গ ও যোনিপথের আশপাশের সবকিছুকে খুর দ্বারা পরিস্কার করতে হবে।
ইবনে শুরাইহ বলেন, মলমূত্রত্যাগের স্থানকেও খুর দ্বারা পরিস্কার করতে হবে। উনি নাভীর নীচের সকল চুলকে তাতে শামিল রাখেন তা যেখানেই হোকনা কেন। তবে প্রথম মতটাই অধিক প্রসিদ্ধ। যদি কেউ খুর ব্যতীত অন্য কিছু দ্বারা নাভীর চুলকে পরিস্কার করে, তাহলে সেটা সুন্নত অনুযায়ী হবে না।(শরহে মাশারিক্ব) সবার জানা থাকা উচিৎ যে, জুনুবী অবস্থায় নাভীর চুলকে কাটা যাবে না।

🔲 কত দিনের মধ্যে অবাঞ্ছিত লোম কাটতে হবে?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
অবাঞ্ছিত লোম, নখ ইত্যাদি সপ্তাহে একবার কাটা সুন্নত। কমপক্ষে ৪০ দিনের ভিতরে একবার হলেও কাটতে হবে বিনা ওজরে চল্লিশ দিন পর কাটা মাকরূহ তাহরীমি বা গোনাহর কাজ। এ মর্মে সাহাবী আনাস (রাযি.) বলেন,

وُقِّتَ لَنَا فِي قَصِّ الشَّارِبِ، وَتَقْلِيمِ الأَظْفَارِ، وَنَتْفِ الإِبِطِ، وَحَلْقِ الْعَانَةِ، أَنْ لاَ نَتْرُكَ أَكْثَرَ مِنْ أَرْبَعِينَ يَوْماً

অর্থাৎ, গোঁফ ছোট রাখা , নখ কাঁটা, বগলের লোম উপড়িয়ে ফেলা এবং নাভীর নিচের লোম চেঁছে ফেলার জন্যে আমাদেরকে সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল যেন, আমরা তা করতে চল্লিশ দিনের অধিক দেরী না করি। (মুসলিম ২৫৮)

সন্তান বড় হলে স্বামী-স্ত্রী কিভাবে যৌন চাহিদা পূরণ করবে :স্বামী-স্ত্রীর বৈধ সম্পর্ক। হায়া-লজ্জাশীলতা। শালীনতাপূর্ণ পারি...
26/04/2026

সন্তান বড় হলে স্বামী-স্ত্রী কিভাবে যৌন চাহিদা পূরণ করবে :

স্বামী-স্ত্রীর বৈধ সম্পর্ক। হায়া-লজ্জাশীলতা। শালীনতাপূর্ণ পারিবারিক পরিবেশ রক্ষা করা—এই তিনটি ভিত্তির উপরই আদর্শিক পারিবারিক জীবন কাঠামো দাঁড়িয়ে আছে।

১. স্বামী-স্ত্রীর যৌন চাহিদা পূরণ করাও ইসলামের বৈধ ও স্বাভাবিক বিষয়গুলির অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় :

ইসলামে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যৌন সম্পর্ককে ইবাদতের অংশ হিসেবেও গণ্য করা হয়, যদি তা হালাল পদ্ধতিতে হয়। রাসূল (সঃ) বলেছেন, স্বামী-স্ত্রীর মিলনেও সওয়াব রয়েছে—কারণ তারা হারাম থেকে বেঁচে হালাল পথে চাহিদা পূরণ করে। তাই সন্তান বড় হয়ে গেলেও স্বামী-স্ত্রীর এই সম্পর্ক বন্ধ বা লজ্জার কিছু নয়, বরং এটি বৈধ ও প্রয়োজনীয়।

২. সন্তানের উপস্থিতিতে গোপনীয়তা রক্ষা :

ইসলাম এখানে খুব স্পষ্টভাবে শালীনতা ও গোপনীয়তার নিয়ম দিয়েছে। যেমন, আলাদা ঘুমানোর ব্যবস্থা করা।

কুরআনে বর্ণিত সূরা আন-নূরের দিকনির্দেশনা হলো, শিশুদের নির্দিষ্ট সময়ে (ভোরে, দুপুরে, রাতে) বাবা-মায়ের কক্ষে প্রবেশের আগে অনুমতি নিতে শেখাতে হবে। সন্তান বড় হলে তাদের আলাদা রুম-বিছানার ব্যবস্থা করা জরুরি। বাবা-মায়ের ব্যক্তিগত সময় নিশ্চিত করা প্রয়োজন। নিজেদের রুমের দরজা বন্ধ রাখা। স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত মুহূর্তে তাদের রুমের দরজা বন্ধ রাখা সুন্নাহসম্মত শালীন আচরণের অন্তর্ভুক্ত। সন্তান যেন কিছু না দেখে বা বুঝতে না পারে—এটা খুবই লক্ষণীয় ও গুরুত্বপূর্ণ।

৩. লজ্জাশীলতা (হায়া) বজায় রাখা:

ইসলামে হায়া (লজ্জাবোধ) খুব গুরুত্বপূর্ণ।
তাই সন্তানদের সামনে অশালীন আচরণ, ঘনিষ্ঠতা প্রকাশ করা উচিত নয়
দাম্পত্য সম্পর্ক সম্পূর্ণ গোপনীয় ও মর্যাদাপূর্ণভাবে রাখতে হবে

৪. সময় ও পরিস্থিতি নির্বাচন:

যখন সন্তান ঘুমিয়ে থাকে বা বাইরে থাকে—তখন ব্যক্তিগত সময় নেওয়া উত্তম
রাতের সময় সাধারণত সবচেয়ে উপযুক্ত

৫. সন্তানদের শিক্ষা দেওয়া :

সন্তান বড় হলে তাদের ইসলামিক আদব শেখানো জরুরি (নক করা, অনুমতি নেওয়া)
কিন্তু দাম্পত্য বিষয় বিস্তারিত বলা নয়—বরং শালীনতা শেখানো

৬. সন্তানদের সামনে স্বামী-স্ত্রী যৌন আচরণ প্রকাশ করে এমন পরিবেশ তৈরি করা যাতে তারা অশ্লীল কিছু দেখে বা শোনে, তা থেকে বেঁচে থাকতেও ইসলাম নিষেধ করেছে। এত অবশ্যই গোপনীয়তা অবলম্বন করতে হবে। যেন ছেলে সন্তানরা বেহায়া নির্লজ্জ হয়ে না পড়ে। হাদিস শরীফে রাসুলে কারীম (সঃ) বলেন,
الحياء شعبة من الإيمان
লজ্জা শরম ঈমানের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা।

সারসংক্ষেপ :

স্বামী-স্ত্রীর যৌন চাহিদা পূরণ ইসলামে বৈধ ও প্রয়োজনীয়। সন্তানদের উপস্থিতিতে গোপনীয়তা ও শালীনতা বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। আলাদা ঘুমানো, দরজা বন্ধ রাখা, উপযুক্ত সময় নির্বাচন করা—এসবই ইসলামের নির্দেশনার অংশ!

15/04/2026

রিব'ঈ ইবনে হিরাশ তাবেয়ী।
তিনি মৃত্যুর পরেও কথা বলেছেন।
তাকে গোসল দেয়া হচ্ছিলো আর তিনি মুচকি হাসছিলেন। তিনি কুফার অধিবাসী ছিলেন।

15/04/2026

আলী রা. সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহন করেছেন।

এই মত সালমান, আবু যার, মিকদাদ, খাব্বাব, জাবির, আবু সাইদ খুদরী ও যাইদ ইবনু আরকাম রা. এর। এটা ইবনু শিহাব যুহরী, কাতাদাহ ও অন্যান্যদেরও মত। ইমাম ইবনু আব্দিল বার তা বলেছেন।

Address

Rangpur

Telephone

+8801786888809

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ilman Nafia/عِلْمًا نَافِعًا posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Ilman Nafia/عِلْمًا نَافِعًا:

Share