অনুভূতি

অনুভূতি JOIN MY GROUP NOW 👇👇👇
https://abzthing.com/h3Qjqi/

29/12/2016

জিপির আকর্ষনীয় অফারগুলো দেখে নিন :
#আপনারা আশা করি এর মধ্যে থেকে অনেক
অফারনিতে পারবেন।
#তবে অফারগুলো কিন্তু সবার জন্য নয়।
#যাই হোক কোডগুলো নোট করে নিন…
9 টাকা ৭ দিন=
*121*19 #
33 টাকা ৫ দিন=
*5000*169 #
50 টাকা ৫ দিন
*121*3051 #
7.31 টাকা ৭ দিন
*5000*75 #
30 টাকা ৭ দিন
*5000*235 #
129 টাকা ৭ দিন
*5000*101 #
35 টাকা ৭ দিন [2am_12pm]
*5000*122 #
49 টাকা ৭ দিন[12am_10am]
*5000*105 #
26 টাকা ২ দিন
*5000*110 #
16 টাকা ২ দিন
*5000*214 #
5 টাকা *111*90 #
40.20 টাকা ৩ দিন
*5000*171 #
#50 MB ফ্রী
*5000*213 #
#20 MB ফ্রী
*5000*168 # or *5000*160 #
পরবর্তী অফার জানতে পেজে লাইক দিয়ে এক্টিভ থাকুন ।

28/12/2016

ছেলে এবং মেয়ে উভয়কেই পড়ার অনুরোধ
রইলো| বাচ্চা নষ্ট করার সব পদ্ধতিতেই এক
ধরনের লম্বা নল জরায়ুতে ঢুকিয়ে গর্ভের
শিশুটিকে প্রথমে ক্ষতবিক্ষত করা হয়|পরে
ভ্যাকুয়াম সাকারের মাধ্যমে শিশুটিকে
শুষে আনা হয়|গর্ভপাতের সময়কার শিশুটির
অব্যক্ত বেদনা কারো কানে পৌছে না|
মানুষ নামের নরপশুর নির্মমতায় একটি
নিষ্পাপ শিশু মৃত মাংসপিন্ডে পরিনত হয়|
যেসব মা ক্ষনিকের সুখের জন্য নিজ গর্ভের
সন্তানকে পাশবিকভাবে হত্যা করে
তাদের জন্য হৃদয় উগড়ে দেয়া সীমাহীন ঘৃনা|
Abortion জিনিসটা কি? নিচে একটু পড়ে
দেখুন হৃদয়হীন মানুষের হৃদয়েও কম্পনের সৃষ্টি
হবে|লেখাটা লিখতে গিয়ে যে কতবার
হাত কেপেছে...প্রথম মাস**হ্যালো মা!
কেমন আছো তুমি?জানো আমি এখন মাত্ত
৩-৪ ইঞ্চি লম্বা!কিন্তু হাত পা সবই আছে
আমার তোমার কথা শুনতে পাই,ভালো
লাগে শুনতে|দ্বিতীয় মাস**মা আমি
হাতের বুড়ো আঙ্গুল চুষা শিখেছি,তুমি
আমাকে দেখলে এখন বেবি বলবে বাইরে
আসার সময় এখনো হয়নি আমার,এখানেই উষ্ণ
অনুভব করি খুব|তৃতীয় মাস**মা তুমি কা
জানো আমি যে একটা মেয়ে?পরী পরী
লাগবে আমাকে?আমাকে দেখলে তুমি খুব
খুশি হবে,তুমি মাঝে মাঝে কাদো কেনো
মা?তুমি কাদলে আমারও কান্না পায়...চতুর্থ
মাস**আমার ছোট্ট ছোট্ট চুল গজিয়েছে মা
আমি হাত পা ভালো ভাবে নারাতে
পারি, মাথা নারাতে পারি, অনেক কিছু
করতে পারি। পঞ্চম মাসঃমা তুমি doctor এর
কাছে কেন গেছি লে,?কি বলেছে doctor?
আমি তার কথা শুনতে পাই না।তোমার কথা
ছারা অামি কারো কথা শুনি না।ষষ্ট
মাস,মা অামি খুব ব্যাথা পাচ্ছি doctor
সুচের মতো কি যেন অামার শরিরে
ডুকাচ্ছে,ওদের থামতে বলো মা।অামি
তোমাকে ছেড়ে কোথাও যাব না....৭ম
মাস,মা কেমন অাছো অামি এখন স্বগে
অাছি ১ টা angel অামাকে নিয়ে এসেছে
angel বলেছে তোমাকে এবোসন করতে
হয়েছে তুমি অামাকে কেন চাওনি মা?
অামি কি এতটাই খারাপ।

28/12/2016

"যার জন্য কান্না আসে না'
তার প্রতি কখনও ভালোবাসা জন্ম হয় না" ................ মামুন

28/12/2016

ডাকিণী (৩য় পর্ব)
লিখেছেনঃ সানজিদা সুলতানা সুমা
(গল্পটিতে কিছু কিছু ১৮+ কন্টেন্ট আছে। তাই ছোটরা গল্পটি না পড়লেই ভালো।)
প্রথম পর্বের লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/groups/1741378936131669/permalink/1819819888287573/
দ্বিতীয় পর্বের লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/groups/1741378936131669/permalink/1819858308283731/
(দ্বিতীয় পর্বের পর থেকে)
পরদিন ঘড়ির আলার্ম শুনে ঘুম ভাঙ্গলো। নিজেকে বাথরুমের ফ্লোরে আবিষ্কার করলাম। মাথাটা খানিকটা কেটে গিয়ে রক্ত বেরিয়ে জমাট বেধে আছে। টলমল পায়ে উঠে ভয়ে ভয়ে আয়নার দিকে তাকালাম। এবার সবকিছু ঠিকঠাক। প্রতিবিম্বে আমিই আছি। বাথরুম থেকে বেরিয়ে নাস্তা সেরে অফিসে গেলাম। অফিসের সহকর্মীদের কপালের আঘাতের ব্যাপারে কিছুই বললাম নাহ। শুধু বললাম পড়ে গিয়ে ব্যাথা পেয়েছি। ওরা নিজনিজ কাজেই ব্যস্ত হয়ে গেল। সেদিন অফিস শেষে বাড়ি ফিরে কাপড় চোপড় গোছগাছ করতে শুরু করে দিলাম। আমি আর এ কটেজে থাকব নাহ। আর যাওয়ার আগে আলেসের ডাইরিটাকে পুড়িয়ে দিয়ে যাব। হয়তো এটাই ওর মুক্তির শেষ পথ। আমার ক্লজিটের সকল কাপড় লাগেজে পুরে নিলাম। তারপর লাইব্রেরিতে গেলাম আলেসের ডাইরিটা নিতে। লাইব্রেরীতে ঢুকা মাত্র লাইব্রেরীর দরজা বন্ধ হয়ে গেল। আমি সভয়ে দরজা ধাক্কাতে শুরু করলাম। কিছুক্ষণ পরেই দরজার ঠিক ওপাশ থেকে এক আর্তচিৎকার ভেসে এলো। এবার আমি ভয়ে কাঠ হয়ে গেলাম। তারপর সারা বাড়িতে যেন প্রলয় শুরু হল। জিনিসপত্র ভাঙ্গার আওয়াজ, কান্নার বিলাপ, দেয়ালে আঁচড় কাটা, আরো বিভিন্ন রকমের শব্দ। এক সময় আমি অসহ্য হয়ে চিৎকার করে বললাম, "আলেস, তুমি কি আমায় মেরে ফেলতে চাও? " খানিক পরেই দরজায় লেখা উঠলো, "নাহ, চলে যেও নাহ। আমায় সাহায্য কর বন্ধু। " অতঃপর দরজা খুলে গেল। আমি দৌড়ে আমার রুমে গেলাম। যেভাবে ভাঙ্গচুরের শব্দ শুনেছিলাম তাতে অনুমান করেছি আমার রুমের কিছুই অবশিষ্ট নেই। কিন্তু রুমে ঢুকে দেখলাম সবকিছুই স্বাভাবিক ও সাজানো গোছানো। তারপর বিছানায় বসে কাঁদতে লাগলাম। আমি জানিনা আলেস কে। ওর উপর হওয়া নির্যাতন আমাকে ব্যথিত করে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে আমি আমার কটেজে একটা অশরীরীর উপস্থিতি মেনে নেব। একটা সময় কাঁদতে কাঁদতেই ঘুমিয়ে পড়লাম। রাতে একটা অদ্ভুত স্বপ্ন দেখলাম। আয়নায় দেখা বিম্বের সেই মেয়েটি আমার পায়ের কাছে পড়ে কাঁদছে। তার মুখ কালো কাপড়ে বাধা। সে কিছু বলতে চাইছে, কিন্তু মুখে কাপড় থাকার কারণে পারছে নাহ।এক সময় সে তার কটিবস্ত্রের মধ্য থেকে সেই বাইবেলটা বের করে আমার হাতে ধরিয়ে দিল। তারপর ঘুরে চলে গেল। মাঝরাতে স্বপ্নটা দেখে আমার ঘুম ভেঙ্গে গেল। ঘুম থেকে উঠে দুগ্লাস পানি খেলাম। তারপর ফ্রিজ থেকে দুটুকরো স্যান্ডুইচ খেয়ে রওনা হলাম লাইব্রেরী পানে। রহস্যের সব জট এখন ঐ বাইবেলের দিকে ইঙ্গিত করছে যাতে লেখা আছে আলেসের ডায়ারী। লাইব্রেরীতে গিয়ে ওটা বের করে আবার আলেসের লেখা পড়তে শুরু করলাম।
"আজ সকালে রক্ষীরা আমাদের খাবারের সাথে সাথে মার্টিনীর জন্যে দুই প্রস্থ কাপড়ও দিয়ে গেল। ও যখন কাপড় পরছিল তখন আমার হৃদয়ে হতাশা মোচড় দিয়ে উঠলো! ওর নিজের কাপড় আছে। এখন থেকে ও হয়তো আমার কোলে ঘুমুতে চাইবে নাহ। কিন্তু পরক্ষণে সে হতাশা উবে গেল। নীল কাপড়ে ওকে রাজকুমারীর মত লাগছে। আমি ওর উপর থেকে চোখ ফিরাতে পারছিলাম নাহ। ব্যাপারটা ওর নজর এড়ালো নাহ। ও মৃদু হেসে জিজ্ঞাস করলো কেমন লাগছে ওকে। আমি শুধু একটা কথাই বলতে পারলাম, অসাধারণ। ও আমাকে অবাক করে দিয়ে আজ রাতে আমার কোলেই শুয়ে পড়লো! তবে কি সেও আমাকে ভালবাসে? নাকি এটা নিছক একত্রে ভাল থাকার অভিনয়। মেয়েটা ঘুমিয়ে আছে ঠিকই কিন্তু ও দ্রুত শ্বাস নিচ্ছে। আমার বুকে ও বারবার মুখ ঘসছে। মনে হচ্ছে যেন ভালবাসার শেষ আশ্রয় খুঁজছে। "
এই পৃষ্ঠাটা পড়তে পড়তে আমি লজ্জায় লাল হয়ে উঠলাম। এই মেয়ে দুটো প্রমাণ করে গেছে, ভালবাসা স্থান, কাল, উঁচু নীচু, জাত ভেদ, বর্ণ লীঙ্গ ভেদাভেদ মানে নাহ। ভালবাসা ভালবাসাই। পৃষ্ঠা উল্টে পরের পাতায় গেলাম।
" কাল এক স্বপ্নময় রাত কাটিয়েছি আমি আর মার্টিনী। ওকে এভাবে কাছে পাবো কখনোই কল্পনা করিনি। এই মেয়েটা শুধু দেখতেই সুন্দরি না, বিছানায়ও অসাধারণ। ঈশ্বরের অমায়িক সৃষ্টি। হে স্রষ্টা আমায় ক্ষমা কর । আমার হেন পাপ মোচন কর। কিন্তু আমার পাপের শাস্তি তুমি মার্টিনীকে দিওনা কভু। দরকার হলে ওর মৃত্যুদ্যুতকে আমার কাছে পাঠিয়ে দাও তবুও ওকে এই নরক থেকে উদ্ধার কর প্রভু। আমেন।"
তার পরদিন ও লিখেছে,
"আজ ধরে আনার ৭ দিন পর ওরা আমাকে আর মার্টিনীকে একটা ছোট্ট পুকুরে নিয়ে যায় গোসল করাতে। যাহোক ওরা একদম নির্দয় নয়। পুকুরের উষ্ম প্রস্রবণে গা ডুবিয়ে দিতেই চাবুকের ক্ষতগুলিতে অসহ্য জ্বালাপোড়া শুরু হয়েছিল। কিন্তু মনটা এক অদ্ভুত প্রশান্তিতে ভরে গিয়েছিল। আমি আর মার্টিনী জল ছিটানোর খেলায় মেতে উঠলাম। কিন্তু বেরসিক রক্ষীদের তা পছন্দ হল নাহ। একটা নেতা গোছের রক্ষী এসে আমার আর মার্টিনীর দিকে পাথর ছুড়ে মারতে লাগল। আমি নীচু হয়ে যাওয়ায় পাথরের আঘাত থেকে রক্ষা পেলাম কিন্তু বেচারি মার্টিনীর আহত মাথায় আবারো একটা পাথরের আঘাত লাগল! আমি আর সহ্য করতে পারলাম না। এরা আমার সামনে আমার প্রিয়াকে আঘাত করতে পারে নাহ। আমি ওদের চিৎকার করে অভিশাপ দিলাম যেন সে শীঘ্রই নরকে প্রবেশ করে। আমার অভিশাপ শুনে ঐ রক্ষী সভয়ে পিছিয়ে গেল। ওরা আমাকে ডাইনি ভাবে। তাই আমার অভিশাপকে ভয় পেয়েছে। নিজেকে একটু হলেও ক্ষমতাবান মনে হল। মার্টিনীকে আর আমাকে আবার সেলে ঢুকিয়ে দেওয়া হল। প্রভু তোমায় অসংখ্য ধন্যবাদ। আজকের এই চমৎকার দিনের জন্যে। "
এই পৃষ্ঠা পড়া শেষ হওয়ার সাথে সাথেই আবার লাইব্রেরীর দরজা সশব্দে বন্ধ হল। আর ধুলোর মধ্যে লেখা ফুটলো, আলেস+মার্টিনী। এই প্রথম আমি আলেসের ডায়রি পড়ে হাসলাম। মেয়ে দুটো এত্তসবের মাঝেও প্রেমে পড়েছিল আর জেলখানায় চুটিয়ে প্রেম করছিল। বন্ধ দরজার ওপাশ থেকে তখনই খিলখিল হাসির শব্দ ভেসে এলো। আমিও সে হাসিতে যোগ দিলাম। আলেসের প্রতি আমার ভয় ভীতি সবকিছুই কেটে গেল। নিঃসঙ্গ কর্টেজে এমন একজন সঙ্গিনী পাওয়া মন্দ কি? হোক না সে অশরীরী।
(চলবে)

27/12/2016

ডাকিনী -২

(প্রথম পর্বের পর থেকে)
"আজ হঠাৎ করে আমার সেলের দরজা খুলে, আমার সমবয়সী এক নগ্ন মেয়েকে ছুড়ে ভেতরে ফেলা হল। রক্ষীরা চেঁচিয়ে বলল, "দুই ডাকিণী একসাথে মর।" ওরা যতবারই আমাকে ডাকিণী বলেছে আমি উচ্চস্বরে প্রতিবাদ করেছি। কিন্তু এবার আমি নবাগত মেয়েটিকে দেখে খানিকটা আভিভূত হয়ে গিয়েছিলাম। মেয়েটা এক কোথায় অপরূপা সুন্দরী। মুখের ছলে যাওয়া চাবুকের দাগ কিংবা সারা শরীরের নির্যাতনের চিহ্ন তার সৌন্দর্য্যকে এতটুকু ম্লান করতে পারেনি। ও বার দুয়েক মাথা তুলার চেষ্টা করতেই জ্ঞান হারালো। আমি ওর কাছে যেয়ে ওকে দেখতে লাগলাম। ওর অবস্থা আমার থেকেও খারাপ। ওর মাথার পেছনে বড় একটা ক্ষত যা থেকে তখনো রক্ত বেরুচ্ছিল। আমি আমার কোটিবন্ধনী দিয়ে ওর মাথায় ব্যান্ডেজ করে দিলাম। এই শীতে অসুস্থ মেয়েটাকে ধুকেধুকে মরতে দেখে আমার হৃদয়টা মোচড় দিয়ে উঠলো। চাবুকের অসংখ্য আঘাতে আমার নিজের কাপড়ই ছিড়ে একাকার। তবুও যতটা সম্ভব ওকে আমার কোলে জড়িয়ে রেখে গরম রাখার চেষ্টা করলাম। দেয়ালে টাঙ্গানো একটা মশাল এনে ওর পাশে পুঁতে দিলাম। ওকে কোলে নিয়েই এখন লেখতেছি। মশালের আলোয় ওকে আরো অপূর্ব লাগছে। আমাকে ক্ষমা কর ঈশ্বর। আমি তোমার এই অপরূপ সৃষ্টির প্রেমে পড়ে গেছি। "
এই পৃষ্ঠা পড়ে বুঝলাম আলেস এক নারী সমকামী ছিল। ওই মেয়েটার সহচর্য এই নিদারুণ বন্দিত্বেও ওর হৃদয়ে প্রেমের জোয়ার তোলেছিল। অথবা হয়তো ও সমকামী ছিলনা কিন্তু পরিস্থিতি ওর মনে খানিকের মোহের সৃষ্টি করে। কিন্তু নতুন মেয়েটার নাম কি ছিল? প্রশ্নটা আমার মাথায় আসতেই লাইব্রেরীর দরিজা সশব্দে বন্ধ হয়ে গেল। ধুলি মাখা দরজার কপাটে আলেসের সুস্পষ্ট হস্থাক্ষরে একটা নাম ফুটে উঠলো, "মার্টিনী।" ক্ষানিক পরেই তা আবার ধুলায় মিলিয়ে গেল। এবার প্রকৃত ব্যাপারটা বুঝতে পারলাম। আলেস মরে গিয়ে আমার কর্টেজে আটকে পড়েছে। আজ এই লাইব্রেরীতে ও আমার সাথে আছে। কিন্তু আমি ওকে দেখতে পারছি নাহ। এটা ভাবতেই আমার ঘাড়ের সবকটি লোম দাড়িয়ে গেল! প্রচন্ড ভাবে ঘামতে শুরু করলাম। ঠিক তখনই বদ্ধ ঘরে কোথা থেকে একটা দমকা হাওয়া এসে বাইবেলের পৃষ্ঠা উল্টে আলেসের লেখা পরবর্তী পৃষ্টায় নিয়ে গেল। বুঝলাম আলেস চাইছে যেন আমি ওর লেখা পড়ি। আমার মনে হলো ও দরজা আটকে আমার পালানোর সব পথ বন্ধ করে দিয়েছে। এখন যদি আমি ওর ইঙ্গিত না শুনি তবে এই বদ্ধ লাইব্রেরীতে ও হয়তো আমাকে মেরে ফেলবে। ভয়ে ভয়ে দরজার দিকে তাকালাম। দরজায় আবার লেখা উঠলো, "সাহায্য কর বন্ধু। " তারপর আস্তে করে দরজাটা খুলে গেল। দরজা খুলে যাওয়ায় আমার মনে কিছুটা সাহস ফিরে আসলো। আলেস আমাকে বন্ধু বলে সম্বোধকরেছে! ওর সাহায্যের প্রয়োজন। কিন্তু কেন? শেষ মেষ কি হয়েছিল ওর ভাগ্যে। এসব কৌতুহল আমাকে ওর পরবর্তী পৃষ্ঠা পড়তে বাধ্য করল। সেখানে লেখা ছিল,
"আজ সকালে আমার কোলেই মেয়েটার জ্ঞান ফিরলো। আমি ওকে শুভ সকাল জানালাম। কিন্তু ও ভাবলেশহীন চোখে আমার দিকে তাকিয়ে থাকলো। তন্মধ্যে রক্ষীরা চলে আসলো। আমাকে এখানে নিয়ে আসার তৃতীয় দিনের মাথায় ওরা প্রথম আমাকে খাবার দিলে। খাবার বলতে ছিল চার টুকরো বাসী পঁচা রুটি আর এক মশক পানি। আমি দুটুকরো রুটি ঐ মেয়েটাকে দিয়ে দিলাম। ও বুভুক্ষুর মত গোগ্রাসে গিললো। খাবার শেষে পানিটুকু আমরা দুজন ভাগ করে খেলাম। স্রষ্টাকে অসংখ্য ধন্যবাদ উনি অভুক্তদের খেতে দিয়েছেন, তৃজ্ঞার্তদের পান করিয়েছেন। আমি এবার মেয়েটার কাছে গিয়ে ওর মাথার ক্ষতটা দেখলাম। সারতে অনেক দেরি হবে মনে হচ্ছে। তবে সেরে যাবে। খেয়াল করলাম ওর নগ্ন দেহে ঠান্ডায় কাঁপুনি ধরে গেছে। সারারাত জ্বলতে জ্বলতে মশালটাও নিভে গেছে। ও ঠান্ডায় মারা যেতে বসেছে। ওকে আবার আমার কোলে নিয়ে আসলাম। প্রথমে বাধা দিলেও এক সময় ও বাধ্য হয়েই এসে আমার কোলে বসল। আমার ছেড়া কাপড়টুকু আমি আমাদের দুজনের দেহের উপর টেনে দিলাম। ও আমার বুকে মাথা গুজঁলো। ও খানিকটা স্থির হলে আমি ওর সাথে কথা বলতে শুরু করিলাম। ও জানালো তার নাম মার্টিনী গুয়েন্থার। ও নিমেসুয়েরার পাহাড়ি গ্রামে থাকতো। ওর বাবা একজন ভেষজ চিকিৎসক। ওর বাবাকে স্থানীয় গীর্জার প্রিস্ট খুন করে। তার অপরাধ ছিলো সে একজন পানিতে ডুবা ছেলেকে বাঁচিয়ে তুলেছিল। ছেলেটার শ্বাস প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তবুও ওর বাবা ছেলেটাকে বুকে হাত দিয়ে চেপে বাঁচিয়ে ফেলে। প্রিস্টের মতে ছেলেটা মারা গিয়েছিল। কিন্তু ওর বাবা ছেলেটিকে মৃত্যুর ওপার থেকে কালোজাদুর মাধ্যমে ফিরিয়ে এনেছে। এর অপরাধে প্রিস্ট ছেলেটি ও মার্টিনীর বাবাকে শুলে চড়ায়। মার্টিনীকে ডাইনি আখ্যায়িত করে একরাত উলঙ্গ করে বরফে বেধে রাখে। পরদিন ওকে এখানে নিয়ে এসে ...... মার্টিনী আর বলতে পারছিলো না। ও ফোঁপিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়লো। বুঝে গেলাম প্রিস্ট ওকে সারাদিন ভোগ করে রাতে আমার সেলে ছুড়ে ফেলেছিলো। আমি মার্টিনীকে আরো শক্ত করে আমার বুকে জড়িয়ে ধরলাম। কিছুক্ষণ পর ও ঘুমিয়ে পড়লো। আমি ওকে কোলে নিয়েই আবার লিখতে শুরু করলাম। "

পৃষ্ঠাটা উল্টাতে গিয়ে খেয়াল হল ওটার অর্ধেকটা আমার চোখের পানিতে ভিজে গেছে। মনের মধ্যে ওসব ধর্ম ব্যাবসায়ী প্রিস্ট বাপিস্টদের প্রতি তীব্র ঘৃনা অনুভব করলাম। তখনই বেডরুমে আমার ফোনটা বেজে উঠে। লাইব্রেরী থেকে বেরিয়ে আমার রুমে ঢুকে ফোন ধরলাম। আম্মু ফোন দিয়েছে। আবার আম্মু আমাকে কাঁদতে দেখে ফেলল। জিজ্ঞাস করল আমার বাগদত্তার সাথে কোন সমস্যা হয়েছে কি নাহ। আম্মুকে উল্টাপাল্টা বলে আমি প্রসঙ্গটা এড়িয়ে গেলাম। আম্মুর সাথে কথা শেষে চোখমুখ ধুতে বাথরুমে ঢুকলাম। বেসিনে নীচু হয়ে মুখে পানির ঝাপটা দিয়ে যখন মাথা তুললাম তখন আয়নায় আমার প্রতিবিম্ব ছিলো নাহ। ওটা অন্য একটা মেয়ে ছিলো। আমার অনুভব করলাম এটাই আলেস। আয়নার ওপাশ থেকে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আর সহ্য করতে পারলাম নাহ। চিৎকার করে বাথরুমে জ্ঞান হারিয়ে পড়ে গেলাম।
(চলবে)
দ্রষ্টব্যঃ
লেখিকা বলেছেনঃ আসলে উপন্যাসটিতে সমকামিতা আনতে চাইনি। কিন্তু আমি চাইছিলাম একটা টোটাল উপন্যাস যাতে একসাথে ভয় রোমাঞ্চ প্রেম ভালবাসা থাকবে। প্রথমে ভেবেছিলাম আলেসের সাথে একটা রক্ষীর প্রেম ঘটাবো। কিন্তু সেটা অতিরঞ্জন হয়ে যাবে। সবাই জানে মধ্যযুগীয় রক্ষীরা ভালবাসা বিবর্জিত খুনে লুটেরা টাইপের। তারপর চাইলাম আলেসের সাথে অন্য এক পুরুষ বন্দির প্রেম ঘটাবো। কিন্তু মধ্যযুগে ডাকিনীদের পুরুষ বন্দিদের থেকে আলাদা রাখা হত। তাই সেটাও অসম্ভব। শেষে বাধ্য হয়েই মার্টিনীকে আনতে হয়েছে।

27/12/2016

ডাকিণী (১ম পর্ব)
লিখেছেনঃ সানজিদা সুলতানা সুমা
(গল্পটিতে কিছু কিছু ১৮+ কন্টেন্ট আছে। তাই ছোটরা গল্পটি না পড়লেই ভালো।)
আজ আমার নতুন কর্টেজ কিনলাম। ফার্মাসিউটিক্যালস এ নতুন চাকুরী পেয়ে যেন কপাল হঠাৎ খুলে গেছে আমার। পাঁচ মাসের বেতন জমিয়ে কিনে ফেললাম এই কর্টেজটা। বিশাল কর্টেজ। সে তুলনায় প্রায় পানির দামে কিনেছি। ৭০ হাজার ইউরোতে এই বিশাল কর্টেজটা শুধু কপালগুণেই জুটতে পারে। কর্টেজটা আমি পোলিশ সরকারের কাছ থেকে নিলামে কিনেছি। এটা আগে একটা গীর্জা ছিল। সারাটা দিন পুরো কর্টেজ ঘুরে ফিরে দেখলাম। ওনেক পুরাতন বাড়িতেই ভুগর্ভস্থ কুঠুরি থাকে, কিন্তু আমার কর্টেজের ভুগর্ভস্থ কুঠরি বেশ ভিন্ন ধরনের। এক সারিতে পাঁচটা ঘর সবগুলিতেই ধাতব শিখ দিয়ে ঘেরা। কেমন যেন জেলখানা জেলখানা ভাব। উপরে একটা বিশাল লাইব্রেরি পুরাতন বই পুস্তকে ঠাসা। লাইব্রেরীতে কয়েকটা বই ঘাটতেই একটা পুরাতন বাইবেল আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করলো। মনে হল বাইবেলটা যেন টেনে আমার হাতটা তার উপর নিয়ে গেল। বাইবেলটার প্রথম পাতা উল্টাতেই একটা জিনিস লক্ষ্য করলাম। বাইবেলের প্রতিটা পাতার একপিঠে ছাপা আর অপর পিঠে কাঠ কয়লায় ছোট ছোট মেয়েলী হস্থাক্ষরে পোলিশ ভাষায় লেখায়। ধর্মকর্মে আমার এতটুকু আগ্রহ নেই তাই বাইবেল বাদ দিয়ে উল্টোপিঠের লেখাগুলি পড়তে শুরু করলাম। লেখার উপরে শিরোনাম ছিল ডাকিণী। প্রথম পাতার সরল বঙ্গানুবাদ হবে অনেকটা এরকম,
"আমি এক হতভাগী। নাম আলেস ভন্টেইজিয়ান। আমাকে ওরা ডাকিণীবিদ্যা চর্চার অপরাধে এখানে ধরে এনেছে। আমার বাবার একটা সরাইখানা ছিল। মা অনেক আগেই মারা গেছেন। গত সপ্তাহে বাবাও মারা যান। বাবার মৃত্যু পর আমিই সরাইখানার মালিক হই ও তাকে হারানোর শোক ভুলে কাজে মন দেই। সব কিছুই স্বাভাবিক হয়ে আসছিলো। কিন্তু বিপত্তিটা ঘটে দুদিন আগে। আমার সরাইখানায় একজন অতীথি মারা যায়। আমার যতটুকু বিশ্বাস লোকটা অতিরিক্ত মদ গিলে অক্কা পেয়েছে। কিন্তু কারা যেন গুজব ছড়িয়ে দেয় আমি নাকি ডাকিণী। আমি বুঝি ডাকিণীবিদ্যা প্রয়োগ করে আমার বাবা আর ওই অতীথিকে খুন করেছি। অতপর গীর্জা থেকে প্রিস্টের নির্দেশে আমাকে এখানে বন্দি করে আনা হল। সরাইখানাটা গীর্জার সম্পত্তি হিসাবে দখল করে নেওয়া হল। ডাকিণীবিদ্যার কিছুই জানিনা আমি। তবুও ওরা আমাকে কষে চাবুক মারল। কতবার আমি ওদের বললাম আমি ডাকিণী নই, আমি আলেস, তোমরা সবাই আমাকে চেন, আমি প্রতি রবিবার গীর্জায় প্রার্থনায় আসি, কিন্তু ওরা কেউ আমার কথা শুনল নাহ। একসময় আমি জ্ঞান হারালাম। তারপর জেগে দেখি আমি এখানে পড়ে আছি। জানিনা আমাকে আরো কত শাস্তি সইতে হবে তবুও আমি পণ করেছি যাই হোক না কেন আমি ডাকিণীর অপবাদ স্বীকার করব নাহ। বাইবেলটা আমার কুঠোরির এক কোণে পড়ে ছিল। মশালের নিচে থেকে এক টুকরা কয়লা নিয়ে পবিত্র বাইবেলে আমি ইশ্বরের নামে শপথ করে লিখছি, আমি ডাকিণী নই। "
প্রথম পাতা পড়ার পরে মনের অজান্তেই মেয়েটার জন্যে চোখে পানি চলে আসলো। আমি জানতাম মধ্যযুগে মেয়েদের ডাকিণী অপবাদ দিয়ে পুড়িয়ে মারা হত কিন্তু কখন ভাবিনী এমন একজন ভিক্টিমের সাথে এভাবে পরিচিত হব। বুঝতে পারলাম আমার কর্টেজটাই সেদিনের গীর্জা ছিল আর কর্টেজের ভুগর্ভস্থ পাঁচ কুঠোরির কোন একটাতেই আলেসকে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। তার পরের পৃষ্টার গতবাধা বাইবেলের লেখা উল্টাতেই আলেসের লেখাটা পেয়ে গেলাম।
"আজ দুদিন হল আমি এখানে আছি। এর মধ্যে এরা আমাকে একফোঁটা পানিও খেতে দেয় নি। একবার আমার প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দেওয়ার প্রয়োজন পড়লে আমি ওদের অনেক ডাকলাম কিন্তু কেউ আমাকে বাহিরে নিয়ে গেল না। শেষে বাধ্য হয়েই এক কোণে কাজ সারলাম। হে ঈশ্বর কোন অপরাধে এই শাস্তি দিচ্ছ আমায়। খানি আগে অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলাম। মা কে স্বপ্নে দেখলাম আমার জন্যে গোশত আর রুটি নিয়ে এসেছে। তারপর জেগে দেখি একটা ইঁদুর আমার পায়ের উপর দিয়ে চলে যাচ্ছে। ওটাকে ধরে ওর গলায় দাঁত ফুটিয়ে দিলাম। দুদিন উপোস থাকার পর এই ইঁদুরের রক্ত আমার পিপাসার্থ গলায় অমৃতসম মনে হল। ইঁদুরটা খানিকটা খাওয়ার পরেই এক পাহারাদার আমাকে দেখে ফেলল। ও চিৎকার করে বলতে লাগল আমি নাকি ইঁদুরটা খেয়ে প্রমান করে দিয়েছি আমি একটা ডাকিণী। আরো কয়েকজন পাহারাদার এসে ওর সাথে যোগ দিল। আমি ওদের বললাম আমি ক্ষুধার্ত হয়েই এটা খেয়েছি কিন্তু ওরা শুনল নাহ। একজন শিখের ফাক দিয়ে হাত গলিয়ে আমার গালে সশব্দে চড় বসিয়ে দিল। আমি মাটিতে পড়ে গেলে ওরা আমার সেলে ঢুকে ইঁদুরের বাকীটুকু নিয়ে গেল, প্রিস্টকে আমার ডাকিণীবিদ্যা চর্চার প্রমাণ দেখাবে বলে। আজ যা ঘটলো তাতে ওদের কাছে আমার ডাকিণী হওয়ার অপরাধ প্রমাণিত হয়ে গেল। কিন্তু ঈশ্বর তো জানেন আমি ডাকিণী নই, আমি তার একনিষ্ঠ সেবক।"
দ্বিতীয় পৃষ্ঠা পড়ার পর আমি ঢুকরে কেঁদে উঠলাম। একটা মেয়ে হয়ে আরেকটি মেয়ের উপর চলা অমানুষিক নির্যাতনের মর্মস্পর্শী বর্ণনা পড়ে আমি নিজেকে ঠিক রাখতে পারলাম না। ফোঁপাতে ফোঁপাতে আমার মায়ের কাছে উদভ্রান্তের মতো ফোন দিলাম।। আম্মু আমার লালচে চোখ আর ফোলে উঠা নাক দেখে আতঁকে উঠলো। আমি আম্মুকে আলেসের ব্যাপারে কিছুই বললাম নাহ। শুধু বললাম আম্মু, তোমাকে খুব মিস করছি তাই চোখে জল চলে আসছে। আম্মু কিছুক্ষণ আমাকে খুটিয়ে দেখে একগাল হেসে বলল পাগলী মেয়ে আমার। চিন্তা করিস নাহ। আগামী উইকএন্ডেই আমি তোর নতুন বাসায় বেড়াতে আসব। আমাকে দাওয়াত দিবি তো? আমিও খানিক হেসে বললাম নাহ। তোমাকে দাওয়াত দেওয়ার কি আছে? তোমাকে তো কোলে করে আমার বাড়িতে নিয়ে আসব। এভাবে আম্মুর সাথে কথা বলতে বলতে একসময় মন ভালো হয়ে গেল। সেদিন আর আলেসের ডায়েরি পড়িনি। পাছে যদি আবার মন খারাপ হয়ে যায়। একটা কমেডি মুভি দেখে ডিনার সেরে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়লাম। কাল আবার অফিসে যেতে হবে।
সেরাতে এক অদ্ভুত স্বপ্ন দেখলাম। দেখলাম আমার কর্টেজের পেছনে কুয়োর পাশেই একটা মাঝারি ক্যাম্পফায়ারের মতো অগ্নিকুণ্ড যা জ্বলতে জ্বলতে একসময় একটা নারীমূর্তির আকৃতি ধারণ করলো, আর পর একটা কর্কশ চিৎকার, আর অগ্নিকুণ্ডটা দপ করে নিভে গেল।
পরদিন সকালে উঠে দাঁত মাজতে মাজতে বাথরুমের আয়নায় চোখ পড়লো। ধুলি মাখা আয়নায় কে যেন ছোট ছোট হস্থাক্ষরে পোলিশ অক্ষরে সাইন দিয়েছে আলেস। চমকে দুপা পিছিয়ে আসলাম। তারপরে ভয়ে ভয়ে এগিয়ে গিয়ে আয়নায় ভাল করে তাকিয়ে দেখলাম ওখানে কিছুই লিখা নেই। পুরোটাই ধুলি মাখা। আপন মনেই হাসতে লাগলাম। বুঝলাম এসব অচেতন মনের ফালতু কল্পনা। সেদিন অফিসের শেষে ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফিরে বিকালেই ঘুমিয়ে পড়লাম। আমার মাসিক শুরু হয়েছিল তাই আরো বেশী ক্লান্ত হয়ে গিয়েছিলাম। বিকালে সূর্যালোক থাকতেই ঘুমিয়ে পড়েছিলাম তাই কর্টেজের কোন বাতিই জ্বালাই নি। রাত ঘনিয়ে এলে কর্টেজটা অন্ধকারই থেকে যায়। মাঝরাতে একটা করুণ কান্নার শব্দে ঘুম ভেঙ্গে যায়। অন্ধকার রুমে কিছুই দেখতে পাচ্ছিলাম না আমি। কিন্তু মনে হচ্ছিলো কান্নাটা আমার পাশের লাইব্রেরী থেকেই আসছে।হাতড়ে হাতড়ে রুমের আলো জ্বালিয়ে গেলাম পাশের লাইব্রেরীতে। যাওয়ার সময় আমার ডেজার্ট ঈগল পিস্তলটা সাথে নিলাম। ভাবলাম হয়তো কর্টেজে কোন নেকড়ে ঢুকেছে। রাতে মাঝেমধ্যে নেকড়ের ডাক অনেকটা মানুষের কান্নার মতোই মনে হয়। তাই আমি ঝুকি নিতে চাই না। আমার রুম থেকে বেরুনোর সাথে সাথেই কান্নার আওয়াজটা থেমে গেল। লাইব্রেরীতে গিয়ে আলো জ্বালালাম। লাইব্রেরীতে কিছুই নেই। তবে গতকালের বাইবেলটা ডেস্কে খোলা পড়ে আছে। আমি কাছে গিয়ে দেখলাম গতদিন আলেসের যে দুই পাতা আমি পড়েছিলাম তার পরবর্তী পাতা অর্থাৎ তৃতীয় পাতা বেরিয়ে আছে। যেন আমার পড়ার অপেক্ষায়। কিন্তু আমার স্পষ্ট মনে আছে গতকাল আমি বাইবেলটা বন্ধ করে শেলফে তুলে রেখেছিলাম, কিন্তু আজ এটা ডেস্কে এলো কিভাবে? ছাইপাঁশ ভাবতে ভাবতে বাইবেলটা তুলে আলেসের লেখাগুলি পড়তে শুরু করলাম। ও লিখেছে, .......
(চলবে)

27/12/2016

মেয়ে: কি দেখছো আমার মাঝে?
ছেলে: কি নেই তোমার মাঝে?
মেয়ে: এত পাগল আমার জন্যে?
ছেলে: খুচ্ছি কোন পাগলামিটা কম
হয়ে গেছে|
মেয়ে:কি করতে পারবা আমার জন্য?
ছেলে:মৃত্যু ছারা যা বলো করতে|
মেয়ে: জানটা নয় কেনও?
ছেলে: ভালবাসি বলে|
মেয়ে: ভালবাসো বলেইতো চাইছি?
ছেলে: পারবোনা ক্ষমা কর|
মেয়ে: ভালবাসার স্বাদ মিটে গেল?...

27/12/2016

গবেষনায় দেখা গেছে :D :P
ছেলেরা মেয়েদেরকে রিকোয়েস্ট
দেয়ার একটাই কারন যদি একবার লাইগা যায় ।

26/12/2016

এক স্ত্রী তার
স্বামীকে চিঠি
লিখেছে।
কিন্তু লেখায়
দাড়ি-কমায় ভুল
করাতে চিঠিটা কেমন
হয়েছে সেটা নিজেই
পড়ে
দেখুনঃ
"ওগো,
তুমি অনেক দিন
হয়ে গেল ভালবাসার
কোন
চিঠি লিখো না আমার
বান্ধবী সালমাকে।
চাকরি থেকে বের
করে দিয়েছে আমাদের
গরু।
বাচ্চা দিয়েছে
আমাদের
মকবুল চাচা।
সিগারেট খাওয়া শুরু
করছি আমি।
অনেক চিঠি লিখছি
কিন্তু
তুমি আসো নাই
মুরগীর বাচ্চা।
বিড়াল খেয়ে ফেলেছে
পাশের
বাসার জরিনা।
আমার বান্ধবী হয়ে
গেছে
তোমার ছোট ছেলে।
এখন টিভিতে ড্যান্স
করছে মুরগি।
আজকাল ডিম পাড়া
বন্ধ
করে দিছে তোমার মা।
তোমার কথা চিন্তা
করে
আমাদের বাড়িওয়ালার
বউ।
আমার সাথে ঝগড়া
করেছে। ইতি
তোমার স্ত্রী।

26/12/2016

''শ্রে রাস্তায় বসে বসে মদ খাচ্ছে,পাশদিয়ে বল্টু যাচ্ছিল,,,
বল্টু:কিরে শ্রে এত মদ খাচ্ছিস কেন রে,,
শ্রে:একটা মাইয়ারে ভুলার চেষ্টা করছি,কিন্তু মাইটার নামই মনে পড়ছে না😂😂
বল্টু: (বেহুশ)
#মাতাল_ফেক্ট
#শ্রে(মায়াবী)

26/12/2016

"আজ কাল মেয়েরাও ছেকা খেয়ে ব্যাকা হয়ে ''চ্যাট অন রেখে চ্যাট করে"
#ছেকা_স্টাইল😂😂
#শ্রে

Address

Rangpur
5720

Telephone

+8801706934066

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অনুভূতি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to অনুভূতি:

Share