26/05/2025
_*❀অধর্মের পাঁচটি শাখা কি কি?❀*_
_*❀প্রকৃত ধর্মজ্ঞ ব্যক্তির অধর্মের এই পাঁচটি শাখা একেবারেই ত্যাগ করা কর্তব্য কেন?❀*_
*•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••*
_*❈❀জানি স্বধর্মবিরুদ্ধ যা, তাই অধর্ম, কিন্তু ধর্মই বা কি, আর অধর্মই বা কি? আবার অধর্মের পাঁচটি শাখা হয় কিভাবে? সেগুলো না জানলে তা ত্যাগ করব বা কি করে? আসুন আমরা শ্রীমদ্ভাগবতের আলোকে সেই জ্ঞান প্রাপ্ত হই!*_
_*❈❀━┉┈“ধর্ম” কি? শ্রীমদ্ভাগবতের ষষ্ঠ স্কন্ধে অজামিল উদ্ধার প্রসঙ্গে দ্বাদশ মহাজনের অন্যতম মহাজন যমরাজ বলেছেন--“ধর্ম তু সাক্ষাদ্ ভগবৎপ্রণীতম্--” অর্থাৎ, “ভগবানের প্রনীত আইনই হল ধর্ম” ভগবানের দ্বারা প্রদত্ত ধর্মই প্রকৃত ধর্ম,ঠিক যেমন সরকারের দেওয়া আইনই যা সংবিধানে লিপিবদ্ধ থাকে তা হল প্রকৃত আইন। কেউই তার ঘরে বসে মনগড়া আইন তৈরী করতে পারে না, ঠিক তেমনই কেউই ধর্মও তৈরি করতে পারে না। শ্রীমদ্ভাগবতের অন্যত্র বলা হয়েছে--“স বৈ পুংসাং পরোধর্মো যতো ভক্তিরধোক্ষজে--” অর্থাৎ, প্রকৃত ধর্ম হচ্ছে সেই ধর্ম যা মানুষকে ভগবানের ভক্তে পরিণত করে।*_🙏🏼🙏🏼
_*❈❀━┉┈“অধর্ম” কি? যে ধর্ম ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পাদপদ্মে স্মরণ গ্রহণের বিরোধী, তাই অধর্ম বা ধর্মের নামে কপটতা।*_
_*এই অধর্মের আবার পাঁচটি শাখা রয়েছে, সেগুলি কি কি? শ্রীমদ্ভাগবতে(৭/১৫/১২) বলা হয়েছে---*_
_*“বিধর্মঃ পরধর্মশ্চ আভাস উপমা ছলঃ।*_
_*অধর্মশাখাঃ পঞ্চেমা ধর্মজ্ঞোঽধর্মবৎ ত্যজেৎ॥”*_
_*❈❀━┉┈ অর্থাৎ,“ধর্মের পাঁচটি শাখা--(১)বিধর্ম,(২)পরধর্ম,(৩)ধর্মাভাস,(৪)উপধর্ম ও(৫)ছলধর্ম।ধর্মজ্ঞ ব্যক্তির অবশ্য এগুলি ত্যাগ করা কর্তব্য”*_❤️💙❤️
_*❈❀━┉┈যাঁরা প্রকৃত ধর্মে নিষ্ঠাপরায়ণ ব্যক্তি, তাঁদের ধর্মের নামে কপটতা অবশ্যই ত্যাগ করা কর্তব্য। মানুষের কর্তব্য শ্রীকৃষ্ণের নির্দেশ অনুসারে তাঁর শরণাগত হওয়া। তা করতে হলে অবশ্য অতি উন্নত বুদ্ধিমত্তার প্রয়োজন, যা বহু জন্ম-জন্মান্তরে ভগবদ্ভক্তের সঙ্গ করার ফলে এবং কৃষ্ণভক্তির অনুশীলনের ফলে উদিত হয়। শ্রীকৃষ্ণের উপদিষ্ট ধর্ম--“সর্বধর্মান পরিত্যজ্য মামেকং শরণং ব্রজ”(সমস্ত ধর্ম পরিত্যাগ করে কেবলমাত্র আমার অর্থাৎ শ্রীকৃষ্ণের শরণাগত হওয়া)--- ব্যতীত অন্য সবকিছু অধর্মরূপে পরিত্যজ্য।*_🙏🏼🙏🏼
_*❈❀━┉┈(১)বিধর্মঃ-- ভাঃ-৭/১৫/১৩*_
_*“ধর্মবাধো বিধর্মঃ স্যাৎ পরধর্মোঽন্যচোদিতঃ।*_
_*উপধর্মস্তু পাখণ্ডো দম্ভো বা শব্দভিচ্ছলঃ॥”*_🙏🏼🙏🏼
_*❈❀━┉┈অর্থাৎ, “যে