জয় সনাতন

জয় সনাতন হরে কৃষ্ণ দাদা ভাই ও দিদি ভাই
সবাইকে স্বাগতম ও গৌরিক অভিনন্দন আমাদের জয় সনাতন পেজের পক্ষ থেকে।

বাংলাদেশে হিন্দুরা কি জমিও কিনতে পারবেনা? || তৌহিদী জনতার নামে কারা এই উস্কানিদাতা?
22/07/2026

বাংলাদেশে হিন্দুরা কি জমিও কিনতে পারবেনা? || তৌহিদী জনতার নামে কারা এই উস্কানিদাতা?

📌 ভিডিওটি আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে—👍 লাইক দিন,💬 কমেন্ট করে...

ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার। বিস্তারিত: 👇
20/07/2026

ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার।
বিস্তারিত: 👇

07/07/2026

‘ভারতের সাহায্য প্রয়োজন’, পাকিস্তান শাসিত কাশ্মীরের নেতার আকুতি

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।হরে হরে রাম হরে রাম রাম হরে হরে ।।এই নাম জপ করার অপরাধে রেনুবালাকে শ্বাসরোধ করে ...
28/06/2026

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে হরে রাম হরে রাম রাম হরে হরে ।।

এই নাম জপ করার অপরাধে রেনুবালাকে শ্বাসরোধ করে হ*ত্যা করে মোঃ মাজহারুল ইসলাম।

17/06/2026

উত্তাল চট্টগ্রাম, সনাতনীদের মশাল মিছিলে পুলিশের বাধা, পাল্টাপাল্টি অবস্থান।

ভুট্টাক্ষেতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি লাশ, ধ*র্ষ*ণের পর হ*ত্যা*র অভিযোগ।লালমনিরহাটের আদিতমারী থানার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের ফলি...
16/06/2026

ভুট্টাক্ষেতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি লাশ, ধ*র্ষ*ণের পর হ*ত্যা*র অভিযোগ।

লালমনিরহাটের আদিতমারী থানার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের ফলিমারী গ্রামের ললনীকান্ত বর্মনের ছোট মেয়ে নন্দিনী। আজ সকালে নদীর ধারের একটি ভুট্টা ক্ষেত থেকে মাটির নিচে বস্তাবন্দি অবস্থায় এই নিষ্পাপ শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে!

​একটি অবুঝ, নিষ্পাপ শিশুকে এভাবে নির্মমভাবে হত্যা করে মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা কোনো সুস্থ মানুষের কাজ হতে পারে না। কোনো হিংসা বা প্রতিশোধের বলি কেন এই ছোট্ট শিশুটি হবে? এই বর্বরতা মেনে নেওয়া যায় না।

​প্রশাসনের কাছে বিনীত ও আকুল অনুরোধ—অবিলম্বে এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত করুন। ঘটনার পেছনের খুনিদের অতি দ্রুত আইনের আওতায় এনে এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করুন, যেন আর কোনো বাবার বুক এভাবে খালি না হয়।

13/06/2026

গাইবান্ধায় ৮১ ফুট উচ্চতার রাম মূর্তি নির্মাণ স্থগিত করা হয়েছে তৌহদী জনতার বাধার মুখে। তৌহদী জনতা হিন্দু ভগবান রামের ছবিতে জুতা দিয়ে বাড়ি মেরে তাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে। এদিকে পশ্চিমবঙ্গে সাংসদ হুমায়ুন কবীরের নেতৃত্বে বাবরী মসজিদের ভিত্তি স্থাপনে আমরা দেখেছি পুরো রাজ্য থেকে পিলপিল করে মুসলমানরা এসেছিল প্রতীকী ইট মাথায় করে। সেই রিপোর্ট একজন নারী সাংবাদিক করতে গেলে তাকে বেপর্দা বলে সরে যেতে বলা হয়েছিল ইটবহনকারীদের পক্ষ থেকে। সেই ভিডিও আমরা কম বেশি সকলেই দেখেছি। ইন্টারেস্টিং হচ্ছে, ভগবান রামের ছবিতে জুতা মারলে পৃথিবীর কোথাও নিউজ শিরোনাম হয় না- রামের ছবিতে জুতা মারছে মুসলমানরা। এরকম শিরোনাম লিখলে সেক্যুলার লিবারেল খাতা থেকে নাম কাটা যাবে। কিন্তু ইসলামের নবীর কোন ছবি না থাকলেও, কোথাও পাগরি মাথায় কোমড়ে ছোরা গোঁজা দাড়িওয়ালা একটা কার্টুন আঁকলেই কি করে যেন এটাকে প্রফেট মুহাম্মদের কার্টুন বলে মুসলমানরা ধরে নেয় এবং এর প্রতিবাদে কখনো পত্রিকা অফিস আক্রান্ত হয়, কোথাও রাস্তায় মানুষের উপর লরি উঠিয়ে দেয়া হয়। ঘটনাগুলো ঘটে মুসলমানরা যেখানে সংখ্যালঘু সেখান থেকেই। পশ্চিমবঙ্গেও মুসলমানরা সংখ্যালঘু। কিন্তু হুমায়ুন কবীর বারবী মসজিদ বানাতে পারলেও গাইবান্ধায় রামের মূর্তি হতে পারেনি।
সমাজ মাধ্যমে আমরা কিছু মৌসুমী অসাম্প্রদায়িকদের দেখছি যারা রাম মূর্তিতে বাধার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে প্রশ্ন করছে- কেন এত বিশালাকার রাম মূর্তি গড়তে গেলো হঠাত? কারা দিচ্ছে টাকা? কোন ষড়যন্ত্র না তো? মানে এরা বলতে চাইছে- আপনি মুসলমানদের দেশে ৮১ ফুট রামের মূর্তি বানাতে যাবেন আপনার সাহস তো কম না! সরাসরি অভিযুক্ত করে বলছে- তার মানে কেউ চাইছে কোন একটা গন্ডগোল লাগুক এই মূর্তিকে কেন্দ্র করে! তারপরই চিরন্তন প্রশ্ন ও উত্তর তারাই দিচ্ছে- এই ঘটনায় সুবিধা পেয়েছে কারা? নিশ্চিত করে ভারতের বিজিপি সরকার এর ফয়দা তুলবে!
এই রকম যুক্তি আপনি সমাজ মাধ্যমে দেখছেন না? যারা দিচ্ছে তারা কারা খোঁজ নিয়েছেন? আমার এই লেখায় মুসলিম মৌলবাদীদের নিয়ে কথাই বলতে চাইছি না। কারণ তারা তাদের রাজনীতি যেটা সেটাই করছে। কিন্তু এইসব পক্ষাগ্রস্ত যুক্তি দিচ্ছে অসাম্প্রদায়িক ও সকলের ধর্মীয় স্বাধীনতায় বিশ্বাসী সেজে যারা- তাদের গোত্রটা তো বুঝতে হবে। হিন্দুদের উপর কোন সাম্প্রদায়িকতা নেমে এলেই কাদের খালি মনে হয় এখানে ভারতের হাত আছে? ঠিক ধরেছেন। এরা সেই গণকন্ঠ, একতা পত্রিাকার সাম্প্রদায়িকতা পাঠ করে এসেছে। এরা মওলানা ভাসানীর ভারত মতান্তরে হিন্দু বিদ্বেষের অনুসারী। এরা তারাই যারা মনে করে বাংলাদেশে আরএসএস বিজেপির লোকজন আছে! এই যে আছে মনে করে মানে তারা বলতে চায় বাংলাদেশের হিন্দুরা বা হিন্দুদের মধ্যে বিজেপি আরএসএসের সমর্থক বা এজেন্ট আছে। পাকিস্তান আমলেও হিন্দুদের এই চোখে দেখা হয়েছে। জার্মানিতে ইহুদীদের তো ঠিক এই অভিযোগে হলোকাস্ট করা হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ঠিক এভাবেই হিন্দুদের ভারতের সঙ্গে গোপন যোগাযোগ আছে অভিযোগ করে তাদের উপর হলোকাস্ট বা টার্গেটেড গণহত্যা চালিয়েছিল। কাজেই রাম মূর্তি নির্মাণে বাধাদানকারী মৌলবাদী গোষ্ঠিদের বিরুদ্ধে বললেই তারা কিন্তু অসাম্প্রদায়িক সেক্যুলার নয়। তারা তৌহদী জনতাকে আখ্যা দিচ্ছে ‘বোকা’ বলে। এই বোকারা নাকি না বুঝে ভারতের উপকার করে ফেলছে! তারা নাকি না বুঝে ফাঁদে পা দিয়ে ফেলছে! তারা নাকে ‘র’ এর ষড়যন্ত্রে শিকার! এমন সরল ও কমলমতি মৌলবাদী বনাম ষড়যন্ত্রকারী বিজেপি আরএসএস কি এক হতে পারে? রামের মূর্তি নির্মাণে বাধা দিয়ে নাকি এখন ভারতের মুসলমানদের উপর এর প্রতিশোধ নেয়া হবে।
একটা মিথ্যা রাজনৈতিকভাবে কয়েক কোটিবার বললে সেটি সত্যের মত প্রতিষ্ঠা পায়। ভিকটিম ব্লেম খেলে ভারত ভেঙে পাকিস্তান করা সম্ভব হয়েছে। মুসলমানরা হিন্দুদের কারণে পিছিয়ে আছে- এই একটা মিথই পাকিস্তানকে খাড়া করেছে। ভারতের মুসলমানরা নির্যাতিত- ভারতের বাম ও লিবারেল রাজনীতির চর্চিত এই মিথ বহির্বিশ্বে ভারতকে মুসলিম নির্যাতনকারী দেশ বানিয়েছে। অথচ চীনের মুসলমানদের জিহাদী অপচেষ্টার বিরুদ্ধে যে সাঁড়াশি অভিযান চীন চালায় যদি ভারত এর একাংশ চালাতো ভারতে আজ মুসলিমদের সংখ্যায় ১ পার্সেন্টে নেমে আসতো! অথচ দেশভাগের পর ১৯৫১ সালে ভারতের মুসলমানদের জনসংখ্যার পার্সেন্ট ছিল ৯.৮ শতাংশ এটা ২০২৬ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ শতাংশ! অপরদিকে পূর্ব পাকিস্তানে হিন্দু জনসংখ্যা ছিল ২২ শতাংশ যা বর্তমানে গিয়ে কমে দাঁড়িয়েছে ৭ শতাংশ! কিন্তু ভারতের পরিচয় মুসলিম নির্যাতনকারী দেশ আর বাংলাদেশ হচ্ছে অসাম্প্রদায়িক দেশ!
মুসলিম মৌলবাদকে আমি বাংলাদেশের সমস্যা মনে করা ছেড়ে দিয়েছি অনেকদিন হয়। বাংলাদেশের মূল সমস্যা মডারেট মুসলিম লীগ। এই রাজনৈতিক চিন্তা দ্বারাই বাংলাদেশের বেসমেন্ট গড়া। বাংলাদেশের সমস্ত পার্টি এই বেসমেন্টে গড়া। বাংলাদেশের সমস্ত মুসলমানদের মধ্যে বড়জোর ১০ শতাংশ মানুষ ইসলামী মৌলবাদী সমর্থক। বাকী ৯০ শতাংশই মডারেট মুসলিম লীগ! এই ভয়ংকর সাম্প্রদায়িক জাতীয়তাবাদীরা ভারতকে উগ্র হিন্দু মৌলবাদী দেশ বলে। ভারতের বিরুদ্ধে নাকি তাদের যৌক্তিক ক্ষোভ আছে এবং সেটা কোনমতে হিন্দুদের উপর নয়!
তো ভারতের বিরুদ্ধে যৌক্তিত ক্ষোভটা কি? ভারত কতবার বাংলাদেশে সৈন্য প্রেরণ করেছে দখল করতে? ভারত বাংলাদেশের রজিম চেঞ্জের ক্ষমতা বা ধান্দায় যদি থাকতো তাহলে ১৯৭৫ সালের ইসলামিক বিশ্ব ও পশ্চিমা বিশ্বের যৌথ প্রযোজনায় মুজিব সরকার ফেলে দেয়ার পর কেন মুজিবের দলকে ২১ বছর পর জনগণের ভোটের অপেক্ষা করতে হলো? ঐতিহাসিকভাবে আওয়ামী লীগের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ভালো। ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের হিন্দুদের ভারতের পশ্চিমবঙ্গে আত্মীয়তার সম্পর্ক আছে। এর বাইরে ভারতের ষড়যন্ত্রের একটি প্রমাণ দেখান? কি করে ভারত বাংলাদেশ দখল করে রেখেছে বা রেখেছিল তার একটি দলিল কেউ দেখাক। ভারতের প্রতি ক্ষোভ দ্বিজাতিতত্ত্বের। এটা আমি মুখের উপর বলে ফেলি বলেই আমাকে আরএসএসের ভাড়ায় খাটি বলে তারা ক্ষোভ মেটায়। কিন্তু শূকরের পাল তো আমার লেখার কোন যৌক্তিক জবাব দিতে পারে না!
আচ্ছা মাজার ভাঙার সুবিধা কারা পেয়েছে? আহমদিয়াদের অমুসলিম ঘোষণায় কারা সুবিধা পায়? স্কুলের গানের শিক্ষক নিয়োগে বাধা প্রদান, নারীনীতি বিলে বাধা প্রদান কাদের সুবিধা করে দেয়? সালমান রুশদির মাথার দাম হাঁকিয়ে ইরান কাদের সুবিধা করে দেয়? বঙ্গবন্ধুর মাথায় প্রস্রাব যেভাবে করেছে একইভাবে রামের মূর্তির মাথায়ও প্রস্রাব করা হবে- এই হুমকির রেফারেন্স তো সত্য। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের উপর কারা প্রস্রাব করেছে? ঠগ বাছতে গাঁ উজার! ভাসানী লীগ খোমিনি লীগ ভারত বিরোধী লীগ তো মনেই করে শেখ হাসিনা সরকারের উন্নতি দেখে ঈর্ষায় ভারতই সরকার ফেলে দিয়েছে! শেখ হাসিনার জন্য এখন এত লিখি, এত বলি, সেই তিনি কি যুক্তরাজ্য সফরে গিয়ে হিন্দুদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন না- দেশপ্রেমিক হতে, এক পা ভারতে দিয়ে রাখতে না?
সেই ভারতই ত্রাতা। যেসব নাস্তিক আখ্যা পাওয়া ব্লগার দেশে ইসলামিক মৌলবাদীদের হাত থেকে বাঁচতে ভারতের আশ্রয় নিয়ে পরে ইউরোপে গিয়েছিলেন এদের অর্ধেকই চরম মাত্রায় ভারত বিদ্বেষী! এই যে বাংলাদেশে এখন যারা আরএসএসের এজেন্ট খুঁজছে- দেশের যদি চরম পরিণতি হয়, পতন হয় ইসলামিক জঙ্গিদের হাতে এরাই সবার আগে যশোর রোড ধরে ভারতে আশ্রয় নিতে দৌড়াবে। সেখান আশ্রয় নিয়ে অবিকল ছফা আল মাহমুদদের মত বিপদ কাটার পর বলবে, দাদারা আমাদের দখল করতে চায়! দাদাদের মানচিত্র আমাদের পতাকায় যুক্ত করতে না পারলে আমাদের মানচিত্র পূর্ণতা পাবে না!
সাজানো নাটুকে অসাম্প্রদায়িক কথা বলতে পারি না ভাই। নিরপেক্ষও আমি নই। আমি সত্যের পক্ষে তাতে আমার দেশ ছোট হলেও আমার কিছু করার নেই। বিদেশ থেকে টাকা আসে বামপন্থী ও ইসলামপন্থীদের জন্য। তারাই সবচেয়ে বেশি অন্যদেরকে ভাড়ায় খাটে, দালাল, এজেন্ট বলে অভিযুক্ত করে!
-
-সুষুপ্ত পাঠক
১৩ জুন, ২০২৬

11/06/2026

বরগুনা জেলা পরিষদের ডাকবাংলো থেকে ৩ জন হিন্দু নারী (মা ও তার দুই মেয়ের) ম"র"দে"হ উদ্ধারের।
👇

10/06/2026

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়ন এলাকায় দু"র্বৃ"ত্ত"দের ছু'রি'কা'ঘাতে পঙ্কজ শীল নি'হ"ত এবং তিলক গু:রু:ত:র আ"হ"ত
👇

মোঃ তানভীর এর সাথে শ্রুতি পাল নামের হিন্দু মেয়েটি একই স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করিনি, নিকট আত্মীয় তো দূরে...
10/06/2026

মোঃ তানভীর এর সাথে শ্রুতি পাল নামের হিন্দু মেয়েটি একই স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করিনি, নিকট আত্মীয় তো দূরের কথা দূরসম্পর্কের আত্মীয়ও নয়, একেই জেলায়, থানায়, ইউনিয়ন এমনকি গ্রামেও বাড়ি নয়, পাড়া-প্রতিবেশীও নয়! সৌদি প্রবাসী ছেলেটির সাথে শ্রুতি পালের পরিচয় হয়েছিল অনলাইনে! তাছাড়া তারা দুজন ভিন্ন ধর্মাবলম্বী। এইরকম একটি ছেলের সাথে বাইকের পিছনে বসে ঘুরতে যায়, নিশ্চয়ই ছেলেটির সাথে গভীর সম্পর্ক ছিল।

অধিকাংশ সময় হিন্দু মেয়েরা সঠিক বন্ধু নির্বাচন করতে পারে না। তাই হিন্দু মেয়েদের অন্যান্য ধর্মাবলম্বী মেয়েদের চেয়ে বেশি বিপদে পড়তে হয়, প্রতিনিয়ত খুন ধর্ষণ হত্যা সহ বিভিন্ন রকমের ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় আসে! এসব ঘটনা দেখেও হিন্দু মেয়েদের শিক্ষা হয় না! তাই এমন পরিণতি এদের জন্য স্বাভাবিক। সচেতন মানুষ পারিপার্শ্বিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন ঘটনা দেখে শিক্ষা নেয় কিন্তু হিন্দু মেয়েরা কখনোই শিক্ষা নেয় না!

উল্লেখ্য, মেয়েটি যাদের সাথে ঘুরতে গিয়েছিল তাদের বক্তব্য বাইক দুর্ঘটনায় মারা গেছে, আবার মেয়েটির পরিবার অভিযোগ করেছে যৌন নির্যাতন করে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে! কিন্তু এখন পর্যন্ত সঠিক কারণ জানা যায়নি। আশা করি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে এই মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন করবেন। পাশাপাশি মেডিকেল ফরেনসিক রিপোর্টে বোঝা যাবে মেয়েটির সাথে যৌন নির্যাতন করা হয়েছিল কিনা। তদন্তের পর সঠিক ঘটনা বেরিয়ে আসবে। কিন্তু একটি তরতাজা প্রাণ ঝরে গেল, তা কি কখনো ফিরিয়ে আনা সম্ভব?

প্রসঙ্গত, নিহত শ্রুতি পাল চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের আনোয়ারা গ্রামের টিটু পালের মেয়ে। তিনি ফেনী সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের বিএবিএড (অনার্স) দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন এবং কলেজের সরকারি হোস্টেলে থাকতেন। এখন কথা হল যে, মেয়ে গিতে স্কুলের শিক্ষার্থী ছিলেন, পরে গীতা স্কুলের শিক্ষক হয়েছিলেন। নিয়মিত ধর্ম চর্চা করতেন, ধর্মীয় আদর্শ রীতিনীতি পালন করতেন, সে মেয়ে কিভাবে অচেনা অজানা ভিন্ন ধর্মাবলম্বী একটি ছেলের সাথে ঘুরতে যায়? অন্যের দোষ দিয়ে লাভ নেই। নিজেদের ভুল ভ্রান্তি অনুসন্ধান করুন, এই ঘটনাটি দেখে অন্যান্য সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু মেয়েদের অনেক কিছু শিক্ষনীয় আছে।

সোমবার (৮ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে তার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। যাইহোক মেয়েটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বেরিয়ে আসুক। যদি এই ঘটনায় কেউ জড়িত থাকে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক।

Address

Rangpur
5400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জয় সনাতন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to জয় সনাতন:

Shortcuts

Share