Masum Prodhan

Masum Prodhan Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Masum Prodhan, Religious Center, Rangpur.

19/02/2026

আদ-দাওয়াহ ইলাল্লহ কর্তৃক পরিচালিত আদ-দাওয়াহ ইসলামী পাঠাগার এন্ড দাওয়াহ সেন্টার এর মুক্তব মনিটরিং করতে গিয়ে যখন নিজেই পড়াই।

23/11/2025

তাদেরকেও শেখাতে হবে।
মুক্তব শিক্ষার মাধ্যমেই শুরু করতে হবে।

05/07/2025

প্রকৃতির মাঝে মিশে যেতে চায়,
আমার উদাসী এই মন।

20/02/2025
30/10/2024

হ্যালোইন উৎসব-এর অন্ধকার ইতিহাস এবং তা হারাম হওয়ার দশ কারণ:

প্রতি বছর পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে ৩১ অক্টোবর খুব উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে পালিত হচ্ছে হ্যালোইন উৎসব। এটিকে ‘ভূত উৎসব’ও বলা হয়। কিন্তু বিশ্বায়নের এই যুগে তা মুসলিম বিশ্বেও ছড়িয়ে পড়ছে এবং ক্রমান্বয়ে তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। যেমনটি ছড়িয়ে পড়েছে ভ্যালেন্টাইন্স ডে, থার্টি ফাস্ট নাইট, খৃষ্টানদের ক্রিসমাস ডে (বড় দিন), হিন্দুদের দেওয়ালী বা হোলি উৎসব, বৌদ্ধদের সাকরাইন বা ঘুড়ি উৎসব ইত্যাদি। এগুলো ছাড়াও বিভিন্ন অপসংস্কৃতি ও হিন্দুয়ানী পূজা উৎসবে লিপ্ত হচ্ছে অজ্ঞ মুসলিম সমাজ। আল্লাহ মুসলিমদেরকে হেফাজত করুন। আমিন।

যাহোক, আমরা এখানে সংক্ষেপে আলোচনা করব, হ্যালোইন-এর ইতিহাস এবং ইসলামের দৃষ্টিতে তা পালন করার বিধান সম্পর্কে। وبالله التوفيق

❑ হ্যালোইন উৎসবের অন্ধকার ইতিহাস:

"হ্যালোইন" বা "হ্যালোউইন" শব্দের অর্থ "শোধিত সন্ধ্যা" বা "পবিত্র সন্ধ্যা"। মূলত: এই উৎসবটি এক অন্ধকারাচ্ছন্ন কুসংস্কার এবং ইসলাম বিরোধী ভ্রান্ত বিশ্বাসের সাথে সম্পৃক্ত:

গবেষকদের মতে, হ্যালোইনের রাত নিয়ে অনেক ধরনের মিথ বা পৌরাণিক কাহিনী প্রচলিত রয়েছে। যেমন:

◈ ক. বলা হয়, প্রায় ২০০০ বছর আগে বর্তমান আয়ারল্যান্ড, ইংল্যান্ড ও উত্তর ফ্রান্সে বসবাস করতো কেল্টিক জাতি। তাদের ধারণা ছিল, অক্টোবরের শেষ দিনের রাত সবচেয়ে খারাপ। যে রাতে সব প্রেতাত্মা ও অতৃপ্ত আত্মারা মানুষের ক্ষতি করতে পারে। আর তাই কেল্টিক জাতির সদস্যরা এই রাতে বিভিন্ন ধরনের ভূতের মুখোশ ও কাপড় পড়তো।
তারা নির্ঘুম রাত কাটাতে আগুন জ্বালিয়ে মুখোশ পরে বৃত্তাকারে একসঙ্গে ঘুরতো ও মন্ত্র জপতো। আর সময়ের পরিক্রমায় কেল্টিক জাতির ‘সাহ-উইন’ উৎসবই বর্তমানে ‘হ্যালোইন’ উৎসব হিসেবে পালিত হচ্ছে।

◈ খ. কারো কারো মতে, এই রাতে দেবতা সামান সব মৃত আত্মাদের পৃথিবীতে আহ্বান জানান। উড়ন্ত ঝাড়ুতে করে হ্যালোইন ডাইনি উড়ে বেড়ায় আকাশ জুড়ে। কখনো বা তিনি কড়া নাড়েন বিভিন্ন বাড়ির দরজায়। [jagonews24]

◈ গ. উইকিপিডিয়া বাংলায় বলা হয়েছে, আইরিশ, যুক্তরাজ্য, ওয়েলস সম্প্রদায়ের লোকেরা বিশ্বাস করতো যে প্রত্যেক নতুন বছরের আগের রাতে (৩১শে অক্টোবর) সাহেইন, মৃত্যুর দেবতা, আঁধারের রাজ পুত্র, সব মৃত আত্মা ডাক দেয়। এই দিন মহাশূন্য এবং সময়ের সমস্ত আইনকানুন মনে হয় স্থগিত করা হয় এবং জীবিতদের বিশ্ব যোগদান করতে মৃত আত্মাদের অনুমোদন করে। তারা আরও বিশ্বাস করতো যে মৃত্যুর কারণে তারা অমর যুবক হয়ে একটি জমিতে বসবাস করতো এবং আনন্দে ডাকা হতো "Tir nan Oge"। মাঝে মাঝে বিশ্বাস করতো যে স্কটল্যান্ড এবং আয়ারল্যান্ড অঞ্চলের ছোট পাহাড়ে কখনো কখনো মৃতরা পরীদের সাথে থাকে। একটি লোককাহিনী থেকে বর্ণিত আছে যে সমস্ত মৃত ব্যক্তিরা ৩১শে অক্টোবর রাত্রিতে জীবিতদের বিশ্বে আসে আগামী বছরের নতুন দেহ নেওয়ার জন্য। এজন্য গ্রামবাসীরা এই খারাপ আত্মাদের থেকে বাঁচার জন্য ব্যবস্থা নেয়।” [উইকিপিডিয়া]

◈ ঘ. Banginews-এ বলা হয়েছে, আইরিশ ও স্কটিশ লোকসাহিত্যে হ্যালোইনকে বলা হয়েছে, সুপারন্যাচারাল এনকাউন্টারস হিসেবে। ঐ সময়ের মানুষের বিশ্বাস ছিল যে, সামারের শেষ, শীতের শুরুতে হ্যালোইন সন্ধ্যায় সমস্ত মৃত আত্মীয়-স্বজনের আত্মারা নেমে আসে এই পৃথিবীর বুকে।

◈ ঙ. উক্ত সোর্সে আরও বলা হয়েছে, "অষ্টম শতাব্দীতে পোপ গ্রেগরীয় ১লা নভেম্বরকে ‘অল সেইন্টস ডে’ ঘোষণা করেন এবং আগের সন্ধ্যা মানে ৩১শে অক্টোবরকে ‘অল- হ্যালোস-ইভ’ বা হ্যালুইন নামে অভিহিত করেন।

মানুষের অন্ধ বিশ্বাস ছিল, অল-হ্যালোস-ইভ-এ প্রেতাত্মারা নেমে আসে। তারা আসে মৃত্যুর পরোয়ানা নিয়ে। আর তাই এই প্রেতাত্মাদেরকে প্রতিহত করার জন্য জীবিত স্বজনদের সকলে একসাথে জড়ো হয়ে আগুন জ্বালিয়ে নানা ভঙ্গিতে নৃত্য করতো এবং মৃত স্বজনের রূপ ধরে আসা ভুতকে পালটা ভয় দেখাতো।” [Banginews]

এখনকার হ্যালোইন-এর রীতিনীতি কেল্টিক ভাষী দেশগুলোর লোকজ রীতিনীতি ও বিশ্বাস দ্বারা প্রভাবিত বলে ধারণা করা হয়; সেসব দেশের কয়েকটি প্যাগান বা পৌত্তলিক ধর্মাবলম্বী আর অন্যান্যগুলো কেলটিক খ্রিস্টধর্ম অবলম্বন করে থাকে। [উইকিপিডিয়া]

❑ কথিত হ্যালোইন বা ভূত উৎসব পালন করা মুসলিমদের জন্য হারাম। নিম্নে এর দশটি কারণ উল্লেখ করা হল:

✪ ১. এটি বিধর্মীদের উৎসব। আর ইসলামে অন্য ধর্মের ধর্মীয় উৎসব পালন করা বা তাতে অংশ গ্রহণ করা হারাম। কেননা তা তাদের সাদৃশ্য গ্রহণের নামান্তর। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

مَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمْ

“যে ব্যক্তি অন্য সম্প্রদায়ের (বিধর্মীদের) সাদৃশ্য অবলম্বন করে সে তাদেরই দলভুক্ত।” [সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং-৪০৩১, সহীহুল জামে-আলবানি, হা/২৮৩১

✪ ২. এটি অমুসলিমদের পৌত্তলিকতা ও জাহেলিয়াত পূর্ণ বিশ্বাস ও অপসংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণ ছাড়া কিছু নয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

لَتَتَّبِعُنَّ سَنَنَ الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ شِبْرًا بِشِبْرٍ وَذِرَاعًا بِذِرَاعٍ حَتَّى لَوْ دَخَلُوا فِي جُحْرِ ضَبٍّ لاَتَّبَعْتُمُوهُمْ ‏"‏ ‏.‏ قُلْنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ آلْيَهُودَ وَالنَّصَارَى قَالَ ‏"‏ فَمَنْ

"তোমরা তোমাদের পূর্ববর্তীদের নীতি-পদ্ধতি পুরোপুরিভাবে অনুসরণ করবে, বিঘতে বিঘতে ও হাতে হাতে, এমনকি তারা যদি তিনি যব (গুইসাপ সদৃশ মরুভূমিতে থাকা এক প্রকার হালাল প্রাণী) গর্তে প্রবেশ করে থাকে তাহলেও তোমরা তাদের অনুসরণ করবে। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল, পূর্ববর্তী উম্মত বলতে তো ইহুদি ও খ্রিষ্টানরাই উদ্দেশ্য? তিনি বললেন, তবে আর কারা?"
[সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন), অধ্যায়: ৪৯/ ইলম, পরিচ্ছেদ: ৩. ইহিদি ও খৃষ্টানদের রীতি-নীতি অনুসরণ]

✪ ৩. ইসলামের ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আজহা ছাড়া জাতীয়ভাবে অন্য কোনও উৎসব পালন করা বৈধ নয়। আনাস রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনায় আগমন করলে দেখলেন, মদিনা বাসীরা দুটি ঈদ (উৎসব) পালন করছে। তা দেখে তিনি বললেন,

إِنَّ اللهَ قَدْ أَبْدَلَكُمْ بِهِمَا خَيْرًا مِنْهُمَا يَوْمَ الأَضْحَى وَيَوْمَ الْفِطْرِ

“আল্লাহ তাআলা ওই দুই দিনের পরিবর্তে তোমাদেরকে দুটি উত্তম দিন প্রদান করেছেন: ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আজহার দিন।” [আবু দাউদ ১১৩৬, নাসাঈ ১৫৫-সহিহ]

✪ ৪. মানুষ আল্লাহর সুন্দরতম সৃষ্টি। কিন্তু এই কথিত উৎসবে মানুষ বীভৎস মুখোশ ও ভীতিকর পোশাক-পরিচ্ছদে সেজে আল্লাহর সৃষ্টিকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে থাকে।

✪ ৫. এটি মানুষের অসুস্থ মানসিকতা ও বিকৃত রুচির বহিঃপ্রকাশ ছাড়া কিছু নয়।

✪ ৬. এটি কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও ভ্রান্ত বিশ্বাসের নাম। (যা তার ইতিহাস থেকে স্পষ্ট)

✪ ৭. কুসংস্কারাচ্ছন্ন এই কথিত উৎসবের নামে রাত-বিরেতে জন-উপদ্রব সৃষ্টি এবং মানুষকে ভয়-ভীতি দেখানো হয়-যা ইসলামে নিষিদ্ধ। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
لا يَحِلُّ لمسلمٍ أن يُرَوِّعَ مسلمًا
“কোনও মুসলিমকে ভয় দেখানো বৈধ নয়।” [সহিহুল জামে-লিল আলবানি, হা/৭৬৫৮]

✪ ৮. অনেক গবেষকের মতে, এই উৎসব মূলত: শয়তান পূজা এবং শয়তানকে খুশি করার উদ্দেশ্যে করা হয়। আর আদতেই এ ধরণের কার্যক্রমে শয়তান খুশি হয়।

✪ ৯. এ জাতীয় উৎসবে অংশ গ্রহণ করা ঈমানি দুর্বলতা, ইসলামের মূল প্রাণশক্তি তাওহিদ বা একত্ববাদের বিশ্বাসে ফাটল এবং দীন এবং ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতির ব্যাপারে অজ্ঞতার প্রমাণ।

✪ ১০. মৃত্যুর পর আত্মা পূণরায় ফিরে আসার বিশ্বাস ইসলাম পরিপন্থী। কথিত আধুনিক সভ্যতার দাবীদার, ‘বিজ্ঞান মনস্ক’ ও ‘মুক্তমনা’রা কীভাবে এসব কুসংস্কার ও ভুত-প্রেত বিশ্বাস করে তা সত্যি অবাক করার মত।

সুতরাং কোন ইমানদারের জন্য হ্যালোইন নামক পৌত্তলিক ও শয়তানি উৎসবে অংশ গ্রহণ কিংবা এ উপলক্ষে কোনও ধরণের আয়োজন-অনুষ্ঠান করা জায়েজ নাই।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম জাতিকে তাদের নিজস্ব সভ্যতা-সাংস্কৃতি এবং শেকড়ের সাথে সম্পৃক্ত থাকার তাওফিক দান করুন এবং তাদেরকে সবধরণের কুসংস্কার, বিজাতীয় অন্ধ অনুকরণ ও শয়তানের পথ অনুসরণ থেকে রক্ষা করুন। আমিন।
▬▬▬ ◈❥◈▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
(লিসান্স, মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়)
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সউদি আরব

09/06/2024

আপনার মায়ের দিকে একটু তাকান, তিনি অনেক ক্লান্ত।
আপনার বাবার দিকে খুব ভালো করে তাকিয়ে দেখুন তিনি আরো বেশি ক্লান্ত।
নিজের দিকে একটু দেখুন এখনো উপভোগ করে যাচ্ছেন এই পার্থিব জীবন।
অতএব,
পিতা মাতা কে খুশি করার চেষ্টা করুন খুব বেশি দেরি হবার পূর্বেই।
এবং তাদের জন্য দোয়া করতে থাকুন।

(রব্বির হামহুমা কামা রাব্বাইয়ানী ছগীড়া: সূরা বনী ইসরাঈল আয়াত, 24)

হে আমার রব্ব! তাঁদের প্রতি দয়া করুন যেভাবে শৈশবে তাঁরা আমাকে লালন পালন করেছিলেন।

19/02/2024

ভিক্ষা করে হলেও মক্তব চালাতে হবে; এই প্রজন্মকে কুরআন বিহীন প্রজন্ম হিসেবে গড়ে উঠতে দেওয়া যাবে না;

13/02/2024

অশ্লীলতার ফেরি করে আবারো ফিরে এসেছে ভ্যালেন্টাইন ডে নামের যিনা- ব্যভিচার দিবস। দিনটিকে কেন্দ্র করে অগণিত তরুণ-তরুণী নানা রকমের গুনাহে লিপ্ত হয়। অথচ তারাও কারো না কারো ভাই-বোন। কোন না কোন মা-বাবার সন্তান। সবচেয়ে বড় কথা তারাও আমাদের মুসলিম উম্মাহর অংশ। তাই একজন মুসলিম হিসেবে তাদের সচেতন করা আমাদের দায়িত্ব।

মহান আল্লাহ বলেন,
"যারা আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে ,সৎ কাজের আদেশ দেয় এবং অসৎ কাজ হতে নিষেধ করে,এবং কল্যাণকর কাজে তৎপর থাকে ।বস্তুত তারা পূর্ণবানদের মধ্যে গণ্য হবে।"(৩:১১৪)

অপসংস্কৃতির আগ্রাসন থেকে মুক্ত হোক বাংলাদেশ।
সুস্থ রচিশীল তরুণ সমাজ সৃষ্টি হোক, গড়ে উঠুক একটি সুস্থ সুন্দর সচেতন তরুণ প্রজন্ম।

অশ্লীলতার বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলা উচিত। সমাজ, পরিবার ,ও তারুণ্য ধ্বংসকারী ভ্যালেনটাইন ডে কে না বলুন। ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করুন সেন্ট ভ্যালেন্টাইন ডের সকল নোংরা ও অসভ্য আয়োজন।

আল্লাহ বলেন,
"নিশ্চয়ই যারা চায় যে, ঈমানদারদের মধ্যে অশ্লীলতা/বেহায়াপনা, ব্যভিচার, প্রসার লাভ করুক, তাদের জন্য রয়েছে দুনিয়া ও আখেরাতে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। আর আল্লাহ জানেন তোমরা জানো না।( সূরা আন-নূর:১৯)

অপসংস্কৃতির আগ্রাসন থেকে মুক্ত হোক বাংলাদেশ।
Masum prodhan.

24/01/2024
31/12/2023

হে যুবক,
তুমি নিজেকে স্মার্ট,আধুনিক, এবং মডার্ন মনে করে ইসলামের হাজারো ইবাদত করার মত রাত ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে পার করে দিচ্ছো।
অথচ
থার্টিফার্স্ট নাইট সারারাত জেগে জেগে তুমি হই হুল্লর, নাচ, গান,ড্রিংকস,মদপান করে বিভিন্ন অশ্লীলতা, বেহায়াপনা করে রাত পার করছো।

হে যুবক,
তুমি ইসলামী সংস্কৃতিকে তুচ্ছ মনে করে (হ্যাপি নিউ ইয়ার )পালন করে সারাদিনব্যাপী বিজাতীয় বিভিন্ন অপসংস্কৃতি কাজকর্ম করে থাকো।
থার্টি ফাস্ট নাইটে যারা ফানুস উড়িয়ে আতশবাজি ফুটিয়ে এবং সাউন্ড বক্স ও বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে মানুষদেরকে কষ্ট দাও,
হে যুবক, তোমাদের এসব গান-বাজনার শব্দে যেসব বৃদ্ধ,বয়স্ক মানুষের অসুস্থতা বেড়ে যায় তারা নিঃসন্দেহে মাজলুম।
যুবক তুমি নিঃসন্দেহে জুলুমকারী, মাজলুমদের ফরিয়াদে তোমার বিচার হবেই হবে।
সুতরাং,
মনে রেখো হে যুবক,
ফেতনার এই ভয়াবহ স্রোতে তুমি নিজের গা ভাসিয়ে দিও না। নিজে এসব অপসংস্কৃতি থেকে বাঁচিয়ে চলো।

কেননা,

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি বিজাতির সাদৃশ্য অবলম্বন করে, সে তাদের দলভুক্ত গণ্য হবে। (আবু দাউদ)
হে মহান রব মুসলিম যুবকদেরকে বিজাতীয় অপসংস্কৃতি থেকে হেফাজত করুন।

Address

Rangpur
5740

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Masum Prodhan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share