Muslim's

Muslim's Islamic page

10/08/2022

ইয়া আল্লাহ 😞💔

হে আল্লাহ আমাদের মুসলিম উম্মাহকে রক্ষা করুন
গাজা, ফিলিস্তিনিদের জন্য প্রার্থনা করুন।
গাজায় এখন ভয়াবহতা 😭বেড়েছে

27/07/2022

খালিদ বিন ওয়ালিদ (রা.) স্ত্রীকে বললেন- ‘প্রিয়তমা স্ত্রী, আমি বেশিক্ষণ বাঁচবো বলে মনে হচ্ছে না। তুমি আমার সারাটা শরীর পরীক্ষা করে দেখ, এমন কোনো স্থান কি আমার শরীরে আছে যেখানে শত্রুর তরবারীর আঘাত নেই’?

দীর্ঘক্ষণ পরীক্ষা করে স্ত্রী উত্তর দিলেন- ‘না। আল্লাহর রাস্তায় আপনি এত বেশি যুদ্ধ করেছেন যে আপনার সারাটা শরীরেই শত্রুর আঘাত আছে’।

খালিদ বিন ওয়ালিদ (রা.) তখন দুঃখ নিয়ে বললেন- ‘আল্লাহর কসম, প্রতিটা জিহাদে আমার নিয়ত থাকতো যেন আমি ময়দানে শত্রুর আঘাতে মারা যাই, তাতে যেন শহীদের মর্যাদা পাই। কিন্তু আফসোস, দেখ আজ যুদ্ধের ময়দানে মৃত্যু না হয়ে আমার মৃত্যু হচ্ছে আমারই বিছানায়! আমায় কি আল্লাহ শহীদদের মাঝে রাখতে চান না’?

স্বামীর আফসোস দেখে স্ত্রী কিছুক্ষণ মৌন রইলেন। এরপর করলেন সেই বিখ্যাত উক্তি :- ‘আপনার নাম স্বয়ং রাসুল (সা.) রেখেছিলেন সাইফুল্লাহ/আল্লাহর তরবারী। এমন কোনো তরবারী কি দুনিয়ায় আছে যেটা আল্লাহর তরবারীর মোকাবিলা করতে পারে? তাইতো ময়দানে আপনার মৃত্যু হয়নি কারণ আল্লাহ তার তরবারী মাটিতে লুটিয়ে যেতে দেননি’।

25/07/2022
23/07/2022

ইমাম সাহেবের স্ত্রী রাশেদা বেগম হাতে মেহেদি লাগাচ্ছেন। তিনি সময় নিয়ে এতো চমৎকার মেহেদি ডিজাইন করেন, আশেপাশের অনেক মহিলা তার কাছে মেহেদি নিয়ে আসে। হাতে সময় থাকলে গল্প করতে করতে তাদের হাতে মেহেদি লাগিয়ে দেন।

গতো রোজার ঈদে সন্ধ্যা থেকে রাত এগারোটা পর্যন্ত শুনে গুনে নয়জনের হাতে মেহেদি দিয়েছেন। একজন একজন করে এসে বলতো, "ভাবি, এবার কিন্তু না করতে পারবেন না।"

চাঁদ রাতে পিঠা বানাতে চেয়েছিলেন। সবার আবদার দেখে আর পিঠা বানাবেন কিভাবে? মেহেদি মাখাতে একসাথে কয়েকজন আসতো। তারা বললো, "আপনি আমাদেরকে মেহেদি মাখান, আমরা পিঠা বানিয়ে দিচ্ছি!"

বছরে একদিন এলাকার মেয়েদের অনুরোধ ফেলতে পারেননি।

মেয়েদের হাতে মেহেদি মাখাতে মাখাতে তিনি অনেক গল্প বলতেন। তার মাদ্রাসা জীবনের গল্প, যে গল্পের সাথে বেশিরভাগ মেয়ে পরিচিত না।

মাওলানা ইয়াসির আলী স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলেন, "বাসায় কি মেহেদি আরো আছে, নাকি নিয়ে আসবো?"

রাশেদা বেগম হাসলেন। তার কসমেটিক্সের বক্সে এতোগুলা মেহেদি আছে, মাওলানা সাহেব দেখলে ভড়কে যাবেন। যতোবার কসমেটিক্স কিনতে যান, সাথে একটা মেহেদি কিনেন।

স্বামীকে বললেন, "না, মেহেদি লাগবে না। আসার সময় আপেল নিয়ে আসবেন।"

মাওলানা ইয়াসির আলী বাজারে চলে গেলেন। 'এই সময়' স্ত্রীর ভালো খাবার দরকার। মাসের অন্য সময় বাসায় ফল না আনলেও এই চার-পাঁচদিন বিভিন্ন রকম ফল নিয়ে আসেন।

মাওলানার মেহেদি পাগলী বউ এই সময় আসলেই হাতে মেহেদি মাখে। নামাজ পড়তে হয় না, ওজু করতে হয় না। হাতে মেহেদি মাখলে অনেকদিন রঙ থাকে।

বেশিরভাগ সময় রাশেদা বেগম হাতে মেহেদি মেখে এসে বলে, "কেমন হলো?"

স্ত্রীর হাতে মেহেদি দেখে তিনি বুঝে ফেলেন স্ত্রী 'আর কী' বুঝাতে চাচ্ছে।

একবার পনেরো দিনের মাথায় রাশেদা বেগম দুইবার মেহেদি মাখেন। স্ত্রীর হাতে দ্বিতীয়বার মেহেদি দেখে মাওলানা সাহেবের চক্ষু চড়কগাছ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, "পনেরোদিনের মধ্যে দুইবার? মানে কী?"

রাশেদা বেগম হাসতে হাসতে বলেন, "আরে, এবার এমনিতেই মাখছি। আপনি কী ভাবছেন? শুধু ঐসময়ই মেহেদি মাখবো?"

রাশেদা বেগম মাদ্রাসায় থাকতে একটি হাদীস পড়েছিলেন। একবার এককজন মহিলা আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করেছিলেন, "ঋতুবতী নারীরা কি মেহেদি মাখতে পারবে?"

আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা জবাব দেন, তিনি এবং নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অন্যান্য স্ত্রীগণ সেই সময় হাতে মেহেদি মাখতেন। কিন্তু, নবিজী তাঁদেরকে বারণ করতেন না।

রাশেদা বেগমের মাদ্রাসায় নারীদের ফিক্বহের ক্লাস নিতেন একজন উস্তাদা। উস্তাদা নারী হওয়ায় ক্লাসের মেয়েরা সাবলীলভাবে নারী সংক্রান্ত মাসআলা জেনে নিতো।

সেদিনের ক্লাসে ঋতুবতী নারীর মেহেদি মাখা নিয়ে আর কেউ প্রশ্ন করেনি। সবাইকে চুপ থাকতে দেখে রাশেদা বেগম প্রশ্ন করেন, "উস্তাদা, তাহলে কি আমরা ঐসময় মেহেদি মাখবো?"

ক্লাসের সবাইকে অবাক করে দিয়ে উস্তাদা ফাতিমা কাওছার হাত মোজা খুলে তার হাতের মেহেদি দেখিয়ে বলেন, "অনেক ফক্বীহের মতে মেয়েদের এই সময় মেহেদি মাখা শুধু জায়েজই নয়, বরং মুস্তাহাব। আলকামা, আতা ইবনে আবি রাবাহ, ইমাম মালিক (রাহিমাহুল্লাহু আজমাইন) -দের মতে এই সময়কালে মেয়েদের জন্য মেহেদি মাখা উত্তম।"

রাশেদা বেগম সেদিন থেকে এই আমল করে যাচ্ছেন। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, মেহেদি মাখা এখন তার সাংকেতিক ভাষা হয়ে গেছে।

[মুসলিম সভ্যতায় জ্ঞানার্জনের ইতিহাস নিয়ে লেখা 'উত্তরসূরী' উপন্যাস থেকে। উপন্যাসের দুটো চরিত্র হলো মালিবাগ শাহী মসজিদের ইমাম মাওলানা ইয়াসির আলী ও তার স্ত্রী রাশেদা বেগম।]

লেখা

#আরিফুল ইসলাম

20/07/2022

যারা আমাকে পাওয়ার জন্য আমার রাস্তা তলাশ করে,তারা যদি আমার রাস্তা খুজে নাও পায়। তাহলে স্বয়ং আমি আল্লাহ তাকে রাস্তা দেখিয়ে দেই।
সূরা.আনকাবুত,আয়াতঃ৬৯

16/07/2022

আজকাল প্রায়ই খেয়াল করে দেখবেন কাপলদের রাস্তায়,রেস্টুরেন্ট,পার্কে ঘুড়ে বেড়াতে,কিন্তু স্বামী স্ত্রী খুব কম পাবেন।।এটা অপ্রিয় হলেও সত্য।।

প্রেমিকার সাথে সারারাত কথা বলাটা ভালোবাসার পরিচয় হলেও,বউয়ের সাথে একরাত গল্প করাটাই নেহাৎ বোকামি।।

প্রেমিকার লাল গোলাপ পছন্দ বলে সারা দুনিয়া এক করে লাল গোলাপ হাতে দিতে ব্যস্ত প্রেমিক,কিন্তু বউয়ের জন্য কখনোও একটা লাল গোলাপের আবদারে তার আদিখ্যেতা লাগে।।

প্রেমিকার হাতে বিস্বাদের খিচুড়িও অমৃত মনে হয়,মাসান্তে বউয়ের রান্নায় একদিন লবণ কম হলেই সেটা তার ভিষণ বড় অপরাধ।।

প্রেমিকার জন্য ৩২ মাইল দূরে গিয়ে ৩০ টাকার ফুসকা কিনতেও বাঁধে না,আর স্ত্রীর জন্য মাসে একদিন সময় বের করাটা অপচয় বলে মনে হয়!

প্রেমিকা অসুস্থ হলে ১০ মিনিট পরপরই তার খোঁজ নেওয়াটা কেয়ার বলে গন্য,আর স্ত্রী অসুস্থ হলে কেয়ার দরকার হয় না,বিরক্ত বিরক্ত লাগে!

একটা হারাম সম্পর্ককে মানুষ যেভাবে গুরুত্ব দেয়,যদি সেটা হালাল সম্পর্কে দেওয়া হতো তাহলে চারিদিকে এত সাংসারিক অশান্তি হতো নাহ্।।

16/07/2022

আর যদি কোন মানুষ আল্লাহর থেকে তার জীবনকে ফিরিয়ে নেয়,তাহলে তা একটি ব্যর্থ প্রকল্প, তার শেষ পরিণতি
হতাশা এবং আত্নহত্যা
- ড. মোস্তফা মাহমুদ

06/07/2022

গায়রত

এক
আগন্তুকঃ আপনার স্ত্রীর খবর কি! কেমন আছেন তিনি!
সাহাবীঃ আল্লাহর কসম! তোমার রক্ত যদি আমার জন্য হালাল হতো তাহলে আমি তোমার ঘার থেকে মস্তককে বিচ্ছিন্ন করে দিতাম। -রাযিআল্লাহু আনহু

দুই
এক সাহাবীঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ আমি যদি আমার স্ত্রীকে কোন ব্যক্তির সাথে দেখি তাহলে আমি তাকে হত্যা করে ফেলবো।

নবিজীঃ হে সাহাবীরা তোমরা কি অবাক হচ্ছো তার গায়রত দেখে!
তোমরা জেনে রাখ! আমি মোহাম্মদ তার থেকে বেশি গায়রত রাখি। -সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

আহ! উম্মাহর গায়রত আজ কোথায় গেলো।

শাইখ মুহাম্মদ বিন কাসিমের লেকচার থেকে।

(কালেক্টেড)
's

03/07/2022
24/06/2022

খলিফা আবদুল মালিক ছেলের জন্য পাত্রী খুঁজছেন। পুরো রাজ্য চষে বেড়ালেন। কাউকেই মনঃপূত হলো না। অবশেষে সন্ধান মিলল কাঙ্ক্ষিত সেই পাত্রীর। মদিনার ফকিহ সাঈদ ইবনুল মুসায়িবের কন্যা। তড়িঘড়ি করে প্রস্তাব পাঠানো হলো। সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব এ প্রস্তাবকে গনিমত মনে করবেন- এমনটিই ধারণা ছিল খলিফা আবদুল মালিকের। কিন্তু ফিরতি সংবাদে খলিফার মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়লো। সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে দিলেন। তিনি তার মেয়েকে খলিফাপুত্রের কাছে বিয়ে দেবেন না। বিশ্বাস হলো না খলিফার। বিশ্বাস হলো না রাজ্যের কারই।
এই দিকে সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিবের এক প্রিয় ছাত্র ছিল। বেশ কিছুদিন সে তার উস্তাদের দরসে আসছে না। কেউ জানেও না কী হয়েছে তার। অনেকদিন পর সেই ছাত্র দরসে এসে উপস্থিত।
সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব জিজ্ঞেস করলেন, 'তুমি কোথায় ছিলে?'
'আমার স্ত্রী মারা গিয়েছে। তাই এ নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম।' ছাত্র বলল,
'আমাকে সংবাদ দিলে না কেন? আমিও তার জানাযায় উপস্থিত হতাম। আচ্ছা তুমি কি আবারও বিয়ে করেছো?'
'আল্লাহ আপনার উপর রহম করুন। আমার কাছে কে মেয়ে বিয়ে দেবে? আমি তো দুই-তিন দিরহামেরও মালিক নই।'
'আমি মেয়ে বিয়ে দেব।'
ছাত্র অবাক হয়ে গেল। সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব দরুদ পড়লেন এবং দুই দিরহাম মোহরের বিনিময়ে তার মেয়ের সাথে ছাত্রের বিয়ে পড়িয়ে দিলেন। অন্য বর্ণনায় আছে, তিন দিরহাম। যেদিন বিয়ে হলো, সেদিন রাতেই মেয়েকে তিনি নিজ হাতে পাত্রের বাসায় পৌঁছে দিয়ে আছেন। এটাও বর্ণিত আছে বিয়ের এক মাস পর শ্বশুর সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব (রহ.) তার ছাত্রকে বিশ হাজার দিরহাম হাদিয়া পাঠিয়েছিলেন।
অধুনা সমাজের জন্য এ ঘটনায় অগুনতি শিক্ষা ও উপদেশ রয়েছে। ঘুণে ধরা বর্তমান সমাজ বিয়েকে কঠিন করে দিয়েছে। মেয়েদের ক্ষেত্রে রূপ-লাবণ্য এবং ছেলেদের ক্ষেত্রে বিপুল অর্থকড়ি আর ক্যারিয়ারকে বানানো হয়েছে যোগ্যতার মাপকাঠি। তাদের জন্য এ ঘটনা থেকে শিক্ষা নেওয়ার আছে বহুকিছু।
সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব খলিফার ছেলের কাছে মেয়ে বিয়ে দেননি। খলিফার ধন-সম্পদের অভাব ছিল না। প্রভাব প্রতিপত্তির অন্ত ছিল না। সেখানে তার মেয়ে বড্ড সুখে থাকতো। কিন্তু বিপুল পার্থিব শান-শওকত থাকলেও সেখানে ছিল না দীনদারি ও তাকওয়ার মহা দৌলত। আর এ দীনদারি ও তাকওয়াই বিয়ের ক্ষেত্রে প্রথম লক্ষণীয় বিষয় হওয়া বাঞ্চনীয়। তাহলেই বিয়ে বিচ্ছেদ কমে আসবে। নেক সন্তান জন্ম নেবে।
তার সাথী-সঙ্গীরা তাকে জিজ্ঞেস করেছিল, আপনি আমিরুল মুমিনিনের ছেলেকে প্রত্যাখ্যান করলেন। অথচ একজন সাধারণ হতদরিদ্র যুবকের সাথে বিয়ে দিলেন। এর কারণ কী? উত্তরে তিনি বলেছিলেন- দেখুন আমার কন্যা আমার কাঁধে অর্পিত একটি আমানত। আমি পরহেযগার ও যোগ্য পাত্রের কাছে তাকে পাত্রস্থ করতে চেয়েছি। তাকে বলা হলো, সেটি কীভাবে? যার নিকট মাত্র দুটি দিরহাম আছে। যার খাদ্যের যোগান তেল ও একটি রুটি। বাসস্থান একটি কুঁড়েঘর। তার চেয়ে তো খলিফার ছেলেই উত্তম ছিল। তিনি বললেন- তোমাদের কী ধারণা? আমার মেয়ে যখন বনু উমাইয়াদের প্রাসাদে গিয়ে বিভিন্ন মূল্যবান পোশাকে নিজেকে আচ্ছাদিত করতো, তার সামনে পিছনে ও ডানে-বামে দাসীরা ঘুরোঘুরি করতো, আর সে নিজেকে খলিফার স্ত্রী মনে করতো- তখন তার দীন কোথায় যেত?
আবদুল মালিকের ছেলের সাথে নিজ কন্যাকে বিয়ে না দেওয়ায় সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিবকে শীতের দিনে একশোটি বেত্রাঘাত করা হয়েছিল। তার উপর এক কলস পানি ঢালা হয়েছিল এবং পশমের জুব্বা পরানো হয়েছিল।
এমনই ছিল তার দুনিয়াবিমুখতার নমুনা। তিনি প্রথম সারির তাবেয়ি ছিলেন। ছিলেন মদিনার ইমাম ও ফকিহ। তিনি অনেক সাহাবির সাক্ষাতে ধন্য হয়েছেন। তাদের মধ্যে হযরত ওমর, উসমান, আলি (রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম) উল্লেখযোগ্য।
'সালাফদের ইবাদাত' বই থেকে চয়িত।

( সংগৃহীত)

24/06/2022

"প্রত্যেক মানুষের অন্তরেই রয়েছে অস্থিরতা,যা কেবল আল্লাহর কাছে ফিরে গেলেই ঠিক করা সম্ভব। প্রত্যেক মানুষের অন্তরে এক শূন্যতা রয়েছে,সেটা কেবল আল্লাহর কাছে ফিরে গেলেই দূর কারা সম্ভাব।প্রত্যেক মানুষের অন্তরে রয়েছে ভয় আর উৎকন্ঠা, যা কেবল আল্লাহর কাছে আশ্রয় নিলেই দূর করা সম্ভব। আর প্রত্যেক মানুষের অন্তরেই রয়েছে হতাশা,যেটা কেবল আল্লাহর উপর সন্তুষ্ট হলেই দূর করা সম্ভব। "

ইমাম ইবনুল কায়্যিম(র.)
(মাদারিজুস সালেকিনঃ৩/১৫৬)

22/06/2022

কেউ কারো কষ্ট অনুভব করতে পারবে না
রব ছাড়া

Address

Rangpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Muslim's posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Muslim's:

Share