Radha Krishna Picture

Radha Krishna Picture কলি যুগে একমাত্র মুক্তির পথ হলো কৃষ্ণ নাম 🕉️
তাই সবাই একাবার বলো :

🙏🙏হরে কৃষ্ণ🙏🙏

14/01/2026

শ্রী গণেশ শক্তিশালী মন্ত্র | বুধবার শ্রবণ করুন | সাফল্য ও শুভ ফল লাভ করুন 🕉️

#শ্রী_গণেশ #শক্তিশালী_মন্ত্র #সাফল্য_শুভফল #বিঘ্নবিনাশক

একাদশি কি?একাদশি হলো হিন্দু পঞ্জিকার মাসের চন্দ্র মাসের একাদশী তিথি, অর্থাৎ প্রতি মাসের চন্দ্র মাসের ১১তম দিন। এই দিনে ভ...
13/01/2026

একাদশি কি?
একাদশি হলো হিন্দু পঞ্জিকার মাসের চন্দ্র মাসের একাদশী তিথি, অর্থাৎ প্রতি মাসের চন্দ্র মাসের ১১তম দিন। এই দিনে ভক্তরা সাধারনত উপবাস ও ভগবানের পূজা করেন। একাদশি তিথি প্রধানত শরীর ও মনকে শুদ্ধ করার জন্য পালন করা হয়।

একাদশির বৈশিষ্ট্য:
একাদশি হলো পবিত্র ও শক্তিশালী দিন, বিশেষত ভগবান বিষ্ণুর আরাধনার জন্য।
একাদশি তিথিতে উপবাস করলে পাপ নষ্ট হয় এবং আধ্যাত্মিক শক্তি বৃদ্ধি পায়।
অনেক ভক্ত এই দিনে ধার্মিক পঠন, জপ, ধ্যান এবং মন্ত্রপাঠ করেন।

একাদশি পালন:
উপবাস:
নিরামিষ খাবার খাওয়া যায় (অনেকেই শুধু জল পান করেন)।

ভগবানের জপ ও ধ্যান:
বিশেষ করে শ্রীবিষ্ণু মন্ত্র, ওঁ নમো ভগবতে বিষ্ণুায় এর মতো মন্ত্র।

পবিত্র জায়গায় পূজা ও দান:
দারিদ্র্য নিবারণ ও পুণ্য বৃদ্ধি করতে দরিদ্রদের খাদ্য, ধন বা পোশাক দান করা যায়।

উপকারিতা:
মানসিক শান্তি বৃদ্ধি।
পাপের নাশ এবং কর্মফলের উন্নতি।
রোগ-বালাই ও অশুভ শক্তি দূর হয়।

Hare Krishna || Radhe Radhe 🚩🥰😳🙏
06/01/2026

Hare Krishna || Radhe Radhe 🚩🥰😳🙏

হরে কৃষ্ণ 🌺🙏
30/12/2025

হরে কৃষ্ণ 🌺🙏

"হে কৃষ্ণ করুণাসিন্ধু দীনবন্ধো জগৎপতে।" 🔱​আগামীকাল ৩০শে ডিসেম্বর, বছরের শেষ একাদশী—পৌষ পুত্রদা একাদশী। জীবনের সকল বাধা দ...
29/12/2025

"হে কৃষ্ণ করুণাসিন্ধু দীনবন্ধো জগৎপতে।" 🔱

​আগামীকাল ৩০শে ডিসেম্বর, বছরের শেষ একাদশী—পৌষ পুত্রদা একাদশী। জীবনের সকল বাধা দূর করতে এবং আধ্যাত্মিক উন্নতির পথে একধাপ এগিয়ে যেতে আসুন আমরা এই পবিত্র তিথি পালন করি।

​ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কৃপা সবার ওপর বর্ষিত হোক। হরে কৃষ্ণ!

​ #শান্তি

আজ ১৪ই অগ্রহায়ন ৫১৬২তম গীতা জয়ন্তীর শুভেচ্ছা সবাইকে,,,,❤❤আজকের এই পবিত্র দিনে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে গীতার জ্ঞান প্রদা...
01/12/2025

আজ ১৪ই অগ্রহায়ন ৫১৬২তম গীতা জয়ন্তীর শুভেচ্ছা সবাইকে,,,,❤❤
আজকের এই পবিত্র দিনে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে গীতার জ্ঞান প্রদান করেছিলেন।
"""""জয় গীতা"""""'''জয় গীতা"""'

 # # 👉শ্রীমদ্ভগবদগীতা পাঠ শেষে কি গীতার মাহাত্ম্য পড়া বাধ্যতামূলক?শ্রীমদ্ভগবদগীতা পাঠ শেষে গীতার মাহাত্ম্য (Mahatmya) প...
01/12/2025

# # 👉শ্রীমদ্ভগবদগীতা পাঠ শেষে কি গীতার মাহাত্ম্য পড়া বাধ্যতামূলক?

শ্রীমদ্ভগবদগীতা পাঠ শেষে গীতার মাহাত্ম্য (Mahatmya) পড়া বাধ্যতামূলক নয়, তবে এটি ঐচ্ছিক এবং অত্যন্ত ফলদায়ক বলে মনে করা হয়।

🙏 গীতার মাহাত্ম্য পাঠের গুরুত্ব

গীতার মাহাত্ম্য হলো এমন শ্লোক বা অনুচ্ছেদ যা শ্রীমদ্ভগবদগীতার গৌরব, প্রভাব, এবং পাঠের ফল বর্ণনা করে।

👉পুণ্য লাভ: অনেকে বিশ্বাস করেন যে গীতা পাঠের পর মাহাত্ম্য পাঠ করলে সম্পূর্ণ ফল বা পুণ্য লাভ হয়। এটি একটি ঐতিহ্যগত রীতি।

👉মহিমা উপলব্ধি: মাহাত্ম্য পাঠের মাধ্যমে পাঠক গীতার আध्यात्मিক শক্তি এবং মহিমা আরও গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পারেন।

👉সমাপনী প্রার্থনা: এটি এক প্রকার সমাপনী প্রার্থনা বা উপসংহার হিসেবে কাজ করে, যা পাঠের প্রক্রিয়াকে পূর্ণতা দেয়।

👉শ্রদ্ধা ও ভক্তি: এটি পাঠকের হৃদয়ে গীতার প্রতি আরও শ্রদ্ধা ও ভক্তি জাগাতে সাহায্য করে।

🧐 শাস্ত্রীয় দৃষ্টিকোণ

শাস্ত্রে কোথাও সরাসরি এমন বাধ্যতামূলক বিধান দেওয়া হয়নি যে গীতা পাঠের পর মাহাত্ম্য পড়তেই হবে। একজন ভক্ত বা পাঠক যদি শুধু মূল গীতা পাঠ করেন এবং তার শিক্ষাগুলি হৃদয়ঙ্গম ও অনুসরণ করেন, তবে সেটাই প্রধান উদ্দেশ্য পূরণ করে। তবে, অধিকাংশ পরম্পরা ও পন্ডিতেরা মাহাত্ম্য পাঠ করার পরামর্শ দেন এর অতিরিক্ত আধ্যাত্মিক সুফল এবং পাঠের পূর্ণতা লাভের জন্য।

👉👉সারসংক্ষেপ: আপনি যদি সময় ও সুযোগ পান, তবে গীতা পাঠ শেষে এর মাহাত্ম্য অবশ্যই পড়া উচিত। কিন্তু যদি কোনো কারণে না পারেন, তাতেও আপনার মূল গীতা পাঠের ফল নিষ্ফল হবে না।

👉👉মোক্ষদা একাদশী ব্রত🙏🏻🙏🏻প্রতি বছর মার্গশীর্ষ (অগ্রহায়ণ) মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী তিথিটি মোক্ষদা একাদশী নামে পরিচিত। 'ম...
01/12/2025

👉👉মোক্ষদা একাদশী ব্রত🙏🏻🙏🏻

প্রতি বছর মার্গশীর্ষ (অগ্রহায়ণ) মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী তিথিটি মোক্ষদা একাদশী নামে পরিচিত। 'মোক্ষদা' শব্দের অর্থ হলো—যিনি মুক্তি দান করেন। হিন্দুধর্মে এই তিথির গুরুত্ব অপরিসীম। বিশ্বাস করা হয়, এই পবিত্র তিথিতে উপবাস ও ব্রত পালনের মাধ্যমে কেবল বর্তমান জীবনের পাপই নয়, বরং পূর্বপুরুষদের আত্মাও মুক্তি বা মোক্ষ লাভ করে। এই তিথিতেই ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে কুরুক্ষেত্রের ময়দানে গীতার জ্ঞান দান করেছিলেন বলে মনে করা হয়।

​👉👉মোক্ষদা একাদশীর ব্রত কথা🙏🏻🙏🏻

এই ব্রত কথার কেন্দ্রে আছেন বৈখানস (Vaikanas) নামক এক ধর্মপ্রাণ রাজা, যিনি চম্পক নগর শাসন করতেন।

ক. রাজার স্বপ্ন ও পিতার কষ্ট

এক রাতে রাজা বৈখানস এক বিভীষিকাময় স্বপ্ন দেখেন। তিনি দেখেন যে তাঁর স্বর্গীয় পিতা নরকে বা অত্যন্ত কষ্টকর পরিস্থিতিতে কষ্ট পাচ্ছেন। এই দৃশ্য দেখে রাজা গভীরভাবে বিচলিত হন। ঘুম ভাঙার পর তিনি সঙ্গে সঙ্গে রাজ্যের বিদ্বান ব্রাহ্মণ ও পন্ডিতদের ডেকে তাঁর স্বপ্নের কথা জানান এবং পিতার মুক্তির উপায় জানতে চান। কিন্তু কেউ এই সমস্যার সঠিক সমাধান দিতে পারেননি।

খ. পর্বত মুনির উপদেশ

অবশেষে রাজা বৈখানস এক মহান সাধক, পর্বত মুনি (Parvata Muni)-এর আশ্রমে যান। পর্বত মুনি তাঁর যোগশক্তির মাধ্যমে রাজার পিতার অবস্থা জানতে পারেন। মুনি রাজাকে জানান যে, তাঁর পিতা তাঁর পূর্বকৃত একটি গুরুতর পাপের কারণে নরক যন্ত্রণা ভোগ করছেন। পিতা মুক্ত হতে পারেন এমন উপায় জানতে চাইলে মুনি রাজাকে বলেন, "হে রাজন, আপনি মার্গশীর্ষ মাসের শুক্লপক্ষের মোক্ষদা একাদশী ব্রত পালন করুন। এই ব্রত পালনের ফলে যে পূণ্য বা পুণ্যফল আপনি লাভ করবেন, তা আপনার পিতাকে উৎসর্গ করুন। একমাত্র এই উপায়েই আপনার পিতা নরক থেকে মুক্তি লাভ করে মোক্ষ প্রাপ্ত হতে পারেন।"

গ. মুক্তির পথ

পর্বত মুনির কথা শুনে রাজা যথাসময়ে ভক্তি সহকারে সমস্ত নিয়ম মেনে মোক্ষদা একাদশী ব্রত পালন করেন। ব্রত শেষে, রাজা তাঁর সমস্ত পূণ্য তাঁর পিতার উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেন। এই পূণ্যের প্রভাবে রাজার পিতা সঙ্গে সঙ্গে নরক থেকে মুক্তি পান এবং স্বর্গ বা বৈকুণ্ঠের পথে যাত্রা করেন।

​👉👉মোক্ষদা একাদশীর মাহাত্ম্য🙏🏻🙏🏻

মোক্ষ লাভ: এই ব্রত পালনের মূল উদ্দেশ্যই হলো মুক্তি। বিশ্বাস করা হয় যে, এই দিনে উপবাস করলে সকল পাপ থেকে মুক্তি লাভ করা যায়।
গীতা জয়ন্তী: এই দিনেই কুরুক্ষেত্রের ময়দানে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার জ্ঞান দান করেছিলেন। তাই মোক্ষদা একাদশীর দিনে গীতা পাঠ করা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়।

​👉👉বিষ্ণু পূজা: এই একাদশীতে ভগবান বিষ্ণুর পূজা এবং ধ্যান করা হয়।

​👉👉পূজা পদ্ধতি (সংক্ষেপে)🙏🏻🙏🏻

মোক্ষদা একাদশীর দিন সকালে স্নান সেরে পরিষ্কার কাপড় পরিধান করতে হয়। এরপর সারা দিন উপবাস থেকে ভগবান বিষ্ণুর পূজা করতে হয়। এই দিন তুলসী পাতা অর্পণ করা এবং বিষ্ণু সহস্রনাম পাঠ করা শুভ বলে বিবেচিত। এই দিনে অবশ্যই দান-ধ্যান করা উচিত।

শ্রীমদ্ভগবদগীতার জ্ঞান কাউকে দান বা প্রচার করলে কি লাভ হয়:-পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং বলেছেন,যঃ ইদম্ পরমম্ গুহ্যম্...
01/12/2025

শ্রীমদ্ভগবদগীতার জ্ঞান কাউকে দান বা প্রচার করলে কি লাভ হয়:-

পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং বলেছেন,

যঃ ইদম্ পরমম্ গুহ্যম্ মৎ ভক্তেষু অভিধাস্যতি ৷
ভক্তিম্ ময়ি পরাম্‌ কৃত্বা মাম্ এব এষ্যতি অসংশয়ঃ ৷৷

অনুবাদঃ যিনি আমার ভক্তদের মধ্যে এ পরম গোপনীয় গীতাবাক্য উপদেশ দান করলে, তিনি অবশ্যই পরাভক্তি লাভ করে নিঃসন্দেহে আমার কাছে ফিরে আসবেন। ─── (ভগবদ্গীতা-১৮/৬৮)।

ন চ তস্মাৎ মনুষ্যেষু কশ্চিৎ মে প্রিয়কৃত্তমঃ ৷
ভবিতা ন চ মে তস্মাৎ অন্যঃ প্রিয়তরঃ ভুবি ৷৷

অনুবাদঃ এ পৃথিবীতে মানুষের মতো তাঁর থেকে অধিক প্রিয়কারী আমার আর কেউ নেই এবং তার চেয়ে অন্য কেউ আমার প্রিয়তর কেউ হবে না। ─── (ভগবদ্গীতা-১৮/৬৯)।

সবাইকে গীতা জয়ন্তীর আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা |🌿🌺

30/11/2025

নতুন যারা একাদশী পালন করবেন তাদের জন্য শুদ্ধভাবে একাদশী পালনের সঠিক নিয়মাবলি দেওয়া হলো:-একাদশী ব্রত পালনের একমাত্র প্রকৃ...
30/11/2025

নতুন যারা একাদশী পালন করবেন তাদের জন্য শুদ্ধভাবে একাদশী পালনের সঠিক নিয়মাবলি দেওয়া হলো:-
একাদশী ব্রত পালনের একমাত্র প্রকৃত উদ্দেশ্যে কেবল উপবাস করা নয়। নিরন্তর ভগবান এর নাম স্মরণ, মনন, ও শ্রবন কীর্তনের মাধ্যমে একাদশীর দিন অতিবাহিত করতে হয়। এই দিন যতোটুকু সম্ভব উচিত একাদশী পালনে পরনিন্দা, পরচর্চা, মিথ্য ভাষণ, ক্রোধ, দুরাচারী, স্ত্রী সহবাস, সম্পূর্ণ রূপে নিষিদ্ধ। নিন্মোক্ত বিষয়গুলোর প্রতি দৃষ্টিপাত করে তা পালন করতে হবে।
১) সমর্থ পক্ষে দশমীতে একাহার, একাদশীতে নিরাহার, ও দ্বাদশীতে একাহার করতে হবে।
২) তা পালন করতে অসমর্থ হলে, শুধু মাত্র একাদশীতে অনাহার করতে হবে।
৩) যদি তাও পালনে অসমর্থ হলে, একাদশীতে অবশ্যই পঞ্চ রবিশস্য বর্জন করবে। ফলমূলাদি অনুকল্প গ্রহণের বিধান রয়েছে।
● একাদশী ব্রতের আগের দিন রাত ১২ টার আগেই অন্ন ভোজন শেষ করে নিতে হয়। ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই দাঁত ব্রাশ করে নিতে হবে যাতে দাঁতে বা মুখে একটুকরো অন্ন লেগে না থাকে।
● ব্রম্ভমুহূর্তে শয্যা ত্যাগ করে (ভোর ৪-৪ঃ৩০) শুচিশুদ্ধ হয়ে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মঙ্গল আরতিতে অংশগ্রহণ করতে হয়। শ্রীকৃষ্ণের পাদপদ্মে প্রার্থনা করতে হয়, “হে শ্রীকৃষ্ণ, আজ যেন এই মঙ্গলময়ী পবিত্র একাদশী সুন্দরভাবে পালন করতে পারি, আপনি আমাকে কৃপা করুন।”
● একাদশীতে শরীর ও মাথাতে প্রসাধনীর ব্যবহার নিষিদ্ধ, যেমন – সুগন্ধী সাবান, তেল, শ্যাম্পু ইত্যাদি। এছাড়া একাদশীতে পরনিন্দা-পরচর্চা, মিথ্যাভাষণ, ক্রোধ, দিবানিদ্রা, সাংসারিক ঝামেলা বর্জনীয়। এই দিন গঙ্গা আদি তীর্থে স্নান করতে হয়। মন্দির মার্জন, শ্রীহরির পূজার্চনা, স্তবস্তুতি, গীতা-ভাগবত পাঠ আলোচনায় বেশি করে সময় অতিবাহিত করতে হয়।
● এই তিথিতে শ্রীকৃষ্ণের লীলা স্মরণ এবং তাঁর দিব্য নাম শ্রবণ করাই হচ্ছে সর্বোত্তম। শ্রীল প্রভুপাদ ভক্তদের একাদশীতে ২৫ মালা বা যথেষ্ট সময় পেলে আরো বেশি জপ করার নির্দেশ দিয়েছেন, তবেই আপনি চিণ্ময় আনন্দ অনুভব করবেন।
(১ মালা = ১০৮ বার)।
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম, রাম রাম হরে হরে।
● একাদশীর দিন সকল প্রকার ক্ষৌরকর্ম যেমন – দাড়ি-গোঁফ কাটা (শেভিং), চুল, নখ ইত্যাদি কাটা নিষিদ্ধ।
● একাদশীর সময়কালে সব্জি কাটার থেকে সতর্ক থাকতে হবে। যেনো কোথাও কেটে না যায়। একাদশীতে র*ক্ত ক্ষরণ বর্জনীয়।
● একাদশী ব্রত পালনে ধর্ম, অর্থ, কাম, মোক্ষ আদি বহু অনিত্য ফলের উল্লেখ শাস্ত্রে থাকলেও শ্রীহরিভক্তি বা কৃষ্ণপ্রেম লাভই এই ব্রত পালনের মুখ্য উদ্দেশ্য। ভক্তগণ শ্রীহরির সন্তোষ বিধানের জন্যই এই ব্রত পালন করেন। পদ্মপুরাণ, ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণ, বরাহপুরাণ, স্কন্দপুরাণ ও বৈষ্ণবস্মৃতিরাজ শ্রীহরিভক্তিবিলাস আদি গ্রন্থে এ সকল কথা বর্ণিত আছে।
● হরিবাসরে (একাদশীতে) রাত্রি জাগরণের বিধি আছে। মহান গোস্বামীগন ও আচার্যবৃন্দের অনুমোদিত তালিকা বা পঞ্জিকায় যে সমস্ত একাদশী নির্জলা (জল ব্যতীত) ব্রত পালনের নির্দেশ প্রদান করেছেন, সেগুলি সেই মতো পালন করলে সর্বোত্তম হয়।
● একাদশীর মাহাত্ম্য ভগবদ্ভক্তের শ্রীমুখ হতে শ্রবণ করতে হয় অথবা সম্ভব না হলে নিজেই ভক্তি সহকারে পাঠ করতে হয়। কৃষ্ণ ভজন, কৃষ্ণ কথা, শ্রীমদ্ভাগবতম, শ্রীমদ্ভাগবত কথা, চৈতন্য মহাপ্রভুর লীলাকথা, জগন্নাথদেবের লীলাকথা প্রভৃতি পাঠ করতে হবে। সম্ভব হলে শুদ্ধ ভক্তের শ্রীমুখ হতে শ্রবণ করতে হবে।
● নির্জলা ও নিরাহার থেকে একাদশী পালন করতে একান্ত অপারগ হলে জল সহ কিছু সবজি, ফলমূল গ্রহণ করতে পারবে। নির্জলা উপবাস শুষ্ক উপবাস নামে পরিচিত। যেমন, আলু, মিষ্টি আলু, কুমড়ো, চালকুমড়ো, পেঁপে, টমেটো, ফুলকপি, বাঁধাকপি, ক্যাপসিকাম ইত্যাদি সবজি, ঘি, সূর্যমুখী তেল অথবা বাদাম তেলে রান্না করে ভগবানকে উৎসর্গ করে, আহার করতে পারবেন। কাঁচা হলুদ অথবা ঘরে বানানো গুঁড়ো হলুদ, মরিচ, সৈন্ধব লবণ (Rock salt) ব্যবহার করবেন।
● আবার অন্যান্য আহার্য যেমন, দুধ, দই, কলা, আপেল, আঙুর, আনারস, আঁখ, আমড়া, তরমুজ, বেল, নারিকেল, আলু, বাদাম, লেবুর শরবত ইত্যাদি ফলমূল খাওয়া যায়।
● একাদশীতে সাবু খাওয়া যায় তবে অনেকক্ষেত্রে সাবু দানার উপর ময়দার কোটিং দেওয়া হয় ভারি করার জন্য, নিশ্চিত না হলে সাবু না খাওয়াই ভালো।
● একাদশীতে পাঁচ প্রকার রবিশস্য গ্রহণ করতে নিষেধ করা হয়েছে —
১) ধান জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন, চাল, মুড়ি, চিড়া, সুজি, পায়েস, খিচুড়ি ,চালের পিঠা, খৈ, ইত্যাদি।
২) গম জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন, আটা, ময়দা, সুজি, বেকারির বিস্কুট, বা সকল প্রকার বিস্কুট, বেকারির রুটি, হরলিক্স জাতীয় ইত্যাদি।
৩) যব বা ভূট্টা জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন, ছাতু, খই, রুটি ইত্যাদি।
৪) ডাল জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন, মুগ, মসুরী, মাসকলাই, খেসারী, ছোলা, অড়হর, বিউরি, মটরশুঁটি, বরবটি, সিম ইত্যাদি।
৫) সরিষার তেল, সয়াবিন তেল, তিল তেল, ইত্যাদি।
● একাদশীতে রান্নার সময় পাঁচ ফোড়ন ব্যবহারে সতর্ক থাকা উচিত। কারন, পাঁচ ফোঁড়নে অনেক সময় সরিষার তেল ও তিল থাকে, যা বর্জনীয়।
● একাদশীতে খাদ্যশস্য গ্রহণ করলে যে পা*প হবে অন্যকে খাওয়ালেও সেই একই পা*প হয়।
● একাদশীতে চা, বিড়ি, সিগারেট, পান, কফি, মদ, আফিম, গাঁজা, বা অন্য কোনও জাতীয় নেশাজাতীয় দ্রব্য গ্রহণ করবেন না।
হরে কৃষ্ণ 🌺🌿

Radhe Radhe 🌺🙏
21/11/2025

Radhe Radhe 🌺🙏

Address

Rangpur

Telephone

+8801610395009

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Radha Krishna Picture posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Radha Krishna Picture:

Share