Open The Truth - সত্য উন্মোচন

Open The Truth - সত্য উন্মোচন Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Open The Truth - সত্য উন্মোচন, Religious organisation, Rangpur.

শিবলিঙ্গে ভালোই অর্গাজম হচ্ছে ভারতের ম্যাগি নুডলস তাসলীমা নাসরিনের।বাবরি মসজিদ যারা ভাঙ্গছে তারা সবাই সন্ন্যাসি,মুশকানের...
14/02/2025

শিবলিঙ্গে ভালোই অর্গাজম হচ্ছে ভারতের ম্যাগি নুডলস তাসলীমা নাসরিনের।

বাবরি মসজিদ যারা ভাঙ্গছে তারা সবাই সন্ন্যাসি,মুশকানের হিজাব ধরে যারা টান দিছে ওরা সবাই সন্ন্যাসি,গরু খাওয়ার অপরাধে রাস্তায় ফেলে জবেহ করা মানুষ গুলো সন্ন্যাসি,গরু বহন করার অপরাধে ৬০ বয়সের বৃদ্ধকে যারা মারছে তারা সবাই সন্ন্যাসি।

তাসলিমা মুসলিমদের হজ নিয়ে টাকা "অপচয়" নামক খোচা মারলেও মূর্তির পিছে বাশ দিয়ে পানি ঢুবানোকে কখনো "অপচয়" বলবে না কেননা বললে তাসলীমার যোনীর ভিতর হিন্দু সন্ন্যাসিরা মন্ত্র পড়তে পড়তে বাশ ঢুকিয়ে দিবে।

তাসলীমা মুসলিমদের কোরবানী ঈদে "পশু হত্যা" বলে চিৎকার তুললেও পাঠা বলিতে "পশু হত্যা" বলে না কারন বললেই হিন্দু সন্ন্যাসিরা তাকে কালির সামনে বলি দিয়ে দিবে।
তাসলীমা মুসলিমদের আযানে "শব্দ দূষন" পেলেও হিন্দু সন্ন্যাসিদের "ঢুপ" পুজাতে বায়ূদূষন বলে না কারন বললেই তাসলীমাকে চিতার আগুনে ধূয়া বানিয়ে উড়িয়ে দিবে।

গুজরাটের বিলকিস বানুর পুরো পরিবারকে হত্যাকারী এবং বিলকিস বানুকে গনধর্ষনকারী ও ধষর্ণে তার গর্ভের বাচ্চা নষ্টকারী সবাই ব্রাহ্মণ সন্ন্যাসী ছিল।

কাশ্মীরের ৬ বছরের আসিফা বানুক কে ১০ দিন ধরে মন্দিরের ভিতরে আটকে রেখে ধর্ষণ এবং পাথর দিয়ে তেতলে হত্যাকারী সবাই সন্ন্যাসী ওই মন্দিরের পুরোহিত ছিল।
তারপরও এইসব বে*শ্যা তসলিমানির চোঁখে হিন্দু সন্ন্যাসীদের করা ভালো কাজ। এগুলো তারা করতে পারে,এগুলোর বিরুদ্ধে বলা যাবে না, যদি কখনো ভুলেও তসলিমানি এগুলা কে খারাপ বলে, তবে নারীবাদ ধ্বংস হয়ে যাবে, এবং সব সন্ন্যাসীরা মিলে তসলিমানিকে গণধর্ষণ করবে, যেভাবে ব্রহ্মা নিজের মেয়ে সরস্বতীকে করেছিল।

ওদের মতো পা চাটা গোলামরা প্রকৃত ধর্ম ব্যাবসায়ী।
নেপালে আসাদ চাটে বৌদ্ধের পা,তাসলীমা ভারতে চাটে শিবলিঙ্গ, জার্মানিতে আসিফ চাটে সেক্যর পেনিস,আমেরিকাতে বহুজন চাটে যীশুর পা। ওরা এভাবেই ধর্ম ব্যাবসা করে পরজীবী হয়েই বেচে থাকে।

কয়জনই বা জাকির নায়েক পারে হতে।
হিন্দু সংখ্যা গরিষ্ঠ উগ্রদের জমিনেই হিন্দু ধর্মকে যুক্তি তর্কের মাধ্যমে ধূয়ে দিতে।

নারী অর্গাজমে সন্তুষ্ট। যে দিতে পারে তার গুনগান গাইবেই।
তাসলীমা সেই সুখটাই পাচ্ছে শিবলিঙ্গের মাঝে।

বৈদিক ধম্ম ও বৈদিক শাস্ত্রের মধ্যে কোনো অমানবিকতা নেই, বিশ্বাস করুন। আর ঋষি গৌতম তার ধর্মসূত্রে যে বিধান দিয়ে গিয়েছে শ...
22/11/2024

বৈদিক ধম্ম ও বৈদিক শাস্ত্রের মধ্যে কোনো অমানবিকতা নেই, বিশ্বাস করুন। আর ঋষি গৌতম তার ধর্মসূত্রে যে বিধান দিয়ে গিয়েছে শূদ্রদের বিরুদ্ধে সেটা মোটেও অমানবিক না বরং মানবিক ও মানবতার স্বরূপ।

© খাইরুদ্দিন বাইবার্স

15/09/2024

ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনকারী ভাইয়েরা, রাগ করবেন না। কয়েকটা কথা বলি। একটু ঠাণ্ডা মাথায় ভাবুন।
নামাজ, রোজা এগুলো শরিয়তের বিধান। কুরআন-হাদিসে এগুলোর নিয়ম বিস্তারিত উল্লেখ আছে। আপনি রুকু-সিজদাতে কয়বার তাসবিহ বলবেন, কোন বাক্য বলবেন এটাও হাদিসে উল্লেখ আছে। ঈদে মিলাদুন্নবী যদি শরিয়তের বিধান হয়, এটা যদি "সকল ঈদের বড় ঈদ" হয় তাহলে এর সময়কাল এবং এই ঈদের নামাজের নিয়ম বিশুদ্ধ হাদিস থেকে উল্লেখ করুন।
আপনি বলতে চাচ্ছেন নবী(ﷺ) এর আগমনে খুশী হয়ে আনন্দ উদযাপন করছেন? খুবই ভালো কথা। এই আনন্দ উদযাপনের নিয়ম একটু হাদিস থেকে উল্লেখ করুন। ঈদুল ফিতর আর ঈদুল আযহায় কিভাবে আনন্দ উদযাপন করতে হয় এর নিয়ম তো হাদিস ও সিরাতে একদম বিস্তারিত আছে। "ঈদে মিলাদুন্নবী" যদি আসলেই "সব ঈদের বড় ঈদ" হয়ে থাকে, তাহলে তো এখানেও কিভাবে আনন্দ করতে হয় এর নিয়ম বিস্তারিতভাবে থাকবে। হাদিস বা সিরাতের কিতাব থেকে একটু দেখান তো নবী(ﷺ) এবং তাঁর সাহাবীরা ১২ই রবিউল আউয়াল তারিখকে নির্দিষ্ট করে আদৌ কিছু করেছেন কিনা। আমি খুঁজে পেয়েছি নবী(ﷺ) সোমবার রোজা রাখতেন। আমিও এই আমলটা করার চেষ্টা করি, অন্যদেরকেও এটা করতে উৎসাহিত করি। এর বাইরে ১২ই রবিউল আউয়াল নিয়ে আমি আর কিছু খুঁজে পাইনি, তাই আমি ১২ই রবিউল আউয়াল আলাদা করে কিছুই করি না। আপনি যদি খুঁজে পেয়ে থাকেন, আমাকে দলিলগুলো দেখান প্লিজ।
প্রচলিত মিলাদ-কিয়াম যদি শরিয়তের বিধান হয়ে থাকে, তাহলে এর বিস্তারিত নিয়ম কুরআন-হাদিস থেকে উল্লেখ করুন। সেই নিয়ম অনুসারে সবাই মিলাদ পালন করুক। মিলাদে কয় মিনিট দাঁড়াতে হবে, কখন দাঁড়াতে হবে, মিলাদের মধ্যে কী কী কাসিদা পড়তে হবে, কাসিদার বাক্যগুলো কী হবে, কয়টি জিলাপী খেতে হবে, জিলাপীর বদলে বিরিয়ানী দিলে হবে কিনা, কী পরিমাণে শিন্নি বিলাতে হবে এর নিয়ম-কানুন হাদিস থেকে উল্লেখ করুন। আমার কথায় রাগ করবেন না। কটাক্ষ করার জন্য এগুলো বলিনি বরং সত্যি সত্যি আমি আপনাদের থেকে এসবের নিয়ম জানতে চাচ্ছি। ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আযহার দিন সকালবেলা নবী(ﷺ) কয়টি খেজুর খেতেন এর উল্লেখও হাদিসে স্পষ্ট আছে, ঈদগাহে যাবার সময়ে কী দোয়া পরতেন, কেমন পোশাকে ঈদগাহে যেতেন এইসবের বিস্তারিত উল্লেখ হাদিসে আছে। আমি নিজেই ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিন এই আমলগুলো করার চেষ্টা করি। ঈদুল ফিতরের সকালে খেজুরের সংখ্যা যদি হাদিসে থাকে, প্রচলিত মিলাদ-কিয়ামের মাঝে জিলাপীর সংখ্যার বিবরণও হাদিসে থাকার কথা। যেহেতু আপনাদের মতে এটা বিশাল বড় ইবাদত। হাদিস বা সিরাতের কিতাব থেকে প্লিজ দেখান মিলাদ কিয়ামের নিয়মাবলি। আমি দেখার জন্য খুব আগ্রহী।

12/09/2024

অমুসলিমদের উপাসনার জায়গায় কি মুসলিমরা যেতে পারবে?
Dr Zakir Naik in Bangla

31/08/2024

গ্রেফতার এড়ানোর জন্য যীশু লুকিয়ে ছিলেন গেতশিমান বাগানে। একটু আগে তিনি লাস্ট সাপার করলেন তাঁর ১২ সাহাবীর সাথে। এরপর জুডাস বা এহুদা বেরিয়ে গেল। বাগানে প্রার্থনারত ছিলেন যীশু, বারবার তিনি প্রার্থনা করছেন যেন তাঁকে গ্রেফতার না করতে পারে, ঈশ্বর যেন তাঁকে রক্ষা করেন; আর সাহাবীরা তখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। বিশ্বাসঘাতক জুডাস ইহুদী ইমাম কায়াফার কাছে গেল আর ৩০ রুপার মুদ্রা দাবি করল যীশুকে ধরিয়ে দেবার বিনিময়ে। কায়াফা রাজি হলেন আর সৈন্য আনতে পাঠালেন। সৈন্য নিয়ে জুডাস রওনা হল যীশুকে ধরিয়ে দেবার উদ্দেশ্যে।



বাগানে এসে পোঁছাল জুডাসের দল। একটা হৈচৈ এর মধ্যে যীশু গ্রেফতার হলেন। সাহাবীরা সবাই পালিয়ে গেলেন।



যীশুকে সানহেদ্রিনে নেয়া হল। সানহেদ্রিন হল ইহুদী বিচারসভা। যীশুকে এই অভিযোগে দোষী করা হল যে, তিনি নিজেকে ঈশ্বরপুত্র দাবি করেছেন। যীশু কোন কথা বললেন না। কেবল একটা কথা বললেন, “তোমরা বলছ এ কথা।”

তাঁকে তখন নিয়ে যাওয়া হয় গভর্নর পন্টিয়াস পাইলেটের (Pontius Pilete) কাছে। দাবি জানায় ইহুদী ইমামরা তাঁকে শাস্তি দেয়ার, ক্রুশে চড়ানোর। পাইলেট নিজে যীশুকে কিছু প্রশ্ন করে বললেন, তাঁর কাছে এ লোককে দোষী মনে হয়নি। তাই তাঁকে শাস্তি দিতে চান না তিনি।



তিনি যীশুকে পাঠালেন রাজা হেরোদের কাছে। হেরোদ আর তাঁর সৈন্যরা যীশুকে অপমান করল, তাঁকে ব্যঙ্গ করল। তাঁকে ইহুদীদের রাজা বলে উপহাস করল আর একটা রাজার মতো আলখাল্লা পড়িয়ে দিল। এরপর তাঁকে আবার নিয়ে আসা হল পাইলেটের কাছেই।



ইহুদী ইমামরা তখন যীশুর বিরুদ্ধে জনতাকে উত্যক্ত করে তুললো। পাইলেট তখন বললেন, প্রতি বছর এ উৎসবের সময় একজন অপরাধীকে মুক্ত করে দেয়া হয়। জনতার সামনে তিনি ২ জনকে রাখলেন, কাকে মুক্ত করে দেয়া উচিত বলে মনে করে জনতা? ১ জন ছিল যীশু খ্রিস্ট, আরেকজন ছিল কুখ্যাত খুনি যীশু বারাব্বা। দুজনের নামই ছিল যীশু, ঈসা।

জনতা রায় দিল, যীশু বারাব্বাকে ছেড়ে দেয়া হোক আর যীশু খ্রিস্টকে ক্রুশবিদ্ধ করে মারা হোক।

পাইলেট বললেন, যীশুকে মারছ তোমরাই, আমি না। এ লোকের মৃত্যুর জন্য আমি দায়ী না। এর রক্তের ভার তোমাদের উপর। এটা যেন সবাই মনে রাখে। এ কথা বলে তিনি যীশুকে ক্রুশে চড়ানোর আদেশ দিলেন। (মৃত্যুদণ্ড দেয়ার ক্ষমতা কেবল রোমান গভর্নরের ছিল, ইহুদীদের ছিল না, এ জন্যই পাইলেটের কাছে আসা।)

শুরু হল যীশুকে নির্যাতন করা। তাঁকে অনেক অনেক আঘাত করা হল। তাঁর শরীর ক্ষতবিক্ষত হয়ে গেল। তাঁকে মুকুট পড়ানো হল, তবে রাজার মুকুট না, কাঁটার মুকুট। তাঁর জামা খুলে নেয়া হল, টুকরো টুকরো করা হল…



নিয়মমাফিক নিজের ক্রুশ নিজেকেই বহন করতে হয়। তাই যীশুর কাঁধে চড়িয়ে দেয়া হল তাঁর ক্রুশ। প্রচণ্ড ভারি সেই ক্রুশ নিয়ে তাঁকে হেঁটে যেতে হল পাহাড়ের উপরে গল্গথা নামের স্থান পর্যন্ত। পথে তিনি বারবার পড়ে যাচ্ছিলেন। মাঝে এক মহিলা যে যীশুর অনুসারী ছিল তাঁকে পানি খাওয়াতে এলো কিন্তু সৈন্যরা ফেলে দিল সেই পানি। সাইমন নামের এক ভক্ত তাঁর ক্রুশ বহন করতে চাইল, কিন্তু তাঁকে তাড়িয়ে দিল সৈন্যরা।

শেষ পর্যন্ত পোঁছাল সবাই পাহাড়ে। সেখানে ক্রুশ মাটিতে বিছানো হল, সেখানে শোয়ান হল যীশুকে, হাতুড়ি দিয়ে পেরেক গাঁথা হল তাঁর হাতে, তাঁর পায়ে। ছিটকে বেরিয়ে এলো রক্তের স্রোত। এরপর ক্রুশ উপরে তোলা হল। তাঁর সাথে আরও ২ জন চোরকে ক্রুশে দেয়া হয়েছিল। যীশুর ক্রুশের উপর লেখা হয়েছিল, “নাসরাতের যীশু- ইহুদীদের রাজা।”

ক্রুসিফিক্সনের ঘটনার সময় সামনে যীশুর পরিচিতদের মধ্যে যারা উপস্থিত ছিল তারা হল, ইউহান্না (John), মা মেরি, আর মেরি মাগডালিন। একজন মা হয়ে নিজের চোখের সামনে সন্তানের সব কষ্ট দেখতে হল মেরিকে।

সেদিন ছিল শুক্রবার। যাকে এখন খ্রিস্টানরা বলে গুড ফ্রাইডে। দুপুর ৩টার সময় যীশু চিৎকার করে উঠলেন, “ইলাহি !! ইলাহি !! লামা সাবাখতানি ???” (হে ঈশ্বর! হে ঈশ্বর!! কেন তুমি আমায় পরিত্যাগ করলে?) এরপর তিনি ধীরে ধীরে মারা গেলেন। {উল্লেখ্য, আর কোন হিব্রু বাক্য না জানলেও, উপরের এ বাক্যটি সকল খ্রিস্টান জানে, মুখস্ত করে। আর যারা খ্রিস্টধর্ম নিয়ে নাড়াচাড়া করেন তাদেরও মুখস্ত এ বাক্যটি… মুখস্ত করে ফেললে ভাল }



এরপর তাঁর লাশ নামানো হল। তাঁর লাশ কোলে নিয়ে অনেক কাঁদলেন মা মেরি। কাঁদল মেরি মাগডালিন আর জন।



জোসেফ আরামাথিয়া (যে যীশুর রক্ত ধারণ করে সেই পাত্রে, হলি গ্রেইলে) ছিল অনেক ধনী। তাঁর নিজস্ব পাথরের কবরে রাখা হল যীশুকে। এত তাড়াতাড়ি কেন? কারন, শনিবার ইহুদীদের সাপ্তাহিক ধর্মীয় ছুটির দিন, সাব্বাথ, ঐদিন এসব কাজ হারাম মনে করত তারা। তাই শুক্রবারেই সব কিছু শেষ করতে চাইল তারা।

পরদিন শনিবার, কিছুই হল না। সবাই শোক পালন করল।

এরপর দিন, রবিবার। ইস্টার সানডে বলে খ্রিস্টানরা এখন। সেদিন সকাল সকাল মহিলারা (মেরি মাগডালিন সহ) গেল যীশুর কবরে, সুগন্ধি দিতে। গিয়ে দেখল কবরের মুখের পাথর সরানো!! আর, যীশুর লাশ নেই!! কবর ফাঁকা! অবাক ব্যাপার!!! কাফনের কাপড় পড়ে আছে। সেই কাফনের কাপড় আজও আছে সংরক্ষন করা। এর নাম Shroud Of Turin. নামটা মনে রাখবেন।

একটা সূত্রে বলা হয়, মেরি মাগডালিন একা গেলেন ওখানে আর গিয়ে দেখলেন এক ফেরেশতাকে। “ফেরেশতা” বললেন, যীশু আবার “জীবিত” হয়েছেন। এ ঘটনাকে বলে The Resurrection of Christ.



ইতোমধ্যে একটা গুজব অবশ্য ছড়িয়ে গেল, ইহুদী নবী যীশু মিরাকল দেখিয়েছেন, তিনি আসলেই তাহলে ঈশ্বরপুত্র, মৃত্যুকে হার মানিয়েছেন তিনি!

কয়েকজন সাহাবীর কাছে দেখা দিলেন পুনর্জীবিত বা পুনরুত্থিত যীশু (The Resurrected Jesus)… তাদের সাথে কথা বললেন। আর চলে যাবার আগে অলৌকিক ক্ষমতা দিয়ে গেলেন তিনি সাহাবীদের, তারা তাঁর ধর্ম প্রচার করতে পারবে সবার কাছে, আর এজন্য তারা সব বিদেশি ভাষায় চাইলেই কথা বলতে পারবে।

Resurrection এর ৪০ দিন পর যীশুকে আকাশে তুলে নেয়া হল, সাহাবীদের সামনে। এটাকে বলে The Ascension.

এবং, ভবিষ্যৎবাণী অনুযায়ী তিনি আবার আসবেন, এসে হত্যা করবেন Antichristকে। এ দ্বিতীয় আগমনকে বলে The Advent of Christ.

এই হল সংক্ষেপে ঘটনা।

05/08/2024

আলহামদুলিল্লাহ স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটালো

08/07/2024

🌎 কুরআন থেকে পৃথিবীর বয়স ৪.৫ বিলিয়ন বছর প্রমাণিত!

=> আল্লাহ ৬ দিনে মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন (কুরআন ৫০:৩৮)। বিজ্ঞান বলে মহাবিশ্বের বয়স প্রায় ১৩.৭ বিলিয়ন বছর।
অর্থাৎ,মহাবিশ্ব সৃষ্টির ক্ষেত্রে আল্লাহর ৬ দিন = ১৩.৭ বিলিয়ন বছর।

আল্লাহ অপর আয়াতে এটাও বলেন যে,তিনি পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন ২ দিনে (কুরআন ৪১:৯)। ৬ দিনে যদি ১৩.৭ বিলিয়ন বছর হয়,তাহলে ২ দিনে কত বছর হবে? উত্তর হলো: (১৩.৭×২)÷৬ = ৪.৫ বিলিয়ন বছর! এটা পৃথিবীর বয়সের সাথেই মিলে যায়! সুবহানাল্লাহ!

◾১৩.৭ বিলিয়ন বছরকে ৬ দিন ধরে গণনা করা কেনো সঠিক?

=> ১৩.৭ বিলিয়ন বছরকে ৬ দিন ধরে হিসেব করলে যদি পৃথিবীর বয়স না মিলতো,তাহলে একটা কথা ছিলো।তখন বিষয়টা অযৌক্তিক হতো।কিন্তু পৃথিবীর বয়স মিলে যাওয়া এটাই প্রমাণ করে শুরুতে ১৩.৭ বিলিয়ন বছরকে ৬ দিন ধরায় কোনো ভুল বা অযৌক্তিক কিছু হয় নি! বরং,কুরআন চমৎকারভাবে বিজ্ঞানের নির্ণীত বয়সকে সমর্থন করেছে!

12/06/2024

বয়কটের কথা আমরা ভুলেই গিয়েছিলাম তারা আমাদেরকে মনে করে দিলো।

"আরে মিয়ারা, কোক মোটেও ঐ "জায়গা"র না" লাইনটা বিজ্ঞাপনে যতবার কানে আসতেসে, অন্যরকম একটা আনন্দ হইতেসে।

প্রথমত, বয়কটে নাকি তোমাদের বাপদের কিছু হয় না? তাইলে এখন প্রতি ওভার শেষে কোক মোটেও ঐ জায়গার না বলে কানতেসো কেন?

শখে শখে নিশ্চয়ই কোন ব্র্যান্ড এমন টাকা খরচ করে কান্নাকাটি করে না?

আর দ্বিতীয়ত, যতই সাপোর্ট করুক, ঐ জায়গা এতোটাই নোংরা যে, ঐ জায়গার নাম উচ্চারণ করার সাহস ইভেন কোকেরও হয় নাই।

অর্থাৎ, যতই সাপোর্ট করুক, ওরা যে ঘৃণারও অযোগ্য, ওদের দেশের নাম যে পাবলিকলি উচ্চারণ করা যায় না, সেইটা ওরা নিজেরাও জানে।

সত্য আর মিথ্যার তফাতটা যুগে যুগে এমনই ছিলো, এমনই আছে, ভবিষ্যতেও এমনই থাকবে।

যারা গত একটা বছর মানুষের হাজারো টিটকারি সহ্য করেও কোকের বোতলটা দূরে সরিয়ে রেখে চলেছেন, আপনাদের সবাইকে অভিবাদন জানাই।

- সাদিকুর রহমান খান

07/04/2024

২০২০ সালে বিশ্ব হি() ন্দু পারিষদ এর এক সম্মেলনে বিশ্ব হি () ন্দু পরিষদের নেতারা মু" স" লিম দের জনসংখ্যা কে অখন্ড ভারত নির্মানের সবচেয়ে বড বাধা বলে ঘোষনা করে আর তাই মু" স" লিম দের সংখ্যা কমাতে হি () ন্দু ডাক্তার দের আর এস এস থেকে নিম্নোক্ত নির্দেশনা গুলো দেয়া আছে
১) মু! স" লিম নারীদের শ্লিল" তা হানি করতে।
২) গর্ভবতী মুস" লীম নারীদের গর্ভের বাচ্ছা নস্ট করে দিতে।
৩) মুস" লিম ছেলে শিশুদের মে" রে ফেলতে ( কারন হিন্দুরা সব মুস" লিম ছেলে কেই ওদের অখন্ড ভারতের জন্য হুমকি মনে করে)।

06/04/2024

✍️ সংষ্কৃত না জানা,বেদভাষ্য জালিয়াতকারী,বেদের বিকৃতকারী,নারীবিদ্ধেষী নিয়োগরাজ ভারতের আর্য সমাজের প্রতিষ্ঠাতা,বিশ্ববাটপার, বিশ্ববিখ্যাত চাঠিবাজ, মিথ্যাচারকারী, #নিয়োগ_প্রথার (মানে কোন মেয়ের পুত্র সন্তান না হলে,তাকে পুত্র সন্তান প্রাপ্ত করার জন্য,তার শশুর, তার দেবর,মন্দিরের পুরোহিত সহ ১১ জনের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করিয়ে পুত্র সন্তান জন্ম দেওয়ার) আইন বৈধকারী এবং নিয়োগের সন্তান #দেড়_বেদ_ভাষ্যকার মূর্খানন্দ দয়ানন্দ কতৃক নিয়োগ বিষয়ক প্রশ্নোত্তর পর্বঃ- ১।

🌀 প্রশ্নকারীঃ- মূর্খানন্দ-জি একজন নারী কতবার নিয়োগ করতে পারবে?

🐷 উত্তর মূর্খানন্দঃ- ১০ জন সন্তান জন্ম না দেওয়া অব্দি একজন নারী লাগাতার নিয়োগ করতে পারবে।

🌀 প্রশ্নকারীঃ- মূর্খানন্দ-জি একজন নারী ক'জনের সাথে নিয়োগ করতে পারবে?

🐷 উত্তর মূর্খানন্দঃ- একজন নারী সর্বোচ্চ ১১ জন পুরুষের সাথে নিয়োগ করতে পারবে।

➡️ তথ্যসূত্র
সত্যার্থ প্রকাশ, পঞ্চম সংস্করণ, চতুর্থ সমুল্লাস, পৃষ্ঠা ১১৮ ও ১২২

বিঃদ্রঃ সকল নিয়োগের ফসল আর্যসমাজীগণ, এবার লম্বা করে হাত তুলে সবাইকে জানান দাও তোমাদের মাতারা কয়জনের সাথে নিয়োগ লাগিয়ে তোমাদের জন্ম দিছে??

© Copy from Sword Of Truth
সত্য-প্রকাশে সিংহের ন্যায় গর্জন

Address

Rangpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Open The Truth - সত্য উন্মোচন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Open The Truth - সত্য উন্মোচন:

Share