Mubachari Sadhana Pur Bana Vihar, Banduk Bhanga, Rangamati Sadar

Mubachari Sadhana Pur Bana Vihar, Banduk Bhanga, Rangamati Sadar A monastery of eternal peace, a beautiful sightseeing place of Bangladesh and the place of Gautama B

একসময় ভগবান বৈশালির সারন্দদ চৈত্যে অবস্থান করিতেছিলেন, ওই সময় তিনি বৃজিদিগকে এই সাতটি মঙ্গলবিধায়ক ধর্মের উপদেশ দিয়েছিলেন...
18/09/2023

একসময় ভগবান বৈশালির সারন্দদ চৈত্যে অবস্থান করিতেছিলেন, ওই সময় তিনি বৃজিদিগকে এই সাতটি মঙ্গলবিধায়ক ধর্মের উপদেশ দিয়েছিলেন যারধরুন মগধরাজ বৈদেহীপুত্র অজাতশত্রু বৃজিদিগকে আক্রমণ করিলেও ব্যর্থ হয়।।

–যথা:
*১/ সময় সময়ে জনসাধারণের অবাধ সম্মিলনের আয়োজন করিবেন।

*২/ সমগ্র হইয়া একত্রিত হবেন, সমগ্রভাবে উত্থান করিবেন এবং সমগ্র হইয়া তোমাদের করণীয় সম্পাদন করিবেন।

*৩/ তোমরা অব্যবস্থিতের ঘোষণা করিবেন না, ব্যবস্থিতের উচ্ছেদ করিবেন না, যথাপ্রজ্ঞপ্ত পুরাতন তোমাদিগের বৃজিধর্ম গ্রহণপূর্বক উহাতে স্থিত থাকিবে।

*৪/ তোমাদের বৃজিগণের মধ্যে যাহারা বয়োজ্যেষ্ঠ তাহাদের সৎকার করবেন, তাহাদের প্রতি ভক্তি ও সম্মান প্রদর্শন করবেন, তাহাদিগের পূজা করবেন ও তাহাদের বাক্য শ্রোতব্যরূপে গ্রহণ করবেন।

*৫/ তোমাদিগের কুলস্ত্রী ও কুলকুমারীগণকে বলপূর্বক ধৃত করিয়া রক্ষিতায় পরিণত করিবে না।

*৬/ তোমাদিগের নগর এবং জনপদস্থ চৈত্যসমূহের সৎকার করবেন, তাহাদের প্রতি ভক্তি ও সম্মান প্রদর্শন করবেন, তাহাদের পূজা করবেন, তাহাদের পূর্বদত্ত, পূর্বকৃত ধর্মানুমোদিত বলি দান করিতে পরাঙ্মুখ হবেন না।

*৭/ তোমাদের অর্হৎদিগের ধর্মানুমোদিত রক্ষা, নিরাপত্তা এবং পালন সুব্যবস্থা‌ করিবে, যাহাতে দূরস্থ অর্হৎগণ রাজ্যে প্রবেশ করিতে পারেন এবং রাজ্যস্থ অর্হৎগণ স্বচ্ছন্দে বাস করিতে পারে।।

গাছের কি প্রাণ আছে?       ✍️   শ্রদ্ধেয়ঃ জ্ঞানশান্ত ভিক্ষুজগদীশচন্দ্র বসু তো সেই ১৯০১ সালে প্রমাণ করে দিয়েছেন গাছের প্র...
28/08/2023

গাছের কি প্রাণ আছে?

✍️ শ্রদ্ধেয়ঃ জ্ঞানশান্ত ভিক্ষু

জগদীশচন্দ্র বসু তো সেই ১৯০১ সালে প্রমাণ করে দিয়েছেন গাছের প্রাণ আছে। তাই শুধু বিজ্ঞানীরা নয়, আধুনিককালের লোকজনও এক কথায় বলে দেয়, গাছের প্রাণ আছে। বুদ্ধের আমলেও লোকজন এমন বিশ্বাস করত। কিন্তু বৌদ্ধধর্ম এব্যাপারে কী বলে?

বুদ্ধের আমলে অনেক ভিক্ষু গাছ কেটে কুটির বানাচ্ছিল। এতে লোকজন নিন্দা করতে লাগল। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বুদ্ধ তখন ভিক্ষুদেরকে গাছ কাটতে নিষেধ করে দিলেন (পাচি.৮৯)। তিনি ভিক্ষুদেরকে বকা দিলেন এভাবে, ‘হতচ্ছাড়ার দল! কীভাবে তোমরা গাছ কাটতে পারলে? অন্যদের দিয়েও কাটালে? লোকজন গাছপালাকে জীবিত বলে মনে করে। তাই তোমাদের এধরনের কাজে শ্রদ্ধাহীনদের শ্রদ্ধা তো জাগবেই না, বরং তারা আরো দূরে সরে যাবে। আর যারা শ্রদ্ধাশীল তাদেরও কারো কারো শ্রদ্ধা কমে যাবে।’

বুদ্ধের বকাঝকার স্টাইলটা দেখুন। তিনি কিন্তু বলেন নি যে গাছপালার জীবন আছে। তিনি শুধু বলেছেন, লোকজন মনে করে গাছপালারও জীবন আছে। তাই এখন যদি ভিক্ষুরা লোকজনের মতামতের তোয়াক্কা না করে নির্বিচারে গাছ কাটা শুরু করে দেয় তাহলে নিন্দার ঝড় বয়ে যাবে। তাতে লোকজনের মধ্যে অনেকেরই ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা আরো কমে যাবে। একারণেই বুদ্ধ ভিক্ষুদেরকে গাছ কাটতে নিষেধ করেছিলেন। ফলে এখন সামান্য পাতা ছিঁড়লেও ভিক্ষুদের অপরাধ হয়। গাছ কাটা তো দূরের কথা।

কিন্তু সারত্থদীপনী টীকা এব্যাপারে প্রশ্ন তুলেছে। কেউ মারা গিয়ে গাছ হয়ে জন্মেছে বলে তো বুদ্ধ বলে যান নি। একত্রিশ লোকভূমির মধ্যে প্রাণিরা মারা গিয়ে দেবতা হতে পারে, মানুষ হতে পারে, ব্রহ্মা হতে পারে, প্রেত হতে পারে, অসুর হতে পারে, ইতর প্রাণি হতে পারে, নারকীয় সত্ত্ব হতে পারে, কিন্তু গাছপালা হতে পারে বলে কখনো বলা হয় নি। সারা ত্রিপিটকে তন্ন তন্ন করে খুঁজেও কোনো প্রাণি গাছ হয়ে জন্মেছে বলে খুঁজে পাওয়া যায় না। সোজা কথায়, বৌদ্ধধর্ম গাছকে প্রাণি বলে স্বীকারই করে না। তাহলে বুদ্ধ কেন গাছ কাটতে নিষেধ করলেন? এই প্রশ্ন উত্থাপন করে সারত্থদীপনী টীকা তার জবাবও দিয়েছে এভাবে, ভিক্ষুশ্রমণের পক্ষে গাছপালা কাটা বা কোনোভাবে ক্ষতি করা অশোভন। এছাড়াও গাছে বৃক্ষদেবতারা থাকে। গাছ কাটলে তাদের ঘরবাড়িও ভেঙে যায়। এই দুটো কারণেও বুদ্ধ তার শিষ্যদেরকে গাছপালা কাটতে নিষেধ করেছিলেন।

কিন্তু বৌদ্ধধর্ম গাছকে প্রাণি বলে স্বীকার করে না, তার ব্যাখ্যাটা কী? এর উত্তর পেয়েছি বার্মায় অভিধর্ম শিখতে শিখতে। ভালো করে বলতে গেলে, অভিধর্মার্থ সংগ্রহ শিখতে গিয়ে। অভিধর্মার্থ সংগ্রহে রূপ বা পদার্থের উপরে একটা অধ্যায় আছে। সেটাতে বিভিন্ন ধরনের পদার্থ ও পদার্থের কণাগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

আরেকটু ভালো করে বললে ব্যাপারটা হচ্ছে এরকম। আমাদের এই জগত হচ্ছে কেবল দুটো জিনিস নিয়ে গঠিত। সেগুলো হচ্ছে মন ও পদার্থ। পদার্থের মধ্যে প্রাণিদেহ আছে, জড়বস্তু আছে। প্রাণিদেহ বলতে বুঝাচ্ছে মানুষ, দেবতা, কীটপতঙ্গ ইত্যাদির দেহ। জড়বস্তু হচ্ছে পৃথিবী, পাহাড় পর্বত, মাটি, পানি, গাছপালা, চন্দ্র, সূর্য ইত্যাদি।

প্রাণিদেহ বা জড়বস্তু যাই হোক না কেন, সবই হচ্ছে পদার্থ এবং সবই অত্যন্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা দিয়ে গঠিত। এদের মধ্যে চারটি হচ্ছে মৌলিক কণা। সেগুলোকে আমরা বলি পৃথিবীকণা, জলকণা, তাপকণা ও বায়ুকণা। তাদের সাথে আরো আছে রূপকণা, শব্দকণা, গন্ধকণা, স্বাদকণা, পুষ্টিকণা, হৃদকণা, পুষ্টিকণা ইত্যাদি কত কত কণা। আমাদের দেহের মধ্যে এই কণাগুলো প্রতিনিয়ত উৎপন্ন হয়ে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এরা আবার একাকী উৎপন্ন হতে পারে না। বরং গুচ্ছ গুচ্ছ আকারে উৎপন্ন হয়। এই কণাগুচ্ছকে বলা হয় কলাপ। তবে আমি এদেরকে কণাগুচ্ছ বলতেই পছন্দ করি।

উদাহরণস্বরূপ, শুদ্ধঅষ্টক কলাপ বা অষ্টক কণাগুচ্ছে থাকে পৃথিবীকণা, জলকণা, তাপকণা, বায়ুকণা, রূপকণা, গন্ধকণা, স্বাদকণা ও পুষ্টিকণা। আরো অনেক অনেক ধরনের কণাগুচ্ছ আছে যাদের রয়েছে বিভিন্ন ধরনের কাজ। আমি সেসবে যাব না। শুধু অষ্টক কণাগুচ্ছের কথা বললাম, কারণ এই কণাগুচ্ছগুলো দিয়েই এই গাছপালা, নদীনালা, পাহাড় পর্বত, মাটি, পানি, বায়ু ইত্যাদি তৈরি। জড়পদার্থে কেবল এই কণাগুচ্ছগুলো থাকে। গাছপালার মধ্যে আমরা যে অসংখ্য বৈচিত্র্যতা দেখতে পাই তা সবই হচ্ছে এই কণাগুচ্ছের মধ্যে থাকা কণাগুলোর শক্তি বা প্রাবল্যতার তারতম্যের কারণে।

তা বুঝতে গিয়ে আমরা নেত্তিপ্রকরণ অর্থকথার সাহায্য নিতে পারি। নেত্তিপ্রকরণ অর্থকথা বলছে, গাছপালার বিভিন্ন ধরনের পার্থক্য ঘটে মূলত তাদের অভ্যন্তরীণ কণাগুলোর শক্তির তারতম্যের কারণে। একজন সম্যক সম্বুদ্ধ এই পার্থক্যের কারণগুলো সম্পর্কে পুরোপুরি ওয়াকিবহাল থাকেন। তিনি জানেন কোন কণা বেশি প্রবল হওয়ার কারণে এই গাছের কাণ্ড কালো হয়, ওটা সাদা হয়, এটা মসৃণ হয়, ওটা খসখসে হয়, এটা পুরু হয়, ওটা পাতলা হয়। এই এই উপাদান বা কণা বেশি প্রবল হওয়ার কারণে এই গাছের পাতার রং, আকার ইত্যাদি এমন হয়। এই এই উপাদান বা কণা বেশি প্রবল হওয়ার কারণে এই গাছের ফুল নীল হয়, হলদে হয়, লাল হয়, সাদা হয়, সুগন্ধ হয়, দুর্গন্ধ হয়। এই উপাদান বা কণা বেশি হওয়ার কারণে এই গাছের ফল ছোট হয়, ওটার বড় হয়, লম্বা হয়, বেঁটে হয়, সুন্দর আকারের হয়, বিশ্রী আকারের হয়, মসৃণ হয়, খসখসে হয়, সুগন্ধ হয়, দুর্গন্ধ হয়, তেতো হয়, মিষ্টি হয়, কটু হয়, টক হয়, কষা হয়। এই উপাদান বা কণা প্রবল হওয়ার কারণে এই গাছের কাঁটা তীক্ষ্ণ হয়, সুতীক্ষ্ণ হয়, সোজা হয়, বাঁকা হয়, কালো হয়, নীল হয়, সাদা হয়। এভাবে উপাদান বা পদার্থের কণাগুলোর মধ্যে শক্তি বা প্রাবল্যতার পার্থক্যের কারণে জড়পদার্থগুলো ভিন্ন ভিন্ন হয় বলে সম্যক সম্বুদ্ধ জানেন। তবে এগুলো কেবল সর্বজ্ঞ বুদ্ধগণেরই জ্ঞানবল। এই জ্ঞান অন্যদের থাকে না। অন্যরা এগুলো জানতে পারে না। এমনকি পচ্চেকবুদ্ধ এবং বুদ্ধের শিষ্যরাও নয়। আর সাধারণ মানুষ তো নয়ই। (নেত্তি.অ.৫৯)।

কিন্তু এগুলো তো সব বইয়ের কথা। বিজ্ঞান তো পরীক্ষা নিরীক্ষা করে প্রমাণ করে দেয়। অভিধর্মেও কি সেরকম পরীক্ষা করে দেখা যাবে? সহজ উত্তর, দেখা যায় এবং যাবে। সেটা কীভাবে? পদার্থের কণাগুলো খুব ক্ষুদ্র। সেগুলোকে খালি চোখে দেখা যায় না। দেখতে হয় ধ্যানের আলোতে। সেই ধ্যানের আলোতে আপনি যখন যথানিয়মে চারপাশকে দেখবেন, সেখানে আর ব্যক্তি থাকবে না, প্রাণি থাকবে না। আপনি তখন সবকিছুকে পদার্থের কণাগুচ্ছ হিসেবে দেখবেন। আপনি দেখবেন আপনার পরনের কাপড়চোপড়ও কলাপ বা কণাগুচ্ছে রূপান্তরিত হয়ে গেছে। সেগুলো খুব দ্রুতগতিতে উৎপন্ন হয়ে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। আপনি গাছপালাগুলোকে অস্বচ্ছ কণাগুচ্ছ হিসেবে দেখবেন। সেগুলোর ফাঁকে ফাঁকে স্বচ্ছ জিনিসকেও দেখতে পাবেন যেগুলো হচ্ছে গাছপালার মধ্যে থাকা পোকামাকড়ের দেহ। এভাবে ধ্যানের আলোয় নিজেই পরীক্ষা করে দেখতে পারবেন নিজের দেহ ও মনকে, এবং গাছপালাকে। সেখানে দেখতে পাবেন, আপনার ও অন্যান্য প্রাণিদের দেহে প্রাণকণাগুলো ছড়িয়ে আছে সারা দেহে, অথচ গাছপালাতে সেগুলো একবিন্দুও নেই। নিজের চোখে ব্যাপারটা দেখলে তখন আর গাছপালার প্রাণ আছে কি প্রাণ নেই সে ব্যাপারে আপনার আর কোনো সন্দেহ থাকবে না।

বিস্তারিত জানার জন্য ‘জানা ও দেখা’ বইয়ের মধ্যে পাঅক সেয়াদের ৪নং দেশনাটা পড়তে পারেন।

Congratulations to you Dangubi Adv. Valley Chakma for Completion of your Law Degree (LLB) From the University of London.
15/01/2023

Congratulations to you Dangubi Adv. Valley Chakma for Completion of your Law Degree (LLB) From the University of London.

পরম পূজনীয় সাধনানন্দ মহাথের (বনভান্তের) ১০৪তম শুভ জন্মদিনে জানাই তোমায় গভীর বক্তি শ্রদ্ধা🙏🙏🙏
08/01/2023

পরম পূজনীয় সাধনানন্দ মহাথের (বনভান্তের) ১০৪তম শুভ জন্মদিনে জানাই তোমায় গভীর বক্তি শ্রদ্ধা🙏🙏🙏

সবাইকে ইংরেজি নববর্ষের প্রীতি ও শুভেচ্ছানতুন বছর আপনার জন্য নতুন আশা নিয়ে আসুক এই কামনা করি।
31/12/2022

সবাইকে ইংরেজি নববর্ষের প্রীতি ও শুভেচ্ছা
নতুন বছর আপনার জন্য নতুন আশা নিয়ে আসুক এই কামনা করি।

A page name «Detection Tools» trying to hack my account and yours so be careful don't enter your Facebook account inform...
28/12/2022

A page name «Detection Tools» trying to hack my account and yours so be careful don't enter your Facebook account information ℹ️ may you lose your page
They are targeted my page that's why they are posting below post by mentioning my page. Do not believe them your account is in save.

প্রত্যেক বছরের ন্যায় এ বছরও, পরম পূজ্য শ্রীমৎ সাধনানন্দ মহাস্থবির (বনভান্তের) প্রধান শিষ্য শ্রদ্ধেয় শ্রীমৎ নন্দপাল‌ মহ...
22/05/2022

প্রত্যেক বছরের ন্যায় এ বছরও, পরম পূজ্য শ্রীমৎ সাধনানন্দ মহাস্থবির (বনভান্তের) প্রধান শিষ্য শ্রদ্ধেয় শ্রীমৎ নন্দপাল‌ মহাস্থবির ভান্তে সশিষ্য, সসংঘ আগমনে অনুষ্ঠিত হয়েছে মহান পূণ্য সভা।
স্থানঃ Mubachari Sadhana Pur Bana Vihar, Banduk Bhanga, Rangamati Sadar .

বুদ্ধকে ব্রাহ্মণীকরণে স্বামী বিবেকানন্দের যোগদান👉সংগৃহীত পোস্টআজকাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বুদ্ধকে নিয়ে অনেক প্রকার মিথ...
07/05/2022

বুদ্ধকে ব্রাহ্মণীকরণে স্বামী বিবেকানন্দের যোগদান

👉সংগৃহীত পোস্ট

আজকাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বুদ্ধকে নিয়ে অনেক প্রকার মিথ্যা সমাচার প্রচারিত হচ্ছে। সমাচার ইহা প্রচারিত হচ্ছে যে, বুদ্ধমার্গে নির্বাণের কথা রয়েছে, এজন্য সেখানে অন্ধবিশ্বাস রয়েছে, পুনর্জন্ম রয়েছে। দ্বিতীয় সমাচার ইহা যে, বুদ্ধ নাস্তিক ছিলেননা, বরং তিনি ঈশ্বরের উপর কিছুই তো বলেননি। মৌন থেকে তিনি ঈশ্বরকে সমর্থন করেছেন। এরকমভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জোরালো ভাবে ভ্রম প্রচার ও প্রসার করা হচ্ছে। পূর্বে আমি স্বামী বিবেকানন্দ সম্পর্কে দু’টি লেখা প্রকাশ করেছি, এ লেখাতেও আমি দেখাব যে, স্বামীজী মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে কিভাবে বুদ্ধের গলায় বাহ্মণীকরণের চাকু বসিয়েছেন, খড়্গ চালিয়েছেন, সে সব এখানে উদ্ঘাটন করে দেখাব।

সর্ব প্রথমে আমি ইহা বলব যে, এধরণের খবর আসে কোত্থেকে? এগুলির উৎস কোথায়? যদি আমি উৎসের কথা বলি তাহলে এ সমস্ত মিথ্যাচার প্রসারিত হয়েছে, যাঁরা ব্রাহ্মণ ধর্মের ঠিকাদার তাঁদের দ্বারা প্রচারিত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে মুখ্য একজন ছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ। তিনি তাঁর পুস্তক ‘ভগবান বুদ্ধ এবং তাঁর বাণী’ নামক গ্রন্থের ১৩ পৃষ্ঠায় লিখেছেন যে-‘বৌদ্ধ লোকেরা নির্বাণ নামক অবস্থা বিশেষে বিশ্বাস রাখেন। এ অবস্থা হল দ্বৈত-জগতের অতীত অবস্থা। বেদান্তী লোক যাকে ব্রহ্ম বলে থাকেন, এ নির্বাণও হল ঠিক তাহাই এবং বৌদ্ধ ধর্মের সমস্ত উপদেশ সমূহের ইহাই মর্ম যে, সে হারানো নির্বাণ অবস্থাকে আবার প্রাপ্ত করতে হবে। (স্বামী বিবেকানন্দ, ভগবান বুদ্ধ এবং তাঁর বাণী, পৃ-১৩)।

এখন দেখুন যে, এখানে স্বামী বিবেকানন্দ বৌদ্ধ মার্গের নির্বাণ শব্দকে ব্রাহ্মণীকরণ করে দিয়েছেন। আপনাদের সবাই স্বামী বিবেকানন্দের উপরোক্ত উদ্ধৃত যদি বুঝতে না পারেন, তাহলে আবার আমি আপনাদের বুঝাতে চেষ্টা করছি যে, এখানে তিনি দু’টি বিষয় বলছেন। প্রথমত, ‘বেদান্তী লোক যাকে ব্রহ্ম বলে থাকেন, নির্বাণও হল ঠিক তাহাই‘, দ্বিতীয়ত, তিনি বলছেন-‘নির্বাণের হারানো অবস্থাকে পুণরায় লাভ করতে হবে।’

তিনি হলেন সে স্বামীজী, যাঁর সম্পর্কে এরকম মিথ্যা প্রচার করা হয়েছে যে, তিনি যদি কোন পুস্তক একবার দেখে নিতেন, তাহলে তিনি পুস্তকের সম্পূর্ণ জ্ঞান লাভ করতে সক্ষম হতেন। তাঁর স্মৃতি শক্তি এতই প্রখর ছিল যে, পৃষ্টা উল্টাতেই তিনি সমস্ত জ্ঞান আয়ত্ব করে নিতেন। আপনারা একটি প্রবাদ হয়তো শুনে থাকবেন যে, শয়তানের এরকম কাজই ত্বরান্বিত হয়। শয়তান তো বাস্তবে দেখা যায়না। কিন্তু প্রবাদটি খুবই প্রসিদ্ধ।

তিনি বুদ্ধের নামে পুস্তক তো লিখেছেন, কিন্তু বুদ্ধের সম্পর্কে তাঁর সামান্য জ্ঞানও যেমন ছিলনা, তেমনি বৌদ্ধধর্ম ও দর্শন সম্পর্কেও তাঁর জ্ঞান ছিলনা।

বেদান্তের মধ্যে যে ব্রহ্ম শব্দ রয়েছে, তাহল সম্পূর্ণরূপে কাল্পনিক। তা হল একেবারেই মনগড়া শব্দ। ইহার সাথে বাস্তবিকতার কোন লেনাদেনাও নাই। যাঁরা বেদান্তী হয়ে থাকেন, তাঁদের বক্তব্য হচ্ছে যে, ব্রহ্মই হল সত্য এবং সংসার হল ইহার বিবর্ত। এখন এখানে বিবর্ত শব্দকে ভালভাবে বুঝতে হবে। প্রকৃতিতে শারীরিকভাবে কেউ যদি বিকলাঙ্গ হয়, তখন বলা হয় এর মধ্যে বিকার এসেছে। যেমন হাতে যে মোবাইল ফোন রয়েছে, তা যদি নীচে পড়ে গিয়ে ভেঙ্গে যায়, তাহলে তাতে বিকার এসেছে, মানে সেখানে আর কিছু দৃশ্যমান হয়না। বিবর্ত তাকেই বলা হয়, যা আভাস এরকমই হয় যে, এরমধ্যে বিকৃতি এসে তো গিয়েছে, ইহা হল অন্যকিছু। কিন্তু এরকম কোন কিছু হয়ইনি। উদাহরণের সাহায্যে আমরা ইহা বুঝতে চেষ্টা করব। যেমন আমরা অন্ধকারে কক্ষে প্রবেশ করেছি। সেখানে কোন রসির সাথে স্পর্শ হয়েছে। বা সে রসির স্পর্শে এমন প্রতীত হয়েছে যে, মনে হল ইহা সাপের মত। এ সাপ হল রসির বিবর্ত। বাস্তবে সাপ তো নয়ই। কিন্তু অন্ধকারে সেরকম মনে হচ্ছে।

অনুরূপভাবে বেদান্তীদের ভ্রম মায়ার কারণে জগত প্রতীত হয়ে থাকে। জগত হল ব্রহ্মের বিবর্ত। অর্থাৎ মনগড়া যা কিছু হচ্ছে, তাকে সত্য মনে করাই হল বেদান্তীদের সিদ্ধান্ত। স্বামী বিবেকানন্দও বুদ্ধ মার্গের নির্বাণকে বেদান্তের ব্রহ্মের সাথে তুলনা করে সেরকম ভ্রমই প্রসারিত করছে। যেখানে বৌদ্ধধর্মে নির্বাণকে জগতের বিবর্ত অর্থাৎ ভ্রম কখনো বলা হয়নি। এখানে নির্বাণের অর্থ হল মু্ক্তি। অর্থাৎ সংসার হতে মুক্তি। যা হল বিশ্বজনীন বা Universal Truth. স্বামী বিবেকানন্দের এ বাক্যকে বুঝতে চেষ্টা করুন। তিনি বলেছেন যে-‘নির্বাণ হল হারানো অবস্থা, যা পুন প্রাপ্ত করতে হবে।’

সত্যিকার অর্থে এখানে এ নির্বাণ শব্দকে তিনি ব্রাহ্মণীকরণ করছেন। কেননা বেদান্তে অবতার বা পুনর্জন্মের বিষয় রয়েছে। সুতরাং সে পুনর্জন্মে আত্মা রয়েছে। সেটাকেই বার বার জন্ম নেওয়া হতে মুক্তিকে তাঁরা মোক্ষ বলে থাকেন এবং বৌদ্ধদের যে নির্বাণ শব্দ রয়েছে, তাকেও তারা মোক্ষের সমার্থক শব্দরূপে ব্যবহার করে থাকেন। যা হতে লোকের মধ্যে ভুল বার্তা প্রসারিত হয়েছে বা তাঁদের দ্বারা ভুল বার্তা প্রসারিত হয়েছে।

এখন ভাববার বিষয় ইহাই যে, বেদান্তে যে অমর আত্মার কথা রয়েছে, সে আত্মা তো জন্ম-জন্মান্তর পর্যন্ত পরিভ্রমণ করে লুঠে-পুটে খেতে থাকে, সে আত্মাই পুন পুন জন্ম নিয়ে থাকে। কিন্তু বৌদ্ধধর্মে তো আত্মা নামের কিছুর অস্তিত্বই নাই। যে কেউ বৌদ্ধ মার্গে রয়েছেন, তাঁর তো মুক্তিই কাম্য। নির্বাণই লক্ষ্য। সেখানে আত্মার পুনর্জন্মের বিষয় তো প্রশ্নই আসেনা। এ বিষয়কে স্বামী বিবেকানন্দ কর্তৃক চেপে দেওয়া হয়েছে এবং প্রচার করা হয়েছে যে, বৌদ্ধধর্মের যে নির্বাণ রয়েছে, তা হল বেদান্তের মত নির্বাণ।

এ কথার উপর ভর করে আজকাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু নাস্তিকও বলে থাকেন যে, বৌদ্ধধর্মে পুনর্জন্ম রয়েছে, অতি ধার্মিকেরা স্বভাবত অন্ধই হয়ে থাকেন। তাঁরা স্বামী বিবেকীনন্দের মত বা মোল্লা শঙ্কর ত্রিবেদীর মত লোকদের দ্বারা যেভাবে ভ্রম প্রসারিত করা হয়েছে, সেরকম ভ্রমে ফেঁসে রয়েছেন। কিন্তু যাঁরা হলেন স্বঘোষিত নাস্তিক, তাঁদের তো চক্ষু খুলে দেখা উচিত যে, যাঁদের দ্বারা এ সমস্ত মিথ্যা সমাচার প্রসার করা হয়েছে, নির্বাণ এবং পুনর্জন্মকে নিয়ে তার এক অন্যতম উৎস হল স্বামী বিবেকানন্দ।

এবার আসুন বিবেকানন্দের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিথ্যা সমাচার প্রসারণের দিতে দৃষ্টি নিবদ্ধ করি। তাঁর পুস্তকের ৯ পৃষ্টায় তিনি লিখেছেন যে-‘তাঁর ( বুদ্ধ) কাছ হতে অনেকবার ঈশ্বর সম্পর্কে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি উত্তর দিয়েছিলেন-‘আমি জানিনা।’ (স্বামী বিবেকানন্দ, ভগবান বুদ্ধ এবং তাঁর বাণী, পৃষ্টা-৯)।

এখানে স্বামী বিবেকানন্দ ইহা বলতে প্রয়াস করছেন যে, বুদ্ধও ঈশ্বর সম্পর্কে কিছুই বলেননি, তার মানে হল তিনি ছিলেন আস্তিক অর্থাৎ ঈশ্বর বিশ্বাসী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এরকম সমাচার আজকাল পাওয়া যাচ্ছে। এ যে ভ্রম বা মিথ্যা সমাচার তা স্বামী বিবেকানন্দই প্রসার করেছেন।

এরকম উদ্ধৃতিতে সোজাসুজি ইহা প্রমাণিত হয় যে, স্বামী বিবেকানন্দ হয়তো বুদ্ধ সম্পর্কে কিছুই জানতেননা, বৌদ্ধ সাহিত্য সম্পর্কেও তাঁর সামান্য জ্ঞানও ছিলনা, অথবা তিনি সরাসরি ছিলেন ব্রাহ্মণ্যবাদী এজেন্ট, যিনি সবকিছু জেনে-বুঝেও বুদ্ধকে ব্রাহ্মণীকরণ করছেন এবং বিভিন্ন রকমের মিথ্যা সমাচার প্রসারিত করে ভারতের যে নাস্তিক দর্শন রয়েছে, তাকে জোর জবরদস্তি আস্তিক দর্শন বানাতে প্রয়াস করছেন।

এমনিতেই তো তিনি যে সমস্ত বিষয়ে মিথ্যা লিখেছেন সেগুলি তো পালি ত্রিপিটকেই বর্ণিত হয়েছে। এখানে আমি ত্রিপিটকেরই কিছু অংশের উদ্ধৃতি দেখাচ্ছি, সেখানেও দেখবেন যে, বুদ্ধ ছিলেন ঈশ্বরের ঘোর বিরুদ্ধে। অধ্যাপক ড. সুরেন্দ্র অজ্ঞাত দ্বারা এক বড়ই উত্তম পুস্তক হিন্দিতে লিখা হয়েছে-‘পুরাণো মে বুদ্ধ।’ সেখানে তিনি বিবেকনন্দের উক্ত বিষয়ের উপর অনেক প্রকার প্রমাণ দেখিয়েছেন। তিনি পালি ত্রিপিটকের দীর্ঘ নিকায়ের ‘তেবিজ্জ সূত্র’ এর উল্লেখ করে দেখিয়েছেন যে-‘বুদ্ধ ঈশ্বরবাদীদেরকে অন্ধদের সারি বা পংক্তি বলেছেন। কেননা , যারা ঈশ্বরের বিষয়ে বলছেন, দেখতে গেলে তাঁদের সাত পুরুষ পর্যন্ত কেহই কখনও ঈশ্বরকে দেখেননি। কেবল অন্ধের মত কপোল-কল্পিত কথাই বলে থাকেন। যেমন এক অন্ধ অন্য অন্ধদেরকে মার্গ দেখায়, এদেরও হল সেরকম স্থিতি। যে সকল অন্ধ মার্গ দর্শানোর দম্ভ করে থাকে, সে মার্গ তারা স্বয়ংও কখনও দেখেনি, কিন্তু তাদের নির্দেশিত মার্গে অন্য অন্ধরাও চলতে থাকে। এরকম অন্ধত্বই হল ঈশ্বরবাদ।’

এখানে পরিষ্কারভাবে ঈশ্বরবাদকে বুদ্ধ খণ্ডন করে দিয়েছেন। বুদ্ধ সামনে অগ্রসর হয়ে আরও কিছু উদাহরণ প্রস্তুত করেছেন। যেমন তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেছেন যে-‘বৈশিষ্ট্য ঋষি যে স্ত্রীর কল্পনা করছেন, সে স্ত্রীকে তিনি কখনও দেখেননি, তবে কল্পনার পর কল্পনা করে যাচ্ছেন যে, সে স্ত্রী অনেক সুন্দর হবে, অনেক লাবণ্যময়ী হবে এরকম হবে, ওরকম হবে ইত্যাদি। সেরকম উদাহরণ দিতে দিয়ে একই সূত্রে বুদ্ধ পরে বলছেন যে-‘যে অবস্থা এরকম কামুকদের হয়, যেরকম অবস্থা ঈশ্বরবাদীদের হয়ে থাকে। যেমন সে স্ত্রীকামী না দেখেই, না জেনেই, এমনিতেই তার প্রতি কামনা করে থাকে, সেরকম ঈশ্বরবাদী বা ঈশ্বরকামীও হয়ে থাকে। এরকম লোকদের কথা কিভাবে প্রমাণিত হতে পারে? তার ঈশ্বর কি তার কল্পনা প্রসূত নয়?’ বুদ্ধ এরকম প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন।

এগুলি তো গেল ত্রিপিটকের কথা। যাঁরা বুদ্ধের অনুগামী লোক ছিলেন তাঁরাও ঈশ্বরবাদের জোরদার খণ্ডন করেছেন। বুদ্ধ চরিতম্ নামে সংস্কৃতে পরবর্তী সময়ে আচার্য অশ্বঘোষ দ্বারা যে কাব্য গ্রন্থ লিখা হয়েছে, সেখানেও ঈশ্বরবাদের খণ্ডন করা হয়েছে। বুদ্ধ চরিতম্ গ্রন্থের অষ্টাদশ অধ্যায়ের বিংশতিতম শ্লোকে বলা হয়েছে-‘যদি এ জগত ঈশ্বর দ্বারা রচিত হত, তাহলে এরকম অব্যবস্থিত কখনো হত না এবং কোনও প্রাণী যেমন দুঃখ হতে পীড়িত হতনা, তেমনি নানা যোনীতেও ঘুরাফিরা করতনা। যেরকম তুমি বলছ।’ অর্থাৎ অন্য ঈশ্বরবাদীদের উপর এখানে কটাক্ষ করে বলছেন।

এ পুস্তকের পরবর্তী দ্বাবিংশতি শ্লোকে আবার বলা হয়েছে-‘যদি সত্যিকার অর্থে ঈশ্বর হয়ে থাকত, তাহলে ঈশ্বরের সম্পর্কে কখনও সন্দেহ যেমন উৎপন্ন করতনা, তেমনি বিপত্তির সময় ঈশ্বরকে কেহ অপশব্দও করতনা এবং অন্য দেবী-দেবতাদেরও পূজা করতনা।’

ইহা হল বুদ্ধ চরিতমের কথা। এ বিষয়ে লাইনে অনেক গ্রন্থ রয়েছে, যেগুলি উল্লেখ করলে আলেখ্যের কলেবরই কেবল বৃদ্ধি পাবে। সেগুলির সর্বত্রই কেবল ঈশ্বরকে খণ্ডনই খণ্ডন করা হয়েছে।

এখানে আরেকটি গ্রন্থের উল্লেখ করব। তা হল চর্যাবতার। সে গ্রন্থের প্রজ্ঞা পারমিতায়ও এ বিষয়ে লিখা হয়েছে। গ্রন্থের লেখক হলেন আচার্য শান্তিদেব। তিনি লিখেছেন যে-‘ যদি তুমি ঈশ্বরের কথা বলে থাক এবং তাকে সৃষ্টির রচয়িতা বলে থাক, তাহলে তোমাকে ইহা প্রমাণ করতে হবে যে, ঈশ্বর নামক কোন কিছু রয়েছে এবং এর অস্তিত্ব রয়েছে। ( বোধি চর্যাবতার, প্রজ্ঞা পারমিতা, শ্লোক নং ১১৯)।

আপনি সুপ্রসিদ্ধ বৌদ্ধ দার্শনিক ধর্মকীর্তির (ষষ্ট বা সপ্তম শতাব্দী) নাম শুনে থাকবেন। তিনি তাঁর বিখ্যাত পুস্তক ‘প্রমাণ বর্তিকা’র স্ববৃত্তিতে এতটুকু পর্যন্ত লিখেছেন যে-‘ঈশ্বরকে মান্য করা বা ইহা বলা যে, ঈশ্বর দুনিয়া বানিয়েছেন, ইহা হল মুর্খ ব্যক্তির পাঁচ লক্ষণের মধ্যে একটি। ( প্রমাণ বর্তিকা, স্ববৃত্তি, অধ্যায় ১, শ্লোক-৩৪২)।

অর্থাৎ বুদ্ধের সঙ্গে সঙ্গে সমগ্র বৌদ্ধ সাহিত্যেই ঈশ্বরকে খণ্ডন করা হয়েছে। তাও সম্পূর্ণ পরিস্কার ভাবে। কিন্তু স্বামী বিবেকানন্দ কেন দেখতে পাননি যে, বৌদ্ধদের দ্বারা ঈশ্বরকে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে? বিবেকানন্দের কি বিবেক শূণ্য হয়ে গিয়েছিল? আসলে তিনি ছিলেন ব্রাহ্মণ্যবাদীদেরই এজেন্ট। আমরা দেখতে পাই যে, বিবেকানন্দ অনেক ভ্রামক সমাচার প্রসারিত করে বুদ্ধকে ব্রাহ্মণীকরণ করেছেন এবং তিনি আরও অনেক ভ্রামক প্রচার করে রেখেছেন। সমগ্র ভারতবাসী তথা সারা বিশ্বের মনুষ্য সমাজ এ সকল ব্রাহ্মণ্য পাঠক কিনবা লেখকরা চিনতে ও বুঝতে পারে।

🙏সাধু🌺সাধু🙏সাধু🙏

Address

Mubachari Sadhana Pur Bana Vihar
Rangamati
P58Q+MPVMUBACHARISADHANAPURBANAVIHAR,

Opening Hours

Monday 06:00 - 23:00
Tuesday 06:00 - 22:00
Wednesday 06:00 - 23:00
Thursday 06:00 - 22:00
Friday 06:00 - 20:00
Saturday 06:00 - 21:00
Sunday 06:00 - 22:00

Telephone

+8801558128456

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mubachari Sadhana Pur Bana Vihar, Banduk Bhanga, Rangamati Sadar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Mubachari Sadhana Pur Bana Vihar, Banduk Bhanga, Rangamati Sadar:

Share