জুরাছড়ি বেণুবন অরণ্য কুঠির,নানিয়ারচর,রাঙ্গামাটি

  • Home
  • Bangladesh
  • Rangamati
  • জুরাছড়ি বেণুবন অরণ্য কুঠির,নানিয়ারচর,রাঙ্গামাটি

জুরাছড়ি বেণুবন অরণ্য কুঠির,নানিয়ারচর,রাঙ্গামাটি Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from জুরাছড়ি বেণুবন অরণ্য কুঠির,নানিয়ারচর,রাঙ্গামাটি, Buddhist Temple, Rangamati.

**নানিয়াচরের হৃদয়ে জুরাছড়ি-ঘিলাছড়ির সবুজ পাহাড়ে অবস্থিত এক শান্তির আশ্রয়"জুরাছড়ি বেণুবন অরণ্য কুঠির"।
যেখানে শ্রদ্ধেয় পন্থক ভান্তের দেশনায় প্রতিধ্বনিত হয় ধর্মের পবিত্র বাণী,প্রাণে জাগে পুণ্যের আহ্বান।
-----------------নমো বুদ্ধ-------------

একটি ধর্মীয় সুসংবাদ 📣দেব মনুষ্য তথা সকল জীবের হিতসুখ মঙ্গল কামনায় জুরাছড়ি বেণুবন অরণ্য কুঠিরে অধ্যক্ষ আর গণপ্রজাতন্ত্রী ...
01/09/2026

একটি ধর্মীয় সুসংবাদ 📣
দেব মনুষ্য তথা সকল জীবের হিতসুখ মঙ্গল কামনায় জুরাছড়ি বেণুবন অরণ্য কুঠিরে অধ্যক্ষ আর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কর্তৃক নিবন্ধনকৃত জুরাছড়ি বেণুবন আর্য্য মৈত্রী যুব ঐক্য পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা ভদন্ত পন্থক মহাস্থবির ভান্তে ৪৮তম শুভ জন্মদিন উপলক্ষে বুদ্ধমূর্তি দান, সংঘদান, অষ্টপরিষ্কার দান, হাজার বাতি দানসহ নানাবিধ দানের মহতি পূণ্যানুষ্ঠান হতে যাচ্ছে। তাই সকলকে উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে পূণ্যভাগী হওয়ার জন্য আমন্ত্রণ রইল। 🙏🙏🙏
▶️ তারিখঃ ২৭/০৯/২০২৬ইং রোজঃ রবিবার ।
▶️আয়োজনে ঃ বেণুবন অরণ্য কুঠির বিহার পরিচালনা কমিটি।
▶️সহযোগীতায় ঃ জুরাছড়ি বেণুবন আর্য্য মৈত্রী যুব ঐক্য পরিষদ।
সব্বে সত্তা সুখীতা হোনতু জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক দুঃখ থেকে মুক্তি লাভ করুক। 🙏🙏🙏
√পোস্টটি শেয়ার দিয়ে সবাইকে জানিয়ে দেওয়ার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করছি।

ধর্মীয় সুখবর, সুখবর, সুখবর,সম্মানিত সুধী/পুণ্যার্থীবৃন্দআপনাদের সবাইকে আন্তরিক ও মৈত্রীময় শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আপনারা জেনে...
03/08/2026

ধর্মীয় সুখবর, সুখবর, সুখবর,
সম্মানিত সুধী/পুণ্যার্থীবৃন্দ
আপনাদের সবাইকে আন্তরিক ও মৈত্রীময় শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আপনারা জেনেই অবশ্য খুশি হবেন যে,প্রত্যক বছরের ধারাবাহিকতায় এই বছরে রাঙ্গামাটি জেলাধীন নানিয়াচর উপজেলায় ঘিলাছড়ি ইউনিয়নে জুরাছড়ি বেণুবন অরণ্য কুঠিরে বৌদ্ধদের মহা পবিত্র পুণ্যানুষ্ঠান ৫মতম শুভ মহাফলদায়ক কঠিন চীবর দান উদযাপন হতে যাচ্ছে,,,
২৯ ও ৩০ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি : রোজ বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার ১৩ এবং ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৫৭০ বুদ্ধাব্দ।

এই মহতী পুণ্যানুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ গ্রহণ করে সার্বিক সহযোগিতার মধ্যে দিয়ে সাফল্য মন্ডিত করার লক্ষে আপনি / আপনাদের সবাইকে মৈত্রীময় আহ্বান জানাচ্ছি।
জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক।
সাধু - সাধু - সাধু🙏
প্রচারে : জুরাছড়ি বেণুবন আর্য্য মৈত্রী যুব ঐক্য পরিষদ
আয়োজনে : বেণুবন কুঠির পরিচালনা কমিটি ও সমগ্র এলাকাবাসী 🙏
বি.দ্র: অনিবার্য কারণ বশতঃ আবহাওয়া খারাপ হলে তারিখ পরিবর্তন হতে পারে।

29/07/2026
জুরাছড়ি বেণুবন আর্য্য মৈত্রী যুব ঐক্য পরিষদের সম্মানিত সহ-সিনিয়র উপদেষ্টা  বাবু তন্টু বিকাশ চাকমার পিতার অকাল মৃত্যুতে আ...
28/07/2026

জুরাছড়ি বেণুবন আর্য্য মৈত্রী যুব ঐক্য পরিষদের সম্মানিত সহ-সিনিয়র উপদেষ্টা বাবু তন্টু বিকাশ চাকমার পিতার অকাল মৃত্যুতে আমরা গভীর ভাবে শোকাহত।তাঁর পিতার সৎগতি কামনা করছি।🙏😭

আজকের দৃশ্য।
25/07/2026

আজকের দৃশ্য।

শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমাশুভ আষাঢ়ী পূণিমা বৌদ্ধদের কাছে অতি তাৎপর্যময় পুণ্যতিথি। এ পূর্ণিমা তিথিতে তথাগত বুদ্ধের জীবনে গুরুত্বপ...
25/07/2026

শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমা
শুভ আষাঢ়ী পূণিমা বৌদ্ধদের কাছে অতি তাৎপর্যময় পুণ্যতিথি। এ পূর্ণিমা তিথিতে তথাগত বুদ্ধের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি ব্যাপক তাৎপর্য বহন করে। বিশেষ করে রাজকুমার সিদ্ধার্থের মাতৃগর্ভে প্রতিসন্ধি গ্রহণ, গৃহত্যাগ (মহাভিনিষ্কমণ), সারনাথের ঋষিপতন মৃগদাবে পঞ্চবর্গীয় ভিক্ষুদের নিকট ভগবান বুদ্ধের প্রথম ধর্মচক্র প্রবর্তনসূত্র দেশনা, শ্রাবস্তীর গণ্ডম্ব বৃক্ষমূলে যমক প্রতিহার্য ঋদ্ধি প্রদর্শন, মাতৃদেবীকে ধর্মদেশনার জন্য
তুষিত স্বর্গে গমন এবং ভিক্ষুদের ত্রৈমাসিক বর্ষা বাসব্রত আরম্ভ।
তথাগত বুদ্ধের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি পূর্ণিমাকে কেন্দ্র করে। তাই বৌদ্ধদের কাছে পূর্ণিমা আসে জীবনে পূর্ণতা সাধনের জন্য। তথাগত বুদ্ধ যেমন নিজ প্রচেষ্টায় জীবনে পূর্ণতা সাধন করে মহাবোধি বা আলোকপ্রাপ্ত হয়েছিলেন, জগজ্জ্যোতি বুদ্ধত্ব প্রাপ্ত হন, ঠিক তেমনিভাবে পূর্ণচন্দ্রের মতো নিজের জীবনকে ঋদ্ধ-সমৃদ্ধ লাভ করাই প্রতিটি বৌদ্ধের আত্মপ্রচেষ্টা। তেমনি আষাঢ়ী পূর্ণিমাও বৌদ্ধদের জীবনে বিচিত্র রূপ পরিগ্রহ করে বৌদ্ধদের কাছে অতিস্মরণীয় হয়ে আছে।
আজ হতে আড়াই হাজার বছরেরও অধিক আগের ঘটনা। কপিলাবস্তু নগরে আষাঢ়ী পূর্ণিমা সাড়ম্বরে উদযাপিত হতো। রাজন্তপুরেও পালিত হতো এ পুণ্যোৎসব। রাজা শুদ্ধোধনের মহিষী রানী মহামায়া আষাঢ়ী পূর্ণিমার উপোস ব্রত অধিষ্ঠান করলেন। সে রাতে রানী মহামায়া স্বপ্নমগ্ন হয়ে দেখলেন চার দিকপাল দেবগণ এসে পালঙ্কসহ মায়াদেবীকে নিয়ে গেলেন হিমালয়ের পর্বতে সুবিস্তৃত এক সমতল ভূমির ওপর। তখন তারা মহামায়াকে সুউচ্চ মহাশাল বৃক্ষতলে রেখে সশ্রদ্ধ ভঙ্গিমায় এক প্রান্তে দাঁড়ালেন। তারপর মায়াদেবীকে তাদের মহিষীগণ এসে হিমালয়ের অনবতপ্ত হ্রদে (মানস-সরোবর) স্নান করিয়ে দিব্য (স্বর্গীয়) বসন-ভূষণ ও মাল্য গন্ধে সমলঙ্কৃত করলেন। অনতিদূরে শোভা পাচ্ছিল এক রজতপর্বত। সেই পবর্তে ছিল এক সুবর্ণ প্রাসাদ। চারদিক পাল দেবগণ মহারাজা পালঙ্কসহ দেবীকে সেই প্রাসাদে নিয়ে গিয়ে দিব্য শয্যায় শয়ন করালেন। তখন অদূরবর্তী সুবর্ণ পর্বত থেকে নেমে এসে উত্তর দিক থেকে অগ্রসর হয়ে রজত পর্বতে আরোহণ করল। রজত একটি শে^ত পদ্মধারণ করে অবলীলাক্রমে কবিবর মহাক্রোষ্ণনাদে সুবর্ণ প্রাসাদে প্রবেশ করলেন। তৎপর ধীরে ধীরে তিনবার মাতৃশয্যা প্রদক্ষিণ করে তার দক্ষিণ পাশর্^ভেদ করে মাতৃজঠরে প্রবেশ করল। কিন্তু তা স্বপ্ন নয়। অলৌকিক বাস্তব ঘটনা; যা ঘটে গেল স্বপ্নাকারে। তখন চারদিকে দিব্য আভায় উদ্ভাসিত হলো। এ রূপে উত্তরাষাঢ়ী নক্ষত্র যোগে মাতৃ কুক্ষিতে প্রতিসিদ্ধ গ্রহণ করলেন ভাবী বুদ্ধ বোধিসত্ত্ব। সেই আষাঢ়ী পূর্ণিমার পুণ্য তিথিতেই এ অলৌকিক স্বপ্ন দর্শনে ভীত হলেন না রানী মায়াদেবী। যেন দিব্য এক পুলকে অভিভূত তিনি। পরদিন প্রত্যুষে দেবী রাজাকে স্বপ্ন বৃত্তান্ত জানালেন। রাজা কাল বিলম্ব না করে চৌষট্টিজন জ্যোতির্বিদ এনে স্বপ্নের ফল জানতে চাইলেন। বিপ্রগণ বললেন, মহারাজ চিন্তা করবেন না, আপনার মহিষী সন্তানসম্ভবা হয়েছেন। লাভ করবেন তিনি এক দেব দুর্লভ পুত্ররত্ন। তখন বসুন্ধরা হবে ধন্য। তিনিই সে মহামানব সিদ্ধার্থ রূপে জন্ম নিলেন রাজ পরিবারে।
সিদ্ধার্থ গৌতমের বয়স তখন ২৯, তখন তার যৌবন পরিপূর্ণ। ভরা যৌবনের মাদকতা তার কাছে নেই। সর্বদা বৈরাগ্য চিন্তায় মনকে উদাসীন করে তোলে। এ অবস্থা দেখে রাজা শুদ্ধোধন কুমার সিদ্ধার্থ গৌতমকে সুন্দরী যশোধরার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করেন। ফিরে এলো সেই আষাঢ়ী পূর্ণিমা। এ তিথিতেই সিদ্ধার্থ পিতা-মাতা, স্ত্রী-পুত্র, ভোগ-বিলাস, রাজ্য, ধন, সবকিছুকে তুচ্ছ মনে করে মহাভিনিক্রমণ অর্থাৎ সংসার ত্যাগ করলেন। সমস্ত তৃষ্ণার বন্ধনকে ছিন্ন করে জগতের মুক্তির জন্য এ তার আত্মত্যাগ।
জগতের ইতিহাসে এরূপ আর কোনো মহাপুরুষের জীবনে দৃষ্টান্ত নেই। ভোগের পৃথিবীতে এরূপ ত্যাগের পরাকাষ্ঠা দেখিয়েছেন তা জীব-জগতের দুঃখ মোচনের জন্য। অতঃপর রাজকুমার গয়ার বোধিদ্রুম মূলে ৬ বছর কঠোর সাধনার পর চরম ও পরম জ্ঞান ‘মহাবোধি’ লাভ করলেন। সম্যক সম্বুদ্ধ হিসেবে দেব মানবকে প্রজ্ঞার আলো বিতরণে তার আবিভূাব। বুদ্ধত্ব লাভের পর তথাগত (সম্যক সম্বুদ্ধ) চিন্তা করতে লাগলেন তার নবলব্ধ ধর্ম সর্বপ্রথম কার কাছে প্রকাশ করবেন। সিদ্ধার্থ গৌতম গৃহ ত্যাগের পর প্রথম সাক্ষাৎ পান ঋষি আড়ার কালামের। সেই ঋষি আড়ার কালামের কথা চিন্তা করতেই দিব্যজ্ঞানে দেখেন তিনি পরলোকগমন করেছেন। দ্বিতীয় সাক্ষাৎপ্রার্থী রামপুত্র রুদ্রকের কথা স্মরণ করে জানতে পারেন তিনি পরপারের যাত্রী হয়েছেন। কাকে তার প্রথম নবলব্ধ ধর্ম প্রকাশ করবেন সেই চিন্তা করতে গিয়ে পঞ্চবর্গীয় শিষ্যের কথা মনে পড়ল। তখন তিনি সারানাথে ঈষি-পত্তন মৃগদাবে গমন করলেন। এই পঞ্চবর্গীয় শিষ্য তার ধ্যানের সঙ্গী ছিলেন। সিদ্ধার্থ কৃচ্ছ্র সাধনা ত্যাগ করে মধ্যম পথ গ্রহণ করলে তারা তাকে ত্যাগ করে চলে যান। তথাগত বুদ্ধ সেই আষাঢ়ী পূর্ণিমার দিনে ঈষি-পত্তন মৃগদাবে সেই পঞ্চবর্গীয় শিষ্যদেরকে সর্বপ্রথম ধর্ম দেশনা ধর্মচক্র প্রবর্তনসূত্র দেশনা করলেন। তার নবলব্ধ সদ্ধর্মকে প্রকাশ করলেন। তিনি সেই ধর্মচক্র প্রবর্তন সূত্রে বললেনÑ ‘হে ভিক্ষুগণ, দুটি রচরমে প্রব্রজিত ভিক্ষু শ্রামণদের যাওয়া উচিত নহে। সেই দুটি কী কী? প্রথমত হীন গ্রাম্য ও সাধারণ জনসেবিত অনার্য ও অনর্থ কর কাম্য বস্তুতে অনুরক্ত হওয়া আর দ্বিতীয়ত অনার্য ও অনর্থযুক্ত আত্মক্লেশজনিত দুঃখবরণ। এই দুই অন্ত ত্যাগ করে তথাগত মধ্যমপথ অধিগত হয়েছে, যা চক্ষু উৎপাদনকারী এবং যা মানুষকে নির্বাণের দিকে সংবর্তিত করে।’
ভগবান বুদ্ধের এ মধ্যম পথের শিক্ষা হলোÑ আর্যসত্যসমূহের দর্শন লাভ। সংসার দুঃখকে অতিক্রম হেতু যে মার্গ দর্শন। মার্গজ্ঞান ক্ষণেই চার আর্য সত্য প্রত্যক্ষ করেন। তা সংসার দুঃখ বিনাশের হেতু। সংযুক্ত নিকায়েরসচ্চ সংযুক্ত তৃতীয়বর্গে বলা হয়েছেÑ ‘যারা দুঃখ, দুঃখোৎপত্তি, দুঃখ নিরোধ এবং দুঃখ নিরোধের মার্গ চিত্তবিমুক্তি ও প্রজ্ঞা বিমুক্তি জানেন না, তারা জন্ম, জরাদির অধীন এবং তারা দুঃখের অন্ত সাধন করতে সক্ষম। যারা উক্ত আর্যসত্য জানেন, জন্ম, জরাদিও অধীন না হয়ে সর্বদুঃখের অন্তসাধন করতে সক্ষম।’
ভগবান বুদ্ধ ভিক্ষুদের উদ্দেশে বলেছেনÑ ‘ভিক্ষুগণ! চার আর্যসত্যের অনুরোধ ও পটিবোধের অভাবে আমাকে ও তোমাদিগকে দীর্ঘকাল জন্ম হতে জন্মান্তরে এবং ভব হতে ভবান্তরে সন্ধাবন ও সংসরণ করতে হয়েছে। ভিক্ষুগণ! সে চার আর্যসত্য বর্তমানে অনুবুদ্ধ ও পটিবিদ্ধ হয়েছে। এখন ভব তৃষ্ণা উচ্ছিন্ন হয়েছে, ভবরজ্জু ক্ষীণ হয়েছে। আর পুনর্জন্ম নেই।’সিদ্ধার্থ গৌতমের বুদ্ধত্ব প্রাপ্তির সপ্তম বছর পর আষাঢ়ী পূর্ণিমা দিবসে শ্রাবস্তীর নগর দ্বারে গণ্ডম্ব বৃক্ষমূলে যমক প্রতিহার্য ঋদ্ধি প্রদর্শন করে। অতঃপর ঋদ্ধি প্রদর্শন করে ক্রমে ত্রিপদ বিক্ষেপেতাবতিংশ দেবলোকে উপস্থিত হয়েছিলেন। তথায় তিনি অভিধর্ম দেশ না করার মানসে পারিজাত বৃক্ষ মূলে পাণ্ডুকম্বল শিলাসনে উপবেশন করলেন। দশ সহস্র চক্রবালের দেব-ব্রহ্ম তখনবুদ্ধ সন্নিধানে সম্মিলিত হলেন। বুদ্ধের অনুপমষড়শ্মি দেবব্রহ্মের দিব্য জ্যোতিকেও অভিহিত করল। শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমা পুণ্য তিথিতেই তথাগত বুদ্ধ তাবতিংশ স্বর্গে বর্ষাবাস গ্রহণ করেছিলেন। এ বর্ষাবাসের কারণ তার মাতৃদেবীকে র্নিবাণ লাভের হেতু উৎপন্ন করা।
তাই এ আষাঢ়ী পূর্ণিমা তিথি বুদ্ধের জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এ পূর্ণিমার মাহাত্ম্য বর্ণনাব্যাপক। অনেক পুণ্যময় ও তাৎপর্যময় স্মৃতিবিজড়িত এই আষাঢ়ী পূর্ণিমা। বাংলাদেশেও অনুরূপভাবে এ আষাঢ়ী পূর্ণিমা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে প্রতিপালিত হয়ে আসছে। আজ থেকে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের ত্রৈমাসিক বর্ষাবাস আরম্ভ।
বর্তমান এমন সময়ে শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমা সমাগত পুরো পৃথিবীর মানুষ মারণঘাতী করোনাভাইরাসের মহাবিপর্যয়ের সম্মুখীন। পৃথিবীতে মানুষের জন্য এটা বৈশি^ক মহামারি হিসেবে দেখা দিয়েছে। এর থেকে পরিত্রাণ চায় গোটা পৃথিবীর মানবজাতি। এ করোনাভাইরাস আমাদের সবাইকে মানবিক হতে শিক্ষা দিচ্ছে। ভগবান বুদ্ধের মতো আত্মত্যাগী হয়ে এ কঠিন পরিস্থিতি থেকে মানবজাতিকে রক্ষায় যত্নবান হই। বিশ^মানবতা সভ্যতার অনন্য পুণ্যময় তিথিকে স্মরণ করে আত্মসংযমী হয়ে সবাই নির্বাণ লাভের হেতু উৎপন্ন হোকÑ এই প্রত্যাশা।

একটি ধর্মীয় সুসংবাদ 📣দেব মনুষ্য তথা জগতের হিতসুখ মঙ্গল কামনায় জুরাছড়ি বেণুবন অরণ্য কুঠিরে ভিক্ষুসংঘের বর্ষাবাস ৩ মাস এক ...
18/07/2026

একটি ধর্মীয় সুসংবাদ 📣
দেব মনুষ্য তথা জগতের হিতসুখ মঙ্গল কামনায় জুরাছড়ি বেণুবন অরণ্য কুঠিরে ভিক্ষুসংঘের বর্ষাবাস ৩ মাস এক বিহারে অবস্থান করার জন্য আগামী ২৯/০৭/২০২৬ইং রোজ বুধবার" শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমা" ধর্মীয় অনুষ্ঠান হতে যাচ্ছে।
তাই উক্ত অনুষ্ঠানে সামিল হয়ে পূণ্য ভাগী হওয়ার জন্য সাদরে আমন্ত্রিত রইল 🙏🙏🙏
▶️প্রচারে: জুরাছড়ি বেণুবন আর্য্য মৈত্রী যুব ঐক্য পরিষদ, নানিয়ারচর, রাঙ্গামাটি
অনুষ্ঠান শুরু হবে সকাল ৯ ঘটিকার সময়ে শুধুমাত্র এক বেলা অনুষ্ঠান হবে।
➡️তাই সবাইকে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ রইল।

 #বুদ্ধ_পতাকা_ছয়টি_রঙের_আধ্যাত্মিক_রহস্য_রঙ_নাম_ও_অর্থ #১. নীল: বুদ্ধের মাথার চুল ও চোখের মণি থেকে বিচ্ছুরিত নীল আলো। এট...
07/07/2026

#বুদ্ধ_পতাকা_ছয়টি_রঙের_আধ্যাত্মিক_রহস্য_রঙ_নাম_ও_অর্থ #

১. নীল: বুদ্ধের মাথার চুল ও চোখের মণি থেকে বিচ্ছুরিত নীল আলো। এটি মহাজাগতিক মৈত্রী, পরম করুণা এবং সমস্ত জীবের প্রতি দয়ার প্রতীক।
২. হলুদ: বুদ্ধের ত্বক থেকে বিচ্ছুরিত সোনালী আলো। এটি মধ্যম পন্থা, পবিত্রতা এবং ধর্মের গভীর জ্ঞানের প্রতীক।
৩. লাল: বুদ্ধের রক্ত ও মাংস থেকে বিচ্ছুরিত লাল আলো। এটি ধর্মের প্রতি গভীর ভক্তি, সাধনা এবং আধ্যাত্মিক শক্তির প্রতীক।
৪. সাদা: বুদ্ধের অস্থি ও দাঁত থেকে বিচ্ছুরিত শ্বেত আলো। এটি পরম পবিত্রতা, মানসিক মুক্তি এবং ধর্মের চিরন্তন সত্যের প্রতীক।
৫. কমলা: বুদ্ধের হাতের তালু, পায়ের পাতা ও ঠোঁট থেকে বিচ্ছুরিত আলো। এটি ত্যাগ, বৈরাগ্য, প্রজ্ঞা এবং বুদ্ধের শিক্ষার মূল নির্যাস।
৬. মিশ্র রঙ: এটি কোনো একক রঙ নয়, বরং ওপরের পাঁচটি রঙের একটি উজ্জ্বল মিশ্রণ বা আভা। এটি বোঝায় যে বুদ্ধের জ্ঞান ও আলো সবকিছুর ঊর্ধ্বে এবং তা সর্বত্র বিরাজমান।
পতাকার গঠনশৈলী
আপনি যদি বৌদ্ধ পতাকাটি লক্ষ্য করেন, তবে দেখবেন এতে মোট ছয়টি লম্বালম্বি দাগ আছে:
* প্রথম পাঁচটি দাগে এককভাবে নীল, হলুদ, লাল, সাদা এবং কমলা রঙ রয়েছে।
* শেষের (ডানদিকের) ষষ্ঠ দাগটিতে ওপরের পাঁচটি রঙ ওপর-নিচ করে ছোট ছোট স্ট্রাইপে সাজানো থাকে, যা ওই মিশ্র আলো বা 'প্রভাজল' প্রকাশ করে।

খুবই দুঃখজনক ঘটনা 😥থাইল্যান্ডের মুকদাহানে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: পিকআপ ট্রাকের ধাক্কায় ৮ বৌদ্ধ ভিক্ষুর করুণ মৃত্যু, আহ...
02/07/2026

খুবই দুঃখজনক ঘটনা 😥
থাইল্যান্ডের মুকদাহানে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: পিকআপ ট্রাকের ধাক্কায় ৮ বৌদ্ধ ভিক্ষুর করুণ মৃত্যু, আহত ১৩"
থাইল্যান্ডের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় মুকদাহান প্রদেশের মুয়েং জেলার বান না সি নুয়ান রাস্তার প্রবেশদ্বারে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। একদল বৌদ্ধ ভিক্ষু ধর্মীয় পদযাত্রায় (pilgrimage) অংশ নেওয়ার সময় দুপুর ১২টার দিকে একটি দ্রুতগামী পিকআপ ট্রাক তাদের উপর তুলে দেয়। এই মর্মান্তিক ঘটনায় অন্তত ৮ জন ভিক্ষু নিহত হয়েছেন এবং আরও ১৩ জন গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, চালক ছিল ১১-১২ বছর বয়সী এক অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোর, যে তার অভিভাবকের অজান্তে লাইসেন্স ছাড়াই গাড়িটি নিয়ে রাস্তায় বেরিয়েছিল। আহতদের জরুরি চিকিৎসার জন্য স্থানীয় মুকদাহান হাসপাতালে রক্তের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।
Copy post

Address

Rangamati

Telephone

+8801572586186

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জুরাছড়ি বেণুবন অরণ্য কুঠির,নানিয়ারচর,রাঙ্গামাটি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share