IRRC MEDIA

IRRC MEDIA বদলে দেয়ার প্রত্যয়ে সদা অবিচল

📖আলোয় আলোকিত সোনালী সন: ২০১৯-২০। 📚প্রসঙ্গ: সৌদি আরবে স্কলারশিপ।🖊️আলহামদু লিল্লাহ! মহান আল্লাহর অশেষ অনুগ্রহে চলতি '২০১৯...
09/01/2020

📖আলোয় আলোকিত সোনালী সন: ২০১৯-২০।

📚প্রসঙ্গ: সৌদি আরবে স্কলারশিপ।

🖊️আলহামদু লিল্লাহ! মহান আল্লাহর অশেষ অনুগ্রহে চলতি '২০১৯-২০' সনে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শতাধিক (প্রায়) শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষার সুবর্ণ সুযোগ লাভ করেন। সৌদি আরবের প্রায় সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশে থেকে শিক্ষার্থী নিয়েছে। ইহাকে আমাদের শিক্ষা খাতের সোনালী সফলতা বলা যায়।
নিম্নে বিশ্ববিদ্যালয় ও মনোনীত শিক্ষার্থী সংখ্যা যথাক্রমে দেওয়া হলো-

◾মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মদীনা মুনাওয়ারা।
এবছর ৫৪ জন শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষার জন্য মনোনীত হন। তন্মধ্যে কওমী মু'আদালা প্রতিষ্ঠান থেকে ২৪ জন এবং বাকী ৩০ জন আলিম সার্টিফিকেট দিয়ে সুযোগ লাভ করেন।

◾জামি'আ তায়্যিবা, মদীনা মুনাওয়ারা।
এবছর ৭ জন (১জন মেয়ে) উচ্চ শিক্ষার জন্য সুযোগ পান।

◾জামি'আহ মালিক সঊদ (কিং সঊদ), রিয়াদ।
এবছর ২জন শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষার সুযোগ লাভ করেন।

◾কিং আব্দুল আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়, জেদ্দা।
এবছর ২৬জন (সঠিক সংখ্যা জানতে পারি নাই!) শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষার জন্য মনোনীত হন। মাষ্টার্স ও পিএইচডি র জন্য ১০জন শিক্ষার্থী মনোনীত হয়েছেন।

◾কিং খালিদ বিশ্ববিদ্যালয়, আবহা।
এবছর ৭জন শিক্ষার্থী মনোনীত হয়েছেন।

◾মাজমা'আ বিশ্ববিদ্যালয়, রিয়াদ।
এবছর ২জন শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষার জন্য মনোনীত হন।

◾আল জাওফ বিশ্ববিদ্যালয়, শাকাকা।
এবছর ৩জন শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষার সুযোগ লাভ করেন।

🙏আপনারা সবাই তাঁদের জন্য দু'আ করবেন। মহান আল্লাহ চান্স প্রাপ্ত সকল শিক্ষার্থীকে দ্বীনের একনিষ্ঠ খাদেম হিসেবে কবুল করুন। আমীন!

02/06/2019
ইন্টারনেটে ইসলাম প্রচারের উপায়রাসূল (সা.) দ্বীন ইসলাম প্রচারের জন্য এমন ক্ষেত্র বা স্থান বেছে নিতে আগ্রহী ও তৎপর ছিলেন য...
09/03/2019

ইন্টারনেটে ইসলাম প্রচারের উপায়

রাসূল (সা.) দ্বীন ইসলাম প্রচারের জন্য এমন ক্ষেত্র বা স্থান বেছে নিতে আগ্রহী ও তৎপর ছিলেন যেখানে গেলে অনেক মানুষকে একসাথে আল্লাহর পথে আহ্বান করা যায় এবং আল্লাহর বাণী প্রচার করা যায়। তাই তিনি জন সাধারনসহ সকলের একত্র হওয়ার স্থান হাট-বাজারে যেতেন। অনুরূপভাবে নবী (সা.) হজ্জের মৌসুমসহ সকল সময়েই মানুষের দরবারে উপস্থিত হয়ে ইসলাম তথা এক আল্লাহর বাণী প্রচার করেছেন। তাই আল্লাহর বাণী প্রচারের জন্য লোকজনের সমাগম তথা মিলিত হওয়ার স্থানে যাওয়া নিন্দনীয় নয় বরং তা প্রশংসা এবং ধন্যবাদ পাওয়ার দাবীদার। সাথে সাথে এজন্য আল্লাহর কাছে উত্তম প্রতিদান পাওয়া যাবে। কেননা এর মাধ্যমে সাধারণত ৫/৬ জনের নিকটে দাওয়াত পৌছানোর তুলনায় শতাধিক কিংবা হাজার-হাজার মানুষের কাছে এক নিমিষেই দাওয়াত পৌছানো যায়। আজকের দিনের বাস্তবতা হচ্ছে একজন ব্যক্তি এই ইন্টারনেটের মাধ্যমে তার আওয়াজ তথা প্রচারিত বাণী এত সংখ্যক মানুষের নিকটে পৌছাতে সক্ষম যার সংখ্যা সম্পর্কে আমরা অনবগত। কেননা শত-শত মিলিয়ন লোক প্রতিনিয়ত একই সাথে ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকে।
ইন্টারনেট দ্বীনী দাওয়াতের এক অপূর্ব সুযোগ এনে দিয়েছে। অনেক পরিবার আছে যারা আধুনিকতার নামে তাদের সন্তানদেরকে ইসলাম সম্পর্কে জানার সুযোগ দেয়নি। মহান আল্লাহ ও তার রাসূল (সা.) সম্পর্কে কোন ধারণা দেয়নি। তারা দ্বীনের দাওয়াত থেকেও থেকেও বঞ্চিত হয়েছে। এই প্রজন্মের কাছে ইসলামের সৌন্দর্য উপস্থাপনের মাধ্যমে তাদেরকে দ্বীনের দাওয়াত দেয়ার অন্য যে কোন মাধ্যমের চেয়ে ইন্টারনেট সবচেয়ে সহজ মাধ্যম। [............]

প্রবন্ধনিয়মিত আয়োজনপ্রবন্ধ-নিবন্ধইন্টারনেট: মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ (২য় পর্ব) দ্বারা admin - মার্চ 2, 2019 0 5 ফেইসবুক ভাগ টুইটার....

 #কাদিয়ানীদের_ভ্রান্ত_মতবাদ :আরব সহ সমগ্র বিশ্ব তখন গভীর তিমিরে আচ্ছন্ন। সবর্ত্র বিরাজ করছে এক প্রকার গুমোট অস্থিরতা। এ...
19/02/2019

#কাদিয়ানীদের_ভ্রান্ত_মতবাদ :

আরব সহ সমগ্র বিশ্ব তখন গভীর তিমিরে আচ্ছন্ন। সবর্ত্র বিরাজ করছে এক প্রকার গুমোট অস্থিরতা। এমনি এক মূহুর্তে মক্কার আকাশে নতুন এক সুর্যের আবির্ভাব হল। সে সূর্য হল নবুওয়তের সূর্য। আলোকিত হয়ে উঠল মক্কার আকাশ। ঘরে ঘরে পৌঁছতে লাগল আলোক রশ্মী। নবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মানুষকে সে আলোর পথে ডাকতে থাকলেন। অন্ধকারের অলি-গলি পার হয়ে অসংখ্য মানুষ খুঁজে পেলেন সত্যের পথ। ক্রমেই দিক-দিগন্তে আলোর পরিধী বাড়তে থাকল।

কিন্তু! আঁধারেই যাদের বসবাস তারা তো আলোকে সহ্য করতে পারেনা। বাদুড় তো চিরদিনই সূর্যের বিরোধীতা করবেই। তাই বলে সূর্য উঠা কি বন্ধ হয়ে যাবে?

একদল লোক রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আওয়াজকে নিস্তদ্ধ করার জন্য উঠে পড়ে লাগল। কিন্তু এ আওয়াজ তো বন্ধ হওয়ার নয়। বরং মরুভূমির প্রচন্ড ঝড়ো হাওয়ার সাথে তা আছড়ে পড়ল পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে। ফলে তারা হিংসা-বিদ্বেষ আর অন্তর জ্বালায় জলে-পুড়ে ছারখার হতে থাকল। এভাবে ইসলামের আলো আস্তে আস্তে বিশ্বব্যাপী বিস্তার লাভ করল। আল্লাহর বাণী চির সত্য। তিনি বলেন: “তারা তো মুখের ফুৎকারে আল্লাহর আলোকে নিভিয়ে দিতে চায় কিন্তু আল্লাহ তাঁর আলোকে পূর্ণতা দান করবেনই যদিও কাফেরেরা তা অপছন্দ করে।” (সূরা আস সাফ্‌ফ: ৮)

কিন্তু ওসব হিংসুক কাফেরের দল বসে রইল না। বরং নানা কুট কৌশল আর ষড়যন্ত্রের জাল বুনতে থাকল। কিভাবে ইসলামের অগ্রযাত্রাকে ব্যহত করা যায়। ফলে মুসলমানদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ইবনে সাবা নামক ইহুদীকে ঢুকিয়ে দেয়া হল। সে মুসলমানদের মাঝে বিভিন্ন দল-উপদল সৃষ্টি করে তাদেরকে বিভক্ত করে ফেলল। আলী (রাঃ) কে কেন্দ্র করে শিয়া দলের সৃষ্টি হল।

ইসলামের পোষাক পরে শত্রুঃ
এর পর মুসলমানদের এ বিভক্তির দূর্বলতাকে সুযোগ মনে করে তারা ইসলামী দেশগুলোতে সামরিক আক্রমনের মাধ্যমে দখল করে নেওয়ার জন্য সর্ব সর্বশক্তি নিয়োগ করল। কিন্তু আল্লাহর রহমত এবং অকুতভয় মুসলিম সৌনিকদের সাহসী প্রতিরোধে তারা বিভিন্ন যুদ্ধে পরাজয় বরণ করতে থাকে। পরিশেষে সামরিক দিক দিয়ে মুসলমানদের কাছে ব্যার্থ হওয়ার পর শত্রুরা আবার তাদের সেই পুরোনো পদ্ধতিতে ফিরে আসল। ইসলামী দেশগুলোতে ইসলামের পোষাক পরিয়ে বিভিন্ন দালাল তৈরী করল। ইরানে সে সমস্ত দালালদের একজন হল মির্যা হুসাইন বিন আলী বাহাঈ। সে বাাহাঈ দল সৃষ্টি করে ঘোষণা করল কুরআন ভুল-ভ্রান্তিতে ভরা। আরো ঘোষণা করল, সে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর শরীয়তকে বিলুপ্তকারী। কিন্তু মুসলমানগণ তার এ প্রকাশ্য ঘোষণার কারণে খুব সহজে তার আসল পরিচয় পেয়ে গেল। ফলে তাকে ঘৃণ্যভাবে প্রত্যাখান করায় তার এ ষড়যন্ত্রও মুখ থুবড়ে পড়ল।

ভন্ডামির নানান রূপঃ
গোলাম আহমাদ ছিল অত্যন্ত ধূর্ত ও চালবাজ। সে অত্যন্ত সুকৌশলে মুসলমানদের মাঝে তার ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তুার করতে থাকে। প্রথমে সে নিজেকে একজন মুজাদ্দিদ বা মহান সংস্কারক, তারপর ইমাম মাহদী, কখনো বা নিজেকে ঈসা (আলাইহিস সালাম) দাবী করে। তারপর নিজেকে ‘ছায়া নবী’ সবশেষে একজন ‘পূর্ণ নবী’ বলে জোরেশোরে প্রচার চালাতে থাকে। শরীয়তের অনেক বিধান রহিত ঘোষণা করে এবং অনেক হুকুম-আকহাম রদবদল করতে থাকে। একদল লোককে তার অনুসারী হিসেবে পেয়ে যায়। তাদেরকে নিয়ে দল প্রতিষ্ঠা করে নাম দেয় ‘আহমদীয়া মুসলিম জামাত’।

মুসলিম বিশ্ব এবং বাংলাদেশঃ
প্রায় সবকটি মুসলিম দেশে ‘আহমদীয়া মুসলিম জামাত’ ও এ দলের অনুসারী কাদিয়ানীদেরকে সরকারীভাবে অমুসলিম ঘোষণা করে তাদের যাবতীয় বই-পুস্তক, ও কার্যক্রমকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ বাংলাদেশে তাদেরকে আজো অমুসলিম ঘোষণা করা হয়নি । যার কারণে বর্তমানে তারা আমাদের দেশে প্রকাশ্যে তাদের অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

সম্রাজ্যবাদের শাষণ এবং ভন্ড নবীর আবির্ভাবঃ
অবিভক্ত ভারতে তখন সম্রাজ্যবাদী ইংরেজদের শাষণের নামে শোষণ চলছে। তাদের যুলুম-নির্যাতনে মানুষ দিশেহারা। সর্বত্র বিদ্রোহের গুঞ্জরণ। মুসলমানগণ ইংরেজ শাষনের বিরুদ্ধে জিহাদের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এমনি একটি মূহুর্তে ইংরেজ শাষকগণ তাদের হাতে গড়া দালাল মির্যা গোলাম আহমাদ কাদিয়ানীকেকে মুসলমানদেরকে মুখোমুখি এনে দাঁড় করিয়ে দিল। প্রথম পর্যায়ে সে নিজেরকে ইসলামের একজন একনিষ্ঠ খাদেম হিসেবে প্রকাশ করল। কিন্তু কিছু দিন যেতে না যেতেই নিজেকে আল্লাহর নবী হিসেবে ঘোষণা করল। তারপর যা হবার তাই হল। শুরু হল ইসলাম সম্পর্কে নানা অপব্যাখ্যা। আল্লাহ, রাসূল, নবী, নবুওয়াত, সাহাবয়ে কেরাম, কুরআন, ওহী, জিহাদ, মদ ইত্যাদি নানা বিষয়ে জঘণ্য বিভ্রান্তিমূলক এবং আপত্তিকর বক্তব্য দেয়া শুরু করল। উপনেবিশবাদী বৃটিশ-বেনিয়াদের বিরুদ্ধে মুসলমানদের জিহাদকে নাজায়েয বলে ফাতাওয়া জারি করল।

যা হোক, নিম্নে আমরা কেবল ‘খতমে নবুওয়াত’ সর্ম্পকে তার অপব্যাখ্যা এবং কুরআন ও হাদীসের আলোকে এর জবাব সংক্ষেপে উপস্থাপন করব ইনশাআল্লাহ।

মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শেষ নবী নয় (!): গোলাম আহমদ কাদিয়ানী প্রচার করতে থাকে যে,মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শেষ নবী নয় বরং যুগের চহিদা মোতাবেক নবুওয়াতের ধারা অব্যহত থাকবেএবং অন্যান্য নবী ও রাসূলগণের মত সে ও একজন নবী এবং রাসূল।

কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে এর জবাবঃ আল্লাহ তা’আলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেনঃ “মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমাদের কোন পুরুষের পিতা ছিলেন না। তবে তিনি আল্লাহর রাসূল এবং সর্বশেষ নবী।” (সূরা আহযাবঃ ৪০)

বিশ্ববিখ্যাত তাফসীর কারক আল্লামা ইমাম ইবন্‌ কাসীর (রহঃ) বলেন, “অত্র আয়াতের মাধ্যমে স্পষ্টভাবে প্রতিয়মান হয় যে, তাঁর মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পরে কোন নবী নাই। নবী যখন আসবেন না রাসুল আসার তো কোন প্রশ্নই উঠেনা। এ ব্যাপারে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অসংখ্য মুতাওয়াতির হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (৩য় খন্ড, ৪৯৩ পৃষ্টা, মিসরিয় ছাপা)

নিম্নে কতিপয় হাদীস উল্লেখ করা হলঃ
১মঃ বাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেনঃ “আমার উম্মতর মধ্য থেকে ত্রিশজন মিথ্যাবাদী আসবে প্রত্যেকেই নিজেকে নবী বলে দাবী করবে। অথচ আমি হলাম শেষ নবী; আমার পরে কোন নবী নেই।” ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন। (তিরমিযী ৮/১৫৬ হাদীস নং ৩৭১০)

২য়ঃ প্রখ্যাত সাহাবী আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেনঃ “আমি এবং পূর্ববর্তী অন্যান্য নবীদের উদাহরণ হল, এক লোক একটি ঘর অত্যন্ত সুন্দর করে তৈরী করল। কিন্তু ঘরের এক কোনে একটা ইট ফাঁকা রেখে দিল। লোকজন চর্তুদিকে ঘুরে ঘরে তার সৌন্দর্য্য দেখে বিমোহিত হচ্ছে কিন্তু বলছে, এ ফাঁকা জায়গায় একটি ইট বসালে কতই না সুন্দর হত!” রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “আমি হলাম সেই ইট এবং আমি হলাম সর্বশেষ নবী।” (বুখারী, হাদীস নং ৩২৭১ মুসলিম হাদীস নং ৪২৩৯)

৩য়ঃ প্রখ্যাত সাহাবী আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেনঃ “বনী ইসরাইলকে পরিচালনা করতেন তাদের নবীগণ। এক নবী মৃত্যু বরণ করলে আরেক নবী তার স্থানে এসে দায়িত্ব পালন করতেন। তবে আমার পরে কোন নবী আসবে না; আসবে খলীফাগণ।”(সহীহ বুখারী- ৩২৬৮)

৪র্থঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আলী (রাঃ) কে লক্ষ্য করে বলেনঃ “মুসা (আঃ) এর নিকট হারুন (আঃ) যেমন তুমি আমার নিকট ঠিক তদ্রুপ। তবে আমার পরে কোন নবী নেই।” (বুখারী-৪০৬৪, মুসলিম হাদীস নং ৪৪১৮)

৫মঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ “আমার পরে কেউ নবী হলে উমার ইবনুল খাত্তাব নবী হতেন।” (সুনান তিরমিযী হাদীস নং-৩৬১৯)

৬ষ্ঠঃ আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলে করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেনঃ “পূর্ববর্তী অন্যান্য নবীদের উপর ছয়টি বিষয়ে আমাকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। আমাকে দেয়া হয়েছে অল্প শব্দে অনেক বেশী অর্থবোধক কথা বলার যোগ্যতা, আমি অনেক দূর থেকে শত্রুবাহিনীর মধ্যে ত্রাস সৃষ্টির মাধ্যমে বিজয় প্রাপ্ত হই। গনিমত তথা পরাজিত শত্রুবাহিনীর ফেলে যাওয়া সম্পদ আমার জন্যে বৈধ করা হয়েছে। যমিনের মাটিকে পবিত্রতা অর্জনের মাধ্যম এবং সেজদা প্রদানের স্থান বানানো হয়েছে। সমগ্র সৃষ্টিকুলের জন্য আমাকে নবী বানানো হয়েছে এবং আমার মাধ্যমেই নবী আগমনের ধারাকে সমাপ্ত করা হয়েছে।” (মুসলিম হাদীস নং-৭১২)

এছাড়াও অসংখ্য সহীহ হাদীস দ্বারা দ্যার্থহীনভাবে প্রমাণিত হয় যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আখেরী-সর্বশেষ নবী । তাঁর পরে কোন নবী আগমণ করবেনা।

পূর্ববর্তী সালাফে সালেহীন এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ একমত। যুগে যুগে মুসাইলামা কায্‌যাব, তুলাইহা, আসওয়াদ আনাসীর মত অনেক ভন্ড ও মিথ্যাবাদীর আবির্ভাব হয়েছে কিন্তু সবাইকে আল্লাহ ও তার রাসূলের অভিশম্পাতের অধিকারী হয়ে লাঞ্ছিত অবস্থায় দুনিয়া থেকে বিদায় নিতে হয়েছে এবং তারই ধারাবহিকতায় মির্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানীও নিকৃষ্ট অবস্থায় পায়খানায় পড়ে মৃত্যবরণ করে ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে।

পরিশেষে, আহবান জানাব, আমাদেরকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর খতমে নবুওয়াত এবং এই কাদিয়ানী ফেতনা সর্ম্পকে জ্ঞানার্জন করতে হবে এবং এ ব্যাপারে আমাদের সর্বোচ্চ সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। যেন কোন অপশক্তি ইসলামের সুরম্য অট্টালিকায় প্রবেশ করে আমাদের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ তথা ঈমান হরণ করতে না পারে। আল্লাহ আমাদেরকে হকের উপর জীবনের শেষ মূহুর্ত পর্যন্ত টিকে থাকার তৌফিক দিন। আমীন ॥

সবাই আমন্ত্রিত!!
19/02/2019

সবাই আমন্ত্রিত!!

Address

Nowdapara (Amcottor)
Rajshahi

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when IRRC MEDIA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share