সহিহ মুসলিম ঐক্যবদ্ধ সমাজ

সহিহ মুসলিম ঐক্যবদ্ধ সমাজ ইসলাম ধর্ম শান্তির ধর্ম। এই ইসলামকে সঠিকভাবে জানানো ও বাতিলপন্থীদের হাত থেকে রক্ষা করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্য।
ইনশাআল্লাহ। আল্লাহু আকবার।

ইরানে ইসলাম গ্রহণ ও প্রচারের শাস্তিস্বরূপ মৃত্যুদণ্ড ●●শিয়া-মালাঊন রাষ্ট্র ইরান এর আহওয়ায এলাকা মূলত আহোয়াযী আরবদের এলাক...
12/10/2025

ইরানে ইসলাম গ্রহণ ও প্রচারের শাস্তিস্বরূপ মৃত্যুদণ্ড ●●

শিয়া-মালাঊন রাষ্ট্র ইরান এর আহওয়ায এলাকা মূলত আহোয়াযী আরবদের এলাকা। সেখানকারই একজন শিয়া যাজক ছিলেন আব্বাস আলবু আলী।
শিয়া ধর্মের মিথ্যাচার,শিরক-কুফর বুঝতে পেরে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন এবং ইসলাম প্রচার শুরু করেন।
তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ৫ বছর পরে বেরিয়ে আসতে থাকে তাঁকে হত্যার রহস্য। আব্বাস আলবু আলী ছিলেন ইরানের আহওয়াযী আরব জনগোষ্ঠী থেকে যিনি ইরানের দখলকৃত আহওয়ায আরবদের প্রতি ইরানের শাসকদের অত্যাচার-নির্যাতনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন।
ইরানের কাফের শাসকদের বাহিনী ২০০০ সালে আবাদান শহর থেকে তাঁকে বন্দী করে। তিনি ৫ বছর কারূন কারাগারে অতিবাহিত করেন এবং সেখানে ইসলাম গ্রহণ করেন। ইসলাম গ্রহণের পড়ে তিনি ইসলাম প্রচার করতে থাকেন এবং কারাগারেই বহু শিয়া-কাফের তাঁর হাতে ইসলাম গ্রহণ করেন! আরবদের হয়ে আন্দোলনের কারণে গ্রেফতার হওয়া আব্বাস আলবু আলীকে ইসলাম গ্রহণ ও প্রচারের কারণে “ধর্মহীনতা”, “খোদার সাথে শত্রুতা” ইত্যাদি অভিযোগে অভিযুক্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।
৩০শে নভেম্বর ২০০৫ তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় এবং তাঁর পরিবারকে তাঁর জানাযা পড়াতে দেয়া হয় নাই!
তাঁর সম্পর্কে কারাগারের সাথীদের একজন বলেন, তিনি খুব কম কথা বলতেন এবং আল্লাহ্‌র যিকির করতেন খুব বেশি।
ইরানের গোয়েন্দারা তাঁকে বদনাম করার জন্য পরবর্তীতে অপবাদ দিয়ে ছড়িয়েছে যে তাঁকে অনৈতিক কাজের জন্য গ্রেফতার করা হয়েছিল।
আল্লাহ্‌ যেন আব্বাস আলবু আলী(র) কে শহীদ হিসাবে কবুল করেন।

#ইরান #শিয়া #ইসলাম

রাজতন্ত্রকে আমাদের সমাজে হারাম অথবা বিদআত মনে করা হয়। শিয়া সম্প্রদায় সর্বদাই রাজতন্ত্রের ঘোর বিরোধী, তার সাথে যুক্ত হয়েছ...
21/07/2025

রাজতন্ত্রকে আমাদের সমাজে হারাম অথবা বিদআত মনে করা হয়। শিয়া সম্প্রদায় সর্বদাই রাজতন্ত্রের ঘোর বিরোধী, তার সাথে যুক্ত হয়েছে কথিত হানাফি সমাজ, যাদের নিজেদেরই আকীদা, আমল ভেজাল।
|````|~|````|~|````|~|````|~|````|~|````|~|````|~|````|~|````|

হানাফিদের প্রধান মুফতী শায়খ তাকী উসমানী হাফিযাহুল্লাহ বলেন:-

আপনারা দেখেছেন রাজতন্ত্র এমন একটি অস্পষ্ট ব্যাপক শব্দ যে, তার প্রকারসমূহের মধ্যে স্বেচ্ছাচার রাজত্ব থেকে নিয়ে নামমাত্র রাজত্ব পর্যন্ত অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ এমন রাজা অতিবাহিত হয়েছে যার যবানই ছিল আইন; আবার এমন রাজাও আছে যার কিছুই করার নেই। এটাও রাজত্ব, ওটাও রাজত্ব। যা হোক, এই চার-পাঁচ প্রকারের রাজতন্ত্র পাওয়া যায়। এতে একটি কথা স্পষ্ট হয় যে, যখন থেকে দুনিয়াতে গণতন্ত্রের খুব ধুম পড়েছে, তখন থেকে রাজত্ব এবং রাজতন্ত্র শব্দ দুটি বদনামে পরিণত হয়েছে। আর বদনামে পরিণত হওয়ার কারণে রাজতন্ত্রকে শুধু অনিষ্ঠকর মনে করা হয়। মানে রাজতন্ত্র ও রাজত্ব সবসময়ই খারাপ, কখনো ভালো হতে পারে না। এ কারণে অনেককে বলতে শোনা যায়, ইসলামে রাজতন্ত্র নেই ... । এটা আসলে সেই প্রোপাগান্ডার ফল, গণতন্ত্রের ধুম যেটা সৃষ্টি করেছে। অন্যথায়, রাজতন্ত্র একটি শিরোনামমাত্র। এই শিরোনামের আওতাধীন বস্তু ভালোও হতে পারে, খারাপও হতে পারে। এই শিরোনামের আওতায় রাজত্ব ভালোও হতে পারে, মোনাসিবও হতে পারে, আবার গলদও হতে পারে।

যদি আপনি কুরআন মজিদের দিকে লক্ষ্য করেন, তাহলে দেখতে পাবেন আল্লাহ তাআলা তালূত নামের একব্যক্তিকে বাদশাহ বানিয়ে পাঠিয়েছেন এবং তিনি এ বিষয়টিকে এহসান হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, আমি তাকে বাদশাহ করে পাঠিয়ে তোমাদের উপর অনুগ্রহ করেছি। এমনইভাবে বনী ইসরাইলের উপর যেসব এহসান হয়েছে, সেগুলোর কথা উল্লেখ করতে গিয়ে বলা হয়েছে - وجعلناكم ملوكا অর্থাৎ আল্লাহ তোমাদেরকে বাদশাহ করেছেন। একই তরীকায় হযরত সুলায়মান আলাইহিস সালাম এবং হযরত দাউদ আলাইহিস সালামকে বাদশাহ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এখন যারা গণতন্ত্রের পূজারী, তারা যখন এসব আয়াত সামনে আসে তখন বিভিন্ন রকমের হীলা-বাহানা এবং তাফসীর ও ব্যাখ্যা শুরু করে দেন। বলেন, এখানে 'মালিক' বলে অমুক উদ্দেশ্য; ইসলামে রাজতন্ত্র নেই। কিন্তু বাস্তব সত্য হচ্ছে এই যে, রাজতন্ত্র, বাদশাহী অথবা সালতানাত - নাম যা-ই দেওয়া হোক না কেন, দেখতে হবে তার ক্ষমতা কতখানি এবং তিনি কোন নীতিমালার উপর হুকুমত পরিচালনা করছেন। যদি সেই নীতিমালা সঠিক হয় তাহলে নাম চাই 'বাদশাহী' হোক, চাই রাজতন্ত্র হোক, চাই খেলাফত হোক, অথবা অন্যকিছু এতে কিছুই যায় আসে না এবং এই হুকুমতকে খারাপও বলা যায় না। কাজেই একথা মাথায় রাখতে হবে, আমাদের এখানে যে রাজতন্ত্র বা বাদশাহীকে পুরোপুরি খারাপ মনে করা হয়, তা আসলে আমাদের যুগে গজিয়ে ওঠা কিছু মডার্ন চিন্তাবিদের প্রোপাগান্ডা। এর বিস্তারিত বিবরণ পরবর্তীতে আপনাদের সামনে পেশ করে দিব।

অন্যথায় 'রাজতন্ত্র' শব্দের মধ্যে কিছুই নেই। এটা সঠিকও হতে পারে, গলদও হতে পারে; ভালোও হতে পারে, মন্দও হতে পারে। শাসকের নাম বাদশাহ রাখো, খলীফা রাখো, সুলতান রাখো অথবা রাষ্ট্রপতি রাখো- ইসলাম এখানে কোন অন্তরায় নয়। নামের কারণে কোন-কিছু যায় আসে না। শাসক কোন নীতিমালার অধীনে, কোন আইনের অধীনে এবং কোন ব্যবস্থাপনার অধীনে হুকুমত পরিচালনা করছেন - সেটাই হচ্ছে আসল কথা।

- ইসলাম ও রাজনীতি, ৫২-৫৩; মাকতাবাতুল হেরা।
:

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার 'হায়দার' (আলি রা.)-এর নামে যুদ্ধ ঘোষণা: ইসলামি দৃষ্টিকোণ এবং এই যুদ্ধে আমাদের অবস্থানইরানের সর্বো...
18/06/2025

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার 'হায়দার' (আলি রা.)-এর নামে যুদ্ধ ঘোষণা: ইসলামি দৃষ্টিকোণ এবং এই যুদ্ধে আমাদের অবস্থান

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেই তাঁর ফারসি ভাষার ভেরিফাইড একাউন্টে ফিলিস্তিনের বর্বর দখ**লদার ইজ********রাইলের বিরুদ্ধে 'হায়দার' (ইসলামের ৪র্থ খলিফা আলি বিন আবু তালেব রা.-এর একটি উপাধি)-এর নামে যুদ্ধ শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন!

তিনি একটি কবিতার পঙ্‌ক্তি উদ্ধৃত করে লিখেছেন:

"به نام نامی #حیدر، نبرد آغاز می‌گردد / علی با ذوالفقار خود، به #خیبر باز می‌گردد"

"'হায়দার'-এর নামে যুদ্ধ শুরু হয়। আলী তাঁর জুলফিকার নিয়ে খায়বারে ফিরে আসেন।" (পোস্টের লিংক কমেন্টে দেখুন)

এ ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছে।

◈ ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে হায়দার’ এর নামে যুদ্ধ ঘোষণা:

এটি স্বতঃসিদ্ধ বিষয় যে, ইসলামের মৌলিক শিক্ষা হলো, যেকোনো কাজের শুরু করতে "বিসমিল্লাহ" (আল্লাহর নামে শুরু করছি) বলা। কিন্তু বিস্ময়ের সাথে লক্ষণীয় যে, ইরান আলি (রা.)-এর নামে যুদ্ধ শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে! অথচ ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে এটি ভয়াবহ শিরক যা ইসলামের মূল একত্ববাদী বিশ্বাস পরিপন্থী এবং সবচেয়ে বড় ক্ষমা হীন গুনাহ হিসেবে পরিগণিত।

উল্লেখ্য, শিয়া সম্প্রদায়ের একটি চরমপন্থি গোষ্ঠী ইসলামের ৪র্থ খলিফা আলি (রা.)-কে অতিপ্রাকৃত মর্যাদা দিয়ে তাকে সর্বশক্তিমান চিরঞ্জীব মাবুদ (উপাস্য) বলে বিশ্বাস করে। (নাউযুবিল্লাহ)। আর এতে কোনও সন্দেহ নাই যে, এ বিশ্বাস মানুষকে ইসলাম থেকে বের করে দেয়।

◈ বর্তমান সংঘাতে আমাদের অবস্থান:

এই যুদ্ধ ইরানি শিয়া নেতৃত্ব ও ই***সরা**য়েলের মধ্যে সংঘটিত হচ্ছে। উভয়টি ইসলাম ও মুসলিমদের প্রতিষ্ঠিত ও চির চারিত দুশমন। প্রথমটি প্রকাশ্য আর ২য়টি আত্মগোপনকারী ও ছদ্মবেশী (মুনাফিক)। আমরা উভয় জালিমের ধ্বং*স কামনা করি।

কিন্তু চলমান এই যুদ্ধে আমরা মনেপ্রাণে চাই, মধ্যপ্রাচ্যের বিষফোঁড়া ইস******রায়ে****লের অবৈধ অস্তিত্ব মিটে যাক, তাদের মানব বিধ্বংসী বর্বরতা ও অত্যাচারের অবসান হোক, ফিলিস্তিনদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা হোক এবং বাইতুল মাকদিস মুক্তি পাক যা সমগ্র মুসলিম উম্মাহর লালিত প্রত্যাশা এবং অন্তরের প্রশান্তির কারণ।

নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা মুমিনদের সাহায্যকারী এবং তিনি সর্বোত্তম পরিকল্পনাকারী।
আল্লাহু আলাম।

- আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানি

ইসরাঈল যদি মধ্যপ্রাচ্যের ক্যান্সার হয়, ইরান হলো এইডস। এই দুইটা যদি একটা আরেকটার সাথে মারামারি করে একটা শেষ হয়ে যেতো, তাহ...
18/06/2025

ইসরাঈল যদি মধ্যপ্রাচ্যের ক্যান্সার হয়, ইরান হলো এইডস। এই দুইটা যদি একটা আরেকটার সাথে মারামারি করে একটা শেষ হয়ে যেতো, তাহলে বাকিটার বিরুদ্ধে আমরা লড়াই করতাম। কিন্তু বাস্তবে এমনটা হবে না। এই যুদ্ধ যুদ্ধ নাটক চলবে কিন্তু ফল হবে অন্যটা।

সাদ্দমের তিনশ জঙ্গি বিমান আছে, ইরাকে পরমাণু বোমা রয়েছে মিডিয়ার মাধ্যমে আপনি এ জাতীয় মুখরোচক অনেক সংবাদ পাবেন। কারণ আপনি তাদের কাস্টমার। কাস্টমার কি ধরনের সংবাদ পছন্দ করে সেটা মিডিয়া ভালো করেই জানে।

দেশ বা বিশ্ব স্থিতিশীল থাকলে, মানুষ সুখে শান্তিতে থাকলে কেউ তেমন একটা মিডিয়ামুখী হয় না৷ যখন দেশ বা বিশ্বে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় তখন মিডিয়ার টিআরপি, জিআরপি বেড়ে যায়৷ মিডিয়ার কাটতি ভালো থাকে৷

শুধুমাত্র ইরাক যুদ্ধের খবর বিক্রি করেই রয়টার্স আয় করেছে ২০ মিলিয়ন পাউন্ড৷ বাংলাদেশের মিডিয়া ঠিক কি রকম আয় করেছে তার কোন হিসেব নেই৷ তবে "প্রথম আলো" "আক্রান্ত ইরাক" নামে কখনো তিন পাতা, কখনো চার পাতার সংবাদও প্রকাশ করেছিল৷ সেই প্রথম আলোতে বর্তমানে আপনি ইরাক নিয়ে দুই লাইনের একটি লেখাও পাবেন না৷

তার মানে কি ইরাক নামক দেশটা পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে? মোটেই না, কারণ ইরাকের সংবাদ এখন তাদের কাছে বর্জ্য পদার্থ, তাই এর প্রয়োজন নেই৷ আফগানিস্তান, লিবিয়া, সিরিয়া যুদ্ধের ক্ষেত্রেও এমনটা দেখা গেছে। প্রথম কোন দেশ আক্রান্ত হলে তারা সে দেশের খবর নিয়ে পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা সংবাদ প্রকাশ করে জনগণের উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয়। এটা এক ধরনের ব্যবসায়িক কৌশল৷ সাংবাদিকতার ভাষায় ধরনের কৌশলকে বলে "সেলিং এলিমেন্ট"৷

মিডিয়ার সংবাদে উত্তেজিত না হয়ে ইরাক, ইয়েমেন, সিরিয়া, লেবানন, লিবিয়ায় মত দেশগুলোর অতীত বর্তমান নিয়ে পর্যালোচনা করলে দেখবেন সেগুলোতে এক সময় সুন্নীদের রাজত্ব ছিলো, এখন শিয়ারা রাজত্ব করছে বা করার চেষ্টা করছে। অর্থাৎ মধ্যপ্রাচ্যের গোলযোগে আমেরিকা যতটুকু ফায়দা হয়েছে তার চেয়ে বেশি ফায়দা লুট করছে বা করার চেষ্টা করছে শিয়ারা। আর শিয়াদের সর্বোচ্চ নেতা হচ্ছে আয়াতুল্লাহ খোমেনি।

বাংলাদেশ সহ বিশ্বের অনেক বড়ো বড়ো ইসলামী স্কলাররা ইরান বিপ্লবের সময় খোমেনির প্রেমে হাবুডুবু খেয়েছিলো। মাঝখানে কিছু দিন ভাটা ছিলো। ইরান-ইসরাঈল দ্বন্ধ সে প্রেমে নতুন জোয়ার নিয়ে এসেছে। অনেক আদর্শহীন মুসলমানের কাছে খোমেনি এখন আদর্শ। তার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ভবিষ্যতে যুব সমাজ খারেজীদের মতো দলে দলে শিয়া মতবাদ গ্রহণ করার সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ এক্ষেত্রেও ইরানেরই ফায়দা।

যারা বলেন, ইসলামে শিয়া-সুন্নী বিভাজন নেই, হতে পারে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তারা জ্ঞানী, গুণী কিন্তু ইসলামের ক্ষেত্রে তাদের ইলম এখনো শূন্য, অথবা তারা জেনে বোঝে স্বার্থে আঘাত লাগার ভয়ে সত্য এড়িয়ে যায়।

আপনি যখন ক্যান্সারে আক্রান্ত হবেন, কেউ আপনার চরিত্র নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করবে না। কিন্তু আপনি যেভাবেই এইডসে আক্রান্ত হোন না কেন দোষ কিন্তু আপনার চরিত্রের উপরই পড়বে। ইয়াহুদীরা কখনোই আপনাকে ঈমানহারা করে কবরে পাঠাতে পারবে না কিন্তু শিয়ারা প্রথমে আপনার ঈমান কেড়ে নিবে তারপর কবরে পাঠাবে।

মধ্যপ্রাচ্যের সুন্নীদের দুইটার বিষয়েই সজাগ থাকতে হচ্ছে। তাদের বাচ্চারাও এসব নিয়ে সচেতন, তাই এসব নিয়ে তাদের মাঝে ততটা উত্তেজনা কাজ করে না যতটা উত্তেজনা আমাদের জ্ঞানী, গুণী, ইসলামী চিন্তাবিদদের মাঝে কাজ করে।

https://www.facebook.com/share/18njnqjkru/

20/05/2025
ইহুদীরা এই ফাইলটা পূরন করে রিফিউজি হিসেবে ফিলিস্তিনে থাকার জন্য আশ্রয় চেয়েছিল। আর এখন তারাই পুরো ফিলিস্তিনকে নিজেদের ভূম...
20/05/2025

ইহুদীরা এই ফাইলটা পূরন করে রিফিউজি হিসেবে ফিলিস্তিনে থাকার জন্য আশ্রয় চেয়েছিল। আর এখন তারাই পুরো ফিলিস্তিনকে নিজেদের ভূমি মনে করে!
আল্লাহর লানত তাদের উপর।

এই নথিটি ১৯৩৬ সালে প্যালেস্টাইন রাজ্যের অভিবাসন বিভাগ কর্তৃক জারি করা একটি ঐতিহাসিক অভিবাসন শংসাপত্র বলে মনে করা হয়। এখানে বলা হয়েছে যে কালিমান পার্ক নামে একজন ব্যক্তিকে ১৯৩৩ সালের অভিবাসন অধ্যাদেশের অধীনে একজন অভিবাসী ইহুদি হিসেবে প্যালেস্টাইনে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

নথিটিতে সরকারী স্ট্যাম্প, স্বাক্ষর (যেমন, "এম. বারজেল, অভিবাসন বিষয়ক সহকারী কমিশনার") এবং ইংরেজি, হিব্রু এবং আরবি ভাষায় লেখা রয়েছে, যা প্যালেস্টাইনের জন্য ব্রিটিশ ম্যান্ডেটের (১৯২০-১৯৪৮) বহুভাষিক প্রশাসনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

আল্লাহর স্মরণ থেকে মুখ ফিরানোর পরিণতি:===============================পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা'আলা বারবার মানুষকে তাঁর স্ম...
28/04/2025

আল্লাহর স্মরণ থেকে মুখ ফিরানোর পরিণতি:
===============================
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা'আলা বারবার মানুষকে তাঁর স্মরণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। কারণ আল্লাহর স্মরণই মানবজীবনের শান্তি ও সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। কিন্তু যারা আল্লাহর স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তাদের জন্য কঠিন সতর্কবার্তা রয়েছে।

১. দুনিয়ার জীবনে সংকীর্ণতা:

আল্লাহ বলেন,

> "যে আমার স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, তার জীবন সংকীর্ণ হবে..."
(সূরা ত্বাহা: ২০:১২৪)

এখানে "সংকীর্ণ জীবন" বলতে শুধু দারিদ্র্য বোঝানো হয়নি। বরং অর্থ-বিত্ত থাকার পরও জীবনে অশান্তি, অস্থিরতা, হতাশা, এবং মানসিক যন্ত্রণাও এর অন্তর্ভুক্ত। কারণ আল্লাহর স্মরণ মানুষের অন্তরে প্রশান্তি এনে দেয়, আর তা থেকে বঞ্চিত হলেই জীবন সংকীর্ণ হয়ে পড়ে।

পবিত্র কুরআনে আরো এসেছে:

> "নিশ্চয়ই আল্লাহর স্মরণেই অন্তরসমূহ প্রশান্ত হয়।"
(সূরা রা'দ: ১৩:২৮)

২. আখিরাতে অন্ধ অবস্থায় উঠানো:

আল্লাহ বলেন,

> "আমি তাকে কিয়ামতের দিন অন্ধ অবস্থায় উঠাবো।"
(সূরা ত্বাহা: ২০:১২৪)

এটা একটি ভয়ানক শাস্তি। দুনিয়াতে যারা আল্লাহর নেয়ামত ও নিদর্শনসমূহকে অস্বীকার করেছে, যারা আল্লাহর স্মরণ ভুলে গিয়েছে, তাদের আখিরাতে চরম লাঞ্ছনা হবে। তারা তখন বলবে:

> "হে আমার প্রতিপালক! কেন আমাকে অন্ধ অবস্থায় উঠালেন, অথচ আমি তো দুনিয়াতে দেখতে পেতাম?"
আল্লাহ বলবেন: "ঠিক তেমনি করে আমার নিদর্শনগুলো তোমার কাছে এসেছিল, কিন্তু তুমি তা ভুলে গিয়েছিলে। আজ তুমি তেমনি ভুলে গিয়েছ।"
(সূরা ত্বাহা: ২০:১২৬-১২৭)

৩. হাদীসের আলোকে বিষয়টি:

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

> "আল্লাহ তা'আলা বলেন, 'আমি আমার বান্দার সঙ্গে থাকি, যতক্ষণ সে আমাকে স্মরণ করে এবং তার ঠোঁট আমার স্মরণে সচল থাকে।'"
(সহীহ বুখারী: ৭৪০৫)

অন্য হাদীসে এসেছে:

> "তুমি আল্লাহকে মনে রেখো, আল্লাহ তোমাকে মনে রাখবে। তুমি আল্লাহর দিকে অগ্রসর হও, আল্লাহ তোমার দিকে আরও দ্রুত অগ্রসর হবেন।"
(তিরমিযী: ২৫১৬)

৪. আল্লাহর স্মরণ কীভাবে করতে হবে:

▪️পাঁচ ওয়াক্ত সালাত যথাসময়ে আদায় করা।

▪️কুরআন তিলাওয়াত করা।

▪️দোয়া ও যিকির করা।

▪️জীবনের প্রতিটি কাজ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করা।

▪️ভালো আমল করা ও খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকা।

---

আল্লাহর স্মরণ শুধু মুখের উচ্চারণ নয়, বরং অন্তরের সাথে আল্লাহর সম্পর্ক গড়ে তোলা। যারা দুনিয়াতে আল্লাহর স্মরণ করে, তারা দুনিয়াতেও প্রশান্ত জীবন পায় এবং আখিরাতেও তাদের জন্য চিরস্থায়ী সুখের আবাস তৈরি হয়। আর যারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তাদের জন্য আছে সংকীর্ণ জীবন এবং কঠিন পরিণতি।

---

12/03/2025

🔥 ইমাম ইবনে হাজার আসক্বালানী রহিমাহুল্লাহ বলেন :

« ليس الزهد أن تترك الدنيا بالكليّة، ولكن أن لا تدخل الدنيا في قلبك. »

❝ যুহদ (দুনিয়া বিমুখতা) এর মর্মার্থ এই নয় যে; মানুষ দুনিয়াকে সম্পূর্ণরুপে ত্যাগ করে দিবে, বরং যুহদ তো হলো দুনিয়া (মোহ,প্রাচুর্য) তার অন্তরে স্থান পায় না। ❞

📖 [ ফাতহুল বারী শরহে সহীহহিল বুখারী, কিতাবুর রিক্বাক্ব, বাবুয-যুহদ ফিদ দুনিয়া ]

30/11/2024

#গাযওয়ায়ে_হিন্দ_সম্পর্কিত_হাদীসগুলোর_তাহক্বীক।

- উস্তাদ আব্দুল্লাহ মাহমুদ হাফিযাহুল্লাহ।

🍀 ১ম হাদীস:
عَنْ ثَوْبَانَ ، مَوْلَى رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : «عِصَابَتَانِ مِنْ أُمَّتِي أَحْرَزَهُمَا اللهُ مِنَ النَّارِ : عِصَابَةٌ تَغْزُو الْهِنْدَ ، وَعِصَابَةٌ تَكُونُ مَعَ عِيسَى ابْنِ مَرْيَمَ ، عَلَيْهِمَا السَّلاَمُ»

সাওবান রজি. থেকে বর্ণীত, তিনি বলেন রাসূল স. বলেছেন, আমার উম্মাহর দু'টি দলকে আল্লাহ জাহান্নাম থেকে রক্ষা করবেন: একদল হল, যারা হিন্দে যুদ্ধ করবে, অপর দল হল, যারা ঈসা বিন মারয়াম (আ.) এর সাথে থাকবে।(মুসনাদে আহমাদ ২২৪৪৯; নাসায়ী ৩১৭৫;বাইহাকী 'আল-কুবরা' ১৮৩৮১;ইত্যাদি)
এই হাদীস সহীহ।

🍀 ২য় হাদীস:
* عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضِيَ الله عنْهُ ، قَالَ : "وَعَدَنَا رَسُولُ اللهِ صَلَّىْ اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ غَزْوَةَ الْهِنْدِ فَإِنْ أَدْرَكْتُهَا أُنْفِقْ فِيهَا نَفْسِى وَمَالِى وَإِنْ قُتِلْتُ كُنْتُ أَفْضَلَ الشُّهَدَاءِ وَإِنْ رَجَعْتُ فَأَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ الْمُحَرَّرُ".
আবু হুরাইরাহ র. থেকে বর্ণীত, তিনি বলেন, রাসূল স. আমাদেরকে গাযওয়ায়ে হিন্দের অঙ্গীকার করেছেন।আমি তা পেলে তাতে আমার জান ও মাল খরচ করব।যদি শহীদ হয়ে যায় তবে আমি উত্তম শহীদ হব, আর যদি ফিরে আসি, তবে আবু হুরাইরাহ মুক্ত। (মুসনাদে আহমাদ ২১২৮; নাসায়ী ৩১৭৩)

এর সানাদ জঈফ। সানাদে জাবর বিন আবীদাহ নামক মাজহুল রাবী আছে।
যাহাবী তার সম্পর্কে বলেছেন, সে আবু হুরাইরাহ থেকে মুনকার হাদীস বর্ণনা করেছে।(মীযানুল ইতিদাল ১/৩৮৮, নাম্বার ১৪৩৬) আর এ হাদীস আবু হুরাইরাহ থেকে।তাই যাহাবীর কথানুযায়ী এ হাদীস মুনকার।

হাফেয ইবনে হাজার ইবনে হিব্বানের তাওসীক্বের উপর নির্ভর করে তাকে মাকবুল বলেছেন।(তাকরীব, নাম্বার ৮৯২)
শাইখ শুয়াইব ও বাশশার হাফেয ইবনে হাজারের এমতের সমালোচনায় বলেন, তার থেকে বর্ণনাকারী একজন। তাকে শুধু ইবনে হিব্বান তাওসীক্ব করেছেন।আর তিনি মাজহুল রাবীকে তাওসীক্ব করেন।তাই এ রাবী মাজহুল। (তাহরীরুত তাকরীব ১/২০৯)

এই হাদীস অন্য সানাদে ইবনে আবী আসেম তাঁর কিতাবুল জিহাদে (২/৬৬৮, নাম্বার ২৯১) বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এ সানাদও দুই কারণে জঈফ:
১) হাশেম বিন সাঈদ নামক জঈফ রাবী আছেন।
২) কেনানাহ বিন নাবীহ নামক জঈফ রাবী আছেন।আসকালানী যদিও তাকে মাকবুল বলেছেন কিন্তু সঠিক মতানুসারে তিনি জঈফ। যেমনটি শোয়াইব আরনাঊত ও বাশশার বলেছেন আসকালানীর সমালোচনায়।(তাহরীরুত তাকরীব ৩/২০১)

🍀 ৩য় হাদীস:
* عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضِيَ الله عنْهُ ، قَالَ حَدَّثَنِى خَلِيلِى الصَّادِقُ رَسُولُ اللهِ صَلَّىْ اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «يكُونُ فِى هَذِهِ الأُمَّةِ بَعْثٌ إِلَى السِّنْدِ وَالْهِنْدِ». "فَإِنْ أَنَا أَدْرَكْتُهُ فَاسْتَشْهَدْتُ فَذَلِكَ وَإِنْ أَنَا - فَذَكَرَ كَلِمَةً - رَجَعْتُ وَأَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ الْمُحَرَّرُ قَدْ أَعْتَقَنِى مِنَ النَّارِ".
আবু হুরাইরাহ র. থেকে বর্ণীত, তিনি বলেন, আমার সত্যবাদী বন্ধু রাসূল স. আমাকে বলেছেন, এ উম্মাহর একটি দল সিন্ধ ও হিন্দের দিকে যাবে।
আমি তা পেলে আমি শাহাদাত বরণ করলে, করলাম। আমি যদি -তারপর কিছু উল্লেখ করলেন- ফিরে আসি তো আমি আবু হুরাইরাহ মুক্ত। আমাকে জাহান্নাম থেকে মুক্ত করবেন।(আহমাদ ২২৪৪৯)

এ হাদীস দুই কারণে জঈফ:
১) বারা বিন আব্দুল্লাহ গানাবী নামক দুর্বল রাবী আছে।
২) হাসান বাসরী ও আবু হুরাইরাহ র. এর মাঝে ইনকিতা' বা বিচ্ছিন্নতা আছে।

🍀 ৪র্থ হাদীস:
عَنْ صَفْوَانَ بْنِ عَمْرٍو ، عَن بعض المشيخة،عن ابي هريرةُ ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : «يَغْزُو قَوْمٌ مِنْ أُمَّتِي الْهِنْدَ ، فَيَفْتَحُ اللَّهُ عَلَيْهِمْ حَتَّى يُلْقُوا بِمُلُوكِ الْهِنْدِ مَغْلُولِينَ فِي السَّلاسِلِ ، يَغْفِرُ اللَّهُ لَهُمْ ذُنُوبَهُمْ ، فَيَنْصَرِفُونَ إِلَى الشَّامِ فَيَجِدُونَ عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ بِالشَّامِ».
সাফওয়ান বিন আমর বর্ণনা করেন তার শায়েখ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে তিনি বলেন,নবী স. বলেছেন,আমার উম্মাহর একটি দল হিন্দে যুদ্ধ করবে।তারা হিন্দ জয় করবে আর হিন্দের রাজাদের জিঞ্জির দিয়ে বেঁধে ফেলা হবে। আল্লাহ তাদের গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন।তারপর তারা সিরিয়া ফিরে যাবে এবং সেখানে ঈসা বিন মারয়াম (আ:) কে পাবে।(নাঈম বিন হাম্মাদ, 'আল-ফিতান' ১২৩৬)

এ হাদীস দুই কারণে জঈফ:
১) বাকিয়ার তাদলীসে তাসবিয়াহর কারণে।
২) সাফওয়ান বিন আমরের উস্তায মাজহুল হওয়ার কারণে

আবু হুরাইরাহ র. এর হাদীস কি হাসান পর্যায়ের হবে?
আবু হুরাইরাহ র. এর হাদীস মুতাবে' দ্বারা হাসান হবে না।কারণ প্রথম সানাদে মাজহুলে আইন রাবী আছে।আর মাজহুলে আইন হলে মুতাবে' যোগ্য হয় না গ্রহণযোগ্য মতানুসারে।আর দ্বিতীয় ও তৃতীয় সানাদে একই জায়গা তথা আবু হুরাইরাহ র. এর ছাত্র মাজহুল।তাই সম্ভাবনা আছে দু'জন একজনই।আর তা ইবনে আবী আসেমের সানাদ থেকে জানা গেল হয়তো তিনি কেনানাহ বিন নাবীহ। কেনানাহ বিন নাবীহ জঈফ।অতএব কেনানাহ বিন নাবীহ মাদারে সানাদ হওয়ার কারণে হাসান হতে পারবে না আবু হুরাইরাহর হাদীস।বরং জঈফই থাকবে।আল্লাহু আ'লাম।

👉 গাযওয়ায়ে হিন্দ কখন হবে?

আমরা দেখলাম গাযওয়ায়ে হিন্দের ব্যাপারে সাওবানের হাদীস তথা প্রথম হাদীস সহীহ। বাকীগুলো জঈফ। প্রথম সহীহ হাদীসে উল্লেখ করা হয়নি কখন হবে: শেষ যুগে না মাহদীর যুগে না এর আগেই হয়ে গেছে?

ইবনে কাসীর, মুহাম্মাদ আব্দুল ওয়াহহাব বুহায়রী ও সালেহ মুনাজ্জিদের মতে এ যুদ্ধ আগেই হয়ে গেছে মুহাম্মাদ বিন কাসেম বা ইবনে সুবক্তগীনের বিজয়ের মাধ্যমে।(ইসলাম কিউ এ ওয়েবসাইট, জবাব নাম্বার ১৪৮৫২৯)

অতএব ইমাম মাহদীর সময়ে বা শেষ যুগে গাযওয়ায়ে হিন্দুকে নির্দিষ্ট করা যুক্তিসংগত নয়।সর্বোচ্চ আমরা বলতে পারি গাযওয়ায়ে হিন্দ হয়ে গেছে আর না হলে হতে পারে।কিন্তু শেষ যুগের সাথে খাস করে "সামনে হবে" বলা ঠিক হবে না। আল্লাহু আ'লাম।

আমরা অনেক বক্তাদের সমালোচনা করি, তারা এতো বেশি হাদিয়া নিবে কেন? ভাই! যারা বেশি দিয়ে তাকে নিয়ে আসছে তাদেরকে কিছু বলবেন না...
18/11/2024

আমরা অনেক বক্তাদের সমালোচনা করি, তারা এতো বেশি হাদিয়া নিবে কেন? ভাই! যারা বেশি দিয়ে তাকে নিয়ে আসছে তাদেরকে কিছু বলবেন না? বক্তার ডিমান্ড তো উনারায় বাড়িয়ে দিয়েছেন? আপনার ঐ বক্তাকে এতো প্রয়োজন কিসের? উনাকে দিয়ে একদিনেই ইসলাম কায়েম করে ফেলবেন? নাকি অন্য স্বার্থ আছে? আপনি ৫০/৬০ হাজার টাকা দিয়ে তাকে নিয়ে এসে তার সমালোচনা করবেন কেন? আপনাকে কে বা কিসে এতো টাকা দিয়ে তাকে আনতে বাধ্য করলো? আমাদের পরিচিত অনেক তরুণ উদীয়মান আলেম ও দাঈ আছেন তারা কুরআন-সুন্নাহর আলোকে খুবই চমৎকার আলোচনা করেন। উনাদের একাডেমিক ব্যস্ততাও কম। উনারা আপনার সাথে কন্টাকে যাবে না। তাদেরকে নিয়ে যান। তাহলে-তো সমস্যার সমাধান হয়ে যায়।
-
ওয়াজ-মাহফিলে প্রকৃত আলেমদের দাওয়াত না দেওয়া নিয়ে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। আমি মনে করি, মাহফিল প্রথা যতদিন থাকবে ততদিন যারা মাহফিল জমাতে পারবেন এবং যাদেরকে দিয়ে মাহফিলের উদ্দেশ্য সাধিত হবে তারাই প্রাধান্য পাবেন, তিনি আলেম বা নন-আলেম যেই হোন না কেন। অনেক যোগ্য আলেমগণ নিয়মিত মাহফিল করেন, যদিও তাঁদের সংখ্যা কম। নন-আলেম দিয়ে মাহফিল করা যাবে না, সেটা না। যদি উনি উনার সীমা অতিক্রম না করে বড়দের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে দাওয়াতী কাজ করেন তবে সমস্যা কোথায়?
আপনারা যারা শুধু আলেমদেরকেই ওয়াজের মঞ্চে দেখতে চাচ্ছেন তাদের নিকট আমার প্রশ্ন হলো, যদি আলেমরা মাহফিল করা শুরু করেন, তবে আলেম তৈরি করার (ছাত্র পড়ানো) কাজটা করবে কে? মাহফিল শেষ করে রাত দুইটায় বা ফজরে বাসায় ফিরে ছাত্রদের ক্লাস নেওয়া সহজ বিষয় নয়। মাহফিলের মাধ্যমে কয়জনকে দ্বীন শিখতে দেখেছেন অথবা দ্বীনের কয় শতাংশ শিখাতে পেরেছেন? অতএব, আলেমদেরকে ক্লাস, দারস, খুৎবার মিম্বরেই রাখুন! ওখানেই তাঁদের প্রয়োজন বেশি। মাহফিল কতটুকু প্রয়োজন আছে সেটা নিয়ে আগে কয়েকবার লিখেছি। রিপিট করার প্রয়োজন মনে করছি না।

কালেক্টেড: Abdullahil kafi Lutfor Rahman

02/11/2024

জোরে আমিন বলা রাসুলুল্লাহ (সা.) এর সুন্নাহ, সাহাবাদের সুন্নাহ, উম্মতের সিকাহ ইমামদের সুন্নাহ, সুতরাং এটির প্রতি হিংসা কিংবা ঘৃণা প্রদর্শনকারী কস্মিনকালেও আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাতের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে না।

570 - أنا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدَةَ الضَّبِّيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ يَعْنِي ابْنَ مُحَمَّدٍ الدَّرَاوَرْدِيَّ، عَنْ سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِذَا أَمَنَّ الْإِمَامُ فَأَمِّنُوا، فَمَنْ وَافَقَ قَوْلُهُ قَوْلَ الْمَلَائِكَةِ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ» قَالَ أَبُو بَكْرٍ: فِي قَوْلِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «إِذَا أَمَنَّ الْإِمَامُ فَأَمِّنُوا» ، مَا بَانَ وَثَبَتَ أَنَّ الْإِمَامَ يَجْهَرُ بِآمِينَ، إِذْ مَعْلُومٌ عِنْدَ مَنْ يَفْهَمُ الْعِلْمَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَأْمُرُ الْمَأْمُومَ أَنْ يَقُولَ: آمِينَ، عِنْدَ تَأْمِينِ الْإِمَامِ إِلَّا وَالْمَأْمُومُ يَعْلَمُ أَنَّ الْإِمَامَ يَقُولُهُ، وَلَوْ كَانَ الْإِمَامُ يُسِرُّ آمِينَ لَا يَجْهَرُ بِهِ لَمْ يَعْلَمِ الْمَأْمُومُ أَنَّ إِمَامَهُ قَالَ: آمِينَ، أَوْ لَمْ يَقُلْهُ، وَمُحَالٌ أَنْ يُقَالَ لِلرَّجُلِ: إِذَا قَالَ فُلَانٌ كَذَا فَقُلْ مِثْلَ مَقَالَتِهِ، وَأَنْتَ لَا تَسْمَعُ مَقَالَتَهُ، هَذَا عَيْنُ الْمُحَالِ، وَمَا لَا يَتَوَهَّمُهُ عَالِمٌ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْمُرُ الْمَأْمُومَ أَنْ يَقُولَ آمِينَ إِذَا قَالَهُ إِمَامُهُ وَهُوَ لَا يَسْمَعُ تَأْمِينَ إِمَامِهِ قَالَ أَبُو بَكْرٍ: فَاسْمَعِ الْخَبَرَ الْمُصَرِّحَ بِصِحَّةِ مَا ذَكَرْتُ أَنَّ الْإِمَامَ يَجْهَرُ بِآمِينَ عِنْدَ قِرَاءَةِ فَاتِحَةِ الْكِتَابِ

[ابن خزيمة، صحيح ابن خزيمة، ٢٨٦/١]

আবু হুরায়রা রাঃ বলেন, যখন ইমাম আমিন বলবে তখন তোমরাও আমিন বলবে,কেননা যার আমিন বলা ফেরেশতাদের আমিন বলার সাথে মিলে যাবে,তার অতিতের সমস্ত পাপ-ভুলত্রুটিগুলি ক্ষমা করে দেওয়া হবে।

ইমাম ইবনু খুযাইমাহ (রহ.) উক্ত হাদিসটি তার আস সহিহ তে উল্লেখ করে হাদিসটির মর্মার্থ উল্লেখ করেন এইভাবে যে, তিনি বলেন, নবী (সা.) এর বক্তব্য, (ইমাম যখন আমিন বলবে, তখন তোমরাও আমিন বলবে) উক্ত বক্তব্যটি দ্বারা এটি প্রতীয়মান ও প্রমাণিত হয় যে, নিশ্চয় ইমাম উঁচু স্বরে আমিন বলবেন। কেননা সামান্যতর উপলব্ধি করার শক্তি যার মধ্যে আছে। সেও বুঝবে যে,নবী কারিম (সা.) যদি ইমাম কে আস্তে আমিন বলার আদেশ দিতেন। তাহলে, তিনি কখনো মুসল্লিদের আদেশ দিতেন না, যে ইমাম যখন আমিন বলবে তখন তোমরাও আমিন বলবে। কেননা, ইমাম সাহেব যদি আমিন উচ্চস্বরে নাই বলে থাকেন। তাহলে মুক্তাদিগণ তো জানবেই না, যে তাদের ইমাম সাহেব কি আমিন বলেছেন নাকি বলেন নাই। একজন বুদ্ধিমান ব্যক্তি কি কখনো আপনাকে আদেশ করবেন যে, যখন অমুক এরূপ কিছু বলবে, সে যা বলবে তদ্রূপ তুমিও তার সাথে তাই বলবে, এমন অবস্থায় যে, সে যা বলবে তুমি তা শুনতেই পাবে না? (এমন আদেশ কি কেউ করবে?) এটা অসম্ভব একটা ব্যাপার (বিশেষ করে শেষ নবী মুহাম্মদ (সা.) এর পক্ষ থেকে এমন অযৌক্তিক আদেশ তো কল্পনাও করা যায় না)। একজন প্রকৃত আলিম তো এটা ধারণাই করবে না যে, নবী (সা.) মুক্তাদিকে আমিন বলার আদেশ দিচ্ছেন যখন ইমাম আমিন বলবে, অথচ মুক্তাদিগণ ইমামের আমিন বলাই শুনতে পাবে না? (এমন ইলোজিকেল আদেশ কি নবী (সা.) করতে পারেন?)

অতপর আবু বাকর মুহাম্মদ ইবনে খুযাইমাহ রহিমাহুল্লাহু তায়ালা বলেন: আমরা ইতিপূর্বে যে,উল্লেখ করেছি সুরা ফাতিহা পাঠের পর ইমাম উচ্চস্বরে আমিন বলবে সেই মতের বিশুদ্ধতা কিংবা সঠিকতা স্পষ্টকারী কিংবা প্রমাণকারী উক্ত খবরটিকে মনযোগ দিয়ে শুনুন। (অর্থাৎ উপলব্ধি করুন,দলিল এখানেই পাবেন।)

[হাদিসের কিতাবের নাম: সহিহ লি ইবনে খুযাইমাহ,১ম খন্ডের ২৮৬ নম্বর পৃষ্ঠা,হাদিস নম্বর ৫৭০,উক্ত কিতাবের লেখক ৩১১ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন,আজ থেকে প্রায় ১১০০ বছর পূর্বেই ইমাম ইবনে খুযাইমাহ জোরে আমিন বলার বিষয়টি স্পষ্ট করে গিয়েছেন,সুবহানাল্লাহ]

অনুবাদক: ইকবাল আওযাঈ

Address

Bagmara
Rajshahi

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সহিহ মুসলিম ঐক্যবদ্ধ সমাজ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share