আহলে হাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ Ahle Hadith Andolon Bangladesh

  • Home
  • Bangladesh
  • Rajshahi
  • আহলে হাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ Ahle Hadith Andolon Bangladesh

আহলে হাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ Ahle Hadith Andolon Bangladesh মুক্তির একই পথ
দাওয়াত ও জিহাদ।

বাংলাদেশ আহলেহাদীছ আন্দোলন (যুবসংঘ) - Bangladesh Ahlehadeeth Andolon (Juboshangho)




قُلْ هَذِهِ سَبِيْلِيْ أَدْعُوْا إِلَى اللهِ عَلَى بَصِيْرَةٍ أَنَا وَمَنِ اتَّبَعَنِي
وَسُبْحَانَ اللهِ وَمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِيْنَ
‘বলুন! ইহাই আমার পথ। আমি ও আমার অনুসারীগণ ডাকি আল্লাহর দিকে, জাগ্রত জ্ঞান সহকারে। আল্লাহ পবিত্র এবং আমি অংশীবাদীদের অন্তর্ভুক্ত নই’ (ইউসুফ ১০৮)।

‘আহলেহাদীছ’ অর্থ ‘হাদীছের অনু

সারী’। পারিভাষিক অর্থে কুরআন ও ছহীহ হাদীছের অনুসারী’। সকল দিক ছেড়ে পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের দিকে ফিরে যাওয়ার আন্দোলনকেই বলা হয় ‘আহলেহাদীছ আনেদালন’। ছাহাবায়ে কেরাম, তাবেঈনে এযাম ও সালাফে ছালেহীন সর্বদা এ পথেরই দাওয়াত দিয়ে গেছেন। ‘আহলেহাদীছ’ তাই প্রচলিত অর্থে কোন ফের্কা বা মতবাদের নাম নয়, এটি একটি পথের নাম। এ পথ আল্লাহ প্রেরিত সর্বশেষ অহি-র পথ। পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের পথ। এ পথের শেষ ঠিকানা হ’ল জান্নাত। মানুষের ধর্মীয় ও বৈষয়িক জীবনের যাবতীয় হেদায়াত এ পথেই মওজুদ রয়েছে। ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন’ সেই জান্নাতী পথেই মানুষকে আহবান জানায়। এ আন্দোলন তাই মুমিনের ইহকালীন মঙ্গল ও পরকালীন মুক্তির একমাত্র আন্দোলন।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য :
নির্ভেজাল তাওহীদের প্রচার ও প্রতিষ্ঠা এবং জীবনের সর্বক্ষেত্রে কিতাব ও সুন্নাতের যথাযথ অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। আক্বীদা ও আমলের সংশোধনের মাধ্যমে সমাজের সার্বিক সংস্কার সাধন আহলেহাদীছ আন্দোলনের সামাজিক ও রাজনৈতিক লক্ষ্য।

পাঁচটি মূলনীতি :
১. কিতাব ও সুন্নাতের সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠা :
এর অর্থ- পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছে বর্ণিত আদেশ-নিষেধকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া এবং তাকে নিঃশর্তভাবে ও বিনা দ্বিধায় কবুল করে নেওয়া ও সেই অনুযায়ী আমল করা।
২. তাক্বলীদে শাখ্ছী বা অন্ধ ব্যক্তিপূজার অপনোদন :
‘তাক্বলীদ’ অর্থ- শারঈ বিষয়ে বিনা দলীলে কারো কোন কথা চোখ বুঁজে মেনে নেওয়া। ‘তাক্বলীদ’ দু’ প্রকারের : জাতীয় ও বিজাতীয়। জাতীয় তাক্বলীদ বলতে ধর্মের নামে মুসলিম সমাজে প্রচলিত বিভিন্ন মাযহাব ও তরীক্বার অন্ধ অনুসরণ বুঝায়। বিজাতীয় তাক্বলীদ বলতে- বৈষয়িক ব্যাপারের নামে সমাজে প্রচলিত পুঁজিবাদ, সমাজবাদ, গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ প্রভৃতি বিজাতীয় মতবাদের অন্ধ অনুসরণ বুঝায়।
৩. ইজতিহাদ বা শরী‘আত গবেষণার দুয়ার উন্মুক্ত করণ :
‘ইজতিহাদ’ অর্থ : যুগ-জিজ্ঞাসার জওয়াব পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছ হ’তে বের করার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো। এই অধিকার ক্বিয়ামত পর্যন্ত সকল যুগের সকল মুত্তাক্বী ও যোগ্য আলিমের জন্য খোলা রাখা।
৪. সকল সমস্যায় ইসলামকেই একমাত্র সমাধান হিসাবে পরিগ্রহণ :
এর অর্থ- ধর্মীয় ও বৈষয়িক জীবনের সকল সমস্যায় ইসলামকেই একমাত্র সমাধান হিসাবে গ্রহণ করা।
৫. মুসলিম সংহতি দৃঢ়করণ :
এর অর্থ- কুরআন ও সুন্নাহর আদেশ-নিষেধকে নিঃশর্তভাবে মেনে নেওয়ার ভিত্তিতে মুসলিম ঐক্য গড়ে তোলা এবং মুসলিম উম্মাহর সার্বিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া।
উপরোক্ত লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও মূলনীতিসমূহ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ’ চায় এমন একটি ইসলামী সমাজ, যেখানে থাকবেনা প্রগতির নামে কোন বিজাতীয় মতবাদ; থাকবে না ইসলামের নামে কোনরূপ মাযহাবী সংকীর্ণতাবাদ।

কর্মসূচী :
‘আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ’-এর চার দফা কর্মসূচী হ’ল- তাবলীগ, তানযীম, তারবিয়াত ও তাজদীদে মিল্লাত । অর্থাৎ প্রচার, সংগঠন, প্রশিক্ষণ ও সমাজ সংস্কার। এর মধ্যে সমাজ সংস্কারই হ’ল মুখ্য।

১ম দফা : তাবলীগ বা প্রচার
এ দফার করণীয়ঃ (ক) ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকার ও সম্প্রীতির মাধ্যমে জনগণের নিকটে আহলেহাদীছ আন্দোলনের দাওয়াত পৌছানো (খ) প্রতিদিন বাদ এশা মুছল্লীদের সম্মুখে অর্থসহ একটি করে হাদীছ শুনানো (গ) সাপ্তাহিক তা‘লীমী বৈঠকে যোগদান ও তাবলীগী সফরে গমন করা (ঘ) সাপ্তাহিক পারিবারিক তা‘লীমের ব্যবস্থা করা (ঙ) জুম‘আর খুৎবা প্রদান করা, ইসলামী জালসা, সুধী সমাবেশ, সাংবাদিক সম্মেলন, সেমিনার ইত্যাদির আয়োজন করা ও সেখানে বক্তৃতা করা, (চ) সংগঠনের পত্রিকা ও বইসমূহ পড়ানো, ক্যাসেট-সিডি ইত্যাদি বিক্রয় করা, পোষ্টারিং ও প্রচারপত্র বিতরণ করা ইত্যাদি।

২য় দফা : তানযীম বা সংগঠন
(ক) কর্মীদের স্তর তিনটি : প্রাথমিক সদস্য, সাধারণ পরিষদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্য
(খ) সাংগঠনিক স্থর চারটি : শাখা, এলাকা, যেলা ও কেন্দ্র। কোন গ্রামে বা মহল্লায় কমপক্ষে তিনজন ‘প্রাথমিক সদস্য’ থাকলে যেকোন একজনকে সভাপতি, একজনকে সম্পাদক ও একজনকে সদস্য করে শাখা গঠন করা যাবে। না থাকলে সমর্থকদের মধ্য হ’তে একজনকে আহবায়ক ও একজনকে যুগ্ম আহবায়ক করে সাতজনের একটি ‘আহবায়ক কমিটি’ ছয় মাস মেয়াদের জন্য গঠিত হবে। যেলা না থাকলে উক্ত শাখা কেন্দ্র কর্তৃক সরাসরি অনুমোদিত হ’তে হবে।

৩য় দফা : তারবিয়াত বা প্রশিক্ষণ
এ দফার করণীয় : (ক) প্রতিদিন নিয়মিতভাবে কুরআন, হাদীছ ও সাংগঠনিক ইসলামী বইপত্র অধ্যয়ন করা (খ) নিয়মিতভাবে সাপ্তাহিক তা‘লীমী বৈঠকে যোগদান করা (গ) প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশগ্রহণ করা (ঘ) নিয়মিতভাবে তাহাজ্জুদ ও অন্যান্য নফল ছালাত আদায় করা এবং সপ্তাহে প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার বা মাসে তিন দিন আইয়ামে বীয-এর নফল ছিয়াম পালন করা (ঙ) সর্বদা হালাল রূযী গ্রহণে সচেষ্ট থাকা, সুন্নাতী দাড়ি রাখা, তাক্বওয়ার লেবাস পরিধান করা ও বাড়ীতে ইসলামী পর্দা রক্ষা করা (চ) নির্ভেজাল তাওহীদ ও ছহীহ সুন্নাহর আলোকে জাহেলিয়াতের বিভিন্নরূপী চ্যালেঞ্জের মুকাবিলায় ইসলামকে বিজয়ী করার মত যিন্দাদিল মর্দে মুজাহিদ কর্মী তৈরীর কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

৪র্থ দফা : তাজদীদে মিল্লাত বা সমাজ সংস্কার
আমরা বিশ্বাস করি যে, আল্লাহ প্রেরিত সর্বশেষ ‘অহি’ পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছ হ’ল অভ্রান্ত সত্যের চূড়ান্ত মানদন্ড। উক্ত অহি-র সত্যকে মানব জীবনের সকল দিক ও বিভাগে প্রতিষ্ঠা করা ও সেই আলোকে সমাজের আমূল সংস্কারের লক্ষ্যে আমরা নিম্নোক্ত তিনটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিতে চাই -
(১) শিক্ষা সংস্কার :
উচ্চ নৈতিকতা সম্পন্ন, যোগ্য, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক জনশক্তি তৈরী করাই হবে শিক্ষার জাতীয় লক্ষ্য। সে লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমাদের প্রথম দায়িত্ব হ’ল : তাওহীদ, রেসালাত ও আখেরাত ভিত্তিক জাতীয় শিক্ষানীতি নির্ধারণ করা। উক্ত শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের জন্য আমাদের মৌলিক কর্মসূচী নিম্নরূপ : (ক) দেশে প্রচলিত ধর্মীয় ও সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থার দ্বিমুখী ধারাকে সমন্বিত করে কুরআন ও সুন্নাহ ভিত্তিক একক ও পূর্ণাঙ্গ ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা এবং সরকারী ও বেসরকারী তথা কিন্ডার গার্টেন, প্রি-ক্যাডেট, ও-লেভেল ইত্যাদি নামে পুঁজিবাদী শিক্ষা ব্যবস্থা বাতিল করে বৈষম্যহীন ও সহজলভ্য শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা। (খ) ছেলে ও মেয়েদের পৃথক শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে উভয়ের জন্য উচ্চ শিক্ষা এবং পৃথক কর্মক্ষেত্র ও কর্মসংস্থান প্রকল্প গ্রহণ করা (গ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাবতীয় দলাদলি ও রাজনৈতিক ক্রিয়াকান্ড নিষিদ্ধ করা এবং প্রয়োজনবোধে সেখানে বয়স, যোগ্যতা ও মেধাভিত্তিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থা প্রবর্তন করা। (ঘ) আক্বীদা বিনষ্টকারী সকলপ্রকার সাহিত্য ও সংস্কৃতি বর্জন করা এবং তদস্থলে ছহীহ আকবীদা ও আমল ভিত্তিক সাহিত্য ও সংষ্কৃতি চালু করা।
(২) অর্থনৈতিক সংস্কার :
হালাল রূযী ইবাদত কবুলের অন্যতম পূর্বশর্ত। অথচ সূদ-ঘুষ, জুয়া-লটারী যা ইসলামে হারাম ঘোষিত হয়েছে এবং পুঁজিবাদী অর্থনীতির নোংরা হাতিয়ার হিসাবে যা সর্বযুগে সকল জ্ঞানী মহল কর্তৃক নিনিদত হয়েছে, সেই প্রকাশ্য হারামী অর্থব্যবস্থা বাংলাদেশে যুগ যুগ ধরে চালু রয়েছে। ফলে ধনীদের হাতে সম্পদ কুক্ষিগত হচ্ছে ও গরীবেরা আরও নিঃস্ব হচেছ। যার পরিণতি স্বরূপ সমাজে অশান্তি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই সাথে যোগ হয়েছে দেশী ও বিদেশী পুঁজিবাদী সুদখোর এন,জি,ও-সমূহের অপতৎপরতা। যাদের অধিকাংশ দারিদ্র্য বিমোচনের নামে দারিদ্র্য স্থায়ীকরণ করছে এবং অনেকে সাধারণ জনগনের ঈমান ও নৈতিকতা হরণ করছে। এভাবে দেশটি সর্বদা অর্থ নৈতিকভাবে পঙ্গু ও পরমুখাপেক্ষী হয়ে রয়েছে- যা আন্তর্জাতিক সূদীচক্র ও সাম্রাজ্যবাদীদের সুদূরপ্রসারী নীল নকশারই অংশ। উপরোক্ত দুর্দশাগ্রস্থ অবস্থা হ’তে দেশ ও জাতিকে মুক্ত করার লক্ষ্যে আমাদের কর্মসূচী সমূহ নিম্নরূপ :
(ক) সকল প্রকারের হারাম উপার্জন হ’তে বিরত থাকা।
(খ) যাবতীয় অলসতা, বিলাসিতা ও অপচয় পরিহার করা এবং সর্বদা ‘অল্পে তুষ্ট থাকার’ ইসলামী নীতির অনুশীলন করা।
(গ) নির্দিষ্ট ইমারত-এর অধীনে সুষ্ঠু পরিকল্পনা মোতাবেক বায়তুল মালের সংগ্রহ ও বন্টন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
(ঘ) সমাজ কল্যাণমূলক ইসলামী প্রকল্প সমূহ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা।
(ঙ) অনৈসলামী অর্থব্যবস্থার বিরুদ্ধে ব্যাপক জনমত গঠন করা এবং দেশের সরকারের নিকটে ইসলামী অর্থব্যবস্থা চালুর জন্য জোর দাবী পেশ করা।
৩. নেতৃত্বের সংস্কার :
অধিকাংশ ক্ষেত্রে অসৎ নেতৃত্ব আজ সমাজ জীবনকে বিষিয়ে তুলেছে। শান্তিপ্রিয় সৎ নেতৃত্ব সর্বত্র মুখ লুকিয়েছে। এ অবস্থা সৃষ্টির জন্য পূর্বে বর্ণিত শিক্ষাগত ও অর্থনৈতিক কারণ দু’টি ছাড়াও নিম্নোক্ত বিষয়গুলিকে আমরা মৌলিক কারণ হিসাবে চিহ্নিত করতে পারিঃ
(ক) সরকারী ও বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক পদ্ধতি এবং হরতাল, ধর্মঘট ও মিছিলের যথেচ্ছ ব্যবহার।
(খ) দল ও প্রার্থী ভিত্তিক নেতৃত্ব নির্বাচন ব্যবস্থা।
(গ) সৎ ও অসৎ সকলের ভোটের মূল্য ও নির্বাচনের অধিকার সমান গণ্য করা।
(ঘ) দলীয় প্রশাসন, দুর্নীতিগ্রস্থ আমলাতন্ত্র ও বিচার ব্যবস্থা।
এক্ষণে নেতৃত্ব সংস্কারের লক্ষ্যে জাতির নিকটে আমাদের প্রস্তাবসমূহ নিম্নরূপ :
(ক) সর্বত্র ইসলামী নেতৃত্ব নির্বাচন নীতি অনুসরণ করা এবং ইমারত ও শূরা পদ্ধতি অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করা।
(খ) আল্লাহ্কে সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক হিসাবে ঘোষণা করা এবং তাঁর প্রেরিত সর্বশেষ ‘অহি’ পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছকে রাষ্ট্রীয় আইনে মূল ভিত্তি হিসাবে গ্রহণ করা।
(গ) স্বাধীন ও ইসলামী বিচার ব্যবস্থা চালু করা।

আমাদের দাওয়াত
‘আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ’ এদেশে ইসলামের পূর্ণাঙ্গ বিজয় ও বাস্তবায়ন দেখতে চায়। এজন্যে রাসুলুল্লাহ (ছাঃ)-এর তরীকা আনুযায়ী নির্দিষ্ট ‘ইমারত’-এর অধীনে পূর্ণ ইখলাছের সাথে দাওয়াত ও জিহাদের কর্মসূচী নিয়ে জামা‘আতবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে চায়। অতএব কিতাব ও সুন্নাতের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারে বিশ্বাসী সকল মুমিন ভাই-বোনকে এই জিহাদী কাফেলায় শামিল হ’য়ে জান ও মালের কুরবাণী পেশ করার জন্যে আমরা উদাত্ত আহবান জানাই!! আরও জানতে হ’লে ‘আন্দোলন’-এর পক্ষ থেকে প্রকাশিত বইপত্র পড়ুন ও সংগঠনে যুক্ত হয়ে প্রশিক্ষণে অংশ গ্রহণ করুন।

প্রশ্ন : দেওয়াল লিখন দেখা যায়, ‘সকল ঈদের সেরা ঈদ, ঈদে মীলাদুন্নবীর ঈদ’। কিন্তু বাস্তবে কি তাই? ইসলাম ধর্মে ঈদে মীলাদ বলত...
04/09/2025

প্রশ্ন : দেওয়াল লিখন দেখা যায়, ‘সকল ঈদের সেরা ঈদ, ঈদে মীলাদুন্নবীর ঈদ’। কিন্তু বাস্তবে কি তাই? ইসলাম ধর্মে ঈদে মীলাদ বলতে কি কিছু আছে? ইসলামে ঈদ কয়টি?
উত্তর : ইসলামে ঈদ মাত্র দু’টি। ঈদুল ফিত্বর ও ঈদুল আযহা (আবূদাঊদ হা/১১৩৪)। ঈদে মীলাদ বলে কোন কিছুই নেই। এটি খ্রিষ্টানদের সাথে মুসলমানদের ক্রুসেড যুদ্ধের সময় তাদের ‘বড় দিন’ পালনের অনুকরণে ৬২৫ হিজরীতে ইরাকের ‘এরবল’ প্রদেশের গবর্ণর আবু সাঈদ মুযাফফরুদ্দীন কুকুবুরী (৫৮৬-৬৩০ হি.)-এর নির্দেশক্রমে মুসলমানদের মধ্যে চালু হয়। সমস্ত আলেম এর বিরোধিতা করলেও জনৈক সরকারী আলেম এর পক্ষে বই লেখেন। তখন থেকেই এই বিদ‘আতী প্রথা চালু হয়েছে (দ্র. তারীখ ইবনু খাল্লিকান)।
এদেশের বিদ‘আতীরা ঐ সঙ্গে যোগ করেছে ক্বিয়াম ও জশনে জুলূসের প্রথা। তাদের ধারণা মতে মীলাদের মজলিসে রাসূল (ছাঃ)-এর রূহ মুবারক হাযির হয়। সেকারণ তাঁর সম্মানে সবাইকে দাঁড়িয়ে ‘ইয়া নবী সালাম ‘আলায়কা’ বলতে হয়। অতঃপর তাঁর জন্মের খুশীতে মিছিল বের করতে হয়। যাকে ‘জশনে জুলূস’ বলা হয়। বর্তমানে রাসূল (ছাঃ)-এর জন্ম ও মৃত্যু দিবস একই দিনে অর্থাৎ ১২ই রবীউল আউয়াল তারিখে পালন করা হচ্ছে। এটাও এক জাহেলী কর্মকান্ড। অথচ রাসূল (ছাঃ)-এর জন্ম ও মৃত্যু দিবস কোনটাই সঠিকভাবে বলার উপায় নেই। সর্বাধিক ধারণা মতে তাঁর জন্ম তারিখ ছিল ৯ই রবীউল আউয়াল এবং মৃত্যু তারিখ ছিল ১লা রবীউল আউয়াল (দ্র. সীরাতুর রাসূল (ছাঃ) ৩য় মুদ্রণ ৫৬-৫৭ পৃ.; বিস্তারিত দ্র. ‘মীলাদ প্রসঙ্গ’ বই, ৬ষ্ঠ প্রকাশ)।
◾প্রশ্নোত্তর বিভাগ, মাসিক আত-তাহরীক।
◾নভেম্বর ২০২০ সংখ্যা। প্রশ্ন নং: ১/৪১।
◾প্রশ্নকারী : বদীউয্যামান, বিরামপুর, দিনাজপুর।

প্রচলিত রাজনীতির সাথে আপোষ নয়, বরং আদর্শিক দৃঢ়তা বজায় রাখুন: প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিবআহলেহাদীছ আন্দোলন ব...
04/09/2025

প্রচলিত রাজনীতির সাথে আপোষ নয়,
বরং আদর্শিক দৃঢ়তা বজায় রাখুন:
প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ’-এর উদ্যোগে রাজশাহী মহানগরীর নওদাপাড়াস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ৩৪তম বার্ষিক কর্মী সম্মেলনে প্রদত্ত ভাষণে সংগঠনের আমীর প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব বলেন, আদর্শের উপর অবিচল থাকা একজন মুমিনের অপরিহার্য দায়িত্ব। দূর্যোগ যতই ঘনীভূত হোক, পরিস্থিতি যতই প্রতিকূল হোক, সঙ্গী-সাথী যতই কম হোক না কেন, আদর্শের উপর টিকে থাকাটাই বিজয়ের সোপান। অতএব আসুন এই আদর্শিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়ে আমরা দ্বীনের পথে দৃঢ় থাকি। পশ্চিমাদের দেখানো তাগূতী তরিকা নয়, প্রচলিত ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক নির্বাচন ব্যবস্থা নয়, ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়ার পথ নয়; বরং দাওয়াতের মাধ্যমে মানুষকে আদর্শের পথে আহ্বান করি।
রাসূল (স:) ক্ষমতা লাভের উদ্দেশ্যে তাওহীদের দাওয়াত দেননি। বরং সেই দাওয়াতে উদ্বুদ্ধ ব্যক্তিদের মধ্য থেকেই নেতৃত্ব তৈরি হয়েছে এবং তারাই পরবর্তীকালে ইসলামী সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন করেছেন। আর এভাবেই দ্বীন কায়েম হবে ইনশাআল্লাহ।
কর্মী সম্মেলনে ১০ দফা দাবি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়:
১. জুলাই’২৪-এর অভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন বাংলাদেশকে পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের আলোকে পুনর্গঠন করতে হবে।
২. বৃটিশদের চালুকৃত বিচারব্যবস্থার আমূল সংস্কার করতে হবে এবং বিচারের নামে অবিচার, দীর্ঘসূত্রিতা, আইনের অপব্যবহার ও পক্ষপাতিত্ব থেকে আদালত ও বিচারব্যবস্থাকে সম্পূর্ণভাবে মুক্ত করতে অবিলম্বে শারঈ বিচারব্যবস্থা চালু করতে হবে।
৩. প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত ইসলামী শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করতে হবে।
৪. শিক্ষার সকল স্তরে প্রচলিত সহশিক্ষা বাতিল করে নারী ও পুরুষের জন্য পৃথক শিক্ষাব্যবস্থা ও কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
৫. সূদভিত্তিক অর্থব্যবস্থা বাতিল করে ন্যায় ও ইনছাফভিত্তিক ইসলামী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা চালু করতে হবে।
৬. অফিস-আদালত থেকে ঘুষ ও দুর্নীতি কঠোর হস্তে দমন করতে হবে এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য বিজ্ঞ আলেমদের সমন্বয়ে একটি বিশেষ বিভাগ সৃষ্টি করতে হবে।
৭. যুবসমাজের নৈতিক অবক্ষয় রোধে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া থেকে যাবতীয় অশ্লীল কনটেন্ট দূর করার উদ্যোগ নিতে হবে।
৮. শহর ও গ্রামের সর্বত্র মদ, জুয়া এবং লটারী প্রভৃতি সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৯. ইসলামের নামে প্রচলিত বিভ্রান্ত দলসমূহ যেমন আহলে কুরআন, কাদিয়ানী, হিজবুত তাওহীদ, হিজবুত তাহরীর, দেওয়ানবাগী প্রভৃতি ফেরকার প্রতিরোধে সরকারীভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
১০. এই সম্মেলন সন্ত্রাসী রাষ্ট্র ইস্রাঈলের পাশবিক আগ্রাসনের তীব্র ঘৃণা ও নিন্দা জানাচ্ছে এবং অসহায় ফিলিস্তিনী মুসলমানদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছে। সেই সাথে বাংলাদেশ সরকারকে সকল আন্তর্জাতিক ফোরামে ইস্রাঈলী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানাচ্ছে

আজ এক ভাই বললেন হাদীছ ফাউন্ডেশন, আন্দোলন বা জমিয়তের অধিন ছাড়া কোন মসজিদ মাদ্রাসা বা কোনো প্রতিষ্ঠানে দান করবো না। জিজ্ঞ...
27/04/2025

আজ এক ভাই বললেন হাদীছ ফাউন্ডেশন, আন্দোলন বা জমিয়তের অধিন ছাড়া কোন মসজিদ মাদ্রাসা বা কোনো প্রতিষ্ঠানে দান করবো না। জিজ্ঞেস করলাম কেন? উত্তরে বললেন, অনেক কারণ রয়েছে। যেমন:
১★ফাউন্ডেশনের অধীনে না-থাকলে প্রতিষ্ঠান বিদ'আতিরা দখল করে-নেয়। আমার চোখে দেখা ৪০০ মসজিদের বেশী বিদ'আতিরা দখল করে নিয়েছে যার জন্য আবদুল বারী (রহ:) ও আসাদুল্লাহ আল গালিব স্যার অনেক কষ্টো করেছেন।
২★আধা সালাফী ব্যক্তিরা খুব বেশিদিন সালাফী মানহাজে টিকেনা। এক সময় কট্টর সালাফী বিদ্বেষী হয়ে যায় এবং আগের রূপে ফিরে যায়, যেমনটি পূর্বের মসজিদ গুলোর সাথে হয়েছে।
৩★ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তি ও ব্যক্তির পরিবারের উপকার হয়। আর সংগঠনিক প্রতিষ্ঠানে উম্মার কল্যাণ হয়। ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানে কোন জবাব দিহিতা থাকে না। সাংগঠনিক প্রতিষ্ঠানে জবাব দিহিতা রয়েছে।
৪★ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি করার সুযোগ রয়েছে কিন্তু সাংগঠনিক প্রতিষ্ঠানে জবাবদিহিতার কারণে দুর্নীতি করার সুযোগ নেই।
৫★ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তি একক সিদ্ধান্ত নিতে পারে, এবং যে কারো উপর জুলুম করতে পারে।
কিন্তু সাংগঠনিক প্রতিষ্ঠানে একক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়না। যার ফলে কার উপরে জুলুম করার সুযোগও তেমন থাকেনা।

একটা আহলেহাদীছ মসজিদ ভাঙলে দশটা আহলেহাদীছ মসজিদ তৈরি হবে। হক্বের কাছে সর্বদা বাতিল পরাজিত হবেই ইনশাআল্লাহ।🎙প্রফেসর ড. মু...
17/04/2025

একটা আহলেহাদীছ মসজিদ ভাঙলে
দশটা আহলেহাদীছ মসজিদ তৈরি হবে।
হক্বের কাছে সর্বদা বাতিল পরাজিত হবেই ইনশাআল্লাহ।
🎙প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
আমীর, আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ।





17/04/2025

সেনাবাহিনীর সহযোগিতা প্রয়োজন
ভিডিওটা শেয়ার দেওয়ার অনুরোধ রইলো 🙏
দেখিয়ে দিন বিশ্ববাসীকে.....
🔴 বি-বাড়িয়াতে যেখানে মাসজিদ ভেঙ্গেছে সেখানে অতিসত্ব মাসজিদ ও মারকাজ তৈরি হবে ইন'শা'আল্লাহ......
সকলে প্রস্তুতি নিন......
আহলে হাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ পরিপূর্ণ ভাবে কাজ করে যাচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ

17/04/2025
সঊদী আরবের বিশিষ্ট আলেম এবং সঊদী ধর্মমন্ত্রণালয়ের সম্মানিত দাঈ শায়খ মাহদী বিন আম্মাশ আশ-শাম্মারী হাফিজাহ ও প্রফেসর ডঃ মু...
17/04/2025

সঊদী আরবের বিশিষ্ট আলেম এবং সঊদী ধর্মমন্ত্রণালয়ের সম্মানিত দাঈ শায়খ মাহদী বিন আম্মাশ আশ-শাম্মারী হাফিজাহ ও প্রফেসর ডঃ মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ আল গালিব হাফিঃ

📌আসুন! পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের আলোকে জীবন গড়ি!🇧🇩 আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ এর উদ্যোগে🔴শিরক ও বিদ'আতমুক্ত বিশুদ্ধ🔴ইস...
14/04/2025

📌আসুন! পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের আলোকে জীবন গড়ি!
🇧🇩 আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ এর উদ্যোগে
🔴শিরক ও বিদ'আতমুক্ত বিশুদ্ধ
🔴ইসলামের প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে
◾ ৩৬ তম বার্ষিক তাবলীগী ইজতেমা ২০২৬
🎙️সভাপতি :
🔰🎙️ প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
🇧🇩 আমীর, আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ।
⏰উদ্বোধন:১ম দিন বাদ আছর
🗓️তারিখ: ১২ ও ১৩ই ফেব্রুয়ারী, বৃহস্পতি ও শুক্রবার
📌স্থান: এয়ারপোর্ট থানার নিকটবর্তী ময়দান বায়া, রাজশাহী।
🔰🎙️ভাষণ দেন 'আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ'-এর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও খ্যাতনামা ওলামায়ে কেরাম
🟥আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ
⬛কেন্দ্রীয় কার্যালয়: নওদাপাড়া (আম চত্বর), রাজশাহী।
☎️মোবাইল: ০১৭৯৭-৯০০১২৩📱০১৭১১-৫৭৮০৫৭




11/04/2025

আহলেহাদীছ কেন্দ্রীয় মারকায় মসজিদে কুনূতে নাযেলাহ পাঠ
🇵🇸❤️ ইস্রা*ঈলী বাহিনীর নির্যাতনের বিরুদ্ধে
🤲আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা
🤲 জুম'আর ছালাতে কুনূতে নাযেলাহ পাঠ
🕌 কেন্দ্রীয় মারকায আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী জামে মসজিদে
🔰🎙 নির্দেশ প্রদানে অত্র মসজিদের খতীব :
🔰🖋 প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
আমীর, আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ
🇵🇸🎙️ইমাম : ড. মুহাম্মাদ সাখাওয়াত হোসাইন
◼️ কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক, আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ।
◼️ সম্পাদক, মাসিক আত-তাহরীক।





11/04/2025

🛑আলহামদুলিল্লাহ আজকে
গাযার মুসলমানদের উপর ইসরাঈলী গণহত্যার বিরুদ্ধে 🔰 মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ।
স্থান: পাঁচদোনা মোড় জামে মসজিদ এর সম্মুখ থেকে
🇯🇴🇯🇴🇯🇴🇯🇴🇯🇴🇯🇴🇯🇴🇯🇴
আয়োজনে: আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ ও
🇧🇩 বাংলাদেশ আহলেহাদীছ যুবসংঘ নরসিংদী যেলা।





11/04/2025

ফি*লি*স্তি*নে ই*স*রা*ইলের হ*ত্যাযজ্ঞে*র প্রতিবাদে
সাতক্ষীরায় আহলেহাদীছ আন্দোলনের বিক্ষোভ মিছিল
গতকাল আহলেহাদীস আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ আহলেহাদীস যুব সংঘ সাতক্ষীরা জেলার উদ্যোগে ফি"লি*স্তি/নে ই/স*রাঈ লী আগ্রসনের বিরুদ্ধে এক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শেষ হয়। পরে রাজ্জাক পার্কে অনুষ্ঠিত সমাবেশে জেলার সভাপতি অধ্যক্ষ মাও: মো: আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, সহ-সভাপতি মাও: ফজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মাও: মোফলেহুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক শাহিদুজ্জামান ফারুক, প্রশিক্ষন সম্পাদক আব্দুল খালেক, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ মাও: মহিদুল ইসলাম, জেলা উপদেষ্টা অধ্যক্ষ আজিজুর রহমান, পেশাজীবী ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক ডা: নাজমুজ সাকিব ব্রাইট, আহলে হাদীস যুব সংঘের জেলা সভাপতি মাও: মুজাহিদুর রহমান।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, আহলেহাদীস আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ আহলে হাদীস যুব সংঘ, আহলেহাদীস পেশাজীবী ফোরাম, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আলআওন এর সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। বিক্ষোভ মিছিলে হাজার হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেন এবং ই*স*রা*ঈলের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিবাদ জানান। এসময় ‘ফি*লি*স্তিনে হামলা কেন? জাতিসংঘ জবাব চাই’ ফি*লি*স্তি*নিদের রক্ত বৃথা যেতে দেবো না, ই*হু*দিদের কালো*হাত ভেঙে দাও, গুড়িয়ে দাও’ ই*স"রা*ইলের মাসনদের আগুন জ¦ালো একসাথে, আমরা সবাই সালাউদ্দিন মুক্ত হবে ফি*লি*স্তি*ন ইত্যাদি শ্লোগানে সাতক্ষীরার রাজপথ প্রকম্পিত হয়ে ওঠে।
উক্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, ইস*রাঈল নামক মধ্যপ্রাচ্যের বিষফোড়া এবং স*ন্ত্রা*সী ও জ*ঙ্গী রাষ্ট্রটি প্রায় ৭০ বছর ধরে ফি*লি*স্তীন ও গা*জা*য় আ*গ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিককালে বিগত প্রায় দেড় বছর ধরে রাত-দিন ২৪ ঘন্টা তারা গাযায় বোমা নিক্ষেপ করছে। বর্তমানে পুরো গাজা একটি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে। সেখানে ৬০-৭০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। এই তথাকথিত আধুনিক বিশ্বে সারাবিশ্বের মানুষের চোখের সামনে এত নির্মম ও নৃশংস একতরফা গণহত্যা হয়ে যাচ্ছে। অথচ গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের বুলি ছড়ানো দেশগুলো নির্বিকারভাবে তা দেখছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো পৃথিবীর কোথাও কুকুর মরলেও বিবৃতি দেয়, সেখানে গাযার নির্মম গণ*হত্যা নিয়ে নিশ্চুপ। অপরদিকে মুসলিম দেশের শাসকরাও নিশ্চুপ। ওয়াইসি নিশ্চুপ, আরব লীগ নিশ্চুপ। তারা বলেন, মুসলিম উম্মার অনৈক্যের কারণেই ইহুদি জায়োনিস্টরা এই নির্বিচার অন্যায় করে যাচ্ছে। আর পিছনে শক্তি হিসাবে কাজ করছে গোটা পশ্চিমা বিশ্ব।
ফি*লি*স্তিনে ইস.রাঈ.লী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী
একসময় বৃটিশরা তাদেরকে মধ্যপ্রাচ্যে বসিয়েছিল এবং আমে*রিকা স্বীকৃতি দিয়েছিল। আজও আ*মে*রিকা ও ইউ*রোপ নির্লজ্জভাবে তাদেরকে সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছে।
তারা বলেন, অবিলম্বে ই*স*রাই*লের এই অন্যায় আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে এবং ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। এ লক্ষ্যে তারা মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য জোর দাবি জানান এবং ই*স/রা*ঈলী পণ্য বয়কটসহ বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পেশ করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি




10/04/2025

আহলেহাদীছ আন্দোলন এবং যুবসংঘের সকল নেতাকর্মীদের মার্চ ফর গাজায় অংশগ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন সংগঠনটির আমীর।

Address

Rajshahi, Rajshahi Division
Rajshahi

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আহলে হাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ Ahle Hadith Andolon Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share