Islami Times

Islami Times Obey Allah and obey the Messenger and do not invalidate your deeds. Quran; 47 Muhammad (33)

বেশী বেশী আল্লাহকে ডাকার তাওফিক দান করুন ||
24/04/2026

বেশী বেশী আল্লাহকে ডাকার তাওফিক দান করুন ||

এক নজরে হজ্জের পূর্ণ ম্যাপ দেখুন ||শেয়ার করে হজ্ব যাত্রীদের দেখান সুযোগ করে দিন ও সাওয়াবের অধিকারী হোন|| #হজ্ব    #ওমর...
24/04/2026

এক নজরে হজ্জের পূর্ণ ম্যাপ দেখুন ||
শেয়ার করে হজ্ব যাত্রীদের দেখান সুযোগ করে দিন ও সাওয়াবের অধিকারী হোন||

#হজ্ব #ওমরাহ

সম্পর্কে দশটি অজানা তথ্য১. প্রতিষ্ঠা এবং ইতিহাস: বিএমডব্লিউ, বায়ারিশে মোটরেন ওয়ার্ক এজি, ১৯১৬ সালে মিউনিখ, জার্মানিতে ...
16/04/2026

সম্পর্কে দশটি অজানা তথ্য

১. প্রতিষ্ঠা এবং ইতিহাস: বিএমডব্লিউ, বায়ারিশে মোটরেন ওয়ার্ক এজি, ১৯১৬ সালে মিউনিখ, জার্মানিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, প্রথমে বিমানের ইঞ্জিন উৎপাদন করে। কোম্পানী 1920 এর দশকে মোটর সাইকেল উৎপাদনে রূপান্তরিত হয় এবং অবশেষে 1930 এর দশকে অটোমোবাইলে পরিণত হয়।

২। আইকনিক লোগো: বিএমডব্লিউ লোগো, যাকে প্রায়শই "রাউন্ডেল" বলা হয়, একটি কালো আংটি নিয়ে গঠিত যা নীল এবং সাদা চার চতুর্থাংশ দিয়ে ছেদ করে। এটি বিমানের কোম্পানির উত্সকে প্রতিনিধিত্ব করে, নীল এবং সাদা একটি স্পষ্ট নীল আকাশের বিরুদ্ধে একটি ঘূর্ণন প্রপেলার প্রতীক।

৩। প্রযুক্তিতে উদ্ভাবন: বিএমডব্লিউ অটোমোটিভ প্রযুক্তিতে উদ্ভাবনের জন্য বিখ্যাত। এটি ২০১৩ সালে বিশ্বের প্রথম বৈদ্যুতিক গাড়ি, বিএমডব্লিউ আই৩ চালু করে, এবং উন্নত ড্রাইভিং সহায়তা সিস্টেম (এডিএএস) এবং হাইব্রিড পাওয়ারট্রেন উন্নয়নে একজন নেতা হয়েছে।

৪. কর্মক্ষমতা এবং মোটরস্পোর্ট হেরিটেজ: মোটরস্পোর্টে বিএমডব্লিউ এর একটি শক্তিশালী ঐতিহ্য আছে, বিশেষ করে ভ্রমণের গাড়ি এবং ফর্মুলা 1 রেসিং এ। ব্র্যান্ড এর এম বিভাগ তাদের নিয়মিত মডেলগুলির উচ্চ-পারফরম্যান্স সংস্করণ তৈরি করে, যা তাদের নির্ভুলতা ইঞ্জিনিয়ারিং এবং উত্তেজনাপূর্ণ ড্রাইভিং গতিশীলতার জন্য পরিচিত।

৫। বিশ্বব্যাপী উপস্থিতি: বিএমডব্লিউ একটি বিশ্বব্যাপী অটোমোটিভ কোম্পানি

৬. বিলাসিতা এবং নকশা: বিএমডব্লিউ বিলাসিতা এবং স্বতন্ত্র নকশার সমার্থক, কারুশিল্প যা আধুনিক প্রযুক্তি এবং আরামের সাথে কমনীয়তা মিশ্রিত করে।

৭. টেকসই অনুশীলন: বিএমডব্লিউ স্থায়িত্বের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তার যানবাহনের মধ্যে পরিবেশ বান্ধব উপকরণ এবং উৎপাদন প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত করে, পাশাপাশি বিএমডব্লিউ আই৪ এবং আইএক্স এর মত মডেলের সঙ্গে বৈদ্যুতিক যানবাহন প্রযুক্তির অগ্রগতি।

৮. গ্লোবাল ম্যানুফ্যাকচারিং: বিএমডব্লিউ বিশ্বব্যাপী অসংখ্য প্রোডাকশন সুবিধা পরিচালনা করে, যার মধ্যে আছে জার্মানি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং অন্যান্য দেশ আছে, যাতে একটি বিশ্বব্যাপী পৌঁছানোর এবং স্থানীয় উত্পাদনের নিশ্চিত হয়।

৯। ব্র্যান্ড পোর্টফোলিও: এর বিখ্যাত বিএমডব্লিউ ব্র্যান্ড ছাড়াও, কোম্পানী মিনি এবং রোলস-রয়েস এর মালিক, বিভিন্ন ধরণের অটোমোটিভ স্বাদ এবং বিলাসবহুল সেগমেন্টস সরবরাহ করে।

আপনি কি কখনো খেয়াল করেছেন—নামাজে দাঁড়ানোর আগ পর্যন্ত আমাদের সব কিছু ঠিকই থাকে…কিন্তু “আল্লাহু আকবার” বলে নামাজে দাঁড়া...
16/04/2026

আপনি কি কখনো খেয়াল করেছেন—নামাজে দাঁড়ানোর আগ পর্যন্ত আমাদের সব কিছু ঠিকই থাকে…কিন্তু “আল্লাহু আকবার” বলে নামাজে দাঁড়ানোর সাথে সাথেই দুনিয়ার সব চিন্তা মাথায় চলে আসে?

কখনো পুরোনো কথা, কখনো ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তা, কখনো এমন কিছু চিন্তা—যা নামাজের বাইরে কখনো মাথায়ই আসেনি! এটা কি শুধু আপনার সাথেই হয়? না… এটা প্রায় সবার সাথেই হয়। কারণ— এটাই শয়তানের সবচেয়ে বড় চেষ্টা, যাতে আপনি নামাজে মনোযোগ দিতে না পারেন।

প্রশ্ন হলো কেন নামাজে কুমন্ত্রণা আসে?
আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন—শয়তান নামাজে এসে মানুষের মনে বিভিন্ন চিন্তা ঢুকিয়ে দেয়, যাতে সে বুঝতেই না পারে সে কী পড়েছে। এই কুমন্ত্রণাকে বলা হয় ওয়াসওয়াসা।

তাহলে বাঁচার উপায় কী?

১ নামাজ শুরুর আগে মন প্রস্তুত করুন
অনেকেই তাড়াহুড়া করে নামাজে দাঁড়ায়। কিন্তু নামাজে যাওয়ার আগে নিজেকে বলুন— আমি এখন আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে যাচ্ছি। এই ছোট্ট প্রস্তুতিটাই মনকে স্থির করে।

২ আউযু বিল্লাহ পড়ুন
নামাজ শুরু করার আগে বলুন—
أعوذ بالله من الشيطان الرجيم
(আউযু বিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম)
এর অর্থ— আমি অভিশপ্ত শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই। এটা শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে রক্ষা পাওয়ার প্রথম ঢাল।

৩ ধীরে ধীরে কুরআন পড়ুন
দ্রুত পড়লে মন অন্যদিকে চলে যায়। তাই সূরা ফাতিহা ও অন্যান্য সূরা অর্থ বুঝে, ধীরে ধীরে পড়ুন।

৪ মন চলে গেলে আবার ফিরিয়ে আনুন
নামাজে মন চলে যাওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ হলো—যতবার মন চলে যাবে, ততবার আবার ফিরিয়ে আনুন। এই চেষ্টা করাটাই আসল ইবাদত।

৫ সিজদায় বেশি দোয়া করুন
সিজদা হলো আল্লাহর সবচেয়ে কাছে যাওয়ার মুহূর্ত। এই সময় বলুন—হে আল্লাহ, আমার মনকে স্থির করে দিন। একটি গুরুত্বপূর্ণ দোয়া, নামাজের মধ্যে কুমন্ত্রণা থেকে বাঁচতে আপনি বলতে পারেন—
اللهم أعني على ذكرك وشكرك وحسن عبادتك
অর্থ:
হে আল্লাহ, আমাকে সাহায্য করুন আপনার স্মরণ, কৃতজ্ঞতা এবং সুন্দরভাবে ইবাদত করার জন্য। একটি গভীর সত্য, শয়তান আপনাকে নামাজ ছাড়তে বলে না সবসময়— সে চায় আপনি নামাজ পড়ুন, কিন্তু মন ছাড়া।
কারণ মন ছাড়া নামাজ, শরীরের একটি কাজ মাত্র।

শেষ কথা
যদি আপনি নামাজে মনোযোগ ধরে রাখতে লড়াই করেন—
তাহলে আপনি হেরে যাননি। বরং আপনি সেই মানুষদের মধ্যে, যাদের সাথে শয়তান সবচেয়ে বেশি লড়াই করে।
তাই হাল ছাড়বেন না। কারণ—যে নামাজে মন আনার চেষ্টা করে, আল্লাহ তার সেই চেষ্টাটাই সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন।

☞ ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে ইসলামিক অনুপ্রেরণা কে ফলো দিয়ে রাখুন!

15/04/2026
11/03/2026

যারা এতো এতো দু'আর মাঝে শেষ ১০ দিনে কি কি দু'আ পাঠ করবেন বুঝতে পারছেন না। তারা রমাদ্বানের শেষ ১০ দিনে এই ৮টি দু'আ বেশী বেশী পড়তে পারেন।

• দু'আ ১ - লাইলাতুল ক্বদরের দু'আ:

اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي

অর্থঃ হে আল্লাহ! তুমি ক্ষমাকারী, তুমি ক্ষমা করতেই ভালোবাসো। অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও।

[সুনানে ইবনে মাজাহ]

• দু'আ ২ - দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ লাভের দু'আ:

رَبَّنَاۤ اٰتِنَا فِی الدُّنۡیَا حَسَنَةً وَّ فِی الۡاٰخِرَةِ حَسَنَةً وَّ قِنَا عَذَابَ النَّارِ

অর্থঃ হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের দুনিয়াতেও কল্যাণ দাও এবং আখিরাতেও কল্যাণ দাও এবং আমাদের জাহান্নামের ‘আযাব থেকে রক্ষা করো।

[সূরা আল-বাকারাহ ২:২০১]

• দু'আ ৩- নেককার স্বামী/স্ত্রী ও সন্তান লাভের দু'আ:

رَبَّنَا هَبْ لَـنَا مِنْ اَزْوَاجِنَا وَذُرِّيّٰتِنَا قُرَّةَ اَعْيُنٍ وَّاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِيْنَ اِمَامًا‏

অর্থঃ হে আমাদের রব, আপনি আমাদেরকে এমন স্ত্রী ও সন্তানাদি দান করুন যারা আমাদের চক্ষু শীতল করবে। আর আপনি আমাদেরকে মুত্তাকীদের নেতা বানিয়ে দিন।

[সূরা আল-ফুরকান ২৫:৭৪]

• দু'আ ৪ - নিজের এবং বংশধরের জন্য দু'আ (মুকিমুস সলাত):

رَبِّ اجۡعَلۡنِیۡ مُقِیۡمَ الصَّلٰوةِ وَ مِنۡ ذُرِّیَّتِیۡ ٭ۖ رَبَّنَا وَ تَقَبَّلۡ دُعَآءِ

অর্থঃ হে আমার প্রতিপালক! আমাকে নামাজ কায়েমকারী বানাও এবং আমার বংশধরদের মধ্য থেকেও। হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি আমার দোয়া কবুল কর।

[সূরা ইবরাহীম -১৪:৪০]

• দু'আ ৫ - দু'আ ইউনুস:

لَا إِلَٰهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّيْ كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِيْنَ

অর্থঃ তুমি ব্যতীত সত্য কোনো ইলাহ নেই; তুমি পুতঃপবিত্র, নিশ্চয় আমি জালিমদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম।

[সুরা আম্বিয়া : ২১:৮৭]

• দু'আ ৬ - আল্লাহর অনুগ্রহ কামনার দু'আ:

رَبِّ اِنِّیۡ لِمَاۤ اَنۡزَلۡتَ اِلَیَّ مِنۡ خَیۡرٍ فَقِیۡرٌ

অর্থঃ হে আমার পালনকর্তা! তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহই করবে আমি তো তারই ভিখারী।

[সূরা আল-কাসাস-২৮:২৪]

• দু'আ ৭ - ফেতনা থেকে বাঁচার দু'আ:

اَللَّهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيْحِ الدَّجَّالِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَفِتْنَةِ الْمَمَاتِ، اَللَّهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْمَأْثَمِ وَالْمَغْرَمِ

অর্থঃ কবরের আযাব থেকে, মসীহে দাজ্জালের ফিতনা থেকে এবং জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে ইয়া আল্লাহ! আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। ইয়া আল্লাহ্! গুনাহ্ ও ঋণগ্রস্থতা থেকে আপনার নিকট আশ্রয় চাই।

[সহীহ বুখারী: ৭৯৪]

• দু'আ ৮ - দুরুদ:

اَللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ

অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনি আমাদের নবি মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।

[মুসনাদে আহমাদ]

©️ এসো কুরআন সুন্নাহ শিখি

04/01/2026

اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي رَجَبٍ، وَشَعْبَانَ، وَبَلِّغْنَا رَمَضَانَ
“আল্লাহুম্মা বা-রিক লানা ফী রজাবা ওয়া শাবান ওবাল্লিগনা রমাদন।”
অর্থ: “হে আল্লাহ তুমি রজব ও শাবানে আমাদেরকে বরকত দাও। আর আমাদেরকে রমজান পর্যন্ত পৌঁছিয়ে দেন।”

 #বিদায়_লগ্নে_২০২৫ঈ. #আসন্ন_২০২৬ঈ.─━━━━━━⊱✿⊰━━━━━━─ ২০২৫খ্রিস্টীয় সন বিদায় নিচ্ছে অদ্য রাত ১২.১মিনিটে। শুরু হবে খ্রিস...
31/12/2025

#বিদায়_লগ্নে_২০২৫ঈ. #আসন্ন_২০২৬ঈ.
─━━━━━━⊱✿⊰━━━━━━─
২০২৫খ্রিস্টীয় সন বিদায় নিচ্ছে অদ্য
রাত ১২.১মিনিটে। শুরু হবে খ্রিস্টীয় নববর্ষ ২০২৬। আর এর মাধ্যমে আমাদের জীবন থেকে বিদায় নিবে আরেকটি বছর! শেষ হবে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়! যুক্ত হবে পৃথিবীর ইতিহাসে নানা ট্রাজেডি, ঘটনাপ্রবাহ, জয়-পরাজয় এবং উত্থান- পতনের পরিচ্ছেদ।

এখন‌ই প্রায় প্রতিটি ঘরে, অফিসে এবং প্রতিষ্ঠানে শুরু হয়ে গেছে ক্যালেন্ডার পরিবর্তনের পুরনো সংস্কৃতি। নববর্ষ প্রেমীরা নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুতি নিচ্ছে পুরোদমে।
দোকানদার, ক্যাশিয়ার, ব্যাংকার এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো লাভ -লসের হিসাব কষতে ব্যস্ত।

👉 কিন্তু আমরা কি বছরের সমাপ্তি লগ্নে আমাদের জীবনের হিসাব কষেছি?
👉 চিন্তা করেছি কী? কেন এই জীবন? জীবনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য‌ই বা কি?
👉 জীবনের প্রকৃত লাভ-লোকসান কী?
👉 এভাবেই কি বিনা হিসাবে আমাদের জীবন শেষ করে দিব?
👉 চলতি বছরের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে এই বিষয়গুলো গুরুত্বের সাথে ভাববার প্রয়োজন বুঝি আমাদের নেই?
👉 হেলায় অবহেলায় এবং অনর্থক ক্রিয়া-কর্মে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলো বিনষ্ট করার কারণে আমাদেরকে কি আল্লাহর আদালতে হিসাবের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে না? আর কতদিন চলবো এভাবে?

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন,
'মহিমাময় সেই সত্তা, যার কুদরতি হাতে গোটা রাজত্ব। তিনি সবকিছুর উপর পরিপূর্ণ ক্ষমতাবান। তিনি ম‌ওত এবং হায়াতকে সৃষ্টি করেছেন তোমাদেরকে পরীক্ষা করার জন্য যে, আমলে তোমাদের মধ্যে কে সর্বোত্তম। তিনি পরিপূর্ণ ক্ষমতার মালিক, অতি ক্ষমাশীল'।
[সূরা মূলক, আয়াত:১-২]

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
'বুদ্ধিমান সেই ব্যক্তি যে, নিজের জীবনের হিসাব রাখে এবং মৃত্যুর পরবর্তী জীবনের জন্য আমল করে'।
[তিরমিজি, হাদীস নং-২৪৫৯]

একটু ভাবুন! একটু চিন্তা করুন!!
👉 বছর পূর্তি হওয়া আর নববর্ষ আসা এটা আনন্দের না বেদনার?
👉 উল্লাস, উন্মাদনায় মেতে ওঠার না আফসোস ও অনুশোচনায় ক্লিষ্ট হওয়ার?
দেখতে দেখতে একটা বছর চলে গেল অথচ পরকালের কোন প্রস্তুতি নিতে পারলাম না! এর চেয়ে আফসোস আর হতাশার বিষয় কি হতে পারে?
এটাতো মহা বেদনার এবং মহা আফসোসের কথা!!

👉 সুতরাং কোন মুসলমান কি থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনের নামে বিজাতীয় সংস্কৃতিতে মেতে উঠতে পারে?
👉 কোন মুসলমান পারে কি , ইহুদী, খ্রিস্টানদের সাথে গা ভাসিয়ে দিতে?
না, না, না?? এটা কখনো হতে পারে না??
কোনো মুসলিম নারী-পুরুষ এ ধরনের ধর্মবিরোধী গর্হিত কাজে কখন‌ই সম্পৃক্ত হতে পারে না?
পারে না ইহুদী-খ্রিস্টানদের সাথে একাকার হয়ে যেতে?

আল্লাহ রব্বুল আলামীন বলেন, ‘হে মুমিনগণ! ইহুদি ও খ্রিস্টানদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তারা নিজেরাই একে-অন্যের বন্ধু! তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তাদেরকে বন্ধু বানাবে, সে তাদেরই মধ্যে গণ্য হবে। নিশ্চয় আল্লাহ জালিমদেরকে হেদায়েত দান করেন না'।
[সূরা মায়েদা, আয়াত:৫১]

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি অন্য জাতির সঙ্গে [আচার-আচরণে, সভ্যতা-সংস্কৃতিতে] সামঞ্জস্য গ্রহণ করবে সে তাদের দলভুক্ত বলে বিবেচিত হবে।’
[আবু দাউদ, হাদীস নং-৪০৩১]

মুমিন তো বছর সমাপ্তির রাতে এক বছরের জীবন ডায়েরি খুলে বসবে। ডায়েরিতে থাকা কৃত অপরাধগুলো চিহ্নিত করবে এবং কান্নায় বুক ভাসাবে। আর ভবিষ্যৎ জীবনকে পরিশুদ্ধ রাখার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হবে।

২০২৫ সালে ডেঙ্গু জ্বরসহ নানা জটিল ও কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়ে কত মানুষ মারা গেছে!?
অগ্নিকাণ্ডসহ জলে-স্থলে অসংখ্য বিপর্যয়ে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া মানুষের সংখ্যাও তো কম নয়!

সৌভাগ্যবান তো কেবল তারাই যারা তাদের গোটা জীবনকে আল্লাহপাকের সন্তুষ্টি মোতাবেক পরিচালনা করতে সচেষ্ট হয়েছে এবং ঈমানের সাথে ভালো আমল নিয়ে দুনিয়াকে বিদায় জানিয়েছে।

সুতরাং একটি বছরের সমাপ্তি লগ্নে এবং আরেকটি নতুন বছরের আগমনের পূর্বে প্রত্যেকের উচিত বিগত জীবনে কৃত সমস্ত গুনাহের জন্য আল্লাহর দরবারে রোনাজারির মাধ্যমে খাঁটি দিলে তওবা করা। আফসোস করা এবং অনুতপ্ত হ‌ওয়া।

সাথে সাথে আগামী বছরে সব ধরনের গোনাহ বর্জনের পাশাপাশি আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি মোতাবেক জীবন পরিচালনার জন্য দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ হওয়া।

আল্লাহ পাক আমাদের সকলকে ক্ষমা করে দিন, যতদিন হায়াত রেখেছেন গোনাহমুক্তভাবে তাঁর সন্তুষ্টি মোতাবেক জীবন পরিচালনার তৌফিক দিন এবং বিদায়বেলায় ঈমানী ম‌ওত নসিব করুন।
আমীন। য়া- রাব্বাল আলামীন।
_________________________
#বিদায়_লগ্নে_২০২৫
#আসন্ন_২০২৬
#জীবনের_হিসাব
#আত্মসমালোচনা
#তওবা_ও_ইস্তিগফার
#নববর্ষ_ভাবনা
#বিজাতীয়_সংস্কৃতি_বর্জন
#থার্টি_ফার্স্ট_নয়
#ঈমানী_মৃত্যু
__________________________
© (মুফতী) মোস্তফা কামাল

আমি জাপানে অনেক বছর ছিলাম। কিন্তু এই বছর বাংলাদেশে চলে এসেছি, পার্মানেন্টলি!জাপানে সময় কেটেছে ট্রেনের নির্ভুল সময়সূচিতে...
28/12/2025

আমি জাপানে অনেক বছর ছিলাম। কিন্তু এই বছর বাংলাদেশে চলে এসেছি, পার্মানেন্টলি!

জাপানে সময় কেটেছে ট্রেনের নির্ভুল সময়সূচিতে, ঝকঝকে রাস্তা, নীরব শহর আর শৃঙ্খলার মধ্যে।
সবকিছু এতটাই ঠিকঠাক যে, কখনো কখনো মনে হতো—জীবন বুঝি এভাবেই হওয়া উচিত।

এই বছর দেশে ফিরে এসেছি। বাংলাদেশে।
এখানে নামার পর প্রথম যেটা টের পেয়েছি—হাওয়ার ওজন আলাদা।

চারপাশে কোলাহল, বিশৃঙ্খলা, অনিশ্চয়তা। লাইফ এখানে সহজ নয়। প্রতিদিন টিকে থাকার লড়াই, ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন—সবই বাস্তব।

হ্যাঁ, বাংলাদেশে জীবন রিস্কি।
এ কথা অস্বীকার করলে নিজের সাথেই প্রতারণা করা হবে। কিন্তু একই সঙ্গে আরেকটি সত্যও আছে—
এই দেশে ঈমান একেবারে একা নয়। ভোরে আজানের ধ্বনি বাতাসে ভেসে আসে। মসজিদের মাইকে “আসসালাতু খাইরুম মিনান্নাওম”— এই বাক্যটা শুধু ডাক না, এটা মনে করিয়ে দেয়— এই দুনিয়ার বাইরে আরেকটা হিসাব আছে।

এখানে নামাজ পড়তে আলাদা করে সাহস জোগাড় করতে হয় না। ইসলাম লুকিয়ে রাখতে হয় না।
সন্তানকে শেখাতে হয় না—“এটা বাইরে বলা যাবে না।” চাইলেই ঈমান নিয়ে চলা যায়—যদি ইচ্ছেটা থাকে।

অন্যদিকে, অমুসলিম উন্নত দেশগুলো— জাপান, ইউরোপ, আমেরিকা— সেখানে জীবন আশ্চর্য রকম নিরাপদ।

মানুষ কথা রাখে। আইন কাজ করে। রাস্তায় বের হলে মনে হয় না—আজ কিছু একটা হয়ে যাবে। সেই নিরাপত্তা যারা দেখেনি, তারা কখনো বুঝবে না।
সেই জীবন সত্যিই আরামদায়ক। কিন্তু সেই আরামের ভেতরেই ধীরে ধীরে একটা শূন্যতা জন্ম নেয়।

আজান নেই। মসজিদ দূরে, অনেক দূরে। হারাম আর হালাল—দুটো একই তাকের উপর সাজানো। গুনাহ সেখানে অপরাধ না, বরং “ব্যক্তিগত পছন্দ”। সবচেয়ে ভয়ংকর জায়গাটা আসে সন্তানদের ক্ষেত্রে।
ওরা বড় হয় এমন এক সমাজে, যেখানে ইসলাম “স্বাভাবিক” না, বরং “ব্যতিক্রম”।

যেখানে বিশ্বাসটা বোঝা হয়ে দাঁড়ায়।
যেখানে প্রশ্ন আসে—
“তুমি আলাদা কেন?”
এভাবে একদিন টের পাওয়া যায়—
জীবনের নিরাপত্তা প্রায় শতভাগ। কিন্তু ঈমানের নিরাপত্তা ধীরে ধীরে শূন্যের দিকে যাচ্ছে।
এটা কোনো নাটকীয় কথা না। এটা বাস্তব অভিজ্ঞতা।

অনেকে বলেন—
“বাংলাদেশের মানুষ অসৎ, উশৃঙ্খল। অমুসলিমরা হাজার গুণ ভালো।”
হ্যাঁ, তারা অনেক ক্ষেত্রে নিয়ম মানে। পরিচ্ছন্ন, দায়িত্বশীল, সভ্য।

কিন্তু ভালো নাগরিক হওয়া আর আল্লাহর কাছে সফল হওয়া— এই দুইটা এক জিনিস নয়।
একজন মানুষ দুনিয়ার চোখে খুব ভালো হতে পারে,
কিন্তু আখিরাতের পাল্লায় শূন্য হাতে দাঁড়াতে পারে।
আরেকজন মানুষ অনেক দুর্বল, অনেক সীমাবদ্ধ,
কিন্তু নামাজের ওয়াক্তে সিজদায় মাথা রাখে—
সেই মাথাটাই আল্লাহর কাছে সবচেয়ে দামী।

বাংলাদেশ নিখুঁত না। এই দেশ অনেক ব্যথার, অনেক কষ্টের। কিন্তু এই মাটিতে সিজদা করা সহজ। এই বাতাসে আজান মিশে আছে। এই সমাজ এখনো আল্লাহকে অস্বীকার করেনি। আপনি চাইলে এখানে ঈমান আগলে রাখতে পারেন। আপনি চাইলে সন্তানকে শেখাতে পারেন— আল্লাহ আছে, হিসাব আছে, ফিরে যাওয়া আছে।

আমি জাপানে প্রচুর ট্রাবল করেছি। শহর থেকে শহর, পাহাড় থেকে সমুদ্র—সবকিছুই ছিল নিখুঁতভাবে সাজানো। ট্রেন এক মিনিট দেরি করে না,
রাস্তায় কেউ ধাক্কা দেয় না, রাতে একা হাঁটলেও ভয়ের নামগন্ধ নেই। সবকিছু এতটাই নিরাপদ ছিল যে, কখনো মনে হয়েছে—
মানুষ এখানে মরার আগে সব ভোগ করার সুযোগ পায়।

কিন্তু সেই ভোগটা ছিল আশ্চর্য রকম একাকী। সুন্দর শহরগুলো দেখেছি একা। চেরি ব্লসমের নিচে দাঁড়িয়েছি একা। শান্ত সমুদ্রের ধারে বসে থেকেছি একা। সাথে ছিল ক্যামেরা, কিন্তু পাশে ছিল না পরিবার।

স্মৃতি জমেছে, কিন্তু সেই স্মৃতি ভাগ করার মানুষ ছিল দূরে—হাজার হাজার মাইল দূরে।

তখন বুঝেছি—
নিরাপত্তা আর শান্তি এক জিনিস না। আরাম আর পরিপূর্ণতা এক জিনিস না। মানুষ শুধু নিরাপদ হলেই সুখী হয় না, মানুষ চায় আপনজন।
চায় কাউকে দেখিয়ে বলতে— “এই দেখো, আমি আজ কোথায় এসেছি।”

উন্নত দেশগুলো আমাদের শেখায়—
কিভাবে একা একা ভালো থাকা যায়।
কিন্তু ইসলাম আমাদের শেখায়—
কিভাবে একসাথে বাঁচা যায়।

ওখানে জীবন খুব গোছানো, কিন্তু হৃদয়গুলো অনেক সময় আলাদা আলাদা বাক্সে বন্দী।

আপনি সব পেয়ে যাবেন— কিন্তু কাউকে পাবেন না,
যাকে নিয়ে দোয়া করতে পারেন, যার সাথে কাঁদতে পারেন, যার সাথে আল্লাহর কথা বলতে পারেন।

ধীরে ধীরে একসময় মনে হয়— এই নিখুঁত জীবনের ভেতরে কোথাও যেন একটা বড় ফাঁক রয়ে গেছে।
আরেকটা দার্শনিক প্রশ্ন তখন মাথায় আসে—
মানুষ আসলে কী চায়? নিরাপদ ভবিষ্যৎ, না অর্থপূর্ণ বর্তমান?

জাপানে আমি ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক নিরাপদ ছিলাম।
কিন্তু বর্তমানটা ছিল অনেক সময় ফাঁকা। বাংলাদেশে ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, কিন্তু বর্তমানটা জীবন্ত।

এখানে মানুষ ডাকে নাম ধরে। এখানে মা–বাবার দোয়া পাশে থাকে। এখানে ঈদের সকালে একসাথে নামাজ পড়া যায়। এখানে সুখ–দুঃখ ভাগ করার মানুষ হাতের কাছেই থাকে। উন্নত দেশে আপনি মানুষ হিসেবে সম্মান পাবেন, কিন্তু মুসলিম হিসেবে অনেক সময় একা হয়ে যাবেন।

আর মানুষ যতই শক্ত হোক, ঈমান যতই মজবুত হোক— একাকীত্ব দীর্ঘদিন সহ্য করা যায় না।

কারণ মানুষ শুধু দেহ না, মানুষ আত্মা।

আর আত্মার খাবার টাকা না, নিরাপত্তা না—
আত্মার খাবার সম্পর্ক, দোয়া, সিজদা। এই জন্যই হয়তো আল্লাহ আমাদের পরিবার দিয়েছেন, উম্মাহ দিয়েছেন, সমষ্টির ভেতরে ঈমান বাঁচানোর পথ দেখিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত মানুষ একদিন মরবেই। কেউ নিরাপদ বিছানায়, কেউ অনিশ্চিত রাস্তায়।
শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটা আসলে দেশ নিয়ে না। আরাম নিয়ে না। নিরাপত্তা নিয়ে না।

প্রশ্নটা একটাই—
আমি কোথায় আমার ঈমানটা নিয়ে আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে পারবো?
জীবন হয়তো সেখানে কঠিন হবে, কিন্তু মৃত্যুটা হবে অর্থবহ।

মরার সময় আমার পাশে কী থাকবে?
ব্যাংক ব্যালেন্স, না মা–বাবার দোয়া?
পাসপোর্ট, না ঈমান?

আমি জাপানে অনেক কিছু দেখেছি।
অনেক নিরাপদ জীবন দেখেছি।
কিন্তু দেশে ফিরে এসে বুঝেছি—
নিরাপদ জীবন সবকিছু না।
ঈমানসহ, পরিবারসহ, সম্পর্কসহ জীবন—
সেটাই পরিপূর্ণ।
©️ শাহরিয়ার আসিফ

নিয়মিত লেখা পেতে পেজটা ফলো করার অনুরোধ করছি

Address

Rajshahi

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islami Times posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Islami Times:

Share