শান্তির ধর্ম ইসলাম

শান্তির ধর্ম ইসলাম আমি ইসলাম কে ভালোবাসি। তাই ইসলামিক পো?

- মাশাআল্লাহ..! 🥀❤
14/02/2023

- মাশাআল্লাহ..! 🥀❤

- য়ার মৃত্যুর সময় হয়নি, তাঁর কাছে মৃত্যু আসবে কখনও..! 🥀❤
11/02/2023

- য়ার মৃত্যুর সময় হয়নি, তাঁর কাছে মৃত্যু আসবে কখনও..! 🥀❤

- নিজেকে নিয়ে অহংকার করো না, - শুধু এটুকু মনে রেখো,, - ঐ রব মাটিকে সবসময় মাটিতেই মিশিয়েছেন...! 🙂
18/10/2022

- নিজেকে নিয়ে অহংকার করো না,
- শুধু এটুকু মনে রেখো,,
- ঐ রব মাটিকে সবসময় মাটিতেই মিশিয়েছেন...! 🙂

আমি কত ক্ষুদ্র,, এই পৃথিবীর তুলনায়! এই পৃথিবী কত ক্ষুদ্র,, প্রথম আঁকাশের তুলনায়! প্রথম আঁকাশ কত ক্ষুদ্র,, সাত আঁকাশের তু...
28/09/2022

আমি কত ক্ষুদ্র,, এই পৃথিবীর তুলনায়!
এই পৃথিবী কত ক্ষুদ্র,, প্রথম আঁকাশের তুলনায়!
প্রথম আঁকাশ কত ক্ষুদ্র,, সাত আঁকাশের তুলনায়!
সাত আঁকাশ কত ক্ষুদ্র,, আল্লাহ তায়ালার কুরসির তুলনায়!
আল্লাহ তায়ালার কুরসি কত ক্ষুদ্র,, আল্লাহর আরশের তুলনায়!
আর এই আরশের মালিক আমার রব আমার সৃষ্টিকর্তা!

বিহারের নওয়াদা জেলার অন্তর্গত হলদিয়া গ্রামে একটা পুরানো নদী ছিলো, যেটা শুকিয়ে যাওয়ার পরে সেখানে এই মসজিদটা দেখতে পাওয়া য...
11/09/2022

বিহারের নওয়াদা জেলার অন্তর্গত হলদিয়া গ্রামে একটা পুরানো নদী ছিলো, যেটা শুকিয়ে যাওয়ার পরে সেখানে এই মসজিদটা দেখতে পাওয়া যায়।

মসজিদটি ১২০ বছর পুরানো। ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে পানির নিচে থাকলেও তাতে মসজিদের কোনো ক্ষতি হয়নি। খবর এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।

স্থানীয় প্রবীণরা জানান, মসজিদটি বিংশ শতকের প্রথমদিকে নির্মিত হয়। মুঘল রীতিতে নির্মিত মসজিদটির বয়স এখন প্রায় ১২০ বছর। স্থানীয়রা এ মসজিদের নাম দিয়েছিল নূরী মসজিদ। মাটি থেকে গম্বুজ পর্যন্ত মসজিদর উচ্চতা প্রায় ৩০ ফুট।

১৯৭৯ সালে এখানে ফুলওয়ারিয়া ড্যাম নির্মাণ শুরু হয়। সে সময় এ এলাকায় প্রচুর মুসলমান বসবাস করত। এ মসজিদে তারা নিয়মিত নামায আদায় করতেন। কিন্তু সরকার বাঁধ নির্মাণ শুরু করলে মুসলমানদেরকে এই জায়গা ছেড়ে উঠে যেতে হয়। সরকার পুরো জায়গাটি অধিগ্রহণ করে গ্রামবাসীকে অন্য একটি গ্রামে স্থানান্তর করে। বাঁধ নির্মাণের সময় প্রয়োজন না হওয়ায় কর্তৃপক্ষ মসজিদটির কোনো ক্ষতি করেনি।

বাঁধের পানি শুকিয়ে গেলেও পুরো এলাকা কাদাময় হয়ে আছে। কিন্তু এরমধ্যে কৌতুহলী মুসলমানরা কাঁদা মাড়িয়ে মসজিদে প্রবেশ করে। তারা দেখতে পান মসজিদটি পুরোপুরি অক্ষত রয়েছে। কয়েক দশক ধরে ডুবে থাকলেও কাঠামোর সামান্যতম ক্ষতি হয়নি।

----সংগৃহীত

💝সুবহানাল্লাহ💝একটি বাস্তব ঘটনা তুলে ধরলাম।আশা করি সবাই পড়বেন।⏩আমি ইসলাম গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছি⏪     [ড্যানিয়েলে লোডুকা]আ...
10/09/2022

💝সুবহানাল্লাহ💝
একটি বাস্তব ঘটনা তুলে ধরলাম।
আশা করি সবাই পড়বেন।

⏩আমি ইসলাম গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছি⏪
[ড্যানিয়েলে লোডুকা]
আমি কখনোই আল্লাহকে খোঁজার গরজ অনুভব করিনি। যখন কিছুই করার থাকত না, তখন কোনো পুরনো বই বা ভবন দেখে সময় কাটাতাম। কখনো কল্পনাও করিনি আমি মুসলমান হব। আমি খ্রিস্টানও হতে চাইনি।
যেকোনো প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মের প্রতিই আমার তীব্র বিতৃষ্ণা ছিল। প্রাচীন কোনো গ্রন্থ আমার জীবনযাপনের পথ-নির্দেশ করবে, তা নিয়ে ভাবিইনি।
এমনকি কেউ যদি আমাকে কয়েক কোটি ডলার দিয়েও কোনো ধর্ম গ্রহণ করতে বলত, আমি সরাসরি অস্বীকার করতাম।
আমার প্রিয় লেখকদের অন্যতম ছিলেন বার্টান্ড রাসেল। তার মতে, ধর্ম হলো কুসংস্কারের চেয়ে একটু ভালো, সাধারণভাবে লোকজনের জন্য ক্ষতিকর, যদিও এর ইতিবাচক কিছু বিষয়ও আছে। তিনি বিশ্বাস করতেন, ধর্ম ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি জ্ঞানের পথ বন্ধ করে দেয়, ভীতি আর নির্ভরতা বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়া আমাদের বিশ্বের যুদ্ধ, নির্যাতন আর দুর্দশার জন্য অনেকাংশে দায়ী ধর্ম।
আমার মনে হতো, ধর্ম ছাড়াই তো ভালো আছি। আমি প্রমাণ করতে চাইতাম, ধর্ম আসলে একটা জোচ্চুরি। ধর্মকে হেয় করতে আমি পরিকল্পিত কাজ করার কথা ভাবতাম।
হ্যাঁ, সেই আমিই এখন মুসলমান।
আমি ঘোষণা দিয়েই ইসলাম গ্রহণ করেছি। আর সেটা না করে উপায়ও ছিল না। আমি অনুগত হয়েছি, ইসলাম গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছি।
মজার ব্যাপার হলো, যখন ধর্মাবলম্বনকারীদের সাথে বিশেষ করে মুসলমান হিসেবে পরিচয় দানকারীদের সাথে কথা বলতাম, আমি প্রায়ই লক্ষ করতাম, তারা বিশ্বাস করার আকাংক্ষা পোষণ করে। তাদের ধর্মগ্রন্থে যতই সাংঘর্ষিক বিষয় থাকুক, ভুল থাকুক, তারা সবকিছু এড়িয়ে দ্বিধাহীনভাবে ধর্মকে আঁকড়ে ধরে। তারা জানে, তারা কী বিশ্বাস করে।
ব্যক্তিগতভাবে আমি কখনো আল্লাহকে খুঁজতে চাইনি, সেই ইচ্ছাও আমার কখনো হয়নি। একদিন আমার এক বন্ধু ইসলামে আল্লাহর অস্তিত্ব সম্পর্কে বোঝাতে চাইল, আমি ক্ষুব্ধ হলাম।
কোনো মানুষ যখন কিছু বিশ্বাস করতে চায়, তখন তার মধ্যে অনেক সময়ই এমন একটা বোধ সৃষ্টি হয়, যার ফলে সেটা গ্রহণ করার ব্যাপারে আগ্রহ তার মধ্যে তৈরি হয়। ধর্মের ব্যাপারেও আমার মধ্যে তেমন একটা ধারণার সৃষ্টি হয়েছিল। আমি ধর্মকে স্রেফ একটা বাজে জিনিস হিসেবে বিশ্বাস করতে চাইতাম।
এমন বিশ্বাস কিন্তু কোনো দৃঢ় প্রমাণের ভিত্তিতে হয়, এমন নয়। স্রেফ অনুমানের ওপর গড়ে ওঠে এ ধরনের বিশ্বাস। আমি যখন কোনো ধর্মীয় বই পড়তাম, তখন সেগুলোর প্রতি আমার কোনো পক্ষপাতিত্ব থাকত না, তবে আমার উদ্দেশ্য থাকত তা থেকে ভুল-ত্রুটি বের করা। এর ফলে আমি আমার উদ্দেশ্যের প্রতি অটল থাকতে পারতাম।
আমার কোরআনের পেপারব্যাক অনুবাদটি পেয়েছিলাম বিনা মূল্যে। একদিন দেখলাম, এমবিএ’র কিছু ছেলে কোরআন বিলি করছে। আমি জানতে চাইলাম, এগুলো কি ফ্রি? তারা হ্যাঁ সূচক জবাব দিলে আমি একটা নিয়ে রওনা দিলাম। এসব বইয়ের প্রতি আমার বিন্দুমাত্র আগ্রহ ছিল না। কেবল ফ্রি পেয়েছিলাম বলে নিয়েছিলাম। তবে আমার উদ্দেশ্য ছিল, বইটা পড়ে আরো কিছু খুঁত যদি পাওয়া যায়, তবে ধর্মটির বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে।
আমি যে কপিটা পেয়েছিলাম, সেটির পাতাগুলো মলিন হয়ে গিয়েছিল, অনেক পুরনো ছিল সেটি। কিন্তু আমি যতই পড়তে থাকলাম, ততই বশীভূত হতে লাগলাম। আমি আগে যেসব ধর্মীয় গ্রন্থ পড়েছি, তা থেকে এটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। আমি অর্থ সহজেই বুঝতে পারছিলাম। সবকিছুই ছিল স্পষ্ট।
আমার মনে পড়ল, আমার এক বন্ধু যখন আমাকে ইসলামে আল্লাহ কেমন তা বোঝাচ্ছিল, আমি রেগে গিয়েছিলাম, কিন্তু এবার পাতার পর পাতা উল্টে অনেক জায়গায় দেখতে পেলাম তাতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ‘অবশ্যই আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়াময়।’
মনে হলো, পবিত্র কোরআন সরাসরি আমার সাথে কথা বলছে, আমার জীবনের সাথে জড়িয়ে আছে। এটা একটা ‘পুরনো গ্রন্থ’ কিন্তু পুরোপুরি প্রাসঙ্গিক। এর কাব্যিকতা, কল্পনাশক্তি এবং যেভাবে বার্তা পৌঁছে দেয়, তা আমাকে অন্তর থেকে নাড়া দিল। এর অভূতপূর্ব সৌন্দর্য আমি আগে কখনো টের পাইনি। মরুভূমির দমকা হাওয়া যেন সবকিছু উল্টে দিল। মনে হলো আমি যেন কিছু একটার জন্য দৌড়াচ্ছি।
কোরআন আমার বোধশক্তিতে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করল। নিদের্শনাবলী দেখে তারপর আমাকে চিন্তা করতে, ভাবতে, বিবেচনা করতে বলল। এটা অন্ধ বিশ্বাস প্রত্যাখ্যান করে, কিন্তু যুক্তি ও বুদ্ধিবৃত্তিকে উৎসাহিত করে। কোরআন মানুষকে কল্যাণের দিকে আহ্বান করে, স্রষ্টাকে স্বীকার করে নিতে বলে, সেই সাথে আধুনিকতা, মানবিকতা, সহমর্মিতার কথা বলে।
অল্প সময়ের মধ্যেই আমার জীবনকে বদলে দেয়ার আগ্রহ তীব্র হয়। আমি ইসলাম সম্পর্কে অন্যান্য বই পড়তে শুরু করলাম। আমি দেখতে পেলাম, কোরআনে অনেক ভবিষ্যৎ বানী রয়েছে, অনেক হাদিসেও তেমনটা আছে। আমি দেখলাম, পবিত্র কোরআনে অনেক স্থানে নবি মোহাম্মদকে সংশোধন করা হয়েছে। আমার কাছে অদ্ভূত লাগল। এতেই বোঝা যায়, তিনি গ্রন্থটির লেখক নন।
আমি নতুন পথে হাঁটতে শুরু করলাম, পবিত্র কোরআনের জ্যোতি আর নবি মোহাম্মদের দেখানো রাস্তায়। এই লোকটির মধ্যে মিথ্যাবাদির কোনো আলামত দেখা যায়নি। তিনি সারা রাত নামাজ পড়তেন, তাঁকে নির্যাতনকারীদের ক্ষমা করে দিতে বলতেন, দয়া প্রদর্শনকে উৎসাহিত করতেন। সম্পদ আর ক্ষমতা তিনি প্রত্যাখ্যান করতেন, কেবল আল্লাহর দিকেই নিবেদনের বিশুদ্ধ বার্তাই প্রচার করতেন। আর তা করতে গিয়ে নির্মম নির্যাতন সহ্য করেছেন।
সব কিছুই সরল, সহজেই বোঝা যায়। আমাদের সৃষ্টি করা হয়েছে। এই মহাবিশ্বের জটিল আর বৈচিত্র্যময় কোনো কিছুই ঘটনাক্রমে ঘটেনি। তা-ই সাধারণ বিষয় হলো, সেই একজন- যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন, তাকে অনুসরণ করতে হবে।
আমার অ্যাপার্টমেন্টের কৃত্রিম লাইটিং এবং বাতাসের ওজন নিয়ে ভাবতে ভাবতে পবিত্র কোরআনের এই আয়াতটি পড়লাম :
কাফেররা কি ভেবে দেখে না যে, আকাশম-লী ও পৃথিবীর মুখ বন্ধ ছিল, এরপর আমি উভয়কে খুলে দিলাম এবং প্রাণবন্ত সবকিছু আমি পানি থেকে সৃষ্টি করলাম। এরপরও কি তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে না? (কোরআন ২১:৩০)
এই আয়াত পড়ে আমার মাথা যেন দুই ভাগ হয়ে গেল। এটাই তো বিগ ব্যাং তত্ত্ব (এটা স্রেফ একটা তত্ত্ব নয়)... সব জীবন্ত সত্তাই পানি থেকে সৃষ্টি হয়েছে, বিজ্ঞানীরা মাত্র এটা আবিষ্কার করেছে। এটা ছিল অবাক করা বিষয়। এটা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে উত্তেজনাকর এবং সবচেয়ে ভীতিকর সময়।
আমি বইয়ের পর বই অধ্যায়ন করতে লাগলাম, তথ্যগুলো যাচাই করতে থাকলাম। এক রাতে আমি প্র্যাট ইনস্টিটিউট লাইব্রেরিতে বসে খোলা বইগুলোর দিকে তাকিয়ে ছিলাম। আমার মুখটা হয়তো কিছুটা ফাঁক হয়ে গিয়েছিল। কী ঘটতে যাচ্ছে, আমি বুঝতে পারছিলাম না। তবে এটুকু অনুভব করলাম, আমার সামনে যা রয়েছে, তা হলো সত্য। আগে আমি যেটাকে সত্য ভাবতাম, সেটার আর কোনা অস্তিত্ব ছিল না।
এখন কী
আমার সামনে দুটি বিকল্প ছিল। একটা আসলে কোনো বিকল্পই ছিল না। আমি যা আবিষ্কার করেছিলাম, তা অস্বীকার করতে পারছিলাম না, অগ্রাহ্য করতে পারছিলাম না। আগের মতোই চলব, এমনটাও ভাবছিলাম সামান্য সময়ের জন্য। সেটাও সম্ভব ছিল না। আমার কাছে পথ খোলা ছিল কেবল একটাই।
ইসলাম গ্রহণ করা ছাড়া আর কোনো পথ খোলা ছিল না আমার সামনে। অন্য কিছু করা মানেই ছিল সত্যকে অস্বীকার করা।
(লেখিকা ড্যানিয়েলে লোডুকা ইউরোপিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান। ক্যাথলিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি। ২০০২ সালে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। পেশায় তিনি শিল্পী। ব্যক্তিজীবনে পাঁচ সন্তানের মা। ইসলাম নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন।)

৭০ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা ৯৬ বছর বয়সে রানী এলিজাবেথও মারা গেল,ক্ষমতালোভীরা সতর্ক হন⚠️আপনি আমিও একদিন থাকবো না।।
09/09/2022

৭০ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা ৯৬ বছর বয়সে রানী এলিজাবেথও মারা গেল,
ক্ষমতালোভীরা সতর্ক হন⚠️
আপনি আমিও একদিন থাকবো না।।

08/09/2022

#হেদায়েত

হেদায়েত জিনিসটা কি জানেন?

১. যে ছেলে/মেয়ে গান বাজনাই মেতে থাকত।
সে এখন গান বাজনা শুনে না হারাম মনে করে এটাই হেদায়েত।

২. যে ছেলে/ মেয়ে মুভি নাটক নিয়ে পড় থাকতো সে এখন হারাম মনে করে বিরত থাকে এটাই হেদায়েত।

৩. যে ছেলে /মেয়ে প্রেম ভালবাসায় মেতে থাকত সে এটাকে এখন জিনা মনে করে বিরত থাকে এটাই হেদায়েত

৪. যে ছেলে/ মেয়ে এক ওয়াক্ত নামাজ পড়লে তিন ওয়াক্ত পড়ত না এখন পাঁচ ওয়াক্ত ও তাহাজ্জুদ পড়ে এটাই হেদায়েত

৫. যে রাতে অন্ধকারে পর্নগ্রাফিতে আসক্ত ছিল এখন এটা জিনা মনে করে বিরত থাকে আল্লাহকে দৃষ্টি বাহির নয় সে এটা জানে ভয় করে এটাই হেদায়েত

৬. যে বন্ধু বান্ধব অহেতুক আড্ডা মেতে থাকত দুনিয়া নিয়ে পড়ে থাকত এখন আজান হলে সে মসজিদে চলে যায় এটাই হেদায়েত।

৭. অন্তরে আল্লাহর ভয় অনুভব করা এটাই হেদায়েত।

৮. কেউ মূর্তি পূজা বা অন্য জাতির ছিল সে ইসলাম চিনতে পেরেছে এটাই হেদায়েত।

৯. নিজের ইচ্ছাকে বাতিল করে আল্লাহর আদেশ মান্য করা এটাই হেদায়েত।

১০. নিজে মেনে অপরকে আল্লাহ বানী শুনানো আল্লাহর পথে ডাকা এটাই হেদায়েত।

১১. যে ছেলেটা মেয়ে দেখলে তাকিয়ে থাকত আজ তার দৃষ্টি নিচু এটাই হেদায়েত।

১২. যে মেয়ে পর্দা করত না এখন সে পর্দা করে এটাই হেদায়েত।

১৩. যে ছেলে/মেয়ে কুরআন পড়তো না সে এখন কুরআনে আল্লাহ কি বলেছেন তা খুজতে শুরু করে এটাই হেদায়েত।

১৪. যার চাওয়ার শেষ ছিল না আজ সে সন্তুষ্ট আল্লাহর ফয়সালার উপরে এটাই হেদায়েত।

১৫. যে মৃত্যুকে স্মরণ করত না এখন যে মৃত্যুর পর কবর ও জাহান্নামের শাস্তি থেকে মাফ চায় এটাই হেদায়েত।

১৬. যে হারাম উপার্জন ছেড়ে হারাম চাকরির অফার ছেড়ে দিয়ে হালাল খুজার কষ্ট করে এটাই হেদায়েত।

১৭. যে আমানতের খেয়ানত হবে বলে ভয় পায় সাবধানে অপরে জিনিস রাখে এটাই হেদায়েত।

06/09/2022

তুমি করুণাময় আল্লাহ তা’আলার সৃষ্টিতে কোন তফাত দেখতে পাবে না। আবার দৃষ্টিফেরাও; কোন ফাটল দেখতে পাও কি?
[ সূরা মূলক আয়াত, ০৩ ]

- আল্লাহ আপনি ছাড়া আমরা বড়ই অসহায়..! 🥀😔
06/09/2022

- আল্লাহ আপনি ছাড়া আমরা বড়ই অসহায়..! 🥀😔

জান্নাতের সবচেয়ে নিকটবর্তী আমল হচ্ছে- "নামাজ"। [মুসলিম শরীফ - ২৬৩]
04/09/2022

জান্নাতের সবচেয়ে নিকটবর্তী আমল হচ্ছে- "নামাজ"।
[মুসলিম শরীফ - ২৬৩]

- আল্লাহ তায়ালা জাহান্নামের অধিবাসীদের ভয়াবহ আজাব দিবেন। চলুন আজকে আমরা জানার চেষ্টা করি আল্লাহ তায়ালা জাহান্নামের অধিবা...
04/09/2022

- আল্লাহ তায়ালা জাহান্নামের অধিবাসীদের ভয়াবহ আজাব দিবেন। চলুন আজকে আমরা জানার চেষ্টা করি আল্লাহ তায়ালা জাহান্নামের অধিবাসীদের কিভাবে শাস্তি দিবেন। কুরআনের ভাষায়ঃ

১। তাদের কে পূঁজ মিশানো পানি পান করানো হবে। ঢোক গিলে তা পান করবে। এবং গলার ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে না। প্রতি দিক থেকে তার কাছে মৃত্যু আগমন করবে এবং সে মরবে না। তার পশ্চাতেও রয়েছে কঠোর আযাব। [সূরা ইবরাহিম, ১৬-১৭ ]

২। তাদের জন্যে আগুনের পোশাক তৈরী করা হয়েছে। তাদের মাথার উপর ফুটন্ত পানি ঢেলে দেয়া হবে। ফলে তাদের পেটে যা আছে, তা এবং চর্ম গলে বের হয়ে যাবে। তাদের জন্য আছে লোহার হাতুড়ি। [সূরা হাজ্ব, ১৯-২১ ]

৩। আগুন তাদের মুখমন্ডল দগ্ধ করবে এবং তারা তাতে বীভৎস আকার ধারন করবে। [সুরা মু'মিনুন, ১০৪ ]

৪। এই কি উত্তম আপ্যায়ন, না যাক্কুম বৃক্ষ। আমি জালেমদের জন্য একে বিপদ করেছি। এটি একটি বৃক্ষ যা উদগত হয় জাহান্নামের মূলে। এর গুচ্ছ শয়তানের মস্তকের মত। কাফেররা একে ভক্ষণ করবে এবং এর দ্বারা উদর পূর্ণ করবে। তদুপরি, তাদেরকে দেয়া হবে ফুটন্ত পানির মিশ্রন। [সুরা সফ্ফাত, ৬২-৬৭ ]

৫। নিশ্চয়ই যাক্কুম বৃক্ষ, পাপীর খাদ্য হবে। গলিত তামার মত পেটে ফুটতে থাকবে। যেমন পানি ফোটে। একে ধরে এবং টেনে নিয়ে যাওয়া হবে জাহান্নামের মধ্যস্থলে। অতঃপর তার মাথার ওপর ফুটন্ত পানির আজাব ঢেলে দাও। [সূরা দুখান, ৪৪-৪৮ ]

৬। নিশ্চয় জাহান্নাম প্রতীক্ষায় থাকবে। সিমালঙ্ঘনকারীদের আশ্রয়স্থলরুপে। তারা তথায় শতাব্দীর পর শতাব্দীর অবস্থান করবে। তারা তথায় কোন শীতল এবং পানিও আস্বাদন করবে না, কিন্তু ফুটন্ত পানি এবং পূঁজ পাবে। [সূরা নাবা, ২১- ২৫ ]

- আর না জানি কত রকম ভাবে আল্লাহ তায়ালা শাস্তি দিবেন। সবাই আল্লাহর হুকুম মেনে চলুন। না হলে আমাদের কেউ জাহান্নামে যেতে হবে। হায় আল্লাহ, জাহান্নামের আগুন থেকে আপনি আমাদেরকে বাঁচান, আমিন....! ✅🥀

Address

Puran Bogra

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শান্তির ধর্ম ইসলাম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share