Islamic Jiggasha O Jobab

Islamic Jiggasha O Jobab (IJJ) জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামিক প্রশ্নের উত্তর পাবেন ইনশাআল্লাহ।

আসসালামু আলাইকুম।

(IJJ )একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক শিক্ষা, দাওয়াহ ও পূর্ণত মানবকল্যাণে নিবেদিত প্লাটফর্ম।
কুরআন ও সুন্নাহ ভিত্তিক জীবন ও সমাজ গঠন করা এবং বিশুদ্ধ ইলমের প্রচার ও বিস্তার (IJJ) অন্যতম লক্ষ্য।

বিঃদ্রঃ------
-------------------------------
আলাদা ভাবে কোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়না । পেজ এবং ইউটিউব চ্যানেলে যেসব প্রশ্ন উত্তর পাবলিশ করা হবে সেগুলোর বাহিরে পেজে মেসেজ করে অথবা কমেন্ট করে

কোনো প্রশ্ন জিজ্ঞেস না করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

কিন্তু পেজ/ইউটিউব চ্যানেল সম্পর্কিত কোনো প্রশ্ন থাকলে অথবা পরামর্শ, অভিযোগ থাকলে আমাদের পেজে মেসেজ করতে পারেন।
-------------------
--------------------

আমাদের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেল:
https://youtube.com/c/IslamicJiggashaOJobab

22/04/2026

কারো গোপন গুনাহ প্রকাশ পেয়েছে? তাকে পরিত্যাগ করুন। ব্যাস। তার গুনাহ নিয়ে অধিক আলোচনা সমালোচনা করলে নিজেদেরকে নিষ্পাপ মনে হতে পারে। অথচ সবারই গোপন গুনাহ আছে। আল্লাহ কারোটা প্রকাশ করেন, কাউকে কিছু সময় ছাড় দেন।
কারো গোপন গুনাহ প্রকাশ পেলে নিজেদের সংশোধন হওয়া উচিত। তওবাহ করা উচিত। আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা উচিত যে, এখন পর্যন্ত আল্লাহ আমাদের গুনাহ প্রকাশ করেন নি।

আমরা নিজের ভুলের চেয়ে অন্যের ভুল নিয়েই বেশি ব্যস্ত। কার কী ত্রুটি, কে কোথায় ভুল করছে– এসব নিয়ে বিচার করতে করতে আমরা নিজের হিসাবটাই ভুলে যাচ্ছি। অন্যকে সংশোধন করার জন্য আমরা যতটা ফিকির করি, নিজের সংশোধনের জন্য তার সামান্য অংশও আমরা ব্যয় করি না।

নিজেদের এই অবস্থাকে ভয় করুন। কারণ, এই অবস্থাই মানুষকে অহংকারী করে তুলে। এজন্য প্রতিদিন নিজের কাজগুলো পর্যালোচনা করুন– কোথায় ভুল হচ্ছে, কোথায় গাফেল হয়ে যাচ্ছেন। গোপনে তওবা করুন, আন্তরিকভাবে নিজেকে বদলান। কারণ সফল সেই ব্যক্তি– যে নিজের অন্তরকে পরিশুদ্ধ করতে পারে এবং আল্লাহর কাছে এক পরিচ্ছন্ন হৃদয় নিয়ে উপস্থিত হতে পারে!

@আহমদ যাকারিয়া পেজ থেকে সংগৃহীত।

23/02/2026

আপনার জীবনঘনিষ্ঠ কোনো শরয়ী প্রশ্ন বা পরামর্শ নিতে সরাসরি ফোনে যোগাযোগ করুন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের কল সেন্টারে।

যোগাযোগের নম্বর: 09610001089

20/02/2026

জেনে নিন, কি কি কারণে সাওম (রোজা) ভঙ্গ হয় এবং কিভাবে কাফফারা আদায় করতে হয়।~ আলোচক : শায়খ আহমাদুল্লাহ_Sheikh Ahmadullah

23/06/2025

রমাদান মাসে নফল আদায়ে ফরজের সমান সোয়াব আবার ফরজ আদায়ে ৭০টা ফরজের সমান সোয়াব হাদিসটা কি সহিহ?~আলোচক: শায়খ আহমাদুল্লাহ_Sheikh Ahmadullah

23/06/2025

বিশেষ পরিস্থিতিতে কেবলার দিকে ছাড়া অন্যদিকে হয়ে সলাত (নামাজ) পড়া যাবে কিনা? কেবলার দিকে ছাড়া অন্যদিকে হয়ে সলাত (নামাজ) পড়লে সলাত শুদ্ধ হবে কি?~আলোচক: শায়খ আহমাদুল্লাহ_Sheikh Ahmadullah

29/04/2025

পশ্চিমারা যে চোরাবালি থেকে ওঠার চেষ্টা করছে, আমরা সেই চোরাবালিতে ডোবার চেষ্টা করছি।

সম্প্রতি ডোনাল্ট ট্রাম্পের ছয় সন্তানের মাকে জাতীয় মেডেল দেয়ার ঘোষণায় বিষয়টি নতুন করে ভাবিত করল।

সন্তান মহান আল্লাহর তরফ থেকে পাওয়া সবচেয়ে হৃদয় শীতলকারী এক আশ্চর্য নেয়ামত। পশ্চিমারা এই নেয়ামতের পথ রুদ্ধ করে এখন তিল তিল করে মরছে। তাদের অর্থনীতি, জনশক্তি, মূল্যবোধ, জনসংখ্যার ভারসাম্য, এমনকি অস্তিত্ব মহাঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।

কৃত ভুল থেকে উত্তরণের জন্য তারা সন্তান জন্মে নানা রকম লোভনীয় প্রণোদনা দিচ্ছে। আর আমরা স্লোগান দিচ্ছি ঠিক তার উল্টোটা : দুটি সন্তানের বেশি নয়, একটি হলে ভালো হয়।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ জন্মহার বৃদ্ধির জন্য কী ধরনের প্রণোদনা দিচ্ছে, আসুন একটু দেখা যাক।

১. জাপান : জাপানের নাগি শহরে প্রথম সন্তানের জন্য ১ লাখ ২৫ হাজার ২৫৭ ইয়েন, দ্বিতীয় সন্তানের জন্য ১ লাখ ৯০ হাজার ২৩৭ ইয়েন, তৃতীয় ও চতুর্থ সন্তানের জন্য দেওয়া হয় ৫ লাখ ১ হাজার ৩১৫ ইয়েন।

২. রাশিয়া : রাশিয়ায় মাতৃত্ব ভাতা প্রোগ্রামের আওতায় প্রথম সন্তানের জন্য ৬৯০,০০০ রুবল (প্রায় ৮,২৯৫ মার্কিন ডলার) এবং দ্বিতীয় সন্তানের জন্য অতিরিক্ত ২২১,৮৯৫ রুবল (প্রায় ২,৬৬৮ মার্কিন ডলার) প্রদান করা হয়।

৩. জার্মানি : বর্তমান জার্মানিতে প্রণোদনা হিসেবে সন্তান প্রতি মাসিক ২৫০ ইউরো প্রদান করা হয়। ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত এটা চালু থাকে। আর সন্তান বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করলে ২৪ বছর বয়স পর্যন্ত এই প্রণোদনা দেয়া হয়।

৪. চিন : ১৯৭৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত চিন এক সন্তান নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিল। ২০১৬ সালে দুই সন্তান নীতি, ২০২১ সালে তিনটি সন্তান ধারণের অনুমতি দেয়। ২৬ জুলাই, ২০২১ জন্মগত সকল বিধিনিষেধ তারা প্রত্যাহার করে নেয়।

৫. দক্ষিণ কোরিয়া : জন্মহার বাড়াতে ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে ৬.৭ ট্রিলিয়ন ওন আর্থিক প্রণোদনা দেয়ার ঘোষাণা দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল সিটি গভর্নমেন্ট।

৬. ফ্রান্স : ফ্রান্সে কোনো নারী গর্ভবতী হলে সন্তান জন্মের আগেই ১ হাজার ইউরো দেয়া হয়। প্রথম সন্তানের জন্য মাসিক ১৯৩ ইউরো, এভাবে তিন সন্তান জন্ম নিলে প্রত্যেকের জন্য ১৯৩ ইউরো এবং মাকে দেওয়া হয় মাসে ১৪০০ ইউরো। সন্তানের আঠারো বছর বয়স পর্যন্ত এটা চালু থাকে।

৭. যুক্তরাষ্ট্র : সম্প্রতি ডোনাল্ট ট্রাম্প ছয় বা তার বেশি সন্তানের মায়েদের জন্য জাতীয় মেডেলের ঘোষণা দিয়েছেন। এছাড়া প্রত্যেক নতুন মায়ের জন্য এককালীন ৫ হাজার ডলার অর্থ সহায়তার প্রস্তাব রেখেছেন তিনি।

এভাবে ইতালি, পোল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, ডেনমার্ক, রোমানিয়া সহ আরো অনেক দেশের উদাহরণ টানা যাবে, যেসব দেশের সরকার জন্মহার বৃদ্ধির জন্য মরিয়া হয়ে লড়ছে। কিন্তু জনগণ সরকারের লোভনীয় অফারে কর্ণপাত করছে না। ফলে জন্মহারও বৃদ্ধি পাচ্ছে না।

এমনকি জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য অনেক দেশ বাইরে থেকে রিফিউজি এনে বসবাসের ব্যবস্থা করছে।

সমতার নামে পুরুষের সাথে নারীকে উপার্জনে বাধ্য করা, স্বেচ্ছাচারিতা, বিবাহবহির্ভূত অবাধ যৌনাচার, দুর্লভ বৈবাহিক সম্পর্ক এবং ভঙ্গুর পরিবার ব্যবস্থা জন্মহার কমার প্রধান কারণ।

পরিবারের যে সোনালি সিঁড়ি বেয়ে একটি শিশু পৃথিবীর মুখ দেখবে, সেই পরিবারই যদি না থাকে, তবে লাখ টাকার পুরস্কার কীভাবে জন্মহার বৃদ্ধি করবে!

কথিত সভ্য পৃথিবীর জন্য এ এক অভিশাপ। দুঃখের বিষয় হলো, পশ্চিমারা যে অভিশাপ থেকে বেঁচে ফেরার চেষ্টা করছে, আমরা সেই অভিশপ্ত জীবনের পথে হাঁটতে শুরু করেছি।

দিনকে দিন আমাদের সমাজে বিবাহকে কঠিন আর ব্যভিচারকে সহজ করা হচ্ছে। আর এটা ধ্রুব সত্য যে, কোনো জনপদে বিবাহের পথ কঠিন হলে সেখানকার জন্মহার কমে যায়। আমাদের সমাজেও এর মরণছোঁয়া লাগতে শুরু করেছে।

শত অপ্রাপ্তির মাঝেও আমাদের মজবুত পারিবারিক বন্ধন পৃথিবীর বুকে উজ্জ্বল ব্যতিক্রম এবং দুর্দান্ত দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। কিন্তু প্রগতি ও নারীমুক্তির ‘মোহনীয়’ বিভ্রমে সেই সোনালি ঐতিহ্য আজ আমরা হারাতে বসেছি।

পতঙ্গের যখন মৃত্যু ঘনিয়ে আসে, তারা ভয়ংকর আগুনকে ভাবে পূর্ণিমার চাঁদ। চাঁদ ভেবে তারা আগুনের ভেতর আত্মাহুতি দেয়।

এদেশের এক শ্রেণির মানুষ পশ্চিমাদের নষ্ট কৃষ্টিকে চাঁদের আলো ভেবে ভুল করছে। আদতে তা এক ভয়ংকর আগুন। আলো ভেবে সেই ভয়ংকর আগুনকে আমরা যত কাছে টানছি, পতঙ্গের মতো মৃত্যু আমাদের তত নিকটবর্তী হচ্ছে।

এভাবে চলতে থাকলে সেই ভয়ংকর আগুনে একদিন আমরা পুরোপুরি ভস্ম হয়ে যাব। শত আফসোস করেও সেদিন উত্তরণের পথ খুঁজে পাওয়া যাবে না।

Ahmadullah পেজ থেকে সংগৃহীত।

29/04/2025

পীরের হাতে বায়াত না হলে জান্নাতে যাওয়া যাবেনা এই কথাটা কতটুকু সঠিক? পীর ধরা কি ফরজ?

আলোচনা করেছেন Dr. Khandaker Abdullah Jahangir Rh.
আলোচনা পুরোটা শুনুন

24/12/2024

মহিলারা বাড়িতে ঈদের নামাজ পড়তে পারবে কি?
আলোচক: শায়খ আহমাদুল্লাহ।

09/12/2024

মৃত ব্যক্তিকে গোসল করিয়ে টাকা নেওয়া যাবে কি?~আলোচক: শায়খ আহমাদুল্লাহ_Sheikh Ahmadullah

13/10/2024

হাকীমুল উম্মত হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ. বলেন, আমি তোমাদেরকে মধুর ও শান্তিপূর্ণ জীবনের একটি ব্যবস্থা বলে দিচ্ছি। তোমরা এটি অবলম্বন করলে ইনশাআল্লাহ জীবনে কখনো কারও সম্পর্কে মনে কোনো অভিযোগ আসবে না। তা হলো, মনে এই বিশ্বাস বদ্ধমূল করে ফেলবে যে, এই দুনিয়া খুবই খারাপ জিনিস। এর প্রকৃতিই কষ্ট দেওয়া। কাজেই কোনো মানুষ বা জীবজন্তুর পক্ষ হতে কখনো কষ্ট পেলে তা অস্বাভাবিক কিছু নয়, যেহেতু কষ্টদানই দুনিয়ার প্রকৃতি। বরং কারও পক্ষ হতে কখনো কোনো উপকার লাভ হলে তাতেই বিস্ময়বোধ করা উচিত, যেহেতু তা দুনিয়ার প্রকৃতিবিরুদ্ধ। আর সে জন্য তোমার কর্তব্য কৃতজ্ঞতা জানানো।

[বড়দের নির্বাচিত বাণী, পৃষ্ঠা ৬৩]

@আকাবির কথন পেজ থেকে সংগৃহীত।

Address

Puran Bogra

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Jiggasha O Jobab posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share