আল হাদীস

আল হাদীস রাসুল (সঃ) এর নবুয়াতী জীবনের সকল কথা, কাজ এবং অনুমোদনকে হাদীস বলে।

17/01/2026
আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম ওয়াবারিক আলাইহি।
09/01/2026

আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম ওয়াবারিক আলাইহি।

05/12/2025

সবাইকে উপদেশ দিতে যেও না। শুধু তাদের উপদেশ দাও, যারা তা শুনবে এবং মনে রাখবে। মনে রেখো, কিছু কাপড় এত জীর্ণ হয়ে যায় যে, তা আর কখনো সেলাই করা যায় না - অর্থাৎ কিছু মানুষ উপদেশ পাওয়ার যোগ্যই নয়।"

25/11/2025

সাম্প্রতিক সময়ে কিছু তথাকথিত “বাউল শিল্পী” বা “বাউল পরিচয়ধারী ব্যক্তি” যেভাবে আল্লাহ এবং তাঁর কুরআন সম্পর্কে বেপরোয়া, বাজে এবং অবমাননাকর মন্তব্য করছে—তা কোনোভাবেই শিল্প, মতপ্রকাশ বা স্বাধীনতার নাম হতে পারে না।
এটি স্পষ্টভাবে ধর্মীয় মূল্যবোধে আঘাত এবং মুসলিম সমাজের বিশ্বাসকে অপমান করা।
ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করা কখনোই সহ্য করা হবে না, এবং এতে যে সামাজিক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে তা সম্পূর্ণ ন্যায্য।
এই দেশ ধর্মপ্রাণ মানুষের দেশ; এখানে কেউ ধর্মকে নিয়ে ব্যঙ্গ করবে—এমন দুঃসাহস বরদাশতযোগ্য নয়।

📖 কুরআনের ভাষায় সতর্কতাঃ

“যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে কষ্ট দেয়—আল্লাহ তাদের ওপর অভিসম্পাত করেছেন দুনিয়া ও আখিরাতে, এবং তাদের জন্য প্রস্তুত রয়েছে লাঞ্ছনাকর শাস্তি।”
— সূরা আল-আহযাব ৩৩:৫৭

এই আয়াত পরিষ্কার জানিয়ে দিচ্ছে—আল্লাহর দ্বীন নিয়ে বিদ্রূপ করা কোনো “মজা” নয়, বরং এক ভয়াবহ অপরাধ।

📚 হাদীসের কড়া নির্দেশঃ
রাসূল ﷺ বলেছেন:
“মানুষ তার জিহ্বার কথার কারণেই জাহান্নামের গভীরে নিক্ষিপ্ত হয়।” — সহিহ বুখারি

👉 অর্থাৎ মুখের কথার হিসাব আল্লাহর কাছে কঠিন।

🔥 চূড়ান্ত স্পষ্ট বক্তব্যঃ

যারা বাউল পরিচয় নিয়ে গান করবে করুক
কিন্তু ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করার কোনো অধিকার তাদের নেই।
এটা স্বাধীনতা নয় এটা নোংরামি, অবমাননা এবং সমাজে বিভ্রান্তি ছড়ানোর ঘৃণ্য প্রচেষ্টা।
বাংলাদেশের মানুষের বিশ্বাসের ভিত্তিকে আঘাত করলে সেটার কড়া সামাজিক জবাব হবেই, এবং আইনগত জবাবও প্রত্যাশিত।

⚠️আমরা দাবি করছি-
ধর্ম অবমাননার যে বিষাক্ত প্রবণতা দেখানো হচ্ছে, সেটিকে
আইনের আওতায় আনো
দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নাও
ধর্ম ও কুরআনের মর্যাদা রক্ষা করো।

⛔এই বেপরোয়া মন্তব্যকারীদের পরিষ্কার বার্তাঃ
👉 বাউল গিরি করো, করুক শিল্প
👉 কিন্তু ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করো না
👉 এটা কেউ বরদাশত করবে না, কোনো সময়েই না

#হ্যাশট্যাগ
#ধর্মঅবমাননা_বন্ধ
#কুরআনের_মর্যাদা
#বিশ্বাসের_সম্মান
#বাংলাদেশ_ধর্মপ্রাণ
#বাউলগিরি_নিজস্ব_সীমায়
#ধর্মের_সম্মান_রক্ষা

14/11/2025

🌙✨ জুমার বরকতময় দিন
— এক সপ্তাহের আত্মশুদ্ধির সেরা সুযোগ —

🕌 জুমার নামাজের গুরুত্বঃ

জুমা মুসলমানদের সাপ্তাহিক ঈদ।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন —
“জুমার দিনই হলো সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন।”

🌿 জুমার দিনে যেগুলো করা উত্তমঃ

✔ গোসল করা
✔ সুন্দর ও পরিষ্কার কাপড় পরা
✔ সুগন্ধি ব্যবহার করা
✔ সময়মতো মসজিদে যাওয়া
✔ খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনা

📖 আজকে ভুলবেন নাঃ

★সূরা কাহফ পড়া
★বেশি বেশি দরুদ পড়া
★দোয়া করা
★তওবার মাধ্যমে হৃদয় পবিত্র করা

🤲 দোয়াঃ
“হে আল্লাহ, আমাদের জুমার দিনকে বরকতময় করে দিন, গোনাহ মাফ করে দিন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করুন।”
🕌 জুমা মুবারক! 🌙

🌹✨আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ✨🌹আজ আমরা উদযাপন করছি বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মদিন,...
05/09/2025

🌹✨আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ✨🌹

আজ আমরা উদযাপন করছি বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মদিন, যিনি মানবজাতির জন্য আলোর দূত। তাঁর জীবন, শিক্ষা ও চরিত্রে প্রতিফলিত হয়েছে সত্য, ন্যায়, দয়া ও করুণার চূড়ান্ত আদর্শ।
হযরত মুহাম্মদ (সা.) আমাদের শিখিয়েছেন কিভাবে আল্লাহর পথে চলতে হয়, কিভাবে মানবতার প্রতি সদয় হবেন, কিভাবে ন্যায়পরায়ণ ও সহিষ্ণু হতে হয়, তাঁর প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা হলো আমাদের ঈমানের প্রকাশ।

এই পবিত্র দিনে আসুন, আমরা নবীর আদর্শকে হৃদয়ে ধারণ করি, তাঁর শিক্ষা অনুযায়ী সমাজে শান্তি, ভ্রাতৃত্ব ও সহমর্মিতা ছড়াই।

🌙 নবীর শান আমাদের জীবনকে আলোকিত করুক এবং আমাদের চরিত্রকে উৎকৃষ্ট করে তুলুক।
🤲 শান্তি, দয়া ও মানবিক মূল্যবোধ সর্বদা আমাদের সঙ্গে থাকুক।

27/06/2025

🌿 আত্মিক ও পারিবারিক জীবনের জন্য উপদেশঃ

1. পাঁচ ওয়াক্ত সালাত কোন অবস্থাতেই ছেড়ো না — এটা তোমার জীবন ও মৃত্যুর সবচেয়ে বড় সফলতার চাবিকাঠি।
2. মায়ের দোয়া নাও — তোমার জীবনের উন্নতি, রিজিক, ও নিরাপত্তার জন্য মায়ের দোয়া আকাশ ভেদ করে পৌঁছে যায়।
3. পরিবারের দায়িত্ব নিঃস্বার্থভাবে নাও — এটা শুধু দায়িত্ব নয়, ইবাদতও বটে।
4. রাগ কমাও, ক্ষমা করতে শিখো — শক্তিশালী সেই, যে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
5. হার মানা নয়, ধৈর্য ধরো — বিপদে পড়ে ভেঙে পড়ো না, ধৈর্যই বিজয়ের শুরু।

📈 জীবিকা ও ভবিষ্যতের জন্য উপদেশঃ

1. হালাল রিজিকের চেষ্টা করো — হারাম আয় কখনো স্থায়ী সুখ দিতে পারে না।
2. চালাকিতে নয়, সততায় ব্যবসা করো — আল্লাহ বরকত দেবেন।
3. অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বাড়াও — আজকের শেখা কাল জীবনের দরজা খুলে দিতে পারে।
4. ঋণ থেকে দূরে থাকো যতটা পারো — ঋণ মুক্ত জীবনই সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ জীবন।
5. অর্থের দাস হয়ো না, প্রয়োজনের মালিক হও — চাহিদা কমিয়ে দিলে অভাব নিজে থেকেই কমে যায়।

🧠 মানসিক ও আত্ম উন্নয়নের জন্য উপদেশঃ

1. নিন্দা ও প্রশংসা দুটোতেই ভাসো না — নিজের বিবেক ও আল্লাহর সন্তুষ্টি দেখো।
2. প্রতিদিন নিজেকে জিজ্ঞেস করো, আমি আজ কী ভালো কাজ করলাম?
3. দুনিয়ার জন্য এমনভাবে কাজ করো যেন তুমি চিরকাল বাঁচবে, আর আখিরাতের জন্য এমনভাবে কাজ করো যেন কালই মারা যাবে।
4. নিজের ভুল স্বীকার করতে শিখো, এটা তোমাকে ছোট না, বড় করে।
5. ভালো মানুষ হতে চাও, তাহলে আগে একজন ভালো শ্রোতা হও।

💡 সংক্ষিপ্ত ৫টি অনুপ্রেরণামূলক বাক্যঃ

*আল্লাহ যখন দেরি করেন, তখন তা তোমার জন্য ভালো কিছু প্রস্তুত করেন।
*ভালোবাসা নয়, বিশ্বাসই সম্পর্কের ভিত্তি।
*তুমি বদলাবে, সময় বদলাবে, তবে নীতিবোধ কখনো বদলাবে না।
*যার ভেতরে আল্লাহর ভয় আছে, তার সামনে দুনিয়া ভয় পায়।
*হাল ছেড়ো না, হয়ত আজ নয় — কিন্তু কাল তোমার দিন হবে।

27/06/2025

জান্নাত যাওয়ার সহজ মাধ্যমগুলো
জেনে নিনঃ
১- প্রত্যেক ওযুর পর কালেমা
শাহাদত পাঠ করুণ(আশ্হাদু আল্লা-
ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা-
শারীকা লাহূ ওয়া আশহাদু আন্না
মুহাম্মাদান ‘আব্দুহূ ওয়া রাসূলুহূ)
এতে জান্নাতের ৮টি দরজার যে
কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে
পারবেন।(মুসলিম-২৩৪)
২- প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে
আয়াতুল কুরসি পাঠ করুণ এতে
মৃত্যুর সাথে সাথে জান্নাতে যেতে
পারবেন।(সহিহ নাসাই, সিলসিলাহ
সহিহাহ-৯৭২)
৩- প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে ৩৩
বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার
আলহামদুলিল্লাহ্, ৩৩ বার আল্লাহু
আকবার এবং ১ বার (লা ইলা-হা
ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা
লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু
ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর)
পাঠ করুণ এতে আপনার অতীতের সব
পাপ ক্ষমা হয়ে যাবে।(মুসলিম-১২
২৮) সেই সাথে জাহান্নাম থেকেও
মুক্তি পেয়ে যাবেন কেননা দিনে ৩৬০
বার এই তাসবিহগুলো পড়লেই
জাহান্নাম থেকে মুক্ত রাখা হয় আর
এভাবে ৫ ওয়াক্তে ৫০০ বার পড়া
হচ্ছে।(মুসলিম, মিশকাত-১৮০৩)
৪- প্রতিরাতে সূরা মুলক পাঠ করুণ
এতে কবরের শাস্তি থেকে মুক্তি
পেয়ে যাবেন।(সহিহ নাসাই, সহিহ
তারগিব, হাকিম-৩৮৩৯, সিলসিলাহ
সহিহাহ-১১৪০)
৫- রাসুল (সাঃ)-এর উপর সকালে ১০
বার ও সন্ধ্যায় ১০ বার দরুদ পড়ুন
এতে আপনি নিশ্চিত রাসুল (সাঃ)-এর
সুপারিশ পাবেন।(তবরানি, সহিহ
তারগিব-৬৫৬)
৬- সকালে ১০০ বার ও বিকালে ১০০
বার সুবহানাল্লাহিল আজিম ওয়া
বিহামদিহি পরলে সৃষ্টিকুলের সমস্ত
মানুষ থেকে বেশী মর্যাদা দেওয়া
হবে। (সহিহ আবু দাউদ-৫০৯১)
৭- সকালে ১০০ বার ও সন্ধ্যায় ১০০
বার সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি
পাঠ করলে কিয়ামতের দিন তার চেয়ে
বেশী সওয়াব আর কারো হবে না।
(মুসলিম-২৬৯২)
৮- সকালে ও বিকালে ১০০ বার
সুবহানাল্লাহ, ১০০ বার
আলহামদুলিল্লাহ্, ১০০ বার আল্লাহু
আকবার এবং ১০০ বার লা ইলা-হা
ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা
লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু
ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর
পাঠ করলে অগণিত সওয়াব হবে
(নাসাই,সহিহ তারগিব-৬৫১)
৯- বাজারে প্রবেশ করে- (লা ইলা-হা
ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা
লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু
য়্যুহয়ী ওয়া য়্যুমীতু ওয়া হুয়া হাইয়ুল
লা য়্যামূত, বিয়াদিহিল খাইরু ওয়াহুয়া
‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর)পাঠ
করুণ এতে ১০ লক্ষ পুণ্য হবে, ১০
লক্ষ পাপ মোচন হবে, ১০ লক্ষ
মর্যাদা বৃদ্ধি হবে এবং জান্নাতে
আপনার জন্য ১ টি গৃহ নির্মাণ করা
হবে। (তিরমিজি-৩৪২৮,৩৪২৯ শাইখ
আলবানী হাদিসটিকে হাসান সহিহ
বলেছেন)
১০- বাড়িতে সালাম দিয়ে প্রবেশ
করুণ এতে আল্লাহ তা’লা নিজ
জিম্মাদারিতে আপনাকে জান্নাতে
প্রবেশ করাবেন। (ইবনু হিব্বান-৪৯৯,
সহিহ তারগিব-৩১৬)
১১- জামাতে ইমামের প্রথম
তাকবীরের সাথে ৪০ দিন সলাত
আদায় করুন এতে আপনি নিশ্চিত
জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন।
(তিরমিজি, সিলসিলাহ সহিহাহ-৭৪৭,
সহিহ তারগিব-৪০৪)
১২- প্রতিমাসের আয়ের একটা অংশ
এতিমখানা বা মসজিদ মাদ্রাসা বা
গরিব-দুখি, বিধবা ও দুস্থদের মাঝে
দান করবেন হোক সেটা অতি অল্প
এতে আপনি আল্লাহ তা’লার কাছে
জিহাদকারির সমতুল্য হবেন।
(বুখারি-৬০০৭)
১৩- মহিলারা ৪টি কাজ করবেন, ১- ৫
ওয়াক্ত সলাত ২- রমজানের সিয়াম,
৩- লযযাস্থানের হেফাজত, ৪-
স্বামীর আনুগত্য করুণ এতে
জান্নাতের যে কোন দরজা দিয়ে
প্রবেশ করতে পারবেন। (সহিহ ইবনু
হিব্বান-৪১৬৩)
১৪- মসজিদে ফজরের সলাত আদায়
করে বসে দোয়া জিকির পাঠ করুণ
এবং সূর্য উঠে গেলে ২ রাকাত
চাস্তের সলাত আদায় করুণ এতে
প্রতিদিন নিশ্চিত কবুল ১ টি হজ্জ
ও উমরার সওয়াব পাবেন।(তিরমিজি,
তারগিব-৪৬১)

05/06/2025

আসসালামু আলাইকুম, প্রিয় ভাই ও বোনেরা।
জিলহজ মাসের বরকতময় দিনগুলোতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো "তাশরীকের তাকবীর" পাঠ করা। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে এই বরকতময় আমলগুলো আদায় করার তাওফিক দিন। 🤲

🔹 তাশরীকের তাকবীর (আরবি):
اللّٰهُ أَكْبَرُ، اللّٰهُ أَكْبَرُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ، وَاللّٰهُ أَكْبَرُ، اللّٰهُ أَكْبَرُ، وَلِلّٰهِ الْحَمْدُ
🔸 বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হাম্দ।
🔸 অর্থ:
আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান। আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহরই।
📌 পাঠের সময়:
⏱ ৯ জিলহজ ফজর থেকে ১৩ জিলহজ আসর পর্যন্ত
🕌 প্রতিটি ফরজ নামাজের পর একবার করে
👳‍♂️ পুরুষ: উঁচু আওয়াজে
🧕 মহিলা: নিচু আওয়াজে

🌟 এই তাকবীর শুধু মুখের কথা নয়, এটা এক ইবাদত। আমাদের অন্তর থেকেও যেন এই তাকবীর বের হয়—আল্লাহর মহত্বে পরিপূর্ণ।

📣 আসুন, আমরা নিজেরা আমল করি এবং পরিবার-পরিজন, বন্ধুবান্ধব সবাইকে এই গুরুত্বপূর্ণ আমলটির কথা স্মরণ করিয়ে দিই।

🔁 শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন এই সুন্নাহর বার্তা!

#তাশরীক_তাকবীর #জিলহজ #ইবাদত #আল্লাহু_আকবার #ইসলামিক_পোস্ট

03/06/2025

জাবির রাঃ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে হজ্জের ইহরাম বেঁধে রওনা হলাম। অতঃপর তিনি উট ও গরুতে আমাদের মধ্যে সাতজন করে শরীক হবার (ও কুরবানী করার) নির্দেশ দিলেন।
সহীহ মুসলিম, হাদীস নং-১৩১৮, ৩০৪৯

31/05/2025

সকল উত্তর একসাথে।
🔹 কুরবানির সংজ্ঞা
কুরবানি শব্দটি আরবি “قربان” (কুরবান) থেকে এসেছে, যার অর্থ নিকটবর্তী হওয়া। ইসলামী শরীয়তের পরিভাষায়, কুরবানি হল নির্দিষ্ট দিনে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট পশু জবাই করা।

🔹 কুরবানির হুকুম বিধানঃ
1. হানাফি ফিক্বহ অনুযায়ী: কুরবানি ওয়াজিব শুধু সেই মুসলমানের জন্য যিনি:
*প্রাপ্তবয়স্ক (বালেগ)
*মুকীম (মুসাফির নয়)
*আর্থিকভাবে সামর্থ্যবান (নিজ প্রয়োজনের অতিরিক্ত নিসাব পরিমাণ সম্পদ যার আছে)
2. অন্য ফিক্বহ অনুযায়ী (মালিকি, শাফেঈ, হাম্বলি): কুরবানি সুন্নাতে মুয়াক্কাদা — নিয়মিত পালনযোগ্য সুন্নত।

🔹 কুরবানির সময়ঃ
শুরু: ঈদুল আযহার নামাজের পর থেকে শুরু হয়।
শেষ: ১২ জিলহজ সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত।

🔹 কোন কোন পশু কুরবানি করা যায়ঃ
গরু/ষাঁড় – ২ বছর পূর্ণ হতে হবে।
ছাগল/ভেড়া – ১ বছর পূর্ণ হতে হবে। তবে যদি ৬ মাস বয়সী ভেড়া হৃষ্টপুষ্ট হয় এবং ১ বছরের মতো দেখায়, তবে বৈধ।
উট – ৫ বছর পূর্ণ হতে হবে।
👉 গরু ও উটে ৭ জন পর্যন্ত শরিক হতে পারে।
👉 ছাগল ও ভেড়া এক ব্যক্তির পক্ষ থেকে কুরবানি করা যায়।

🔹 কুরবানির পশুর শর্তঃ
*নির্দিষ্ট বয়সের হতে হবে।
*সুস্থ ও নির্দোষ হতে হবে। যেমন:
*অন্ধ নয়
*খুবই দুর্বল না হয়
*ল্যাংড়া না হয়
*কান-কাঁটা, শিং ভাঙা গুরুতর হলে চলবে না।

🔹 কুরবানির মাংস বণ্টনঃ
কুরবানির মাংস ৩ ভাগে ভাগ করা উত্তম:
1. এক ভাগ নিজের জন্য
2. এক ভাগ আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের জন্য
3. এক ভাগ গরিবদের জন্য
🔸 তবে সব নিজের রাখলেও জায়েজ। সব দান করে দিলেও জায়েজ।

🔹 কুরবানির নিয়তঃ
কুরবানির জন্য আলাদা কোনো মুখে পড়ার নিয়ত জরুরি নয়। মনে মনে ইচ্ছা থাকলেই যথেষ্ট। তবে নিয়াৎ করে বলা সুন্নত:

> نَوَيْتُ أَنْ أُضَحِّيَ لِلَّهِ تَعَالَى
অর্থ: আমি আল্লাহর জন্য কুরবানি করার নিয়ত করছি।

🔹 কুরবানির আগে করণীয়ঃ
কুরবানির ইচ্ছা করলে ১ জিলহজ থেকে নখ, চুল, দাড়ি না কাটাই উত্তম (সুন্নত) — কুরবানি করা পর্যন্ত।
কুরবানির পশুর যত্ন নেয়া, খাওয়ানো-পান করানো।

🔹 নারীর কুরবানিঃ
যদি কোনো মহিলা নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হন, তবে তার ওপরও কুরবানি ওয়াজিব।
👉 নিজে কুরবানি দিতে পারেন, অথবা কাউকে দায়িত্ব দিতে পারেন।

🔹 কুরবানি না করলে গুনাহ হবে কিনাঃ
হানাফি ফিকহি মতে, যার ওপর কুরবানি ওয়াজিব — সে ইচ্ছাকৃতভাবে না করলে গুনাহগার হবে।
কাফফারা হিসেবে একটি মধ্যম মানের পশুর মূল্য সদকা করা উত্তম।

🔹 বিকল্প: কুরবানির টাকা দান করা যাবে কিনাঃ
উত্তরঃ না।
আল্লাহর কাছে কুরবানির রক্তই প্রিয়। তাই কুরবানির টাকা গরীবকে দিয়ে দিলে সেটি কুরবানির বিকল্প নয়।

🔹 মৃত ব্যক্তির পক্ষে কুরবানিঃ
জীবিত ব্যক্তির পক্ষ থেকে কুরবানি ওয়াজিব।
মৃত বাবা-মা বা আত্মীয়ের নামে সওয়াবের নিয়তে কুরবানি করা যায় (নফল কুরবানি)।

🔹 কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুন্নতঃ
ঈদের দিন কিছু না খেয়ে নামাজে যাওয়া।
নামাজ শেষে "আল্লাহু আকবর..." বলে জবাই করা।
নিজ হাতে জবাই করা বা সামনে দাঁড়িয়ে থাকা।

🔹 তাকবিরে তাশরীকঃ
ফরজ নামাজের পর ৯-১৩ জিলহজ পর্যন্ত “তাকবির” বলা ওয়াজিব:
اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ

➡️যদি সংক্ষেপে বলতে চাই:
*সামর্থ্যবান মুসলমানের জন্য কুরবানি ওয়াজিব।
*নির্দিষ্ট বয়স ও সুস্থ পশু জবাই করতে হবে।
*ঈদের নামাজের পর থেকে ১২ জিলহজ পর্যন্ত কুরবানি করা যাবে।
*কুরবানির মাংস ৩ ভাগে বণ্টন করা উত্তম।
লেখনীতেঃ Wali Mahmud

29/05/2025

পথভ্রষ্টতার কিছু লক্ষণ হলো—
যখন তুমি আজান শুনো কিন্তু সাড়া দাও না,
ফজরের নামাজ কাজা হয়ে যায়, তবু তুমি তা নিয়ে চিন্তিত হও না,
তুমি কুরআন থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও, তবু ভয় পাও না,
তোমার থেকে কল্যাণ দূরে সরিয়ে নেওয়া হয়, তবুও তুমি গুরুত্ব দাও না,
তুমি সৎ সঙ্গ হারাও, তবুও তার অভাব অনুভব করো না,
তুমি পাপ করো, কিন্তু দুঃখ পাও না,
আর তোমার কোনো কুরআন তিলাওয়াত বা তাসবীহর নিয়মিত আমল না থাকে, তবুও তুমি একাকীত্ব অনুভব করো না।

তাই হে আল্লাহ! আমাদেরকে অটলতা দান করো, কারণ হৃদয়সমূহ তো তোমার হাতেই রয়েছে।

Address

Post Office Road
Pirojpur
8500

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 20:00
Wednesday 09:00 - 20:00
Thursday 09:00 - 20:00
Friday 09:00 - 11:00
Saturday 09:00 - 20:00
Sunday 09:00 - 20:00

Telephone

+8801911665514

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আল হাদীস posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to আল হাদীস:

Share