Sonaton Bondhu sova patkelghata

Sonaton Bondhu sova patkelghata sonaton bondhu sova patkelghata will help all refused people

15/01/2015

হাসি সবসময় যে সুখের প্রকাশ
তা নয়,
আপনি কতটা দু:খ লুকাতে পারেন
তাও বুঝায়।
----------হুমায়ূন আহমেদ

13/01/2015

যে তোমাকে সত্যিকার অর্থেই ভালোবাসে,
সে কখনো তোমাকে দূরে সরে যেতে দেবে না,
পরিস্থিতি যাই হোক না কেন।

27/11/2014

সারাজীবন ভালো হয়ে
থাকো,আর একটা দিন
খারাপ হয়ে চলো !!!
লোকে তোমার ঐ খারাপ
দিনটার কথাই মনে রাখবে ।
আবার অনেকের কাছে এই ভালো হয়ে থাকাটা লুল,ঢঙ,বোকামি etc মনে হয় ॥
বড় অদ্ভুত এই মানুষগুলা
তার চেয়ে তাদের অদ্ভুত তাদের
মন মানসিকতার..

21/11/2014

যেসব মেয়েরা সামান্য কিছু টাকার বিনিময়ে দেহ বিক্রি করে সমাজ
তাঁদের বলে পতিতা ।
অপরদিকে,
যেসব মেয়েরা হাজার টাকার বিনিময়ে লুকিয়ে দেহ বিক্রি করে সমাজ তাদের বলে সোসাইটি গার্ল । যারা আর একটু বেশী দামে দেহ
বিক্রি করে সমাজ তাদের বলে পার্টি গার্ল । আর সবচেয়ে ভয়াবহ হচ্ছে তথাকথিত শিক্ষিত মেয়েরা যখন রাস্তা দিয়ে দেহ দেখিয়ে- দেখিয়ে হাঁটে TSC,NSU, KFC, ধানমণ্ডি লেকে বয়ফ্রেন্ডের কোলে বসে আড্ডা দেয়,
মাঝে মাঝে ** খায়, কিস খায় এবং মাঝে মাঝে সেই বয়ফ্রেন্ডের সাথে লিটনের ফ্ল্যাটে যায়, পয়লা বৈশাখে লাল- সাদা শাড়ী পড়ে হাজারটা ছেলের
সাথে ডলাডলি করে, পান্তা খায়, আর রিক্সায় হুড তুলে দিয়ে ** , আবার
বলে আমরা শুধুই ফ্রেন্ড !
সমাজ তখন তাঁদের বলে আধুনিক মেয়ে ! তাদের নিয়ে কথিত (!) দৈনিক
পত্রিকায় লেখা হয় "দেশে নারীরা সমান অধিকার পাচ্ছে" ।
হাজার-হাজার মেয়েরা বছরে বছরে জিপিএ ৫ পাচ্ছে, আবার পরিমলের
সাথে শুটিং (!) করতে পারছে । যারা আরও বেশী দামে দেহ বিক্রি করে সমাজ তাদের বলে মডেল গার্ল বা অভিনেত্রী (সব মডেল বা অভিনেত্রীকে বলছি না) । সমাজের অনেকের চোখে এরা আবার ড্রিমগার্ল ! তাদের আবার ভিডিও বের হয় ।
কিন্তু তারপরও তারা সমাজে সকলের নিকট সম্মানপ্রাপ্ত । অথচ দেহ
ব্যবসায় যারা শুধুমাত্র পেটের দায় করে বা জোরপূর্বক তাদের করানো হয়,
তারাই বেশ্যা বলে আখ্যায়িত ।
কিন্তু
কেন ?
তাঁদের এত টাকা-পয়সা, পাওয়ার নেই বলে ?
থুতু মারি চুশীলদের এই দ্বৈত নীতিকে ।
যারা পেটের দায়ে এই ঘৃণ্য কাজটি করে তাঁদেরকে আমি পতিতা বলি
না, আমি পতিতা বলি তাদেরকে যারা অর্থ বা কাজের লোভে পর পুরুষের
সামনে বিবস্ত্র হতে দ্বিতীয় বার ভাবে না ।

30/10/2014

প্রচ্ছদ » বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
আমি জানি, আমি চিরকাল থাকব : স্টিফেন হকিং
মনিরুল হক ফিরোজ : রাইজিংবিডি ডট কম
Published: 29 Oct 2014 04:33:22 PM Wednesday || Updated: 29 Oct 2014 05:19:36 PM Wednesday
স্টিফেন হকিং
স্টিফেন হকিং

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ডেস্ক : পদার্থবিজ্ঞানের জগতে জীবন্ত কিংবদন্তি হিসেবে পরিচিত স্টিফেন হকিং। সব শারীরিক বাধা উপেক্ষা করে শুধু মস্তিষ্ক ব্যবহার করেই বৈজ্ঞানিক চিন্তাভাবনা করে যাচ্ছেন স্টিফেন হকিং।

প্রখ্যাত এই বিজ্ঞানী সম্প্রতি ফেসবুক ব্যবহার শুরু করেছেন। তবে ফেসবুকে নিজের প্রথম পোস্টটি সম্প্রতি মুছে দিয়েছেন তিনি।



স্টিফেন হকিং ফেসবুকে প্রথম পোস্ট হিসেবে ভক্তদের উদ্দেশে লিখেছিলেন, ‘আমি সব সময় বিস্মিত হয়েছি, কী মহাবিশ্বকে জীবিত রাখছে। সময় এবং শূন্য সম্ভবত চিরকাল রহস্য থাকবে, কিন্তু এটা আমার চলার পথ বন্ধ করে নাই। একজনের সঙ্গে অন্যের সংযোগ নিরবধি বেড়েছে এবং এখন যেটা, সেটা হচ্ছে আমার একটা সুযোগ আছে, এই ভ্রমণ তোমাদের সঙ্গে আমি শেয়ার করতে উৎসুক। জানতে আগ্রহী হও, আমি জানি, আমি চিরকাল থাকব।’

কিন্তু কী কারণে তিনি ফেসবুকে প্রথম পোস্টটি মুছে দিয়েছেন, তা অবশ্য জানা যায়নি। বর্তমানে ১৯ লাখের বেশি মানুষ স্টিফেন হকিংয়ের ফেসবুক পেজটিতে লাইক দিয়েছেন। জীবনে বহু পুরস্কার পেলেও নোবেল পুরস্কারটা এখনো প্রখ্যাত এই বিজ্ঞানীর অধরাই থেকে গেছে।



স্টিফেন হকিংয়ের ফেসবুক পেজের ঠিকানা : www.facebook.com/stephenhawking।



তথ্যসূত্র : সেলুন ‍ডটকম




- See more at: http://www.risingbd.com/detailsnews.php?nssl=73841 .SuJABLDU.dpuf

20/07/2014

দোস্ত বল
তো দুনিয়ার
সবচেয়ে আজব
আবিস্কার
কোনটা?
- আগুন।
- হয় নাই।
-তাইলে বিদ্যুৎ।
-উহু।
- উড়োজাহাজ?
- না এইটাও হয়
নাই।
আরেকটা সুযোগ
দিলাম
বল।
- আর পারুম না বল
তে।
তুই বলে দে।
-
এইটা হইলো ফেসবুক।
-কস কি!!??
যা ব্যাটা মজা নিতেছিস
আমাকে বোকা পেয়ে।
আগুন, বিদ্যুৎ,
উড়োজাহাজ
ছাড়ায়া ফেসবুক
কেমনে সেরা আবিষ্কার
হয়!!??
- শোন কোন
পুরুষকে 300
বছর
আগুনে পোড়াইলে সে সে পুরুষই
থাকবে। কোন
মহিলারে 550 KVA
লাইনে 200 বছর
ঝুলায়া রাখলেও
সে মহিলাই
থাকবে।
এমন কি কোন
হিজড়াকেও 100
বছর
বিমানে ঘুরাইলে সে হিজড়াই
থাকবে।
আর ফেসবুক
নিমিষেই
পুরুষকে মহিলা আর
মহিলাকে পুরুষ
বানিয়ে দেয়। 7
দিন
আগে যার
সাথে ভাইয়া বলে চ্যাটে কথা হয়েছে সাতদিন
পরই দেখি সেই
ভাইয়া আপু
হয়ে গেছে।
এখন তুইই বল
আজব
আবিষ্কার .

11/07/2014

স্বাধীনতা হে আমার স্বাধীনতা
তোমাকে প্রতিদিন স্পর্শ করতে চাই
হে স্বাধীনতা হে আমার স্বাধীনতা
হে আমার স্বাধীনতা,
তোমাকে প্রতিটি মুহুর্ত ছুঁয়ে দেখতে চাই,
শিশু কিশোর কিশরীর হাসিতে দেখতে চাই
মা বাবা বোন ভাইয়ের চোখে মুখে
দেখতে চাই,
ছাত্র যুবক যুবতী তরুণ তরুনী
তাদের রক্ত রাঙা অবয়বের ছবিতে
দেখতে চাই
তাদের প্রফুল্ল আনন্দে দেখতে চাই
কামার কুমাড় জেলে তাতী শ্রমিক মাঝির
ঘামের মাঝে দেখতে চাই
পোষাক তৈরীর নীপুন কারিগর
বোনদের চোখের আভায় দেখতে চাই
স্বাধীনতা তোমাকে জাতির জনকের
দীপ্ত উচ্চারনের ভেতর দিয়ে দেখতে চাই
স্বাধীনতা তোমাকে আমার দেশ প্রেমের
কবিতার মাঝে দেখতে চাই
আমার সকল কাজের মাঝে
পলঅনুপলের ভেতর দেখতে চাই
শুধু আজই নয়
প্রতিদিন তোমাকে ছুঁয়ে দেখতে চাই
তুমি আমাকে শান্তি দাও

২৬ শে মার্চ,মহান স্বাধীনতা দিবস ,জাতীয় জাদুঘর

11/07/2014

সখী ভালোবাসা কারে কয়-বহু বছর আগে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এভাবেই ভালোবাসার অর্থ খুঁজেছিলেন। কারণ, ভালোবাসার অর্থ যে গভীর দ্যোতনাময়। আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। দিনটি শুধুই ভালোবাসার। হৃদয়ের সঙ্গে হৃদয়ের মেলবন্ধনের দিন। প্রিয় মানুষটিকে আরো বেশি কাছে পাওয়ার, আরো বেশি ভালোবাসার জানার ও বোঝার দিন। প্রেমিক-প্রেমিকারা মন খুলে বলবে তাদের হৃদয়ের কথা। ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা ‘সেন্ট ভ্যালেন্টাইনস ডে’। প্রেমপিয়াসী হূদয়ের কাছে বিশেষ গুরুত্ব আছে এ দিনটির। বছরের এ দিনকে সারা বিশ্বের তরুণ-তরুণীরা বেছে নিয়েছে হূদয়ের ব্যাকুল কথার কলি ফোটাতে।

তরুণ-তরুণী শুধু নয়, নানা বয়সের মানুষের ভালোবাসার বহুমাত্রিক রূপ প্রকাশ করার আনুষ্ঠানিক দিন আজ। এ ভালোবাসা যেমন মা-বাবার প্রতি সন্তানের, তেমনি মানুষে-মানুষে ভালোবাসাবাসির দিনও এটি। শুধুমাত্র একটি দিন ভালোবাসার জন্য কেন এ প্রশ্নের জবাবে কবি মোহাম্মদ রফিকের ছোট জবাব ‘ভালোবাসা একটি বিশেষ দিনের জন্য নয়। সারা বছর, সারা দিন ভালোবাসার। তবে আজকের এ দিনটি ভালোবাসা দিবস হিসেবে বেছে নিয়েছে মানুষ।’

বাংলাদেশে ভালোবাসা দিবস পালনের রীতি খুব বেশি দিনের নয়। মূলত তরুণ-তরুণীদের মধ্যে দিবসটি ঘিরে উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। বসন্তের প্রথম দিন গেল গতকাল, আজ ভালোবাসার দিন। দুটি দিনই তাদের মধ্যে আনন্দের, উৎসবের। শুধু তারুণ্যই নয়, প্রৌঢ় থেকে শুরু করে শিশু, কিশোর, মধ্যবয়সীদের মধ্যে ছড়িড়ে পড়ে এর আবহ।

বিশ্ব ভালোবাসা দিবস বা ভ্যালেন্টাইন ডে পালনের রীতিটা মূলত ইউরোপীয় ঘরানার। আমাদের দেশে বিগত প্রায় দেড় দশক আগে এ দিবস পালনের সূচনা হয়। তবে বাঙালি সংস্কৃতিতে বসন্ত উৎসব সেই অনাদিকাল থেকেই যাপিত হচ্ছে। সনাতন ধর্মাচারীরা দোলযাত্রা, বাসন্তী পূজা, হোলি উৎসবে প্রণয়কে মুখ্য করে রেখেছিল, তরুণ-তরুণীর ভালোবাসাকে আপন করেছিল। আর এখন ভ্যালেন্টাইন ডে এ দেশের তরুণ-তরুণীদের মধ্যে রূপ পায় এক বিরাট উৎসবে।

স্মৃতির পাতায় ভালোবাসার দিবস: ভালোবাসার গল্পটি শুরু হয়েছিল সেই ২৬৯ খ্রিস্টাব্দে। রোমের চিকিৎসক তরুণ যাজক সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের চিকিৎসায় দৃষ্টি ফিরে পেয়েছিল নগর জেলারের দুহিতা। পরে দুজনের মধ্যে মন দেয়া-নেয়া হয়। সেই থেকে জন্ম নিয়েছিল তাদের ভালবাসার অমরগাথা। ভালবাসার অপরাধে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে ফাঁসিতে ঝুলতে হয় ফেব্রুয়ারির এই ১৪ তারিখে। তারপর এই ভালোবাসার স্বীকৃতি পেতে দুই শতাব্দী নীরবে-নিভৃতে পালন করতে হয়েছে ১৪ ফেব্রুয়ারিকে।

৪৯৬ খ্রিস্টাব্দে রোমের রাজা পপ জেলুসিয়াস এই দিনটিকে ভ্যালেন্টাইন দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন। গ্রিক ও রোমান উপকথার মতই ভালোবাসা দিবসের উৎপত্তি নিয়ে আরো গল্প-কাহিনী ছড়িয়ে আছে ভুবনজুড়ে। কে এই ভ্যালেন্টাইন তাও রহস্যাবৃত।

ক্যাথলিক এনসাইক্লোপিডিয়া অনুসারে আমরা তিনজন সেন্ট ভ্যালেন্টাইন বা ভ্যালেন্টিনাসের সন্ধান পাই। তারা সবাই ১৪ ফেব্রুয়ারিতে আত্মদান করেন।

দেশে দেশে ভালোবাসা দিবস: উনিশ শতকেই উত্তর আমেরিকায় ভ্যালেন্টাইন ডে পালিত হয় ব্রিটিশ অভিবাসীদের মাধ্যমে। যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক হারে ভ্যালেন্টাইন কার্ড বিনিময় শুরু হয় ১৮৪৭ সালে ম্যাসাসুয়েটসের অরকেস্টারে। ইতিহাসবিদদের ভাষায়, দুটি প্রাচীন রোমান প্রথা থেকে এই উৎসবের সূত্রপাত।

চীনে ভালোবাসা প্রকাশের সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। ভ্যালেন্টাইন ডে পালনের আগে তারা বছরের দুই দিন পালন করতো ভালোবাসা দিবস। এখন তো চীনে ব্যাপক হারে দিবসটি পালিত হয়। পশ্চিমা ধাঁচে ১৪ ফেব্রুয়ারিই তারা ভালোবাসা দিবস পালন করে।

ইউরোপের সব দেশেই মহাসমারোহে তরুণ-তরুণীরা এ দিবস পালন করে। মার্কিনিদের মধ্যে ভ্যালেন্টাইন ডে পালনের হার বেশি। জরিপে দেখা গেছে, চার মার্কিনির মধ্যে তিনজনই দিবসটি পালন করে। আমেরিকায় এ দিনে ১৬ কোটি কার্ড, ১৩ কোটি গোলাপ বিনিময় হয়।

ভারতেও ভালোবাসা দিবস পালিত হয় উৎসবের আমেজে। তবে আমাদের দেশের মতো ভারতেও তরুণ-তরুণীরা এ দিবস পালন করে বেশি।

দিনের কর্মসূচি: দিবসটি পালনের আগেই বৃহস্পতিবার ঢাকার সব গিফট শপে ছিল তরুণ-তরুণীদের ভিড়। ফুল, চকলেট, কবিতার বই, অ্যালবাম, পোশাক-আশাকসহ নানা ধরনের উপহারসামগ্রীর চাহিদা ছিল বেশ। বৃহস্পতিবার ছিল পয়লা ফাল্গুন, বসন্তের প্রথম দিন। ফাল্গুনের প্রথম দিন আর ভালোবাসা দিবস পাশাপাশি দিনে হওয়ায় এবার দিবসটির আমেজ আরো বেশি গাঢ় বৈকি।

আজ সারা দিন মুঠোফোনে, ফেসবুকে, টুইটারে শুভেচ্ছা বিনিময় চলবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, চারুকলা, ধানমন্ডির রবীন্দ্রসরোবর, সংসদ ভবন চত্বর, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, রমনা বটমূল, চন্দ্রিমা উদ্যান মুখর থাকবে সারা দিন।

12/11/2013

আপনাকে কাঁদিয়ে যে চলে গেছে,
তার প্রতিক্ষায় পথ চেয়ে থাকবেন
না বা
ফিরে আসলেও তাকে সাদরে গ্রহন
করবেন না।
মনে রাখবেন সে নতুন
করে ফিরে এসেছে,
আপনার আরও
বেশি ক্ষতি করতে বা কাঁদাতে।
যা আগের বারে সে পারেনি?
ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক জোড়া লাগলেও
তা কখনই আগের মত স্বাভাবিক হয় না ।

12/11/2013
11/11/2013

*ডিজিটাল যুগের ডিজিটাল
মেয়ে*
ছেলে : I Love You
মেয়ে : Already I Have A Bf.
ছেলে : Ohh, Sorry !
মেয়ে : No, Problen. তোমার
মোবাইল
নম্বরটা দাও।
ছেলে : কেন ?
মেয়ে : আমার ব্রেকআপ
হলে তোমাকে Miss
Call দিব।
হা হা হা হা হা
*কত্ত বড় ফাজিল।

Address

Patkelghata, Satkhira
Patkelghata
9421

Telephone

+8801737233015

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sonaton Bondhu sova patkelghata posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Sonaton Bondhu sova patkelghata:

Share