বায়তুন নুর জামে মসজিদ কমপ্লেক্স

  • Home
  • Bangladesh
  • Patiya
  • বায়তুন নুর জামে মসজিদ কমপ্লেক্স

বায়তুন নুর জামে মসজিদ কমপ্লেক্স একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান।

পবিত্র হিজরি সনের প্রথম মাস 'মুহাররম'। এই মাসটি আল্লাহর কাছে অত্যন্ত সম্মানিত এবং মহিমান্বিত। হিজরি নববর্ষের এই বরকতময় ...
15/06/2026

পবিত্র হিজরি সনের প্রথম মাস 'মুহাররম'। এই মাসটি আল্লাহর কাছে অত্যন্ত সম্মানিত এবং মহিমান্বিত। হিজরি নববর্ষের এই বরকতময় ক্ষণে বায়তুন নুর জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটি ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে আমাদের সকল মুসল্লি এবং দেশবাসীকে জানাই আন্তরিক মোবারকবাদ।

"নিশ্চয়ই আল্লাহর বিধান ও কিতাবে আল্লাহর গণনায় মাস বারোটি, যেদিন তিনি আসমান ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন। এর মধ্যে চারটি মাস সম্মানিত।" (সূরা আত-তাওবাহ, আয়াত: ৩৬)

প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, "রমজানের পর আল্লাহর মাস 'মুহাররম'-এর রোজা হচ্ছে সর্বশ্রেষ্ঠ রোজা।" (সহীহ মুসলিম, হাদিস নং: ১১৬৩)

নতুন হিজরি বছর ১৪৪৮ আমাদের সবার জীবনে বয়ে আনুক আল্লাহর অশেষ রহমত, হেদায়েত, শান্তি ও সমৃদ্ধি। বিগত বছরের সকল পাপ ও ভুলত্রুটি ক্ষমা করে মহান রাব্বুল আলামিন আমাদের সবাইকে দ্বীনের পথে অবিচল থাকার এবং বেশি বেশি নেক আমল করার তৌফিক দান করুন। আমিন। 🤲

আজ জুমাবারআরবি তারিখঃ ১৯ জিলহজ্জ ১৪৪৭ হিজরি।ইংরেজি তারিখঃ ০৫ জুন ২০২৬বাংলা তারিখঃ ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩বার: জুমাবার (শুক্রবার)...
05/06/2026

আজ জুমাবার
আরবি তারিখঃ ১৯ জিলহজ্জ ১৪৪৭ হিজরি।
ইংরেজি তারিখঃ ০৫ জুন ২০২৬
বাংলা তারিখঃ ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বার: জুমাবার (শুক্রবার)

জুমার আযানঃ ১২.৩০ মিনিটে
জুমার আলোচনা শুরুঃ দুপুর ১২.৪৫ মিনিটে
জুমার খুৎবা শুরুঃ দুপুর ১.১৫ মিনিটে
জুমার জামাত শুরুঃ দুপুর ১.২৫ মিনিটে
আলোচনা করবেনঃ অত্র মসজিদের সুম্মানিত খতিব এবং পেশ ইমাম মাওলানা হাফিজুর রহমান।

জুমার নামাজে দ্রুত বা তাড়াতাড়ি মসজিদে আসার ফজিলত অত্যন্ত অপরিসীম এবং এটি মহানবী (সা.)-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ।

পবিত্র হাদিস শরিফের আলোকে জুমার দিন আগে আগে মসজিদে আসার প্রধান ফজিলতগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

১. উট বা গরু কুরবানির সমান সওয়াবহযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, জুমার দিন যে ব্যক্তি সবার আগে (প্রথম ঘণ্টায়) মসজিদে প্রবেশ করবে, সে একটি উট কুরবানি করার সমান সওয়াব পাবে। এরপর যে আসবে সে একটি গরু, তারপর যে আসবে সে একটি দুম্বা কুরবানির সওয়াব পাবে।

২. আমলনামায় বিশেষ সওয়াব লিখনজুমার দিন মসজিদের প্রতিটি দরজায় ফেরেশতারা অবস্থান নেন। তাঁরা মসজিদে প্রবেশকারীদের নাম ক্রমানুসারে (কে আগে এলো, কে পরে এলো) লিখতে থাকেন। কিন্তু ইমাম যখন খুতবা দেওয়ার জন্য মিম্বারে বসেন, তখন ফেরেশতারা তাঁদের খাতা বন্ধ করে খুতবা শুনতে নিয়োজিত হন। তাই খুতবা শুরু হওয়ার পর এলে এই বিশেষ সওয়াব থেকে বঞ্চিত হতে হয়।

৩. প্রতিটি কদমে এক বছরের নফল ইবাদতের সওয়াবহাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি জুমার দিন উত্তমরূপে গোসল করে সবার আগে হেঁটে মসজিদে যায় এবং ইমামের কাছাকাছি বসে মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনে, তার প্রতিটি কদমের (পায়ের ফেলার) বিনিময়ে এক বছরের নফল রোজা ও এক বছরের নফল নামাজের সওয়াব দেওয়া হয়।৪. গুনাহ মাফ ও রহমত লাভতাড়াতাড়ি মসজিদে এসে খুতবার পূর্ব পর্যন্ত নফল নামাজ, জিকির ও কুরআন তিলাওয়াতে মশগুল থাকলে আল্লাহ তাআলা বান্দার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী জুমার মধ্যবর্তী সব ছোট গুনাহ ক্ষমা করে দেন।

29/05/2026

জুম্মা মুবারক!

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি জুম্মার দিন সূরা কাহাফ পাঠ করবে, তার জন্য এক জুম্মা থেকে অন্য জুম্মা পর্যন্ত নূর চমকাতে থাকবে।" (সুনানে বায়হাকী)

ব্যস্ত সপ্তাহের মাঝেও এই বিশেষ আমলটি আমাদের জীবনকে বরকতময় করে তুলতে পারে। আসুন জেনে নিই এই সূরার বিশেষ কিছু উপকারিতা:

নূরের আলো: পাঠক পরবর্তী জুম্মা পর্যন্ত বিশেষ নূরের আলোয় হেদায়েত পাবেন।

দাজ্জাল থেকে রক্ষা: প্রথম ও শেষ ১০ আয়াত মুখস্থ রাখলে দাজ্জালের ফিৎনা থেকে মুক্তি মিলবে।

গুনাহ মাফ: দুই জুম্মার মধ্যবর্তী সময়ের ছোটখাটো গুনাহগুলো ক্ষমা করা হয়।

পড়ার উত্তম সময়:বৃহস্পতিবার সূর্যাস্তের পর থেকে শুরু করে শুক্রবার সূর্যাস্ত পর্যন্ত যেকোনো সময় সূরাটি পাঠ করা যাবে।

আজকের এই পবিত্র দিনে নিজে সূরা কাহাফ তিলাওয়াত করুন এবং অন্যকেও মনে করিয়ে দিন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে আমল করার তাওফিক দান করুন। আমীন। 🤲

আমাদের বায়তুন নুর জামে মসজিদ কমপ্লেক্সএ আজ ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হবে,>>>সকাল ৮ টায়
28/05/2026

আমাদের বায়তুন নুর জামে মসজিদ কমপ্লেক্সএ আজ ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হবে,

>>>সকাল ৮ টায়

জিলহজ্ব মাসের ৯ তারিখের ফজর থেকে শুরু করে ১৩ তারিখের আছর পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্তের ফরয নামাযের পর মসজিদে জামাআত সহকারে আদায়র...
26/05/2026

জিলহজ্ব মাসের ৯ তারিখের ফজর থেকে শুরু করে ১৩ তারিখের আছর পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্তের ফরয নামাযের পর মসজিদে জামাআত সহকারে আদায়রত নামাযীদেরকে একবার উচ্চ আওয়াজে তাকবীর বলা ওয়াজীব এবং তিনবার বলা উত্তম। আর একেই তাকবীরে তাশরীক বলা হয়। (হেদায়া : ১/২৭৫)

▪️তাকবীরে তাশরীক:
اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ

উচ্চারণ: আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবর আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।

▪️তাকবীরে তাশরীকের পটভূমি:
বুখারি শরীফের ব্যাখ্যাকার আল্লামা বদরুদ্দিন আইনি হানাফী (রহ.) বলেন, যখন হযরত ইব্রাহিম (আ.) স্বীয় পুত্র ইসমাঈল (আ.)-কে জবাইয়ের উদ্দেশ্যে গলায় ছুরি রাখলেন, এদিকে আল্লাহর নির্দেশে হযরত জিব্রাঈল (আ.) আসমান থেকে একটি দুম্বা নিয়ে দুনিয়ায় আগমন করছিলেন। কিন্তু জিব্রাঈল (আ.)-এর আশঙ্কা ছিল, তিনি দুনিয়াতে পৌঁছার আগেই ইব্রাহিম (আ.) জবাইপর্ব সমাপ্ত করে বসবেন।
ফলে তিনি আসমান থেকে উঁচু আওয়াজে বলে উঠলেন : ‘আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার।’
ইব্রাহিম (আ.) আওয়াজ শুনে আসমানের দিকে নজর ফেরাতেই দেখতে পেলেন জিব্রাঈল (আ.) একটি দুম্বা নিয়ে আগমন করছেন। ফলে তিনি স্বতঃস্ফূর্তভাবে বলে উঠলেন : ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবর।’ পিতার কণ্ঠে এই কালিমা শুনতেই ইসমাঈল (আ.) উচ্চারণ করলেন : ‘আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।
একজন ফেরেশতা আর দুজন প্রিয় নবীর এ বাক্যমালা আল্লাহর খুব পছন্দ হয়। তাই কিয়ামত পর্যন্ত এই বাক্যমালা আইয়ামে তাশরীকে প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর পড়াকে ওয়াজিব করে দিয়েছেন। (ফাতাওয়ায়ে শামি : ২/১৭৮, ইনায়া শরহুল হিদায়া : ১/৪৬৪)

▪️তাকবিরে তাশরিকের ফজিলত:
মহান আল্লাহ বলেন, ‘যেন তারা নির্দিষ্ট দিনগুলোতে আল্লাহর নাম স্মরণ করতে পারে।’ (সূরা হজ, আয়াত : ২৮)
রঈসুল মুফাসসিরীন হযরত সাইয়্যেদুনা ইবনে আব্বাস (রা.) বলেছেন, এখানে ‘নির্দিষ্ট দিন বলতে ‘আইয়ামে তাশরিক’ ও ‘আল্লাহর স্মরণ’ বলতে তাকবিরে তাশরিক বোঝানো হয়েছে। (বুখারি, অধ্যায় দুই ঈদ)
এখানে নির্দিষ্ট দিনসমূহ দ্বারা আইয়ামে তাশরিক উদ্দেশ্য এবং জিকির দ্বারা তাকবিরে তাশরিক উদ্দেশ্য। (ইবনে কাসির)
রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন,
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ ‏"‏ مَا الْعَمَلُ فِي أَيَّامِ الْعَشْرِ أَفْضَلَ مِنَ الْعَمَلِ فِي هَذِهِ ‏"‏‏.‏ قَالُوا وَلاَ الْجِهَادُ قَالَ ‏"‏ وَلاَ الْجِهَادُ، إِلاَّ رَجُلٌ خَرَجَ يُخَاطِرُ بِنَفْسِهِ وَمَالِهِ فَلَمْ يَرْجِعْ بِشَىْءٍ ‏"‏‏

এই দিনগুলোতে তাকবীরে তাশরীকের আমলের চেয়ে অন্য কোনো দিনের আমল উত্তম নয়। সাহাবিরা জিজ্ঞেস করলেন, জিহাদও কি (উত্তম) নয়? নবী করিম (ﷺ) বলেন, 'জিহাদও নয়। তবে সে ব্যক্তির কথা ভিন্ন, যে নিজের জান ও সম্পদের ঝুঁকি নিয়ে জিহাদে যায় এবং কিছুই নিয়ে ফিরে আসে না।' (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৯৬৯)

▪️তাকবীরে তাশরীক সংক্রান্ত কিছু মাসায়েল:
তাশরীকের দিনগুলোতে প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর পুরুষদের ওপর উচ্চ স্বরে একবার তাকবীরে তাশরীক বলা ওয়াজিব। আর নারীরা নিচু স্বরে পড়বে, যাতে নিজে শোনে। (শামি : ২/১৭৮)
ফরজ নামাজ জামাতের সঙ্গে পড়া হোক বা একাকী, ওয়াক্তের মধ্যে পড়া হোক বা কাজা, নামাজি ব্যক্তি মুকিম হোক বা মুসাফির, শহরের বাসিন্দা হোক বা গ্রামের-সবার ওপর ফরজ নামাজের পর একবার তাকবিরে তাশরিক বলা ওয়াজিব। (দুররে মুখতার : ২/১৮০)
একাকী নামায আদায়কারীর উপর ওয়াজীব
নয়। (আল জাওহারাতুন নাইয়িরাহ্, ১২২ পৃষ্ঠা)
তবে ইমাম আবু ইউসুফ ও ইমাম মুহাম্মদ (রহ.) এর মতে ওয়াজীব। (বাহারে শরীয়াত, ১ম অংশ, ৭৭৬ পৃষ্ঠা)
তাই একাকী নামায আদায়কারী ব্যক্তির জন্য তাকবীরে তাশরীক পড়ে নেয়াই উত্তম।
ফরজ নামাজের পর তাকবীর বলতে ভুলে গেলে, স্মরণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাকবির পড়ে নেবে। তবে হ্যাঁ, নামাজের বিপরীত কোনো কাজে লিপ্ত হয়ে গেলে, যেমন-কথা বলা, নামাজের স্থান থেকে উঠে পড়া ইত্যাদি হলে তাকবির বলতে হবে না, বরং ওয়াজিব ছুটে যাওয়ার কারণে আল্লাহর কাছে তওবা করবে। (শামি: ৬/১৭৯

জিলহজ্জ মাসের প্রথম ১০ দিন বছরের শ্রেষ্ঠতম দিন, যা রমজানের শেষ দশকের মতোই ফজিলতপূর্ণ। হাদীস অনুযায়ী, এই দিনগুলোতে নেক আম...
14/05/2026

জিলহজ্জ মাসের প্রথম ১০ দিন বছরের শ্রেষ্ঠতম দিন, যা রমজানের শেষ দশকের মতোই ফজিলতপূর্ণ। হাদীস অনুযায়ী, এই দিনগুলোতে নেক আমল আল্লাহর কাছে অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি প্রিয়। এই সময়ে কুরবানি, আরাফার রোজা (৯ জিলহজ্জ) এবং বেশি বেশি তাসবীহ-তাহলীল (তাকবীর, তাহমীদ) পাঠ করার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

জিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের বিশেষ ফজিলত ও আমলসমূহ:
আল্লাহর নিকট প্রিয়তম দিন: রাসূল (সা.) বলেছেন, এই ১০ দিনে কৃত আমলের চেয়ে আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয় অন্য কোনো দিনের আমল নেই।
ইবাদতের শ্রেষ্ঠ সময়: বছরের অন্যান্য যেকোনো সময়ের তুলনায় এই ১০ দিনের ইবাদত, দান-ছাদাকাহ ও নেক আমলের সওয়াব বহুগুণ বেশি।
আরাফার দিন (৯ জিলহজ্জ): এই দিনের রোজা বিগত এক বছর ও আগামী এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেয়। এটি হাজীদের আরাফায় অবস্থানের দিন।
কুরবানি বা ইয়াওমুন নাহর (১০ জিলহজ্জ): এই দিনটি বছরের সবচেয়ে মহিমান্বিত দিনগুলোর একটি।
সমষ্টিগত ইবাদত: এই সময়েই ইসলামের প্রধান স্তম্ভগুলো—নামাজ, রোজা, হজ ও জাকাত—একত্রে আদায় করা হয়, যা অন্য সময়ে হয় না।
করণীয় আমল:
১. বেশি বেশি তাকবীর, তাহমীদ, তাসবীহ পাঠ করা (আল্লাহু আকবার, আলহামদুলিল্লাহ, সুবহানাল্লাহ)।
২. জিলহজ্জের প্রথম ৯ দিন, বিশেষ করে ৯ জিলহজ্জ আরাফার রোজা রাখা।
৩. কুরবানি করা এবং এ উদ্দেশ্যে নখ ও চুল কাটা থেকে বিরত থাকা।
৪. পাপ থেকে তাওবা করা এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য নফল ইবাদত ও কুরআন তেলাওয়াত বাড়ানো।

দ্রষ্টব্য: ২০২৬ সালে জিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে এই ১০ দিন নির্ধারিত হবে, যা সম্ভাব্য ১৮ মে ২০২৬ থেকে শুরু হতে পারে।

Address

Hulain, 5no Habilashdwip Unoin
Patiya
4367

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বায়তুন নুর জামে মসজিদ কমপ্লেক্স posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share