Unique TV

Unique TV Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Unique TV, Religious organisation, Panchagarh.

প্রকৃতির কি অপার সৌন্দর্য ✌️
17/08/2025

প্রকৃতির কি অপার সৌন্দর্য ✌️

আজ ভয়াবহ মিরসরাই ট্রাজেডি দিবস।   ১১ জুলাই ২০১১ সালের এ দিনে চট্টগ্রামের মিরসরাই আবু তোরাব উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্ররা মিরস...
11/07/2025

আজ ভয়াবহ মিরসরাই ট্রাজেডি দিবস।

১১ জুলাই ২০১১ সালের এ দিনে চট্টগ্রামের মিরসরাই আবু তোরাব উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্ররা মিরসরাই সদর ষ্টেডিয়াম থেকে ফুটবল খেলা দেখে বাড়ী ফিরছিল। ছাত্রদের বহনকারী মিনি ট্রাক পথিমধ্যে বড়তাকিয়া-আবুতোরাব সড়কের সৌদালী নামক স্থানে উল্টে খাদে পড়ে যায়। এ সময় ৪৩ জন সম্ভাবনাময় তরুণ ছাত্রসহ মোট ৪৫ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে।

নৌকা ডুবির উচ্ছ্বাস
11/07/2025

নৌকা ডুবির উচ্ছ্বাস

sunrise 🥰
29/04/2022

sunrise 🥰

05/06/2019

π♥♥ ঈদ মুবারক ♥♥π

03/06/2019

সিগারেট খেলে যেসব ক্ষতি হয়।..

একটি সিগারেট জ্বালালে প্রায় ৭০০০
বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ বের হয়। এই
কারণে ধূমপানকে অকাল মৃত্যুর একটি
গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে বিবেচনা করা
হয়। তাই ধূমপান ছেড়ে দেয়া নিজের
স্বাস্থ্য ও পরিবারের সদস্যদের জন্য বড়ই
মঙ্গলজনক। কিন্তু দুঃখের বিষয়, এটা
জানা সত্ত্বেও পৃথিবীর ১.৩ বিলিয়ন (১
বিলিয়ন=১০০ কোটি) মানুষই ধূমপায়ী।
চলুন জানা যাক, ধূমপান ছেড়ে দিলে
মানবদেহে আসলে কি কি ঘটে?
২০ মিনিট পরঃ
রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক পর্যায়ে
চলে আসে। কারণ সিগারেটের
নিকোটিন এফিনেফ্রিন ও
নরএফিনেফ্রিন নামক দুইটি রাসায়নিক
পদার্থ নিঃসরণ করে। এরা হৃদস্পন্দনকে
বাড়িয়ে দেয় ও রক্তনালীকে সরু করে
ফেলে। আর এই কারণে ধূমপায়ীদের হাত-
পা ঠাণ্ডা থাকে। তবে রক্তচাপ
স্বাভাবিক হয়ে যাওয়ার ফলে শরীরের
তাপমাত্রাও স্বাভাবিক হয়ে যায়।
২ ঘণ্টা পরঃ
নিকোটিনের আসক্তি বেড়ে যাওয়ার
ফলে মেজাজ তিরিক্ষে হয়ে যায় এবং
সদ্য ধূমপান ছেড়ে দেয়া ব্যাক্তি
কিছুটা অস্বাভাবিক আচরণ করতে
থাকে। এই সময় সে পিপাসাকাতর হয়ে
পড়ে। এমনকি ঠিকমত ঘুমাতেও
পারেনা। কারণ নিকোটিনের প্রভাবে
শরীরে মাত্রাতিরিক্ত ডোপামিন
নির্গত হয়। তাই ডোপামিন নিঃসরণের
হার কমে যাওয়াতেই এইসব শারীরিক
উপসর্গ দেখা যায়।
৮ ঘণ্টা পরঃ
ধূমপানের সময় শরীরের অভ্যন্তরে প্রবেশ
করা কার্বনমনোক্সাইডের পরিমাণ
কমতে থাকে। ফলে অক্সিজেনের
মাত্রা স্বাভাবিক হয়ে আসে।
ধূমপায়ীদের দেহে কার্বন মনোক্সাইড ও
অক্সিজেন উভয়ই রক্তের
হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হবার
প্রতিযোগিতা করে। ফলে
রক্তসঞ্চালনে এক ধরনের প্রতিবন্ধকতা
সৃষ্টি হয়। তবে কার্বন মনোঅক্সাইডের
পরিমাণ কমে যাওয়াতে বেশি
পরিমাণে অক্সিজেন হিমোগ্লোবিনের
সাথে যুক্ত হয়। ফলে রক্তসঞ্চালন
প্রক্রিয়া স্বাভাবিক হয়ে আসে। তবে
দীর্ঘদিন ধরে ধূমপান করলে কার্বন
মনোঅক্সাইড বের হয়ে যাবার পর
লোহিত রক্তকণিকাগুলো আকারে বড়
হয়ে যায়। ফলে রক্তচাপ বৃদ্ধি এমনকি
দেহের কোথাও কোথাও রক্তজমাট
বেঁধে যাবারও সম্ভাবনা থাকে।
২৪ ঘণ্টা পরঃ
প্রচণ্ড পরিমাণে কাশির উদ্রেক হয়। এর
মাধ্যমে ফুসফুস থেকে বিভিন্ন বিষাক্ত
রাসায়নিক পদার্থ দেহের বাইরে বের
হয়ে যায়। এছাড়াও এর ফলে করোনারি
ধমনীর বিভিন্ন রোগের ঝুঁকিও কমে
যায়।
৪৮ ঘণ্টা পরঃ
নিকোটিন এবং এর বিভিন্ন উপজাত
পদার্থ শরীর থেকে সম্পূর্ণরূপে বের হয়ে
যায়। ক্ষতিগ্রস্ত স্নায়ুতন্ত্র পুনরায় সচল
হয়ে ওঠে। আলকাতরা এবং সিগারেটের
অন্যান্য ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ
জিহবার স্বাদ গ্রহণের ক্ষমতা কমিয়ে
দেয়। তাই এদের অনুপস্থিতিতে
জিহবার স্বাদ গ্রহণের ক্ষমতা বেড়ে
যায়। ফলে খাবারের স্বাদ সঠিকভাবে
অনুভুত হয়। তবে অনেক সময় অধিক
ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রে স্বাদ গ্রহণের এই
ক্ষমতা পুরোপুরি ফিরে আসে না।
৭২ ঘণ্টা পরঃ
নিকোটিন শরীর থেকে বের হয়ে যাবার
ফলে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক
অসুবিধার সৃষ্টি হয়। মাথা ব্যাথা,বমি
বমি ভাব,খিঁচুনি সেগুলোর মাঝে
অন্যতম। এছাড়াও দুশ্চিন্তা,হতাশা
এগুলোও দেখা দেয়। তবে ৭২ ঘণ্টা পরে
এই অবস্থার যথেষ্ট উন্নতি ঘটে।
১ মাস পরঃ
টাইপ-২ ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের
আশঙ্কা অনেকটাই কমে যায়।
৩ থেকে ৯ মাস পরঃ
ফুসফুসের সিলিয়া (ফুসফুসে বিদ্যমান চুল
সদৃশ গড়নের একটি অংশ যা ধূলাবালি ও
ফুসফুসের বিভিন্ন বর্জিতাংশকে
দেহের বাইরে পাঠাতে সাহায্য করে)
প্রায় পুরোপুরি সেরে ওঠে। ফলে কাশি
ও শ্বাসপ্রশ্বাস জনিত সমস্যা অনেকটাই
কমে যায়।
১ বছর পরঃ
একজন ধূমপায়ীর চেয়ে হৃদরোগ হবার
সম্ভাবনা অর্ধেক কমে যায়।
১০ বছর পরঃ
ফুসফুসের ক্যান্সার হবার ঝুঁকি একজন
ধূমপানকারীর চেয়ে অর্ধেকাংশে হ্রাস
পায়।
১৫ বছর পরঃ
এই সময়ে শারীরবৃত্তিক কর্মকাণ্ড প্রায়
সম্পূর্ণরূপে স্বাভাবিক হয়ে আসে।
হৃদরোগ বা হার্টঅ্যাটাকে আক্রান্ত
হওয়ার সম্ভাবনা একজন স্বাভাবিক ও
অধূমপায়ী মানুষের সমান হয়ে যায়।
তবে এই পর্যায়ক্রমিক ধাপগুলো পুরোপুরি
সুনির্দিষ্ট নয়। একজন ধূমপানকারী মাসে
বা বছরে গড়ে কতগুলো সিগারেট খায়
,এর উপর তার শরীরের বিভিন্ন
অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কর্মকাণ্ড কতটুকু
স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে সেটা
অনেকাংশে নির্ভর করে। কিন্তু
তারপরেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে ধূমপানের
ফলে ফুসফুসের অপূরণীয় কিছু ক্ষতি হয়
যা কখনই ঠিক হয়না। এছাড়াও ফুসফুসের
বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি
কিছুটা থেকেই যায়।
ধূমপান ছেড়ে দেওয়া একজন
ধূমপানকারীর জন্য আসলেই অনেক শক্ত
কাজ। কিন্তু এটি পরিত্যাগের ফলে যে
সুফল পাওয়া যায় তার পরিমাণ অনেক
বেশি। প্রাথমিক পর্যায়েই ধূমপান
ছেড়ে দিলে দেহের ক্ষয় ক্ষতি
অনেকটাই পূরণ করা সম্ভব। তবে শরীরের
এই দৈন্যদশা প্রতিরোধের একটিমাত্রই
উপায় রয়েছে। সেটা হল, কখনই ধূমপান না
করা।

03/06/2019

এক:
যে ব্যক্তির স্বপ্নদোষ হয়েছে
এরপর ঘুম থেকে জাগার পর সে
বীর্যের কোন আলামত তার
কাপড়ে দেখতে পায়নি তার উপর
গোসল আবশ্যক হবে না।
ইবনে কুদামা ‘আল-মুগনি’ গ্রন্থে
বলেন:
যে ব্যক্তির স্বপ্নদোষ হওয়াটা সে
জেনেছে, কিন্তু (পোশাকে)
বীর্য পায়নি তার উপরে গোসল
ফরয নয়। ইবনুল মুনযির বলেন: যত জন
আলেমের অভিমত আমার মুখস্ত
আছে তারা সকলে এই মতের উপর
ইজমা করেছেন।
উম্মে সালামা (রাঃ) বর্ণনা
করেন যে, উম্মে সুলাইম (রাঃ)
বললেন: ইয়া রাসূলুল্লাহ্! কোন
মহিলার যদি স্বপ্নদোষ হয় তাহলে
কি তার উপর গোসল ফরয হবে?
তিনি বললেন: হ্যাঁ; যদি পানি
(বীর্য) দেখে।[সহিহ বুখারী ও
সহিহ মুসলিম] এ হাদিস নির্দেশ
করছে যে, যদি পানি (বীর্য) না
দেখে তাহলে তার উপর গোসল
ফরয নয়।[সমাপ্ত]
দুই:
স্বপ্নদোষের কারণে রোযা ভঙ্গ
হবে না। কারণ স্বপ্নদোষ
রোযাদারের অনিচ্ছায় ঘটে
থাকে।
ইমাম নববী ‘আল-মাজমু’ গ্রন্থে
বলেন:
আলেমগণের ইজমা হচ্ছে- কারো
স্বপ্নদোষ হলে রোযা ভাঙ্গবে
না। কারণ সে ব্যক্তি এক্ষেত্রে
অপারগ। যেমন- কারো অনিচ্ছা
সত্ত্বেও কোন একটি মাছি যদি
উড়ে এসে কারো পেটে ঢুকে
যায়। এ মাসয়ালার দলিলের
ক্ষেত্রে এটাই হচ্ছে- ভিত্তি।
পক্ষান্তরে, নবী সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে
বর্ণিত: “যে ব্যক্তি বমি করেছে,
কিংবা যার স্বপ্নদোষ হয়েছে,
কিংবা যে শিঙ্গা লাগিয়েছে
তার রোযা ভাঙ্গবে না”
হাদিসটি ‘যয়িফ’ (দুর্বল); যা
দলিল পেশ করার উপযুক্ত নয়।
[সমাপ্ত]
তিনি ‘মুগনি’ গ্রন্থে (৪/৩৬৩) আরও
বলেন:
কারো যদি স্বপ্নদোষ হয় তার
রোযা ভাঙ্গবে না। কেননা
স্বপ্নদোষ তার অনিচ্ছায় ঘটে
থাকে। সুতরাং এটি ঐ মাসয়ালার
সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ – কেউ যদি
ঘুমিয়ে থাকে আর তার গলার
ভেতরে কোন কিছু ঢুকে যায়।
[সমাপ্ত]
শাইখ বিন বায (রহঃ) কে
জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: ঐ
ব্যক্তি সম্পর্কে যে দিনের
বেলায় ঘুমিয়েছে এবং তার
স্বপ্নদোষ হয়েছে, বীর্যও বের
হয়েছে; সে কি ঐ দিনের রোযার
কাযা পালন করবে?
জবাবে তিনি বলেন:
তার উপর কাযা আবশ্যক নয়।
কেননা স্বপ্নদোষ তার ইচ্ছাধীন
নয়। কিন্তু, তার উপর গোসল ফরয;
যদি বীর্য দেখে থাকে।[মাজমুউল
ফাতাওয়া (১৫/২৭৬)]
শাইখ উছাইমীন (রহঃ) কে ঐ
ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা
হয়েছিল রমযানের দিনের বেলায়
যার স্বপ্নদোষ হয়েছে?
জবাবে তিনি বলেন: তার রোযা
সহিহ। স্বপ্নদোষের কারণে রোযা
ভাঙ্গবে না। কেননা স্বপ্নদোষ
তার এখতিয়ারে নেই। ঘুমন্ত
অবস্থায় কলম তুলে রাখা হয়।
[সমাপ্ত]
স্থায়ী কমিটির ফতোয়াসমগ্রে
(১০/২

02/06/2019
01/06/2019

আন আমারিবনি আবাছাতা (র.) ক্বলাঃ ক্বলা রসূলুল্লহি
(সাঃ) মা ঈমান? ক্বলাস সবরু ওয়াস সামাহাতু।।
অর্থঃ হযরত আমর বিন আব্বাছ (র.) হতে বর্ণিত,
আমি রসূলুল্লহি (সাঃ) কে জিজ্ঞেস করছিলাম,ঈমান
কি? জবাবে তিনি বললেন, 'ছবর (ধৈর্য্য ও
সহনশীলতা এবং ছামাহাত -দানশীলতা, নমনীয়তা ও
উদারতা) হচ্ছে ঈমান'।
(মুসলিম)

01/06/2019

আমি আল-কুরআনকে নাযিল করেছি শবে-
কদরে।শবে কদর সম্বন্ধে আপনি কি জানেন?
শবে-কদর হলো সেই রাত যা হাজার মাস
অপেক্ষা উত্তম।
(সূরা আল-কদর: ১-৩)
তোমরা রমাদানের শেষ ১০ দিনের বিজোড়
রাতগুলোতে ক্বদরের রাতে সন্ধান করবে।
(বুখারি-২০২০)।
যখন রমাদানের শেষ ১০ দিন চলে আসত, রসূল
(সাঃ) সারারাত জেগে ইবাদাত করতেন, ধ্যানে মগ্ন
থাকতেন।তার পরিবারকেও জাগিয়ে রাখতেন এবং
ইবাদাতে ডুবে থাকার জন্য সচেষ্ট থাকতেন।
(মুসলিম-১১৭৪)
# _____কিন্তু ---------
আমরা কি করছি?
শুধু ২৭ রমজন আসলেই মসজিদে ভিড় জমাই। বাকি
দিনগুলি ইবাদাত করি না।
যারা করে তাদের সংখ্যাও হাতে গন্য কয়েকজন।
___তাই আসুন আমরা রমাদানের শেষ ১০ দিন ইবাদাত
করব। লাইতুল কদর তালাশ করি।

01/06/2019

লাইলাতুল কদরের নামাজ আদায়ের নিয়ম;
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
°
রমজান মাসের শেষ দশ দিনের যেকোনো
একটি রাত হল শবে কদর। এ রাতের ফজিলত অন্য
যেকোনো রাতের চেয়ে অনেক গুণ
বেশি। বলা যেতে পারে- এ রাত হাজার রাত
অপেক্ষা উত্তম। এ রাতে যত বেশি নফল নামাজ
আদায় করবেন তত বেশি সওয়াব।
শবে কদরের রাতে যত বেশি পারেন নামাজ
পড়ুন, আল কোরআন তেলাওয়াত করুন, জিকির ও
দোয়া করুন। যেন আল্লাহ্ তা’য়ালা আপনার আগের
গুনাহ মাফ করে দেন এবং রহমত ও বরকত দান
করেন। এ রাত নামাজসহ বিভিন্ন ইবাদতের মধ্যদিয়ে
কাঁটিয়ে দিন।
দুই রাকআত করে সালাম ফিরিয়ে ন্যূনতম আট
রাকআত থেকে যত সম্ভব পড়া যেতে পারে।
সূরা ফাতেহার সাথে আপনার জানা যেকোনো সূরা
মিলিয়ে পড়লেই চলবে। কিছু ব্যতিক্রম নিয়মে
সূরা ফাতেহার সঙ্গে ৩৩ বার সূরা আল কদর, ৩৩ বার
ইখলাস পড়লেও অসুবিধার কারণ নেই।
“সুবাহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহ ওয়া লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু
ওয়াল্লাহু আকবার” এ দোয়া পাঠ করলে অধিক
সওয়াব পাওয়া যাবে।
শবে কদরের নামাজের নিয়ত: নাওয়াইতু আন
উছাল্লিয়া লিল্লাহি তা’য়ালা রাকাতায় সালাতিল লাইলাতিল কাদরি
মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি আল্লাহু
আকবার
হাদিস শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত রাসূলুল্লাহ
(সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ৪ রাকয়াত নামাজ
কদরের রাতে আদায় করবে এবং উক্ত নামাজের
প্রতি রাকয়াতে সূরা ফাতিহার পর ২১ বার করে সূরা
ইখলাছ পাঠ করবে, আল্লাহ তা’য়ালা ওই ব্যক্তিকে
সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুর ন্যায় নিষ্পাপ করে দেবেন এবং
বেহেশতের মধ্যে এক মনোমুগ্ধকর মহল
তৈরি করে দেবেন।’
অপর এক হাদিসে বর্ণিত রয়েছে, হযরত রাসূল
(সা.) এরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি কদরের
রজনীতে ৪ রাকয়াত নামাজ আদায় করবে এবং উহার
প্রতি রাকয়াতে সূরা ফাতিহার পরে সূরা ক্বদর ও সূরা
ইখলাছ তিনবার করে পাঠ করবে, নামাজ শেষে
সিজদায় গিয়ে নিম্নের দোয়াটি কিছু সময় পাঠ করে
আল্লাহর দরবারে যা-ই প্রার্থনা করবে তিনি তাই
কবুল করবেন এবং তার প্রতি অসংখ্য রহমত বর্ষিত
করবেন।’
দোয়াটি হলো: ‘সুবাহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহ ওয়া
লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার’
জিকির ও দোয়া: হাদিসে যে দোয়া ও জিকিরের
অধিক ফজিলতের কথা বলা হয়েছে, সেগুলো
থেকে কয়েকটি নির্বাচিত করে অর্থ বুঝে
বারবার পড়া যেতে পারে। ইস্তেগফার ও দরুদ
আল্লাহর কাছে খুবই প্রিয়। কমপক্ষে ১০০ বার
ইস্তেগফার ও ১০০ বার দরুদ পড়া যেতে পারে।

Address

Panchagarh

Telephone

+8801307418273

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Unique TV posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share