Islamic BD

Directions Website

Islamic BD Islam The Only Divine & Complete Code Of Life

13/07/2026

*ফোনটা শুধু সময় না—আপনার পরিবারটাও খেয়ে ফেলছে*

আগে পরিবারের সবাই একসাথে বসলে গল্প হতো।
কারও দিনের কথা শোনা হতো, কারও মন খারাপ বুঝা যেত, কারও হাসি দেখে ঘরের পরিবেশ বদলে যেত।

এখন অনেক ঘরেই সবাই একসাথে বসে, কিন্তু কেউ কারও সাথে থাকে না।

বাবা ফোনে,
মা ফোনে,
সন্তান ফোনে।

একই ঘরে তিনজন মানুষ, কিন্তু তিনটা আলাদা দুনিয়ায়।

বিষয়টা শুধু “ফোন বেশি ব্যবহার করছি” এতটুকু না।
বিষয়টা হলো—ফোন আমাদের মনোযোগ, সময়, সম্পর্ক, ইবাদত, ঘরের শান্তি—সবকিছু ধীরে ধীরে নিয়ে নিচ্ছে।

আপনি খেয়াল করে দেখবেন, ফোন হাতে থাকলে মানুষ খুব সহজে বিরক্ত হয়ে যায়।
সন্তান কিছু বলতে এলে বিরক্ত লাগে।
স্বামী/স্ত্রী কথা বলতে চাইলে মনে হয়, “পরে বলি।”
মা-বাবা ডাকলে মনে হয়, “একটু পর।”
আজানের সময়ও মনে হয়, “এই ভিডিওটা শেষ করি।”
আর একটা ভিডিও শেষ হতে হতে কখন যে ৩০ মিনিট চলে যায়, বুঝাই যায় না।

এটাই আসক্তির ভয়ংকর দিক—
এটা মানুষকে ধ্বংস করে, কিন্তু মানুষ বুঝতে পারে খুব দেরিতে।

আল্লাহ তাআলা সময়ের কসম করে বলেন—

“সময়ের কসম! নিশ্চয় মানুষ ক্ষতির মধ্যে রয়েছে।”
— সূরা আল-আসর: ১-২

এই আয়াত আমাদের মনে করিয়ে দেয়—সময় শুধু কাটানোর জিনিস না; সময় আমাদের জীবনের মূল পুঁজি।
যে সময় চলে গেল, সেটা আর ফিরে আসে না।

আজ আমরা ফোনে যে সময় হারাচ্ছি, সেটা শুধু মিনিট-ঘণ্টা না।
সেটা হতে পারে—
একটা নামাজের খুশু,
একটা কুরআনের পৃষ্ঠা,
সন্তানের একটা কথা,
স্ত্রীর একটা অভিমান,
স্বামীর একটা প্রয়োজন,
মা-বাবার সাথে কিছু সময়,
নিজের আত্মশুদ্ধির একটা সুযোগ।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—

“দুটি নিয়ামতের ব্যাপারে অধিকাংশ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত: সুস্থতা ও অবসর সময়।”
— সহীহ বুখারী

👉👉*ফোন আমাদের অবসর সময়কে সবচেয়ে বেশি গ্রাস করছে,,,,,যে সময়টা দিয়ে আমরা কুরআন পড়তে পারতাম,,,,,, বই পড়তে পারতাম, সন্তানকে সময় দিতে পারতাম,,,,,, মা-বাবাকে ফোন করতে পারতাম,,,,, স্বামী/স্ত্রীর সাথে সুন্দর কথা বলতে পারতাম—---সেই সময়টা আমরা অনেক সময় এমন কনটেন্টে নষ্ট করছি, যা দুনিয়া-আখিরাত কোনোটাতেই উপকার করছে না।* *اللهم أغفر لنا*

সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো—
অনেক সন্তান এখন বাবা-মাকে পাশে পায়, কিন্তু মনোযোগ পায় না।

সন্তান কথা বলতে আসে, বাবা-মা বলে—
“একটু দাঁড়াও।”
“পরে বলো।”
“এখন বিরক্ত করো না।”

কিন্তু সেই “পরে” আর আসে না।

একসময় সন্তানও কথা বলা কমিয়ে দেয়।
সে বুঝে যায়—বাবা-মা ব্যস্ত।
তারপর সে-ও ফোনের দুনিয়ায় ঢুকে যায়।
আর আমরা ভাবি—“সন্তান এত ফোনে আসক্ত কেন?”

কিন্তু প্রশ্ন হলো—
আমরা কি তার সামনে ফোন ছাড়া জীবনের কোনো সুন্দর উদাহরণ রেখেছি?

*স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কেও একই সমস্যা।*⬇️⬇️⬇️

*️⃣একজন কথা বলতে চায়, আরেকজন স্ক্রল করছে।
*️⃣একজন মন খারাপ নিয়ে বসে আছে, আরেকজন রিল দেখছে।
*️⃣একজন দিনের ক্লান্তি ভাগ করতে চায়, আরেকজন notification-এ ডুবে আছে।

এভাবে সম্পর্ক একদিনে ভাঙে না।
ধীরে ধীরে দূরত্ব তৈরি হয়।
মানুষ কাছে থেকেও দূরে হয়ে যায়।

*ইসলাম আমাদের শুধু ইবাদত শিখায় না; ইসলাম আমাদের দায়িত্বও শিখায়।*
✅পরিবার আপনার আমানত।
✅সন্তান আপনার আমানত।
✅সময় আপনার আমানত।
✅চোখ, কান, মন—সবই আমানত।

*আল্লাহ তাআলা বলেন—---“নিশ্চয় কান, চোখ ও হৃদয়—এগুলোর প্রত্যেকটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।”— সূরা আল-ইসরা: ৩৬،,,,,তাই আমরা ফোনে কী দেখছি, কত সময় দিচ্ছি, কোন জিনিসে মন দিচ্ছি—এসবও একদিন হিসাবের অংশ হবে।* *استغفر الله*

এখন প্রশ্ন হলো—
ফোন কি পুরোপুরি ছেড়ে দিতে হবে?

না, ফোন নিজে সমস্যা না।
সমস্যা হলো ফোনের নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে না থেকে, আমরা ফোনের নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়া।

⏭️⏭️ ফোন দিয়ে ভালো কাজও হয়।
ইলম শেখা যায়, দাওয়াহ দেওয়া যায়, উপকারী আলোচনা শোনা যায়, পরিবারের সাথে যোগাযোগ রাখা যায়।⏮️⏮️

❌কিন্তু যখন ফোন নামাজ পিছিয়ে দেয়, পরিবার থেকে দূরে করে, রাত জাগায়, চোখকে হারামে অভ্যস্ত করে, সময় নষ্ট করে—তখন বুঝতে হবে, ফোন আর tool নেই; সেটা fitnah হয়ে যাচ্ছে।❌⁉️ *اللهم أغفر لنا*

👉👉*তাই আজ থেকে কিছু practical নিয়ম করুন।*

🖍*১. নামাজের আগে-পরে ১৫ মিনিট no-scroll rule রাখুন*
আজান হলে ফোন বন্ধ/দূরে রাখুন।
নামাজ শেষে সোজা ফোনে না গিয়ে অন্তত কয়েক মিনিট যিকির করুন।

🖍*২. পরিবার সময়ের সময় ফোন দূরে রাখুন*
খাবারের সময়, সন্তানের সাথে বসার সময়, স্বামী/স্ত্রীর সাথে কথা বলার সময় ফোন হাতে রাখবেন না।
মানুষের চোখে তাকিয়ে কথা বলা সম্পর্কের বড় হক।

🖍*৩. রাতে বিছানায় ফোন নিয়ে যাবেন না*
রাতের একাকিত্ব + ফোন = অনেক গুনাহ, দুশ্চিন্তা, সময় নষ্টের দরজা।
ঘুমের আগে কুরআন, যিকির, বই—এগুলোর কোনো ছোট অভ্যাস রাখুন।

🖍*৪. সন্তানকে শুধু নিষেধ না করে, নিজেও example হন*
আপনি ফোন হাতে রেখে সন্তানকে বললে, “ফোন কম ব্যবহার কর”—সে শুনবে না।
সে আপনার কথা না, আপনার অভ্যাস শিখবে।

🖍*৫. ফোনের বদলে ছোট উপকারী replacement রাখুন*
যখন স্ক্রল করতে ইচ্ছা করবে, তখন ৫ মিনিট কুরআন, ২ পৃষ্ঠা বই, ১০ বার ইস্তিগফার, বা পরিবারের কারও সাথে ৫ মিনিট কথা—এগুলোর একটা বেছে নিন।

🖍 *৬. app limit ব্যবহার করুন*
কিছু app আপনার ঈমান, সময়, মন, পরিবার—সবকিছু নষ্ট করছে বুঝলে limit দিন, uninstall করুন, বা নির্দিষ্ট সময় ছাড়া ব্যবহার করবেন না।

মনে রাখবেন—
ফোন আপনার হাতে থাকার কথা।
আপনি ফোনের হাতে বন্দি হয়ে যাওয়ার কথা না।

*⏩⏩⏩যে ফোন আপনাকে আল্লাহ থেকে দূরে নেয়,,,,,পরিবার থেকে দূরে নেয়,,,,,নিজের দায়িত্ব থেকে দূরে নেয়—সেটাকে control করা ইবাদতেরই অংশ।* ⏪⏪⏪

*👉👉👉আজ রাতে নিজের ঘরের দিকে একবার তাকান।*

1️⃣ আপনার পরিবার কি আপনার পাশে বসে থেকেও আপনাকে miss করছে?

2️⃣ আপনার সন্তান কি আপনার মনোযোগ চায়?
3️⃣ আপনার মা-বাবা কি আপনার একটা ফোনের অপেক্ষায় আছে?
4️⃣ আপনার স্বামী/স্ত্রী কি আপনার সাথে একটু শান্ত কথা বলতে চায়?
5️⃣ আর আপনার রব কি বহুদিন ধরে আপনাকে নামাজে, কুরআনে, দোয়ার দিকে ডাকছেন?

তাহলে আজ থেকেই শুরু করুন।

*ফোনটা একটু দূরে রাখুন,,,,,,একটা মানুষকে মন দিয়ে শুনুন,,,,,একটা নামাজ ফোন ছাড়া পড়ুন,,,,,একটা রাত স্ক্রল ছাড়া কাটান।*

*হয়তো দেখবেন—----শান্তিটা এতদিন দূরে ছিল না,,,,,শান্তিটা শুধু notification-এর নিচে চাপা পড়ে ছিল।*

*👉👉আজকের action plan:*
1️⃣ আজ মাগরিবের পর ৩০ মিনিট ফোন দূরে রাখুন।
2️⃣ পরিবারের কারও সাথে বসুন, কথা বলুন, শুনুন।
3️⃣ আর নামাজের আগে ফোন silent করে অন্য রুমে রাখুন।

*আপনার জীবনে ফোন সবচেয়ে বেশি কী নষ্ট করছে—নামাজ, সময়, ঘুম, পরিবার, নাকি মনোযোগ?*

Collected post

যেসব ত্রুটিযুক্ত পশু দ্বারা কুরবানি হবে না।
22/05/2026

যেসব ত্রুটিযুক্ত পশু দ্বারা কুরবানি হবে না।

ও আরশের রব এমন একটা মরন আমাকে দিও পুরা বাংলাদেশ আজ তার জন্য দোয়া করছে আর কাদছে এ কেমন মরন আল্লাহ।পৃথিবীর বুকে দৃষ্টান্ত ...
18/12/2025

ও আরশের রব এমন একটা মরন আমাকে দিও পুরা বাংলাদেশ আজ তার জন্য দোয়া করছে আর কাদছে এ কেমন মরন আল্লাহ।পৃথিবীর বুকে দৃষ্টান্ত হয়ে রইল আমার ভাই।

একজন আদর্শ স্ত্রীর ২টি গুনঃ১ম গুণ: স্বামীর অনুগত, বাধ্যগত হওয়া। স্বামী যা আদেশ করেন, তা পূর্ণ করে এবং নাফরমানী করে স্বাম...
29/11/2025

একজন আদর্শ স্ত্রীর ২টি গুনঃ
১ম গুণ: স্বামীর অনুগত, বাধ্যগত হওয়া। স্বামী যা আদেশ করেন, তা পূর্ণ করে এবং নাফরমানী করে স্বামীর অন্তরকে ব্যাথিত করে না। শর্ত হল, স্বামী তাকে শরীয়ত বিরোধী কোন কাজের আদেশ দেয় না। কেননা, শরীয়ত বিরোধী কাজে কারো আনুগত্য হারাম। কারণ, এতে সৃষ্টিকর্তা, রক্ষাকর্তা মহান আল্লাহ তা'আলার নাফরমানী হয়, যিনি রাজাধিরাজ, বিশ্ববিধাতা।
২য় গুণ: নবীজী (সাঃ) ইরশাদ করেন, যদি স্বামী স্ত্রীর প্রতি দৃষ্টিপাত
করে, তাহলে স্ত্রী স্বামীকে সন্তুষ্ট করে দেয়। অর্থাৎ স্ত্রী তার ঢং, সাজ-সজ্জা, রূপচর্চা স্বামীর মরজী মুতাবেক করে। যখন স্বামীর দৃষ্টি স্ত্রীর চেহারায় পড়ে, তখন তাকে দেখে স্বামীর অন্তর সন্তুষ্ট হয়ে যায়। কোন কোন নির্বোধ নারী অশালীন আচরণ করে। কথায় কথায় মুখ বক্র করে। অসুস্থতা প্রকাশের জন্য খামোখা কোকাতে থাকে। রূক্ষ্ণ মেজাজ প্রদর্শন করে। কোন কোন স্ত্রী অগোছানো কেশে অপরিচ্ছন্ন বেশে কাজের বুয়ার মত স্বামীর সম্মুখে ঘোরাফেরা করে। এতে স্বামী মানসিকভাবে ক্লীষ্ট এবং আন্তারিকভাবে ক্ষিপ্ত হতে থাকে। স্বামী এমন স্ত্রীর চেহারার প্রতি দৃষ্টিপাত করাও অপছন্দ করে; বরং বাইরে থেকে গৃহে প্রত্যাবর্তন করাও মুসীবত মনে করে। এদের মধ্যে ঐ সব নারীরাও রয়েছে, যারা নমায রোজার পাবন্দ হওয়ার কারণে নিজেদেরকে নেককার, দ্বীনদার, পরহেজগার মনে করে, অথচ নেককার ও আদর্শ স্ত্রীর গুণাগুণের মধ্যে এ গুণটিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে যে, সে স্বামীর অনুগত, বাধ্যগত হবে এবং স্বামী তার প্রতি দৃষ্টিপাত করলে, স্বামীকে সন্তুষ্ট করে দেবে। তবে শরীয়ত বিরোধী খাহেশ পূর্ণ করবে না। এটা জায়েয নেই।

29/10/2025

গতকাল ওপেনএআই একটা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। যেখানে বলা হচ্ছে, সপ্তাহে প্রায় ১২ লাখ মানুষ চ্যাটজিপিটির সাথে 'আত্মহত্যা' সংক্রান্ত আলাপ করে। অর্থাৎ তারা এমন সব প্রশ্ন করে, বা এমন সব আলাপ করে, যা সরাসরি তাদের সুইসাইডাল মনোভাব নির্দেশ করে। সহজ অর্থে, দিনে গড়ে দেড় লাখেরও বেশি মানুষ- শুধু চ্যাটজিপিটির কাছেই নিজেদের মাত্রাতিরিক্ত ডিপ্রেশন তুলে ধরে। আপনি যখন এই পোস্ট পড়ছেন, হয়তো কেউ কেউ তখনও চ্যাটজিপিটির সাথে নিজের সুইসাইডাল মনোভাব নিয়ে আলাপ করছে। ভালো নেই, কেউ কোথাও ভালো নেই। কেবল সংগ্রামে সংগ্রামে বেঁচে আছে।

এক লোক রাতে বাড়িতে এসে দেখেন, তার সন্তানরা সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে। স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করলেন, 'ওরা নামায পড়েছে'?স্ত্রী বললেন, '...
24/10/2025

এক লোক রাতে বাড়িতে এসে দেখেন, তার সন্তানরা সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে। স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করলেন, 'ওরা নামায পড়েছে'?

স্ত্রী বললেন, 'বাড়িতে কোনো খাবার ছিলোনা। সবাই ক্ষুধায় কান্না করতে করতে ঘুমিয়ে পড়েছে। নামায পড়েনি'।

'ওদেরকে জাগিয়ে দাও। ওরা নামায পড়ুক'।

'ওদেরকে জাগিয়ে উঠালে খাবার না পেয়ে ওরাতো ক্ষুধায় আবার কান্না-কাটি করবে'।

'ওদেরকে জাগিয়ে দিতে বলেছি জাগিয়ে দাও। আমার আদেশ পালন করো। তাদের রিজিকের দায়িত্ব আমার না। রিজিকের দায়িত্ব আল্লাহ তাআ'লার উপর'।

আল্লাহ তাআ'লা বলেছেন,

আর তোমার পরিবারবর্গকে নামাযের নির্দেশ দাও এবং তাতে অবিচল থাকো। আমরা তোমার কাছে রিযিক চাই না; আমরাই তোমাকে রিযিক দিই, আর [সর্বোত্তম] পরিণতি হলো তাকওয়ার।

"তোমার পরিবারবর্গকে নামাযের আদেশ দাও এবং তার উপর অবিচল থাকো। আমি তোমার কাছে কোন রিযিক চাইনা আমিই তোমাদেরকে রিযক দান করি। শুভ পরিণাম তো শুধুমাত্র মুত্তাকীদের জন্য"।

(১৩২ - সূরা ত্বহা)

একথা শুনে স্ত্রী তৎক্ষণাৎ সন্তানদের জাগিয়ে নামায়ে দাঁড় করিয়ে দিলেন। নামায শেষ করে যখন তারা উঠলো। এমন সময় দরজার বাইরে থেকে সালামের আওয়াজ ভেসে আসলো। দরজা খুলে দেখা গেলো, এক লোক তার কাধে অনেক খাবার। লোকটি বললো, 'এগুলো আপনার পরিবারের জন্য। গ্রহণ করুন'।

লোকটি কৈফিয়তের সুরে আরো বললো, ' শহর থেকে একজন নেতা আমার বাসায় মেহমান হয়ে এসেছিলেন। তার সামনে আমি খাবারগুলো পরিবেশন করলাম। কিন্তু খাবার শুরু করার পূর্বেই আমাদের মাঝে প্রচন্ড কথা কাটাকাটি হয়ে গেলো।

মেহমান রাগান্বিত হয়ে কিছু না খেয়েই চলে গেলেন। অতঃপর আমি খাবারগুলো নিয়ে বের হলাম। ভাবলাম, আল্লাহ যেদিকেই নেন, যেখানে নেন সেখানে খাবারগুলো দিয়ে আসবো।

আল্লাহর নামে শপথ করে বলছি, হাঁটতে হাঁটতে আমি আপনার দরজায় এসে দাড়িয়ে গেলাম। আমি বুঝতে পারছিনা, কে আমাকে আপনার দরজার সামনে এনে দাঁড় করিয়ে দিলো'

বিয়ের প্রথম কয়েকটা মাস, একটা হ্যাপি কাপলের সোশ্যাল মিডিয়া এক্টিভিটি, আজীবন (আমরণ) দীর্ঘমেয়াদে সম্পর্ক নষ্ট হবার জন্য যথে...
05/10/2025

বিয়ের প্রথম কয়েকটা মাস, একটা হ্যাপি কাপলের সোশ্যাল মিডিয়া এক্টিভিটি, আজীবন (আমরণ) দীর্ঘমেয়াদে সম্পর্ক নষ্ট হবার জন্য যথেষ্ট।

টাইমলাইন আর স্টোরিতে সুখী মুহূর্তের ছবি—জোড়া কাপ, জোড়া হাত, একসঙ্গে ঘুরে বেড়ানো কিংবা রান্নার প্রশংসা—এসবই উঠে আসে সোশ্যাল মিডিয়ায়। বেডরুমে একসাথে থাকা হয়, ভালবাসা জানানোর সময় যেন পাওয়া যায় না৷ টাইম লাইনে যেয়ে কিংবা আইডি ট্যাগ করে আই লাভ ইউ পোস্ট করা লাগে ইত্যাদি৷

কিন্তু এসবই অনেক সময় অন্যের হিংসা ও ঈর্ষার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যারা নিজেরা অসুখী, বা এই প্রত্যাশিত জীবনটা যারা পান নি, তারা সেই সুখী দম্পতিকে দেখে দীর্ঘশ্বাস ফেলে।

ধীরে ধীরে দাম্পত্য জীবনে "নজর" লাগতে শুরু করে, যা আল্লাহর দেওয়া নেয়ামতগুলোও ছিনিয়ে নিতে পারে। এরপর শুরু হয় অকারণ কলহ আর ভুল বোঝাবুঝি, যা সম্পর্কের ভিত দুর্বল করে দেয়। কিছু ক্ষেত্রে আর কোনভাবেই রিকভার হয় না৷ সাংসারিক সমস্যা এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে তা কখনো ডিভোর্স পর্যন্ত গড়ায়। কয়েক বছরের মধ্যেই সুন্দর সম্পর্ক ভেঙে যায়।

বদ নজরের প্রভাব বাস্তব। তাকে উটকে (জীবিত) পাতিলে (রান্না মাংসে) পরিণত করারও ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে৷

নিজেদের সুখের মুহূর্তগুলো শেয়ার করার ক্ষেত্রে সংযমী হওয়া এবং আল্লাহর কাছে নিরাপত্তা চাওয়া জরুরী।

- শাহ্ মোহাম্মদ তন্ময়

উচ্চ শিক্ষা যত বেড়েছে তত ডিভোর্স বেড়েছে। তার অন্যতম কারণ নারীর সিফাত নষ্ট হয়ে গেছে। এই যুগে নারীদের মাঝে বিড়াল প্রেম/পশু...
02/09/2025

উচ্চ শিক্ষা যত বেড়েছে তত ডিভোর্স বেড়েছে।
তার অন্যতম কারণ নারীর সিফাত নষ্ট হয়ে গেছে।

এই যুগে নারীদের মাঝে বিড়াল প্রেম/পশু প্রেম দেখতে পারবেন। তাছাড়া পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা হতে ভার্সিটির নানা ইভেন্টে ভলেন্টিয়ার দেখতে পাবেন৷

ভার্সিটির নানা উৎসবে দেখবেন তাদের রাত জাগা টিম ওয়ার্ক। কখনো র‍্যাগ-ডের রিহার্সাল বা কখনো পহেলা বৈশাখের প্রস্তুতি। সব কিছুতে তারা উজার করে দিবে বেহিসাবে৷ ফ্রি মিক্সং এ ছেলে বন্ধুদের সাথে এদের মেলা খুনসুটি।

এতো কিছুর পরেও ডিভোর্স ক্যান হু হু করে বৃদ্ধি পাচ্ছে?কারণ একটা নারীরা বাহিরে সব জায়গায় ভালো কাজের প্রতিযোগী হলেও স্বামীর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বী।

স্বামীর সাথে এরা জিরো টলারেন্স। বিন্দু পরিমাণ ছাড় নেই। এদের দেখবেন দুর্গন্ধযুক্ত নালায় ময়লা পরিস্কার করলেও। ঘরের হাড়ি পাতিল ধুতে গেলে এদের মনে হয় পরাধীন।

স্বামী ৪০ হাজার টাকা কামাই করে স্ত্রীর পেছনে ২০ হাজার টাকা ব্যয় করলেও স্বামীর অনুগত পাইবেন না।।আবার একই নারী ১৫/২০ হাজার টাকার জন্য বিভিন্ন সুপারশপ ও শোরুমে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকে৷ বস কে প্রভু মানে। আর কাস্টমারকে আকর্ষিত করতে উজার করে দেয়৷
কথা আচরণে মনে হয় এরা দুনিয়ার সবচেয়ে মার্জিত প্রাণী।
স্বামীরা এতকিছু করলেও তারা প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠে। সুপারশপ/শোরুমে বসের আনুগত্য করলেও স্বামীর অনুগত হওয়াটা তাদের কাছে পরাধীন।।

~আল ইন্তিফাদা

মানুষ কখনও পাহাড়ে হোঁচট খায় না, হোঁচট খায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ইট পাথরের টুকরাতে। পাহাড়ের মতো বিশাল কিছুর সামনে আমরা সতর্ক ...
11/05/2025

মানুষ কখনও পাহাড়ে হোঁচট খায় না, হোঁচট খায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ইট পাথরের টুকরাতে। পাহাড়ের মতো বিশাল কিছুর সামনে আমরা সতর্ক থাকি, প্রস্তুত থাকি। কিন্তু ইট পাথরগুলো আমাদের দৃষ্টি এড়িয়ে যায়, যে কারণে প্রায়ই আমরা ইট পাথরে পা হড়কে পড়ে যাই।

জীবনের মতোই, সম্পর্কের পথও এরকমই। একটি সম্পর্ক – সেটা প্রেম, বন্ধুত্ব, দাম্পত্য কিংবা পারিবারিক যাই হোক না কেন – কখনোই বড় কোনো ইস্যুতে ভেঙে পড়ে না। সম্পর্ক ভাঙে ছোট ছোট ভুল বোঝাবুঝি, অবহেলা, না বলা কথার ভেতরে জমে থাকা কষ্ট, কিংবা সময়মতো একটুখানি মনোযোগ না দেওয়ার কারণে। এই ছোট ছোট অপ্রাপ্তিগুলো প্রথমে হয়ত তেমন একটা গুরুত্ব পায় না, কিন্তু দিনে দিনে সেগুলো জমতে জমতে পাহাড়ের চেয়েও বড় হয়ে ওঠে। একটা সময়ে গিয়ে যখন আর বোঝাপড়ার কোনো রাস্তা খোলা থাকে না, বিচ্ছেদ হয়ে ওঠে একমাত্র সমাধান।

আমরা অনেক সময় ভাবি, “এতো ছোট একটা বিষয়, ও এতটা রাগ করল কেন?” কিন্তু ওই ছোট্ট বিষয়টাই হয়ত তার কাছে বড় ছিল। হয়ত সে প্রতিদিন একটু কথা বলে হালকা হতে চেয়েছিল, হয়ত ও একটুখানি বেশি সময় চেয়েছিল, হয়ত আপনার কোনো একটা বাক্য বা অভিব্যক্তি তার মনে অনেক গভীর ক্ষত তৈরি করেছে। একটি ক্ষতের জন্য সবসময় বড় অস্ত্র লাগে না, ক্ষত গভীর হয় তখনই যখন অনুভূতির জায়গায় আঘাত লাগে।

তাই একটি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে হলে বড় কিছু করার প্রয়োজন পড়ে না। প্রয়োজন পড়ে ছোট ছোট যত্নের, সামান্য খেয়ালের, একটুখানি বোঝাপড়ার।

সময়মতো একটি মেসেজ, ক্লান্ত দিনে এক কাপ চা, কষ্টে থাকা মানুষটার পাশে নীরব উপস্থিতি, কিংবা কেবল মন দিয়ে তার মনের কথাগুলো শোনা — এই ছোট্ট ছোট্ট কাজগুলোই আজীবনের বন্ধন গড়ে তোলে।

সম্পর্ক মানে একে অপরের জায়গায় নিজেকে কল্পনা করতে পারা। তার অনুভূতিকে তার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে উপলব্ধি করার চেষ্টা করা। একটুখানি কেয়ার, একটুখানি সম্মান, একটুখানি গুরুত্ব দেওয়া, একটুখানি সহানুভূতি — এগুলোই একটি সম্পর্কের মেরুদণ্ড।

মনে রাখবেন, সম্পর্ক একটি সুন্দর বাগানের মতো। প্রতিদিন সেখানে একটু করে পানি দিতে হয়, আগাছা পরিষ্কার করতে হয়, খেয়াল রাখতে হয় সূর্যের আলো পড়ছে কিনা। অবহেলা করলেই তা শুকিয়ে যায়। তাই সম্পর্কের ছোট ছোট বিষয়গুলোকে অবহেলা নয়, বরং যত্নে আলিঙ্গন করা উচিত। কেননা, জীবনের সবথেকে বড় সুখ লুকিয়ে থাকে ওই ছোট ছোট খুঁটিনাটিতেই!

09/04/2025

বিয়ের ক্ষেত্রে শুধু দ্বীন-দ্বীন ম্যাচিং হলেই ব্যাপারটা ফর গ্যারেন্টেড হয় না যে সম্পর্ক টিকে যাবে।

কিংবা উচ্চতা-বয়স-সৌন্দর্য্য পারিবারিক কুফু, স্ট্যাটাস হ্যান ত্যান ইত্যাদি ম্যাচিং এর পাশাপাশি মোস্ট ইম্পর্ট্যান্ট যে ব্যাপার টা তা হলো "মেন্টালিটি ম্যাচ করা" - অর্থাৎ দুজনের চিন্তা ভাবনা এক ধরণের।

অনেক দ্বীনদার কাপল এরও ডিভোর্স হয়ে যায়। প্রথম শ্রেণীর সাহাবা গণেরও এমন হয়েছিল, উভয় পক্ষই দ্বীনদার, ডিভোর্স হয়ে গেছে। এর কারণ - জাস্ট ইট ডিড নট ওয়ার্ক।

এজন্য বিয়ের আগে কিছু প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে মেন্টালিটি বুঝে নেওয়া জরুরী। দেখা গেলো ভবিষ্যত সন্তানের ব্যাপারে একজনের স্বপ্ন মুজাহিদ/ আলেমা, আরেকজনের স্বপ্ন ডাক্তার/ ইঞ্জিনিয়ার।

- ভবিষ্যত সন্তানের ব্যাপারে কী স্বপ্ন?
- উম্মাহ কে নিয়ে কার কেমন প্ল্যান?
- দুনিয়ার প্রতি আগ্রহ কার কতটুকু, কী কী হতেই হবে, কী কী না হলেও হবে। কীসের ছাড় দেওয়া যাবে, কিসে না।
- পাত্র কেমন বউ চায় যে বিয়ের পর বউ এই এই করুক, এই টাইপ হবে, পাত্রী কেমন বর চায় যে বিয়ের পর হাজবেন্ড এই এই করুক, এই টাইপ হবে এগুলোও মনের মধ্যে কথা জমিয়ে না রেখে জানিয়ে দিতে হবে।

না বলে ভেতর রেখে দিলে, পরে বিয়ের পর একটু একটু করে বুঝতে গেলে, চিনতে গেলে, প্রায় কাজে দুজনের থিংকিং আলাদা, এভাবে আসলে বেশি দূর আগানোও যায় না। মেন্টালিটি মিনিমাম যতটুকু ম্যাচ করার প্রয়োজন ততটুকু না করলে সম্পর্ক টিকানো কঠিন।

তাই এগুলো মাহরাম এর উপস্থিতিতে হোক, কিংবা মাহরাম কে দূরে রেখে , নিজেরা একটু দূরে বসে হোক (যদি কনফিডেন্টাল কোন কথা থাকে, যা মাহরামের সামনে বলা যাবে না) বা লিখিত আকারে যেভাবেই হোক, পরস্পরের জেনে নিতে হবে।

মেন্টালিটি যতটুকু ম্যাচিং করে, বাকীটা যদি এডজাস্ট করে নেওয়া যায় বলে মনে হয়, তাহলে আগালে বিচ্ছেদের সম্ভাবনা টা অনেক খানিই কমে যায়।

আর এর পরও কিছু বিচ্ছেদ হবে। সেটা তকদীর।

Address

Pabna
6600

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share