আমরা ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করিনা,ধর্মীয় রাজনীতি করি।

  • Home
  • Bangladesh
  • Pabna
  • আমরা ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করিনা,ধর্মীয় রাজনীতি করি।

আমরা ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করিনা,ধর্মীয় রাজনীতি করি। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

04/08/2024

মানুষের নিজের জীবনের চেয়ে মূল্যাবান
তার কাছে আর কিছু নাই।
তাহলে কেনো তারা পুলিশের গুলির কাছে নিজের বুক পেতে দিচ্ছে?
মানুষ কখন তার নিজের জীবনটাকে বিলিযে দেয়? আপনিকি বলতে পারবেন?
#জাতী আজ বাঁচতে চায়, জাতীকে বাচাতে চায়

17/12/2020
11/08/2020

আপনি কোথয় জাবেন?
বাংলাদেশ ব্যাংকে→তার নির্বাহী পরিচালকের নাম [শুভঙ্কর সাহা]।
পর্যটন কর্পোরেশনে যাবেন→তার চেয়্যারম্যান [অপরূপ চৌধুরী]।
একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে যাবেন→তার পরিচালক [প্রশান্ত কুমার রায়]।
স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে যাবেন→তারও চেয়ারম্যান [তপন কুমার চক্রবর্তী]।
পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন (ডিপিডিসি) যাবেন→সেখানেও চেয়ারম্যান [তাপস কুমার]।
জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরে যাবেন→তার মহাপরিচালক [স্বপন কুমার রায়]।
পাবলিক লাইব্রেরী যাবেন→তারও মহাপরিচালক [আশীষ কুমার সরকার]।
পাঠ্যপুস্তক বোর্ডে যাবেন→তারও চেয়ারম্যান [নারায়ন চন্দ্র সাহা]।
প্রেস কাউন্সিলে যাবেন→তার প্রধানও [শ্যামল চন্দ্র কর্মকার]।
সর্বত্রই এখন হিন্দুদের দাপট(কেনো)। বেছে বেছে সব উপরের পদগুলোতে বসানো হয়েছে হিন্দুদের (কেনো)। মুসলমানদেরকে করা হয়েছে হিন্দুদের অধিনস্ত(কেনো)। হিন্দু বস যা বলে, ‍অধিনস্ত মুসলিমদের তাই মুখ বুজে মেনে নিতে হয়(কেনো)।
তবে শুধু বস হিসেবে নয়, হিন্দু হওয়ার কারণে তাদের থাকে আলাদা দাপট, বিষয়টা এমন- তাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধেও কিছু বলা যায় না।
আমাদের ভাই {আবরার ফাহাদের) হত্যাকারি অনিক সরকার কোন ধর্মের?
হিন্দুদের দ্বারা মুসলিম কর্মকর্তারা এখন পুরোপুরি কোনঠাসা এবং নির্যাতিত। সবাই বুঝতেছে, কিন্তু কিছুই যেন করার নেই।
নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত সর্বাধিক প্রচারিত বাংলা সাপ্তাহিকী "ঠিকানা" ৩ জানুয়ারি (২০১৪) সংখ্যায় এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে।
এক নজরে বাংলাদেশের সচিবালয় থেকে "হারিয়ে যাচ্ছে ইসলাম-মোহাম্মদরা, বাড়ছে রায়-বাবুদের আধিপত্য" শীর্ষক প্রতিবেদনের সূচনাতেই বলা হয়, ‘সচিবালয়ে ঢুকে আপনি দয়া করে কনফিউজড বা বিভ্রান্ত হবেন না। হয়তো ভাবতে পারেন, কোথায় আসলাম?
ঢাকা নাকি দিল্লির সিভিল সার্ভিস পাড়া এটা ! ৯৫ শতাংশ মুসলমানের দেশে সিভিল সার্ভিসে হিন্দু সম্প্রদায়ের আমলাদের আধিক্য দেখে আপনি অবাক হতেই পারেন। সাইনে লেখা রয়েছে অমুক বোস বা অমুক রায়, কোনোটায় অমুক দত্ত, আবার কোনোটায় অমুক বিশ্বাস।

আফসোস ও পরিতাপের বিষয় এই যে, এসব "নেম সাইনের" ভিড়ে হারিয়ে গেছে মোহাম্মদ বা ইসলাম নামের "নেম সাইন"।

সচিবালয়ে এখন নাকি মুখে কথা হয় না, ভাব বিনিময় হয় ইশারায়। হিন্দু অফিসারদের দাপটে মুসলমানরা রয়েছেন কোণঠাসা অবস্থায়। চাকরি আছে কিন্তু চেয়ার টেবিল নাই, মুসলমান এমন কর্মকর্তার সংখ্যা সচিবালয়ে এতই বেড়েছে যে, লাইব্রেরিতে বা ক্যান্টিনেও এখন আর বসে সময় কাটানোর জায়গা নেই।
নাম না প্রকাশ করার শর্তে কয়েকজন অফিসার বললেন, বর্তমান সরকারের শুরু থেকেই একটি চক্র তালিকাহাতে এ কাজটি করে আসছে। চিহ্নিত হিন্দু অফিসারদের গুরুত্বপূর্ণ কোথায় কোথায় বসাবে, তা আগে থেকেই নির্ধারিত। এমনকি কয়েকপদ ডিঙ্গিয়ে প্রমোশন দেয়া হিন্দু ওই কর্মকর্তাদের।
ওএসডি থাকা একজন অতিরিক্ত সচিব বললেন, শুধু সচিবালয়েই নয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বিচারালয়, টেলিকমিউনিকেশন সেক্টর, পুলিশ-প্রশাসন, জেলা-উপজেলা প্রশাসনসহ সর্বত্র এখন দাপটে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন হিন্দু কর্মকর্তারা। তিনি জানালেন, এখন অনেকেই বলে থাকেন, খুব বেশি দূরে নয়, হয়তো দেখা যাবে পাকিস্তান আমলে ‘পাঞ্জাবি খেদাও’ অভিযানের মতো বাংলাদেশেও এ ধরনের কোনো অভিযান শুরু হয়ে যাবে।
আমার দৃষ্টিতে, বর্তমান সময়টা ঠিক ব্রিটিশ আমলের মত। ব্রিটিশ পিরিয়ডের শুরুতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি নিজেদের প্রাধান্য বিস্তারের জন্য সকল মুসলিম কর্মকর্তা-কর্মচারিদের সরিয়ে শুধু হিন্দুদের নিয়োগ করেছিলো।
চাকুরীতে হিন্দুদের তুলনামূলক বেশি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে) হিন্দুদের হাতে দেশ তুলে দিচ্ছে, তা দেখে মনে হচ্ছে নতুন করে পরাধীনতার শিকল এমনভাবে ঘিরে আছে, ধরছে বাংলাদেশকে তা থেকে বের হতে কত যুগ পেরিয়ে যায় !!!
-

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2934148946706637&id=204480719673487
14/04/2020

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2934148946706637&id=204480719673487

করোনা মহামারীর এই পরিস্থিতিতে সারাদেশে ৯ এপ্রিল'২০২০ পর্যন্ত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের উল্লেখযোগ্য বিবরণ...

আল্লাহ কবুল করুন, আমাদের সকলকে হেফাজত করুন, আমীন।

See more at-
https://www.facebook.com/1655241494703764/posts/2707447712816465/

15/02/2019

একটি শিক্ষণীয় বিষয়ঃ-
===============
একজন লোক মাত্র বিয়ে করে তার স্ত্রীকে সাথে নিয়ে বাড়িতে ফিরছিল। তারা যখন নৌকা দিয়ে নদী পার হচ্ছিল, তখন হঠাৎ একটি বড় ঝড়ের কবলে পড়েছিল। লোকটি ছিল একজন সাহসী যোদ্ধা, কিন্তু তার স্ত্রী খুব ভীত হয়ে ওঠে যেহেতু নৌকাটি ছিল ছোট এবং যে কোন মুহূর্তে তারা নিমজ্জিত হতে যাচ্ছে এতে সে খুব নিরাশ হয়ে পড়ল। কিন্তু লোকটি তখনও নীরব এবং শান্ত ছিলেন যেন কিছুই ঘটে নি। স্ত্রীটি আতঙ্কগ্রস্ত
এবং কম্পিত কন্ঠে জিজ্ঞেস করল, “আপনি কি
ভীত নন? এটাই আমাদের জীবনের শেষ মুহূর্ত হতে পারে! শুধুমাত্র কিছু অলৌকিক ঘটনা আমাদের রক্ষা করতে পারে। অন্যথায় মৃত্যু নিশ্চিত!”
লোকটি হাসতে হাসতে তার তলোয়ারটি খোলস থেকে বের করল। স্ত্রীটি আরো আতঙ্কিত হয়ে পড়ল। সে আসলে কি করতে যাচ্ছে? তারপর সে তার খোলা তলোয়ারটি তার স্ত্রীর প্রায় গলাকে স্পর্শ করে ধরে রাখল এবং বলল, “তুমি কি ভয় পাচ্ছ?” তার স্ত্রী হাসতে শুরু করল আর বলল “আমি কেন ভয় পাব? তলোয়ারটি তো আপনার হাতে! কেন আমি ভয় পাব? আমি জানি যে আপনি আমাকে অনেক ভালোবাসেন।” সে তলোয়ারটি খোলসের ভিতর রাখতে রাখতে বলল, “তুমি আমার উত্তর পেয়ে গেছো!
আমি জানি, আল্লাহ আমাদের ভালবাসেন এবং ঝড় তাঁরই হাতে। তাই যাহা কিছুই হতে যাচ্ছে ভালোই হবে। যদি আমরা বেঁচে থাকি, ভালো। আর না বাচলেও, ভালো। কারণ সবকিছু তাঁর হাতে এবং তিনি কোন ভুল কিছু করতে পারেন না।” সুতরাং সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাস রাখুন। তিনি যা করেন আমাদের ভালোর জন্যই করেন।
হে আল্লাহ! আমাদেরকে আপনার প্রত্যেকটি পরীক্ষা ধৈর্য্যের সাথে মোকাবেলা করার তাওফিক দান করুন ।
copy post

18/12/2018

# পর্দা:
# এক দুপুরে নানী নাতিকে সঙ্গে নিয়ে পুকুরে গোসল করতে গেল। নানী পর্দানশীল মহিলা। পুকুরটা রাস্তার ধারে! নাতিকে বলল, আমি গোসল করতে নামছি। লোক এলে বলবি।
,
নাতিকে পাড়ে দাঁড় করিয়ে দিয়ে নানী ঘাটে বসে মাথার কাপড় খুলে সাবান মাখতে লাগল। ক্ষণেক পরে ঐ রাস্তায় একটি লোক আসতে দেখে নাতি হাকুলি বিকুলি করে বলে উঠল, নানী গো নানী! লোক আসছে!!
তা শুনে নানী শশব্যস্ত হয়ে গায়ে মাথায় শাড়ী জড়িয়ে নিল। লোকটি পার হয়ে গেল। ঘোমটার ফাঁকে নানী দেখল, লোকটি আর কেউ নয়, ও পাড়ার ফটিক। তাই নাতিকে বলল, ও-হ! ও তো ও পাড়ার ফটিক রে! ভাল করে দেখবি, লোক এলে বলবি।
কিছু পরে একজনকে আসতে দেখে নাতি বলে উঠল, নানী গো নানী! লোক আসছে!
নানী সত্বর গায়ে মাথায় শাড়ী জড়িয়ে নিয়ে চোরা চাহনিতে দেখল, দুধওয়ালা। বিরক্ত হয়ে বলল, আরে বোকা! ও তো দুধওয়ালা রে! প্রত্যেকদিন আমাদের ঘরে দুধ দিয়ে যায়, জানিস না? ভাল করে দেখিস, লোক এলে বলবি!
সামান্যক্ষণ পরেই মাথায় ঝুড়ি নিয়ে একজনকে আসতে দেখে নাতি বলল, নানী গো নানী! লোক আসছে।
নানী গায়ে মাথায় কাপড় দিয়ে পিছন থেকে তাকিয়ে দেখে বলল, ও তো চুড়িওয়ালা রে! আমরা ওর কাছ থেকে চুড়ি নেই। জানিস না?
নানী সাবান মাখতে মশগুল হল, নাতি মনে মনে ভাবতে লাগল, তাহলে লোক আবার কাকে বলে? স্থির করল আর কিছু বলবে না!
# হঠাৎ গ্রামের ইমাম সাহেব সে রাস্তা দিয়ে কোথাও যাচ্ছিলেন। নাতি আর কিছু বলল না। নাতি মনে মনে ভাবতে লাগলো, উনি তো আমাদের ইমাম সাহেব উনার কথা বলে নানীকে আর বিরক্ত করে কোন লাভ নাই।
নাতির যেমন চিন্তা তেমনি কাজ, ঐ দিকে ইমাম সাহেব নানীকে খোলামেলা দেখে গলা ঝাড়তে শুরু করলেন। নানী শশব্যস্ত হয়ে লজ্জাবতী লতার মত শাড়ী জড়িয়ে জড়সড় হয়ে গেল। মৌলবী সাহেব পার হয়ে গেলে সে রাগে অধীরা হয়ে পাড়ে এসে নাতির গালে ঠাস ঠাস করে দু চড় লাগিয়ে দিল।
বলল, বাঁদর! লোক চিনিস না? তোর চোখ খারাপ হয়েছে নাকি? বললাম যে, লোক এলে বলবি!
নাতি ই-ই-ই-ই করে কাঁদতে শুরু করলো।
এবং বললো তুমার তো আগেই বলা উচিত ছিল, যে হুজুরেরা লোক হয়। তাহলে তো আমিও হুজুর আসলেই বলে দিতাম।
Add me
# বর্তমানে আমাদের সমাজের বেশিরভাগ মা-বোন গুলোই ঐ নানীর মত হয়ে গেছে। হুজুর দেখলেই শুধু তাদের পর্দার প্রয়োজন হয়। তা ছাড়া তাদের কোন পর্দা লাগেনা। পর্দা করা যে ফরজ এটা হয়তো বর্তমানে অনেক মেয়েরা জানে না।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে কোরআন-সুন্নাহ মোতাবেক পর্দা করার তাওফিক দান করুন।

Address

Www. Shibirbera@gmail. Com
Pabna

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আমরা ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করিনা,ধর্মীয় রাজনীতি করি। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share