Jahid Hasan

Jahid Hasan Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Jahid Hasan, Pabna.
(1)

04/03/2026

Follow স্ট্যাটাস প্রেমী's WhatsApp channel. Join 1 follower for the latest updates.

19/10/2025

মৃত্যু নিয়ে ভয়ংকর বক্তব্য আনিসুর রহমান আসরাফি

16/10/2025

゚viralシfypシ゚viralシ #

16/10/2025

ছেলেটি পুনর্জন্ম নিয়ে

তার বাবার অপমানের প্রতিশোধ নিলো


14/10/2025

ছোট বাচ্চাদের সঙ্গে কি ঘটে গেল একটু দেখুন সবাই ভিডিওটা শেয়ার করে দিবেন সবাইকে দেখার সুযোগ করে দেবেন যেন সকল মা-বাবা সতর্ক হতে পারে ゚viralシfypシ゚viralシ ゚viralfbreelsfypシ゚viral

14/10/2025

নকল সাপ যাদুর সাপ ধংসন দিত আরগায়েব হয়ে যেত। #শেনলির
#শেনলির

নকলসাপ
#যাদুরসাপ
#ধংসন (কামড়)
#গায়েবহয়েযাওয়া
#সিনেমাদৃশ্য
#অবিশ্বাস্যযাদু
#সাপেরখেলা


#চলচ্চিত্রব্যাখ্যা

#সিনেমাআলোচনা
#রহস্যময়সিনেমা
সাধারণ হ্যাশট্যাগ:





আচ্ছা নেহা তোমার তল পেটে এই কাটা দাগটা কিসের?বাসর রাতে চরম রোমাঞ্চকর মূহুর্তে এই কথাটা শোনার জন্য একদমই প্রস্তুত ছিলো না...
12/09/2025

আচ্ছা নেহা তোমার তল পেটে এই কাটা দাগটা কিসের?

বাসর রাতে চরম রোমাঞ্চকর মূহুর্তে এই কথাটা শোনার জন্য একদমই প্রস্তুত ছিলো না নেহা।

এদিকে নেহার মুখে কোন উত্তর না পেয়ে আবার ও জিজ্ঞেস করলো মজনু,,বললে না তো, তোমার তলপেটে এই কাটা দাগটা কিসের?

নেহা এইবার একটু নড়ে-চড়ে বসলো,ডেসিন টেবিলের উপর রাখা পানির গ্লাস হাতে নিয়ে এক ঢোকে সবটুকু পানি খেয়ে ফেললো।

তারপর তার স্বামী মজনুর বুকের সাথে একেবারে লেপ্টে গেলো,নেহার চোখের পানি দিয়ে ইতিমধ্যে মজনুর বুকটা ভিজে একাকার হয়ে গেছে।

যদি ও মজনু জানে এই কাটা দাগের রহস্যটা কি,তবুও নেহার মুখ থেকে সে শুনতে চায়।

নেহা -আমি যদি আপনাকে এই কাটা দাগের রহস্যের কথা বলি,আপনি আবার আমাকে ছেড়ে দিবেন নাতো(অসহায় দৃষ্টিতে তাকিয়ে কথাটা বললো নেহা)

মজনু-তুমি নির্ভয়ে বলতে পারো,আমি তোমাকে কখনো ছেড়ে দিব না।

তারপর নেহা বলতে শুরু করলো,,,

ঘটনাটি কয়েক বছর আগের,তখন আমি নিউ টেনে পড়ি,তো এক বান্ধবীর বিয়েতে তার বাড়িতে গিয়েছিলাম।

অন্য সবার মতো আমার মন ও তখন প্রেমের জন্য দিওয়ানা হয়ে ছিলো।ভালোই চলছিলো বিয়ে বাড়িতে কাটানো মূহুর্তগুলো।

হঠাৎ আমার চোখ পড়ে নীল পাঞ্জাবি পড়া একটা ছেলের উপরে।দেখতে লম্বা চরা,হ্যান্ডসাম,স্মার্ট, এক কথায় যেকোন মেয়েকে ঘায়েল করতে তার একটা মুচকি হাসিই যথেষ্ট ছিলো।sneh0st0ryhub

মজনু-তারপর কি হলো(উৎসাহের সাথে জিজ্ঞেস করলো)

নেহা-এক গ্লাস পানি হবে,গলাটা একটু শুকিয়ে গেছে,,,
মজনু-হুমম এই নেও(পানির গ্লাস এগিয়ে দিয়ে)

পানি খেয়ে আবারও বলা শুরু করলো নেহা,,,

প্রথম দেখাতেই ভালোবেসে ফেলি ওকে,সেদিন রাতেই ওকে প্রপোজ করি,আর বাবু(সেই ছেলেটা) ও আমার প্রপোজ একসেপ্ট করে।

এভাবে চলতে থাকে আমাদের প্রেম,একসময় বাবু আমার সাথে ফিজিক্যাল রিলেশন করতে চায়,প্রথমে রাজী হইনি।

কিন্তু পরে রাজী হয়ে যাই,কারণ ওর প্রতি আমি এতোটাই মুগ্ধ হয়েছিলাম যে ওকে ছাড়া আমার জীবন অসম্ভব ছিলো।

প্লাস আমার শরীর ও তখন প্রথম কারো স্পর্শ পাওয়ার জন্য পাগল হয়ে ছিলো।

বাবুর সাথে রুম ডেট করার পর থেকে ও আমাকে এভয়েড করা শুরু করে,আমার সাথে ঠিকমতো কথা বলেনা।

আগের মতো কেয়ার করে না,তারপর একদিন হঠাৎ করে ফোন দিয়ে বলে ব্রেকাপ,শুধু এইটুক বলেই ফোন কেটে দিয়েছিলো।

আমাকে কোন কথা বলার চান্স দেয়নি।এভাবে চলে যায় কয়েকমাস একসময় আমি জানতে পারি,আমি মা হতে যাচ্ছি, কথাটা শোনা মাএ কলিজা ফেটে কান্না চলে আসে।

যেখানে গল্প শেষ, সেখানেই শুরু অন্য এক ভালোবাসা… facebook.com/SNHOFAC

আমার এক বান্ধবীর সাথে যোগাযোগ করে একটা ক্লিনিকে গিয়ে বাচ্চাটা নষ্ট করে দেই।sneh0st0ryhub

কিন্তু বিশ্বাস করেন তখন ও আমি শুধু মন থেকে ওকেই ভালোবাসি,আর হতে পারে এখন ও এই বেহায়া মনটা শুধু ওকেই চায়।

কিন্তু আমি আপনাকে ঠকাতে চাইনি,আমি বিয়ের আগেই আপনাকে সব বলে দিতে চেয়েছিলাম।

কিন্তু বাবা তার মাথায় হাত দিয়ে আমার কাছ থেকে কথা নেয়,যেনো আমি বিয়ের আগে এই কথাটা আপনাকে না বলি।

এতক্ষন শুধু শ্রোতার মত সবকিছু শুনে গেলো মজনু,যদি ও সে আগে থেকেই জানতো এই ব্যাপারে।

কিন্তু নেহা হয়তো একটা জিনিস জানেনা,তা হলো,মজনু স্কুল লাইফ থেকেই নেহা অনেক ভালোবাসতো কিন্তু ভয়ে বলতে পারতো না।

কিন্তু মজনু নিজে নিজে একটা জিনিস ঠিক করেছিলো,তার ভালোবাসা যদি সঠিক হয়ে থাকে, তাহলে একদিন নয়তো একদিন নেহা আমারই হবে।

আজ সত্যিই নেহা মজনুর হয়ে গেছে,থাক না কিছু অতিত তাতে কোন সমস্যা নেই মজনুর।মজনুর চিন্তা ধারায় অবসান ঘটে নেহার ডাকে,,,,

নেহা-হ্যালো মিঃ কি ভাবছেন এমন করে,,,

মজনু-ভাবছি,ভাবছি,ভাবছি আজ আর আমাদের বাসর করা হলো না,,,

নেহা-কেনো(লজ্জামাখা মুখে)sneh0st0ryhub

মজনু-চারদিকে তো আযান দিচ্ছে,এখন যদি বাসর শুরু করি তাহলে আজকে দিনের বেলায় আর আমাদের ঘর থেকে বের হওয়া লাগবে না।

মজনুর অদ্ভুত কথায় নেহা বেশ লজ্জিত হয়,অন্য দিকে মুখ ফিরিয়ে ফিক করে হেসে ফেলে,আর ভাবতে থাকে,এতো সহজে এত বড় একটা বিষয় কিভাবে মেনে নিলো ও,,,

নাকি কাল সকালের জন্য ওয়েট করছে,সকাল হলেই উকিল ডেকে তালাক দিয়ে দিবে,এসব ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে যায় নেহা।

সকালে ঘুম ভেংগে অবাক হয়ে যায় নেহা,সত্যি সত্যি বাসায় তিন চারটা উকিলকে দেখা যাচ্ছে,তাহলে কি,,,,,,

চলবে,,,,,,,,,

হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসা
পার্ট ১

চা বানিয়ে আনতে মাত্র কয়েক মিনিট দেরি হওয়াতেই পুরোটা চা ফুলের মুখ বরাবর ছুড়ে মারল তারই মামাতো ভাই। ফুল নিজেকে বাচানোর প্র...
12/09/2025

চা বানিয়ে আনতে মাত্র কয়েক মিনিট দেরি হওয়াতেই পুরোটা চা ফুলের মুখ বরাবর ছুড়ে মারল তারই মামাতো ভাই। ফুল নিজেকে বাচানোর প্রয়াসে হাত দিয়ে মুখ ঢেকে নিল। তবুও শেষ রক্ষা হলোনা। বেশ কিছুটা গরম চা তার বাম গালের উপর আছড়ে পড়ল।
“কখন বলেছিলাম চা বানিয়ে আনতে?”

কথার তীক্ষ্ণতায় ফুল আড়ষ্ট হয়ে দুপা পিছিয়ে গেল, কম্পিত কন্ঠে বলল,
“২৫ মিনিট আগে।”

সামনে দাঁড়িয়ে থাকা যুবকটি রাগে অগ্নিমূর্তি রূপ ধারণ করল। হাতে থাকা কাপটি ছুড়ে ফেলে দিয়ে গম্ভীর কন্ঠে দ্বিমত পোষণ করল,
“নোহ ইউ আর রঙ, ঠিক ৩২ মিনিট আগে আমি তোকে চা বানিয়ে আনতে বলেছিলাম। চা বানাতে কতক্ষণ লাগে?”
“আ…মি আস…লে
“একদম চুপ, ইডিয়টের মতো আমতা-আমতা করবিনা। যেটা জিজ্ঞেস করেছি সেটার এন্সার দে।”

ফুল ডান হাত বাম গালে ঠেকিয়ে মিনমিনিয়ে বলল,
“গ্রিন টি বানাতে ৫ মিনিট, ব্ল্যাক টি বানাতে ১০ মিনিট, আইসড টি বানাতে ১৫ মিনিট,”
“আমি কোন টি চেয়েছিলাম?”
“ব্ল্যাক টি।”
“তুই কত মিনিট লেট করেছিস?”

ফুল হাত কচলাতে লাগল। বাম গালটা যেন জ্বলে পুড়ে ছাড়খার হয়ে যাচ্ছে।

“বুঝেছি তুই আজকে মা'র খাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েই এসেছিস।”
যুবকটি কয়েকপা এগিয়ে গিয়ে ফুলের হাত মুচড়ে ধরে গর্জে উঠল,
“জবাব দে, নইলে তোর হাত ভেঙ্গে গলায় ঝুলিয়ে দেবো।”

ফুল কোমল চোখে যুবকটির দিকে তাকাতেই যুবকটি আরেকহাতে তার গালজোড়া চেপে ধরল,
“ইউ ব্লাডি মিস্টেক! কত মিনিট লেট করেছিস বলছিস না কেন?”

ফুল এবার বহু কষ্টে উচ্চারণ করল,
“২২ মিনিট।”

যুবকটি টেবিলের উপরে থাকা লাঠিটি হাতে নিয়ে পুনরায় ফুলের সামনে এসে দাড়াল, বাজখাঁই কন্ঠে বলল,
“২২ মিনিট, দ্যাটস রাইট। এখন তোর শাস্তি পাওয়ার পালা। হাত এগিয়ে দে।”

ফুলের নেত্রপল্লব থেকে কয়েকফোঁটা নোনাজল গড়িয়ে পড়ল,
“আমার ভুল হয়ে গেছে, এবারের মতো ক্ষমা করে দিন। নিচে আপনার হবু বউয়ের মেহেন্দি অনুষ্ঠান চলছে… আপনিই তো বলেছিলেন আমি যেন তার হাতে মেহেন্দি দিয়ে দেই…
“হ্যাঁ তো? আমি এখনো বলছি মেলোর হাতে তুই-ই মেহেন্দি দিয়ে দিবি। যদি একটুও মিস্টেক হয় তাহলে তোর হাত ভেঙ্গে ফেলবো আমি।”

ফুল টলমলে নয়নে যুবকটির দিকে তাকিয়ে বলল,
“আমার হাত দুটো তো আপনি সঠিক কন্ডিশনেই রাখবেন না, আমি কিভাবে মেহেন্দি দিয়ে দেবো?”
“সেটা তোর ব্যাপার। তুই কিভাবে দিয়ে দিবি সেটা আমি কিভাবে জানবো?”

ফুলের মাঝে অভিব্যক্তি না দেখে যুবকটি রাগমিশ্রিত কন্ঠে বলল,
“যেই কয় মিনিট লেট করবি, সেই কয়মিনিটের জন্য এক্সট্রা শাস্তি পাবি। এবার ডিসাইড কর।”

কথাটা শ্রবণগোচর হতেই ফুল কাপা কাপা হাতদুটো সামনে এগিয়ে দিল৷ মুহূর্তেই পুরো রুম জুড়ে ছড়িয়ে পড়লো ঠাস ঠাস শব্দ। লাঠি আর ফুলের হাতের ঘর্ষণের ফলে সৃষ্ট হওয়া শব্দগুলো বড়ই নিষ্ঠুর শোনাল। প্রতিটি আঘাত ফুলের অস্থিমজ্জা কাপিয়ে দিল। একপর্যায়ে ফুল ব্যাথা সইতে না পেরে ডুকরে কেদে ওঠে,
“ছেড়ে দিন উদ্যান ভাই…

তার মুখ নিসৃত এই এক টুকরো বাক্য শুনে উদ্যানের হাত থেমে গেল। এদিকে ফুল বুঝতে পারল সে চরম ভুল করে ফেলেছে,
“হোয়াট ডিড ইউ সে? ইউ ব্লাডি মিস্টেক!”
“কিচ্ছুনা মাস্টার কিচ্ছুনা… এবারের মতো ক্ষমা করে দিন।”

কিন্তু ক্ষমা তো তার কপালে নেই। লাঠির আঘাতে হাতের তালু ফেটে রক্ত ঝরতে লাগল। চোখে অন্ধকার দেখলেও দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করে গেল। এছাড়া সে আর করবেই বা কি? তার মাথার উপর যে বাবা নামক বটগাছের ছায়া নেই। মা আছে, কিন্তু উদ্যানের সামনে দাড়ানোর সাহস তারও নেই। কোনো এক অজানা কারণে ফুলের মা উদ্যানের মুখোমুখি হয়না বললেই চলে। উদ্যান সন্তুষ্ট হয়ে গেলে তার হাত থেমে যায়।
“যা, দূর হ আমার চোখের সামনে থেকে।”

ফুল হাতের উল্টো পিঠে চোখ মুছে রুম থেকে বের হতেই কেউ একজন তার কব্জি ধরে টান দিল, ফুল চোখ তুলে তাকিয়ে দেখল উদ্যানের ছোট ভাই আবেশ তার হাত ধরে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। ফুল এবার শব্দ করে কেদে উঠল। আবেশ ফুলকে নিজের রুমে নিয়ে এল। তাকে বিছানায় বসিয়ে হাতজোড়া সামনে আনল। হাতদুটোর অবস্থা দেখে একটা ছোট্ট শ্বাস ফেলে উঠে গেল, ফার্স্ট এইড বক্স থেকে মেডিসিন এনে ফুলের হাতে আর গালে সযত্নে লাগিয়ে দিতে লাগল। ফুল একদৃষ্টিতে আবেশের দিকে তাকিয়ে আছে। এক ভাই আরেক ভাই থেকে কতটা আলাদা ভাবতেই অবাক লাগে। একজন র*ক্তাক্ত করেছে আরেকজন মলম লাগিয়ে দিচ্ছে,
“কেনো অবাধ্য হোস ডেবিলটার?”
“তোমরা কেনো বাচাতে আসোনা আমাকে?”

আবেশ ফুলের চোখে চোখ রাখল,
“মম বারণ করেছে ডেবিলের ধারে কাছে যেতে। সেই জন্যই কিছু বলতে পারছিনা। কিন্তু আমার মনে হয়না এসব কিছু আমি বেশিদিন টলারেট করতে পারবো। ডেবিলটা ১৫ বছর পর কেনো যে দেশে ফিরেছে কে জানে। আর তোর সাথে যে তার কোন জন্মের শত্রুতা সেটাই বুঝতে পারছিনা। আমার সাথে তো মনের ভুলেও কথা বলেনা। তবে তোর সাথে ডেবিলগিরি না করলে যেন ওনার পেটের ভাত হজম হয়না।”

ফুল কিছু বলতেই যাবে তার আগেই বড় দেয়ালঘড়ির প্রকট আওয়াজ ভেসে আসে। ফুল মনোযোগ সহকারে প্রত্যেকটা শব্দ গুনে বুঝতে পারে এখন ৮ টা বাজে। ব্যপারটা বোধগম্য হতেই সে বসা থেকে উঠে দাঁড়ায়।
“তুমি নিচে যাবেনা?”

আবেশ না বোধক মাথা নাড়ে,
“ওই ডেবিলের মেহেন্দি অনুষ্ঠানে যোগদান করার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা নেই।”
“মাস্টার মেহেন্দি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেনা। তুমিও চলোনা।”

আবেশ বিরক্তি সূচক শব্দ উচ্চারণ করে বলল,
“আমার সামনে মাস্টার বলবিনা তো।”

ফুল আশেপাশে চোখ বুলিয়ে ফিসফিসিয়ে বলল,
“মাস্টার না মনস্টার, উন্মাদ দ্য মনস্টার।”

বলেই ফিক করে হেসে উঠল, তার হাসির রিনিঝিনি শব্দে আবেশ পুলকিত নয়নে ফুলের দিকে তাকায়, মেয়েটা বড্ড বাচ্চা। উদ্যান আসার আগপর্যন্ত এরকমই কথায় কথায় হেসে উঠত কিন্তু উদ্যান আসার পর যেন ফুলের হাসি বিলুপ্তির পথে।
“ফু…ল এই ফুল,”

ডাক শুনে ফুল ঘাড় বাকিয়ে পেছনে তাকিয়ে দেখল তার মামি তাকে খুঁজতে খুঁজতে এদিকেই আসছে, ফুল এগিয়ে গেল তার দিকে,
“জি মামি বলো।”

উদ্যান আর আবেশের মা মাহবুবা সুলতানা তাড়াহুড়ো করে বলল,
“নিচে সবাই তোর জন্য অপেক্ষা করছে, তুই নাকি মেলোকে মেহেন্দি দিয়ে দিবি বলেছিস?”

ফুল উপরনিচ মাথা নেড়ে হাটা ধরতেই আবেশ বলে ওঠে,
“আর ইউ ক্রেজি ফুল? তোর হাতের এই অবস্থা নিয়ে কিভাবে মেহেন্দি দিয়ে দিবি?”

মাহবুবা সুলতানা অবাক চোখে ছেলের দিকে তাকায়,
“হাতের কোন অবস্থার কথা বলছিস আবেশ?”

ফুল হাতজোড়া ওড়নার নিচে লুকিয়ে নিল। আবেশ এসে জোরপূর্বক হাতজোড়া মেলে ধরল। ফুলের হাতের অবস্থা দেখে মাহবুবা সুলতানা ভারী রেগে গেলেন,
“একি? ওর হাতের এই অবস্থা কিভাবে হল?”
“কিভাবে হবে আবার? তোমার অতি আদরের বড় ছেলে ‘তেহজিব উদ্যান খানজাদা’, সে ছাড়া আর কে এতবড় স্পর্ধা দেখাবে?”

উদ্যানের নাম শুনে মাহবুবা সুলতানার চোখেমুখে জ্বলে ওঠা রাগ ধপ করে নিভে যায়।
“কি হলো মম? আজও কিছু বলবেনা? তোমার ওই ছেলের প্রবলেম টা কি? কেনো ফুলের সাথে এতো রূঢ় বিহেভ করছে? মাথায় গ্যাস্টিক আছে নাকি?”

মাহবুবা সুলতানা কথাটা এড়িয়ে গিয়ে ফুলের উদ্দেশ্যে বলল,
“তুই এই অবস্থায় কিভাবে মেহেন্দি দিয়ে দিবি?”

ফুল শুষ্ক ঢোক গিলল,
“মাস্টার বলেছে আমি মেহেন্দি না দিয়ে দিলে উনি আবারও মার*বেন।”

আবেশ বলে উঠল,
“বললেই হলো নাকি? আমি থাকতে আর কেউ তোকে মা*রতে পারবেনা। দরকার হলে আমি তোকে নিয়ে এই বাড়ি ছেড়ে চলে যাবো।”

মাহবুবা সুলতানা চমকে তাকাল আবেশের দিকে,
“তোকে আগেও বলেছি উদ্যানের ব্যাপারে কিছুই বলবিনা। এর পরেও যদি আমার কথা অমান্য করেছিস তাহলে আমাকে মম বলে ডাকার অধিকার হারিয়ে ফেলবি।”

কথাটা বলেই মাহবুবা সুলতানা হাটা ধরল, ফুলও মাথা নিচু করে তার পিছুপিছু চলে গেল।

চলবে,

#অবাধ্য_হৃৎস্পন্দন (০১)
#সোফিয়া_সাফা

(প্রথম পর্ব পড়ে কেমন লাগলো জানাবেন।)

Address

Pabna

Telephone

+8801947455322

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jahid Hasan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Jahid Hasan:

Share