20/01/2026
আজকের পলিসি সামিটে জামায়াতে ইসলামী এখনো পর্যন্ত ঘোষণা দিয়েছে, তারা সরকার গঠন করলে নিচের কাজগুলো করবে।
১. স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৬–৮% বাজেট বরাদ্দ।
২. স্মার্ট সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ড চালু (এনআইডি, টিআইএন, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা এক কার্ডে)।
৩. প্রথম ৩ বছরের জন্য সব শিল্পে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির চার্জ বাড়বে না।
৪. কৃষকদের জন্য সুদবিহীন ঋণ সুবিধা।
৫. ৫ লক্ষ গ্রাজুয়েটকে ২ বছর মেয়াদি মাসিক ১০ হাজার টাকা সুদমুক্ত ঋণ।
৬. মেধাভিত্তিক ১ লক্ষ শিক্ষার্থীর জন্য মাসিক ১০ হাজার টাকা ঋণ।
৭. প্রতিবছর বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০০ শিক্ষার্থীকে সুদমুক্ত লোনে সরকারি প্রেরণ।
৮. ইডেন ও বদরুন্নেসা কলেজ একীভূত করে বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা।
৯. ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে বয়স্ক ও ৫ বছরের নিচে শিশুদের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা।
১০. বন্ধ কলকারখানা পাবলিক–প্রাইভেট পার্টনারশিপে চালু এবং ১০% মালিকানা শ্রমিকদের প্রদান।
১১. ৬৪ জেলায় ৬৪টি বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা।
১২. সকল শিশুর খাদ্য ভ্যাট বসানো হবে না।
১৩. ‘ফার্স্ট হান্ড্রেড ডেইজ প্রোগ্রাম’-এর আওতায় প্রসূতি নারী ও মায়েদের বিনামূল্যে সেবা ও সহায়তা।
তরুণদের জন্য পরিকল্পনা:
১৪. দক্ষ জনশক্তি ও জব প্লেসমেন্টের জন্য নতুন মন্ত্রণালয়।
১৫. ৫ বছরে ১০ মিলিয়ন তরুণকে বাজারভিত্তিক স্কিল প্রশিক্ষণ।
১৬. প্রতিটি উপজেলায় গ্র্যাজুয়েটদের জন্য ‘ইয়ুথ টেক ল্যাব’ স্থাপন।
১৭. প্রতিটি জেলায় ‘জেলা জব ইয়ুথ ব্যাংক’ গঠন করে ৫ বছরে ৫ মিলিয়ন জব এক্সেস নিশ্চিত।
১৮. নারী, তরুণ ও অবহেলিত জনগোষ্ঠীকে প্রাধান্য দিয়ে ৫ লক্ষ উদ্যোক্তা তৈরি।
১৯. ১.৫ মিলিয়ন ফ্রিল্যান্সার তৈরি।
২০. স্বল্পশিক্ষিত যুবকদের জন্য উপযোগী স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম চালু।
আইসিটি ও ভিশন ২০৪০:
২১. আইসিটি সেক্টর উন্নয়নে ‘ভিশন ২০৪০’ ঘোষণা।
২২. ২০৩০ সালের মধ্যে ২ মিলিয়ন আইসিটি জব সৃষ্টি ও প্লেসমেন্ট।
২৩. ফ্রিল্যান্সার ও ডিজিটাল রপ্তানির জন্য ন্যাশনাল পেমেন্ট গেটওয়ে স্থাপন।
২৪. আইসিটি সেক্টর থেকে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয়।
২৫. আইসিটি খাতে সরকারের ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় সাশ্রয়।
২৬. লক্ষ্য: শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতিতে রূপান্তর।