I love islam.

I love islam. RAZVIA NETWORK... BANGLADESH NETRAKONA....JOYNOGOR

03/02/2020
09/11/2019

প্রত্যেক নবী-রাসূলগণই তাঁদের নিজ নিজ যুগে আল্লাহর প্রিয় হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর শুভ আগমনের সুসংবাদ দিয়েছেন। অর্থাৎ মিলাদের আলোচনা করেছেন তথা মিলাদুন্নবী পালন করেছেন। যেমন - হযরত আদম আলাইহিস সালাম তাঁর প্রিয় পুত্র ও প্রতিনিধি হযরত শীস আলাইহিস সালামকে নূরে মুহম্মাদীর আলোচনা এবং তা'যীম করার জন্য এভাবে অসিয়ত করেছেন -
اقبل آدم على ابنه شيث فقال اى بنى انت خليفتى من بعدى فخذها بعمارة التقوى والعروة الوثقى فكلما ذكرت الله فاذكر الى جنبه اسم محمد فانى رأيت اسمه مكتوبا على ساق العرش وانا بين الروح والطين ثم إنى طفت السموات فلم ار فى السموات موضعا الا رأيت اسم محمد مكتوبا عليه وإن ربى اسكننى الجنة فلم ار فى الجنة قصرا ولاغرفة الا وجدت اسم محمد مكتوبا على نحور الحور العين وعلى ورق لجام الجنة وعلى ورق شجرة طوبى وعلى سدرة المنتهى وعلى اطراف الحجب وبين اعين الملائكة فاكثر ذكره فإن الملائكة من قبل تذكره فى كل ساعاتها
الخصائص الكبرى، الجزء الاول، الصفحة :- ٦

অর্থাৎ হযরত আদম আলাইহিস সালাম আপন পুত্র হযরত শীস আলাইহিস সালাম এর উদ্দেশ্যে বললেন, হে আমার প্রিয় বৎস! আমার পরে তুমি আমার খলীফা (প্রতিনিধি)। সুতরাং এ খিলাফতকে তাক্বওয়ার তাজ ও দৃঢ় ইয়াক্বীনের সাথে আঁকড়ে ধরো। আর যখনই আল্লাহর নাম স্মরণ করবে, তখন তাঁর সাথে হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নামও স্মরণ করবে। কারণ আমি রূহ ও মাটির মধ্যবর্তী থাকা অবস্থায়ই তাঁর পবিত্র নাম মোবারক আরশের পায়ায় (আল্লাহর নামের সাথে) লিখিত দেখেছি। তারপর আমি সমস্ত আসমান ভ্রমণ করেছি। আসমানগুলোতে এমন কোন স্থান ছিল না, যেখানে হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নাম মোবারক অঙ্কিত পাইনি। রব তাআলা আমাকে জান্নাতে বসবাস করতে দিলেন। জান্নাতের এমন কোন প্রাসাদ ও কামরা পাইনি, যেখানে হযরত মুহাম্মাদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নাম মোবারক লেখা ছিল না। আমি হযরত মুহাম্মাদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নাম মোবারক আরও লিখিত দেখেছি হুরদের সীনায়, বেহেশতের সমস্ত বৃক্ষের পাতায় পাতায়, তূবা নামক বৃক্ষ ও সিদরাতুল মুনতাহার পাতায় পাতায়, জান্নাতী পর্দাসমূহের কিনারায়, ফেরেশতাগণের চোখের মণিতে। সুতরাং হে শীস! তুমি অধিক পরিমাণে এ নামের যিকির তথা আলোচনা করতে থাকো। কেননা, ফরেশতাগণ পূর্ব হতেই এ নাম জপনায় মশগুল রয়েছে।

হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আগমনের চার হাজার বছর পূর্বে হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম কা'বা নির্মাণ করার পর তা কবুলের জন্য এবং তাঁর পুত্র হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম এর বংশে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আর্বিভাব হওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে এভাবে দোয়া করেছিলেন

رَبَّنَا وَابْعَثْ فِيهِمْ رَسُولًا مِّنْهُمْ يَتْلُو عَلَيْهِمْ آيَاتِكَ وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَيُزَكِّيهِمْ إِنَّكَ أَنتَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ
হে আমাদের রব! তুমি এ আরব ভূমিতে আমার এ সন্তান ইসমাঈলের বংশের মধ্যে তাদের মধ্য থেকে সে মহান রাসুলকে প্রেরণ করো, যিনি তোমার আয়াতসমূহ তাদের কাছে পাঠ করে শুনাবেন, তাদেরকে কোরআন-সুন্নাহর বিশুদ্ধ জ্ঞান শিক্ষা দেবেন এবং বাহ্যিক ও আত্মিক অপবিত্রতা থেকে তাদেরকে পবিত্র করবেন। (সুরা বাক্বারা, আয়াত ১২৯)

নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর মিলাদ তথা আগমন সম্পর্কে হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম তাঁর উম্মত ও হাওয়ারীদেরকে নিয়ে আলোচনা করেছেন। নিজের উম্মতের কাছে তিনি আখেরী যামানার নবীর নাম, গুণাবলী এবং তাঁর আগমনের সংবাদ প্রিয় নবীর আগমনের ৫৭০ বছর পূর্বে এভাবে বর্ণনা করেছেন -

وَإِذْ قَالَ عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ يَا بَنِي إِسْرَائِيلَ إِنِّي رَسُولُ اللَّهِ إِلَيْكُم مُّصَدِّقًا لِّمَا بَيْنَ يَدَيَّ مِنَ التَّوْرَاةِ وَمُبَشِّرًا بِرَسُولٍ يَأْتِي مِن بَعْدِي اسْمُهُ أَحْمَدُ

অর্থাৎ হে আমার প্রিয় রাসূল! আপনি স্মরণ করুন, যখন মরিয়ম-তনয় ঈসা বলেছিলেন, হে বনী ইসরাইল! আমি তোমাদের কাছে আল্লাহর প্রেরিত রসূল, আমি আমার পূর্ববর্তী তাওরাতের সত্যায়নকারী এবং আমি এমন একজন মহান রসূলের সুসংবাদদাতা, যিনি আমার পরেই আগমন করবেন এবং তাঁর নাম হবে আহমাদ। (সুরা আস সাফ, আয়াত - ৬)

উপরোক্ত আলোচনার দ্বারা সুস্পষ্ট হলো যে, আল্লাহ তাআলার সাথে কৃত অঙ্গীকার অনুযায়ী সমস্ত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম নিজ নিজ যুগে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আগমনের আলোচনা তথা মিলাদুন্নবী পালন করেছেন। সুতরাং আজকের দিনে ঈদে মিলাদুন্নবী পালন করা বিদআত নয় বরং সুন্নাতে আম্বিয়া তথা নবীগণের সুন্নাত।
ذکرمیلاد النبی کرتا رہونگا عمر بھر
جلتے رہو نجدیو جلنا تمہارا کام ہے

আমরা মিলাদুন্নবীর আলোচনা জীবভর করে যাবো। হে নজদীর দল! তোমরা জ্বলতে থাকো। জ্বলে মরাই তোমাদের কাজ। [আ'লা হযরত]

09/11/2019
জুম্মা মুবারক।।।
20/05/2016

জুম্মা মুবারক।।।

08/10/2015

i love allah.......
i love mohammad......
i love islam........................

04/07/2015
03/04/2015

১৮৩০ ইয়াহিয়া ইবনুূু ইয়াহিয়া (রহঃ) আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,জুমুআর দিনে গোসল করা প্রত্যেক সাবালক ব্যাক্তির উপর ওয়াজিব।

27/03/2015

১১। অমর ইবনুূু খালিদ (রহঃ) আবদুল্লাহ ইবনুূু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, এক ব্যাক্তি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করল, ইসলামের কোন কাজটি উত্তম? তিনি বললেন, তুমি খাবার খাওয়াবে ও পরিচিত অপরিচিত সবাইকে সালাম দিবে।

sobai ashben.....
11/02/2015

sobai ashben.....

08/02/2015

আমি ভালবাসি রাসূল
সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লামকে।।।।।।।

22/01/2015

আ’লা হযরত হলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর অসংখ্য মু’জিজা সমূহের মধ্যে অন্যতম একটি মুজেজা। ইশ্ক্বে রাসূলের উজ্জ্বল নমুনা এবং আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে এক মহান করুণা। যুগ সন্ধিক্ষণে যখন মুসলমানরা দিশেহারা হয়ে পড়ল, ইংরেজদের মদদপুষ্ট নজদী মতবাদের ভাব শিস্যরা ইসলামের মৌলিক আদর্শ থেকে বিচ্যুতি হয়ে ধর্মের নামে বিভ্রান্তিকর বিষয়াদি তুলে ধরল তাদের বক্তব্যে এবং লেখনীতে। ষড়যন্ত্রের বিষবাষ্প ছড়াচ্ছিল মুসলমানদের মধ্যে। মাথাচাড়া দিয়ে উঠে ঈমান আকীদার পরিপন্থী কার্যকলাপ। মুসলমানদের মধ্যে নেমে আসে দূর্যোগের ঘনঘটা। এমন সঙ্কটময় মূহুর্তে ভারতের বেরেলী নামক স্থানে জন্ম গ্রহন করেন এক জ্যোতির্ময়, ক্ষনজন্মা প্রতিভা। তিনিই হলেন আ’লা হযরত ইমাম আহমদ রেযা খান আলাইহির রাহমাতুর রহমান।

প্রকৃত পক্ষে যে সময় বাতিল মতবাদের বিভিনমুখী প্রচার প্রকাশনার বিরুদ্ধে অসাধারন প্রজ্ঞাবানের প্রয়োজন ছিল তীব্র। যুগের এ চাহিদা তাঁর আবির্ভাবে পূরন হয়। বাতিল আকিদার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠেন আলা হযরত। তাদের ভ্রান্ত মতবাদের খন্ডন করতে থাকেন ক্ষুরধার লেখনী, তথ্যবহুল জোড়ালো বক্তব্য এবং অকাট্য যুক্তি দিয়ে। তাঁর সংস্কারমূলক কার্যক্রম মুসলিম সমাজকে উজ্জীবিত করে। খড়-কুটোর মতই ভেসে যায় বাতিল মতবাদের অপব্যাখ্যা ও খোড়াঁযুক্তি। ফলে ইসলামের মূলধারা আহ্লে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আকিদা বিশ্বাস দূঢ়ভাবে সঞ্চায়িত হয় সত্য-সন্ধানীদের হৃদয়পটে।

মাত্র ১০ বছর বয়সে তিনি আরবীতে প্রথম কিতাব লিখেছেন। অব্যাহত গতিতে চলতে থাকে তাঁর কলম। প্রায় দেড় সহস্রাধিক প্রামান্য কিতাব লিখে রেখে গেছেন মুসলিম মিল্লাতের জন্য। দারুল ইফতায় বসে তিনি একই সময়ে এক হাজার চার চারটি চিঠি ও কিতাব লিপিবদ্ধ করতেন। লিখক লিখে যেতেন। প্রত্যেকের বিষয়বস্তু আলাদা আলাদা থাকতো। প্রত্যেকের লেখার ধারাবাহিকতা মূহুর্তের জন্যও বিঘিœত হতো না।

আমেরিকার জ্যোতির্বিজ্ঞানী প্রফেসর আলবার্ট একটি ভবিষৎবাণী করেন যে, ১৯১৯ সালের ১৭ ডিসেম্বরে কয়েকটি গ্রহ সূর্যের সামনে চলে আসার দরুন উদ্ভৃত্ত মধ্যাকর্ষন পৃথিবীতে মহাপ্রলয়ের সৃষ্টি করবে। আলা হযরতকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি কুরআন-সুন্নাহর গবেষণার আলোকে মাহাকাশ বিজ্ঞানীদের ভবিষৎ বাণী মিথ্যা প্রমাণ করে কিতাব রচনা করেন “নূযূলে আয়াতে ফুরকান বি সুকুনি যমীন ওয়া আসমান। মার্কিন বিজ্ঞানীর ভবিষ্যৎবাণী ভুল প্রমাণিত হল এবং ইসলামের এক বিশাল বিজয় হল।

ফিকাহ হানাফীর আলোকে সংকলিত ‘ফাতাওয়ায়ে রেজভিয়া’ পূর্ণ নাম ‘আল আতায়ান নবভিয়্যাহ ফিল ফাতাওয়ায়ে রেজভিয়্যাহ’ ইসলামী ফিকহ শাস্ত্রের জগতে এক অমূল্য সম্পদ। হিজরী ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষ দশক আর চতুর্দশ শতাব্দীর প্রথম চার দশকে এ বিশাল ফতোয়া গ্রন্থ রচিত হয়। যা ১২ খন্ডে বিভক্ত। বর্তমানে এর আরবী ও ফারসী ইবারতের অনুবাদসহ ৩০ খন্ডে প্রকাশিত। প্রতিটি খন্ড সহস্রাধিক পৃষ্টা সম্বলিত। আরবী, উর্দু, ফার্সী এ প্রধান ভাষাগুলোতে লিখিত এ বিশাল গ্রন্থ তাঁর চমৎকার প্রজ্ঞা, গভীর গবেষণা ও অনুসন্ধানের উজ্জ্বল স্বাক্ষর।

শায়খ মুহাম্মদ মুখতার ইবনে আত্বারিদ (আল জাভী, মুক্কা মুআযযামাহ) তিনি লিখেছেন “নিঃসন্দেহে বিজ্ঞ লেখক এ যুগের গবেষক আলিমদের বাদশাহ, আর তাঁর বরকতময় বাণী ও দর্শন সুস্পষ্ট সত্য ও বাস্তব, হুযুর সায়্যিদুল আলম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একটি মু’জিযা। যা ইমাম আহমদ রেযার হাতে আল্লাহ তায়ালা প্রকাশ করেছেন।

শায়খ সাঈদ ইবনে মুহাম্মদ (শিক্ষক, মসজিদে হারাম, মক্কা মুআয্যামাহ) তাঁর লেখনি সম্পর্কে বলেন, যেন মুক্তার মালা যা মধুর শব্দাবলী দ্বারা গাথা হয়েছে। এতো খোদা প্রদত্ত দান, যা বাহুর জোড়ে মিলে না।

শায়খ আয’আদ দাহ্হান বলেন, যিনি আপন সুস্পষ্ট-সাবলীল বর্ণনার মেলা প্রদর্শন করে অলষ্কার সমৃদ্ধ স্পষ্টভাষী ভাষাবীদদেরকেও নির্বাক করে দিয়েছেন।

আ’লা হযরতের জ্ঞান চর্চার ব্যতিক্রম দিক হল যে, তিনি তাঁর জ্ঞানের পূর্ণ বাহার আল্লাহ রাসূলের ভালবাসা চর্চায় প্রদর্শন করেছেন। আলা হযরত বলেছেন, ذکر انکا چھیڑۓ ہر بات میں অর্থাৎ প্রতিটি কথায়, প্রতিটি বাক্যে তাঁর যিকির করতে থাকুন।

তিনি বারংবার বলেছেন- کیجیۓ چرچا انہی کا صبح وشام অর্থাৎ সকাল-সন্ধ্যায় অহরহ তাঁর চর্চা করুন। বার্ক্লে বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. বারবারা মিসকাফ মুহাদ্দিস-ই রেবলভীর এ বিষয়ের উপর বিশেষ করে জোর দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন “মুহাব্বতে রাসূল, মুহাব্বতে আউলিয়া এবং মুহাব্বতে মাশায়খই আ’লা হযরত বেরলভীর বৈশিষ্ট্যের মুকুট ছিল।

আ’লা হযরত নিজেই বলতেন “আমার হৃদয়কে দু’টুকরো করা হলে দেখা যাবে এক টুকরোর উপরلا اله الا الله আর অপর টুকরোর উপর محمد رسول الله লিপিবদ্দ রয়েছে।

শায়খ গোলাম মুহাম্মদ বোরহান উদ্দিন মাদানী লিখেছেন, তাঁর মধ্যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ভান্ডার থেকে চিরস্থায়ী ধন অর্জিত হয়েছে। তিনি এ ধন মানুষের মধ্যে বন্টন করেছেন।

বলা বাহুল্য, আলা হয

Address

BANGLADESH NETRAKONA
Netrokona

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when I love islam. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share