01/09/2025
আয়কর হার (পুরুষ করদাতার জন্য সাধারণ হার)
1. প্রথম ৩,৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় → কর নেই (শূন্য)
2. পরবর্তী ১,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় → ৫%
3. পরবর্তী ৪,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় → ১০%
4. পরবর্তী ৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় → ১৫%
5. পরবর্তী ৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় → ২০%
6. পরবর্তী ২০,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় → ২৫%
7. অবশিষ্ট আয় → ৩০%
বিশেষ করমুক্ত সীমা
• মহিলা ও ৬৫ বছরের ঊর্ধ্বে করদাতা → ৪,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত।
• তৃতীয় লিঙ্গ ও শারীরিক প্রতিবন্ধী করদাতা → ৪,৭৫০০০ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত।
• গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা → ৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত।
• প্রতিবন্ধী সন্তান/নির্ভরশীল অভিভাবকের জন্য অতিরিক্ত ৫০,০০০ টাকা করমুক্ত সীমা।
👉 অর্থাৎ, কারো মোট আয়ের পরিমাণ নির্ভর করবে তার করযোগ্য আয় থেকে কতটা কর দিতে হবে।
আমরা একটা উদাহরণে হিসাব করি—
ধরা যাক একজন পুরুষ করদাতার মোট বার্ষিক আয় = ১০,০০,০০০ টাকা
ধাপে ধাপে আয়কর হিসাব
1️⃣ প্রথম ৩,৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় → করমুক্ত
কর = ০
2️⃣ পরবর্তী ১,০০,০০০ টাকা → ৫%
= ১,০০,০০০ × ৫% = ৫,০০০ টাকা
3️⃣ পরবর্তী ৪,০০,০০০ টাকা → ১০%
= ৪,০০,০০০ × ১০% = ৪০,০০০ টাকা
4️⃣ অবশিষ্ট আয় = ১০,০০,০০০ – (৩,৫০,০০০ + ১,০০,০০০ + ৪,০০,০০০) = ১,৫০,০০০ টাকা
এটা পড়ে গেছে “পরবর্তী ৫,০০,০০০ টাকা” স্ল্যাবে → ১৫%
= ১,৫০,০০০ × ১৫% = ২২,৫০০ টাকা
মোট কর = ৫,০০০ + ৪০,০০০ + ২২,৫০০ = ৬৭,৫০০ টাকা
👉 অর্থাৎ, মোট আয় ১০ লাখ হলে কর দিতে হবে ৬৭,৫০০ টাকা (পুরুষ করদাতার ক্ষেত্রে)।
তবে যদি করদাতার অনুমোদনযোগ্য বিনিয়োগ থাকে তাহলে কিছু কর ছাড় পাবেন ।
👉 ধরি করদাতা ২,০০,০০০ টাকা অনুমোদনযোগ্য বিনিয়োগ করেছেন।
1. সর্বোচ্চ ছাড়যোগ্য বিনিয়োগ = মোট আয় × ২০%
= ১০,০০,০০০ × ২০% = ২,০০,০০০ টাকা (এক্ষেত্রে পুরো ২,০০,০০০ টাকা ধরা যাবে)
2. কর ছাড় = বিনিয়োগের ১৫%
= ২,০০,০০০ × ১৫% = ৩০,০০০ টাকা
3. আগের হিসাব অনুযায়ী কর = ৬৭,৫০০ টাকা
4. কর ছাড় বাদ দিলে = ৬৭,৫০০ – ৩০,০০০ = ৩৭,৫০০ টাকা
✅ অর্থাৎ, অনুমোদনযোগ্য বিনিয়োগের কারণে করদাতা প্রকৃতপক্ষে ৩৭,৫০০ টাকা কর দেবেন (৬৭,৫০০ নয়)।
পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন ।