Advocate Md Ariful Islam Joy

Advocate  Md Ariful Islam Joy Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Advocate Md Ariful Islam Joy, gomastapur, Nawabganj.

মোঃআরিফুল ইসলাম জয়
আইনজীবী
জজ কোর্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ
চেম্বারঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী বার ভবন
(নিচ তলা)

আইনী যে কোন পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন।।

মোবাঃ০১৭৭৪০৬৭৭২০
whatsapp:01774067720
Gmail: [email protected]

01/09/2025

আয়কর হার (পুরুষ করদাতার জন্য সাধারণ হার)
1. প্রথম ৩,৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় → কর নেই (শূন্য)
2. পরবর্তী ১,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় → ৫%
3. পরবর্তী ৪,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় → ১০%
4. পরবর্তী ৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় → ১৫%
5. পরবর্তী ৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় → ২০%
6. পরবর্তী ২০,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় → ২৫%
7. অবশিষ্ট আয় → ৩০%

বিশেষ করমুক্ত সীমা
• মহিলা ও ৬৫ বছরের ঊর্ধ্বে করদাতা → ৪,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত।
• তৃতীয় লিঙ্গ ও শারীরিক প্রতিবন্ধী করদাতা → ৪,৭৫০০০ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত।
• গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা → ৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত।
• প্রতিবন্ধী সন্তান/নির্ভরশীল অভিভাবকের জন্য অতিরিক্ত ৫০,০০০ টাকা করমুক্ত সীমা।

👉 অর্থাৎ, কারো মোট আয়ের পরিমাণ নির্ভর করবে তার করযোগ্য আয় থেকে কতটা কর দিতে হবে।

আমরা একটা উদাহরণে হিসাব করি—

ধরা যাক একজন পুরুষ করদাতার মোট বার্ষিক আয় = ১০,০০,০০০ টাকা

ধাপে ধাপে আয়কর হিসাব

1️⃣ প্রথম ৩,৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় → করমুক্ত
কর = ০

2️⃣ পরবর্তী ১,০০,০০০ টাকা → ৫%
= ১,০০,০০০ × ৫% = ৫,০০০ টাকা

3️⃣ পরবর্তী ৪,০০,০০০ টাকা → ১০%
= ৪,০০,০০০ × ১০% = ৪০,০০০ টাকা

4️⃣ অবশিষ্ট আয় = ১০,০০,০০০ – (৩,৫০,০০০ + ১,০০,০০০ + ৪,০০,০০০) = ১,৫০,০০০ টাকা
এটা পড়ে গেছে “পরবর্তী ৫,০০,০০০ টাকা” স্ল্যাবে → ১৫%
= ১,৫০,০০০ × ১৫% = ২২,৫০০ টাকা

মোট কর = ৫,০০০ + ৪০,০০০ + ২২,৫০০ = ৬৭,৫০০ টাকা

👉 অর্থাৎ, মোট আয় ১০ লাখ হলে কর দিতে হবে ৬৭,৫০০ টাকা (পুরুষ করদাতার ক্ষেত্রে)।

তবে যদি করদাতার অনুমোদনযোগ্য বিনিয়োগ থাকে তাহলে কিছু কর ছাড় পাবেন ।

👉 ধরি করদাতা ২,০০,০০০ টাকা অনুমোদনযোগ্য বিনিয়োগ করেছেন।
1. সর্বোচ্চ ছাড়যোগ্য বিনিয়োগ = মোট আয় × ২০%
= ১০,০০,০০০ × ২০% = ২,০০,০০০ টাকা (এক্ষেত্রে পুরো ২,০০,০০০ টাকা ধরা যাবে)
2. কর ছাড় = বিনিয়োগের ১৫%
= ২,০০,০০০ × ১৫% = ৩০,০০০ টাকা
3. আগের হিসাব অনুযায়ী কর = ৬৭,৫০০ টাকা
4. কর ছাড় বাদ দিলে = ৬৭,৫০০ – ৩০,০০০ = ৩৭,৫০০ টাকা

✅ অর্থাৎ, অনুমোদনযোগ্য বিনিয়োগের কারণে করদাতা প্রকৃতপক্ষে ৩৭,৫০০ টাকা কর দেবেন (৬৭,৫০০ নয়)।

পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন ।

সম্পত্তি বেদখল কী?সম্পত্তি বেদখল বলতে বোঝায়—প্রকৃত মালিক বা দখলদারকে তার সম্পত্তি (বিশেষত জমি) থেকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করে...
14/08/2025

সম্পত্তি বেদখল কী?

সম্পত্তি বেদখল বলতে বোঝায়—প্রকৃত মালিক বা দখলদারকে তার সম্পত্তি (বিশেষত জমি) থেকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করে অবৈধভাবে অন্য কারও দখল প্রতিষ্ঠা করা।

প্রভাবশালী ব্যক্তি বা গোষ্ঠী প্রায়ই চাতুরির আশ্রয় নিয়ে, ভয়ভীতি দেখিয়ে, কিংবা জোরপূর্বক জমি থেকে প্রকৃত মালিককে উচ্ছেদ করে।

জমি বেদখল হলে করণীয়

প্রথম ধাপ: স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা

• সালিশের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা যেতে পারে।

• বিজ্ঞজন বা এলাকার মাতব্বরদের নেতৃত্বে উভয় পক্ষের কথা শুনে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ।

• বৈঠকের মাধ্যমে আসল মালিককে তার জমি ফেরত দেওয়া।

• তবে প্রভাবশালী দখলদারের ক্ষেত্রে স্থানীয় বিচার অনেক সময় কার্যকর নাও হতে পারে।

• বৈঠকের সিদ্ধান্ত অন্যায্য মনে হলে তা মানার বাধ্যবাধকতা নেই; সরাসরি আইনের শরণাপন্ন হওয়া যায়।

দ্বিতীয় ধাপ: আদালতের শরণাপন্ন হওয়া

জমি বেদখলের প্রতিকার পাওয়ার দুটি আইনগত পথ রয়েছে—

১. ফৌজদারি প্রতিকার

• ১৪৫ ধারা:

o প্রথম শ্রেণির জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অথবা প্রথম শ্রেণির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে প্রতিকার চাইতে হবে।

o বেদখল হওয়া বা আশঙ্কা দেখা দেওয়ার ২ মাসের মধ্যে মামলা করতে হবে।

o মালিকানা নয়, কেবল দখলকারী কে তা নির্ধারণ হবে।

o প্রয়োজন হলে পুলিশ তদন্ত করবে।

• ১৪৪ ধারা:

o তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের জন্য।

o জনশান্তি, নিরাপত্তা বা দাঙ্গা-হাঙ্গামা ঠেকাতে ম্যাজিস্ট্রেট জরুরি নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারেন।

২. দেওয়ানি প্রতিকার

• ফৌজদারি আদালতে মামলা না হলে দেওয়ানি আদালতে মামলা করা যায়।

• মামলা করার সময়সীমা: বেদখলের ৬ মাসের মধ্যে।

• জমির মূল্যের ওপর ভিত্তি করে কোন আদালতে মামলা হবে:

৬ মাস পর মামলা করার নিয়ম

• ৬ মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলে কিন্তু ১২ বছরের মধ্যে হলে:

o ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮/৯ ও ৪২ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতে মামলা করা যাবে।

• বাদী মালিকানা প্রমাণে ব্যর্থ হলেও যদি দখল প্রমাণ করতে পারেন, তবে ডিক্রি পাওয়া সম্ভব।

• সরকারের বিরুদ্ধে এই আইনে প্রতিকার পাওয়া যাবে না।

মালিকানা দাবি করার উপায়

• ৮ ধারা:

o মালিকানা ও দখল উভয় প্রমাণ করতে হবে।

o মামলা করার সময়সীমা: বেদখলের ১২ বছরের মধ্যে।

o এই ধরনের মামলা “স্বত্ব সাব্যস্ত খাস দখল” মামলা নামে পরিচিত।

• ৯ ধারা:

o মালিকানা প্রমাণের দরকার নেই, শুধু দখল প্রমাণ করলেই হবে।

o মামলা করার সময়সীমা: ৬ মাসের মধ্যে।

o সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে না।

মূল কথা

• সময়সীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—২ মাস, ৬ মাস ও ১২ বছর—এই তিনটি সময়সীমা মনে রাখতে হবে।

• স্থানীয় সমাধান কার্যকর না হলে আইন ও আদালতের শরণাপন্ন হতে হবে।

• মালিকানা বা দখল, যেটি প্রমাণ করা সম্ভব, তার ভিত্তিতেই প্রতিকার চাইতে হবে।

04/08/2025

ইদানিং তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রচুর ডিভোর্স হতে দেখা যাচ্ছে।

বর্তমান সময়ে ডিভোর্সের সংখ্যা এত বেড়ে যাওয়ার কারণ কি বলে মনে করছেন আপনি?

কোর্ট টাইম
03/08/2025

কোর্ট টাইম

Address

Gomastapur
Nawabganj

Telephone

+8801774067720

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Md Ariful Islam Joy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Advocate Md Ariful Islam Joy:

Share