11/01/2023
ইলায়াসী তাবলীগ বনাম রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর তাবলীগ :
▬▬▬▬▬▬▬💠💠💠▬▬▬▬▬▬▬
(ক) তারা নিজেরা কুরআন বুঝে না অন্যদেরকেও বুঝতে দেয় না। কিন্তু রাসূল ﷺ নিজে কুরআন শিখিয়েছেন এবং তার প্রচারকও ছিলেন।
(খ) তাদের দাওয়াতী নিয়ম স্বপ্নে প্রাপ্ত।(মালফূযাতে মাওলানা মুহাম্মাদ ইলিয়াস, পৃঃ ৫১ ) রাসূল ﷺ-এর দাওয়াতী নিয়ম স্বয়ং আল্লাহ প্রদত্ত (সূরা মায়েদা,৫/ ৬৭)।
(গ) তাদের দাওয়াতের মধ্যে সপ্তাহে ১ দিন, মাসে ৩ দিন, বছরে ১ চিল্লা, কমপক্ষে জীবনে ৩ চিল্লা লাগিয়ে দ্বীনি কাজ শিখতে হবে।(মালফূযাতে মাওলানা মুহাম্মাদ ইলিয়াস, পৃঃ ৫১) পক্ষান্তরে রাসূল ﷺ -এর দাওয়াতী কাজে এগুলোর কোন অস্তিত্ব নেই।
(ঘ) তাদের দাওয়াতের মধ্যে ইসলামের একটি অপরিহার্য বিধান ও আল্লাহর প্রিয় জিহাদ নেই। কিন্তু রাসূল ﷺ-এর দাওয়াতে জিহাদ একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
(ঙ) তাদের দাওয়াতে কাফের মুশরিকদের কোন বাধা নেই। রাসূল ﷺ যখন দাওয়াত দিতেন তখন কাফের মুশরিক বাধা দিত।
(চ) তাদের দাওয়াতী কাজ শেখার মূল উৎস হল ‘ফাযায়েলে আমাল’। কুরআনের চেয়েও তারা ফাযায়িলে আমাল-এর গুরুত্ব বেশী দেয়। অথচ রাসূল ﷺ-এর দাওয়াত শেখার মূল উৎস হচ্ছে কুরআন ও সহীহ হাদীস। আর কুরআনের মর্যাদা হচ্ছে সবকিছুর উর্ধ্বে।
(ছ) তারা রাষ্ট্রপ্রধান বা ক্ষমতাশালীদের বিরুদ্ধে কোন কথা বলে না যদিও তারা শিরক করে ও ইসলামের বিরুদ্ধে বলে। রাসূল ﷺ তৎকালীন রাষ্টপ্রধান ও ক্ষমতাশালীদের বিরুদ্ধে কথা বলেছিলেন, শিরক ও ইসলাম বিরোধী কাজে বাধা দিয়েছেন।
(জ) তারা কোন দাওয়াতী কাজ করার সময় কুরআন হাদীছের দলীল পেশ করে না, নিজেদের মনগড়া কথা বলে। রাসূল ﷺ নিজে কোন কিছু বলার বা দাওয়াত দেবার আগে দলীল পেশ করতেন।
(ঝ) তারা কোন মতেই কারো সাথে যুদ্ধ করতে চায় না। রাসূল ﷺ যুদ্ধ করতে গিয়ে নিজের দাঁতকে শহীদ করেছেন।
(ঞ) তারা শুধু দাওয়াত কিভাবে দিবে তা শেখায় যদিও তা ইসলামী পদ্ধতিতে নয়; অন্য কোন কিছু তারা শিখায় না। রাসূল ﷺ জীবনের প্রতি মুহূর্তে কি করতে হবে, কার সাথে কিভাবে চলতে হবে সবকিছু শিখিয়েছেন।
(ট) ইলিয়াসী তাবলীগ বুযুর্গদের সন্তুষ্টির জন্য করা হয়।(ফাযায়েলে আমাল, ভূমিকা, ১ম পৃষ্ঠা) রাসূল ﷺ-এর তাবলীগ একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য (আন‘আম ১৬; বাইয়েনা ৫)।
(ঠ) ইলিয়াসী তাবলীগের অলিরা গায়েব জানেন।(যাকারিয়া সাহারানপুরী, অনুবাদ ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা : ২৭)
অথচ রাসূল ﷺ গায়েব জানতেন না (সূরা আন‘আম,৬/ ৫০; ‘আরাফ ৭/১