ওঁ নরসিংহায় নমঃ

ওঁ নরসিংহায় নমঃ ধর্মিয় পোস্ট প্রচারে সকলকে লাইক দিয়ে সাথে থাকার জন্ন্য অনুরোধ রইলো
(1)

আজকের যুবসমাজের কাছে জগন্নাথ প্রভু যদি সরাসরি একটি বার্তা দিতেন, তাহলে কী বলতেন? মোবাইল, সোশ্যাল মিডিয়া আর ক্যারিয়ারের...
02/08/2026

আজকের যুবসমাজের কাছে জগন্নাথ প্রভু যদি সরাসরি একটি বার্তা দিতেন, তাহলে কী বলতেন? মোবাইল, সোশ্যাল মিডিয়া আর ক্যারিয়ারের দৌড়ে ছুটতে ছুটতে আমরা কি জীবনের আসল লক্ষ্যটাই ভুলে যাচ্ছি? আসুন, জগন্নাথ প্রভুর কালজয়ী কিছু শিক্ষাগুলো জানি, যা আজও প্রতিটি তরুণের জীবন বদলে দিতে পারে।"
যুবসমাজের জন্য ১০টি মূল্যবান শিক্ষা
ভূমিকা
আজকের যুবসমাজই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। একজন তরুণ যদি নিজের মন, চরিত্র ও চিন্তাকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারে, তবে সে শুধু নিজের জীবনই নয়, সমাজ ও দেশকেও উন্নতির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। তাই জীবনে সফল হতে কিছু মৌলিক আদর্শ মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি।
১. মনকে নিয়ন্ত্রণ করো
অস্থির মন মানুষকে ভুল পথে নিয়ে যায়। তাই প্রতিদিন নিজের মনকে শান্ত ও ইতিবাচক রাখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
২. নিয়মিত অনুশীলন করো
জ্ঞান, যোগ, পড়াশোনা বা যেকোনো দক্ষতা—নিয়মিত চর্চাই মানুষকে শ্রেষ্ঠ করে তোলে।
৩. আত্মবিশ্বাস হারিও না
যে নিজের ওপর বিশ্বাস রাখে, সে কঠিন বাধাকেও অতিক্রম করতে পারে।
৪. কামনা-বাসনার দাস হয়ো না
অতিরিক্ত লোভ ও ভোগের ইচ্ছা মানুষকে দুর্বল করে। সংযমই প্রকৃত শক্তি।
৫. জ্ঞান অর্জনকে অভ্যাস বানাও
প্রতিদিন নতুন কিছু শেখো। জ্ঞানই মানুষকে আলোকিত করে।
৬. চরিত্রকে সবচেয়ে বড় সম্পদ মনে করো
অর্থ হারালে ফিরে পাওয়া যায়, কিন্তু চরিত্র হারালে মানুষের সম্মান নষ্ট হয়ে যায়।
৭. সময়ের সঠিক ব্যবহার করো
প্রতিটি মুহূর্ত মূল্যবান। অলসতা নয়, কর্মই সফলতার পথ।
৮. অন্যের উপকারে এগিয়ে এসো
নিজের উন্নতির পাশাপাশি সমাজের কল্যাণে কাজ করাই প্রকৃত মানবতা।
৯. ধৈর্য ও অধ্যবসায় বজায় রাখো
সফলতা একদিনে আসে না। ধৈর্য ধরে চেষ্টা চালিয়ে গেলে একদিন লক্ষ্য অর্জন হবেই।
১০. ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস ও নৈতিক জীবন
সত্য, ন্যায় ও সৎ পথে চললে মানুষের অন্তরে শান্তি আসে এবং জীবন অর্থবহ হয়ে ওঠে।

যুবকরাই একটি জাতির শক্তি। যদি তারা শৃঙ্খলা, জ্ঞান, আত্মনিয়ন্ত্রণ, নৈতিকতা এবং পরিশ্রমকে জীবনের আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করে, তবে তারা নিজেদের স্বপ্ন পূরণের পাশাপাশি সমাজ ও দেশকে উন্নতির পথে এগিয়ে নিতে পারবে। সফলতার শুরু হয় নিজের ভেতরের পরিবর্তন থেকে। তাই আজ থেকেই নিজেকে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করি।
#জয়জগন্নাথ 🙏

সবাইকে আগাম রথযাত্রার শুভেচ্ছা 🔔👉আসুন জেনে নিই পুরিধামের রথ সম্পর্কিত জানা-অজানা কিছু তথ্য🙏💞১. জগন্নাথ প্রতিবছর নব রথে উ...
15/07/2026

সবাইকে আগাম রথযাত্রার শুভেচ্ছা 🔔👉আসুন জেনে নিই পুরিধামের রথ সম্পর্কিত জানা-অজানা কিছু তথ্য🙏💞

১. জগন্নাথ প্রতিবছর নব রথে উঠে। নব মানে নতুন আবার নব মানে নববিধা ভক্তি। মানে ভক্তির রথে জগন্নাথ উঠে। ভক্তি দিয়ে গড়া রথ।

২. রথের দড়ি - বাসুকি। সেজন্যে বলা হয়, রথের দড়ি ধরলে পুণ্য হয়। মূলত, বাসুকির কৃপা লাভ হয়।

৩. পুরীর রথের ৪২ টি চাকা। (বলদেবের রথের ১৪ টি, জগন্নাথের রথের ১৬ টি, সুভদ্রাদেবীর ১২ টি)।

৪. পুরীর রথ চলার সময় রাস্তায় চাকার তিনটি দাগ পড়ে - তা হল গঙ্গা, যমুনা, সরস্বতী। যারা বার্ধক্যজনিত কারণে বা অন্যান্য কারণে রথের দড়ি ধরতে পারেন না, তারা যদি চাকার এই তিনটি দাগের ধুলি গ্রহণ করেন, বা এই ত্রিদাগে গড়াগড়ি দেন, তাহলে গঙ্গা-যমুনা-সরস্বতীতে অবগাহনের ফল লাভ করেন।

৫. জগন্নাথের রথের নাম নন্দীঘোষ বা কপিধ্বজ । এই রথের ১৬টি চাকা। রথের রঙ পীত। ষোল চাকা মানে দশ ইন্দ্রিয় আর ছয় রিপূ । যা থাকে ভগবানের নীচে।

৬. বলভদ্রের রথের নাম হল তালধ্বজ বা হলধ্বজ। ১৪টি চাকা আছে। ১৪টি চাকা মানে ১৪টি ভুবন। বলভদ্র হল গুরুতত্ত্ব। গুরুতত্ত্বের অধীন ১৪টি ভূবন।

৭. দেবতাদের দ্বারা প্রদত্ত সুভদ্রা দেবীর রথের নাম ‘দর্পদলন’ বা 'পদ্মধ্বজ'। রথের উচ্চতা ৩১ হাত। এই রথে ১২ টি চাকা আছে। এর অর্থ ভজনের সময় বার মাস। প্রতিদিন ভক্তিঙ্গ যাজন করতে হবে।

৮. সম্পূর্ণ রথ শুধুমাত্র কাঠের তৈরি, ফলে রথ চলার সময় কাঠের কড়কড় শব্দ হয়, এটিকে বলা হয় বেদ।

৯. ২০৬ টি কাঠ দিয়ে জগন্নাথের রথ হয়। ঠিক আমাদের দেহেও ২০৬ টি হাড়।

১০. রথ যখন চলে প্রথমে থাকে বলদেবের রথ। কারণ বলদেব দাদা। আবার জগত গুরুতত্ত্ব। তিনিই তো নিত্যানন্দ ।সবার জীবনে আগে গুরুকৃপা আসতে হবে।
তারপর চলে সুভদ্রার রথ। সুভদ্রা হল ভক্তি তত্ত্ব। গুরুকৃপার পর আসে ভক্তিমহারাণী। কারণ ভক্তির ঠিকানা শ্রীগুরুপদে। “শ্রীগুরুচরণপদ্ম কেবল ভকতিসদ্ম। বন্দো মুই সাবধান মতে।” গুরুদেব হল ভগবানের করুনার মুর্তি।
তারপর যায় জগন্নাথের রথ।
প্রথমে গুরুদেব, তারপর ভক্তি, তারপর ভগবান জগন্নাথ।

১১. রথের দর্শনে শ্রী চৈতন্যমহাপ্রভু নৃত্য করছেন। অপলক নয়নে দর্শন করছেন জগন্নাথ। রথ চলতে চলতে মাঝে মাঝে থেমে যায়।
এর কারন রাধা ভাবে বিভোর মহাপ্রভুকে ভাল করে দেখার জন্য রথ একটু থামে আবার চলে। অনেক ভক্তের মাঝে মহাপ্রভুকে না দেখে জগন্নাথ থেমে যায়। রথ অপ্রকৃতি কারন তা প্রভু জগন্নাথের ইচ্ছা শক্তিতে রথ চলে।
আজও রথে অচল জগন্নাথকে দেখে রাধা ভাবে বিভোর মহাপ্রভু আনন্দে নেচে নেচে যায়।

#জয়জগন্নাথ
#রথযাত্রা২০২৬

 #একাদশীবার্তা আগামী ১১ই জুন ২০২৬ ইং বৃহস্পতিবার ২৭ শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ পবিত্র পরমা একাদশীর ব্রত উপবাস 🏵️ পারণঃ পরে...
11/06/2026

#একাদশীবার্তা আগামী ১১ই জুন ২০২৬ ইং বৃহস্পতিবার ২৭ শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ পবিত্র পরমা একাদশীর ব্রত উপবাস
🏵️ পারণঃ পরের দিন সকাল ০৫:১০থেকে ০৯:৪২ মি: মধ্যে। ঢাকা, বাংলাদেশ ।। ০৪:৫১ থেকে ০৯:২১ মি: মধ্যে। কলকাতা, ভারত ॥

🕉️🌼 পরমা একাদশী ব্রত মাহাত্ম্যকথা
পুরুষোত্তম মাস অধিমাস কৃষ্ণপক্ষীয়া ‘পরমা’ একাদশী পদ্ম পুরাণোল্লেখিত যুধিষ্ঠির-শ্রীকৃষ্ণ সংবাদে অধিমাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একদাশী মহিমা দেখতে পাওয়া যায়। যুধিষ্ঠির মহারাজ শ্রীকৃষ্ণের নিকট প্রশ্নকরলেন-অধিমাসে কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশীর নাম কি? ব্রতের বিধান বা কি?

শ্রীকৃষ্ণ বললেন- হে যুধিষ্ঠির! মানুষের ভুক্ত মুক্তি প্রদাতা এই পবিত্র একাদশীর নাম পরমা একাদশী অথবা কমলা একাদশী! তোমার প্রতি স্নেহ বশতঃঅশেষ মহিমাযুক্ত পুরুষোত্তম মাসের কৃষ্ণ-পক্ষীয়া একাদশীর মহিমা বলছি ব্রহ্ম মূহুর্তে শয্যা পরিত্যাগপূর্বক যথাবিহিত স্নান-আহ্নিকাদি সেরে ভগবানশ্রীবিষ্ণুর প্রীতি কামনায় শ্রীভগবানের নাম মন্ত্র জপ করতে হয়। গৃহেতে যে পরিমাণে জপ করবে নদীতীরে তার দ্বিগুণ, তদপেক্ষা গোষ্ঠে সহস্রবার,তীর্থে শতবার, তুলসীর নিকটে লক্ষবার এবং বিষ্ণুর সম্মুখে অসংখ্যবার জপ করতে হয়। অবন্তীনগরে বিশ্বকর্মা নামে এক সম্ভ্রান্ত ব্রাহ্মণ বাস করতেন।তাঁর পাঁচটি পুত্র ছিল। তাদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ পুত্রের নাম জয় শর্মা। কোন দুষ্কর্ম করায় পিতা মাতাও তাকে বাড়ী থেকে বহিষ্কৃত করে দেয়। কোন এক সময়ভ্রমণ করতে করতে এলাহবাদে এসে ত্রিবেণী সঙ্গমে স্নান কার্য সমাপনান্তে ক্ষুধায় কাতর হয়ে মলিন বদনে কোন একমুনির আশ্রমে উপস্থিত হলেন।সে দিন আবার এই একাদশী তিথি। অনেক ভক্তবৃন্দ মুনি মুখপদ্ম বিগলিত একাদশী মহিমা শ্রবণ করতঃ ব্রত পালন করছেন। ঐ ব্রাহ্মণও ব্রত পালনকরে ব্রত কথা শুনলেন। তাঁর ব্রতোপবাসে সন্তুষ্ট হয়ে স্বয়ং লক্ষ্মীদেবী দর্শন দিয়ে বললেন- “ভক্তির সঙ্গে এই উপবাস পালন করায় আমি সন্তুষ্ট হয়েছি।তোমাকে বরদ দান করতে ইচ্ছা প্রকাশ করে আমি এসেছি। আমার নাম লক্ষ্মী আমি পরম কৃপালু নারায়ণ কর্তৃক প্রেরিত। বৈকুন্ঠ থেকে এসেছি। এইব্রতানুষ্ঠানে তোমার অধীনা হয়েছি। তোমার বংশে শ্রেষ্ঠ ব্রাহ্মণগণ জন্মগ্রহণ করবে। আমি সত্যই বলছি-আমার নাম লক্ষ্মী।”

ব্রাহ্মণ বললেন- হে কমলে! সত্যিই যদি আমা প্রতি প্রসন্ন হয়ে বর দিতে চান তবে এই ব্রতকথা ভালরূপে বর্ণন করলে আরও দ্বিজগণ এই ব্রতকথায়প্রবৃত্তি লাভ করতে পারবেন। এই ব্রতে ভগবান শ্রীনারায়ণকে ভক্তিভরে পূজা করতে হয়, নিরাহারে অবস্থান পূর্বক পরদিন দ্বাদশীতে পুণ্ডরীকাক্ষেরপূজা নৈবেদ্যান্তে প্রসাদন্ন পারণ করতে হয়। শ্রীকৃষ্ণ বললেন, লক্ষ্মীদেবী বর প্রদান করে অন্তর্হিতা হলেন। অনন্তর সেই বিপ্রধনশালী হয়ে সুখে হরিস্মরণ করে দেহান্তে ভগদ্ধামে গমণ করেন।কমলার আশীর্বাদে ব্রাহ্মণ ধন্য হইয়েছিলেন। তাই এই একাদশীকে ‘কমলা’ একাদশীও বলা হয়। আবার ভগবান শ্রীকৃষ্ণ মহারাজ যুধিষ্ঠিরকে একমনোরম কাহিনী বলছেন! একদা কাম্পিল্য নগরে সুমেধা নামে এক ধার্মিক ব্রাহ্মণ বাস করতেন। পবিত্রা নাম্নী তাঁর এক পতিব্রতা সহধর্মিনী ছিল। কিন্তুকোন পাপকার্য্যরে জন্য তারা এত দরিদ্র হলো যে অন্ন-বস্ত্র পর্যন্তও তাদের জোটেনি। এর মধ্য দিয়েও যদি কখনও অতিথি আসে তখন নিজেরা না খেয়েযতটুকু সম্ভব অতিথি সৎকার করতেন। ব্রাহ্মণের স্ত্রীর মনে একটুও দুঃখ ছিল না। একদিন ব্রাহ্মণ-ব্রাহ্মণীকে বলছেন- হে ব্রাহ্মণী! আমি কিছু ধনেরপ্রত্যাশী হয়ে বিদেশী যাত্রা করতে চাই, বুদ্ধিমান ব্যক্তি উদ্যম ও উৎসাহকে ভঙ্গ করে না, সামর্থকে অবহেলা করা উচিৎ নয়। তখন ব্রাহ্মণী বলছেন- হেস্বামিন! আপনার চেয়ে অধিক বিদ্বান আমি নই, তবে এইটুকু জানি-বিদ্যা, ধন, দারিদ্রতা সর্বত্রই পূর্বজন্মার্জিত ফল।

পূর্বজন্মে কোন ফল না থাকলে বর্তমানে কি কেউ সুখে থাকতে পারে। আমরা ধন সম্পদ অনেক পেয়েছিলাম-কিন্তু কাউকে অন্ন দান করিনি। তাই আমাদের অন্ন জুটছে না। হে পতিদেবতা! তুমি ধনের জন্য অন্যত্র গেলে আমাকে লোকে দুর্ভাগা বলে নিন্দা করবে অতএব তুমি এখানে থেকে যা লাভ কর ওতেই আমি সন্তুষ্ট হই।পতিব্রতার কথা শুনে ব্রাহ্মণ দেশে রয়ে গেলেন। একদিন তাদের ভগ্ন কুটিরে কৌণ্ডিল্য মুনি এলেন। পরম শ্রদ্ধা সহকারে পাদ্যার্ঘদ্বারা উভয়ে মুনিকেপ্রণাম করে সস্ত্রীক বিধিপূর্বক ভোজন করালেন। ব্রাহ্মণী জিজ্ঞাসা করলেন- হে মহামুনে! কিসে দারিদ্রতা নাশ হয়? এমন কোন উত্তম ব্রতের কথা বলুনযাতে পাপ-দুঃখ দারিদ্রতা দুর হয় এবং ভগবানে ভক্তির উদয় হয়! তখন কৌণ্ডিল্য মুনি বললেন, মলমাসে অধিমাসে কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশী ব্রত ভুক্ত মুক্তিপ্রদায়িনী, সর্বপাপ বিনাশিনী, সর্ব সুখদায়িনী এবং ভগবানের অতীব প্রিয়তমা তিথি। প্রথমে কুবের এই ব্রত পালন করেছিলেন। রাজা হরিশ্চন্দ্র এইব্রত পালনে স্ত্রী-পুত্র ও রাজ্য ফিরে পেয়েছিলেন। হে বিশালাক্ষী! এই জন্য তোমারাও এই ব্রত পালন কর।

হে পাণ্ডব! কৌণ্ডিন্য মুনির উপদেশে পতি-পত্নী উভয়ে একসঙ্গে বিধীমতো পুরুষোত্তম মাসের পরমা একাদশী ব্রত পালন করলেন। ব্রত সমাপনের পররাজভবন থেকে এক রাজকুমার তাঁদের কাছে এলেন। ব্রহ্মার প্রেরণায় তিনি বউ ধনসম্পদ, নতুন গৃহ ও গাভী এই দম্পতীকে দান করেলন। এই দানেরফলে মৃত্যুর পর সেই রাজা বিষ্ণুলোক প্রাপ্ত হয়েছিল। এইভাবে পরমা ব্রতের প্রভাবে ব্রাহ্মণ-দুম্পতির সকল দুঃখের অবসান হল। যে মানুষ এই একাদশী ব্রত পালন না করেন তিনি চূড়াশি লক্ষ যোনিতে ভ্রমণ করেও কখনও সুখী হয় না। বহু পূণ্য কর্মের ফলে দুর্লভ মানব-জন্ম লাচহয়। তাই মানব-জীবনে এই একাদশী ব্রত পালন করা অবশ্য কর্তব্য। এই মাহাত্ম শুনে মহারাজ যুধিষ্ঠির তাঁর আত্মীয়বর্গের সঙ্গে এই ব্রত পালন করেছিলেন ।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।

#একাদশী

হরেকৃষ্ণ  #একাদশীবার্তা 🌹 আগামী ২৭-০৫-২০২৬ ইং তারিখ রোজ বুধবার পবিত্র পদ্মিনী একাদশীর উপবাস ব্রত। পারন পরেরদিন সকাল(বাংল...
26/05/2026

হরেকৃষ্ণ #একাদশীবার্তা 🌹 আগামী ২৭-০৫-২০২৬ ইং তারিখ রোজ বুধবার পবিত্র পদ্মিনী একাদশীর উপবাস ব্রত। পারন পরেরদিন সকাল
(বাংলাদেশ) ০৫:১১-০৮:২৯
(পশ্চিমবঙ্গ) ০৪:৫২-০৭:৫৯
🙏একাদশী ব্রত পালন করুন ও অন্যকে একাদশী ব্রত পালনের জন্য উৎসাহিত করুন ।।
🙏❤️❤️ পদ্মিনী একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য ❤️❤️🙏
স্মার্তগণ পুরুষোত্তম মাস বা অধিমাসকে `মলমাস' বলে এই মাসে সমস্ত শুভকার্য পরিত্যাগ করে থাকেন। কিন্তু ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এই মাসকে পারমার্থিক মঙ্গলের জন্য অন্য সকল মাস থেকে সর্বশ্রেষ্ঠ বলে নির্ণয় করেছেন।তিনি নিজের নামানুসারে এই মাসের নাম `পুরুষোত্তম' মাস রেখেছেন।
যুধিষ্ঠির বললেন, হে জনার্দন! আমি বহুধর্ম ও ব্রতের কথা শুনেছি। এখন পুরুষোত্তম মাসের সর্বপাপবিনাশিনী ও পুণ্যদায়িনী শুক্লপক্ষীয়া `পদ্মিনী' একাদশীর কথা আমার কাছে বর্ণনা করুন।যা শ্রবন করলে পরমপদ প্রাপ্ত হওয়া যায়।
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বললেন, দশমীর দিন থেকেই এই ব্রতের শুরু হয়। কাঁসার পাত্রে ভোজন, মুসুর, ছোলা, শাক এবং অপরের অন্ন ও আমিষ দশমীর দিন বর্জন করতে হয়। পরের দিন প্রাতঃকৃত্যের পর সুগন্ধী ধূপ, দীপ, চন্দনাদি দিয়ে ভগবানের পূজা করতে হয়। রাত্রিতে জাগ্রত থেকে ভগবানের নাম,গুণ কীর্তন করতে হয়। এখন এই ব্রতের একটি ইতিহাস আপনার মনোরঞ্জনের জন্য বলছি। পূর্বে পুলস্ত মুনি দেবর্ষি নারদকে এই ইতিহাস বর্ণনা করেছিলেন।
একসময় রাজা কার্তবীর্য লঙ্কাপতি রাবনকে পরাজিত করে তাঁর কারাগারে বন্দী করে রাখে। পুলস্ত মুনি রাজার কাছে রাবনের মুক্তি প্রার্থনা করেন। মুনির আজ্ঞায় রাজা রাবনকে মুক্ত করেন। এই অাশ্চর্যজনক কথা শুনে নারদ পুলস্ত মুনিকে জিজ্ঞাসা করেন, হে মুনিবর! ইন্দ্রসহ সকল দেবতা যখন রাবনের কাছে পরাজিত হল, রাজা কার্তবীর্য কীভাবে রাবনকে পরাজিত করলেন? পুলস্ত মুনি তখন নারদের কাছে কার্তবীর্যের জন্মরহস্য বর্ণনা করেন।
ত্রেতাযুগে হৈহয় বংশে কৃতবীর্য নামে এক রাজা ছিলেন। মহীস্মতীপুরে তার রাজধানী ছিল। রাজার এক হাজার পত্নী ছিল। কিন্তু রাজ্যভার গ্রহন করার মত কোনো পুত্রলাভ তার ভাগ্যে হয়নি। দেবতাদের আরাধনাতেও সুফল মেলেনি তার। অবশেষে সাধুদের আজ্ঞানুসারে বিভিন্ন ব্রত পালন করলেন।তথাপি রাজা ছিলেন অপুত্রক। মন্ত্রীর ওপর রাজ্যভার অর্পণ করে তপস্যায় যাবেন বলে স্থির করলেন রাজা। রাণী মহারাজ হরিশ্চন্দ্রের কন্যা পদ্মিনী ছিলেন অত্যন্ত পতিব্রতা। স্বামীর সাথে তিনিও তপস্যার জন্য মন্দার পর্বতে গমন করলেন।সেখানে তারা দশ হাজার বছর ধরে কঠোর তপস্যা করলেন। কিন্তু রাজা পুত্রলাভে বঞ্চিতই রইলেন।
রাণী পদ্মিনী মহাসাধ্বী অনুসূয়াকে জিজ্ঞাসা করলেন, হে সাধ্বী! পুত্রলাভের জন্য আমার স্বামী দশ হাজার বছর তপস্যা করেও বিফল হয়েছে।যে ব্রত পালনে ভগবান সন্তুষ্ট হন এবং অতিশ্রেষ্ঠ পুত্রলাভ হয়,এমন কোনো উপায় বিধান করুন।
পদ্মিনীর প্রার্থনায় অনুসূয়া প্রসন্ন হয়ে বললেন, বত্রিশ মাস অন্তর এক অধিমাস বা পুরুষোত্তম মাস আসে। এই মাসে পদ্মিনী ও পরমা দুই একাদশী। এই ব্রত পালন করলে পুত্রদাতা ভগবান শীঘ্রই প্রসন্ন হবেন।
অনুসূয়ার নির্দেশে পদ্মিনী পরম শ্রদ্ধায় এই একাদশী ব্রত পালন করলেন। সেই ব্রতে সন্তুষ্ট হয়ে স্বয়ং ভগবান গরুড় বাহনে আরোহন করে পদ্মিনীর সম্মুখে উপস্থিত হলেন।
ভগবান বললেন, হে ভদ্রে! আমি প্রসন্ন হয়েছি। পুরুষোত্তম মাসের একাদশী আমার পরম প্রিয়। তুমি সেই ব্রত যথাযথ পালন করেছ। তাই আমি তোমার ইচ্ছানুরূপ বর প্রদান করব।
ভগবানের স্তব করে রাণী বললেন, হে ভগবান! আমার স্বামীকে আপনি বর দান করুন। ভগবান তখন রাজার কাছে এসে বললেন, হে রাজেন্দ্র! আপনার অভিলষিত বর প্রার্থনা করুন। মহানন্দে রাজা বললেন, হে জগত্ পতি! হে মধুসূদন! দেবতা,মানুষ, নাগ,দৈত্য, রাক্ষস আদি কেউ তাকে পরাজিত করতে পারবে না, এমন পুত্র আমি প্রার্থনা করি। রাজার প্রার্থনা অনুসারে বরদান করে ভগবান অন্তর্হিত হলেন। রাজা পত্নী সহ রাজ্যে ফিরে এলেন। যথা সময়ে রানী পদ্মিনীর গর্ভে মহা বলশালী এক পুত্রের জন্ম হয়। মহারাজ কৃতবীর্য পুত্রের নাম রাখেন কার্তবীর্য। ত্রিলোকে তার সমান কোনো বীর ছিলনা। তাই দশানন রাবন যুদ্ধে তাঁর কাছে পরাজিত হয়।
শ্রীকৃষ্ণ বললেন, হে মহারাজ! এই ব্রত যিনি পালন করবেন, তিনি ভগবান শ্রীহরির শ্রীপাদপদ্মে অহৈতুকী ভক্তি লাভ করবেন।
শ্রীকৃষ্ণের উপদেশে ধর্মরাজ সপরিবারে এই একাদশী ব্রত পালন করেন। যিনি এই ব্রত মাহাত্ম্য পাঠ ও শ্রবন করেন,তিনি বহু পুণ্যলাভ করেন।
#শেয়ার_করুন_সকলে

📢 শ্রী নৃসিংহ চতুর্দশী ব্রত📣 আগামী ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ইং, রোজ বৃহস্পতিবার "ভক্তবৎসল ভগবান শ্রী শ্রী নৃসিংহদেবের শুভ আবির্ভাব...
30/04/2026

📢 শ্রী নৃসিংহ চতুর্দশী ব্রত📣 আগামী ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ইং, রোজ বৃহস্পতিবার "ভক্তবৎসল ভগবান শ্রী শ্রী নৃসিংহদেবের শুভ আবির্ভাব তিথি
💢💟🌹 (শ্রী নৃসিংহ চতুর্দশী) 🌹💟💢
☑️☑️গোধুলী পর্যন্ত নির্জলা একাদশী ☑️☑️
বৃহৎনারদীয়সিংহ পুরাণে ভগবান শ্রীনৃসিংহদেব পরম ভক্ত প্রহ্লাদকে বললেন-
বর্ষে বর্ষে তু কর্তব্যং মম সন্তুষ্টি কারণম।
মহা গুহ্যমিদং শ্রেষ্ঠং মানবৈর্ভব ভীরুভিঃ।

অনুবাদঃ প্রতি বছর আমার সন্তুষ্টি উদ্দেশ্যে নৃসিংহ চতুর্দশী ব্রত্য কর্তব্য। জন্ম-মৃত্যুময় সংসার ভয়ে মানুষ এই পরম গোপনীয় ও শ্রেষ্ঠ ব্রত পালন করবে।
বৈশাখ মাসের শুক্লা চতুর্দশীতে শ্রীনৃসিংহদেব আবির্ভূত হয়েছিলেন, তাই এই তিথিতে ব্রত পালন পূর্বক তার পূজা ও উৎসব করতে হয়।

শ্রীনৃসিংহদেব বললেন, আমার ব্রতদিন জেনেও যে ব্যক্তি লঙ্ঘন করে, চন্দ্র-সূর্য যতদিন থাকবে ততদিন নরক যাতনা ভোগ করবে। যদিও আমার ভক্তরা এই ব্রত করে থাকে তবুও প্রত্যেকের এই ব্রতে অধিকার আছে।

আসুন জেনে নিই শ্রীনৃসিংহদেবের স্তব ও প্রণাম মন্ত্র-

💕💕 স্তবঃ মন্ত্র -
জয় নৃসিংহ শ্রীনৃসিংহ।
জয় জয় জয় শ্রীনৃসিংহ।।
উগ্রং বীরং মহাবিষ্ণুং
জ্বলন্তং সর্বতোমুখম্।
নৃসিংহং ভীষণম ভদ্রং
মৃত্যুর্মৃত্যুং নমাম্যহম্।।
শ্রীনৃসিংহ, জয় নৃসিংহ, জয় জয় নৃসিং।
প্রহ্লাদেশ জয় পদ্মমুখ পদ্মভৃঙ্গ ।।

💟💟 #প্রণাম মন্ত্রঃ-
নমস্তে নরসিংহায় প্রহ্লাদাহ্লাদ দায়িনে।
হিরণ্যকশিপো র্বক্ষঃ শিখাটঙ্ক নখালয়ে।।
ইতো নৃসিংহঃ পরতো নৃসিংহ
যতো যতো যামি ততো নৃসিংহো।
বহির্নৃসিংহো হৃদয়ে নৃসিংহো
নৃসিংহমাদিং শরণং প্রপদ্যে।।
তব কর কমলবরে নখমদ্ভূতশৃঙ্গম্
দলিতহিরণ্যকশিপু তনুভৃঙ্গম।
কেশব ধৃত-নরহরিরূপ জয় জগদীশ হরে।

ভগবান নৃসিংহদেবের কৃপা সবার উপর বর্ষিত হোক।
🙏💞 জয় ভক্তবৎসল ভগবান শ্রী নৃসিংহদেব কী ?? . জয় 🙏💞 #নৃসিংহ_চর্তুদশী_ব্রত

 #একাদশীবার্তা মোহিনী একাদশী 💥 আগামী  *২৭ এপ্রিল * *সোমবার*, ২০২৬, ১৩ বৈশাখ , ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ। শুক্লপক্ষের একাদশী ।🙏সবাই  ...
26/04/2026

#একাদশীবার্তা মোহিনী একাদশী 💥 আগামী *২৭ এপ্রিল * *সোমবার*, ২০২৬, ১৩ বৈশাখ , ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ। শুক্লপক্ষের একাদশী ।🙏
সবাই এই একাদশী পালন করবেন, এবং অন্যকে একাদশী ব্রত পালনে উৎসাহিত করবেন এবং মনুষ্য জীবনকে সার্থক করে তুলুন। 🙏
💥 *একাদশী সংকল্প মন্ত্র* :-
ভগবান কৃষ্ণের সম্মুখে আমরা অবশ্যই সংকল্প নেব –
👉 একাদশ্যাম্‌ নিরাহারঃ স্থিতা অহম্ অপরেহহনি।
ভোক্ষ্যামি পুন্ডরীকাক্ষ স্মরনম্‌ মে ভবাচ্যুত।।
👉 অনুবাদ : হে পুন্ডরীকাক্ষ! হে অচ্যূত! একাদশীর দিন উপবাস থেকে এই ব্রত পালনের উদ্দেশ্যে আমি আপনার স্মরণাপন্ন হচ্ছি।🙏
🏵 *পারনের সময়* (পরের দিন): ---
*******************************************
💥 কলকাতা, ভারত সময় :-
সকাল ০৫ টা ০৫ থেকে ০৯ টা ২৪ মি: মধ্যে l🙏
💥 ঢাকা, বাংলাদেশ সময় :-
সকাল ০৫ টা ২৬ থেকে ০৯ টা ৪৬ মি: মধ্যে।🙏
🏵 *একাদশী পারন মন্ত্র*:-
******************************************
👉 অজ্ঞান তিমিরান্ধস্য ব্রতেনানেন কেশব।
প্রসীদ সুমুখ নাথ জ্ঞানদৃষ্টিপ্রদো ভব॥
(বৃ: না: পু: ২১/২০)
👉 অনুবাদ : হে কেশব! আমি অজ্ঞানরূপ অন্ধকারে নিমজ্জিত আছি। হে নাথ! এই ব্রত দ্বারা আমার প্রতি প্রসন্ন হয়ে আমাকে জ্ঞানচক্ষু প্রদান করুন।🙏

💥 একাদশী তিথির পরদিন উপবাস ব্রত ভাঙার পর অর্থাৎ, উপবাসের পরদিন সকালে যে নির্দিষ্ট সময় দেওয়া থাকে, সেই সময়ের মধ্যে পঞ্চ রবিশস্য ভগবানকে ভোগ নিবেদন করে একাদশীর পারণ মন্ত্র তিনবার ভক্তিভরে পাঠ করতে হয়। এরপর প্রসাদ গ্রহণ করে পারণ করা একান্ত ভাবে দরকার, নতুবা
একাদশীর পূর্ণ ফল লাভ হবে না। আর অবশ্যই একাদশীর আগের দিন ও পরের দিন নিরামিষ
প্রসাদ গ্রহণ করতে হবে। 🙏

🏵 মোহিনী একাদশী মাহাত্ম্য*:-
********************************************
💥কুর্মপুরাণে বৈশাখ শুক্লপক্ষের ‘মোহিনী’ একাদশীর ব্রত মাহাত্ম্য বর্ণনা করা হয়েছে। মহারাজ যুধিষ্ঠির বললেন- ‘হে জনার্দন! বৈশাখ শুক্লপক্ষীয়া একাদশীর কি নাম, কি ফল, কি বিধি-এসকল কথা আমার নিকট বর্ণনা করুন।’ উত্তরে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বললেন হে ধর্মপুত্র! আপনি আমাকে যে প্রশ্ন করেছেন পূর্বে শ্রীরামচন্দ্রও বশিষ্ঠের কাছে এই একই প্রশ্ন করেছিলেন। তিনি জিজ্ঞাসা করেছিলেন- হে মুনিবর! আমি জনকনন্দিনী সীতার বিরহজনীত কারণে বহু দু:খ পাচ্ছি। তাই একটি উত্তম ব্রতের কথা আমাকেবলুন। যার দ্বারা সর্বপাপ ক্ষয় হয় ও সর্বদু:খ বিনষ্ট হয়।

💥এই কথা শুনে বশিষ্ঠদেব বললেন- হে রামচন্দ্র! তুমি উত্তম প্রশ্ন করেছ। যদিও তোমার নামগ্রহণেই মানুষ পবিত্র হয়ে থাকে। তবুও লোকের মঙ্গলেরজন্য তোমার কাছে সর্বশ্রেষ্ঠ ও পরম পবিত্র একটি ব্রতের কথা বলছি। বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষীয়া একাদশী ‘মোহিনী’ নামে প্রসিদ্ধা। এই ব্রত প্রভাবে মানুষের সকল পাপ, দু:খ ও মোহজাল অচিরেই বিনষ্ট হয়। তাইমানুষের উচিত সকল পাপক্ষয়কারী ও সর্বদু:খবিনাশী এই একাদশী ব্রত পালন করা। একাগ্রচিত্তে তার মহিমা তুমি শ্রবণ কর। এই কথাশ্রবণমাত্রেই সমস্ত পাপ বিনষ্ট হয়।

💥পবিত্র সরস্বতী নদীর তীরে ভদ্রাবতী নামে এক সুশোভনা নগরী ছিল। চন্দ্রবংশজাত ধৃতিমান নামে এক রাজা সেখানে রাজত্ব করতেন। সেই নগরীতেইধনপাল নামে এক বৈশ্য বাস করতেন। তিনি ছিলেন পুণ্যকর্মা ও সমৃদ্ধশালী ব্যক্তি। তিনি নলকূপ, জলাশয়, উদ্যান, মঠ ও গৃহ ইত্যাদি নির্মাণ করেদিতেন। তিনি ছিলেন বিষ্ণুভক্তি পরায়ণ ও শান্ত প্রকৃতির মানুষ। সুমনা, দ্যুতিমান, মেধাবী, সুকৃতি ও ধৃষ্টবুদ্ধি নামে তার পাঁচজন পুত্র ছিল। পঞ্চমপুত্র ধৃষ্টবুদ্ধি ছিল অতি দুরাচারী। সে সর্বদা পাপকার্যে লিপ্ত থাকত। পরস্ত্রী সঙ্গী, বেশ্যাসক্ত, লম্পট ও দ্যুতক্রীড়া প্রভৃতি পাপে সে অত্যন্ত আসক্তছিল। দেবতা, ব্রাহ্মণ ও পিতামাতার সেবায় তার একেবারেই মতি ছিল না। সে অন্যায়কার্যে রত, দুষ্টস্বভাব ও পিতৃধন ক্ষয়কারক ছিল। সবসময় সেঅভক্ষ ভক্ষণ ও সুরাপানে মত্ত থাকত।

💥 পিতা ধনপাল একদিন পথ চলছিলেন। হঠাৎ তিনি দেখতে পেলেন ধৃষ্টবুদ্ধি এক বেশ্যার গলায় হাত রেখে নি:সঙ্কোচে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তার নির্লজ্জপুত্রকে এভাবে চৌরাস্তায় ভ্রমণ করতে দেখে তিনি অত্যন্ত মর্মাহত হলেন। এই কুস্বভাব দর্শনে ক্রুদ্ধ হয়ে তিনি তাকে গৃহ থেকে বার করে দিলেন।তার আত্মীয়-স্বজনও তাকে পরিত্যাগ করল। সে তখন নিজের অলংকারাদি বিক্রি করে জীবন অতিবাহিত করত। কিছুদিন এইভাবে চলার পরঅর্থাভাব দেখা দিল। ধনহীন দেখে সেই বেশ্যাগণও তাকে পরিত্যাগ করল। অন্নবস্ত্রহীন ধৃষ্টবুদ্ধি ক্ষুধা-তৃষ্ণায় অত্যন্ত কাতর হয়ে পড়ল। অবশেষে নিজের গ্রামে সে চুরি করতে শুরু করল। একদিন রাজপ্রহরী তাকে ধরে বন্দীকরল। কিন্তু পিতার সন্মানার্থে তাকে মুক্ত করে দিল। এভাবে বারকয়েক সে ধরা পড়ল ও ছাড়া পেল। কিন্তু তবুও সে চুরি করা বন্ধ করল না। তখনরাজা তাকে কারাগারে বদ্ধ করে রাখলেন। বিচারে সে কষাঘাত দন্ডভোগ করল। কারাভোগের পর অনন্য উপায় ধৃষ্টবুদ্ধি বনে প্রবেশ করল। সেখানেসে পশুপাখি বধ করে তাদের মাংস ভক্ষণ করে অতি দু:খে পাপময় জীবন যাপন করতে লাগল।

💥 দুষ্কর্মের ফলে কেউ কখনও সুখী হতে পারে না। তাই সেই ধৃষ্টবুদ্ধি দিবারাত্রি দু:খশোকে জর্জরিত হল। এভাবে অনেকদিন অতিবাহিত হল। কোনপুণ্যফলে সহসা একদিন সে কৌন্ডিন্য ঋষির আশ্রমে উপস্থিত হল। বৈশাখ মাসে ঋষিবর গঙ্গাস্নান করে আশ্রমের দিকে প্রত্যাবর্তন করছিলেন।শোককুল ধৃষ্টবুদ্ধি তার সম্মুখে উপস্থিত হল। ঘটনক্রমে ঋষির বস্ত্র হতে একবিন্দু জল তার গায়ে পড়ল। সেই জলস্পর্শে তার সমস্ত পাপ দূর হল।হঠাৎ তার শুভবুদ্ধির উদয় হল।

💥ঋষির সামনে সে কৃতাঞ্জলিপুটে প্রার্থণা করতে লাগল ‘হে ঋষিশ্রেষ্ঠ! যে পুণ্য প্রভাবে আমি এই ভীষণ দৃ:খযন্ত্রণা থেকে মুক্তিলাভ করতে পারি, তাকৃপাকরে আমাকে বলুন।’ ঋষিবর বললেন-‘বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষে মোহিনী নামে যে প্রসিদ্ধ একাদশী আছে, তুমি সেই ব্রত পালন কর। এই ব্রতের ফলে মানুষের বহুজন্মার্জিত পর্বত পরিমাণ পাপরাশিও ক্ষয় হয়ে থাকে। মহামুনি বশিষ্ঠ বললেন-কৌন্ডিন্য ঋষির উপদেশ শ্রবণ করে প্রসন্ন চিত্তে ধৃষ্টবুদ্ধি সেই ব্রত পালন করল। হে মহারাজ রামচন্দ্র! এই ব্রত পালনে সে নিষ্পাপ হল। দিব্যদেহ লাভ করল। অবশেষে গরুড়ে আরোহন করে সকল প্রকার উপদ্রবহীনবৈকুন্ঠধামে গমন করল। হে রাজন, ত্রিলোকে মোহিনী ব্রত থেকে আর শ্রেষ্ঠ ব্রত নেই। যজ্ঞ, তীর্থস্থান, দান ইত্যাদি কোন পুণ্যকর্মই এই ব্রতেরসমান নয়। এই ব্রত কথার শ্রবণ কীর্তনে সহস্র গোদানের ফল লাভ হয় একাদশী ব্রত পালনের সাত্ত্বিক নিয়মঃ
*********************************************
💥 সমর্থপক্ষে দশমীতে একাহার, একাদশীতে নিরাহার, ও দ্বাদশীতে একাহার।অসমর্থপক্ষে শুধুমাত্র একাদশীতে অনাহার।এছাড়াও, একাদশীতে পঞ্চ রবিশস্য বর্জন করে ফলমূলাদি অনুকল্প গ্রহণ।🙏

💥 একাদশী ব্রত মাহাত্ব্য 💥
******************************************
একাদশী করলে যে কেবল মাত্র নিজের জীবন এর সদগতি হয় তা নয়, একাদশী ব্যক্তির প্রয়াত পিতা মাতা নিজ কর্ম দোষে নরকবাসী হন, তবে সেই পুত্রই পিতা মাতাকে নরকের থেকে উদ্ধার করতে পারবে।একাদশীতে অন্ন ভোজন করলে যেমন নরকবাসী হবে, তেমনই অন্যকে অন্নভোজন করালেও নরকবাসী হবে। কাজেই একাদশী ব্রত পালন করা আমাদের সকলের কর্তব্য।🙏
#একাদশীবার্তা #শেয়ার

✨ ⭐অক্ষয় তৃতীয়া কী? ⭐✨ অবশ্যই পড়ুন 🛑"অক্ষয়" অর্থ — যা কখনো বিনষ্ট হয় না, চিরস্থায়ী।"তৃতীয়া" অর্থ — বৈশাখ মাসের শুক...
20/04/2026

✨ ⭐অক্ষয় তৃতীয়া কী? ⭐✨ অবশ্যই পড়ুন 🛑
"অক্ষয়" অর্থ — যা কখনো বিনষ্ট হয় না, চিরস্থায়ী।
"তৃতীয়া" অর্থ — বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথি।
অর্থাৎ, বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথি-কে বলা হয় "অক্ষয় তৃতীয়া"।
এই দিনটি বিশেষ পবিত্র, কারণ —
আজকের দিনে করা যে কোনো সৎকর্ম — যেমন দান, তপস্যা, স্নান, জপ, হোমযজ্ঞ, ব্রত, ইত্যাদি —
অক্ষয় ফল প্রদান করে, অর্থাৎ কখনো বিনষ্ট হয় না।

অক্ষয় তৃতীয়ার মাহাত্ম্য ও গৌরবময় ঘটনাসমূহ🕉️ ❤

১/ জগন্নাথদেবের রথ তৈরির কাজ শুরু হয় অক্ষয় তৃতীয়ায়।
(স্কন্দ পুরাণ - উড়িষ্যা খণ্ড)

২/ অক্ষয় তৃতীয় দিনে সূর্যদেব দ্রৌপদীকে অক্ষয়পাত্র প্রদান করেন।
(মহাভারত - বনপর্ব)

৩/ অক্ষয় তৃতীয়ার দিনে ভগবান নরনারায়ণ অবতার ধারণ করেন।
(স্কন্দ পুরাণ)

৪/ বসন্ত ঋতু শেষ ও গ্রীষ্ম ঋতু শুরু হয়।
(জ্যোতিষ শাস্ত্র)

৫/ অক্ষয় তৃতীয়ার দিনে মা গঙ্গা ব্রহ্মলোক থেকে মর্ত্যে আগমন করেন।
(পদ্ম পুরাণ)

৬/ পিতৃপুরুষদের তর্পণ করলে অক্ষয় পুণ্য লাভ হয়।
(ব্রহ্ম পুরাণ)

৭/ ভগবান পরশুরামের আবির্ভাব তিথি।
(ব্রহ্ম পুরাণ)

৮/ গঙ্গাস্নান করলে হাজার অশ্বমেধ যজ্ঞের ফল লাভ হয়।
(স্কন্দ পুরাণ)

৯/ গাভী ও বাছুরদের ভোজন করালে অশেষ পুণ্য হয়।
(গরুড় পুরাণ)

১০/ বদ্রীনাথ, গঙ্গোত্রী, যমুনোত্রীর মন্দিরের দ্বার খোলা হয়।
(হিমালয় মাহাত্ম্য)

১১/ অক্ষয় তৃতীয়াতে সত্যযুগ ও ত্রেতাযুগের সূচনা হয়।
(স্কন্দ পুরাণ)

১২/ শ্রীল প্রভুপাদ ১৯৫৩ সালে "The League of Devotees" প্রতিষ্ঠা করেন।
(ইসকন ইতিহাস)

১৩/ শ্রীনাথজীর গিরিরাজ গোবর্ধন মন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়।
(ব্রজ মণ্ডল ইতিহাস)

১৪/ মা লক্ষ্মী কুবেরকে ধন-সম্পদের দেবতা করেন।
(গরুড় পুরাণ)

১৫/ বৃন্দাবনে বাঁকে বিহারীর চরণ দর্শন শুধুমাত্র অক্ষয় তৃতীয়ায় হয়।
(বাঁকে বিহারী মন্দির ইতিহাস)

১৬/ কৃষ্ণ ও সুদামার পুনর্মিলন দ্বারকায় আজকের দিনে ঘটে।
(ভাগবত পুরাণ)

১৭/ দেবী অন্নপূর্ণার আবির্ভাব।
(স্কন্দ পুরাণ)

১৮/ ব্রহ্মার পুত্র অক্ষয় কুমারের জন্ম।
(পুরাণ অনুযায়ী)

১৯/ মহর্ষি ব্যাসদেব মহাভারত রচনা শুরু করেন।
(ব্রহ্ম বৈবর্ত পুরাণ)

২০/ গণেশজি ভাগবত কথা লিখন শুরু করেন।
(স্কন্দ পুরাণ)

২১/ ভগবান শ্রী রামচন্দ্রের রাজ্যাভিষেকের সূচনা অক্ষয় তৃতীয়ায় হয়।
(রামায়ণ অনুযায়ী)

২২/ শ্রী রামচন্দ্র ও সীতাদেবীর বিবাহ আজকের দিনে হয়।

২৩/ গোপী পঞ্চমী ব্রতের সূচনা হয়।
(ব্রজবাসী গ্রন্থাবলী)

২৪/ আজকের দিনে দেবী লক্ষ্মী ও ভগবান বিষ্ণুকে পূজা করলে অক্ষয় ধন লাভ হয়।
(পদ্ম পুরাণ)

২৫/ পরশুরামজী গঙ্গাস্নান করে তীর্থমাহাত্ম্য প্রচার করেন।
(ব্রহ্ম পুরাণ)

২৬/ কুবের এই দিনে ধনসম্পদ ও ধনাধিপতি পদ লাভ করেন।
(গরুড় পুরাণ)

২৭/ গঙ্গাদেবীর মর্ত্যাভিষেক স্মরণে গঙ্গা মহোৎসব পালিত হয়।
(স্কন্দ পুরাণ)

২৮/ ভক্তি সহকারে দান করলে লক্ষ গুণ ফল লাভ হয়।
(পদ্ম পুরাণ)

২৯/ সমস্ত যজ্ঞ, দান, স্নান, তপস্যা আজকের দিনে বহুগুণ ফলদায়ক হয়।
(স্কন্দ পুরাণ)

৩০/ আজকের দিনে যেকোনো শুভ কাজের ফল "অক্ষয়" অর্থাৎ চিরস্থায়ী হয়।
(ব্রহ্ম পুরাণ)

৩১/ আজকের দিনে শ্রীকৃষ্ণ ইন্দ্রদেবের অহংকার বিনাশের সংকল্প গ্রহণ করেন।
(ভাগবত পুরাণ)

৩২/ গঙ্গাজল পানের বিশেষ পুণ্য লাভ হয়।
(স্কন্দ পুরাণ)

৩৩/ একমাত্র অক্ষয় তৃতীয়ায়, শ্রীমদ্ভাগবত পাঠের সমস্ত ফল একত্রে লাভ হয়।
(ভাগবত মাহাত্ম্য)

৩৪/ বৃন্দাবনে চন্দন যাত্রার সূচনা হয়।
(গৌড়ীয় বৈষ্ণব ইতিহাস)

৩৫/ গোসেবা করে অমৃত লোক লাভ করা যায়।
(গরুড় পুরাণ)

৩৬/ এই দিনে বিশেষভাবে তুলসী মঞ্চের চারপাশে জলসেচন করলে অসংখ্য পুণ্য লাভ হয়।
(ব্রহ্ম পুরাণ)

পুরাণ ও শাস্ত্র অনুসারে, অক্ষয় তৃতীয়া দিনটি —
> "অসীম পূণ্য ও মুক্তির দ্বার উন্মুক্ত করে ।"
বিশেষত, বৈষ্ণব মতে এই দিনটি ভগবৎস্মরণ, ভজন, ও সেবা ব্রত পালনের জন্য সর্বোত্তম।

হরে কৃষ্ণ 🙏❤️🙏

আগামী ২০ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার পবিত্র অক্ষয় তৃতীয়া ও চন্দনযাত্রা মহোৎসব !! 💞🥰🕉️🏵️"চন্দন যাত্রা ও অক্ষয় তিথি মাহাত্ম্য"🏵️🚩উৎ...
20/04/2026

আগামী ২০ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার পবিত্র
অক্ষয় তৃতীয়া ও চন্দনযাত্রা মহোৎসব !! 💞🥰🕉️

🏵️"চন্দন যাত্রা ও অক্ষয় তিথি মাহাত্ম্য"🏵️🚩

উৎকলখণ্ডে বর্ণিত আছে, শ্রীজগন্নাথদেব মহারাজ ইন্দ্রদ্যুম্নকে বৈশাখী শুক্লা অক্ষয় তৃতীয়াতে সুগন্ধি চন্দন দ্বারা জগন্নাথের অঙ্গে লেপন করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেদিন থেকে চন্দন যাত্রা উৎসব শুরু হল। শ্রীচৈতন্যচরিতামৃতে দেখা যায়, বৃন্দাবনে পরম বৈষ্ণব শ্রীমাধবেন্দ্র পুরীকে স্বপ্নে তাঁর আরাধ্য শ্রীগোপাল বলছেন, "আমার শরীরের তাপ জুড়াচ্ছে না। মলয় প্রদেশ থেকে চন্দন নিয়ে এসো এবং তা ঘষে আমার অঙ্গে লেপন কর, তা হলে তাপ জুড়াবে।" তার পর পূর্বভারতে বৃদ্ধ মাধবেন্দ্র পুরী নীলাচলে জগন্নাথ পুরীতে এসে সেবকদের কাছ এক মণ মলয়জ চন্দন ও কর্পূর নিয়ে বৃন্দাবনে ফিরছিলেন। পথে রেমুণাতে শ্রীগোপীনাথ মন্দিরে আসেন। সেই রাত্রে সেখানে শয়ন কালে স্বপ্ন দেখেন, গোপাল এসে বলছেন, "হে মাধবেন্দ্র পুরী, আমি ইতিমধ্যেই সমস্ত চন্দন ও কর্পূর গ্রহণ করেছি। এখন কর্পূর সহ ঐ চন্দন ঘষে ঘষে শ্রীগোপীনাথের অঙ্গে লেপন কর। গোপীনাথ ও আমি অভিন্ন। গোপীনাথের অঙ্গে চন্দন লাগালেই আমার অঙ্গ শীতল হবে।" গ্রীষ্ম ঋতুতে শ্রীহরির অঙ্গে কর্পূর চন্দন লেপন করলে ভগবান শ্রীহরি প্রীত হন।

"অক্ষয় তিথির মাহাত্ম্য"

অক্ষয় তৃতীয়া হল চান্দ্র বৈশাখ মাসের শুক্ল পক্ষের তৃতীয়া তিথি। এ অক্ষয় তৃতীয়া বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ তিথি। অক্ষয় শব্দের অর্থ হল যা ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না।
বৈদিক বিশ্বাসানুসারে এই পবিত্র তিথিতে কোন শুভকার্য সম্পন্ন হলে তা অনন্তকাল অক্ষয় হয়ে থাকে। যদি ভালো কাজ করা হয় তার জন্যে আমাদের লাভ হয় অক্ষয় পূণ্য আর যদি খারাপ কাজ করা হয় তবে লাভ হয় অক্ষয় পাপ। আর এদিন পূজা, জপ, ধ্যান, দান, অপরের মনে আনন্দ দেয়ার মত কাজ করা উচিত। যেহেতু এই তৃতীয়ার সব কাজ অক্ষয় থাকে তাই প্রতিটি পদক্ষেপ ফেলতে হয় সতর্কভাবে। এদিনটা ভালোভাবে কাটানোর অর্থ সাধনজগতের অনেকটা পথ একদিনে চলে ফেলা। এবারের অক্ষয়তৃতীয়া সবার ভালো কাটুক-এই কামনায় করি।

আজ ২৭.০৩.২০২৬ শুক্রবার "শ্রী  #রামনবমী"🕉️🌹💮🏵️ পূর্ণ দিবস উপবাস /দুপুর ১২ টা পর্যন্ত উপবাসস্ব স্ব গুরুপরম্পরা অনুযায়ী উপব...
27/03/2026

আজ ২৭.০৩.২০২৬ শুক্রবার "শ্রী #রামনবমী"🕉️🌹💮🏵️ পূর্ণ দিবস উপবাস /দুপুর ১২ টা পর্যন্ত উপবাস
স্ব স্ব গুরুপরম্পরা অনুযায়ী উপবাস পালন করবেন🙏
💝ভগবান শ্রী রাম চন্দ্রের প্রণাম মন্ত্র:-
রামায় রামচন্দ্রায় রামভদ্রায় বেধসে,
রঘুনাথায় নাথায় সীতায়াঃ পতয়ে নমঃ!!৷

❣️জননী সীতা মায়ের প্রণাম মন্ত্র:-
বন্দে রামহৃদম্ভোজ-প্রকাশাং জনকাত্মজাম্,
সত্রিবর্গ -পরমানন্দদায়িনীং ব্রক্ষরূপিণীম্!!

পাঠ করুন 🕉️💢 #শ্রীরামাষ্টোত্তরনামাবলী 💢🕉️
----------------------------------
ওঁ শ্রীরামায় নমঃ ।
ওঁ রামভদ্রায় নমঃ ।
ওঁ রামচন্দ্রায় নমঃ ।
ওঁ শাশ্বতায় নমঃ ।
ওঁ রাজীবলোচনায় নমঃ ।
ওঁ শ্রীমতে নমঃ ।
ওঁ রাজেন্দ্রায় নমঃ ।
ওঁ রঘুপুংগবায় নমঃ ।
ওঁ জানকীবল্লভায় নমঃ ।
ওঁ জৈত্রায় নমঃ । 10 ।

ওঁ জিতামিত্রায় নমঃ ।
ওঁ জনার্দনায় নমঃ ।
ওঁ বিশ্বামিত্রপ্রিয়ায় নমঃ ।
ওঁ দান্তায় নমঃ ।
ওঁ শরণত্রাণ তত্পরায় নমঃ ।
ওঁ বালিপ্রমথনায় নমঃ ।
ওঁ বাগ্মিনে নমঃ ।
ওঁ সত্যবাচে নমঃ ।
ওঁ সত্যবিক্রমায় নমঃ ।
ওঁ সত্যব্রতায় নমঃ । 20 ।

ওঁ ব্রতধরায় নমঃ ।
ওঁ সদাহনুমদাশ্রিতায় নমঃ ।
ওঁ কৌসলেয়ায় নমঃ ।
ওঁ খরধ্বংসিনে নমঃ ।
ওঁ বিরাধবধপণ্ডিতায় নমঃ ।
ওঁ বিভীষণ পরিত্রাত্রে নমঃ ।
ওঁ হরকোদণ্ড খঁডনায় নমঃ ।
ওঁ সপ্ততাল প্রভেত্ত্রে নমঃ ।
ওঁ দশগ্রীব শিরোহরায় নমঃ ।
ওঁ জামদ্গ্ন্য মহাদর্পদলনায় নমঃ । 30 ।

ওঁ তাটকান্তকায় নমঃ ।
ওঁ বেদান্তসারায় নমঃ ।
ওঁ বেদাত্মনে নমঃ ।
ওঁ ভবরোগস্য ভেষজায় নমঃ ।
ওঁ দূষণ ত্রিশিরো হন্ত্রে নমঃ ।
ওঁ ত্রিমূর্তয়ে নমঃ ।
ওঁ ত্রিগুণাত্মকায় নমঃ ।
ওঁ ত্রিবিক্রমায় নমঃ ।
ওঁ ত্রিলোকাত্মনে নমঃ ।
ওঁ পুণ্যচারিত্রকীর্তনায় নমঃ । 40 ।

ওঁ ত্রিলোকরক্ষকায় নমঃ ।
ওঁ ধন্বিনে নমঃ ।
ওঁ দণ্ডকারণ্য পুণ্যকৃতে নমঃ ।
ওঁ অহল্যা শাপ শমনায় নমঃ ।
ওঁ পিতৃ ভক্তায় নমঃ ।
ওঁ বরপ্রদায় নমঃ ।
ওঁ জিতেন্দ্রিয়ায় নমঃ ।
ওঁ জিতক্রোধায় নমঃ ।
ওঁ জিতামিত্রায় নমঃ ।
ওঁ জগদ্গুরবে নমঃ । 50 ।

ওঁ ঋক্ষ বানর সংঘাতিনে নমঃ ।
ওঁ চিত্রকূট সমাশ্রয়ায় নমঃ ।
ওঁ জয়ন্ত ত্রাণ বরদায় নমঃ ।
ওঁ সুমিত্রাপুত্র সেবিতায় নমঃ ।
ওঁ সর্বদেবাদি দেবায় নমঃ ।
ওঁ মৃতবানর্ জীবিতায় নমঃ ।
ওঁ মায়ামারীচহন্ত্রে নমঃ ।
ওঁ মহাদেবায় নমঃ ।
ওঁ মহাভুজায় নমঃ ।
ওঁ সর্বদেবস্তুতায় নমঃ । 60 ।

ওঁ সৌম্যায় নমঃ ।
ওঁ ব্রহ্মণ্যায় নমঃ ।
ওঁ মুনিসংস্তুতায় নমঃ ।
ওঁ মহা য়োগিনে নমঃ ।
ওঁ মহোদরায় নমঃ ।
ওঁ সুগ্রীবেপ্সিত রাজ্যদায় নমঃ ।
ওঁ সর্বপুণ্যাধিক ফলায় নমঃ ।
ওঁ স্মৃত সর্বাঘ নাশনায় নমঃ ।
ওঁ আদিপুরুষায় নমঃ ।
ওঁ পরমপুরুষায় নমঃ । 70 ।

ওঁ মহাপুরুষায় নমঃ ।
ওঁ পুণ্যোদয়ায় নমঃ ।
ওঁ দয়াসারায় নমঃ ।
ওঁ পুরাণপুরুষোত্তমায় নমঃ ।
ওঁ স্মিতবক্ত্রায় নমঃ ।
ওঁ মিতভাষিণে নমঃ ।
ওঁ পূর্বভাষিণে নমঃ ।
ওঁ রাঘবায় নমঃ ।
ওঁ অনন্তগুণ গম্ভীরায় নমঃ ।
ওঁ ধীরোদ্দাত্তগুণোত্তমায় নমঃ । 80 ।

ওঁ মায়ামানুষ চরিত্রায় নমঃ ।
ওঁ মহাদেবাদিপূজিতায় নমঃ ।
ওঁ সেতুকৃতে নমঃ ।
ওঁ জিতবারাশয়ে নমঃ ।
ওঁ সর্বতীর্থময়ায় নমঃ ।
ওঁ হরয়ে নমঃ ।
ওঁ শ্যামাংগায় নমঃ ।
ওঁ সুন্দরায় নমঃ ।
ওঁ শূরায় নমঃ ।
ওঁ পীতবাসসে নমঃ । 90 ।

ওঁ ধনুর্ধরায় নমঃ ।
ওঁ সর্বয়জ্ঞাধিপায় নমঃ ।
ওঁ য়জ্বনে নমঃ ।
ওঁ জরামরণবর্জিতায় নমঃ ।
ওঁ বিভীষণ প্রতিষ্ঠাত্রে নমঃ ।
ওঁ সর্বাবগুণবর্জিতায় নমঃ ।
ওঁ পরমাত্মনে নমঃ ।
ওঁ পরস্মৈ ব্রহ্মণে নমঃ ।
ওঁ সচ্চিদানন্দ বিগ্রিহায় নমঃ ।
ওঁ পরস্মৈ জ্যোতিষে নমঃ । 100 ।

ওঁ পরস্মৈ ধাম্নে নমঃ ।
ওঁ পরাকাশায় নমঃ ।
ওঁ পরাত্পরায় নমঃ ।
ওঁ পরেশায় নমঃ ।
ওঁ পারগায় নমঃ ।
ওঁ পারায় নমঃ ।
ওঁ সর্বদেবাত্মকায় পরস্মৈ নমঃ । 108 ।
॥ ইতি রামাষ্টোত্তরশত নামাবলিঃ ॥

সা চ চৈত্রশুক্লানবমী রামস্য জন্মতিথিঃ
চৈত্রে মাসি নবম্যান্তু জাতো রামঃ স্বয়ং হরিঃ।
পুনর্ব্বস্বৃক্ষ সংযুক্তা সা তিথিঃ সর্ব্বকামদা।।

🌼 #অর্থ:- চৈত্র মাসের শুক্লা নবমী শ্রী শ্রী রাম চন্দ্রের জন্মতিথি,,,,পুনর্ব্বসুনক্ষত্র যুক্ত এই তিথিতে ভগবান রাম চন্দ্র জন্মগ্রহন করেছিলেন,,অতএব এই তিথিতে শ্রীরামের ব্রত করলে ধর্ম্ম-অর্থাদি লাভ ও অভীষ্ট সিদ্ধ হয়।

রাম অর্থাৎ তিনি আনন্দ প্রদান করেন। তিনিই পরম ভোক্তা, কিন্তু যখন আমরা সেই পরম ভোক্তা পরমেশ্বর ভগবানের সেবায় নিযুক্ত হই, তখন শুধু তিনিই নন, আমরাও পরম আনন্দে নিমগ্ন হই। #শেয়ার

Address

Natore

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ওঁ নরসিংহায় নমঃ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share