ওঁ নরসিংহায় নমঃ

ওঁ নরসিংহায় নমঃ ধর্মিয় পোস্ট প্রচারে সকলকে লাইক দিয়ে সাথে থাকার জন্ন্য অনুরোধ রইলো
(1)

📢 শ্রী নৃসিংহ চতুর্দশী ব্রত📣 আগামী ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ইং, রোজ বৃহস্পতিবার "ভক্তবৎসল ভগবান শ্রী শ্রী নৃসিংহদেবের শুভ আবির্ভাব...
30/04/2026

📢 শ্রী নৃসিংহ চতুর্দশী ব্রত📣 আগামী ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ইং, রোজ বৃহস্পতিবার "ভক্তবৎসল ভগবান শ্রী শ্রী নৃসিংহদেবের শুভ আবির্ভাব তিথি
💢💟🌹 (শ্রী নৃসিংহ চতুর্দশী) 🌹💟💢
☑️☑️গোধুলী পর্যন্ত নির্জলা একাদশী ☑️☑️
বৃহৎনারদীয়সিংহ পুরাণে ভগবান শ্রীনৃসিংহদেব পরম ভক্ত প্রহ্লাদকে বললেন-
বর্ষে বর্ষে তু কর্তব্যং মম সন্তুষ্টি কারণম।
মহা গুহ্যমিদং শ্রেষ্ঠং মানবৈর্ভব ভীরুভিঃ।

অনুবাদঃ প্রতি বছর আমার সন্তুষ্টি উদ্দেশ্যে নৃসিংহ চতুর্দশী ব্রত্য কর্তব্য। জন্ম-মৃত্যুময় সংসার ভয়ে মানুষ এই পরম গোপনীয় ও শ্রেষ্ঠ ব্রত পালন করবে।
বৈশাখ মাসের শুক্লা চতুর্দশীতে শ্রীনৃসিংহদেব আবির্ভূত হয়েছিলেন, তাই এই তিথিতে ব্রত পালন পূর্বক তার পূজা ও উৎসব করতে হয়।

শ্রীনৃসিংহদেব বললেন, আমার ব্রতদিন জেনেও যে ব্যক্তি লঙ্ঘন করে, চন্দ্র-সূর্য যতদিন থাকবে ততদিন নরক যাতনা ভোগ করবে। যদিও আমার ভক্তরা এই ব্রত করে থাকে তবুও প্রত্যেকের এই ব্রতে অধিকার আছে।

আসুন জেনে নিই শ্রীনৃসিংহদেবের স্তব ও প্রণাম মন্ত্র-

💕💕 স্তবঃ মন্ত্র -
জয় নৃসিংহ শ্রীনৃসিংহ।
জয় জয় জয় শ্রীনৃসিংহ।।
উগ্রং বীরং মহাবিষ্ণুং
জ্বলন্তং সর্বতোমুখম্।
নৃসিংহং ভীষণম ভদ্রং
মৃত্যুর্মৃত্যুং নমাম্যহম্।।
শ্রীনৃসিংহ, জয় নৃসিংহ, জয় জয় নৃসিং।
প্রহ্লাদেশ জয় পদ্মমুখ পদ্মভৃঙ্গ ।।

💟💟 #প্রণাম মন্ত্রঃ-
নমস্তে নরসিংহায় প্রহ্লাদাহ্লাদ দায়িনে।
হিরণ্যকশিপো র্বক্ষঃ শিখাটঙ্ক নখালয়ে।।
ইতো নৃসিংহঃ পরতো নৃসিংহ
যতো যতো যামি ততো নৃসিংহো।
বহির্নৃসিংহো হৃদয়ে নৃসিংহো
নৃসিংহমাদিং শরণং প্রপদ্যে।।
তব কর কমলবরে নখমদ্ভূতশৃঙ্গম্
দলিতহিরণ্যকশিপু তনুভৃঙ্গম।
কেশব ধৃত-নরহরিরূপ জয় জগদীশ হরে।

ভগবান নৃসিংহদেবের কৃপা সবার উপর বর্ষিত হোক।
🙏💞 জয় ভক্তবৎসল ভগবান শ্রী নৃসিংহদেব কী ?? . জয় 🙏💞 #নৃসিংহ_চর্তুদশী_ব্রত

 #একাদশীবার্তা মোহিনী একাদশী 💥 আগামী  *২৭ এপ্রিল * *সোমবার*, ২০২৬, ১৩ বৈশাখ , ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ। শুক্লপক্ষের একাদশী ।🙏সবাই  ...
26/04/2026

#একাদশীবার্তা মোহিনী একাদশী 💥 আগামী *২৭ এপ্রিল * *সোমবার*, ২০২৬, ১৩ বৈশাখ , ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ। শুক্লপক্ষের একাদশী ।🙏
সবাই এই একাদশী পালন করবেন, এবং অন্যকে একাদশী ব্রত পালনে উৎসাহিত করবেন এবং মনুষ্য জীবনকে সার্থক করে তুলুন। 🙏
💥 *একাদশী সংকল্প মন্ত্র* :-
ভগবান কৃষ্ণের সম্মুখে আমরা অবশ্যই সংকল্প নেব –
👉 একাদশ্যাম্‌ নিরাহারঃ স্থিতা অহম্ অপরেহহনি।
ভোক্ষ্যামি পুন্ডরীকাক্ষ স্মরনম্‌ মে ভবাচ্যুত।।
👉 অনুবাদ : হে পুন্ডরীকাক্ষ! হে অচ্যূত! একাদশীর দিন উপবাস থেকে এই ব্রত পালনের উদ্দেশ্যে আমি আপনার স্মরণাপন্ন হচ্ছি।🙏
🏵 *পারনের সময়* (পরের দিন): ---
*******************************************
💥 কলকাতা, ভারত সময় :-
সকাল ০৫ টা ০৫ থেকে ০৯ টা ২৪ মি: মধ্যে l🙏
💥 ঢাকা, বাংলাদেশ সময় :-
সকাল ০৫ টা ২৬ থেকে ০৯ টা ৪৬ মি: মধ্যে।🙏
🏵 *একাদশী পারন মন্ত্র*:-
******************************************
👉 অজ্ঞান তিমিরান্ধস্য ব্রতেনানেন কেশব।
প্রসীদ সুমুখ নাথ জ্ঞানদৃষ্টিপ্রদো ভব॥
(বৃ: না: পু: ২১/২০)
👉 অনুবাদ : হে কেশব! আমি অজ্ঞানরূপ অন্ধকারে নিমজ্জিত আছি। হে নাথ! এই ব্রত দ্বারা আমার প্রতি প্রসন্ন হয়ে আমাকে জ্ঞানচক্ষু প্রদান করুন।🙏

💥 একাদশী তিথির পরদিন উপবাস ব্রত ভাঙার পর অর্থাৎ, উপবাসের পরদিন সকালে যে নির্দিষ্ট সময় দেওয়া থাকে, সেই সময়ের মধ্যে পঞ্চ রবিশস্য ভগবানকে ভোগ নিবেদন করে একাদশীর পারণ মন্ত্র তিনবার ভক্তিভরে পাঠ করতে হয়। এরপর প্রসাদ গ্রহণ করে পারণ করা একান্ত ভাবে দরকার, নতুবা
একাদশীর পূর্ণ ফল লাভ হবে না। আর অবশ্যই একাদশীর আগের দিন ও পরের দিন নিরামিষ
প্রসাদ গ্রহণ করতে হবে। 🙏

🏵 মোহিনী একাদশী মাহাত্ম্য*:-
********************************************
💥কুর্মপুরাণে বৈশাখ শুক্লপক্ষের ‘মোহিনী’ একাদশীর ব্রত মাহাত্ম্য বর্ণনা করা হয়েছে। মহারাজ যুধিষ্ঠির বললেন- ‘হে জনার্দন! বৈশাখ শুক্লপক্ষীয়া একাদশীর কি নাম, কি ফল, কি বিধি-এসকল কথা আমার নিকট বর্ণনা করুন।’ উত্তরে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বললেন হে ধর্মপুত্র! আপনি আমাকে যে প্রশ্ন করেছেন পূর্বে শ্রীরামচন্দ্রও বশিষ্ঠের কাছে এই একই প্রশ্ন করেছিলেন। তিনি জিজ্ঞাসা করেছিলেন- হে মুনিবর! আমি জনকনন্দিনী সীতার বিরহজনীত কারণে বহু দু:খ পাচ্ছি। তাই একটি উত্তম ব্রতের কথা আমাকেবলুন। যার দ্বারা সর্বপাপ ক্ষয় হয় ও সর্বদু:খ বিনষ্ট হয়।

💥এই কথা শুনে বশিষ্ঠদেব বললেন- হে রামচন্দ্র! তুমি উত্তম প্রশ্ন করেছ। যদিও তোমার নামগ্রহণেই মানুষ পবিত্র হয়ে থাকে। তবুও লোকের মঙ্গলেরজন্য তোমার কাছে সর্বশ্রেষ্ঠ ও পরম পবিত্র একটি ব্রতের কথা বলছি। বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষীয়া একাদশী ‘মোহিনী’ নামে প্রসিদ্ধা। এই ব্রত প্রভাবে মানুষের সকল পাপ, দু:খ ও মোহজাল অচিরেই বিনষ্ট হয়। তাইমানুষের উচিত সকল পাপক্ষয়কারী ও সর্বদু:খবিনাশী এই একাদশী ব্রত পালন করা। একাগ্রচিত্তে তার মহিমা তুমি শ্রবণ কর। এই কথাশ্রবণমাত্রেই সমস্ত পাপ বিনষ্ট হয়।

💥পবিত্র সরস্বতী নদীর তীরে ভদ্রাবতী নামে এক সুশোভনা নগরী ছিল। চন্দ্রবংশজাত ধৃতিমান নামে এক রাজা সেখানে রাজত্ব করতেন। সেই নগরীতেইধনপাল নামে এক বৈশ্য বাস করতেন। তিনি ছিলেন পুণ্যকর্মা ও সমৃদ্ধশালী ব্যক্তি। তিনি নলকূপ, জলাশয়, উদ্যান, মঠ ও গৃহ ইত্যাদি নির্মাণ করেদিতেন। তিনি ছিলেন বিষ্ণুভক্তি পরায়ণ ও শান্ত প্রকৃতির মানুষ। সুমনা, দ্যুতিমান, মেধাবী, সুকৃতি ও ধৃষ্টবুদ্ধি নামে তার পাঁচজন পুত্র ছিল। পঞ্চমপুত্র ধৃষ্টবুদ্ধি ছিল অতি দুরাচারী। সে সর্বদা পাপকার্যে লিপ্ত থাকত। পরস্ত্রী সঙ্গী, বেশ্যাসক্ত, লম্পট ও দ্যুতক্রীড়া প্রভৃতি পাপে সে অত্যন্ত আসক্তছিল। দেবতা, ব্রাহ্মণ ও পিতামাতার সেবায় তার একেবারেই মতি ছিল না। সে অন্যায়কার্যে রত, দুষ্টস্বভাব ও পিতৃধন ক্ষয়কারক ছিল। সবসময় সেঅভক্ষ ভক্ষণ ও সুরাপানে মত্ত থাকত।

💥 পিতা ধনপাল একদিন পথ চলছিলেন। হঠাৎ তিনি দেখতে পেলেন ধৃষ্টবুদ্ধি এক বেশ্যার গলায় হাত রেখে নি:সঙ্কোচে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তার নির্লজ্জপুত্রকে এভাবে চৌরাস্তায় ভ্রমণ করতে দেখে তিনি অত্যন্ত মর্মাহত হলেন। এই কুস্বভাব দর্শনে ক্রুদ্ধ হয়ে তিনি তাকে গৃহ থেকে বার করে দিলেন।তার আত্মীয়-স্বজনও তাকে পরিত্যাগ করল। সে তখন নিজের অলংকারাদি বিক্রি করে জীবন অতিবাহিত করত। কিছুদিন এইভাবে চলার পরঅর্থাভাব দেখা দিল। ধনহীন দেখে সেই বেশ্যাগণও তাকে পরিত্যাগ করল। অন্নবস্ত্রহীন ধৃষ্টবুদ্ধি ক্ষুধা-তৃষ্ণায় অত্যন্ত কাতর হয়ে পড়ল। অবশেষে নিজের গ্রামে সে চুরি করতে শুরু করল। একদিন রাজপ্রহরী তাকে ধরে বন্দীকরল। কিন্তু পিতার সন্মানার্থে তাকে মুক্ত করে দিল। এভাবে বারকয়েক সে ধরা পড়ল ও ছাড়া পেল। কিন্তু তবুও সে চুরি করা বন্ধ করল না। তখনরাজা তাকে কারাগারে বদ্ধ করে রাখলেন। বিচারে সে কষাঘাত দন্ডভোগ করল। কারাভোগের পর অনন্য উপায় ধৃষ্টবুদ্ধি বনে প্রবেশ করল। সেখানেসে পশুপাখি বধ করে তাদের মাংস ভক্ষণ করে অতি দু:খে পাপময় জীবন যাপন করতে লাগল।

💥 দুষ্কর্মের ফলে কেউ কখনও সুখী হতে পারে না। তাই সেই ধৃষ্টবুদ্ধি দিবারাত্রি দু:খশোকে জর্জরিত হল। এভাবে অনেকদিন অতিবাহিত হল। কোনপুণ্যফলে সহসা একদিন সে কৌন্ডিন্য ঋষির আশ্রমে উপস্থিত হল। বৈশাখ মাসে ঋষিবর গঙ্গাস্নান করে আশ্রমের দিকে প্রত্যাবর্তন করছিলেন।শোককুল ধৃষ্টবুদ্ধি তার সম্মুখে উপস্থিত হল। ঘটনক্রমে ঋষির বস্ত্র হতে একবিন্দু জল তার গায়ে পড়ল। সেই জলস্পর্শে তার সমস্ত পাপ দূর হল।হঠাৎ তার শুভবুদ্ধির উদয় হল।

💥ঋষির সামনে সে কৃতাঞ্জলিপুটে প্রার্থণা করতে লাগল ‘হে ঋষিশ্রেষ্ঠ! যে পুণ্য প্রভাবে আমি এই ভীষণ দৃ:খযন্ত্রণা থেকে মুক্তিলাভ করতে পারি, তাকৃপাকরে আমাকে বলুন।’ ঋষিবর বললেন-‘বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষে মোহিনী নামে যে প্রসিদ্ধ একাদশী আছে, তুমি সেই ব্রত পালন কর। এই ব্রতের ফলে মানুষের বহুজন্মার্জিত পর্বত পরিমাণ পাপরাশিও ক্ষয় হয়ে থাকে। মহামুনি বশিষ্ঠ বললেন-কৌন্ডিন্য ঋষির উপদেশ শ্রবণ করে প্রসন্ন চিত্তে ধৃষ্টবুদ্ধি সেই ব্রত পালন করল। হে মহারাজ রামচন্দ্র! এই ব্রত পালনে সে নিষ্পাপ হল। দিব্যদেহ লাভ করল। অবশেষে গরুড়ে আরোহন করে সকল প্রকার উপদ্রবহীনবৈকুন্ঠধামে গমন করল। হে রাজন, ত্রিলোকে মোহিনী ব্রত থেকে আর শ্রেষ্ঠ ব্রত নেই। যজ্ঞ, তীর্থস্থান, দান ইত্যাদি কোন পুণ্যকর্মই এই ব্রতেরসমান নয়। এই ব্রত কথার শ্রবণ কীর্তনে সহস্র গোদানের ফল লাভ হয় একাদশী ব্রত পালনের সাত্ত্বিক নিয়মঃ
*********************************************
💥 সমর্থপক্ষে দশমীতে একাহার, একাদশীতে নিরাহার, ও দ্বাদশীতে একাহার।অসমর্থপক্ষে শুধুমাত্র একাদশীতে অনাহার।এছাড়াও, একাদশীতে পঞ্চ রবিশস্য বর্জন করে ফলমূলাদি অনুকল্প গ্রহণ।🙏

💥 একাদশী ব্রত মাহাত্ব্য 💥
******************************************
একাদশী করলে যে কেবল মাত্র নিজের জীবন এর সদগতি হয় তা নয়, একাদশী ব্যক্তির প্রয়াত পিতা মাতা নিজ কর্ম দোষে নরকবাসী হন, তবে সেই পুত্রই পিতা মাতাকে নরকের থেকে উদ্ধার করতে পারবে।একাদশীতে অন্ন ভোজন করলে যেমন নরকবাসী হবে, তেমনই অন্যকে অন্নভোজন করালেও নরকবাসী হবে। কাজেই একাদশী ব্রত পালন করা আমাদের সকলের কর্তব্য।🙏
#একাদশীবার্তা #শেয়ার

✨ ⭐অক্ষয় তৃতীয়া কী? ⭐✨ অবশ্যই পড়ুন 🛑"অক্ষয়" অর্থ — যা কখনো বিনষ্ট হয় না, চিরস্থায়ী।"তৃতীয়া" অর্থ — বৈশাখ মাসের শুক...
20/04/2026

✨ ⭐অক্ষয় তৃতীয়া কী? ⭐✨ অবশ্যই পড়ুন 🛑
"অক্ষয়" অর্থ — যা কখনো বিনষ্ট হয় না, চিরস্থায়ী।
"তৃতীয়া" অর্থ — বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথি।
অর্থাৎ, বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথি-কে বলা হয় "অক্ষয় তৃতীয়া"।
এই দিনটি বিশেষ পবিত্র, কারণ —
আজকের দিনে করা যে কোনো সৎকর্ম — যেমন দান, তপস্যা, স্নান, জপ, হোমযজ্ঞ, ব্রত, ইত্যাদি —
অক্ষয় ফল প্রদান করে, অর্থাৎ কখনো বিনষ্ট হয় না।

অক্ষয় তৃতীয়ার মাহাত্ম্য ও গৌরবময় ঘটনাসমূহ🕉️ ❤

১/ জগন্নাথদেবের রথ তৈরির কাজ শুরু হয় অক্ষয় তৃতীয়ায়।
(স্কন্দ পুরাণ - উড়িষ্যা খণ্ড)

২/ অক্ষয় তৃতীয় দিনে সূর্যদেব দ্রৌপদীকে অক্ষয়পাত্র প্রদান করেন।
(মহাভারত - বনপর্ব)

৩/ অক্ষয় তৃতীয়ার দিনে ভগবান নরনারায়ণ অবতার ধারণ করেন।
(স্কন্দ পুরাণ)

৪/ বসন্ত ঋতু শেষ ও গ্রীষ্ম ঋতু শুরু হয়।
(জ্যোতিষ শাস্ত্র)

৫/ অক্ষয় তৃতীয়ার দিনে মা গঙ্গা ব্রহ্মলোক থেকে মর্ত্যে আগমন করেন।
(পদ্ম পুরাণ)

৬/ পিতৃপুরুষদের তর্পণ করলে অক্ষয় পুণ্য লাভ হয়।
(ব্রহ্ম পুরাণ)

৭/ ভগবান পরশুরামের আবির্ভাব তিথি।
(ব্রহ্ম পুরাণ)

৮/ গঙ্গাস্নান করলে হাজার অশ্বমেধ যজ্ঞের ফল লাভ হয়।
(স্কন্দ পুরাণ)

৯/ গাভী ও বাছুরদের ভোজন করালে অশেষ পুণ্য হয়।
(গরুড় পুরাণ)

১০/ বদ্রীনাথ, গঙ্গোত্রী, যমুনোত্রীর মন্দিরের দ্বার খোলা হয়।
(হিমালয় মাহাত্ম্য)

১১/ অক্ষয় তৃতীয়াতে সত্যযুগ ও ত্রেতাযুগের সূচনা হয়।
(স্কন্দ পুরাণ)

১২/ শ্রীল প্রভুপাদ ১৯৫৩ সালে "The League of Devotees" প্রতিষ্ঠা করেন।
(ইসকন ইতিহাস)

১৩/ শ্রীনাথজীর গিরিরাজ গোবর্ধন মন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়।
(ব্রজ মণ্ডল ইতিহাস)

১৪/ মা লক্ষ্মী কুবেরকে ধন-সম্পদের দেবতা করেন।
(গরুড় পুরাণ)

১৫/ বৃন্দাবনে বাঁকে বিহারীর চরণ দর্শন শুধুমাত্র অক্ষয় তৃতীয়ায় হয়।
(বাঁকে বিহারী মন্দির ইতিহাস)

১৬/ কৃষ্ণ ও সুদামার পুনর্মিলন দ্বারকায় আজকের দিনে ঘটে।
(ভাগবত পুরাণ)

১৭/ দেবী অন্নপূর্ণার আবির্ভাব।
(স্কন্দ পুরাণ)

১৮/ ব্রহ্মার পুত্র অক্ষয় কুমারের জন্ম।
(পুরাণ অনুযায়ী)

১৯/ মহর্ষি ব্যাসদেব মহাভারত রচনা শুরু করেন।
(ব্রহ্ম বৈবর্ত পুরাণ)

২০/ গণেশজি ভাগবত কথা লিখন শুরু করেন।
(স্কন্দ পুরাণ)

২১/ ভগবান শ্রী রামচন্দ্রের রাজ্যাভিষেকের সূচনা অক্ষয় তৃতীয়ায় হয়।
(রামায়ণ অনুযায়ী)

২২/ শ্রী রামচন্দ্র ও সীতাদেবীর বিবাহ আজকের দিনে হয়।

২৩/ গোপী পঞ্চমী ব্রতের সূচনা হয়।
(ব্রজবাসী গ্রন্থাবলী)

২৪/ আজকের দিনে দেবী লক্ষ্মী ও ভগবান বিষ্ণুকে পূজা করলে অক্ষয় ধন লাভ হয়।
(পদ্ম পুরাণ)

২৫/ পরশুরামজী গঙ্গাস্নান করে তীর্থমাহাত্ম্য প্রচার করেন।
(ব্রহ্ম পুরাণ)

২৬/ কুবের এই দিনে ধনসম্পদ ও ধনাধিপতি পদ লাভ করেন।
(গরুড় পুরাণ)

২৭/ গঙ্গাদেবীর মর্ত্যাভিষেক স্মরণে গঙ্গা মহোৎসব পালিত হয়।
(স্কন্দ পুরাণ)

২৮/ ভক্তি সহকারে দান করলে লক্ষ গুণ ফল লাভ হয়।
(পদ্ম পুরাণ)

২৯/ সমস্ত যজ্ঞ, দান, স্নান, তপস্যা আজকের দিনে বহুগুণ ফলদায়ক হয়।
(স্কন্দ পুরাণ)

৩০/ আজকের দিনে যেকোনো শুভ কাজের ফল "অক্ষয়" অর্থাৎ চিরস্থায়ী হয়।
(ব্রহ্ম পুরাণ)

৩১/ আজকের দিনে শ্রীকৃষ্ণ ইন্দ্রদেবের অহংকার বিনাশের সংকল্প গ্রহণ করেন।
(ভাগবত পুরাণ)

৩২/ গঙ্গাজল পানের বিশেষ পুণ্য লাভ হয়।
(স্কন্দ পুরাণ)

৩৩/ একমাত্র অক্ষয় তৃতীয়ায়, শ্রীমদ্ভাগবত পাঠের সমস্ত ফল একত্রে লাভ হয়।
(ভাগবত মাহাত্ম্য)

৩৪/ বৃন্দাবনে চন্দন যাত্রার সূচনা হয়।
(গৌড়ীয় বৈষ্ণব ইতিহাস)

৩৫/ গোসেবা করে অমৃত লোক লাভ করা যায়।
(গরুড় পুরাণ)

৩৬/ এই দিনে বিশেষভাবে তুলসী মঞ্চের চারপাশে জলসেচন করলে অসংখ্য পুণ্য লাভ হয়।
(ব্রহ্ম পুরাণ)

পুরাণ ও শাস্ত্র অনুসারে, অক্ষয় তৃতীয়া দিনটি —
> "অসীম পূণ্য ও মুক্তির দ্বার উন্মুক্ত করে ।"
বিশেষত, বৈষ্ণব মতে এই দিনটি ভগবৎস্মরণ, ভজন, ও সেবা ব্রত পালনের জন্য সর্বোত্তম।

হরে কৃষ্ণ 🙏❤️🙏

আগামী ২০ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার পবিত্র অক্ষয় তৃতীয়া ও চন্দনযাত্রা মহোৎসব !! 💞🥰🕉️🏵️"চন্দন যাত্রা ও অক্ষয় তিথি মাহাত্ম্য"🏵️🚩উৎ...
20/04/2026

আগামী ২০ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার পবিত্র
অক্ষয় তৃতীয়া ও চন্দনযাত্রা মহোৎসব !! 💞🥰🕉️

🏵️"চন্দন যাত্রা ও অক্ষয় তিথি মাহাত্ম্য"🏵️🚩

উৎকলখণ্ডে বর্ণিত আছে, শ্রীজগন্নাথদেব মহারাজ ইন্দ্রদ্যুম্নকে বৈশাখী শুক্লা অক্ষয় তৃতীয়াতে সুগন্ধি চন্দন দ্বারা জগন্নাথের অঙ্গে লেপন করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেদিন থেকে চন্দন যাত্রা উৎসব শুরু হল। শ্রীচৈতন্যচরিতামৃতে দেখা যায়, বৃন্দাবনে পরম বৈষ্ণব শ্রীমাধবেন্দ্র পুরীকে স্বপ্নে তাঁর আরাধ্য শ্রীগোপাল বলছেন, "আমার শরীরের তাপ জুড়াচ্ছে না। মলয় প্রদেশ থেকে চন্দন নিয়ে এসো এবং তা ঘষে আমার অঙ্গে লেপন কর, তা হলে তাপ জুড়াবে।" তার পর পূর্বভারতে বৃদ্ধ মাধবেন্দ্র পুরী নীলাচলে জগন্নাথ পুরীতে এসে সেবকদের কাছ এক মণ মলয়জ চন্দন ও কর্পূর নিয়ে বৃন্দাবনে ফিরছিলেন। পথে রেমুণাতে শ্রীগোপীনাথ মন্দিরে আসেন। সেই রাত্রে সেখানে শয়ন কালে স্বপ্ন দেখেন, গোপাল এসে বলছেন, "হে মাধবেন্দ্র পুরী, আমি ইতিমধ্যেই সমস্ত চন্দন ও কর্পূর গ্রহণ করেছি। এখন কর্পূর সহ ঐ চন্দন ঘষে ঘষে শ্রীগোপীনাথের অঙ্গে লেপন কর। গোপীনাথ ও আমি অভিন্ন। গোপীনাথের অঙ্গে চন্দন লাগালেই আমার অঙ্গ শীতল হবে।" গ্রীষ্ম ঋতুতে শ্রীহরির অঙ্গে কর্পূর চন্দন লেপন করলে ভগবান শ্রীহরি প্রীত হন।

"অক্ষয় তিথির মাহাত্ম্য"

অক্ষয় তৃতীয়া হল চান্দ্র বৈশাখ মাসের শুক্ল পক্ষের তৃতীয়া তিথি। এ অক্ষয় তৃতীয়া বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ তিথি। অক্ষয় শব্দের অর্থ হল যা ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না।
বৈদিক বিশ্বাসানুসারে এই পবিত্র তিথিতে কোন শুভকার্য সম্পন্ন হলে তা অনন্তকাল অক্ষয় হয়ে থাকে। যদি ভালো কাজ করা হয় তার জন্যে আমাদের লাভ হয় অক্ষয় পূণ্য আর যদি খারাপ কাজ করা হয় তবে লাভ হয় অক্ষয় পাপ। আর এদিন পূজা, জপ, ধ্যান, দান, অপরের মনে আনন্দ দেয়ার মত কাজ করা উচিত। যেহেতু এই তৃতীয়ার সব কাজ অক্ষয় থাকে তাই প্রতিটি পদক্ষেপ ফেলতে হয় সতর্কভাবে। এদিনটা ভালোভাবে কাটানোর অর্থ সাধনজগতের অনেকটা পথ একদিনে চলে ফেলা। এবারের অক্ষয়তৃতীয়া সবার ভালো কাটুক-এই কামনায় করি।

আজ ২৭.০৩.২০২৬ শুক্রবার "শ্রী  #রামনবমী"🕉️🌹💮🏵️ পূর্ণ দিবস উপবাস /দুপুর ১২ টা পর্যন্ত উপবাসস্ব স্ব গুরুপরম্পরা অনুযায়ী উপব...
27/03/2026

আজ ২৭.০৩.২০২৬ শুক্রবার "শ্রী #রামনবমী"🕉️🌹💮🏵️ পূর্ণ দিবস উপবাস /দুপুর ১২ টা পর্যন্ত উপবাস
স্ব স্ব গুরুপরম্পরা অনুযায়ী উপবাস পালন করবেন🙏
💝ভগবান শ্রী রাম চন্দ্রের প্রণাম মন্ত্র:-
রামায় রামচন্দ্রায় রামভদ্রায় বেধসে,
রঘুনাথায় নাথায় সীতায়াঃ পতয়ে নমঃ!!৷

❣️জননী সীতা মায়ের প্রণাম মন্ত্র:-
বন্দে রামহৃদম্ভোজ-প্রকাশাং জনকাত্মজাম্,
সত্রিবর্গ -পরমানন্দদায়িনীং ব্রক্ষরূপিণীম্!!

পাঠ করুন 🕉️💢 #শ্রীরামাষ্টোত্তরনামাবলী 💢🕉️
----------------------------------
ওঁ শ্রীরামায় নমঃ ।
ওঁ রামভদ্রায় নমঃ ।
ওঁ রামচন্দ্রায় নমঃ ।
ওঁ শাশ্বতায় নমঃ ।
ওঁ রাজীবলোচনায় নমঃ ।
ওঁ শ্রীমতে নমঃ ।
ওঁ রাজেন্দ্রায় নমঃ ।
ওঁ রঘুপুংগবায় নমঃ ।
ওঁ জানকীবল্লভায় নমঃ ।
ওঁ জৈত্রায় নমঃ । 10 ।

ওঁ জিতামিত্রায় নমঃ ।
ওঁ জনার্দনায় নমঃ ।
ওঁ বিশ্বামিত্রপ্রিয়ায় নমঃ ।
ওঁ দান্তায় নমঃ ।
ওঁ শরণত্রাণ তত্পরায় নমঃ ।
ওঁ বালিপ্রমথনায় নমঃ ।
ওঁ বাগ্মিনে নমঃ ।
ওঁ সত্যবাচে নমঃ ।
ওঁ সত্যবিক্রমায় নমঃ ।
ওঁ সত্যব্রতায় নমঃ । 20 ।

ওঁ ব্রতধরায় নমঃ ।
ওঁ সদাহনুমদাশ্রিতায় নমঃ ।
ওঁ কৌসলেয়ায় নমঃ ।
ওঁ খরধ্বংসিনে নমঃ ।
ওঁ বিরাধবধপণ্ডিতায় নমঃ ।
ওঁ বিভীষণ পরিত্রাত্রে নমঃ ।
ওঁ হরকোদণ্ড খঁডনায় নমঃ ।
ওঁ সপ্ততাল প্রভেত্ত্রে নমঃ ।
ওঁ দশগ্রীব শিরোহরায় নমঃ ।
ওঁ জামদ্গ্ন্য মহাদর্পদলনায় নমঃ । 30 ।

ওঁ তাটকান্তকায় নমঃ ।
ওঁ বেদান্তসারায় নমঃ ।
ওঁ বেদাত্মনে নমঃ ।
ওঁ ভবরোগস্য ভেষজায় নমঃ ।
ওঁ দূষণ ত্রিশিরো হন্ত্রে নমঃ ।
ওঁ ত্রিমূর্তয়ে নমঃ ।
ওঁ ত্রিগুণাত্মকায় নমঃ ।
ওঁ ত্রিবিক্রমায় নমঃ ।
ওঁ ত্রিলোকাত্মনে নমঃ ।
ওঁ পুণ্যচারিত্রকীর্তনায় নমঃ । 40 ।

ওঁ ত্রিলোকরক্ষকায় নমঃ ।
ওঁ ধন্বিনে নমঃ ।
ওঁ দণ্ডকারণ্য পুণ্যকৃতে নমঃ ।
ওঁ অহল্যা শাপ শমনায় নমঃ ।
ওঁ পিতৃ ভক্তায় নমঃ ।
ওঁ বরপ্রদায় নমঃ ।
ওঁ জিতেন্দ্রিয়ায় নমঃ ।
ওঁ জিতক্রোধায় নমঃ ।
ওঁ জিতামিত্রায় নমঃ ।
ওঁ জগদ্গুরবে নমঃ । 50 ।

ওঁ ঋক্ষ বানর সংঘাতিনে নমঃ ।
ওঁ চিত্রকূট সমাশ্রয়ায় নমঃ ।
ওঁ জয়ন্ত ত্রাণ বরদায় নমঃ ।
ওঁ সুমিত্রাপুত্র সেবিতায় নমঃ ।
ওঁ সর্বদেবাদি দেবায় নমঃ ।
ওঁ মৃতবানর্ জীবিতায় নমঃ ।
ওঁ মায়ামারীচহন্ত্রে নমঃ ।
ওঁ মহাদেবায় নমঃ ।
ওঁ মহাভুজায় নমঃ ।
ওঁ সর্বদেবস্তুতায় নমঃ । 60 ।

ওঁ সৌম্যায় নমঃ ।
ওঁ ব্রহ্মণ্যায় নমঃ ।
ওঁ মুনিসংস্তুতায় নমঃ ।
ওঁ মহা য়োগিনে নমঃ ।
ওঁ মহোদরায় নমঃ ।
ওঁ সুগ্রীবেপ্সিত রাজ্যদায় নমঃ ।
ওঁ সর্বপুণ্যাধিক ফলায় নমঃ ।
ওঁ স্মৃত সর্বাঘ নাশনায় নমঃ ।
ওঁ আদিপুরুষায় নমঃ ।
ওঁ পরমপুরুষায় নমঃ । 70 ।

ওঁ মহাপুরুষায় নমঃ ।
ওঁ পুণ্যোদয়ায় নমঃ ।
ওঁ দয়াসারায় নমঃ ।
ওঁ পুরাণপুরুষোত্তমায় নমঃ ।
ওঁ স্মিতবক্ত্রায় নমঃ ।
ওঁ মিতভাষিণে নমঃ ।
ওঁ পূর্বভাষিণে নমঃ ।
ওঁ রাঘবায় নমঃ ।
ওঁ অনন্তগুণ গম্ভীরায় নমঃ ।
ওঁ ধীরোদ্দাত্তগুণোত্তমায় নমঃ । 80 ।

ওঁ মায়ামানুষ চরিত্রায় নমঃ ।
ওঁ মহাদেবাদিপূজিতায় নমঃ ।
ওঁ সেতুকৃতে নমঃ ।
ওঁ জিতবারাশয়ে নমঃ ।
ওঁ সর্বতীর্থময়ায় নমঃ ।
ওঁ হরয়ে নমঃ ।
ওঁ শ্যামাংগায় নমঃ ।
ওঁ সুন্দরায় নমঃ ।
ওঁ শূরায় নমঃ ।
ওঁ পীতবাসসে নমঃ । 90 ।

ওঁ ধনুর্ধরায় নমঃ ।
ওঁ সর্বয়জ্ঞাধিপায় নমঃ ।
ওঁ য়জ্বনে নমঃ ।
ওঁ জরামরণবর্জিতায় নমঃ ।
ওঁ বিভীষণ প্রতিষ্ঠাত্রে নমঃ ।
ওঁ সর্বাবগুণবর্জিতায় নমঃ ।
ওঁ পরমাত্মনে নমঃ ।
ওঁ পরস্মৈ ব্রহ্মণে নমঃ ।
ওঁ সচ্চিদানন্দ বিগ্রিহায় নমঃ ।
ওঁ পরস্মৈ জ্যোতিষে নমঃ । 100 ।

ওঁ পরস্মৈ ধাম্নে নমঃ ।
ওঁ পরাকাশায় নমঃ ।
ওঁ পরাত্পরায় নমঃ ।
ওঁ পরেশায় নমঃ ।
ওঁ পারগায় নমঃ ।
ওঁ পারায় নমঃ ।
ওঁ সর্বদেবাত্মকায় পরস্মৈ নমঃ । 108 ।
॥ ইতি রামাষ্টোত্তরশত নামাবলিঃ ॥

সা চ চৈত্রশুক্লানবমী রামস্য জন্মতিথিঃ
চৈত্রে মাসি নবম্যান্তু জাতো রামঃ স্বয়ং হরিঃ।
পুনর্ব্বস্বৃক্ষ সংযুক্তা সা তিথিঃ সর্ব্বকামদা।।

🌼 #অর্থ:- চৈত্র মাসের শুক্লা নবমী শ্রী শ্রী রাম চন্দ্রের জন্মতিথি,,,,পুনর্ব্বসুনক্ষত্র যুক্ত এই তিথিতে ভগবান রাম চন্দ্র জন্মগ্রহন করেছিলেন,,অতএব এই তিথিতে শ্রীরামের ব্রত করলে ধর্ম্ম-অর্থাদি লাভ ও অভীষ্ট সিদ্ধ হয়।

রাম অর্থাৎ তিনি আনন্দ প্রদান করেন। তিনিই পরম ভোক্তা, কিন্তু যখন আমরা সেই পরম ভোক্তা পরমেশ্বর ভগবানের সেবায় নিযুক্ত হই, তখন শুধু তিনিই নন, আমরাও পরম আনন্দে নিমগ্ন হই। #শেয়ার

হরেকৃষ্ণ  #একাদশীবার্তা আগামী ১৫-০৩-২০২৬ ইং তারিখ রোজ রবিবার পবিত্র পাপমোচনী একাদশীর উপবাস ব্রত। পারন পরেরদিন সকাল(বাংলা...
15/03/2026

হরেকৃষ্ণ #একাদশীবার্তা আগামী ১৫-০৩-২০২৬ ইং তারিখ রোজ রবিবার পবিত্র পাপমোচনী একাদশীর উপবাস ব্রত। পারন পরেরদিন সকাল
(বাংলাদেশ) ০৬:০৬-১০:০৭
(পশ্চিমবঙ্গ) ০৫:৪৪-০৯:৪৩
🙏কৃপাকরে আপনি নিজে একাদশী ব্রত পালন করুন ও অন্যকে একাদশী ব্রত পালনের জন্য উৎসাহিত করুন ।।
🙏❤️❤️ একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য ❤️❤️🙏
যুধিষ্ঠির শ্রীকৃষ্ণ কে বললেন--হে জনার্দন! চৈত্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর নাম ও মাহাত্ম্য কৃপা করে আমাকে বলুন।
শ্রীকৃষ্ণ বললেন-- হে ধর্মরাজ যুধিষ্ঠির! আপনি ধর্মবিষয়ক প্রশ্ন করেছেন। এই একাদশী সকল সুখের আধার, সিদ্ধি প্রদানকারী ও পরম মঙ্গলময়। সমস্ত পাপ থেকে নিস্তার বা মোচন করে বলে এই পবিত্র একাদশী তিথি 'পাপমোচনী' নামে প্রসিদ্ধ। রাজা মান্ধাতা একবার লোমশ মুনিকে এই একাদশীর কথা জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তাঁর বর্ণিত সেই বিচিত্র উপাখ্যানটি আপনার কাছে বলছি। আপনি মনযোগ দিয়ে তা শ্রবন করুন।
প্রাচীনকালে অতি মনোরম 'চৈত্ররথ' পুষ্প উদ্যানে মুনিগন বহু বছর ধরে তপস্যা করতেন। একসময় মেধাবী নামে এক ঋষি কুমার সেখানে তপস্যা করতেন। মঞ্জুঘোষা নামে এক সুন্দরী অপ্সরা তাঁকে বশীভূত করতে চাইলো। কিন্তু ঋষির অভিশাপের ভয়ে সে আশ্রমের দুই মাইল দূরে অবস্থান করতে লাগল। বীণা বাজিয়ে মধুর স্বরে সে গান করত। একদিন মঞ্জুঘোষা মেধাবীকে দেখে কামবাণে পীড়িতা হয়ে পড়ে। এদিকে ঋষি মেধাবীও অপ্সারার অনুপম সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়ে পড়েন। তখন সেই অপ্সরা মুনিকে নানা হাব-ভাব ও কটাক্ষ দ্বারা বশীভূত করে। ক্রমে কামপরবশ মুনি সাধন-ভজন বিসর্জন দিয়ে তার আরাধ্য দেবকে বিস্মৃত হন। এইভাবে অপ্সরার সাথে কামক্রীড়ায় মুনির বহুবছর অতিক্রান্ত হল।
মুনিকে আচার-ভ্রষ্ট দেখে সেই অপ্সরা দেবলোকে ফিরে যেতে মনস্থ করল। একদিন মঞ্জুঘোষা মেধাবী মুনিকে বলতে লাগল-- হে প্রভু , এখন আমাকে নিজ গৃহে ফিরে যাবার অনুমতি প্রদান করুন। কিন্তু মেধাবী বললেন-- হে সুন্দরী! তুমি তো এখন সান্ধ্যকালে আমার ক কাছে এসেছ, প্রাতঃকাল পর্যন্ত আমার কাছে থেকে যাও। মুনির কথা শুনে অভিশাপ ভয়ে সেই অপ্সরা আরও কয়েক বছর তার সাথে বাস করল। এইভাবে বহু বছর (55 বছর 9 মাস 7 দিন) অতিবাহিত হল। দীর্ঘকাল অপ্সরার সহবাসে থাকলেও মেধাবীর কাছে তা অর্ধরাত্রি বলে মনে হল। মঞ্জুঘোষা পুনরায় নিজস্থানে গমনের প্রার্থনা জানালে মুনি বললেন--এখন প্রাতঃকাল, যতক্ষণ পর্যন্ত আমি সন্ধ্যা বন্দনা না সমাপ্ত করি, ততক্ষণ পর্যন্ত তুমি এখানে থাকো।
মুনির কথা শুনে ঈষৎ হেসে মঞ্জুঘোষা তাকে বলল-- হে মুনিবর! আমার সহবাসে আপনার যে কত বছর অতিবাহিত হয়েছে তা একবার বিচার করে দেখুন। এই কথা শুনে মুনি স্থির হয়ে দেখলেন যে, তাঁর ছাপ্পান্ন বছর অতিবাহিত হয়ে গেছে।
মুনি তখন মঞ্জুঘোষার প্রতি ক্রোধ পরবশ হয়ে বললেন যে-- রে পাপিষ্ঠে, দুরাচারিণী, তপস্যার ক্ষয়কারিণী, তোমাকে ধিক! তুমি পিশাচী হও। মেধাবীর শাপে অপ্সরার শরীর বিরূপ প্রাপ্ত হল। তখ তখন সে অবনতমস্তকে মুনির কাছে শাপমোচনের উপায় জিজ্ঞাসা করল।
মেধাবী বললেন-- হে সুন্দরী! চৈত্রমাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া পাপমোচনী একাদশী, সর্বপাপ ক্ষয়কারিণী। সেই ব্রত পালনে তোমার পিচাশত্ব দূর হবে।
পিতার আশ্রমে ফিরে গিয়ে মেধাবী বললেন-- হে পিতা! এক অপ্সরার সঙ্গদোষে আমি মহাপাপ করেছি। এর প্রায়শ্চিত্ত কি? তা কৃপা করে আমাকে বলুন।
উত্তরে চ্যবন মুনি বললেন-- চৈত্র মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া পাপমোচনী একাদশী ব্রতের প্রভাবে তোমার পাপ দূর হবে। পিতার উপদেশ শুনে মেধাবী সেই ব্রত ভক্তিভরে পালন করল। তার সমস্ত পাপ দূর হল। পুনরায় তিনি তপস্যার ফল লাভ করলেন। মঞ্জুঘোষাও ঐ ব্রত পালনের ফলে পিচাশত্ব থেকে মুক্ত হয়ে দিব্য দেহে স্বর্গে গমন করল।
হে মহারাজ! যারা এই পাপমোচনী একাদশী পালন করেন, তাদের পূর্বকৃত সমস্ত পাপই ক্ষয় হয়। এই ব্রতকথা পাঠ ও শ্রবণে সহস্র গোদানের ফল লাভ হয়।

কীভাবে পালন করবেন  #গৌরপূর্ণিমা ব্রত মহোৎসব ?পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কলিযুগে শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু রূপে এসেছেন। এই বিষয়...
02/03/2026

কীভাবে পালন করবেন #গৌরপূর্ণিমা ব্রত মহোৎসব ?

পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কলিযুগে শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু রূপে এসেছেন। এই বিষয়ে বেদ, উপনিষদ, পুরাণ, তন্ত্র, স্মৃতি শাস্ত্রে নানা ভবিষ্যৎবাণী মহাপ্রভুর আবির্ভাবের আগেই প্রদত্ত হয়েছে। (এই পোস্টের কমেন্টে তা উল্লেখ করা হয়েছে) অতএব শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু যেহেতু স্বয়ং কৃষ্ণ, তাই তাঁর আবির্ভাব তিথি পালন করাও কৃষ্ণের আবির্ভাব তিথি পালনের মতো গুরুত্বপূর্ণ। এমনকি কৃষ্ণের থেকে মহাপ্রভু অধিক কৃপালু বলে, এই উৎসব পালনের কোনো বিকল্প নেই।
তাই যারা কেবল দোল‌পূর্ণিমা পালন করবেন, অথচ গৌর পূর্ণিমা কীভাবে পালন করতে হয় বিষয়ে অনভিজ্ঞ, তাদের জন্য আজকের আলোচনা।
গৌর পূর্ণিমা ব্রত পালন কর্তব্য কেন?
ভগবানের আবির্ভাব দিবস উপলক্ষে ব্রত ও উৎসব পালন করা সকলেরই কর্তব্য। যেহেতু শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু স্বয়ং পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ, তাই গৌর পূর্ণিমা ব্রত পালন অবশ্য করণীয়।

কারা এই ব্রত পালন করতে পারে?

১. ৮ থেকে ৮০ বছর পর্যন্ত কলের জন্যেই একাদশী এবং অন্যান্য বিষ্ণুব্রত পালন বাধ্যতামূলক।

২. কোনো রকম অশৌচ থাকলেও এই ব্রত পালন করতে হব। পদ্মপুরাণে [উত্তরখণ্ড, ৫১।৭-৮] বলা হয়েছে,

সূতকেঽপি ন ভোক্তব্যং নাশৌচ চ জনাধিপ।
যাবজ্জীবং ব্রতমিদং কর্ত্তব্যং পুরুষর্ষভ॥

~“জন্মাশৌচ বা মৃতাশৌচেও বিষ্ণুব্রতে ভোজন করিবে না। হে পুরুষশ্রেষ্ঠ! যতদিন জীবিত থাকবে ততদিন এ বিষ্ণুব্রত পালন করা কর্তব্য।”

কখন ও কতক্ষণ এই ব্রত পালন করতে হয়?
যেহেতু পরমেশ্বর ভগবান শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু দোলপূর্ণিমা তিথিতে সন্ধ্যায় আবির্ভূত হয়েছেন, তাই শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব তিথি জন্মাষ্টমীর মতো গৌর পূর্ণিমা তিথিও একাদশীর মতোই পালন করতে হবে‌। উত্তম বিধি হলো, পরদিন সকাল‌ পর্যন্ত নির্জলা ব্রত, অন্যথায় পর্যন্ত কমপক্ষে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপবাস পালন করতে হবে। এরপর অনুকল্প গ্রহণ করা যাবে। যারা একান্তই অসমর্থ তারা একাদশীর মতোই পালন করতে পারেন।

শিশু, বৃদ্ধ, নির্জলায় অসমর্থ, গর্ভবতী ও অসুস্থদের জন্য কী বিধান?

মহাভারতে [উদ্যোগপর্ব, ৩৯।৭০] বলা হয়েছে,

অষ্টৈতান্যব্ৰতঘ্নানি আপো মূলং ফলং পয়ঃ।
হরির্ব্রাহ্মণকাম্যা চ গুরোর্বচনমৌষধম্॥

~ ফল, মূল, ক্ষীর, ঘৃত, ব্রাহ্মণের নির্দেশ, গুরুর বচন ও ঔষধ এই আটটি ব্রত-নাশক নহে।

অতএব শিশু, বৃদ্ধ, নির্জলায় অসমর্থ, গর্ভবতী ও অসুস্থরা ফল-জল প্রভৃতি অনুকল্প গ্রহণ করে উপবাস করতে পারবেন। এমনকি অসুস্থরা প্রয়োজনীয় ঔষধও সেবন করতে পারবেন। এছাড়াও ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে বর্ণিত হয়েছে, উপবাসাসমৰ্থশ্চ ফলমূলজলং পিবেৎ। অর্থাৎ, উপবাসে অসমর্থ হইলে, ফল-মূল ভোজন ও জল পান করিবেন।

• উপবাসে কি কি নিয়ম পালন করতে হবে?
১. আগের দিন রাতে তাড়াতাড়ি আহার করা ও নিদ্রা যাওয়া।
২. (যারা নিরামিষ ভোজী নন) তাদের উচিত আগেরদিন নিরামিষ গ্রহণের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা।
৩. গৌর পূর্ণিমার দিন যত দ্রুত সম্ভব ঘূম থেকে উঠে পড়া। ব্রাহ্মমুহূর্ত হলো সর্বোত্তম। অন্যথায় সূর্যোদয়ের সময় উঠতে চেষ্টা করতে হবে।
৪. সকালেই স্নান‌ সমাপন করে ভগবানের হরে কৃষ্ণ কীর্তন করতে করতে মঙ্গল আরতি করা।
৫. তুলসী পূজা ও জলদান করা।
৬. শ্রীশিক্ষাষ্টকম্ পাঠ করা
৭. শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর নির্দেশ যেন সকলেই হরে কৃষ্ণ জপ ও কীর্তন করে, তাই জপ মালায় আজ বেশি বেশি হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করা এবং কীর্তন করা।
৮. সাধুদের মুখে (সরাসরি সম্ভব না হলে অনলাইনেও সম্ভব, যেমন ইউটিউবে Mayapur TV Bangla) শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর লীলাকথা শ্রবণ করা।
৯. এভাবে গৌর স্মরণ, গৌর কীর্তন করে দিন অতিবাহিত করা, সম্ভব হলে নিকটবর্তী মন্দিরে গিয়ে ভক্তসঙ্গ করা।
১০. সন্ধ্যায় সম্ভব হলে গৌর নিত্যানন্দের শ্রী বিগ্রহ বা চিত্রপটে পঞ্চামৃত দ্বারা অভিষেক করা অথবা মন্দিরে অভিষেক দর্শন করা।
১১. অভিষেকের পর অনুকল্প প্রসাদ গ্রহণ করা যাবে।
১২. অভিষেকাদি অনুষ্ঠানের সময় হরে কৃষ্ণ কীর্তন করা।

তাহলে আবির খেলব কখন?
আবির ভগবানের শ্রী চরণে নিবেদন করে নিজেরা এক অপরের মস্তকে লাগিয়ে দেওয়ার বিধান। সকালে বা বিকালে শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ ও শ্রীশ্রী গৌর-নিতাইয়ের চরণে আবির নিবেদন করা যেতে পারে।

পরদিন বিশেষ কিছু?
তযেহেতু শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর আবির্ভাবের পরদিন তাঁর পিতা শ্রীল‌ জগন্নাথ মিশ্র মহোৎসব করেছিলেন, তাই পরদিন মহাপ্রভুর প্রিয় নানা শাক-সবজি ব্যাঞ্জন রান্না করে ভোগ নিবেদন করে গ্রহণ করতে হবে।

সর্বোপরি যত বেশি সম্ভব হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্তন করতে হবে। কেননা এর দ্বারাই শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু সবথেকে বেশি সন্তুষ্ট হন। বিশেষত এই দুইদিন যা করা যেতে পারে —
১. প্রতিদিনের তুলনায় বেশি সংখ্যক হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করা। যেমন কেউ ১৬ মালা জপ করেন, তিনি ২৪, ৩২, ৬৪ বা এরকম করতে পারেন। আবার যারা ৮ মালা জপ করেন তারাও ১২, ১৬, ২৪ ইত্যাদি করতে পারেন। এগুলো কেবল উদাহরণ হিসেবে বলা হলো। যাদের দিনব্যাপী সময় আছে, তারা অবশ্যই বেশি বেশি
হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করতে পারেন।
২. একাকী অথবা ভক্তসঙ্গে হরে কৃষ্ণ কীর্তন করতে পারেন।
৩. গৃহে অথবা মন্দিরে নাম সংকীর্তনে অংশ নিতে পারেন।
৪. পাড়া প্রতিবেশীদের নিয়ে গৃহে সংকীর্তন, নগর সংকীর্তন করতে পারেন।
৫. সাধু মুখে হরি কথা শুনতে হবে।
৬. অভিষেক প্রভৃতি অনুষ্ঠানের সময়েও হরে কৃষ্ণ কীর্তন করতে হবে।

🏵️💢 শুভ  #গৌরপূর্ণিমা ও দোলযাত্রার শুভেচ্ছা 🏵️💢আগামী ৩রা মার্চ রবিবার চঁন্দ্রোদয় পর্যন্ত নির্জলা উপবাস করে তারপরে অভিষেক...
01/03/2026

🏵️💢 শুভ #গৌরপূর্ণিমা ও দোলযাত্রার শুভেচ্ছা 🏵️💢
আগামী ৩রা মার্চ রবিবার চঁন্দ্রোদয় পর্যন্ত নির্জলা উপবাস করে তারপরে অভিষেক করে অনুকল্প প্রসাদ গ্রহন করতে হবে।

💮💖 গৌরপূর্ণিমা হলো মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেব এই দোল পূর্ণিমার পূন্যতিথিতে নবদ্বীপে এক ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তখন জাতিভেদ বর্ণভেদ আমাদের সমাজে মানুষে মানুষে বিভেদের প্রাচীর তুলে দিয়েছিল। শ্রীচৈতন্যদেব ( গৌরাঙ্গ) সমাজ থেকে এই বিভেদ দূর করে জীব উদ্ধারের জন্য হরিনাম প্রচার করেছিলেন।
দোল পূর্ণিমার এই দিনে জন্মগ্রহণ করে জীব উদ্ধারের জন্য কাজ করে গেছেন বলে একে গৌরপূর্ণিমা নামে ও অভিহিত করা হয়।

*🌿🍁দোলযাত্রা একটি সনাতনী বৈষ্ণব উৎসব। বহির্বঙ্গে পালিত হোলি উৎসবটির সঙ্গে দোলযাত্রা উৎসবটি সম্পর্কযুক্ত। এই উৎসবের অপর নাম বসন্তোৎসব। ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে দোলযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

*💞💞দোলযাত্রা :👉* রাধা ও অন্যান্য গোপীগণের সঙ্গে দোল খেলছেন কৃষ্ণ।
*💚💜অন্য নাম👇*
দোল, দোলপূর্ণিমা, বসন্তোৎসব, হোলি।
*💚💖পালনকারী👇*
ভারতীয় (হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ ও জৈন) নেপালি (প্রধানত হিন্দু এবং বহুসংখ্যক বৌদ্ধ) এবং বাংলাদেশ (প্রধানত হিন্দু এবং বহুসংখ্যক বৌদ্ধ)।।

🌿🍁ফাল্গুনী পূর্ণিমা বা দোলপূর্ণিমার দিন বৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণ আবির বা গুলাল নিয়ে রাধিকা ও অন্যান্য গোপীগণের সহিত রং খেলায় মেতেছিলেন। সেই ঘটনা থেকেই দোল খেলার উৎপত্তি হয়।দোলযাত্রার দিন সকালে তাই রাধা ও কৃষ্ণের বিগ্রহ আবির ও গুলালে স্নাত করে দোলায় চড়িয়ে কীর্তনগান সহকারে শোভাযাত্রায় বের করা হয়। এরপর ভক্তেরা আবির ও গুলাল নিয়ে পরস্পর রং খেলেন। দোল উৎসবের অনুষঙ্গে ফাল্গুনী পূর্ণিমাকে দোলপূর্ণিমা বলা হয়।

💖💙 এই পূর্ণিমা তিথিতেই চৈতন্য মহাপ্রভুর জন্ম বলে একে গৌরপূর্ণিমা নামেও অভিহিত করা হয়।
#শেয়ার
*✧══════•❁❀❁•══════✧*
*┄❈❥ًً❀──●❀🌹🌻*
*"হরে"কৃষ্ণ"হরে"কৃষ্ণ"*
*"কৃষ্ণ"কৃষ্ণ"হরে"হরে।"*
*"হরে"রাম"হরে"রাম"*
*"রাম"রাম"হরে"হরে।।"*
*┄❈❥ًً❀──●❀🌹🌻*

🙏 হরেকৃষ্ণ  #একাদশীবার্তা 🌹 আগামী ২৭-০২-২০২৬ ইং তারিখ রোজ শুক্রবার পবিত্র আমলকীব্রত একাদশীর উপবাস ব্রত। ⛔পারন পরেরদিন সক...
26/02/2026

🙏 হরেকৃষ্ণ #একাদশীবার্তা 🌹 আগামী ২৭-০২-২০২৬ ইং তারিখ রোজ শুক্রবার পবিত্র আমলকীব্রত একাদশীর উপবাস ব্রত।
⛔পারন পরেরদিন সকাল (বাংলাদেশ) ০৬:২১-১০:১৪
(পশ্চিমবঙ্গ) ০৫:৫৮-০৯:৫২
তাই আসুন আমরা সবাই ভগবান প্রদত্ত একাদশী ব্রত পালন করি এবং মানব জীবন সার্থক করি। অন্যকে একাদশী ব্রত পালনের জন্য উৎসাহিত করুন ।।
🙏❤️ একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য ❤️🙏
যুধিষ্ঠির বললেন, হে কৃষ্ণ! মহাফলদাতা বিজয়া একাদশীর কথা শুনলাম।এখন ফাল্গুন মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী যে নামে বিখ্যাত তা বর্ণনা করুন।
শ্রীকৃষ্ণ বললেন, হে মহাভাগ যুধিষ্ঠির, মান্ধাতার প্রশ্নের উত্তরে মহাত্মা বশিষ্ঠ এই একাদশীর মহিমা কীর্তন করেছিলেন। আপনার কাছে এখন আমি সেই কথা বলছি।
এই একাদশীর নাম `আমলকী'। বিষ্ণুলোক প্রদানকারী রূপে এই একাদশী বিশেষভাবে মহিমান্বিত। একাদশীর দিন অামলকী বৃক্ষের তলে রাত্রি জাগরণ করলে সহস্র গাভীদানের ফল লাভ হয়।
হে পান্ডুনন্দন, পূর্বে ব্রহ্মার রাত্রিতে দৈনন্দিন প্রলয় উপস্থিত হলে স্থাবর জঙ্গমসহ দেবতা,অসুর ও রাক্ষস সবকিছুর বিনাশ হয়। তখন ভগবান সেই কারনসমুদ্রে অবস্থান করেন। তাঁর মুখপদ্ম থেকে চন্দ্রবর্ণের এক বিন্দু জল ভূমিতে পড়ে। সেই জলবিন্দু থেকে একটি বিশাল আমলকী বৃক্ষ উত্পন্ন হয়। এই বৃক্ষের স্মরণমাত্র গোদানের ফল, দর্শনে তার দ্বিগুন, এবং ফলভক্ষনে তিনগুন ফল লাভ হয়। এই বৃক্ষে ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বর সর্বদা অবস্থান করেন। এর প্রতিটি শাখা প্রশাখা ও পাতায় ঋষি, দেবতা ও প্রজাপতিগণ বাস করেন।এই বৃক্ষকে সমস্ত বৃক্ষের আদি বলা হয়। এবং তা পরম বৈষ্ণব রূপে বিখ্যাত।অতএব এই শ্রেষ্ঠ ব্রত সকলেরই পালনীয়।এখন এই ব্রতের এক অদ্ভূত ইতিহাস আপনাকে বলছি।
প্রাচীনকালে বৈদিশ নামে এক প্রসিদ্ধ নগর ছিল।এখানকার রাজা ছিলেন চৈত্ররথ।চন্দ্রবংশীয় পাশবিন্দুক রাজার পুত্ররূপে তিনি জন্মগ্রহন করেছিলেন।তিনি খুব শক্তিমান ও রাজঐশ্বর্যশালী ছিলেন।শাস্ত্রজ্ঞানেও ছিলেন নিপুণ।তার রাজ্যে দিব্য আনন্দ পূর্ণ মনোরম পরিবেশ ছিল।প্রজারা ছিলেন বিষ্ণুভক্তিপরায়ণ।সকলেই একাদশী ব্রত পালন করতেন।রাজ্যে কোনো অভাব অমঙ্গল ছিলনা।এভাবে প্রজাদের নিয়ে রাজা সুখে দিনযাপন করতেন।
একসময় ফাল্গুনী শুক্লপক্ষের দ্বাদশীযুক্তা আমলকী একাদশী তিথি সমাগত হওয়ায় রাজ্যের সকলেই এই ব্রত পালনের সংকল্প করলেন।ঐদিন প্রাতঃস্নানের পর প্রজাদের নিয়ে রাজা ভগবান শ্রীবিষ্ণুর মন্দিরে যান। সেখানে সুবাসিত জলপূর্ণ কলস, ছত্র, বস্ত্র, পাদুকা, পঞ্চরত্ন ইত্যাদি দিয়ে সাজিয়ে স্থাপন করেন। তারপর ধূপ দীপ দিয়ে যত্নসহকারে মুনি ঋষিদের দ্বারা শ্রীপরশুরাম মূর্তি সমন্বিত আমলকীর পূজা করেন। `হে পরশুরাম! হে রেণুকার সুখবর্ধক! হে ধাত্রী! হে পাপবিনাশিনী আমলকী! তোমাকে প্রনাম। আমার অর্ঘ্যজল গ্রহন কর।' এইভাবে দিনে যথাবিধি পূজা স্তবস্তুতি নৃত্যগীত করে রাজা ভক্তিভরে সেই বিষ্ণু মন্দিরে রাত্রি জাগরণ করতে লাগলেন। এমন সময় দৈব যোগে এক ব্যধ সেখানে উপস্থত হয়। পূজার সামগ্রীসহ বহু ব্যক্তিকে একত্রে রাত্রিজাগরণ করতে দেখে সে কৌতুহলাক্রান্ত হল। সে ভাবল, এসব কি ব্যাপার? বিষ্ণু মন্দিরে প্রবেশ করে সে বসে পড়ল। কলসের উপরে স্থাপিত বিষ্ণুমূর্তি দর্শন করল। ভগবান বিষ্ণু ও একাদশীর মাহাত্ম্য সে মনোযোগ দিয়ে শুনল। সারাদিন ঐ ব্যাধ কিছুই আহার করেনি। এইভাবে ক্ষুধায় কাতর হয়ে সেখানে সে রাত্রিজাগরণ করল।
পরদিন প্রজাসহ রাজা নগরের দিকে যাত্রা করলেন। ব্যাধও তার গৃহে ফিরে গেল।এরপর একসময় তার মৃত্যু হল। একাদশীতে রাত্রি জাগরণ ব্রত প্রভাবে সে পরবর্তী জন্মে এক রাজ্যের অধীশ্বর রূপে নিযুক্ত হল।
জয়ন্তী নামে এক নগরী ছিল। সেখানে বিদূরথ নামে এক রাজা বাস করতেন। ঐ ব্যাধ বিদূরথ রাজার মহাবলী পুত্ররূপে জন্মগ্রহন করেন। তার নাম হয় বসুরথ।এক লক্ষ গ্রামের আধিপত্য তিনি লাভ করলেন। তিনি ছিলেন সূর্যের মতো তেজস্বী, চন্দ্রের মতো কান্তিমান ও পৃথিবীর মতো ক্ষমাশীল। বিভিন্ন সদ্ গুণে ভূষিত বসুরথ পরম বিষ্ণুভক্তি পরায়ণ হন।
এই মহাদাতা রাজা একবার শিকার করতে গিয়ে পথ ভুলে যান। গভীর জঙ্গলের মধ্যে ক্ষুধায় পীড়িত হয়ে তিনি ক্লান্তিবশতঃ শুয়ে পড়েন।এমন সময় কতগুলি পর্বত নিবাসী ম্লেচ্ছ রাজার কাছে এসে নানা ভাবে উত্ পীড়ণ করতে থাকে। রাজাকে তাদের শত্রু মনে করে তারা তাকে হত্যা করতে চেষ্টা করে। "পূর্বে এই রাজা আমাদের পিতা-মাতা-পুত্র-পৌত্র সবাইকে মেরে ফেলেছে।আমাদের গৃহছাড়া করেছে।" এরকম বলতে বলতে ম্লেচ্ছরা রাজাকে হত্যা করতে উদ্যত হয়। তারা বিভিন্ন অস্ত্র শস্ত্রে তাঁকে আঘাত করতে লাগল। আশ্চর্যজনক ভাবে সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। রাজার কোনো ক্ষতি তারা করতে পারলনা। তখন রাজার শরীর থেকে নানা অলংকারে বিভূষিতা এক পরমা সুন্দরী স্ত্রীমূর্তি আবির্ভূতা হন।মহাশক্তিধারিণী ঐ নারী অল্প সময়ের মধ্যেই সকল পাপী ম্লেচ্ছকে নিধন করল। রাজার নিদ্রাভঙ্গ হল।ভয়ানক হত্যাকান্ড দেখে তিনি অত্যন্ত বিস্মিত হলেন।
তিনি বললেন, আহা, আমার শত্রুদের হত্যা করে কে আমার প্রান রক্ষা করল, এমন কৃপালু কে আছে? আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি। এমন সময় দৈববানী হল, ভগবান কেশব ব্যতীত শরনাগতকে রক্ষা করার কে আছে? তিনি শরনাগত পালক। এই শুনে ভক্তিযুক্ত চিত্তে গৃহে ফিরে এলেন।প্রজাসহ মহাসুখে ইন্দ্রের মতো নিষ্কন্টক রাজ্য ভোগ করতে লাগলেন।
বশিষ্ঠ বললেন, হে রাজন, যে মানুষ এই পরম উত্তম আমলকী একাদশী ব্রত পালন করেন, তিনি নিঃসন্দেহে বিষ্ণুলোক প্রাপ্ত হন।
#শেয়ার

♥হরে কৃষ্ণ♥আজ ১৪ই ফেব্রুয়ারী জড়জাগতিক হিসেবে  #ভালোবাসা দিবস।এই জড়জাগতিক ভালোবাসাকে পারমার্থিক ভালোবাসায় পরিনত করুন,, ⛔ ...
14/02/2026

♥হরে কৃষ্ণ♥আজ ১৪ই ফেব্রুয়ারী জড়জাগতিক হিসেবে #ভালোবাসা দিবস।
এই জড়জাগতিক ভালোবাসাকে পারমার্থিক ভালোবাসায় পরিনত করুন,, ⛔ সকলে খেয়াল রাখবেন আপনাদের হিন্দু ভাই বোন দিদি যেন কোন বিধর্মীদের সাথে ভালোবাসার ফাঁদে না পড়ে
পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে ভক্তি সহকারে সুন্দর ফুল তাকে অর্পন করুন।
আর তখন সেটি অপ্রাকৃত ভালোবাসা তৈরি হবে, এমনটি একমাত্র শুধু ভগবান কৃষ্ণের সাথে স্থাপন করা সম্ভব।একমাত্র কৃষ্ণ পরম বন্ধু প্রতিটা জীবের হৃদয়ে অবস্থান করেন।
এই জড়ো জগতের ভালোবাসা শুধু ছলনা কামনা বাসনার পূর্ণ ।।
আসুন তাই আজকে এই প্রতিজ্ঞা করি,,যে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কে নিষ্কাম ভাবে ভালো বাসবো ❤
এই দিনটি ভালোবাসার হলেও ভালোবাসা কখনো কোন একটা দিনে সীমাবদ্ধ নয়,তা কেবলই চিরন্তন।
ভগবানকে ভালোবাসুন আর জীবনকে সার্থক করে তুলুন।
হরে কৃষ্ণ
শেয়ার করুন আপনাদের বন্ধুদের মদ্ধে

Address

Natore

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ওঁ নরসিংহায় নমঃ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share