মাটিয়াপাড়া আহলে হাদিস জামে মসজিদ, নাটোর সদর, নাটোর।

  • Home
  • Bangladesh
  • Natore
  • মাটিয়াপাড়া আহলে হাদিস জামে মসজিদ, নাটোর সদর, নাটোর।

মাটিয়াপাড়া আহলে হাদিস জামে মসজিদ, নাটোর সদর, নাটোর। ৬নংকাফুরিয়া ইউনিয়ন, ৯নং ওয়ার্ড:স্থাপিত :১৯৭৬ সাল, নতুন নির্মাণ :১৯৯৬ সাল

আস-সালামুয়ালাইকুম
"মাটিয়া পাড়া আহলেহাদিস জামে মসজিদ নাটোর, সদর, নাটোর। " পেজ এর পক্ষ থেকে আপনাদের জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।
দ্বীন প্রচার ও ইসলাম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা দিতে আমি আপনাদের মাঝে ইসলামিক গুরুত্বপূর্ন সকল বিষয় তুলে ধরব।
এর পাশাপাশি ,
🔰-ওয়াজ ,
🔰-মাহফিল ,
🔰- কুরআন তেলাওয়াত ,
🔰- সুরা ,
🔰- কেরাত ,
🔰-ইসলামিক গান ,
🔰-গজল ,
🔰-হামদ
🔰-নাথ
🔰- সহ নানার ধরনের ইসলামিক সচেতনতামূল

ক পোষ্ট করব।

দ্বীন ইসলাম সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে " মাটিয়া পাড়া আহলেহাদিস জামে মসজিদ নাটোর, সদর, নাটোর। " পেজ টি লাইক ও ফলো দিয়ে সাথে থাকুন।
ধন্যবাদ।

নাটোর যেলার জন্য
24/01/2026

নাটোর যেলার জন্য

09/01/2026
ইনশাআল্লাহ আগামী ২১/১২/২৫ তারিখে মাটিয়াপাড়া আহলেহাদিস জামে মসজিদ নাটোর সদর এর উন্নতিকল্পে বিরাটি ইসলামী জলসার আয়োজন করা...
13/12/2025

ইনশাআল্লাহ আগামী ২১/১২/২৫ তারিখে মাটিয়াপাড়া আহলেহাদিস জামে মসজিদ নাটোর সদর এর উন্নতিকল্পে বিরাটি ইসলামী জলসার আয়োজন করা হয়েছে উক্ত জলসায় আপনারা সকলে আমন্ত্রিত।

ইনশাআল্লাহ আগামী জুমআ
30/07/2025

ইনশাআল্লাহ আগামী জুমআ

04/05/2025

খুৎবা প্রদান করছেন ইন্জিনিয়ার আব্দুন নুর স্যার (হাফিঃ)
কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক, বাংলাদেশ আহলেহাদিস যুবসংঘ।
স্থান :মাটিয়াপাড়া আহলেহাদিস জামে মসজিদ নাটোর সদর নাটোর।
তারিখ :০২/০৫/২৫

আল-হামদুলিল্লাহ!!! আগামী ২ মে আর্থাৎ সামনের শুক্রবার আমাদের মাটিয়াপাড়া আহলে হাদিস জামে মসজিদে জুম'আর খুৎবা দিবেন ইন্জিনি...
30/04/2025

আল-হামদুলিল্লাহ!!!
আগামী ২ মে আর্থাৎ সামনের শুক্রবার আমাদের মাটিয়াপাড়া আহলে হাদিস জামে মসজিদে জুম'আর খুৎবা দিবেন ইন্জিনিয়ার আব্দুন নূর স্যার (হাফিঃ)।

সকল মুসলমান ভাইদের আমন্ত্রণ রইলো।

আপনারা সবাই অবগত রয়েছেন যে ১১ এপ্রিল অর্থাৎ আগামীকাল আমাদের মাটিয়াপাড়া আহলে হাদিস জামে মসজিদে জুম'আর খুৎবা দিবেন ড.আহমাদ...
10/04/2025

আপনারা সবাই অবগত রয়েছেন যে ১১ এপ্রিল অর্থাৎ আগামীকাল আমাদের মাটিয়াপাড়া আহলে হাদিস জামে মসজিদে জুম'আর খুৎবা দিবেন ড.আহমাদ আব্দুল্লাহ ছাকিব (হাফিঃ) ইংশা আল্লাহ৷

আপনারা সবাই আমন্ত্রিত।

আল-হামদুলিল্লাহ!!আগামী মাসের ১১ তারিখে আমাদের মাটিয়াপাড়া আহলে হাদিস জামে মসজিদে জুম'আর খুৎবা প্রদান করবেন হাদিস ফাউন্ডেশ...
21/03/2025

আল-হামদুলিল্লাহ!!
আগামী মাসের ১১ তারিখে আমাদের মাটিয়াপাড়া আহলে হাদিস জামে মসজিদে জুম'আর খুৎবা প্রদান করবেন হাদিস ফাউন্ডেশন শিক্ষা বোর্ড এর সম্মানিত চেয়ারম্যান ও ড.আসাদুল্লাহ গালিব স্যার সুযোগ্য পুত্র মুহতারাম ড. আহমাদ আব্দুল্লাহ ছাকিব (হাফিঃ)। ইংশা আল্লাহ।

তিনি আমাদের মাটিয়াপাড়া দারুস সুন্নাহ ইসলামী একাডেমি পরিদর্শন করতে আসবেন এবং একই সাথে জুম'আর খুৎবা প্রদান করবেন ইংশা আল্লাহ।

10/03/2025

প্রশ্ন: বিতরের কুনূতে রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত দু‘আ ছাড়া অতিরিক্ত কোনো দু‘আ পড়া যাবে কিনা?

উত্তর: বিদ‘আত নয়। বিতরের কুনূতে নির্দিষ্ট দু‘আ পড়তে হবে- এমন কোনো শর্তও নেই। বরং রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত দু‘আসহ অতিরিক্ত অন্যান্য দু‘আও পড়া যায়। এমনকি রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত দু‘আ না পড়ে অন্য দু‘আ পড়লেও কুনূত হয়ে যাবে। কুনূত শব্দের প্রসিদ্ধ অর্থই হচ্ছে দু‘আ। অবশ্য, বিভিন্ন দু‘আ পড়ে কুনূতকে অতিরিক্ত লম্বা করা এবং মুছল্লীদেরকে কষ্ট দেওয়া ঠিক হবে না।
ইমাম নববী রহিমাহুল্লাহ বলেন,

وَاعْلَمْ أَنَّ الْقُنُوْتَ لَا يَتَّعَيَّنُ فِيْهِ دُعَاءٌ عَلَى الْمَذْهَبِ الْمُخْتَارِ، فَأَيُّ دُعَاءٍ دَعَا بِهِ حَصَلَ الْقُنُوْتُ، وَلَوْ قَنَتَ بِآيَةٍ أَوْ آيَاتٍ مِنَ الْقُرْآنِ الْعَزِيْزِ، وَهِيَ مُشْتَمِلَةٌ عَلَى الدُّعَاءِ، حَصَلَ الْقُنُوْتُ، وَلَكِنَّ الْأَفْضَلَ مَا جَاءَتْ بِهِ السُّنَّةُ. وَقَدْ ذَهَبَ جَمَاعَةٌ مِنْ أَصْحَابِنَا إِلَى أَنَّهُ يَتَّعَيَّنُ، وَلَا يُجْزِئُ غَيْرُهُ.

‘জেনে রাখুন, মাযহাবের নির্বাচিত বক্তব্য অনুযায়ী কুনূতে নির্ধারিত কোনো নেই। ফলে যেকোনো দু‘আর মাধ্যমে দু‘আ করলেই কুনূত হয়ে যাবে। এমনকি যদি কুরআনের দু‘আসম্বলিত এক বা একাধিক আয়াত দিয়েও কুনূত পড়ে, তাও কুনূত হয়ে যাবে। তবে, হাদীছে যা এসেছে, তা-ই বেশি উত্তম। আমাদের অনুসারীদের একটি দল অবশ্য বলেছেন, (কুনূতে) নির্দিষ্ট দু‘আ রয়েছে, যা ভিন্ন অন্য দু‘আ যথেষ্ট হবে না’ (আল-আযকার, পৃ. ১৩৬)।
শায়খ আব্দুল আযীয ইবনে বায ও শায়খ ছলেহ আল-উছাইমীন রহিমাহুমাল্লাহও কুনূতে অতিরিক্ত দু‘আ পড়া যাবে মর্মে ফতওয়া দিয়েছেন।

তবে, কুনূতে অন্যান্য দু‘আ পড়ার ব্যাপারে ভিন্ন মতও পাওয়া যায়। শায়খ মুহাম্মাদ নাছিরুদ্দীন আলবানী এমতের পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করেছেন।

উপসংহার: আমার কাছে মনে হয়, এ মাসআলায় প্রশস্ততা রয়েছে। সুতরাং কোনো একটা মতের পক্ষে কঠোর অবস্থান নিয়ে অন্যকে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা ঠিক হবে না। বরং কখনও শুধু ঐ নির্ধারিত দু‘আ পড়া আবার কখনও তার সাথে অন্যান্য দু‘আ যুক্ত করা আবার কখনও কোনো দু‘আ ছাড়াই বিতর পড়া- সবগুলোই আমল করা যেতে পারে। ওয়াল্লাহু আ‘লাম।

08/03/2025

তারাবির নামাজ পড়তে গিয়ে, আমাদের অনেকেই এমন একটা ভুল করি, যেই ভুলের কারণে বিপুল পরিমাণ সওয়াব থেকে বঞ্চিত হয়ে যাই আমরা। আমাদের মধ্যে কেউ কেউ রমজান মাসে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়েন; যেটা নিঃসন্দেহে খুবই ভালো কাজ। ফলে তাহাজ্জুদগুজার ভাইবোনদের কেউ কেউ মনে করেন, যেহেতু বিতরের নামাজকে রাতের সর্বশেষ নামাজ হিসেবে আদায় করতে বলা হয়েছে হাদিসে, [১] সেহেতু ইমামের সাথে বিতর না পড়ে পরবর্তীতে বিতরের নামাজ একাকী পড়ে নেওয়াই ভালো হবে।

কিন্তু মুশকিল হলো, অন্য হাদিসে এসেছে, তারাবির নামাজ প্রসঙ্গে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি ইমামের প্রস্থান করা পর্যন্ত তাঁর সাথে কিয়াম (রাতের নামাজ আদায়) করে, আল্লাহ তার জন্য সম্পূর্ণ রাত কিয়াম করার সওয়াব লিপিবদ্ধ করেন।” [২] অর্থাৎ ইমাম রাতের নামাজ শেষ না করা পর্যন্ত, যে ব্যক্তি তাঁর সাথে নামাজ পড়ে, সেই ব্যক্তির জন্য পুরো রাত নামাজ পড়ার সওয়াব লেখা হয়।

এই হাদিস অনুযায়ী সালাফদের যুগের মহামতি ইমাম আহমাদ বিন হাম্বাল রাহিমাহুল্লাহ (মৃ. ২৪১ হি.) কীভাবে আমল করতেন, তার বিবরণ দিয়েছেন ইমাম আবু দাউদ রাহিমাহুল্লাহ (মৃ. ২৭৫ হি.)। ইমাম আবু দাউদ বলেছেন, “আহমাদকে জিজ্ঞেস করা হয়েছে, যেসময় আমি (তাঁদের) কথোপকথন শুনছিলাম, ‘ইমাম (একটানা) তিন রাকাত বিতর পড়েন। আমি কি তাঁর সাথে বিতর পড়ব, না জামাত থেকে প্রস্থান করে একাকী বিতর পড়ব?’ আহমাদ বললেন, ‘তুমি তাঁর (ইমামের) সাথে বিতর পড়বে।’ জিজ্ঞেস করা হলো, ‘কিন্তু লোকেরা কুনুতের মধ্যে শোরগোল করে!’ তিনি প্রত্যুক্তি করলেন, ‘তুমি ইমামের সাথেই বিতর পড়বে।’... আহমাদ জনসাধারণের সাথেই রাতের সালাত আদায় করতেন, এমনকি তাদের সাথেই বিতর পড়তেন। ইমাম নামাজ থেকে প্রস্থান না করা পর্যন্ত তিনি নামাজ থেকে প্রস্থান করতেন না। আমি সম্পূর্ণ রমজান তাঁকে তাঁর ইমামের সাথেই বিতর আদায় করতে দেখেছি। তবে আমার ধারণা, একটি রাত বাদে (এক রাতে আমি দেখার সুযোগ পাইনি), যেই রাতে আমি উপস্থিত ছিলাম না।” [৩]

আমরা জানি, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “এক রাতে দুবার বিতর নেই।” [৪] সুতরাং তাহাজ্জুদ আদায়কারীর জন্য শেষরাতে পুনরায় বিতর আদায় করা সমীচীন নয়। তাহলে তিনি ইমামের সাথে তারাবির নামাজ পড়ার সময় বিতর আদায় করবেন কীভাবে, এ মর্মে দুটো প্রসিদ্ধ মত রয়েছে আমাদের ফুকাহাদের মধ্যে।

প্রথম মত : ইমামের সাথে তারাবি পড়ার পরে যারা তাহাজ্জুদ পড়তে চান, তাঁরা ইমামের সাথে বিতরের নামাজে শরিক হবেন, সেটাকে ‘জোড় নামাজ’ হিসেবে পড়ার নিয়তে। এরপর ইমাম যখন দুইদিকে সালাম ফেরাবেন, তখন (ইমামের দুইদিকে সালাম ফেরানোর পর) তিনি সালাম না ফিরিয়ে উঠে যাবেন এবং একাকী এক রাকাত পড়ে সালাম ফেরাবেন। এর ফলে বিতর (বেজোড়) নামাজ জোড় হয়ে যাবে। পরবর্তীতে তিনি তাহাজ্জুদ আদায় করার পর সর্বশেষ নামাজ হিসেবে বিতর পড়বেন। ইমাম আহমাদ স্পষ্টভাবে এই মত ব্যক্ত করেছেন। [৫] এটা হাম্বালি মাজহাবের অফিসিয়াল মত এবং হাম্বালি মাজহাবের অধিকাংশ ফাকিহ এই মত পোষণ করেছেন। [৬] একদল মালিকি বিদ্বানও এই মত পোষণ করেছেন, [৭] এবং একদল শাফিয়ি ফাকিহও এই মত ব্যক্ত করেছেন। [৮]

দ্বিতীয় মত : তারাবির পরে যারা তাহাজ্জুদ পড়তে চান, তাঁরা ইমামের সাথেই বিতর আদায় করে নেবেন। পরবর্তীতে তাঁরা তাহাজ্জুদ পড়বেন, কিন্তু পুনরায় বিতর পড়বেন না। কেননা বিতরের পরেও নফল নামাজ পড়া যায়; যা নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কথা ও কাজ থেকে সুসাব্যস্ত হয়েছে। যেমন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি শেষরাতে কিয়াম (তাহাজ্জুদ) করার জন্য উঠতে না পারার আশঙ্কা করে, সে যেন রাতের প্রথমভাগেই বিতর আদায় করে নেয়। আর যে ব্যক্তি শেষরাতে কিয়াম (তাহাজ্জুদ) করার জন্য উঠতে পারার আশা রাখে, সে যেন শেষরাতেই বিতর আদায় করে।” [৯] আবার বিশুদ্ধ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিতরের পরে দুই রাকাত নামাজ পড়েছেন। [১০]

সাইয়্যিদুনা আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর নিয়মিত আমল ছিল—তিনি রাতে ঘুমানোর আগে বিতর পড়তেন। অথচ পরবর্তীতে তিনি তাহাজ্জুদ পড়তেন, কিন্তু পুনরায় বিতর পড়তেন না। [১১] এসব হাদিসের ভিত্তিতে দ্বিতীয় মত ব্যক্ত করেছেন একদল ফাকিহ। এটা হাম্বালি মাজহাবের আরেকটি অভিমত। [১২]

শাইখ ইবনু বাজ রাহিমাহুল্লাহকে (মৃ. ১৪২০ হি.) উক্ত দুই মতের আমল এবং বিলকুল ইমামের সাথে বিতর না পড়ার আমল প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, “প্রশ্নকারী যেই আমলগুলোর কথা উল্লেখ করেছেন, সেসবের সবই বৈধ। আলহামদুলিল্লাহ, এক্ষেত্রে প্রশস্ততা রয়েছে। কিন্তু ইমামের নামাজ শেষ না করা অবধি যে ব্যক্তি তাঁর সাথে থাকে (তাঁর সাথে শেষ পর্যন্ত নামাজ পড়ে), সে ব্যক্তি সর্বোত্তম আমলের মর্যাদা হাসিল করে এবং সে তার মতো আমলকারী হয়ে যায়, যে কিনা সারারাত ধরে নামাজ পড়েছে।” [১৩]

তবে আমাদের আল্লাহওয়ালা উলামাদের মানহাজ অনুসরণ করে আমরা পরামর্শ দিচ্ছি, ফেতনার আশঙ্কা থাকলে প্রথম মতের আমল থেকে বিরত থাকবেন। মহান আল্লাহ আমাদেরকে সর্বোত্তম আমলের তৌফিক দিন। আমিন।

·
❏ পাদটীকা :

[১]. সহিহুল বুখারি, হা. ৪৭২।

[২]. আবু দাউদ, হা. ১৩৭৫; তিরমিজি, হা. ৮০৬; নাসায়ি, হা. ১৩৬৪; ইবনু মাজাহ, হা. ১৩২৭; বর্ণনার মান : সহিহ।

[৩]. আবু দাউদ সুলাইমান বিন আশআস আস-সিজিস্তানি, মাসায়িলুল ইমাম আহমাদ রিওয়াইয়াতু আবি দাউদ আস-সিজিস্তানি, তাহকিক : আবু মুয়াজ তারিক আওয়্যাদাল্লাহ (মিশর : মাকতাবাতু ইবনি তাইমিয়া, ১ম প্রকাশ, ১৪২০ হি./১৯৯৯ খ্রি.), পৃ. ৯০।

[৪]. আবু দাউদ, হা. ১৪৩৯; বর্ণনার মান : সহিহ।

[৫]. মুওয়াফফাকুদ্দিন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ ইবনু কুদামা আল-মাকদিসি, আল-মুগনি, তাহকিক : আব্দুল্লাহ আত-তুর্কি ও আব্দুল ফাত্তাহ মুহাম্মাদ (রিয়াদ : দারু আলামিল ফাওয়ায়িদ, ৩য় প্রকাশ, ১৪১৭ হি./১৯৯৭ খ্রি.), খ. ২, পৃ. ৫৯৮-৫৯৯।

[৬]. আবুল হাসান আলি বিন সুলাইমান আল-মার্দাওয়ি, আল-ইনসাফ ফি মারিফাতির রাজিহি মিনাল খিলাফ, তাহকিক : আব্দুল্লাহ আত-তুর্কি ও আব্দুল ফাত্তাহ মুহাম্মাদ (কায়রো : দারু হাজার, ১ম প্রকাশ, ১৪১৫ হি./১৯৯৫ খ্রি.), খ. ৪, পৃ. ১৬৯-১৭০।

[৭]. আবুল ওয়ালিদ মুহাম্মাদ বিন আহমাদ ইবনু রুশদ আল-কুরতুবি, আল-বায়ানু ওয়াত তাহসিলু ওয়াশ শারহু ওয়াত তাওদিহু ওয়াত তালিলু লি মাসায়িলিল মুস্তাখরাজা, তাহকিক : মুহাম্মাদ হাজ্জি ও তাঁর সঙ্গীবর্গ (বৈরুত : দারুল গরবিল ইসলামি, ২য় প্রকাশ, ১৪০৮ হি./১৯৮৮ খ্রি.), খ. ১, পৃ. ২৯০-২৯১।

[৮]. আহমাদ বিন মুহাম্মাদ ইবনু হাজার আল-হাইতামি, তুহফাতুল মুহতাজ ফি শারহিল মিনহাজ (মিশর : আল-মাকতাবাতুত তিজারিয়্যাতুল কুবরা, প্রকাশের ক্রমধারাবিহীন, ১৩৫৭ হি./১৯৮৩ খ্রি.), খ. ২, পৃ. ২২৯-২৩০।

[৯]. সহিহ মুসলিম, হা. ৭৫৫।

[১০]. সহিহ মুসলিম, হা. ৭৩৮।

[১১]. আবু দাউদ, হা. ১৪৩৪, বর্ণনার মান : সহিহ; আবু উমার ইউসুফ বিন আব্দুল্লাহ ইবনু আব্দিল বার্র আল-কুরতুবি, আল-ইস্তিজকার, তাহকিক : সালিম মুহাম্মাদ আতা ও মুহাম্মাদ আলি মুআওয়্যাদ (বৈরুত : দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যা, ১ম প্রকাশ, ১৪২১ হি./২০০০ খ্রি.), খ. ২, পৃ. ১১৬।

[১২]. শামসুদ্দিন মুহাম্মাদ ইবনু মুফলিহ আল-মাকদিসি, আল-ফুরু, তাহকিক : আব্দুল্লাহ আত-তুর্কি (বৈরুত ও রিয়াদ : মুআসসাসাতুর রিসালা ও দারুল মুআয়্যাদ, ১ম প্রকাশ, ১৪২৪ হি./২০০৩ খ্রি.), খ. ২, পৃ. ৩৭৬; আল-মার্দাওয়ি, আল-ইনসাফ, খ. ৪, পৃ. ১৬৯-১৭০।

[১৩]. আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ ইবনু বাজ, মাজমুউ ফাতাওয়া ওয়া মাকালাতুম মুতানাওয়্যাআ, সংকলন ও তত্ত্বাবধান : মুহাম্মাদ বিন সাদ আশ-শুওয়াইয়ির (সৌদি আরব : রিআসাতু ইদারাতিল বুহুসিল ইলমিয়্যা ওয়াল ইফতা, তাবি), খ. ৩০, পৃ. ২৮।

04/03/2025

মসজিদে যেতে সক্ষম, এমন প্রত্যেকেই যে ইতিকাফের মতো মাহাত্ম্যপূর্ণ ইবাদত করতে পারেন, তা আমরা অনেকেই জানি না। উম্মতের অধিকাংশ উলামার মতানুযায়ী, ইতিকাফ করার সর্বনিম্ন সময় স্রেফ একটি মুহূর্ত। [১] ইতিকাফের জন্য কমপক্ষে এক রাত কিংবা একদিন-একরাত মসজিদে কাটানো শর্ত নয়। সুতরাং আপনি চাইলে, দিনে বা রাতে যেকোনো সময়—চাই তা রমজানে হোক, কিংবা রমজানের বাইরে—মসজিদে যেয়ে ইতিকাফ করতে পারেন। আপনি যদি মসজিদে যেয়ে কিছুক্ষণ নামাজ বা কুরআন তেলাওয়াত বা অন্য কোনো জিকর করার জন্য মসজিদে অবস্থান করার নিয়ত করেন এবং ইতিকাফের নিয়তে অবস্থান করেন, তাহলে এটাও ইতিকাফ হিসেবে বিবেচিত হবে। অবশ্য হাম্বালি মাজহাবের মুতামাদ (অফিসিয়াল মত) অনুযায়ী, ইতিকাফের জন্য কমপক্ষে এতটুকু সময় মসজিদে অবস্থান করতে হবে, যেন উক্ত ব্যক্তিকে ‘ইতিকাফকারী ও মসজিদে অবস্থানকারী’ বলা যায়। [২]

ইমাম ইবনু বাজ রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন, “ইতিকাফ হলো মহান আল্লাহর আনুগত্যের নিমিত্তে মসজিদে অবস্থান করা; চাই উক্ত অবস্থানের সময়কাল বেশি হোক কিংবা কম। কেননা আমার জানামতে কমপক্ষে একদিন, বা দুদিন, বা তার চেয়েও অধিক দিন (ইতিকাফে) থাকতে হবে; এমনভাবে নির্দিষ্ট করার প্রমাণস্বরূপ কোনো দলিল বর্ণিত হয়নি। এটি একটি শরিয়তসম্মত ইবাদত (অনাবশ্যকীয় মুস্তাহাব পর্যায়ের আমল)। তবে কেউ ইতিকাফ করার মানত করলে (নিজের ওপর ইতিকাফকে আবশ্যক করে নিলে), তখন সেটা ওয়াজিব আমলে পরিণত হয়। নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই ইতিকাফের এই বিধান সমান। বিশুদ্ধ মতানুসারে ইতিকাফের জন্য রোজা রাখা শর্ত নয়। সুতরাং রমজানের বাইরে যদি পুরুষ কিংবা নারী রোজাবিহীন অবস্থায় ইতিকাফ করে, তাহলে কোনো সমস্যা নেই।” [৩]

ইতিকাফ শুদ্ধ হওয়ার জন্য কয়েকটি বিষয় শর্ত, যা খেয়াল রাখা জরুরি। যেমন ইতিকাফের নিয়ত করা, মসজিদে ইতিকাফ করা, বড়ো অপবিত্রতা থেকে পবিত্র থাকা। বড়ো অপবিত্রতা বলতে উদ্দেশ্য যেসবের কারণে গোসল ফরজ হয়; যেমন নারীদের ঋতু (menstruation), প্রসবোত্তর স্রাব (postpartum), স্বামী-স্ত্রীর শারীরিক মিলন ইত্যাদি। [৪]

জ্ঞাতব্য যে, উলামাগণের সর্বসম্মতিক্রমে ইতিকাফের সর্বোচ্চ সময়ের কোনো সীমা নেই। [৫] তদ্রুপ উলামায়ে কেরামের সর্বসম্মতিক্রমে রমজান মাসে ইতিকাফ করা উত্তম। রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করা আরও উত্তম। [৬] আল্লাহ আমাদেরকে সর্বোত্তম উপায়ে রমজান মাসে তাঁর নৈকট্য অর্জনের তৌফিক দিন। আমিন।

·
❏ পাদটীকা :

[১]. আবু উমার ইউসুফ বিন আব্দুল্লাহ ইবনু আব্দিল বার্র আল-কুরতুবি, আল-ইস্তিজকার, তাহকিক : সালিম মুহাম্মাদ আতা ও মুহাম্মাদ আলি মুআওয়্যাদ (বৈরুত : দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যা, ১ম প্রকাশ, ১৪২১ হি./২০০০ খ্রি.), খ. ৩, পৃ. ৪০২।

[২]. আবুল হাসান আলি বিন সুলাইমান আল-মার্দাওয়ি, আল-ইনসাফ ফি মারিফাতির রাজিহি মিনাল খিলাফ, তাহকিক : আব্দুল্লাহ আত-তুর্কি ও আব্দুল ফাত্তাহ মুহাম্মাদ (কায়রো : দারু হাজার, ১ম প্রকাশ, ১৪১৫ হি./১৯৯৫ খ্রি.), খ. ৭, পৃ. ৫৬৬।

[৩]. আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ ইবনু বাজ, মাজমুউ ফাতাওয়া ওয়া মাকালাতুম মুতানাওয়্যাআ, সংকলন ও তত্ত্বাবধান : মুহাম্মাদ বিন সাদ আশ-শুওয়াইয়ির (সৌদি আরব : রিআসাতু ইদারাতিল বুহুসিল ইলমিয়্যা ওয়াল ইফতা, তাবি), খ. ১৫, পৃ. ৪৪১।

[৪]. আহমাদ বিন নাসির আল-কুআইমি, ফাইদুল জালিল আলা মাতনিদ দালিল (রিয়াদ : মাদারুল কাবাস, ২য় প্রকাশ, ১৪৪৪ হি./২০২৩ খ্রি.), খ. ১, পৃ. ৫৭৫-৫৭৬।

[৫]. আবু জাকারিয়্যা ইয়াহইয়া বিন শারাফ আন-নাওয়াওয়ি, আল-মিনহাজ শারহু সহিহি মুসলিম ইবনিল হাজ্জাজ (বৈরুত : দারু ইহইয়ায়িত তুরাসিল আরাবি, ২য় প্রকাশ, ১৩৯২ হি.), খ. ৮, পৃ. ৬৮।

[৬]. মানসুর বিন ইউনুস আল-বুহুতি, কাশশাফুল কিনা আনিল ইকনা (সৌদি আরব : মিনিস্ট্রি অফ জাস্টিস, ১ম প্রকাশ, ১৪২১-১৪২৯ হি.), খ. ৫, পৃ. ৩৫৮-৩৫৯।

নাটোর জেলার জন্য সাহারীও ইফতারির ক্যালেন্ডার।
19/02/2025

নাটোর জেলার জন্য সাহারীও ইফতারির ক্যালেন্ডার।

Address

Matiapara (pirgong)
Natore
6400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মাটিয়াপাড়া আহলে হাদিস জামে মসজিদ, নাটোর সদর, নাটোর। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to মাটিয়াপাড়া আহলে হাদিস জামে মসজিদ, নাটোর সদর, নাটোর।:

Share

Category