তরণী

তরণী কৃষ্ণ নাম সহ সনাতন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে সনাতন ধর্মের প্রচারই মূল উদ্দেশ্য।

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র সহ সনাতন ধর্মীয় সকল অনুষ্ঠানের ভিডিও প্রচারের মাধ্যমে ্সনাতন ধর্ম প্রচার করাই মুখ্য উদ্দেশ্য ।

মানুষটাকে ভালো মনে করেছিলাম। আসলেই তিনি ভালো মনের মানুষ নন।
19/03/2026

মানুষটাকে ভালো মনে করেছিলাম। আসলেই তিনি ভালো মনের মানুষ নন।

"মুসলিমরা ততক্ষণ পর্যন্ত নিরাপদ, যতক্ষণ হিন্দুরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। নয়তো ইরান এবং আফগানিস্তানেও পুরোপুরি মুসলিম জনসংখ্যা রয়েছ...
19/03/2026

"মুসলিমরা ততক্ষণ পর্যন্ত নিরাপদ, যতক্ষণ হিন্দুরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। নয়তো ইরান এবং আফগানিস্তানেও পুরোপুরি মুসলিম জনসংখ্যা রয়েছে, গাজা-ফিলিস্তিনেও পুরোপুরি মুসলিম রয়েছে, তবুও তারা রমজানে রোজা রাখতে পারছে না, শান্তিতে নামাজটুকুও পড়তে পারছে না।
​আজ সারা বিশ্বে যু*দ্ধ চলছে, কিন্তু ভারতের মুসলিমরা নিশ্চিন্তে রোজা রাখছে, নামাজ পড়ছে এবং ইফতারও করছে, কারণ হিন্দুরা সংখ্যাগরিষ্ঠ।
​তাই বলছি, হিন্দু ভাইদের সম্মান করো", ফৈজ খান (আহ্বায়ক, মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চ)

Faiz Khan

 #শনিদেব
14/03/2026

#শনিদেব

14/03/2026

আজ সমগ্র ভারত ও বাংলাদেশে ভক্তদের উদ্যোগে Shani Dev এর বিশেষ পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভাইদের কল্যাণ, সুখ-শান্তি ও দীর্ঘায়.....

শ্রীমদ্ভাগবত গীতা।  #জয়গীতা  #গীতা  #হিন্দু  #সনাতন  #ধর্ম  #হরেকৃষ্ণ
14/03/2026

শ্রীমদ্ভাগবত গীতা।
#জয়গীতা
#গীতা
#হিন্দু
#সনাতন #ধর্ম
#হরেকৃষ্ণ

যঃ শাস্ত্রবিধি-মুৎসৃজ্য বর্ততে কামকারতঃ।ন স সিদ্ধি-মবাপ্নোতি ন সুখং ন পরাং গতিম্॥ শ্রীমদ্ভাগবত গীতা (১৬/২৩)যিনি শাস্ত্রব...
13/03/2026

যঃ শাস্ত্রবিধি-মুৎসৃজ্য বর্ততে কামকারতঃ।
ন স সিদ্ধি-মবাপ্নোতি ন সুখং ন পরাং গতিম্॥
শ্রীমদ্ভাগবত গীতা (১৬/২৩)

যিনি শাস্ত্রবিধি পরিত্যাগ করে নিজের ইচ্ছামতো (কামনার বশবর্তী হয়ে) আচরণ করেন, তিনি সিদ্ধি, সুখ বা পরম গতি লাভ করতে পারেন না।
তাৎপর্য:
এই শ্লোকে আসুরী স্বভাবের মানুষের কথা বলা হয়েছে, যারা শাস্ত্রের নির্দেশ মানে না। এই ধরনের স্বেচ্ছাচারী জীবনযাপন কখনো আধ্যাত্মিক উন্নতি বা প্রকৃত সুখ বয়ে আনে না।

চেন্নাই শহরের প্রখ্যাত শিল্পপতি সুধীর চৌধুরী আজ হাসপাতালের বেডে মৃ'ত্যুর মুখে শুয়ে আছেন। তাঁর হার্টে এমন জটিল ব্লকেজ ধর...
08/03/2026

চেন্নাই শহরের প্রখ্যাত শিল্পপতি সুধীর চৌধুরী আজ হাসপাতালের বেডে মৃ'ত্যুর মুখে শুয়ে আছেন। তাঁর হার্টে এমন জটিল ব্লকেজ ধরা পড়েছে, যা আর কোনো অপারেশনেই সারানো সম্ভব নয়। দেশের নামজাদা হার্ট স্পেশালিস্টরা মিলে বোর্ড মিটিংয়ে বসে শেষ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন— “রোগীকে বাঁচানো আর সম্ভব নয়।”

মিটিং চলাকালীন একজন তরুণ ডাক্তার হঠাৎ বললেন, “লন্ডনে এক বাঙালি সার্জন আছেন— ডা. মৌমিতা রায়। তিনি এমন অনেক অসম্ভব কেস সফলভাবে করেছেন। যদি ওনার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়, হয়তো একটা উপায় বেরোবে।”
বোর্ডের প্রধান ডাক্তার স'ঙ্গে স'ঙ্গে বললেন, “তাহলে এখনই ওনার স'ঙ্গে কথা বলুন।”

লন্ডনের ঝলমলে শহরে, এক নিরিবিলি অফিসরুমে বসে ল্যাপটপে রিপোর্ট লিখছিলেন ডা. মৌমিতা রায়। এমন সময় মেইল এল— ভারতে এক রোগীর রিপোর্ট। মেইল খুলে দেখে চোখ কপালে— হার্টে একেবারে শেষ স্তরের ব্লকেজ। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি লিখে ফেললেন, “এই কেস অপারেশনের বাইরে। রোগীকে বাঁচানো সম্ভব নয়।”
কিন্তু সেন্ড বাটনে চাপতে গিয়ে চোখ পড়ল রোগীর নামের দিকে— “সুধীর চৌধুরী।”

কয়েক মুহূর্ত চুপ করে বসে রইলেন তিনি। তারপর সব লেখা মুছে দিয়ে নতুন করে টাইপ করলেন, “রোগীর পারিবারিক তথ্য ও সাম্প্রতিক ছবি পাঠানোর অনুরোধ রইল।”

অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই চেন্নাই থেকে ছবিসহ রিপোর্ট চলে এল। ছবিটা খুলে দেখা মাত্রই তাঁর চোখ ভিজে উঠল।
এরপর তিনি উত্তর দিলেন, “আমি নিজে এই অপারেশন করব। আগামীকালই ভারতে রওনা দিচ্ছি।”

নিজের হাসপাতালকে ইমেল পাঠিয়ে জরুরি ছুটির আবেদন করলেন। রাতেই ফ্লাইটের টিকিট বুক করে নিলেন, আর ব্যাগে কিছু চিকিৎসা সম্পর্কিত বই রেখে একমনে পড়তে শুরু করলেন।

কলকাতার উপকণ্ঠে ছোট্ট এক বাড়িতে একা থাকেন মৌমিতার মা, সরোজিনী দেবী। বহুবার মেয়ে বলেছে— “মা, আমার সঙ্গে লন্ডনে চলবে?” কিন্তু মা একরোখা স্বভাবের— “না মা, আমার দেশ ছেড়ে আমি কোথাও যাব না।”
সারাদিন বাগানের গাছপালা আর ফুল নিয়েই সময় কাটান তিনি। একদিন বাগানের চেয়ারে বসে ছিলেন, এমন সময় হঠাৎ পিছন থেকে কেউ এসে চোখ দুটো ঢেকে দিল।
সরোজিনী দেবী হাসতে হাসতে বললেন, “কে রে? মৌমিতা না কি?”
মেয়ে হেসে জড়িয়ে ধরল, “তোমাকে সারপ্রাইজ দিতে হঠাৎ চলে এলাম মা, কিন্তু আবার একটু পরে বেরোতে হবে।”
মা মৃদু গলায় বললেন, “তুইই তো আমার সেরা উপহার রে মা, আর কিছুই লাগে না আমার।”
মৌমিতা তখন চোখ মুছে বলল, “আমাকে আশীর্বাদ করো মা, যেন আমি আজ যা করতে যাচ্ছি তাতে তোমার মুখ উজ্জ্বল হয়।”

তারপরই গাড়ি ছুটল চেন্নাইয়ের পথে। হাসপাতালে পৌঁছে অন্যান্য ডাক্তারদের সঙ্গে বোর্ড মিটিংয়ে বসে তিনি জানালেন— “অপারেশন আমি করব।”
সবাই জানে, এটা প্রায় অসম্ভব কেস। তবুও তিনি রাজি হলেন।
সুধীরবাবুর পরিবার চোখে জল নিয়ে বন্ডপেপারে সই করল— “শেষ চেষ্টা করুন, দয়া করে।”

পরদিন সকাল। ঘড়িতে বাজে ঠিক দশটা সাত। অপারেশন শুরু। টানা পাঁচবার চেষ্টার পরও কোনো সাড়া নেই। ক্লান্ত হয়ে মৌমিতা হঠাৎ মাথা ধরে কেঁদে উঠলেন— “মা গো!”
পুরো অপারেশন থিয়েটার নিস্তব্ধ।
কিন্তু মুহূর্ত খানেক পর মনিটরে হালকা আলো জ্বলে উঠল— হার্ট আবার স্পন্দন শুরু করেছে!
সবাই একসঙ্গে চিৎকার করে উঠল, “অপারেশন সফল!”

সুধীরবাবু জ্ঞান ফিরে ধীরে ধীরে চোখ মেললেন। এক ডাক্তার মৃদু হেসে বললেন, “ধন্যবাদটা আমাদের নয়, যিনি বিদেশ থেকে এসেছেন তাঁকেই দিন।”
চোখ তুলে সুধীরবাবু দেখলেন, সামনে দাঁড়িয়ে ডা. মৌমিতা রায়।

সুধীরবাবু আবেগে কাঁপা গলায় বললেন, “আপনি মানুষ নন, আপনি ঈশ্বরের দূত। আপনি আমাকে দ্বিতীয় জীবন দিলেন। আপনার বাবা-মা কত গর্বিত নিশ্চয়ই।”

মৌমিতা শান্ত গলায় বললেন, “যদি বলি সেই গর্ব করার মানুষ আপনিই?”

সুধীরবাবু হতভম্ব হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “মানে?”

মৌমিতা কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন, তারপর বললেন, “স্মৃতি নামের এক মেয়েকে চিনতেন তো আপনি? যাকে একসময় ভালোবাসার নামে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তারপর একদিন একা ফেলে দিয়েছিলেন যখন সে আপনার সন্তানের মা হতে চলেছিল।”

সুধীরবাবুর মুখ ফ্যাকাশে।
মৌমিতা স্থির গলায় বললেন, “আপনি তখন আমার মাকে বলেছিলেন সন্তানকে শেষ করে দিতে। কিন্তু মা পারেননি। কারণ সেই সন্তান আমি। আজ আমি আপনাকে জীবন দিলাম, যেদিন আপনি আমাকে মরতে দিয়েছিলেন।”

চোখে জল নিয়ে মৌমিতা আরও বললেন, “আমি আপনার মেয়ে— কিন্তু শুধু সেই সম্পর্কেই আসিনি। আমি এসেছি আমার মায়ের ভালোবাসাকে জীবন্ত রাখতে। আজ মা এখনো আপনার নামের সিঁদুর পরে। আমি চাই না সেই সিঁদুর কোনোদিন মুছে যাক। এই জীবন বাঁচানোই হলো আমার মায়ের প্রতি দেওয়া— ‘সবচেয়ে বড় উপহার।’”
(সংগৃহিত)

03/03/2026

মুখে বলি

03/03/2026

পলাশ রাঙা ফাগুনে

28/02/2026

বড় সাধ জাগে হরি নাম জপিতে জপিতে পারি যেন ওপারে যেতে

14/02/2026

তুমি জানো নাগো কানাই ঘনশ্যাম ।

13/02/2026

Address

বাংলাদেশ
Natore

Telephone

+8801714569322

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when তরণী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to তরণী:

Share