তরণী

তরণী কৃষ্ণ নাম সহ সনাতন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে সনাতন ধর্মের প্রচারই মূল উদ্দেশ্য।

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র সহ সনাতন ধর্মীয় সকল অনুষ্ঠানের ভিডিও প্রচারের মাধ্যমে ্সনাতন ধর্ম প্রচার করাই মুখ্য উদ্দেশ্য ।

16/08/2026

রংপুরের সংস্কৃতি

সমুদ্র মন্থনের পৌরাণিক কাহিনিটি কেবল একটি অলৌকিক বা রূপকথার গল্প নয়, এটি একটি গভীর আধ্যাত্মিক, মনস্তাত্ত্বিক এবং দার্শনি...
14/08/2026

সমুদ্র মন্থনের পৌরাণিক কাহিনিটি কেবল একটি অলৌকিক বা রূপকথার গল্প নয়, এটি একটি গভীর আধ্যাত্মিক, মনস্তাত্ত্বিক এবং দার্শনিক রূপক। উপনিষদ ও হিন্দু দর্শনে এর যে অন্তর্নিহিত অর্থ দেওয়া হয়েছে, তা অত্যন্ত বৈজ্ঞানিক ও মানব জীবনের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত।

​সমুদ্র মন্থনের আসল ব্যাখ্যা

রূপকের মূল উপাদানসমূহ (কার কী অর্থ?)
​কাহিনির প্রতীকগুলোকে আমাদের দৈনন্দিন জীবন ও মনের সাথে মেলালে আসল অর্থ পরিষ্কার হয়ে যায়:
​ক্ষীরসাগর (সমুদ্র): আমাদের মন বা অন্তঃকরণ।
​দেবতা ও অসুর: আমাদের ভেতরে থাকা দুই ধরনের শক্তি। দেবতা হলেন সৎগুণ (দয়া, প্রেম, সত্য, বিবেচনা) এবং অসুর হলেন অসৎ বা আসুরিক প্রবৃত্তি (কাম, ক্রোধ, লোভ, অহংকার)।
​মন্দার পর্বত: একাগ্রতা বা সংকল্প শক্তি। পর্বত স্থিরতার প্রতীক।
​বাসুকি নাগ: কামনা বা বাসনা (Desire)। এটি একদিকে টানলে অন্যদিকে যায়, যা মনের চঞ্চলতা ও আকাঙ্ক্ষাকে বোঝায়।
​কূর্ম অবতার (বিষ্ণুর কচ্ছপ রূপ): আত্মজ্ঞান বা ভক্তি। কচ্ছপ যেমন বিপদ দেখলে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ভেতরে গুটিয়ে নেয়, তেমনি ধ্যান ও ইন্দ্রিয় সংযমের প্রতীক হলো কচ্ছপ।
​অমৃত: পরমানন্দ, মোক্ষ বা আত্মোপলব্ধি।

​অন্তর্নিহিত অর্থ ও গভীর বিশ্লেষণ

​মনের ভেতর দ্বন্দ ও সাধন (মন্থন)
​আমাদের মন একটি বিশাল সমুদ্রের মতো। সেখানে প্রতিদিন ভালো (দেবতা) এবং খারাপ (অসুর) চিন্তা বা শক্তির যুদ্ধ চলে। এই দুই বিপরীত শক্তি যখন একটি লক্ষ্য নিয়ে মনকে আলোড়িত করে, সেটাই হলো ‘আত্ম-মন্থন’ বা সাধনা। নিজেকে জানার বা উন্নত করার জন্য এই মন্থন প্রয়োজন।

​ বিষ (হলাহল) আগে কেন এলো?
​মন্থন শুরু হতেই অমৃতের বদলে প্রথমে বের হলো সাংঘাতিক কালকূট বিষ।
​ব্যাখ্যা: আপনি যখন মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে বা ধ্যানে বসতে যাবেন, তখন আপনার ভেতরের ভালো জিনিসের আগে যত জমাট বাঁধা নেতিবাচকতা, দমন করে রাখা ক্রোধ, হিংসা ও কুচিন্তা (বিষ) বাইরে বেরিয়ে আসবে।

​ এই বিষ সহ্য করার ক্ষমতা সাধারণ মানুষের থাকে না। দেবাধিদেব শিব হলেন ‘বৈরাগ্য’ ও ‘সর্বোচ্চ চেতনার’ প্রতীক। কেবল বৈরাগ্য বা উচ্চতর বোধ দিয়ে মনের নেতিবাচকতাকে গলাধঃকরণ না করে (গলায় আটকে রেখে—নীলকণ্ঠ) শান্ত করা সম্ভব।

​সমুদ্র থেকে প্রাপ্ত রত্নসমূহের অর্থ
​বিষ কাটার পর সমুদ্র থেকে একে একে ১৪টি রত্ন উঠে আসে। এগুলো মানুষের আত্ম-উন্নয়নের বিভিন্ন ধাপের প্রতীক:
​ঐরাবত (সাদা হাতি): নিয়ন্ত্রিত ও অহংকারহীন বুদ্ধির প্রতীক।

​উচ্চৈঃশ্রবা (ডানাওয়ালা ঘোড়া): মন বা চিন্তার দ্রুতির ওপর নিয়ন্ত্রণ।
​কামধেনু ও কল্পবৃক্ষ: অসীম সম্ভাবনা ও চাওয়া পূরণের ক্ষমতা।

​লক্ষ্মী (সম্পদ ও সমৃদ্ধি): মনের সুস্থতা ও আত্মসংযম এলে জীবনের সব ক্ষেত্রে প্রকৃত সমৃদ্ধি বা শ্রী আসে।

​ শেষ পরিণতি: ‘অমৃত’ প্রাপ্তি
​সব বাধা অতিক্রম করে, বিষ হজম করে এবং রত্নগুলোর প্রলোভনে পা না দিয়ে যখন মন্থন জারি রাখা হয়, তখনই পাওয়া যায় ‘অমৃত’। অমৃতের অর্থ অমরত্ব বা চিরন্তন পরম শান্তি (মোক্ষ)। অর্থাৎ, নিজের মনকে জয় করতে পারলে মানুষ জন্ম-মৃত্যুর চক্র ও দুঃখের হাত থেকে মুক্তি পেয়ে পরমানন্দ লাভ করে।

সমুদ্র মন্থন হলো ‘আত্ম-বিশ্লেষণের’ একটি রূপক। জীবন রূপ সমুদ্রকে যদি ধৈর্য (কূর্ম), একাগ্রতা (মন্দার পর্বত) এবং বাসনার সঠিক ব্যবহারের (বাসুকি নাগ) মাধ্যমে মন্থন করা যায়, তবে প্রথমে কিছু কষ্ট বা খারাপ অভিজ্ঞতা (বিষ) আসবে। কিন্তু তাতে ধৈর্য না হারিয়ে এগিলে শেষ পর্যন্ত পরম শান্তি ও অমৃত লাভ সম্ভব।

দুর্গাপূজা, মহালয়া ও বিজয়া দশমীর সময়সূচি বা নির্ঘণ্ট মূলত হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী তিথি ও নক্ষত্রের ওপর নির্ভর করে নির্ধা...
13/08/2026

দুর্গাপূজা, মহালয়া ও বিজয়া দশমীর সময়সূচি বা নির্ঘণ্ট মূলত হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী তিথি ও নক্ষত্রের ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়।
​প্রতি বছর পঞ্জিকা ভেদে (যেমন: গুপ্তপ্রেস বা সূর্যসিদ্ধান্ত পঞ্জিকা) সময় এবং তিথির সামান্য তারতম্য হতে পারে। সাধারণ ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী পূজার মূল পর্বগুলোর সময়ক্রম নিচে দেওয়া হলো:
উৎসব / তিথিসংক্ষিপ্ত বিবরণমূল ধর্মীয় কৃত্য/মাহাত্ম্য
মহালয়াদেবীপক্ষের সূচনাপিতৃতর্পণ, পিতৃপক্ষের সমাপ্তি এবং দেবী চণ্ডীর আবাহন।
মহাপঞ্চমীপূজার পূর্ব প্রস্তুতিদেবীর বি his সময় বা মণ্ডপে দেবী প্রতিমার রূপ উন্মোচন।
মহাষষ্ঠীপূজার সূচনাদেবীর বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাস।
মহাও সপ্তমীনবপত্রিকা প্রবেশসপরিবারে দেবীর প্রাণপ্রতিষ্ঠা ও মূল পূজা আরম্ভ।
মহাঅষ্টমীপ্রধান পূজা ও অঞ্জলিমহাঅষ্টমীর বিহিত পূজা, কুমারী পূজা এবং সন্ধিপূজা (অষ্টমী ও নবমীর সন্ধিক্ষণে)।
মহানবমীবলিদানের পর নবমী পূজাদেবীর মহানবমী বিহিত পূজা ও আরতি।
বিজয়া দশমীদেবীর বিসর্জনদশমী পূজা, অপরাজিতা পূজা, দেবী বিসর্জন, সিঁদুর খেলা এবং শুভ বিজয়ার শুভেচ্ছা ও কোলাকুলি।

২০২৬ সালের দুর্গাপূজা, মহালয়া ও বিজয়া দশমীর দিন এবং সময়সূচির (নির্ঘণ্ট) তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
​২০২৬ দুর্গাপূজার মূল সময়সূচি:
​মহালয়া: ১০ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার (বাংলা: ২৪ আশ্বিন, ১৪৩৩)
(দেবীপক্ষের সূচনা ও পিতৃতর্পণ)
​মহাপঞ্চমী: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার
​মহাষষ্ঠী: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার
(দেবীর বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাস)
​মহাসপ্তমী: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার
(নবপত্রিকা/কলাবৌ প্রবেশ ও সপ্তমীর বিহিত পূজা)
​মহাঅষ্টমী: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার
(মহাঅষ্টমীর পূজা, অঞ্জলি, কুমারী পূজা ও সন্ধিপূজা)
​মহানবমী: ২০ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার
(নবমীর বিহিত পূজা, বলদান ও মহাআরতি)
​বিজয়া দশমী: ২১ অক্টোবর ২০২৬, বুধবার (বাংলা: ৪ কার্তিক, ১৪৩৩)
(প্রতিমা বিসর্জন, সিঁদুর খেলা ও বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময়)
​মূল আকর্ষণ ও তিথি নির্ঘণ্টের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
​১. মহালয়া (১০ অক্টোবর): অমাবস্যা তিথির প্রাতে পিতৃতর্পণ ও দেবী চণ্ডীর আবাহনের মাধ্যমে দেবীপক্ষের সূচনা ঘটে।
২. সন্ধিপূজা (১৯ অক্টোবর): মহাঅষ্টমী তিথির শেষ ২৪ মিনিট এবং মহানবমী তিথির প্রথম ২৪ মিনিট নিয়ে গঠিত ৪৮ মিনিটের বিশেষ মুহূর্তে সন্ধিপূজা ও ১০৮টি প্রদীপ প্রজ্জ্বলন অনুষ্ঠিত হয়।
৩. বিজয়া দশমী (২১ অক্টোবর): দর্পণ বিসর্জন ও দেবী প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে শুভ বিজয়া অনুষ্ঠিত হয়।

গানটি এবার আসল পূর্ণতা পেলো।😩
04/08/2026

গানটি এবার আসল পূর্ণতা পেলো।😩

29/07/2026
17/07/2026

বিয়ের বাজনার সাথে জমজমাট নাচ

Jay jagannath
16/07/2026

Jay jagannath

16/07/2026

বিয়ের বাজনা । এ জীবন তোমাকে দিলাম বন্ধু তুমি শুধু ভালোবাসা দিও

জয় জগন্নাথ।  #রথযাত্রা  #২০২৬
15/07/2026

জয় জগন্নাথ।
#রথযাত্রা #২০২৬

15/07/2026

বিয়ের বাদ্য বাজবে আর নাচ হবে না তাই কি হয়!

Address

বাংলাদেশ
Natore

Telephone

+8801714569322

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when তরণী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to তরণী:

Shortcuts

Share