ইসলামিক জীবন

ইসলামিক জীবন আলহামদুলিল্লাহ ♥ ইনশাআল্লাহ, সহিহ পদ্ধতিতে হজ্জ ও উমরাহ করার প্রয়াসে... we are in an attempt to perf

10/08/2022

মহান আল্লাহ বলেনঃ
❝ যখন তুমি কোন কাজের সিদ্ধান্ত কর, তখন আল্লাহর উপর ভরসা কর❞ (আলে ইমরান ১৫৯)।

তিনি আরো বলেন,
وَمَنْ يَتَوَكَّلْ عَلَى اللهِ فَهُوَ حَسْبُهُ- ‘
যে আল্লাহর উপর ভরসা করে আল্লাহই তার জন্য যথেষ্ট’ (তালাক্ব ৩)।

আল্লাহ অন্যত্র বলেন,
وَمَا تَوْفِيقِي إِلَّا بِاللهِ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَإِلَيْهِ أُنِيبُ ‘
আল্লাহ ছাড়া আমার কোন ক্ষমতা নেই। আমি তার উপর ভরসা রাখি, আমি তার নিকট ফিরে যাব (হূদ ৮৮)।

09/08/2022

▌সত্যিকার আলেমের সন্ধানে:
কে এই ডঃ আবুবকর মুহাম্মদ যাকারিয়া? আসুন শাইখের পরিচয় জেনে নেই।

🌼 শাইখ ডঃ আবুবকর মুহাম্মদ যাকারিয়া এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি/ জীবনবৃত্তান্তঃ

Professor Dr. Abubakar Muhammad Zakaria
শাইখ ডক্টর আবুবকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া (হাফিযাহুল্লাহ) পি.এইচ.ডি (আকীদাহ), মদিনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সৌদি আরব। সহযোগী অধ্যাপক, আল-ফিকহ বিভাহ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া, বাংলাদেশ।

আমরা তাকে চিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আল ফিকহ বিভাগের অধ্যাপক এতটুকুই। কিন্তু বিস্ময়কর ও বিরল প্রতিভার অধিকারী এ ব্যাক্তিত্বের আরো অসংখ্য পরিচয় আছে সেগুলো হলঃ

১. তিনি কামিলে মাদ্রাসা-ই-আলিয়া থেকে সারা বাংলাদেশে ১ম স্থান অর্জন করেছিলেন।

২. তাঁর রচিত, অনুদিত ও সম্পাদিত বইয়ের সংখ্যা প্রায় ১০০০ এর মত।তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এ বেশ কিছু গবেষণা কর্মে অংশগ্রহণ করেছেন । ইফাবা তাঁর একটি বইও প্রকাশ করেছে ।

৩. বাংলাদেশ থেকে যারা মদীনায় পড়তে গিয়েছে তিনি তাদের প্রথম সাঁড়ির একজন । বর্তমানে মদীনাতে প্রতি বছর বাংলাদেশি প্রায় ৫০/৬০ জন ছাত্রকে নেয় । কিন্তু তিনি যখন পড়তে গিয়েছিলেন তখন মাত্র ৪-৫ জন ছাত্রকে নেওয়া হতো । তিনি তাঁর মেধার স্বাক্ষর রেখে মদীনাতে পড়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছিলেন।

৪. মদীনায় তিনি যে সকল বড় বড় আলিমদের ছাত্র হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেনঃ

ক) গত শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ফকিহ, কাবা শরীফের তারাবীহর সাবেক ইমাম,সৌদী আরবের সর্বোচ্চ উলামা পরিষদের সদস্য শাইখ মুহাম্মদ বিন সালিহ আল উসাইমিন রহিমাহুল্লাহ

খ) মদীনা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদীস বিভাগের প্রাক্তন প্রধান শাইখ আমান আল-জামী

গ) সৌদি আরবের সর্বোচ্চ উলামা পরিষদের সদস্য শাইখ আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান আল জিবরীন

ঘ) ৫০ বছরের বেশি আরাফার মাঠে হজের খুতবা প্রদানকারী আলেম বর্তমান গ্র্যান্ড মুফতি শাইখ আবদুল আযিয বিন আবদুল্লাহ আলে শাইখ

ঙ) সৌদী আরবের সর্বোচ্চ উলামা পরিষদের সদস্য শাইখ ড. সালিহ বিন ফাউজান আল ফাউজান

চ) মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন চ্যান্সেলর ও মসজিদে নববীর মুহাদ্দিস শাইখ আবদুল মুহসিন আল আব্বাদ

ছ) শাইখ আবুবকর জাবির আল জাযায়েরী

জ) মসজিদে নববীর ইমাম ও খতিবগণ যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন মসজিদে নববীর প্রধান ইমাম ও খতিব শাইখ ড. আলী আব্দুর রহমান আল হুযাইফী

ঝ) শাইখ আলী নাসের ফাক্বীহী

ঞ) শাইখ সুলাইমান আল রুহাইলী
ট) শাইখ ইবরাহীম আর রুহাইলী
ঠ) শাইখ আবদুর রায্যাক আল আব্বাদ
ড) শাইখ মুহাম্মদ আস সুদাইস
ঢ) শাইখ সাউদ আব্দুল আযীয আল খালাফ
ণ) শাইখ মুহাম্মদ আস শানকীত্বী

৫. শায়খকে যারা সনদ দিয়েছেন তাঁরা হলেনঃ--
ক) মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আকিদা ফ্যাকাল্টির ডিন শাইখ ড. সালিহ বিন সা'দ আস সুহাইমী

খ) শাইখ আব্দুল্লাহ গুনাইমান

গ) মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদীস বিভাগের প্রাক্তন প্রধান শাইখ ড.রাবী বিন হাদী উমাইর আল মাদখালী হাফিঃ এর ছেলে শাইখ মুহাম্মদ বিন রবী আল মাদখালী

ঘ) শাইখ আহমাদ আতিয়্যাহ আল- গামেদী

৬. শায়খের সাথী-বন্ধু যারা মাসজিদুল হারাম কিংবা মসজিদে নববী কিংবা মক্কা ও মদিনার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে আছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন-

ক) শাইখ সালেহ আস সিন্ধি
খ) শাইখ আব্দুল কারীম আর রুহাইলী
গ) শাইখ আব্দুল্লাহ শামসান

৭. তিনি মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স ফাইনাল পরীক্ষায় ৫ম স্থান অধিকার করেন এবং মাস্টার্সে ১ম স্থান অধিকার করেন ।

৮. তিনি বর্তমানে সৌদী আরবস্থ আকীদা সমিতির সদস্য

৯. মদীনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আকিদা অনুষদের সাবেক ডিন শাইখ ড.সালিহ বিন সা'দ আসসুহাইমির মত বিশ্ববিখ্যাত আকিদার ইমাম থেকে তিনি আকিদার সনদ প্রাপ্ত হন।আলহামদুলিল্লাহ।

১০. বাংলাদেশ সহ সারা পৃথিবীর ১৯০টি দেশের প্রায় ৩৫ হাজার ছাত্র মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে । কিন্তু এর ভিতরে খুব সামান্য সংখ্যক ছাত্রই মাস্টার্স ও পিএইচডি করার জন্য চান্স পেয়েছে।এ পর্যন্ত বাংলাদেশের শত শত মাদানী ছাত্রের মধ্যে মাত্র ৩ জন ছাত্র পিএইচডি করে ডক্টরেট ডিগ্রী অর্জন করতে পেরেছেন।

তাঁরা হচ্ছেন

- শাইখ ড. আবুবকর মুহাম্মদ যাকারিয়া,
- শাইখ ড. মানযূরে ইলাহী ও
- শাইখ ড. মোহাম্মাদ সাইফুল্লাহ।

আর এত কম সংখ্যক ছাত্র পিএইচডিতে চান্স পাওয়ার অন্যতম কারণ ছিল পিএইচডিতে চান্স পাওয়ার জন্য এক বসায় ১০ পারা কুরআনুল কারীম মুখস্ত শোনাতে হতো।

উল্লেখ্য বর্তমানে অনেকেই পিএইচডি করছেন যেমন শায়খ রেজাউল করিম,শেখ সাদী মাদানী,শায়খ আবদুল্লাহ আল কাফী,মিজানুর রহমান ভাই প্রমুখ।আল্লাহ তাদের হিফাজত করুন।

১১. শায়খের আরবী বই মোট ৬ টি। এর মধ্যে একটি বই হচ্ছে তাঁর মাস্টার্সে লেখা, যেটি ১৭০০ পৃঃ ৩ খন্ডে । আরেকটি বই হচ্ছে তাঁর পিএইচডি থিসিস, এটিও ৩ খন্ডে । এই থিসিসটি হিন্দুধর্মের উপরে । মদীনায় তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বের উপরে অনেক কাজ হয়েছে । কিন্তু হিন্দু ধর্মের উপরে তখনও কোন কাজ হয়নি তাই তাঁরা হিন্দু ধর্ম সম্পর্কে ভুল পড়াতো।তিনি তাঁর উস্তাদদের বললেন এগুলো তো ভুল,হিন্দুদের আকিদা তো এমন নয়। তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের উস্তাদগণ শায়খকে হিন্দু ধর্মের উপরে লেখার অনুরোধ করে, তখন তিনি এই বইটি লিখেন এবং আরব বিশ্বে এটি হিন্দু ধর্মের রেফারেন্স বুকের খালি স্থান পূরণ করে নেয়। আলহামদুলিল্লাহ উল্লেখিত দুটি বইই গোটা আরব বিশ্বে ব্যাপক সমাদৃত । কিছুদিন আগে একটি ভিডিওতে সৌদি এক শায়খকে পিএইচডি থিসিসের বইটির অনেক প্রশংসা করতে দেখা যায় । এ ছাড়াও তাঁর আরো ৪ টি বই রয়েছে।

১২. তাঁর রচিত আরবি একটি বই বিশ্বব্যাপী পরিচিত মাকতাবাতুশ শামিলায় রয়েছে । মাকতাবাতুশ শামিলাতে ইসলামের স্বর্ণযুগের আলিমদের বই থেকে শুরু করে বর্তমান অবধি বিখ্যাত হাজারো আরবী বইয়ের সংগ্রহ রয়েছে । এ পর্যন্ত বাংলাদেশের আরো ২ জন আলিমের বই স্থান পেয়েছে । তাঁরা দুজন হচ্ছে এক সময়কার বাইতুল মুকাররমের খতীব ও ঢাকা আলিয়ার উস্তায মুফতী আমীমুল ইহসান রহ. এবং আরেকজন মুসলিম বিশ্বের নোবেল প্রাইজ খ্যাত বাদশাহ ফয়সাল এওয়ার্ড প্রাপ্ত শায়খ মেহের আলী রহ.। এ দুজনের সাথে তাঁর বইও স্থান পেয়েছে ।

১৩. শায়খের প্রায় ১০০০ সংখ্যক লিখিত,অনুদিত ও সম্পাদিত বই রয়েছে । এই বইগুলোর অধিকাংশই রয়েছে ইসলাম হাউস ডট কম (www.Islamhouse.com) এর বাংলা বিভাগে । ইসলাম হাউস ডট কমের প্রধানদের দিক-নির্দেশনাতেই এখানের অধিকাংশ বই রচিত হয় । ইসলাম হাউস ডট কম হচ্ছে এমন একটি ওয়েবসাইট যেটি পৃথিবীর
১১৫ টি ভাষায় পরিচালিত হচ্ছে।সমগ্র পৃথিবীব্যাপী তাওহীদ প্রচারে যার অবদান অতুলনীয়। বই ছাড়াও এখানে অসংখ্য অডিও, ভিডিও, কুরআন তিলাওয়াত সহ আরো নানান রকমের বিষয় রয়েছে । এখানের অডিও ও ভিডিওগুলোও সম্পাদনা করা হয় এবং সেগুলোর অধিকাংশই শায়খের করা । এটি ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়াহ, রিয়াদ থেকে পরিচালিত হয় । শায়খ হচ্ছেন বাংলা বিভাগে যারা কাজ করে তাদের একজন।

১৪. মদীনার খাদেমুল হারামাইন শারীফাইন বাদশাহ ফাহাদ কমপ্লেক্স থেকে বাংলায় ফ্রী বিতরণ যোগ্য তাফসীর লেখার জন্য মদীনার শাইখগণ তাঁকে বাছাই করে নিয়েছেন এবং তাফসীরটিতে বর্তমান সৌদি আরবের তৎকালীন ধর্মমন্ত্রী শায়খ সালিহ বিন আবদুল আযিয আলে শাইখ হাফিঃ ভূমিকা লিখে দেন। এ থেকেও বুঝা যায় তিনি কতটা নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত আলিম হারামাইন শারীফাইন ও সৌদি আরবের উলামাদের নিকট।

বাংলাভাষী কয়েক হাজার মদীনা,মক্কা,রিয়াদ ও কিং আবদুল আযিয ও সউদী আরবের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মধ্যে ওনাকে বাছাই করে নিয়েছেন মদীনার শায়খগণ।

১৫. তিনি পরিবার থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার
দূরে শুধু ইলমের খিদমতের জন্য অবস্থান করেন। বার্ধক্যের কাছাকাছি সময়ে পরিবার পরিজন থেকে দূরে থাকা যে কতটা কষ্টের তা কেবল ভুক্তভোগীরাই জানে।তিনি প্রতি সপ্তাহে এক/দুদিন বিরতিতে আপ-ডাউন সহ প্রায় ৬০০ কিলোমিটার সফর করেন।

১৬. শায়খের ব্যাক্তিগত আচরণের কথা এখানে লিখে শেষ করা যাবে না বরং উনার সাথে মিশেছেন তারাই বলতে পারবেন। শায়খ অত্যন্ত অমায়িক এবং সহজেই মানুষকে আপন করে নেন। শায়খের সাথে আমার প্রথম সাক্ষাৎ হয় আজ থেকে চার-পাঁচ বছর আগে শায়খের কাছে সেই কথাগুলো এখনো মনে আছে।

শায়খকে যখন কিছু দিন আগে আমার দোকানে নিয়ে আসছিলেন সেদিনটি ছিল আমার কাছে জীবনের সবচেয়ে আনন্দের দিনগুলোর অন্যতম। সেদিন যে আমার কি আনন্দ হচ্ছিল তা আমি ভাষায় বুঝাতে পারবনা।

অনেকের কাছেই এসব শুনে আশ্চর্য লাগতে পারে।কিন্তু বাস্তবতা হল আমাদের কাছে জাতীয়ভাবে কেউ চিনেনা ও জীবনে পাসপোর্টও করা লাগেনা, সে হয়ে যায় আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুফাসসির,আর বিজ্ঞ আলেমগণ সমাজে অপরিচিত ও অবহেলিত থাকেন।

আবার মাঝে মাঝে মদীনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আকিদা অনুষদের ডিন শাইখ ড.সালিহ বিন সা'দ আসসুহাইমির মত আলেমদের থেকে আকিদার সনদ পাওয়া বিজ্ঞ আলেমদের আকিদা ও মানহাজ নিয়ে কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেন ও তাদের আকিদা-মানহাজ স্পষ্ট করার দাবি জানান।মনে হয় যেন হারামাইনের শাইখগণ আকিদা-মানহাজ না জেনেই কাউকে সনদ দিয়ে দেন।

আল্লাহ আমাদের সবার অজ্ঞতাকে দূর করুন ও আলেমদের সম্মানহানি থেকে আমাদের জিহ্বাকে হিফাজত করুন।আল্লাহ আমাদের শাইখের হায়াত বৃদ্ধি করুন,সুস্থ রাখুন,শাইখের ইলমকে স্থায়ী করুন ও আমাদেরকে সে ইলম থেকে উপকৃত হওয়ার তাওফিক দান করুন,শাইখকে ও তাঁর পরিবারকে সকল বিপদাপদ থেকে হিফাজত রাখুন ও মৃত্যু পর্যন্ত সিরাতুল মুসতাকিমের উপর অটল রাখুন,শাইখের উস্তাদদের উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমিন।

একটি বৃক্ষের ৫ টি ফল ...মাশাআল্লাহ । 𖣔 ১) শায়খ আব্দুল্লাহিল কাফি, 𖣔 ২) শায়খ আব্দুল্লাহিল বাকি, 𖣔 ৩) শায়খ আব্দুল্লাহিল হা...
04/07/2022

একটি বৃক্ষের ৫ টি ফল ...মাশাআল্লাহ ।
𖣔 ১) শায়খ আব্দুল্লাহিল কাফি,
𖣔 ২) শায়খ আব্দুল্লাহিল বাকি,
𖣔 ৩) শায়খ আব্দুল্লাহিল হাদী,
𖣔 ৪) শায়খ আব্দুল্লাহ যুবায়ের এবং
𖣔 ৫) শায়খ মোহাম্মাদ রহমাতুল্লাহ বিন আব্দুল জলিল মাদানী

আল্লাহ তা'য়ালা শাইখদের সহ পরিবারের সকলের নেক হায়াত দান করুন । দুনিয়া এবং আখিরাতে কল্যাণ দান করুন আমীন ।

02/07/2022

▌আজকাল কিছু নতুন মুফতি এই ফতোয়া দিচ্ছে যে গরুতে ভাগ চলবে না 🎙️ শাইখ মতিউর রহমান মাদানী (হাফি.)

জেনে নিন: পশু জবেহ করার সঠিক পদ্ধতি▬▬▬▬✿◈✿▬▬▬▬▬ইসলাম দয়া ও মমতার ধর্ম। যে কারণে ইসলামে পশুর প্রতিও দয়া ও অনুগ্রহ প্রদর্শ...
01/07/2022

জেনে নিন: পশু জবেহ করার সঠিক পদ্ধতি
▬▬▬▬✿◈✿▬▬▬▬▬
ইসলাম দয়া ও মমতার ধর্ম। যে কারণে ইসলামে পশুর প্রতিও দয়া ও অনুগ্রহ প্রদর্শন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যেমন: হাদিসে এসেছে,
▪ সাহাবি শাদ্দাদ ইবনে আউস রা. থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
إِنَّ اللَّهَ كَتَبَ الْإِحْسَانَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ، فَإِذَا قَتَلْتُمْ فَأَحْسِنُوا الْقِتْلَةَ، وَإِذَا ذَبَحْتُمْ فَأَحْسِنُوا الذَّبْحَ، وَلْيُحِدَّ أَحَدُكُمْ شَفْرَتَهُ، فَلْيُرِحْ ذَبِيحَتَهُ ِ
“আল্লাহ প্রতিটি বিষয়ে সুন্দর ও দয়া সুলভ আচরণের নির্দেশ দিয়েছেন। অতএব, তোমরা যখন হত্যা করবে তখন সুন্দরভাবে করবে আর যখন জবেহ করবে তখনও তা সুন্দর ভাবে করবে। তোমাদের কেউ (জবেহ করতে চাইলে) যেন ছুরি ধারালো করে নেয় এবং জবাইয়ের পশুটিকে প্রশান্তি দেয়।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ১৯৫৫)

▪ আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি একটি ছাগল জবাই করার জন্য মাটিতে শুইয়ে ছুরি ধার করতে লাগল। তখন প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ধমক দিয়ে বললেন,
أتريدُ أن تُميتَها موتاتٍ هلَّا حَدَدْتَ شَفْرَتكَ قبلَ أنْ تُضجِعَها
“তুমি কি একে কয়েকবার মৃত্যু দিতে চাও? তাকে মাটিতে শোয়ানোর আগে কেন তোমার ছুরি ধার দিলে না!”
[মুসতাদরাকে হাকিম, হাদিস : ৭৫৬৩, সহিহ]

◈ পশু জবেহ করা সঠিক পদ্ধতি:

🌀 ১. আল্লামা আব্দুল্লাহ বিন বায রহঃ. বলেন: “(গরু, ছাগল, দুম্বা ইত্যাদি পশু) জবেহ করার সময় ধারালো অস্ত্রের সাহায্যে পশুর খাদ্যনালী, শ্বাসনালী এবং গলদেশের দু পার্শ্বস্থ দুটি মোটা রগ কর্তন করা উত্তম। তবে যদি কেবল খাদ্য ও শ্বাসনালী এবং এক পাশের একটা মোটা রগ কাটা হয় তাহলেও যথেষ্ট। এমনকি শুধু খাদ্য ও শ্বাসনালী কাটা হলেও যথেষ্ট। তবে উক্ত চারটা রগ কর্তন করা অধিক উত্তম।” (শাইখ বিন বায রহ. এর অফিসিয়াল ওয়েব সাইট)

ধারালো অস্ত্র দ্বারা এভাবে কর্তন করার পর পশুকে কিছুক্ষণ ধরে রাখলেই ভেতর থেকে রক্তগুলো বের হয়ে দ্রুতই নিস্তেজ হয়ে যাবে এবং প্রাণ ত্যাগ করবে।

🌀 ২. প্রাণ ত্যাগ করার পূর্বে পশুর অন্য কোনো অঙ্গ কেটে কষ্ট দেওয়া হারাম। যেমন: ঘাড় মটকানো, পায়ের রগ কাটা, চামড়া ছাড়ানো ইত্যাদি।

🌀 ৩. অনুরূপভাবে, দেহ আড়ষ্ট হয়ে এলে চামড়া ছাড়াতে শুরু করার পর যদি পুনরায় লাফিয়ে ওঠে, তাহলে প্রাণ ত্যাগ করার কাল পর্যন্ত আরও কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে। যেহেতু পশুকে কষ্ট দেয়া আদৌ বৈধ নয়।

🌀 ৪. পশু পালিয়ে যাওয়ার ভয় থাকলেও ঘাড় মটকানো যাবে না। বরং তার বদলে কিছুক্ষণ ধরে রাখা অথবা হাঁস-মুরগীকে ঝুড়ি ইত্যাদি দিয়ে চেপে রাখা যায়।

🌀 ৫. জবেহ করার সময় পশুর মাথা যাতে বিচ্ছিন্ন না হয় তার খেয়াল করা উচিত।কিন্তু যদি অসতর্কতা বশত: যদি মাথা কেটে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় তাহলেও হালাল হওয়ার ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই।

তবে আল্লাহর নামে ধারালো অস্ত্রের সাহায্যে প্রথমে বর্ণিত পদ্ধতির আলোকে জবেহ করার পর প্রাণ ত্যাগের পূর্বে যদি পশুর শরীরের কোথাও ছুরি ঢুকানো হয়, ছুরি দ্বারা গুঁতা দেয়া হয় বা আঘাত করা হয় তাহলে তাতে পশুটি হারাম হবে না। কিন্তু এভাবে করলে পশুটিকে কষ্ট দেয়ার কারণে গুনাহ হবে।
আল্লাহ ক্ষমা করুন। আমীন।

🌀 ৬) পশুকে শুইয়ে জবেহ কারী কেবলা মুখি হয়ে এবং পশুর মাথাটা কেবলার দিকে একটু ঘুরিয়ে জবেহ করা উত্তম। তবে আবশ্যক নয়। অর্থাৎ কিবলা ছাড়া অন্য দিকে মুখ করে আল্লাহর নামে জবেহ করলেও তা হালাল হবে। (আল্লামা বিন বায. রহ.)

🌀 ৭) আল্লাহর নামে জবেহ করা:
আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَلاَ تَأْكُلُوا مِمَّا لَمْ يُذْكَرِ اسْمُ اللَّهِ عَلَيْهِ
‘‘(জবেহ করার সময়) যে পশুর উপর আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা হয় না, তোমরা তা ভক্ষণ কর না।” (সূরা আনআম: ২১)

🌀 ৮)জবেহ করার সময় ”বিসমিল্লাহ আল্লাহু আকবার” বলে পশুর কাঁধের পার্শ্বে পা দ্বারা চেপে ধরে ধারালো অস্ত্র দ্বারা শক্তি দিয়ে গলায় ছুরি চালাবে।
হাদিসে বর্ণিত হয়েছে:
عن أنس بن مالك -رضي الله عنه- قال: ضحى النبي صلى الله عليه وسلم بكبشين أملحين، ذبحهما بيده، وسمى وكبر، ووضع رجله على صفاحهما [رواه البخاري ومسلم] وفي لفظ البخاري أقرنين قبل أملحين.

আনাস ইবনে মালিক রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ হাতে দুটি সাদা-কালো বর্ণের দুম্বা কুরবানি করেছেন।
(জবেহ করার সময়) তিনি ’বিসমিল্লাহ ও আল্লাহু আকবার’ বলেছেন এবং পা দিয়ে সেগুলোর কাঁধের পার্শ্বদেশ চেপে রাখেন। (বুখারি: ৫৫৬৫, মুসলিম: ১৯৬৬)
বুখারিতে ‘সাদা-কালো’ শব্দের পূর্বে ‘শিং ওয়ালা’ কথাটি উল্লেখ আছে।

উল্লেখ্য যে, কোন মুসলিম জবেহ করার সময় অসাবধানতা বশত: মুখে বিসমিল্লাহ-আল্লাহু আকবার উচ্চারণ করতে ভুলে গেলে উক্ত জবেহকৃত প্রাণী হারাম হবে না। কেননা, মুসলিমেরর অন্তরে আল্লাহর নাম রয়েছে। কিন্তু ইচ্ছাকৃতভাব তা পরিত্যাগ করা বৈধ নয়।
আল্লাহু আলাম।
▬▬▬▬✿✿✿▬▬▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
(লিসান্স, মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, সউদী আরব)
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সউদী আরব

জুমু'আহ-র সুন্নাহসমূহ:১| গোসল করা। (বুখারিঃ ৮৭৭)২| ফজরের সালাতে সূরা আস- সেজদা ও সূরা ইনসান পড়া। ( বুখারিঃ ৮৯১)৩| সূরা ক...
01/07/2022

জুমু'আহ-র সুন্নাহসমূহ:

১| গোসল করা। (বুখারিঃ ৮৭৭)

২| ফজরের সালাতে সূরা আস- সেজদা ও সূরা ইনসান পড়া। ( বুখারিঃ ৮৯১)

৩| সূরা কাহাফ পাঠ করা। ( বায়হাকি: ৩/ ২৪৯)

৪| দরূদ পাঠ করা। ( আবু দাউদঃ ১০৪৭)

৫| বেশি করে দু'আ করা বিশেষ করে আসরের শেষের দিকে। ( আবু দাউদঃ ১০৪৮)

৬| জুমু'আহ সালাতের জন্য তাড়াতাড়ি যাওয়া। ( বুখারিঃ ৮৮১)

৭| উত্তম পোশাক পরিধান করা ও সুগন্ধি লাগানো। (বুখারিঃ ৮৮৬, ৮৮০)

৮| মসজিদে প্রবেশ করে "তাহ্যিয়াতুল মাসজিদ"-এর সলাত আদায় করা তারপর বসা! (বুখারীঃ ১১৬৭)

৯| নীরব থাকা ও খুতবা শোনা। ( বুখারিঃ ৯৩৪)

১০| ২/৪ রাকাত নফল সালাত আদায় করা জুমু'আহ সালাতের পর। ( মুসলিমঃ ৯৩৪)

আল্লাহর রাসূল বলেনঃ মানুষের মধ্যে সেই অপারগ যে আল্লাহর নিকট দুয়া করতে অপারগ, এবং মানুষের সেই প্রকৃত কৃপণ যে মানুষকে সালা...
01/07/2022

আল্লাহর রাসূল বলেনঃ মানুষের মধ্যে সেই অপারগ যে আল্লাহর নিকট দুয়া করতে অপারগ, এবং মানুষের সেই প্রকৃত কৃপণ যে মানুষকে সালাম দিতে কৃপনতা করে। ইবনু হিব্বান হাদিসটি বর্ননা করেছেন এবং আলবানি হাদিসটি সহিহ বলেছেন।

জিলহজ্জ মাসে তাকবীর পাঠের পদ্ধতি:___________________________________জিলহজ্জ মাসের চাঁদ উঠার পর থেকেই উঁচু আওয়াজে বেশী বে...
30/06/2022

জিলহজ্জ মাসে তাকবীর পাঠের পদ্ধতি:
___________________________________

জিলহজ্জ মাসের চাঁদ উঠার পর থেকেই উঁচু আওয়াজে বেশী বেশী তাকবীর পাঠ করা সুন্নত।
ফরজ নামাযের পর, মসজিদে, বাজারে এবং রাস্তায় চলার সময় এ তাকবীর বেশী করে পাঠ করা। মহিলাগণ নিচু আওয়াজে তাকবীর পাঠ করবে। তবে দলবদ্ধভাবে সমস্বরে তাকবীর পাঠ করা সুন্নতের পরিপন্থী। কারণ সাহাবীদের থেকে দলবদ্ধভাবে তাকবীর পাঠ করার কোন প্রমাণ পাওয়া যায়না। অথচ তারা ছিলেন সৎকাজে আমাদের চেয়ে অনেক অগ্রগামী।

এই তাকবীর দু ধরণের:

➤(ক) অনির্দিষ্ট তাকবীর: التكبير المطلق

সময় ও স্থান নির্ধারণ না করে বাড়ী, মসজিদ, রাস্তা ও বাজারে উঁচু আওয়াজে তাকবীর পাঠ করা।
জিল হজ্জের প্রথম দিন থেকে ঈদের দিন পর্যন্ত এ তাকবীর চলতে থাকবে। ইমাম বুখারী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন, ইবনে উমর ও আবু হুরায়রা (রা:) এই দিন গুলোতে তাকবীর বলতে বলতে বাজারে যেতেন। তাদেরকে তাকবীর বলতে শুনে লোকেরাও তাকবীর পাঠ করত।

➤(খ) নির্দিষ্ট তাকবীর: التكبير المقيد অর্থাৎ নির্দিষ্টভাবে পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের পর তাকবীর পাঠ করা:

এই তাকবীর জিল হজ্জ মাসের ৯ তারিখ ফজরের নামাযের পর থেকে শুরু করে আইয়ামে তাশরীক তথা জিল হজ্জ মাসের ১৩তারিখ সূর্য অস্ত যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত চলতে থাকবে।

➤ তাকবীরের শব্দ:

اللهُ أكبر اللهُ أكبر لا إلهَ إلَّا الله واللهُ أكبر اللهُ أكبر ولله الحَمْد

বাংলা উচ্চারণ:

আল্লাহু আকবার
আল্লাহু আকবার
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ

ওয়াল্লাহু আকবার
আল্লাহু আকবার
ওয়া লিল্লাহিল হামদ।
______________________
লেখক: শাইখ আব্দুল্লাহ আল কাফী বিন আব্দুল জলীল।

আলহামদুলিল্লাহ 🌺🌼 ব্রিটিশ হাজিদের অভ্যর্থনাপ্রথম ফ্লাইট
25/06/2022

আলহামদুলিল্লাহ 🌺🌼 ব্রিটিশ হাজিদের অভ্যর্থনা
প্রথম ফ্লাইট

25/06/2022

আমাদের দাওয়াত কিসের দাওয়াত ?
আমাদের উদ্যেশ্য কি ?
আমাদের আদর্শ কে ?
Sheikh Motiur Rahman Madani
▬▬🍂▬▬🔸🔸🔸🔹🔹🔹🔸🔹🔸🔹

Address

Narsingdi

Telephone

+8801673561616

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইসলামিক জীবন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share