বরাব শ্রী শ্রী কানাইলাল জিউর মন্দির

  • Home
  • Bangladesh
  • Narsingdi
  • বরাব শ্রী শ্রী কানাইলাল জিউর মন্দির

বরাব শ্রী শ্রী কানাইলাল জিউর মন্দির Religious Organisations

⭕ পত্নী কি তার পতিদেব- এর নাম ধরে ডাকতে পারবে ??স্বামী হলেন স্ত্রীর মহাগুরু। নারীদের শরীর কঠোর তপস্যার উপযুক্ত নয়, সেজন্...
23/05/2026

⭕ পত্নী কি তার পতিদেব- এর নাম ধরে ডাকতে পারবে ??

স্বামী হলেন স্ত্রীর মহাগুরু। নারীদের শরীর কঠোর তপস্যার উপযুক্ত নয়, সেজন্য ব্রহ্মা নারীদের মুক্তির জন্য পুরুষের সাথে বিবাহের বন্ধন সৃষ্টি করেছেন। স্বামী শ্রীকৃষ্ণের সেবা করবে, স্ত্রী তার স্বামীর সেবা করবে যেন স্বামী নির্বিঘ্নে শ্রীকৃষ্ণের সেবা করতে পারেন। এজন্য স্ত্রীকে বলা হয় ধর্মপত্নী। স্বামী ধর্ম করে যে ফল লাভ করবে স্ত্রীও তার ফলভাগী হবে। উপরন্তু বৈষ্ণব স্বামীতে সেবাপরায়ণতার জন্য স্ত্রীরা বৈষ্ণবসেবার ফলও লাভ করেন। এভাবে স্ত্রীদের জাগতিক ও পারমার্থিক কল্যাণ নিশ্চিতে বিধান দিয়েছেন ব্রহ্মা। শাস্ত্রে অনুসূয়ার মতো মহাসতী নারীদের কথা জানা যায়, যারা স্বামী সেবা দ্বারা এত পুণ্য লাভ করেছেন যে কেবল খেলার ছলে ইন্দ্রাদি দেবতাদেরও পরাস্ত করে দিতেন। আজও বৃন্দাবনে গেলে দেখবেন, গোবর্ধন পরিক্রমায় স্বামী প্রতি পদে পদে গোবর্ধনকে দণ্ডবৎ প্রণাম করছে, আর স্বামীর প্রতিটি প্রণামের সাথে সাথে স্ত্রীরা তাদের স্বামীর চরণধুলি মাথায় নিচ্ছেন। 🙇‍♂️🙏

দেবী লক্ষ্মী, দেবী পার্বতী ওনাদের স্বামীকে 'হে প্রাণনাথ', 'হে পতিদেব', হে স্বামীন' 'হে আর্য' 'হে চক্রধর' 'হে শূলপাণি ' এভাবে সম্বোধন করেন। ❤️‍🩹🙏

স্বামী মহাগুরু হওয়ায় তার নাম ধরে ডাকা নিষেধ করা হয়েছে মনুসংহিতায়। ✏️

সতী স্ত্রী স্বামীকে প্রভু, স্বামী, আর্য, প্রিয়, প্রিয়তম ইত্যাদি কিংবা কোন সম্বন্ধ অনুসারে যেমন 'ওমুকের বাবা' এভাবে ডাকেন। তবে ভক্ত পরিমহলে স্বামীকে 'প্রভু' বলে ডাকা অধিক প্রচলিত। 🙌🙏হরে কৃষ্ণ 🙏
কপি পোস্ট

দ্বারকার রাজপ্রাসাদে একদিন দেবর্ষি নারদ মুনি আগমন করলেন। তাঁর হাতে বীণা, মুখে “নারায়ণ নারায়ণ” ধ্বনি, আর চোখে সেই চিরচে...
22/05/2026

দ্বারকার রাজপ্রাসাদে একদিন দেবর্ষি নারদ মুনি আগমন করলেন। তাঁর হাতে বীণা, মুখে “নারায়ণ নারায়ণ” ধ্বনি, আর চোখে সেই চিরচেনা রহস্যময় হাসি। রাজপ্রাসাদ আনন্দে ভরে উঠল।
সেই সময় সত্যভামা নারদের সামনে এসে প্রণাম করে মনের এক গোপন ইচ্ছার কথা জানালেন। তিনি বললেন—
“হে দেবর্ষি, আমি চাই জন্মে জন্মে, সাত জন্মেও যেন শ্রীকৃষ্ণ-কেই স্বামীরূপে পাই। কখনও যেন তাঁর থেকে বিচ্ছেদ না হয়। এর জন্য আমাকে কী করতে হবে?”
নারদ মুনি মুচকি হেসে বললেন—
“যদি তুমি তোমার সবচেয়ে প্রিয় জিনিস দান করতে পারো, তবে তোমার এই মনোবাসনা পূর্ণ হবে।”
সত্যভামা এক মুহূর্তও দেরি করলেন না। তাঁর কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে প্রিয় ছিলেন স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ। তাই তিনি সরল বিশ্বাসে কৃষ্ণকেই নারদের কাছে দান করে দিলেন।
নারদ তখন সত্যিই শ্রীকৃষ্ণের হাত ধরে টানতে টানতে নিয়ে চললেন। শ্রীকৃষ্ণ মুখে মৃদু হাসি নিয়ে সব দেখছিলেন। আর সত্যভামা হতবাক হয়ে কাঁদতে কাঁদতে বললেন—
“এ আপনি কী করছেন দেবর্ষি! আমি তো কৃষ্ণকে চিরদিনের জন্য পাওয়ার আশায় তাঁকে দান করেছিলাম। তাঁকে হারানোর জন্য নয়! তাঁকে ছাড়া আমি এক মুহূর্তও থাকতে পারব না!”
নারদ তখন বললেন—
“এর একটি উপায় আছে। যদি তুমি শ্রীকৃষ্ণের সমান ওজনের সোনা আমাকে দিতে পারো, তবে আমি তাঁকে ফিরিয়ে দেব।”
এই কথা শুনে সত্যভামা দ্রুত রুক্মিণী-র কাছে ছুটে গেলেন এবং সব ঘটনা খুলে বললেন।
রুক্মিণী বিস্মিত হয়ে বললেন—
“তুমি কি ভেবেছ, এই জগতে এমন কিছু আছে যা কৃষ্ণের সমান হতে পারে? তিনি তো সমগ্র সৃষ্টির অধীশ্বর!”
কিন্তু সত্যভামা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বললেন—
“আমার কাছে অসংখ্য সোনা, রত্ন, অলঙ্কার আছে। নিশ্চয়ই আমি কৃষ্ণের ওজন সমান করতে পারব।”
দ্বারকার সভায় বিশাল দাঁড়িপাল্লা আনা হলো। একপাশে শ্রীকৃষ্ণকে বসানো হলো। অন্যপাশে সত্যভামা সোনা, হীরা, মুক্তো, রত্ন—ভারি ভারি বস্তা এনে রাখতে লাগলেন।
কিন্তু আশ্চর্য!
এত সোনা দিয়েও দাঁড়িপাল্লা একচুলও নড়ল না। শ্রীকৃষ্ণের দিকই ভারী রয়ে গেল।
সভায় নিস্তব্ধতা নেমে এলো। সত্যভামার চোখে জল। তাঁর অহংকার ধীরে ধীরে ভেঙে চূর্ণ হয়ে গেল। তিনি বুঝতে পারলেন—ভগবানকে ধনসম্পদ দিয়ে পাওয়া যায় না।
তখন শান্ত স্বরে রুক্মিণী এগিয়ে এলেন। তিনি একটি ছোট্ট তুলসী পাতা হাতে নিলেন। সেই পাতায় ভক্তিভরে “কৃষ্ণ” নাম লিখে চোখ বুজে প্রার্থনা করলেন—
“হে প্রভু, যদি আমার প্রেম ও ভক্তি নিঃস্বার্থ হয়, তবে এই তুলসী পাতাই আপনার সমান হোক।”
এরপর তিনি সেই একটিমাত্র তুলসী পাতা দাঁড়িপাল্লায় রাখলেন।
মুহূর্তের মধ্যেই অলৌকিক ঘটনা ঘটল।
দাঁড়িপাল্লা সমান হয়ে গেল!
সভায় সবাই বিস্ময়ে স্তব্ধ হয়ে রইল। দেবর্ষি নারদ হেসে উঠলেন। শ্রীকৃষ্ণও স্নিগ্ধ হাসিতে রুক্মিণীর দিকে তাকালেন।
সত্যভামা তখন বুঝলেন—ভগবানকে জয় করা যায় না ধন-সম্পদ, অহংকার বা ঐশ্বর্য দিয়ে। তাঁকে পাওয়ার একমাত্র পথ হল নিঃস্বার্থ প্রেম, ভক্তি ও সমর্পণ।
একটি ছোট্ট তুলসী পাতার মূল্য সারা পৃথিবীর সোনার থেকেও বেশি হয়ে উঠল, কারণ তার সঙ্গে জড়িয়ে ছিল শুদ্ধ ভক্তি আর কৃষ্ণনাম।
এই কারণেই বলা হয়—
“ভগবান ধনে নয়, ভক্তিতে বশ হন।”
হরে কৃষ্ণ 🙏
হে প্রভু তোমার ঐ মুচকি হাসি এক মুহূর্তে যেন অনুভব করতে পারলাম হে প্রভু কোথায় তুমি কোথায় গেলে খুঁজে পাবো তোমাকে কোথায় কোথায়? 😔🥺
কপি পোস্ট

‎🥹“মুচি হয়ে সুচি হয় যদি কৃষ্ণ ভজে” — এই এক ছবিতেই যেন শাস্ত্রের জীবন্ত প্রমাণ এবং দুর্লভ চিত্র ! এই ব্যক্তিটি সম্বন্ধে...
15/05/2026

‎🥹“মুচি হয়ে সুচি হয় যদি কৃষ্ণ ভজে” — এই এক ছবিতেই যেন শাস্ত্রের জীবন্ত প্রমাণ এবং দুর্লভ চিত্র ! এই ব্যক্তিটি সম্বন্ধে জানলে আপনি কেঁদে ফেলবেন 🥺😭

‎👉 নিচের কথাগুলি মাত্র ৫ সেকেন্ড সময় নিয়ে পড়ুন আপনার হৃদয় ছুয়ে যেতে বাধ্য হবে 💖

‎একজন সাধারণ মুচি…
‎সারাদিন মানুষের ছেঁড়া জুতো সেলাই করেন।
‎কারও পুরোনো চটি, কারও ভাঙা স্যান্ডেল — সেগুলোই তাঁর জীবিকার ভরসা
‎রোদ, ধুলো, কষ্ট — এসবই তাঁর নিত্যসঙ্গী। ☀️

‎🌿 কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো…
‎যখন একটু ফাঁকা সময় পান, তখন তিনি হাতে তুলে নেন জপমালা। 📿
‎মুখে ধীরে ধীরে উচ্চারণ করেন —
‎“হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে…
‎হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে…” 🌸🙏

‎😌 তিনি হয়তো বড় পণ্ডিত নন, বড়লোক নন, সমাজে নাম-খ্যাতিও নেই…
‎কিন্তু তাঁর হৃদয়ে আছে ভগবানের প্রতি নিখাদ ভালোবাসা। 💖

‎আজকের দিনে কত মানুষ আছে —
‎দামী পোশাক পরে, বড় বড় কথা বলে, ধর্ম নিয়ে তর্ক করে…
‎কিন্তু ভগবানের নাম নেওয়ার সময় নেই।
‎আর এই মানুষটি, জীবনের কঠিন সংগ্রামের মাঝেও,
‎নিজের কর্ম থামিয়ে নয়… কর্মের মাঝেই ভগবানকে স্মরণ করছেন। 🌿🙏

‎✨ এটাই তো প্রকৃত ভক্তি। 🌸
‎ভগবান কখনও মানুষের পেশা দেখেন না,
‎তিনি দেখেন হৃদয়।

‎ একজন মুচির হাত হয়তো জুতোর কালি মাখা,
‎কিন্তু সেই হাতেই যখন জপমালা ঘোরে,
‎তখন সেই হাত অনেক তথাকথিত বড় মানুষের থেকেও পবিত্র হয়ে যায়। 🙏✨

‎📖 শাস্ত্রে বর্ণিত আছে :-

‎🌿 “মুচি হয়ে সুচি হয় যদি কৃষ্ণ ভজে,
‎সূচি হয়ে মুচি হয় যদি কৃষ্ণ তেজে” — ✨

‎ “মুচি” বলতে এখানে শুধু জুতো সেলাই করা মানুষকে বোঝায় না।
‎এখানে “মুচি” মানে — যার চেতনা ভগবান থেকে দূরে, যে শুধুই দেহ ও ভোগ নিয়ে ব্যস্ত।

‎🌸 আর “সূচি” মানে — পবিত্র, শুচি, ভগবৎভক্ত হৃদয়। ✨

‎🙏 তাই বলা হয়েছে —
‎একজন সাধারণ মুচিও যদি আন্তরিকভাবে কৃষ্ণভজন করে, হরিনাম জপ করে, ভগবানকে ভালোবাসে —
‎তবে সে আধ্যাত্মিকভাবে “শুচি” বা পবিত্র হয়ে যায়। 🌿💖

‎😔 আবার,
‎কেউ জন্মে ব্রাহ্মণ, উচ্চবংশীয়, শিক্ষিত বা সমাজে সম্মানিত হলেও…
‎যদি সে কৃষ্ণকে ভুলে যায়, ভক্তি ত্যাগ করে, অহংকারে ডুবে থাকে —
‎তবে তার হৃদয় অপবিত্র হয়ে যায়। তাই বলা হয়েছে —
‎“সূচি হয়ে মুচি হয় যদি কৃষ্ণ তেজে।”

‎🙏 ভগবান কখনও মানুষের পেশা দেখেন না।
‎তিনি দেখেন হৃদয়ের ভক্তি।

‎🌸 রাস্তার পাশে বসে জুতো সেলাই করা সেই মানুষটি,
‎যদি চোখে জল নিয়ে একবার “হরে কৃষ্ণ” বলে ডাকেন —
‎তবে সেই ডাক সরাসরি ভগবানের হৃদয়ে পৌঁছে যায়।

‎😔 আর যে অহংকারে ভরা, ভক্তিহীন —
‎সে বাহ্যিকভাবে যত বড়ই হোক, ভগবানের কাছে তার মূল্য নেই।

‎🌿 এই কারণেই বৈষ্ণবরা বলেন —
‎🙏 “ভক্তির চেয়ে বড় পরিচয় আর কিছু নেই।” 💖

‎🌸 এবং দৃশ্য আমাদের শেখায় —
‎ভগবানের কাছে পৌঁছাতে বড় পরিচয় লাগে না,
‎লাগে শুধু একটি সরল মন আর সত্যিকারের নামস্মরণ। 🌿🙏 কপি পোস্ট Hori Joysowal

Big shout out to my newest top fans! 💎 Ash*t Chandra Bir, Sri Dipta Datta, Kamol Krishna Das, Kajal Paul, Raj Konna, Bît...
13/05/2026

Big shout out to my newest top fans! 💎 Ash*t Chandra Bir, Sri Dipta Datta, Kamol Krishna Das, Kajal Paul, Raj Konna, Bîthî Nandî, LI Y ON, Amar Dhar, Kobita Rani Bardhon, Subir Roy

Drop a comment to welcome them to our community,

ভারতের ১৬টি পবিত্র তীর্থস্থানউত্তর ভারতের তীর্থস্থানকাশী ধাম (বারাণসী): উত্তরপ্রদেশের গঙ্গার তীরে অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম...
08/05/2026

ভারতের ১৬টি পবিত্র তীর্থস্থান
উত্তর ভারতের তীর্থস্থান

কাশী ধাম (বারাণসী):
উত্তরপ্রদেশের গঙ্গার তীরে অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন শহর। এটি শিবের প্রধান ধাম হিসেবে পরিচিত।

হৃষিকেশ:
উত্তরাখণ্ডে অবস্থিত এই স্থানকে 'যোগের রাজধানী' বলা হয়। এটি গঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত একটি আধ্যাত্মিক কেন্দ্র।

কেদারনাথ:
উত্তরাখণ্ডের হিমালয়ে অবস্থিত ১২টি জ্যোতির্লিঙ্গের মধ্যে অন্যতম উচ্চতম এবং গুরুত্বপূর্ণ শিব মন্দির।

বদ্রীনাথ:
অলকানন্দা নদীর তীরে অবস্থিত ভগবান বিষ্ণুর অন্যতম প্রধান ধাম, যা চারধামের অংশ।

হরিদ্বার:
যেখানে গঙ্গা পর্বত থেকে সমতলে নেমে এসেছে। এটি কুম্ভমেলার প্রধান চারটি স্থানের মধ্যে একটি।

প্রয়াগরাজ:
গঙ্গা, যমুনা ও সরস্বতী নদীর পবিত্র সংগমস্থল, যা 'তীর্থরাজ' নামে পরিচিত।
অযোধ্যা:
সরযূ নদীর তীরে অবস্থিত ভগবান শ্রীরামচন্দ্রের পবিত্র জন্মভূমি।

বৃন্দাবন:
উত্তরপ্রদেশের মথুরা জেলায় অবস্থিত শ্রীকৃষ্ণের লীলাভূমি হিসেবে অত্যন্ত জনপ্রিয়।
দক্ষিণ ও পশ্চিম ভারতের তীর্থস্থান

তিরুপতি:
অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুমালা পাহাড়ের উপরে অবস্থিত ভগবান ভেঙ্কটেশ্বরের অত্যন্ত জাগ্রত ও ধনবান মন্দির।

রামেশ্বরম:
তামিলনাড়ুর একটি দ্বীপ শহরে অবস্থিত এই মন্দির ১২টি জ্যোতির্লিঙ্গের একটি এবং চারধামের অন্যতম

দ্বারকা:
গুজরাটে গোমতী নদীর তীরে অবস্থিত ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রাচীন রাজধানী ও পশ্চিম ভারতের প্রধান ধাম।

সোমনাথ:
গুজরাটের উপকূলে অবস্থিত ভগবান শিবের প্রথম জ্যোতির্লিঙ্গ হিসেবে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পূর্ব ও মধ্য ভারতের তীর্থস্থান

জগন্নাথ পুরী:
ওড়িশার সমুদ্রতীরে অবস্থিত এই ধাম ভগবান জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রার জন্য এবং রথযাত্রার জন্য বিখ্যাত।

উজ্জয়িনী:
মধ্যপ্রদেশের শিপ্রা নদীর তীরে অবস্থিত মহাকালেশ্বর জ্যোতির্লিঙ্গের জন্য এই স্থানটি সুপরিচিত।

তুঙ্গনাথ:
উত্তরাখণ্ডে অবস্থিত এটি বিশ্বের সর্বোচ্চ উচ্চতার শিব মন্দির, যা পঞ্চকেদারের অন্যতম।

এই তীর্থস্থানগুলো শুধুমাত্র ধর্মীয় কারণেই নয়, বরং ভারতের সমৃদ্ধ স্থাপত্যশৈলী এবং ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। আপনি এই জায়গাগুলোর মধ্যে কোনটি কোনটি দর্শন করেছেন কমেন্টে লিখুন
কপি পোস্ট

Big shout out to my newest top fans! 💎 Sri Dipta Datta, Kamol Krishna Das, Kajal Paul, Mahan Day, Raj Konna, Ash*t Chand...
29/04/2026

Big shout out to my newest top fans! 💎 Sri Dipta Datta, Kamol Krishna Das, Kajal Paul, Mahan Day, Raj Konna, Ash*t Chandra Bir, Bîthî Nandî, Niloy Sutra Dhar, LI Y ON, Amar Dhar, Uttam Kumar, Kobita Rani Bardhon, Subir Roy

Drop a comment to welcome them to our community,

অক্ষয় তৃতীয়ার এই পুণ্যলগন আমাদের জীবনের সেই ধ্রুবসত্যকে স্মরণ করিয়ে দেয়, যেখানে বাহ্যিক আড়ম্বরের চেয়ে অন্তরের ব্যাকুলতা ...
20/04/2026

অক্ষয় তৃতীয়ার এই পুণ্যলগন আমাদের জীবনের সেই ধ্রুবসত্যকে স্মরণ করিয়ে দেয়, যেখানে বাহ্যিক আড়ম্বরের চেয়ে অন্তরের ব্যাকুলতা অনেক বেশি মূল্যবান। সুদামা আর কৃষ্ণের সেই অমর কাহিনী কোনো সাধারণ মিত্রতার গল্প নয়, বরং তা হলো আত্মার সাথে পরমাত্মার মিলনের এক ছন্দময় কাব্য। দারিদ্র্যের কশাঘাতে যখন সুদামার জীবন বিদীর্ণ, যখন জীর্ণ কুটিরে অনাহার আর হাহাকার নিত্যসঙ্গী, তখন তাঁর পত্নী কুচেলার অনুরোধে তিনি দ্বারকার অভিমুখে যাত্রা করেছিলেন। কিন্তু সেই যাত্রায় তাঁর হাতে কোনো মূল্যবান রত্ন ছিল না, ছিল না কোনো রাজকীয় উপঢৌকন। প্রতিবেশীর কাছ থেকে চেয়ে আনা সামান্য একমুঠো শুকনো চিঁড়ে একটি জীর্ণ ন্যাকড়ায় বেঁধে তিনি যখন পথ চলছিলেন, তখন তাঁর বুকের ভেতরটা অপমানে আর হীনম্মন্যতায় দুমড়ে মুচড়ে যাচ্ছিল। রাজাধিরাজ কৃষ্ণের সামনে এই নগণ্য উপহার তিনি কীভাবে তুলে ধরবেন, এই চিন্তায় তাঁর চোখ থেকে অবিরাম জল ঝরছিল। সেই তপ্ত অশ্রুবিন্দুগুলো পুঁটলি ভেদ করে শুকনো চিঁড়েগুলোকে সিক্ত করে দিয়েছিল; যেন ভক্তের হৃদয়ের সমস্ত আর্তি আর ভালোবাসা মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছিল সেই সামান্য তণ্ডুলকণায়।
দ্বারকার স্বর্ণপ্রাসাদে যখন সেই ধূলিমলিন সুদামা উপস্থিত হলেন, তখন শ্রীকৃষ্ণ সমস্ত রাজকীয় মর্যাদা বিসর্জন দিয়ে ভ্রাতৃস্নেহে তাঁকে জড়িয়ে ধরলেন। রত্নসিংহাসনে বসিয়ে ভগবান যখন তাঁর সখার পা ধুইয়ে দিচ্ছিলেন, তখন সেই দৃশ্য মর্ত্যের সমস্ত ঐশ্বর্যকে ম্লান করে দিয়েছিল। সুদামা লজ্জায় তাঁর পুঁটলিটি লুকিয়ে রাখতে চাইলেও অন্তর্যামী কৃষ্ণ তা ছিনিয়ে নিলেন। তিনি জানতেন, ওই ভেজা চিঁড়েগুলো সাধারণ কোনো খাদ্য নয়, বরং সেগুলো সুদামার সারা জীবনের সঞ্চিত ভক্তি আর বিরহবেদনার ফসল। কৃষ্ণ পরম তৃপ্তিতে সেই প্রসাদ গ্রহণ করে ঘোষণা করলেন যে, ভক্তির অশ্রুজলে সিক্ত এই উপহার তাঁর কাছে ৫৬ ভোগের চেয়েও প্রিয়। সুদামা মুখে কিছু না চাইলেও তাঁর বন্ধু তাঁর সমস্ত অভাব অলক্ষ্যে মোচন করে দিলেন। ফিরে এসে সুদামা দেখলেন তাঁর কুঁড়েঘর রাজপ্রাসাদে পরিণত হয়েছে। এই উপাখ্যান আমাদের শেখায় যে, অক্ষয় তৃতীয়ার প্রকৃত তাৎপর্য কেবল সোনাদানা কেনায় নয়, বরং মনের কালিমা ধুয়ে ফেলে শুদ্ধ ভক্তি অর্জনে। ত্রেতা যুগের সূচনা, গঙ্গাবতরণ কিংবা মহাভারত রচনার পবিত্র মুহূর্তগুলো যেমন এই দিনটিকে মহিমান্বিত করেছে, তেমনই সুদামার সেই অশ্রুসিক্ত চিঁড়ে আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে ভগবানের কাছে ভক্তির এক বিন্দু চোখের জলই হলো শ্রেষ্ঠ ও অক্ষয় সম্পদ। এই পুণ্য তিথিতে আমাদের মনের সমস্ত অহংকার বিসর্জন দিয়ে যদি আমরা সরল বিশ্বাসে তাঁর চরণে আশ্রয় নিতে পারি, তবেই সার্থক হবে এই উৎসবের মূল সুর। (দশমহাবিদ্যা)

বরাব শ্রী শ্রী কানাইলাল জিউর মন্দির চন্ডী মায়ের পূজা পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বরাব মন্দিরে। জয় মা
15/04/2026

বরাব শ্রী শ্রী কানাইলাল জিউর মন্দির চন্ডী মায়ের পূজা পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বরাব মন্দিরে। জয় মা

15/04/2026

Address

বরাব, পলাশ, নরসিংদী
Narsingdi

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বরাব শ্রী শ্রী কানাইলাল জিউর মন্দির posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category