Srikrishno Kirton- শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন

Srikrishno Kirton- শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Srikrishno Kirton- শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন, Hindu temple, Nilkuthi, Raipura, Narsingdi.

🌸 হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে। হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।। 📿 🦚 শ্রীকৃষ্ণের চরণে সমর্পিত... 🔱 রাধা-গোবিন্দ 🔱
✨ শ্রী কৃষ্ণঃ শরণং মম ✨ 🌸 শান্তি মানেই শ্রীকৃষ্ণের নাম। 🪈 মনের মণিকোঠায় কেবল গিরিধারী। 📍 বৃন্দাবনের পথে...

🌸 গীতার আলো  🌸 অধ্যায় ৭, শ্লোক ৯ | জ্ঞানবিজ্ঞান যোগ 📖 "আমি পৃথিবীর পুণ্য গন্ধ, অগ্নির দীপ্তি, সকল প্রাণীর জীবনশক্তি এবং...
25/05/2026

🌸 গীতার আলো 🌸
অধ্যায় ৭, শ্লোক ৯ | জ্ঞানবিজ্ঞান যোগ 📖

"আমি পৃথিবীর পুণ্য গন্ধ, অগ্নির দীপ্তি, সকল প্রাণীর জীবনশক্তি এবং তপস্বীদের তপস্যার শক্তি।"

📜 মূল শ্লোক
পুণ্যো গন্ধঃ পৃথিব্যাং চ তেজশ্চাস্মি বিভাবসৌ। জীবনং সর্বভূতেষু তপশ্চাস্মি তপস্বিষু॥ ৯॥

💡 অর্থ
আমি পৃথিবীর পবিত্র গন্ধ, অগ্নির তেজ, সকল প্রাণীতে জীবন এবং তপস্বীদের তপস্যা।


আজকের ভাবনা: বৃষ্টির পরে মাটির যে গন্ধ ওঠে — মনে হয় স্বর্গ নেমে এসেছে! কৃষ্ণ বলছেন, সেই গন্ধে তিনি আছেন। মোমবাতির আলোয় তিনি আছেন। আপনার বুকের ভেতরে যে স্পন্দন — সেটাও তিনি

। 🔑 মূল শিক্ষা: প্রতিটি প্রাণীর মধ্যে যে "বাঁচতে চাওয়ার" শক্তি — সেটাই ঈশ্বরের দেওয়া জীবনপ্রবাহ। 💭 আজ বাগানে গিয়ে মাটি ছুঁয়ে দেখুন — অনুভব করুন তাঁকে।
🙏 হরে কৃষ্ণ 🙏 #ভগবদ্গীতা #গীতার_আলো #পঞ্চেন্দ্রিয় #প্রকৃতিতেঈশ্বর #আধ্যাত্মিকঅনুভব

🌸 গীতার আলো 🌸অধ্যায় ৭, শ্লোক ৮ | জ্ঞানবিজ্ঞান যোগ📖 "হে কৌন্তেয়! আমি জলের রস, চন্দ্র-সূর্যের প্রভা, সব বেদে প্রণব (ওঁ),...
24/05/2026

🌸 গীতার আলো 🌸
অধ্যায় ৭, শ্লোক ৮ | জ্ঞানবিজ্ঞান যোগ

📖 "হে কৌন্তেয়! আমি জলের রস, চন্দ্র-সূর্যের প্রভা, সব বেদে প্রণব (ওঁ), আকাশে শব্দ এবং মানুষের সাহস ও শক্তি।"

📜 মূল শ্লোক
রসোঽহমপ্সু কৌন্তেয় প্রভাস্মি শশিসূর্যয়োঃ।
প্রণবঃ সর্ববেদেষু শব্দঃ খে পৌরুষং নৃষু॥ ৮॥
💡 অর্থ
হে কৌন্তেয়! আমি জলে রস, চন্দ্র-সূর্যের আলো, সকল বেদে ওঁকার, আকাশে শব্দ এবং মানুষের পৌরুষ।

✨ আজকের ভাবনা:
এক গ্লাস ঠান্ডা জল পান করলে যে তৃপ্তি পান — সেটাই ঈশ্বর। ভোরবেলা সূর্যের আলো মুখে লাগলে যে উষ্ণতা পান — সেটাই ঈশ্বর।

🔑 মূল শিক্ষা:
প্রতিটি সাধারণ অনুভূতিতে ঈশ্বরকে দেখতে শেখান। আলাদাভাবে মন্দিরে যেতে হবে না — জলের স্বাদে, আলোয়, বাতাসের স্পর্শে তিনি আছেন।

💭 আজ সকালে উঠে এক চুমুক চা বা জল খেয়ে মনে করুন — "এই তৃপ্তিটাই তুমি, প্রভু।"

🙏 হরে কৃষ্ণ 🙏
#ভগবদ্গীতা #গীতার_আলো #ঈশ্বরউপস্থিতি #প্রতিদিনেঈশ্বর #শ্রীকৃষ্ণ

রাত ১২টায় এই কীর্তন শুনলেমন শান্ত হয়ে যায় — কেন?"বিজ্ঞানীরা বলছেন, নির্দিষ্ট কীর্তনের সুরbrain wave পরিবর্তন করে দেয়...
23/05/2026

রাত ১২টায় এই কীর্তন শুনলে
মন শান্ত হয়ে যায় — কেন?

"বিজ্ঞানীরা বলছেন, নির্দিষ্ট কীর্তনের সুর
brain wave পরিবর্তন করে দেয়..."

রাত ১২টা। চারদিক নিরব। আর ঠিক তখনই হরে কৃষ্ণ কীর্তন ছেড়ে দিলাম কানে...

মাত্র ১০ মিনিটে মাথার ভেতরের সব চিন্তা থেমে গেল।

বিজ্ঞান বলছে — নির্দিষ্ট ছন্দে গাওয়া মন্ত্র Alpha brain wave (8–12 Hz) তৈরি করে, যা গভীর শান্তি ও ঘুমের সাথে সরাসরি যুক্ত।

কৃষ্ণ কি হাজার বছর আগেই এই রহস্য জানতেন?

আজ রাতে ঘুমানোর আগে একবার চেষ্টা করো। কমেন্টে বলো — কেমন লাগল? 👇

#রাতেরকীর্তন #হরেকৃষ্ণ #ভক্তিসংগীত #মহামন্ত্র #কীর্তন

কৃষ্ণের সুদর্শন চক্র —বিজ্ঞান কী বলে?আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সাথে মিলে যাচ্ছেপুরাণের বর্ণনা — অবিশ্বাস্যবিষ্ণুপুরাণে লেখা...
23/05/2026

কৃষ্ণের সুদর্শন চক্র —
বিজ্ঞান কী বলে?
আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সাথে মিলে যাচ্ছে
পুরাণের বর্ণনা — অবিশ্বাস্য

বিষ্ণুপুরাণে লেখা আছে — সুদর্শন চক্রে ১০০০টি আরা, এটি আলোর গতিতে ঘোরে এবং লক্ষ্য ভেদ করে নিজেই ফিরে আসে।

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানে Plasma Toroid নামে একটি শক্তির রিং আছে — যা নিজে থেকে ঘোরে, স্থিতিশীল থাকে এবং নির্দিষ্ট পথে চলে।

মিল কি শুধুই কাকতালীয়? নাকি হাজার বছর আগে আমাদের ঋষিরা Plasma Physics জানতেন?

সুদর্শন চক্রকে শুধু পৌরাণিক অস্ত্র ভাবা হয়তো ভুল। হাজার বছর আগে আমাদের ঋষিরা Plasma, Electromagnetic field এবং Gyroscopic mechanics সম্পর্কে যা জানতেন — তা আজকের বিজ্ঞানের সাথে অবিশ্বাস্যভাবে মিলে যাচ্ছে।

এটি কি নিছক কাকতালীয়? নাকি প্রাচীন ভারতবর্ষে এমন কোনো উন্নত জ্ঞানব্যবস্থা ছিল যা আমরা হারিয়ে ফেলেছি?

উত্তর খুঁজে চলুন — জয় শ্রীকৃষ্ণ 🙏

তোমার মতামত কী? কমেন্টে "চক্র" লেখো — পুরো বিশ্লেষণ পাঠাবো! 👇

#সুদর্শনচক্র #বিজ্ঞানvsPুরাণ #কৃষ্ণ #ভাইরাল

"হরে কৃষ্ণ" ১০৮ বার বলুন — জীবনে কী পরিবর্তন আসে?"৭ দিন চেষ্টা করেছিলাম — ৩য় দিনেই অবাক হয়ে গেলাম... #হরেকৃষ্ণ  #কৃষ্ণ...
21/05/2026

"হরে কৃষ্ণ" ১০৮ বার বলুন — জীবনে কী পরিবর্তন আসে?
"৭ দিন চেষ্টা করেছিলাম — ৩য় দিনেই অবাক হয়ে গেলাম...
#হরেকৃষ্ণ #কৃষ্ণভক্তি #মহামন্ত্র #কীর্তন #শ্রীকৃষ্ণ #ভক্তি #রাধাকৃষ্ণ #জপমালা #ভগবদগীতা #বৃন্দাবন #108 #বাংলাকীর্তন #সনাতন #কৃষ্ণেরবাণী #ভক্তিসংগীত

মায়ের কোলে ঈশ্বর" (শেষ পর্ব)অধ্যায় ৭ + ৮ + ৯ + ১০ + উপসংহারমথুরায় যাওয়ার আগের রাত, উদ্ধবের গোকুল যাত্রা ও মায়ের ভাল...
20/05/2026

মায়ের কোলে ঈশ্বর" (শেষ পর্ব)
অধ্যায় ৭ + ৮ + ৯ + ১০ + উপসংহার

মথুরায় যাওয়ার আগের রাত, উদ্ধবের গোকুল যাত্রা ও মায়ের ভালোবাসার দর্শন।

সপ্তম অধ্যায় — মথুরায় যাওয়ার আগের রাত

সেই রাতটার কথা যশোদা কখনো ভুলতে পারেননি।
আক্রুর আসছেন পরদিন। কৃষ্ণকে নিয়ে যাবেন মথুরায়।
সারারাত যশোদা ঘুমাননি।
শুধু কৃষ্ণের মুখের দিকে তাকিয়ে থেকেছেন। ছোট্ট বুকের ওঠানামা দেখেছেন। ছোট্ট হাতটা নিজের হাতে নিয়ে রেখেছেন।
মনে পড়ছিল সব।
যেদিন প্রথম কোলে নিয়েছিলেন — এই শরীর তখন কত ছোট ছিল।
যেদিন প্রথম হাঁটতে শিখেছিল — হোঁচট খেয়ে পড়ে গিয়েছিল, কেঁদেছিল।
যেদিন প্রথম মা ডেকেছিল — সেই আনন্দে যশোদা সারারাত ঘুমাননি।
এত বছর কেটে গেছে।
কাল থেকে এই ঘর ফাঁকা হয়ে যাবে।
যশোদার বুকের ভেতর কী যেন ছিঁড়ে গেল।
তিনি আস্তে আস্তে কৃষ্ণকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন।
কৃষ্ণের ঘুম ভেঙে গেল।
"মা? কী হয়েছে?"
"কিছু না। ঘুমাও।"
"তুমি কাঁদছ মা?"
"না।"
"মায়েরা মিথ্যে বলতে পারে না।" কৃষ্ণ ছোট্ট হাত দিয়ে মায়ের চোখ মুছে দিলেন।
যশোদা আর চুপ করে থাকতে পারলেন না।
বললেন — "তুই চলে গেলে আমি কীভাবে থাকব কানাই?"
কৃষ্ণ কিছুক্ষণ চুপ করে থাকলেন।
তারপর মায়ের বুকে মুখ লুকালেন। বললেন —
"মা, আমি যেখানেই যাই — তোমার কোলের উষ্ণতা সবসময় বুকে থাকবে। তুমি কাঁদলে আমার বুক ভেজে। তুমি হাসলে আমার মন ভরে। এটা কি দূরত্বে বদলায়?"
যশোদা কিছু বললেন না।
শুধু আরো শক্ত করে জড়িয়ে ধরলেন।
সেই রাতে মা আর ছেলে — দুজনেই জেগে রইলেন। কেউ ঘুমালেন না। শুধু পাশে থাকলেন।
কারণ দুজনেই জানতেন — ভোর হলেই বিদায়।

অষ্টম অধ্যায় — মথুরায় যশোদার কথা

মথুরায় গিয়ে কৃষ্ণ অনেক বড় হয়ে গেলেন।
রাজা হলেন। যুদ্ধ করলেন। কুরুক্ষেত্রে গীতা দিলেন। দ্বারকা তৈরি করলেন।
চারদিকে তাঁকে ডাকা হয় — জগন্নাথ, মাধব, গোবিন্দ, দ্বারকাধীশ।
কিন্তু রাতের বেলায় —
যখন মাথায় রাজমুকুট থাকে না।
যখন হাতে সুদর্শন চক্র থাকে না।
যখন চারদিকে রাজদরবারের জৌলুস থাকে না।
তখন কৃষ্ণ একা বসে থাকেন।
চোখ বুজলে দেখতে পান —
গোকুলের সেই ছোট্ট ঘর।
মাটির চুলার আগুন।
দইয়ের মটকা।
আর সেই মুখ — যে মুখে পৃথিবীর সব মমতা জমা।
যশোদামা।
তখন ঈশ্বরও ছেলে হয়ে যান।
তখন রাজাও মায়ের জন্য কাঁদেন।

নবম অধ্যায় — উদ্ধব গেলেন গোকুলে

একদিন কৃষ্ণ উদ্ধবকে পাঠালেন গোকুলে।
উদ্ধব গেলেন।
যশোদাকে দেখলেন — বৃদ্ধা হয়ে গেছেন। চুলে পাক ধরেছে। কিন্তু প্রতিদিন সকালে কানাইয়ের জন্য মাখন তুলে রাখেন। প্রতিদিন রাতে তাঁর বিছানা পেতে দেন।
উদ্ধব বললেন — "মা, কানাই মথুরায় ভালো আছেন।"
যশোদা হাসলেন। বললেন —
"আমি জানি। সে ভালো থাকে সবসময়। সে তো জগতের রক্ষাকর্তা।"
উদ্ধব অবাক — "মা, আপনি কি জানেন কানাই কে?"
যশোদা অনেকক্ষণ চুপ করে থাকলেন।
তারপর বললেন —
"জানি। সবই জানি। সে ঈশ্বর। সে নারায়ণ। সে জগতের পালনকর্তা।"
"তাহলে?"
"তাহলেও সে আমার ছেলে। ঈশ্বর হোক বা না হোক — মায়ের কাছে ছেলে সবসময় ছেলেই থাকে। আমি তাকে মাখন খাইয়েছি। কোলে ঘুম পাড়িয়েছি। গোসল করিয়েছি। পৃথিবীর সব মা তাই করেন। এতে ঈশ্বর-অঈশ্বরে কী আসে যায়?"
উদ্ধব নতমস্তকে বসে রইলেন।
বুঝলেন —
যশোদার ভালোবাসা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ যোগ। কারণ এই ভালোবাসায় কোনো জ্ঞান নেই, কোনো ভয় নেই, কোনো দূরত্ব নেই — শুধু আছে নিখাদ ভালোবাসা।

দশম অধ্যায় — মায়ের কোলের দর্শন

এই গল্প আমাদের যা শেখায় —
ঈশ্বর সব জায়গায় আছেন।
মন্দিরে আছেন। পাহাড়ে আছেন। নদীতে আছেন।
কিন্তু সবচেয়ে বেশি আছেন —
মায়ের কোলে।
কারণ মায়ের ভালোবাসাই পৃথিবীর সবচেয়ে খাঁটি ভালোবাসা।
সেখানে শর্ত নেই।
সেখানে বিনিময় নেই।
সেখানে ক্লান্তি নেই।
শুধু আছে — দেওয়া।
যশোদা জানতেন না তাঁর ছেলে কে।
কিন্তু তাঁর ভালোবাসা এত গভীর ছিল যে —
ঈশ্বর নিজেই সেই ভালোবাসার কাছে বারবার হার মেনেছেন।
দড়িতে বাঁধা পড়েছেন।
মিথ্যের ধরা খেয়েছেন।
কোলে মাথা রেখে ঘুমিয়েছেন।
কারণ ঈশ্বরও জানেন — মায়ের কোলের চেয়ে নিরাপদ আশ্রয় পৃথিবীতে আর নেই।

উপসংহার — আজকের মায়েদের প্রতি

আজকের পৃথিবীতে —
প্রতিটি মা যশোদা।
প্রতিটি সন্তান কানাই।
মা জানেন না তাঁর সন্তান কতটা মহান হবে।
মা জানেন না তাঁর ছেলে একদিন পৃথিবী বদলে দেবে।
কিন্তু মা প্রতিদিন রান্না করেন।
প্রতিদিন অপেক্ষা করেন।
প্রতিদিন কপালে চুমু খান।
এটুকুই যথেষ্ট।
কারণ এই ছোট ছোট ভালোবাসার মধ্যেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সত্য —
মায়ের ভালোবাসাই ঈশ্বরের সবচেয়ে কাছের রূপ।

"মন্দিরে গেলে ঈশ্বর পাবে কিনা জানি না,
কিন্তু মায়ের কোলে গেলে ঈশ্বর পাবেই —
কারণ মায়ের ভালোবাসাই জগতের সবচেয়ে
পবিত্র প্রার্থনা, সবচেয়ে সত্যিকারের মন্দির।"

— গোকুলের মাটিতে লেখা, যশোদার চোখের জলে ভেজা,
কানাইয়ের হাসিতে আলোকিত —
এক চিরন্তন মাতৃভালোবাসার গল্প,
যা যুগে যুগে প্রতিটি মায়ের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে।

🌸 গীতার আলো  🌸অধ্যায় ৭, শ্লোক ৭ | জ্ঞানবিজ্ঞান যোগ📖 "হে ধনঞ্জয়! আমার চেয়ে উচ্চতর কিছুই নেই। সুতোয় মণিমালার মতো এই সম...
19/05/2026

🌸 গীতার আলো 🌸
অধ্যায় ৭, শ্লোক ৭ | জ্ঞানবিজ্ঞান যোগ

📖 "হে ধনঞ্জয়! আমার চেয়ে উচ্চতর কিছুই নেই। সুতোয় মণিমালার মতো এই সমগ্র বিশ্বব্রহ্মাণ্ড আমাতেই গ্রথিত।"

📜 মূল শ্লোক
মত্তঃ পরতরং নান্যৎ কিঞ্চিদস্তি ধনঞ্জয়।
ময়ি সর্বমিদং প্রোতং সূত্রে মণিগণা ইব॥ ৭॥
💡 অর্থ
হে ধনঞ্জয়! আমার চেয়ে শ্রেষ্ঠ আর কিছুই নেই। সুতোয় মণির মতো এই সমস্ত জগৎ আমাতে গ্রথিত।

✨ আজকের ভাবনা:
একটা মালা কল্পনা করুন — শত শত মণি, কিন্তু সবাইকে ধরে রেখেছে একটাই সুতো। সেই অদৃশ্য সুতোটাই ঈশ্বর।

🔑 মূল শিক্ষা:
গাছে গাছে, নদীতে নদীতে, মানুষে মানুষে — সব কিছুর মধ্য দিয়ে একটাই চেতনা বইছে। এই একত্বের উপলব্ধিই আধ্যাত্মিকতার সারকথা।

💭 আজ একজন "শত্রু"র মধ্যে ঈশ্বরকে দেখার চেষ্টা করুন।

🙏 হরে কৃষ্ণ 🙏
#ভগবদ্গীতা #গীতার_আলো #একত্ব #মণিমালা #আধ্যাত্মিকদর্শন

মায়ের কোলে ঈশ্বর" (দ্বিতীয় পর্ব)অধ্যায় ৪ + ৫ + ৬মুখের ভেতর ব্রহ্মাণ্ড, দড়িতে বাঁধা ঈশ্বর ও রাতের ঘুম পাড়ানো।চতুর্থ ...
19/05/2026

মায়ের কোলে ঈশ্বর" (দ্বিতীয় পর্ব)
অধ্যায় ৪ + ৫ + ৬

মুখের ভেতর ব্রহ্মাণ্ড, দড়িতে বাঁধা ঈশ্বর ও রাতের ঘুম পাড়ানো।

চতুর্থ অধ্যায় — মুখের ভেতর ব্রহ্মাণ্ড

একদিনের কথা।
পাড়ার ছেলেরা এসে যশোদাকে বলল —
"যশোদামাসি! কানাই মাটি খেয়েছে!"
যশোদা ছুটে এলেন। কৃষ্ণকে ধরলেন —
"কানাই! মাটি খেয়েছিস?"
"না মা।"
"মুখ খোল।"
"মা—"
"মুখ খোল বলছি!"
কৃষ্ণ মুখ খুললেন।
যশোদা তাকালেন।
এবং থমকে গেলেন।
সেই ছোট্ট মুখের ভেতরে তিনি দেখলেন — পুরো ব্রহ্মাণ্ড। সূর্য, চন্দ্র, তারা, পাহাড়, সমুদ্র, নদী, বন, গ্রাম — সব কিছু। গোকুল দেখলেন। নিজেকে দেখলেন।
মাথা ঘুরে গেল।
তারপর সেই দৃষ্টি মিলিয়ে গেল। সামনে আবার শুধু ছোট্ট কানাই।
যশোদা কী দেখলেন বুঝলেন না। শুধু বুকটা কেঁপে উঠল।
কৃষ্ণ মুখ বন্ধ করে বললেন — "দেখলে মা? মাটি নেই।"
যশোদা কাঁপতে কাঁপতে কৃষ্ণকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন।
বললেন — "আর কখনো মাটি খাবি না।"
কৃষ্ণ মায়ের বুকে মুখ লুকালেন।
মনে মনে হাসলেন।
মহামায়া এসে যশোদার স্মৃতি মুছে দিয়েছিলেন — কারণ ঈশ্বর চাননি মা তাঁকে ভয় পাক। তিনি চেয়েছিলেন মা শুধু ভালোবাসুক।

পঞ্চম অধ্যায় — দড়ি দিয়ে বাঁধা ঈশ্বর

সেই বিখ্যাত দিনের কথা।
মাখন চুরি বেড়েই চলেছে। শুধু নিজে খাচ্ছেন না — বন্ধুদের খাওয়াচ্ছেন, বানরদের দিচ্ছেন, হাঁড়ি ভাঙছেন।
পাড়ার গোপিনীরা প্রতিদিন যশোদার কাছে নালিশ করে যাচ্ছে।
যশোদা ঠিক করলেন — আজ শাস্তি দেবেন।
কৃষ্ণকে ধরলেন। দড়ি আনলেন। বললেন —
"আজ তোকে বেঁধে রাখব।"
কৃষ্ণ পালাতে গেলেন। যশোদা ধরলেন।
দড়ি দিয়ে বাঁধতে গেলেন উরলখলের সাথে।
কিন্তু দড়ি ছোট হয়ে যাচ্ছে — দুই আঙুল কম।
আরেকটু দড়ি জোড়া দিলেন — আবার দুই আঙুল কম।
আরো দড়ি — আবার দুই আঙুল কম।
সারা গোকুলের দড়ি জোড়া দিলেন। তবুও দুই আঙুল কম।
যশোদা ঘামছেন। হাঁপাচ্ছেন।
কৃষ্ণ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছেন। মুখে সেই দুষ্টু হাসি।
তারপর হঠাৎ কৃষ্ণ দেখলেন — মায়ের কপালে ঘাম। মায়ের হাত কাঁপছে। মায়ের চোখে পরিশ্রমের ক্লান্তি।
কৃষ্ণের বুকে কিছু একটা নড়ে উঠল।
তিনি যদি চান — এই দড়ি কখনো তাঁকে বাঁধতে পারবে না। তিনি ত্রিলোকের অধীশ্বর।
কিন্তু মায়ের পরিশ্রম দেখে তাঁর মন গলে গেল।
তিনি ঠিক করলেন — আজ ধরা দেবেন।
পরের বার যশোদা দড়ি বাঁধলেন — ঠিক মিলে গেল।
যশোদা অবাক। তারপর খুশি।
বললেন — "এই দেখ! বাঁধা পড়েছিস!"
কৃষ্ণ বাঁধা অবস্থায় হাসলেন।
স্বর্গে সেদিন দেবতারা বিস্মিত হয়েছিলেন।
যিনি সমস্ত ব্রহ্মাণ্ডকে ধারণ করেন — তিনি আজ একটা দড়িতে বাঁধা।
কারণ মায়ের ভালোবাসার কাছে ঈশ্বরও হার মানেন।
এই ঘটনার নাম দামোদর লীলা। দাম মানে দড়ি, উদর মানে পেট — মায়ের দড়িতে বাঁধা পেটের কৃষ্ণ।

ষষ্ঠ অধ্যায় — রাতের ঘুম পাড়ানো

রাতের বেলা।
গোকুল ঘুমিয়ে পড়েছে। যমুনার জল বইছে নিঃশব্দে। জোনাকি জ্বলছে উঠানে।
যশোদা কৃষ্ণকে কোলে নিয়ে বসেছেন। ছোট্ট মাথায় আঙুল বুলিয়ে দিচ্ছেন। আস্তে আস্তে গান গাইছেন —
"ঘুমাও হে ঘুমাও কানাই,
মায়ের কোলে ঘুমাও।
সারাদিন দুষ্টুমি করে
এবার চোখ বুজে যাও।"
কৃষ্ণ মায়ের কোলে শুয়ে আছেন। চোখ বুজেছেন।
কিন্তু ঘুম আসছে না।
কারণ মায়ের গানের সুর এত মিষ্টি — ঘুমিয়ে পড়লে মিস হয়ে যাবে।
যশোদা গাইতে গাইতে তাকালেন ছেলের মুখের দিকে।
কী নিষ্পাপ মুখ! দিনের বেলায় এত দুষ্টুমি করে — রাতে ঘুমালে মনে হয় স্বর্গের দেবশিশু।
যশোদার মনে হলো — এই মুহূর্তে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ তিনি।
কোলে শুয়ে আছেন তাঁর সব সুখ, সব আনন্দ, সব জীবন।
তিনি একটু নিচু হয়ে কৃষ্ণের কপালে একটা চুমু খেলেন।
কৃষ্ণ চোখ না খুলে মুচকি হাসলেন।
দেবলোকে সেদিন নীরবতা নেমেছিল।
সমস্ত দেবতা চুপ করে দেখছিলেন —
তাঁদের প্রভু, জগতের অধীশ্বর, একজন সাধারণ গ্রামের মায়ের কোলে শুয়ে — চুপচাপ।
সেখানে থাকতে পেরে নিজেকে ধন্য মানছেন।

চলবে...
(শেষ পর্বে দেখুন বিদায়ের রাত ও মায়ের ভালোবাসার চিরন্তন দর্শন)" 🔔

Address

Nilkuthi, Raipura
Narsingdi
1630

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Srikrishno Kirton- শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Srikrishno Kirton- শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন:

Share

Category