Kali bari, Kalibazar, Narayanganj

Kali bari, Kalibazar,  Narayanganj The oldest Kali Mandir in Narayanganj city.

শুভ মহানবমী। মায়ের আশীর্বাদ সকলের উপর বর্ষিত হোক।
01/10/2025

শুভ মহানবমী। মায়ের আশীর্বাদ সকলের উপর বর্ষিত হোক।

কৌশিকী অমাবস্যা : শক্তি ও তন্ত্রসাধনার রহস্যময় রাত্রিকৌশিকী অমাবস্যা কী?কৌশিকী অমাবস্যা ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অমাবস্য...
22/08/2025

কৌশিকী অমাবস্যা : শক্তি ও তন্ত্রসাধনার রহস্যময় রাত্রি

কৌশিকী অমাবস্যা কী?

কৌশিকী অমাবস্যা ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অমাবস্যা তিথি। এটি বাঙালি তান্ত্রিক ও আধ্যাত্মিক সংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন। এই দিনে দেবী পার্বতীর কৌশিকী রূপের পূজা হয়, যিনি অসুর বিনাশের জন্য আবির্ভূত হয়েছিলেন।

নামের উৎপত্তি ও পুরাণকথা

‘কৌশিকী’ শব্দের উৎপত্তি দেবীর এক বিশেষ রূপ থেকে। পুরাণ মতে, দেবী পার্বতী অসুর বিনাশের জন্য কৌশিকী রূপ ধারণ করেছিলেন। তাঁর এই রূপ শক্তি, রুদ্রতা ও মাতৃস্বরূপ রক্ষার প্রতীক। সেই কারণেই এই অমাবস্যা তিথি কৌশিকী অমাবস্যা নামে পরিচিত।

তন্ত্রসাধনার গুরুত্ব

অমাবস্যা মানেই তন্ত্রসাধনার বিশেষ সময়। তবে কৌশিকী অমাবস্যা তান্ত্রিকদের কাছে সবচেয়ে শক্তিশালী রাত হিসেবে ধরা হয়। বিশ্বাস করা হয়—

এই রাতে সাধনা করলে দেবীর কৃপা দ্রুত লাভ হয়।

অশুভ শক্তি ও দুঃশক্তির প্রভাব নষ্ট হয়।

আত্মশক্তি জাগরণের পথ সুগম হয়।

শ্মশান সাধনা, কালীপূজা ও গোপন তান্ত্রিক আচার এই রাতেই বেশি সম্পন্ন হয়।

আচার-অনুষ্ঠান

🔹 কালীপূজা – ভক্তরা উপবাস রত থেকে রাত্রি জাগরণ করেন এবং দেবী কালীকে বিশেষভাবে পূজা দেন।
🔹 তান্ত্রিক সাধনা – শ্মশান বা নির্জন স্থানে মন্ত্রজপ, হোম ও আধ্যাত্মিক আচার পালিত হয়।
🔹 দীপদান ও দান – পূর্বপুরুষের শান্তির জন্য দীপ জ্বালানো হয়। অনেকে এই দিনে দরিদ্রদের খাদ্য ও বস্ত্র দান করেন।

আধ্যাত্মিক তাৎপর্য

কৌশিকী অমাবস্যা কেবল তন্ত্রসাধনার দিন নয়, বরং মানুষের অন্তর্গত অন্ধকার জয় করার প্রতীক।

ভয়, ক্রোধ ও দুর্বলতাকে জয় করার সংকল্পের দিন এটি।

আত্মশক্তি জাগরণের রাত হিসেবে এটির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে।

ভক্তের কাছে দেবীর কৃপা ও আশীর্বাদ প্রাপ্তির সেরা সময় বলা হয়।

উপসংহার

কৌশিকী অমাবস্যা তাই শুধু একটি তিথি নয়, এটি বাঙালি সংস্কৃতির এক রহস্যময় আধ্যাত্মিক অধ্যায়। শক্তি, তন্ত্র ও আত্মজাগরণের মিলনক্ষেত্র হিসেবে আজও এই দিনটি ভক্তদের কাছে অনন্য।

মন্দিরের নতুন সজ্জা
25/02/2022

মন্দিরের নতুন সজ্জা

কালী পূজার ইতিহাস, মন্ত্র, নিয়ম, সাধনা================================কালীর বিভিন্ন রূপভেদ আছে। যেমন দক্ষিণাকালী, শ্মশা...
19/08/2020

কালী পূজার ইতিহাস, মন্ত্র, নিয়ম, সাধনা
================================

কালীর বিভিন্ন রূপভেদ আছে। যেমন দক্ষিণাকালী, শ্মশানকালী,ভদ্রকালী, রক্ষাকালী, গুহ্যকালী,মহাকালী, চামুণ্ডা ইত্যাদি।মুলত এগুলো গাহস্থ্য ও সাধন অধিষ্ঠাত্রী নাম মিশ্রিত। তবে ধারাক্রমে বিভিন্ন তন্ত্র শাস্ত্র ও পুরানমতে ক্রমানুক্রমে কালীরগাহস্থ্য (সমাজে প্রচলিত রুপ) রুপধারা গুলো হলো

১) দক্ষিনাকালীঃ (সর্বকালে সর্বদেশের সমাজে পুজিতা) মুলত দেবীর প্রধান রুপ।তার পুজাবিধির মধ্যে কয়েকটি লাইন পরিবর্তন করে অন্যদেবীর পুজা হয়,ভৈরব, বটুক এবং শবরুপি শিব একই থাকে, শুধু নামের পরিবর্তন হয়।ইনিই কালীর প্রধান রুপ।

২) ভদ্রাকালীঃ (পাতালের দেবী, তবে বিশেষ বিশেষ অঞ্চলে ইনি পুজিতা হন,তবে ভদ্রাকালী যেহেতু পাতাল কালি,তিনি নিজ থেকে পাতাল থেকে উঠে না এলে মানুষের পক্ষে তার পুজা করা সম্ভব নয়,যেমন, চট্টগ্রামের নলুয়া কালীবাড়ি, ইনি ভদ্রাকালী স্থান ভেদে এই কালী মহাকালী নামেও পরিচিত।তবে ভদ্রাকালী ও মহাকালী এক,কারন উভয়ের পুজা ধ্যানমন্ত্র এক

৩) রক্ষাকালীঃ রক্ষাকালী দক্ষিনাকালীর একটি নাগরিক রুপ।প্রাচীন কালে নগর বা লোকালয়ের রক্ষার জন্য এই দেবীর পুজা করা হতো। এই দেবীর পুজা মন্ত্র ভিন্ন এবং ইনার বাহন স্থানভেদে সিংহ

৪) রটন্তিকালীঃ পুত্র সন্তান কামনায় বিশেষ ভাবে এই দেবীর পুজা করা হয়,এছাড়া ধন বৃদ্ধির জন্যও ইনি বছরের একটি বিশেষ অমাবস্যায় পুজিত হন।শাস্ত্রানুযায়ী মাঘ মাসের কৃষ্ণাচতুর্দশী তিথির নামই হলো রটন্তি,এইদিন সন্ধায় তার পুজা করতে হয়।

৫) ফলহারিনী কালীঃ গৃহ ধর্মকে সুন্দর করতে এই দেবীর আবির্ভাব, নামে ফলহারিনী হলেও অভিষ্ট সিদ্ধ দায়িনি,জানা যায় রামপ্রসাদ নিজ স্ত্রীকে এই দিন দেবীরুপে পুজা করে নারী জাতীর সম্মানের জন্য এর ফল উৎসর্গ করেন।এটিও বাৎসরিক একটি পুজা।

৬) নিশাকালীঃ নিশাকালী নিয়ে মতভেদ আছেবলা হয়ে থাকে ইনি জেলেদের রক্ষাকারী, দুর্যোগময় রাতে জেলেরা সমুদ্রে গেলে তার পুজা করে যেতেন,অবিশ্বাস্য হলেও সত্য তার চরন ছোয়া ফুল যে নৌকায় থাকতো সেই নৌকা কদাচিৎ ডুবতোই না। এছাড়া আধিভৌতিক ভীতি কাটানোর জন্যওএই দেবী প্রসিদ্ধ। আবার অন্যমতভেদও আছেকোন এক সময় এক গ্রামের কয়েকটি জেলে পুরুষ নৌকা নিয়ে বের হয়ে যাবার পর প্রচণ্ড ঝড় শুরু হয়।সেই সময় সকল জেলে পত্নী তাদের স্বামীর জন্য দেবী মন্দিরে উপস্থিত হয়ে প্রার্থনা করতে থাকে,সেই সময় একজন বৃদ্ধা

এসে তাদের নিশাকালীর মাহাত্ম্য কথা বলে তাদের বলেন,যে কুলে স্বয়ং দেবী জন্ম নিয়েছিলেন,সেই কুলের রুক্ষাকর্ত্রী দেবী নিজেই,তাই তার রুপ নিশাকালীর ব্রত করো,তিনিই দুর্যোগময় রাতে তোমাদের পতিদের রক্ষা করবেন, সেই থেকে জেলেকুলে ধুমধামের সাথে দেবীর স্থান হলেও কালক্রমে নিশাকালীর পুজা প্রথা বিলীন হয়ে যায়,কিন্তু স্থানভেদে কিছু জায়গায় এখনো তার পুজা বিদ্যমান।

৭) কাম্যকালীঃআমাদের বিশেষ কামনায় বা বিশেষ প্রার্থনায় যে কালীপুজা আয়োজন করা হয়,তাকেই কাম্যকালী পুজা বলা হয়,,পুজা বিধি দক্ষিনাকালীর মতই।সাধারনত অষ্টমী, চতুর্দ্দশী অমাবস্যা পুর্ণিমা ও সংক্রান্তিকে পর্বদিন বলে।পর্বসমুহের মধ্যে অমাবস্যাকে বলা হয় মহাপর্ব। বিশেষ কামনায় এই সকল তিথিতে যে পুজা করা হয় তাকেই কাম্যকালী পুজা বলা হয়।

৮) শ্মশান কালীঃ শ্মশানের অধিষ্ঠাত্রী দেবীই হলেন শ্মশানকালী।তার পুজাবিধি একটু অন্যপ্রকার। সাধারনত বলা হয়ে থাকে যে গৃহীদের জন্য এই দেবীর পুজা নিষিদ্ধ।সেই সকল গৃহীই তার পুজা করতে পারে,যে শশ্বানে তাদের পরিবারের দেহ রাখা হয়েছে এবং শুধুমাত্র সেই শ্মশানকালীর পুজা তারা করতে পারেন। কিন্তু সব শ্মশানেই শ্মশানকালী থাকে না।ছোট ছোট শ্বশান মিলে একটি মহাশ্বশান হয়,আর কয়েকটি মহাশ্বশান নিয়েই শ্বশানপীঠ হয়,এই পীঠেই দেবী অবস্থান করেন।

30/04/2020

দক্ষিণা কালিকা ধ্যান মন্ত্র
🌺🌼🌺🌼🌺🌼🌺🌼🌺🌼🌺🌼🌺🌼🌺
ওঁ করালবদনাং ঘোরাং মুক্তকেশীং চতুর্ভুজাম্ ।
কালিকাং দক্ষিণাং দিব্যাং মুন্ডমালাবিভূষিতাম্।।
সদ্যশ্ছিন্নশিরঃখড়্গবামাধোর্দ্ধকরাম্বুজাম্ ।
অভয়াং বরদাঞ্চৈব দক্ষিণোর্দ্ধাধঃপাণিকাম্।।
মহামেঘপ্রভাং শ্যামাং তথা চৈব দিগম্বরীম্ ।
কণ্ঠাবসক্তমুন্ডালীগলদ্রুধিরচর্চ্চিতাম্ ।
কর্নাবতংসতানীতশবযুগ্মভয়ানকাম্ ।।
ঘোরদ্রংষ্টাং করালাস্যাং পীনোন্নতপয়োধরাম্।
শবানাং করসংঘাতৈঃ কৃতকাঞ্চীং হসন্মখীম্ ।।
সৃক্কদ্বয়গলদ্রক্তধারাবিস্ফুরিতাননাম্ ।।
ঘোররাবাং মহারৌদ্রীং শ্মশ্মানালয়বাসিনীম্ ।
বালার্কমণ্ডলাকারলোচনত্রিতয়ান্বিতাম্ ।।
দস্তুরাং দক্ষিণব্যাপি-মুক্তালম্বিকচোচ্চয়াং ।
শবরূপ-মহাদেবহৃদয়ো-পরিবংস্থিতাম্ ।।
শিবাভির্ঘোররাবাভিশ্চতুর্দিক্ষু সমন্বিতাম্ ।
মহাকালেন চ সমং বিপরীতরতাতুরাম ।।
সুখপ্রসন্নবদনাং স্মেরাননসরোরুহাম্ ।
এবং সঞ্চিন্তেয়ৎ কালীং ধর্মকাম-সমৃদ্ধিদাম্ ।।

🌺বঙ্গানুবাদ :--

যিনি করালবদনা, ঘোররূপা, মুক্তকেশী, চতুর্ভুজা।,
যিনি দক্ষিণাকালিকা নামে অভিহিতা, দিব্যা, মুণ্ডমালায় বিভূষিতা।।
যার বামদিকে নিম্ন ও ঊর্ধ্বস্থিত পদ্মহস্তে যথাক্রমে সদ্যছিন্ন মুণ্ড ও খড়গ আছে।
এবং দক্ষিণদিকের নিম্ন ও ঊর্ধ্বহস্তে যিনি বর ও অভয়দান করছেন।।
যিনি মহামেঘের মত শ্যামবর্ণা ও দিগ্বসনা।
গলদেশের মুণ্ডমালা হতে নিঃসৃত রক্তে যা্র সর্বাঙ্গ রঞ্জিত হচ্ছে।।
দুইটি শিশু শবকে কর্ণভূষণরূপে ধারণ করে যিনি অতি ভীষণা হয়ে আছেন।
যাঁর দন্ত ও মুখবিবর ভয়ংকর, যিনি পীনোন্নত স্তনযুক্তা।।
যিনি শবহস্ত দ্বারা কটিভূষণ রচনা করে হাস্যমুখী।
ওষ্ঠপ্রান্ত থেকে রক্তধারা নিঃসৃত হওায় যিনি ভীষণ আননা হয়ে আছেন।।
যাঁর রব মূর্তি অতি ভয়ংকর,যিনি শ্মশানে বাস করেন।
যাঁর নয়নত্রয় সূর্যমণ্ডলের মত রক্তিম।।
যাঁর দন্ত উন্নত,যাঁর কেশগুচ্ছ দক্ষিণদিক আবৃত করে বিলম্বিত হয়ে রয়েছে।
যিনি শবরূপী মহাদেবের হৃদয়োপরি অবস্থিতা।।
ভয়ংকর শব্দকারী শিবাকূল দ্বারা চতুর্দিকে বেষ্টিতা।
মহাকালের সঙ্গে যিনি বিপরীত বিহারে নিরতা।।
সুখে যাঁর বদনমণ্ডল হর্ষোজ্জ্বল, যাঁর মুখ আনন্দে প্রসন্ন ও মুখকমল সর্বদা হাস্যযুক্ত।
সেই ধর্ম--কাম-সমৃদ্ধি দায়িনী কালিকাকে এভাবেই স্মরণ করতে হয়।।
লেখা :- সংগৃহীত🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺

মালয়েশিয়াতে ডেঙ্গু চিকিৎসা কিভাবে দেওয়া হয়? একজন বাংলাদেশী সেখানে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে কিভাবে সুস্থ হলেন তা লিখেছেন। সংগৃহি...
01/09/2019

মালয়েশিয়াতে ডেঙ্গু চিকিৎসা কিভাবে দেওয়া হয়? একজন বাংলাদেশী সেখানে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে কিভাবে সুস্থ হলেন তা লিখেছেন। সংগৃহিত পোষ্টটি শেয়ার করলাম, যদি কারো কাজে আসে।

ছিমছাম মালয়েশিয়া.... এক ঋতুর দেশ। সারা বছর বৃষ্টি থাকে। সেখানে প্রচুর ডেঙ্গু রোগী।
তাদের জন্য আলাদা চিকিৎসা ব্যবস্থা আছে।

ব্যক্তিগত কাজে মালয়েশিয়ায় যাই। কয়েকদিন কুয়ালালামপুর থাকি। সেখান থেকে লংকাউই গিয়ে জ্বর অনুভব করি। তাই তাড়াহুড়ো করেই কুয়ালালামপুর ফিরে আসি। জানাশোনা সবাই বলল, ডেঙ্গু হতে পারে। আমি হাসপাতালে গেলাম। রক্ত পরীক্ষা করে চিকিৎসক বললেন, ডেঙ্গু হয়েছে। রোগটি সম্পর্কে আমার ধারণা পরিষ্কার না থাকায় হাসপাতাল থেকে হোটেলে ফিরে আসি। জ্বরের মাত্রাও বাড়ল। শরীরে প্রচ- ব্যথাও অনুভব করতে থাকি। আবার গেলাম হাসপাতালে। সঙ্গে সঙ্গেই চিকিৎসক স্যালাইন পুশ করলেন। একটি শেষ হলেই আরেকটি স্যালাইন দেওয়া হলো।

দেখলাম, সেখানে প্রচুর ডেঙ্গু রোগী। তাদের জন্য আলাদা চিকিৎসা ব্যবস্থা আছে। তখনই জানলাম, মালয়েশিয়া ডেঙ্গুপ্রধান দেশ। সারা বছর বৃষ্টির কারণে দেশটিতে এডিস মশাও প্রচুর। যদিও সরকার সারা বছর ওষুধ ছিটায়। হাসপাতালে যেতেই কর্তৃপক্ষ জানতে চাইল, আমি কোথায় ছিলাম। আমার ঠিকানা নিয়ে ওই এলাকা এবং এর আশপাশে আধাকিলোমিটার মশার ওষুধ ছিটানো হলো। এ হলো তাদের মশারোধের অন্যতম ব্যবস্থা।

চিকিৎসা শুরু হলো। আমাকে প্রথমে বেশি গতিতে, মিনিটে ১৮-২০ ফোঁটা করে স্যালাইন দেওয়া হলো। ৩ ব্যাগ স্যালাইন শেষ হওয়ার পর গতি কমানো হলো। মিনিটে ৬ থেকে ৮ ফোঁটা দেওয়া হলো। প্রতিঘণ্টায় রক্ত পরীক্ষা করে প্লাটিলেট দেখা হলো। একটি পানি পরিমাপ করার মগ দেওয়া হলো। বলা হলো, প্রস্রাব করতে হবে ওই মগে। প্রতি ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ প্রস্রাব করতে হবে, যা একজন স্বাভাবিক মানুষের ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা পর হয়ে থাকে। অর্থাৎ আমাকে এতটাই পানি এবং তরল পদার্থ পান করানো হলো যে, ১৫ মিনিটের মধ্যে প্রস্রাবের বেগ হতো। ২ দিন হাসপাতালে ছিলাম। কী পরিমাণ পানি পান করেছি তা অনুমান করা যাবে না।

এরপর স্যালাইনের পরিমাণ ৪ ফোঁটায় নামানো হলো। প্রতি ঘণ্টায় রক্ত পরীক্ষা হাসপাতাল ছাড়ার আগ পর্যন্ত চলল। মাঝে মাঝে কিছু ওষুধ খাওয়াল। খাবারে করলা থাকল প্রতি বেলায়। জেনেছি, ডেঙ্গু রোগীর জন্য এটি নাকি বিশেষ খাবার।

চিকিৎসকের অনুমতির কিছুদিন পর হাসপাতাল ছাড়লাম। দেখলাম, শত শত রোগীকে একই পদ্ধতিতে চিকিৎসা করানো হচ্ছে এবং সবাই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। আমি মনে করি, ডেঙ্গু চিকিৎসার ব্যাপারে মালয়েশিয়ার পরামর্শ নিতে পারি জরুরি ভিত্তিতে।

হাসপাতাল ছাড়ার পর চিকিৎসক আমাকে পেঁপে পাতার জুস (মালয়েশিয়ায় বোতলজাত পাওয়া যায়) খেতে দিলেন। এই জুস খাওয়ার পর আমি শরীরে বেশ জোর পেলাম। জেনেছি, পেঁপে পাতার রস প্লাটিলেট বাড়াতে খুবই সাহায্য করে।

আমার অভিজ্ঞতা থেকে জেনেছি, মালয়েশিয়ায় সারা বছরই মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়। তাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা অনেক উন্নত। ডেঙ্গু নিয়ে তাদের গবেষণাও বেশ ভালো। মালয়েশিয়া সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের চিকিৎসা পদ্ধতি গ্রহণ করা গেলে আমাদের দেশের অনেক প্রাণ বাঁচবে।(জনস্বার্থে সংগৃহীত পোস্ট)।

11/11/2015
11/11/2015
Joy Maa Tara
11/11/2015

Joy Maa Tara

"এসেছি হেথায় তোমারি আজ্ঞায়, আদেশ করিবা মাত্র যাবো চলিয়া। পরমে পরম জানিয়া। কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহে ডরি না কভু। আমি যে দাস অনুদাস, তুমি যে প্রভু। কারণ-অকারণ তোমারই সৃজন, আশ্চার্য হই না কভু ভীষন দেখিয়া পরমে পরম জানিয়া।। তুমি পাপ, তুমি পূণ্য, সকলই তোমারি দান। আসন পাতিয়া আছো হে মহা মানব প্রাণ।"

Address

Narayanganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kali bari, Kalibazar, Narayanganj posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share