Kazi Office

Kazi Office এখানে বিবাহ্ ও তালাক রেজিস্ট্রি করা হয়

20/12/2021

বাংলাদেশের আইন অনুসারে, ছেলেদের বিয়ের সর্বনিম্ন বয়স নির্ধারন করা হয়েছে ২১ বছর এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ১৮ বছর। এর কম বয়সে ছেলে কিংবা মেয়ের বিয়ে দেওয়া হলে সেটি বাল্য বিবাহ হিসেবে বিবেচিত হয়। বাল্যবিবাহ আইনত দন্ডনীয় অপরাধ।
বাংলাদেশে ১৯২৯ সালের বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন, ১৯৭৪ ও ১৯৭৫ সালের মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্ট্রেশন) আইন, ১৯৮০ সালের যৌতুক নিরোধ আইন প্রভৃতি আইনের সমন্বিত নিয়ম-ধারার অধীনে মুসলমান সমাজে আইনী বিবাহ ও আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পাদিত হয়। মুসলিম আইন অনুসারে বিয়ে কেবলমাত্র একটি ধর্মীয় দায়িত্বই নয়, একটি দেওয়ানী চুক্তিও। এই আইন অনুসারে একটি পূর্ণাঙ্গ বিয়ের জন্য কতিপয় শর্ত পূরণ করতে হয়ঃ
১। উভয়পক্ষের ন্যুনতম বয়স
২। পারস্পরিক সম্মতি
৩। দেনমোহর
৩। সুস্থ মস্তিষ্কের প্রাপ্তবয়স্ক ২ জন সাক্ষী
মুসলিম আইন অনুসারে বিয়ের রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক এবং এই দায়িত্ব পুরুষের। এই দায়িত্ব পালন না করলে ২ বছর পর্যন্ত মেয়াদে বিনা শ্রম কারাদন্ড বা ৩,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। বিয়ের অনুষ্ঠানে বিয়ে রেজিস্ট্রেশন করা উত্তম, তবে কোন কারণে তা না হলে ৩০ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
কোন নারীর ১৮ বছর পূর্ণ না হলে এবং তার সম্মতি ছাড়া বিয়ে হলে, তিনি মুসলিম বিবাহ বাতিল আইন, ১৯৩৯ অনুযায়ী আদালতে বিয়ে বাতিলের আবেদন করতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে দুটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে-
১। মেয়েটি যদি স্বামীর সাথে দাম্পত্য সম্পর্ক স্থাপন করবে না অর্থাৎ সহবাস করবে না।
২। মেয়েটির বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার পর এবং ১৯ বছর পার হওয়ার আগে বিয়েকে অস্বীকার করতে হবে।
বাল্যবিবাহের শাস্তির পরিমান হলো ১ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদন্ড বা ১ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় প্রকার দন্ড। শিশু বিবাহকারী পুরুষ, বিবাহ রেজিস্ট্রেশনকারী নিকাহ রেজিস্ট্রার এবং অভিভাবকসহ বাল্যবিবাহের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এই শাস্তি ভোগ করবে। এক্ষেত্রে কোন নারীকে কারাদন্ড দেয়া যাবে না।
মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্টেশন) আইন, ১৯৭৪-এর ধারা ৫ (২) অনুযায়ী, যেক্ষেত্রে একজন নিকাহ রেজিস্ট্রার ব্যতিত অন্য ব্যাক্তি দ্বারা বিবাহ অনুষ্টিত হয়, সেক্ষেত্রে বর বিবাহ অনুষ্টানের তারিখ থেকে পরবর্তী (৩০) ত্রিশ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট নিকাহ রেজিস্ট্রারের নিকট প্রতিবেদন দাখিল করবেন। উক্ত আইনের ৫ (৩) ধারা অনুসারে, প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর তাৎক্ষণিক নিকাহ রেজিস্ট্রার বিবাহটি রেজিস্ট্রি করবেন।
ধারা ৫ (৪) অনুযায়ী অত্র আইনের বিধান লঙ্ঘন করলে দুই বছর পর্যন্ত মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা তিন হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
বিবাহ রেজিস্ট্রি হওয়ার পরই, রেজিস্টারের যে পৃষ্টায় বিবাহ রেজিস্ট্রি করা হয়েছে, তার সত্যায়িত নকল তুলে সংরক্ষণ করতে হবে। মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্ট্রেশন) আইন, ১৯৭৪-এর ধারা ৯ অনুযায়ী, এ ধরনের নকলের জন্য কোন ফিস প্রদান করতে হবে না।
কোনো নারীর স্বামী মারা গেলে অথবা তাকে স্বামী কর্তৃক তালাক দেওয়া হলে, ঐ নারীর গর্ভে আগের স্বামীর সন্তান আছে কিনা সেটা নিশ্চিত হওয়ার জন্য, ইদ্দত পালন না করে, অন্য কাউকে বিয়ে করতে পারেন না। এটা নিশ্চিত হওয়ার জন্য, তালাকপ্রাপ্ত হলে পরপর ৩টি পূর্নাঙ্গ ঋতুকালীন সময়, আর স্বামী মারা গেলে ৪ মাস ১০ দিন সময় অপেক্ষা করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে যদি কোনো গর্ভ সঞ্চার হওয়ার লক্ষণ প্রকাশিত না হয়, তাহলে তিনি ইদ্দত শেষ করে অন্য কাউকে বিয়ে করতে পারবেন। আর যদি গর্ভের লক্ষন প্রকাশিত হয়, তাহলে তার ইদ্দত হবে সন্তান জন্ম দেওয়া পর্যন্ত। সন্তান জন্ম নিলে এর পরে তিনি অন্য কাউকে বিয়ে করতে পারবেন।
আল্লাহর বানীঃ দুশ্চরিত্রা নারীকূল, দুশ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে এবং দুশ্চরিত্র পুরুষকুল, দুশ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে। সচ্চরিত্রা নারীকুল, সচ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে এবং সচ্চরিত্র পুরুষকুল, সচ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে। তাদের সম্পর্কে লোকে যা বলে, তার সাথে তারা সম্পর্কহীন। তাদের জন্যে আছে ক্ষমা ও সম্মানজনক জীবিকা। [সূরাআন-নুরঃ ২৬]

এখানে বিবাহ্ ও তালাক রেজিস্ট্রি করা হয়

26/01/2020

রক্তসম্পর্কের ভিত্তিতে বিয়ের নিষেধাজ্ঞা নয়টিঃ
যথা: মা, বোন, মেয়ে, দাদী, নানী, খালা, ফুফু, ভাতিজী, ভাগ্নী|

দুগ্ধপানের ভিত্তিতে নিষেধাজ্ঞাঃ
কোন ছেলেসন্তান জন্মের প্রথম দু’বছরের মধ্যে আপন মা ছাড়া রক্তসম্পর্কের বাইরে যদি কোন মহিলার স্তন্যদুগ্ধ পান করে থাকে, তবে তাকে ঐ ছেলে সন্তানের দুধমাতা বলা হয়| বিবাহের ক্ষেত্রে আপন মায়ের মত ঐ মহিলার ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। তাই একজন পুরুষের জন্য তার দুধমাতার সঙ্গে এবং দুধমাতার বোন ও মেয়ের সঙ্গে বিবাহ নিষিদ্ধ।

বিবাহের ভিত্তিতে নিষেধাজ্ঞাঃ
১। সৎ-মা, সৎ-দাদি, সৎ-নানী
২। কোন না কোন সময় সহবাস করেছে এমন স্ত্রীর কন্যা
৩। শাশুড়ি, নানী-শাশুড়ি, দাদি-শাশুড়ি
৪। ছেলের বউ, নাতির বউ
৫। স্ত্রীর সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক বিদ্যমান থাকা অবস্থায় তার বোন, খালা, ফুফু, স্ত্রীর ভাইয়ের অথবা বোনের কন্যা।

ধর্মের ভিত্তিতে নিষেধাজ্ঞাঃ
একজন মুসলিম পুরুষ কোন মুশরিক (মূর্তিপূজারী) বা কাফির (অবিশ্বাসী) নারীকে বিয়ে করতে পারবে না, শুধুমাত্র কোন মুসলিম নারী এবং পাশাপাশি কোন ইহুদি বা খ্রিষ্টান নারীকেও বিয়ে করতে পারবে। অপরদিকে একজন মুসলিম নারী শুধুমাত্র একজন মুসলিম পুরুষকেই বিয়ে করতে পারবে।
অর্থাৎ যাদের সাথে বিয়ে নিষিদ্ধঃ
পুরুষের জন্যঃ মা, সৎমা, বোন, সৎবোন, দাদী, বড়দাদী এবং তাদের মাতৃসম্পকের পূর্বসূরী নারীগণ, নানী, বড়নানী এবং তাদের মাতৃসম্পর্কের পূর্বসূরীগণ, কন্যাসন্তান, নাতনী, নাতনীর কন্যাসন্তান এবং জন্মসূত্রে পরবর্তী প্রজন্মসমূহের নারীগুণ (উদাহরণঃ নাতনীর কন্যার কন্যা ও তার কন্যা ইত্যাদি), ফুফু, খালা, সৎমেয়ে, ভাইয়ের মেয়ে, বোনের মেয়ে, দুধমা, দুধবোন, দুধমায়ের বোন, আপন পুত্রের স্ত্রী, শাশুড়ী, সমলিঙ্গের সকল ব্যক্তি অর্থাৎ সকল পুরুষ এবং জৈবিকভাবে নারী ব্যতীত অন্য যে কোন লিঙ্গের ব্যক্তি, মুর্তিপুজারী বা মুশরিক বা বহুঈশ্বরবাদে বিশ্বাসী নারী (নারীদের জন্য সকল অমুসলিম পুরুষ), আপন দুই বোনকে একসাথে বিয়ে করা, (নিজ স্ত্রীর সাথে বিবাহ-বিচ্ছেদের পর অথবা তাঁর মৃত্যুর পর অপর বোনকে বিয়ে করতে পারবে। ইসলামে নারীদের জন্য বহুবিবাহ অর্থাৎ একই সময়ে একের অধিক পুরুষের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ থাকার অনুমতি না থাকায় বিপরীতভাবে নারীদের জন্য এই নিয়মটি প্রযোজ্য হবে না।)

বিঃদ্রঃ নারীর জন্যেও লিঙ্গীয় বিবেচনায় বিপরীতভাবে উপর্যুক্ত নিয়ম প্রযোজ্য হবে।

Address

Sonargaon Thana Road
Narayanganj
1440

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kazi Office posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Kazi Office:

Share