ইসলামী জীবন

ইসলামী জীবন কালিমা, নামায,রোযা, হজ্ব, যাকাত নিয়ে ইসলামী জীবন পেজের আলোচনা। প্রাকটিক্যাল মাসআলা মাসাইল শিখুন।

ইসলামী জীবন- হাজারো ইসলামিক কিতাবের টেক্সট পাবলিশ করার কাজে হাত দিয়েছেন।

15/04/2026

**🌹মনে রাখবেন🌹**

**দুঃখ জীবনের অংশ হতে পারে, কিন্তু জীবনের উদ্দেশ্য নয়। যে মানুষ তার ব্যথা বুঝতে পারে, সে অন্যদের দোষ দেওয়া ছেড়ে দেয়। সচেতনতা আমাদের শেখায় যে পরিস্থিতি আমাদের থামাতে নয়, বরং গড়ে তুলতে আসে।**

14/04/2026

নববর্ষের বিরোধীতা করছি না, কিন্তু মিলাদ মাহফিল যদি তারা এমন সুন্দরভাবে নাত পাঠ করে পালন করতো।

মিলাদের মাস আসলে কুরআন হাদিসের দলিল খুঁজি, নববর্ষ পালন কুরআন বা হাদিসের কোন দলিল দিয়ে পালন হচ্ছে।

29/03/2026

দিনের আলো নিভে যেতেই বৃষ্টির দেখা

জুমার দিন গরিবের ঈদের দিন সকলকে জুমা মোবারক
27/03/2026

জুমার দিন গরিবের ঈদের দিন
সকলকে জুমা মোবারক

১৯৭১ এর এই দিনে যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
25/03/2026

১৯৭১ এর এই দিনে যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।

25/03/2026

দৌলতদিয়া ঘাটে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় ডুবে গেছে। শিশু নারীসহ প্রায় ৪৫ জন যাত্রী ছিলো

🤲 আল্লাহ তুমি যাত্রীদের পরিবারকে ধৈর্য্য ধারণ করার তৌফিক দান করো

25/03/2026

ব্যস্ত সড়ক, সাইনবোর্ড, নারায়ণগঞ্জ।

24/03/2026

🤲 হে রব্বুল আলামিন!!!
আমরা তোমার খুবই দুর্বল ও অসহায় বান্দা।
আমরা কোনো বড় বা কঠিন পরীক্ষা সহ্য করার ক্ষমতা রাখি না।

আমরা যেসব কষ্ট, সমস্যা ও দুশ্চিন্তায় জড়িয়ে আছি, তুমি তোমার মহান দয়া ও করুণায় সেগুলো সমাধান করে দাও।

**আমিন, ইয়া রব্বুল আলামিন** 🤲🏻🕋

এআইকে একটু নাড়া দিছি...কোরআনে আল্লাহ চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রেখেছেন, (কেয়ামত পর্যন্ত) ছোট একটি সূরা বানিয়ে নিয়ে আসতে....মাইক্র...
04/03/2026

এআইকে একটু নাড়া দিছি...
কোরআনে আল্লাহ চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রেখেছেন, (কেয়ামত পর্যন্ত) ছোট একটি সূরা বানিয়ে নিয়ে আসতে....
মাইক্রোসফটের তৈরি এআই বানাতে অস্বীকার করেছে।
সেই সময়ের মক্কার লোকেরাও সেই একই কথা বলেছিল।
(এটি জাস্ট কৌতুহল থেকে করা। এআই বলেছে তাই কোরআন সুমহান ব্যাপারটা এমন নয়, যা সুমহান তা সর্বদাই সুমহান, সুউচ্চ। কেউ বললেও, না বললেও)।

12/02/2026

১১/২/২০২৬ ইং
বাতিল খারেজির প্রথম স্লোগান 'ইনসাফ' আর দ্বিতীয় শ্লোগান 'আল্লাহর বিধান ছাড়া অন্য কিছু নয়' ।
ক'দিন পূর্বে রিকশাযোগে যাচ্ছিলাম আগারগাঁও। রিকশা চালক! আমাকে প্রশ্ন করেন- ভোট কাকে দেবেন? জওয়াবে আমি বলি- ভোট কোথায় দেব! কেউ তো শরিয়াহ আইন চাই না ? চালক বললেন- আগে 'ইনসাফ'কে ভোট দিন পরে ঠিক হয়ে যাবে!? আমি প্রশ্ন করলাম- ইনসাফী দল কোনটি? উনি বললেন অমুক দল।আমি মন ভরা দুঃখ নিয়ে রিক্সা চালককে বলি- মসজিদের ইমাম রঈস উদ্দীন আমার ছাত্র! যাকে দিবালোকে হত্যা করা হলো !খুনিদের গ্রেফতার করা হলো না? কবর থেকে লাশ উঠিয়ে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়া হলো! অপরাধীরা গ্রেফতার হলো না? অথচ সৃষ্টির নিকৃষ্ট জন্তু কুকুরের বাচ্চা মারার কারণে আসামি গ্রেফতার হলো, জেলে গেলো! 'ইনসাফ আর ইনসাফী দলের ভূমিকা রহস্যময়!! চাচা! বর্তমানে 'ইনসাফ' শব্দটা বাতিল যালিমদের কৌশলী ঢাল ।
মনে পড়ল যুল খোয়াইছরার কথা! সে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলে ছিল ‘হে মুহাম্মাদ! আপনি আল্লাহ্কে ভয় করুন ও ইনসাফ করুন! রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘ধ্বংস তোমার জন্য। আমি যদি ইনসাফ না করি তবে কে ইনসাফ করবে? আল্লাহর কসম! আমার পরে তোমরা এমন কোন লোক পাবে না, যে আমার চেয়ে অধিক ন্যায়পরায়ণ হবে’। সঙ্গে সঙ্গে ওমর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমাকে অনুমতি দিন, আমি এই মুনাফিকের গর্দান উড়িয়ে দেই’। তিনি বললেন, ‘না, আমি আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই, যদি এমন কর, তবে লোকেরা বলবে, আমি আমার সাথীদের হত্যা করি!(বোখারী শরীফ)
এই ব্যক্তিই ছিল প্রথম ‘খারেজী’ যে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামার বণ্টনের ব্যাপারে প্রশ্ন তোলে
'ইনসাফ' শব্দ ব্যবহার করে এবং নিজ প্রবৃত্তির রায়কে প্রাধান্য দিয়েছে ।
# # #সিফফীনের যুদ্ধ শেষে হযরত মাওলা আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু কুফায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্তকে অমান্য করে তাঁর দল থেকে কিছু লোক বের হয়ে যায় এবং ‘হারুরা’ নামক প্রান্তরে এসে অবস্থান করে। ইসলামের ইতিহাসে এদেরকে খারেজী বলা হয়। তাদের সংখ্যা মতান্তরে ৬, ৮, ১২ অথবা ১৬ হাজার হবে। বিচ্ছিন্নতার সংবাদ পেয়ে হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু দূরদর্শী সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনু আববাস রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুকে তাদের নিকট প্রেরণ করেন। তিনি তাদের সংশয়গুলিকে বিচক্ষণতার সাথে খন্ডন করায় বেরিয়ে যাওয়াদের মধ্য থেকে প্রায় ৪ অথবা ৬ হাজার লোক হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুর আনুগত্যে ফিরে আসেন। অতঃপর হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু কুফার মসজিদে দাঁড়িয়ে ভাষণ দিলেন ।মসজিদের এক কোণায় ‘লা হুকমা ইল্লা লিল্লাহ’ ‘আল্লাহর হুকুম ছাড়া কারো হুকুম মানি না’ স্লোগানে তারা মসজিদ প্রকম্পিত করে তুলে। তারা হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুকে উদ্দেশ্য করে বলে যে, আপনি বিচার ব্যবস্থা মানুষের হাতে তুলে দিয়েছেন! সিফফিনের যুদ্ধে তাহ্কিম বা সালেসের ব্যবস্থা করেছেন অথচ বিচারের মালিক হচ্ছেন একমাত্র আল্লাহ্। আপনি আল্লাহর বিধান ان الحكم الا لله ‘আল্লাহ ব্যতীত কারো ফায়সালা গ্রহণযোগ্য নয়’-এর হুকুম ভঙ্গ করেছেন। আল্লাহর বিধানের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শনের দরুন আপনি মুশরিক হয়ে গেছেন ইত্যাদি নাউযুবিল্লাহ।হযরত মাওলা আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু তাদেরকে বলেছিলেন كلمة حق اريد بها الباطل বাক্যটি সত্য (আল্লাহর বাণী) কিন্তু (তোমাদের) উদ্দেশ্য বাতিল।
এদের বিরুদ্ধে 'নাহরাওয়ান' নামক স্থানে মাওলা আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু যুদ্ধ পরিচালনা করেন। অনধিক দশজন ছাড়া সব খারেজীকে হত্যা করা হয়। বেঁচে যাওয়া খারেজীরা প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য দীর্ঘদিন যাবৎ প্রস্ত্ততি গ্রহণ করে। অতঃপর তারা হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুকে হত্যা করার জন্য গোপনে আব্দুর রহমান বিন মুলজিমকে ঠিক করে। অনুরূপভাবে হযরত মু‘আবিয়া রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুকে হত্যা করার জন্য বারাক বিন আব্দুল্লাহকে এবং আমর ইবনুল আস রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুকে হত্যা করার জন্য আমর বিন বাকরকে নির্বাচন করে। এভাবে তারা একই দিনে হত্যা করার জন্য অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়ে বেরিয়ে পড়ে। আব্দুর রহমান বিন মুলজিম তার দু’জন সহযোগী ওরদান ও শাবীবকে সঙ্গে নিয়ে ৪০ হিজরীর ১৭ই রামাযান জুম‘আর রাতে কূফায় গমন করে। ফজরের সময় হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুর বাড়ীর দরজার আড়ালে অস্ত্র নিয়ে ওঁৎ পেতে থাকে। তিনি বাড়ী থেকে বের হয়ে যখন ‘সালাত’ ‘সালাত’ বলে মানুষকে ডাকতে ডাকতে মসজিদের দিকে যাচ্ছিলেন, তখনই তারা হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুর মাথায় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। এতে তাঁর দাড়ি রক্তে রঞ্জিত হয়ে যায়। তৎক্ষণাৎ তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এ সময় হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুকে লক্ষ্য করে ঐ রক্তপিপাসু বলেছিল,لا حكم إلا لله ليس لك يا علي ولا لأصحابك، অর্থাৎ ‘হে আলী! আল্লাহ ছাড়া কারো বিধান নেই। তোমার জন্যও নেই এবং তোমার সাথীদের জন্যও নেই'। তাঁকে হত্যা করার কারণ জিজ্ঞেস করলে সে বলে উঠে,شحذته أربعين صباحا وسألت الله أن أقتل به شر خلقه ‘আমি চল্লিশ দিন যাবৎ তরবারিকে ধার দিয়েছি এবং আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করেছি, আমি যেন এই অস্ত্র দ্বারা তাঁর সৃষ্টির মধ্যে সর্বনিকৃষ্ট ব্যক্তিকে হত্যা করতে পারি’। (নাঊযুবিল্লাহি মিন যালিকা)
তিনদিন পর ৪০ হিজরীর ২১শে রামাযান ৬৩ বা ৬৪ বছর বয়সে তিনি শাহাদত বরণ করেন। এভাবেই খারেজীরা খুলাফায়ে রাশেদার মত জান্নাতী ও বিশিষ্ট সাহাবীগণের প্রাণনাশ ঘটিয়ে ইসলামের সোনালী ইতিহাসকে কলংকিত করে। (কিছু ইতিহাস হুবহু সংকলিত)

হৃদয় বিদারক।অমুসলিমের দেশে একজন মুসলিমকে তার স্ত্রী সন্তানের জানাযা পড়তে না দিলে সেটা মেনে নিতে সহজ হলেও, একটি মুসলিম দে...
25/01/2026

হৃদয় বিদারক।
অমুসলিমের দেশে একজন মুসলিমকে তার স্ত্রী সন্তানের জানাযা পড়তে না দিলে সেটা মেনে নিতে সহজ হলেও, একটি মুসলিম দেশে অমানবিক।
মহান রব এর বিচার করবেন একদিন।

Address

Chashara
Narayanganj
1420

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইসলামী জীবন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to ইসলামী জীবন:

Share

আমাদের মিশন

ইসলামী জীবন টিম কাজ করছে- একটি বৃহত্তম ইসলামীক অঙ্গন গড়ে তোলার। নির্ভরযোগ্য ইসলামীক কিতাব (বাংলা) এর টেক্সট অনলাইনে পাবলিশ করা যেন বাংলা ভাষী সকল মুসলিম গুগলে সার্চ করে সঠিক ও তথ্যবহুল ইসলামীক জ্ঞানার্জন করতে পারেন। এরই মধ্যে অনেকগুলো কিতাব আমাদের সাইটে পাবলিশ করা হয়েছে। গুগল সার্চ সহ নানা ভাবে সেখানে মাসিক গড় ভিজিটর ৩ হাজারেরও অধিক। আমাদের আশা, যত কন্টেন্ট বাড়বে মুসলিম ‍উম্মাহর জন্য তা ততই উপকারী হিসাবে প্রসিদ্ধি পাবে।

বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ইসলামীক ওয়েবসাইট বানানোর প্রারম্ভিক যাত্রা.... আপনিও শ্রম দিয়ে সহায়তা করতে পারেন।

ইসলামী জীবন ওয়েবসাইট- www.islamijibon.net ইসলামী জীবন ব্লগসাইট- https://islamijiboon.blogspot.com

ইসলামী জীবন ফেসবুক গ্রুপ- https://goo.gl/GMPf65 (জয়েন করুন)